1 997
Subscribers
+224 hours
+47 days
+230 days
Posts Archive
1 997
ফিটনেস কোচ এবং জিম ট্রেইনার এর মধ্যে পার্থক্য?
ফিটনেস কোচ এবং জিম ট্রেইনার সম্পূর্ণ এক নয়, যদিও দু’জনই ফিটনেস-সম্পর্কিত কাজ করেন।
এখন তাদের মধ্যে পার্থক্যটা কী?
১। জিম ট্রেইনার (Gym Trainer / Instructor)
একজন জীম ট্টেইনার সাধারণত জিমে কাজ করেন।ব্যায়ামের সঠিক ফর্ম, মেশিনে কাজ করা, সেট–রেপ, দৈনন্দিন ওয়ার্কআউট রুটিন দেখভাল করেন।ইনজুরি প্রিভেনশন, ওয়ার্ম-আপ, স্ট্রেচিং, জিম অনুশাসন—এসব শেখান।অনেক সময় একসাথে অনেক সদস্যকে গাইড করেন ।
২।ফিটনেস কোচ (Fitness Coach / Personal Coach)
ফিটনেস কোচ বেশি ব্যক্তিগতকৃত পরামর্শ দেন।ক্লায়েন্টের লক্ষ্য অনুযায়ী সম্পূর্ণ লাইফস্টাইল প্ল্যান তৈরি করেন যেমন (ডায়েট, স্লিপ, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, হ্যাবিট বিল্ডিং)।অনলাইন বা অফলাইনে কাজ করতে পারেন ।শুধু জিম নয় হোম ওয়ার্কআউট, আউটডোর অ্যাক্টিভিটি, বডি রিকম্পোজিশন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেন।
অনেক সময় আবার মানসিক মোটিভেশন ও অভ্যাস তৈরি করায় জোর দেন।
Written by
Fitness Coach
MD Tujammal Hossain Robin
Owner & Founder Of
Aesthetic Nation Fitness
1 997
আমাকে সামরিক সেকশনে ট্রাংক, লোহার খাট ইত্যাদির ব্যবসা করা একজন ব্যক্তি হঠাৎ নক করে। আমার লেখাগুলো দেখেই তিনি যোগাযোগ করেন। তখন আমি জ্বীন–কেন্দ্রিক অকাল্ট চক্র, এর সাথে কানেকশন এবং এর ওপর দাঁড়ানো আদর্শ নিয়ে কাজ করার বিষয়ে লিখছিলাম। সেই সময় তিনি জানান যে তাঁর নিজের জীবনে এই ডার্ক চক্র কিভাবে আঘাত করেছে এবং কিভাবে জীবনের ১২ টা বাজাচ্ছে । তিনি আগ্রহী ছিলেন, কারণ আমি বিষয়গুলোর কাঠামো বুঝি এবং এই বিচ্ছিন্ন কিন্তু সক্রিয় ব্লাক সাইডের সিস্টেম সম্পর্কে পরিচিত।।
তিনি আমাকে জজ কোর্ট, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট প সেকশনে কীভাবে এই ব্ল্যাক জ্বীন–শয়তানি সিস্টেম কাজ করে, তার বাস্তব উদাহরণ দেখান। এবং জানান, কত মানুষ ঠিক এই অদৃশ্য কৌশলের কারণে ভুক্তভোগী হয় সেটাও তুলে ধরেন।
আমরা যারা সাধারণ সিভিল লাইনে থাকি, তাদের ধারণা সীমিত। ব্যবসা সিভিলের উপরে, তার উপরে ব্ল্যাক মার্কেট, তারও উপরে প্রশাসন, আর প্রশাসনের উপরে আবার ডলার থাকলে লন্ডন। পাশাপাশি মামলার জগতে আরেকটি লাইনে রয়েছে সোর্সার্স–ভিত্তিক শয়তানি নেটওয়ার্ক একটা সাইডটিও আমার সামনে খোলাসা করেন।
“ব্লক দিয়ে রাখা”, “আটকে রাখা”, “প্যাচ দেওয়া” কিত্তি কাহিনী। এর মানে এই না যে, সুপ্রিম কোনো কিছু। বড় ধরনের বানও মারলেও লাভ হয়, কারণ পার্টির তুলনায় বান ছোট,এটা অনেকটা ম্যাজিকের মতো ফাও! তারপরেও, মানুষ ভালো রকমের ভুক্তভোগী।
যারা প্রশাসন বুঝে তারা ঐলাইনে সফল হয়, যারা মামলাবাজ মামলার লাইন বোঝে তারা সেই লাইনে সফল হয়। আর যারা ব্যবসায়ী তারা টাকার মাধ্যমে সফল বাট যারা এই সাইডের তাদের খেলাটা এই সাইডে চলে।
তিনি আরও দেখালেন কোর্ট–চত্বর ঘিরে আসল ভুক্তভোগিতার চিত্র। তারপর সামাজিক দিক তুলে ধরলেন: একটি ব্ল্যাক কালোচক্র, যারা দ্রুত ধনী হওয়াকে লক্ষ্য করে। তারা টার্গেট বেছে নেয় সাধারণত সম্পদশালী পুরুষ। জাদু–টোনা, মন্ত্র বা বশীকরণের মাধ্যমে তাঁকে নিয়ন্ত্রণে আনে, ঐ মহিলা তাকে বিয়ে করে তারপর তাকে অর্থাৎ, পুরুষকে কালো যাদু করে হত্যা করে ফেলা যেটার কালো যাদুর কারনে মেডিক্যাল ফরেন্সিক কোনো রিপোর্ট থাকে না বরং অসুস্থ বা রোগী হিসেবে মৃত্যু দেখানো হয় এরপর ঐ পুরুষকে হত্যার মাধ্যমে তার বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়। তারপর আবার একইভাবে পুরুষের ভাই, আত্মীয় বা অন্য কাউকে টার্গেট করা হয়। এভাবে তিন প্রজন্ম ধরে সিস্টেমিকভাবে সম্পদ হাতিয়ে নেওয়া হয়। শেষ রক্ত যদি নির্দিষ্ট নক্ষত্র–সংযোগের সাথে মিলে যায়, তখন তাদের মতে “১৬ কোলা পূর্ণ” হয়। আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় বংশটি বা মহিলাটি বংশীয় ধনী, কিন্তু ভেতরে পুরোটা ডার্ক–অপারেশন। যা তিন প্রজম্ন ধরে চলমান।
এখানে তার সাথে জ্বীনেরা থাকে, পরামর্শদাতা, সাথে চলা, কুফুরী কালাম আর আল্লাহ দ্রোহিতা। জ্বীনদের জন্যও এই চলমানের দরুন একটা অংশ তাদের বরাদ্দ থাকে। একটা চক্র, আদর্শ বিশ্বাস ফলাফল ভুক্তভুগি সমাজে শত প্রতিষ্ঠিত জাহেলিয়াতের একটা। যেটা চলমান।
প্রত্যেক খারাপির একেকটা অবস্থান আছে কোনটা ১০% আবার কোনোটা ৬% আবার কোনোটা ৩% যাতে একটা এতো বেশী পরিমান না হয় যে এটার উপর ফোর্স আসে। এবং এটা নস্ট হয়ে যায়। অন্যান্য জাহেলিয়াতের মতো বরং এটার মাত্রা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত ও চলমান থাকে। অবৈধ নেটওয়ার্কগুলো সাধারণত নিজেদের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে যাতে রাষ্ট্রীয় ফোর্স পুরোপুরি আঘাত না করে। এই কৌশল যা চক্রকে সনাক্ত হতে দেয় না, জনমত তৈরি হতে দেয় না,যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে একযোগে আঘাত করতে বাধা দেয়।
এগুলোর অনেক সাইড আছে শাখা আছে যেমন আদম ধর্ম, আবার শয়তানের নিশ্বাস, আবার ইলুমিনাতি গুপ্ত সংঘ, ধনী হওয়ার জন্য শয়তানের উপাশনা আবার আলকেমী পুজা যে কোনো ধাতুওকে স্বর্ন বানানোর ব্লাক ম্যাজিক অকাল্ট বা যাদু বিদ্যা। এরকম অনেক রকম ভার্শন আছে সমাজে। এটাও একটা প্রতিষ্ঠত ও চলমান ভুক্তভুগি ব্যাপার যা পাড়ায় মহল্লায় এগুলোর সাথে জরিত।
আবার দেখলাম, ‘এস লাইন’ নামে একটি কোরিয়ান ডার্মা সিরিজ দেখলাম—বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণদের মধ্যে এটি ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে চরম নৈতিক অধঃপতনের বার্তা দেওয়া হয়: যতখুশি নারীদের সাথে সম্পর্ক করো , তারপর হত্যা করো। অনেকে বিনোদন হিসেবে নিলেও এই ধরনের কনটেন্ট আচরণগত প্রভাব ফেলতে পারে। রাষ্ট্রগুলো জানে যে কনটেন্ট আচরণ ও আদর্শে প্রভাব ফেলে। তাই চীনের মতো দেশে এই ধরনের কন্টেন্ট নিষিদ্ধ।
যাইহোক, জ্বীন–শয়তানের সাথে কানেক্টেড এই ব্ল্যাক ও ডার্ক আদর্শ, শয়তানি ধর্ম, নেটওয়ার্ক, সংঘ–সংগঠন এবং নীতি–কাঠামো—এসবের সামাজিকীকরণের জায়গাগুলো সম্পূর্ণভাবে মুলৎপাটন করতে হবে।
এগুলো মোটেও ছোটখাটো কোনো বিষয় নয়; বরং একটি স্পিরিট–ডার্ক মাফিয়া গোষ্ঠী, যারা সমাজের ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যারের মতো কাজ করে—নীরবে প্রবেশ করে, নিয়ন্ত্রণ করে, এবং শেষ পর্যন্ত ভেঙে ফেলে।
1 997
একটা সহজ প্রশ্ন, "কেমন আছেন আপনি?!"
উত্তরঃ "ভালো আছি"। আসলেই কি তাই? ভালো থাকা বলতে আমরা কি বুঝি? শুধুই শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা, নীরোগ থাকা? আর আপনার মন, মস্তিষ্ক- সেগুলো কি ভালো আছে আদৌ?!
জানি, লেখা পড়ে হয়তো মনে হবে কিসের প্যাচাল শুরু করছি, মন নিয়ে ভাবার কি আছে?! কথা হচ্ছে, শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মন- মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবাটাও জরুরি।
১৯৪৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘স্বাস্থ্য’–এর যে সংজ্ঞা দিয়েছিল, তা একটু মনে করা যাক- ‘কেবল নিরোগ থাকাটাই স্বাস্থ্য নয়; বরং শারীরিক, মানসিক, আত্মিক ও সামাজিকভাবে ভালো থাকার নামই স্বাস্থ্য।’ অথচ আমরা জেনে কিংবা না জেনে স্বাস্থ্য বলতে শুধুই এর আংশিক ব্যাখ্যা দিয়ে এসেছি। ফলে আজ পর্যন্ত ‘স্বাস্থ্য’ শব্দটি সীমাবদ্ধ হয়ে আছে ‘শারীরিক’ অংশটুকুর মধ্যে। অক্টোবর ১০,২০২১, বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। বলার বাকি রাখে না যে এই দিবস আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব, সচেতনতা, আমাদের করণীয় সম্পর্কে তুলে ধরে। আর বিশেষ করে এই ঘরবন্দী সময়ে মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব দেওয়াটা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে।
কখন বুঝবেন যে আপনি মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন?
| আশাহীন থাকাঃ মেজর ডিপ্রেশনের এক অন্যতম লক্ষণ হচ্ছে আশাহীন থাকা। মানুষ স্বভাবতই আশাবাদী থাকে তার কাজের জন্য, তার আগামী দিনগুলোর জন্য। কিন্তু এই নিরাশ হয়ে বসে থাকা, অনাগ্রহ দেখানো কখনোই সুস্থ মনের মানুষ করে থাকে না।
| ইচ্ছা হারানোঃ মানসিক অবসাদ আমাদের জীবন থেকে আনন্দের মুহুর্তগুলো সরিয়ে নিতে বিন্দুমাত্র সময় নেয় না।
| নিয়ন্ত্রণ হারানোঃ সামান্য বিষয় নিয়ে হুট করে রেগে যাওয়া আর পরক্ষণেই নিজের কাজের জন্য অনুতপ্ত বোধ করাটাও মানসিক ভাবে অসুস্থ হওয়ার লক্ষণ।
| উদ্বিগ্নতাঃ কোনো ঘটনায় কিংবা কাজে নার্ভাস ফীল করা, ক্লান্ত বোধ করা, কোনো কিছুতে অল্পতেই প্যানিক করা, হার্টবিট বেড়ে যাওয়া, হাত-পা অবশ হয়ে আসা, হাজারো চিন্তা মাথায় এসে জমাট বাধা- এই সব কিছুই ডিপ্রেশনের অন্যতম লক্ষণ।
এত কিছুর মাঝেও একটা প্রশ্ন যে কি করে আমরা নিজদের মন ভালো রাখতে পারি? কিছু কমন টিপস যা আমাদের মন ভালো রাখতে সহায়তা করেঃ
১. অনুভূতি প্রকাশঃ চাপা কান্না কেউ শুনতে পায় না, তেমনি মনের চাপা কষ্টটাও কেউ বুঝতে পারে না। তাই, নিজের অনুভূতি, খারাপ লাগা, কি কারণে নিজেকে একা লাগছে তা কোনো একজনের সাথে শেয়ার করা উচিত, এতে মন হালকা হয়।
২. সক্রিয় থাকাঃ স্টুডেন্ট, কিংবা কর্মজীবী যেই হোন না কেন, নিজেদের কাজে সক্রিয় থাকাটা খুব জরুরি। কথায় বলে, "অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা", যখনই আপনি একা অলস সময় কাটাবেন তখনই দুশ্চিন্তা মাথায় এসে ভর করবে। তাই কাজে সক্রিয় থাকা খুব জরুরি, তবে তা নিজেকে অবহেলা করে নয়।
৩. ভালো খাবারঃ শরীর আর মন একে অপরের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শরীর ভালো না থাকলে মন ভালো থাকে না, আবার মন ভালো না থাকলে শরীর ভালো থাকে না। তাই মন ভালো রাখার জন্য ভালো খাবার খাওয়া জরুরি, এতে শরীরও ভালোই থাকলো।
৪. নেশা পরিত্যাগঃ সবচেয়ে কমন একটা কেস হলো দুশ্চিন্তা কাটাতে নেশা করা, সেটা হতে পারে সিগারেট, বা অ্যালকোহল- যেকোনো কিছু। তবে একটা কথা, এই নেশাদ্রব্য কখনোই ভালো কোনো ফলাফল দেয় না। এই নেশা চরম পর্যায়ে গেলে ছাড়ার উপায় থাকে না, আবার না ছাড়লেও নিজেকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া। তাই ডিপ্রেশনে থাকলে নেশাদ্রব্য নেওয়ার কথা মাথা থেকে এখুনি ঝেড়ে ফেলুন।
৫. বিরতিঃ অনেক সময় যান্ত্রিক শহরে আমরা হয়তো নিজেকে অনেক সময় খুঁজে পাই না। কাজের মধ্যে সারাদিন ডুবে থাকা, তারপর বাসায় ফিরে খেয়ে এক ঘুম। এভাবে নিজেকে হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। কাজে বিরতি নিন, কোথাও ট্যুর দেওয়া যায় কিংবা তিন দিন বিরতি নিয়ে আশেপাশে পার্কে ঘুরাঘুরি করা যায় কিংবা নিজের পছন্দের কাজ (যেমনঃ বাগান করা, বই পড়া) করা যায়।
৬. নিজেকে গ্রহণ করতে শেখাঃ কে কত ভালো, কত দক্ষ সেই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা প্রত্যেকেই যেন একটা প্রতিযোগিতা লাগিয়ে দেই। এটা উচিত নয়। নিজের দক্ষতা বুঝে নিজের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া উচিত। আপনার গানের গলা ভালো না, কিন্তু আপনি চমৎকার বিতর্ক করতে পারেন। আপনাকে গান গাইতেই হবে এমন কোনো কথা নেই, আপনার ফিল্ড অনুসারে নিজেকে সেই জায়গায় নিয়ে যান। কারণ স্রোতে গা ভাসিয়ে কোনো লাভ নেই, পরবর্তীতে নিজেকেই পস্তাতে হয়৷
আর হ্যাঁ, একটা কথা মাথায় রাখবেন- "মন ভালো তো জগৎ ভালো"। তাই নিজের মন ভালো রাখার প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে আগে।
লেখকঃ Metheela Farzana Melody | Science Bee
#science #bee #mental #health #depression
1 997
জ্ঞানের শিল্প হল কি উপেক্ষা করতে হবে এবং শান্তিপূর্ণভাবে চলতে হবে তা জানা।
— জালাল আলদীন আল রুমী
1 997
১. আপনার লক্ষ্য পরিবর্তন হতে পারে, এবং এটাই স্বাভাবিক!
সবাই সবসময় জানে না যে তারা জীবনে কী করতে চায়। এটা খুবই স্বাভাবিক। আপনি বড় হওয়ার সাথে সাথে আপনার আগ্রহ, লক্ষ্য এবং স্বপ্ন পরিবর্তন হতেই পারে। যদি মনে হয় আপনার বর্তমান পথটি আপনার জন্য নয়, তবে নতুন কিছু চেষ্টা করতে ভয় পাবেন না। পরিবর্তন জীবনের একটি অংশ।
২. নেতিবাচক মন্তব্যকে গুরুত্ব দেবেন না!
মানুষের খারাপ মন্তব্য, বিশেষ করে যারা আপনার জীবনে বা আপনার লক্ষ্যে কোনো অবদান রাখে না, তাদের কথায় কান দেবেন না। যারা আপনাকে সাহায্য করতে চায় না বা যাদের আপনি নিজের আদর্শ মনে করেন না, তাদের কথায় আপনার মন খারাপ করা উচিত নয়।
৩. অন্যের সাথে তুলনা করবেন না, নিজের পথে চলুন!
সোশ্যাল মিডিয়া বা বাস্তব জীবনে আমরা প্রায়ই দেখি মানুষ তাদের জীবনের সেরা মুহূর্তগুলো প্রদর্শন করে। এর সাথে নিজের দৈনন্দিন জীবনের তুলনা করলে আপনি সবসময়ই অসুখী হবেন। আপনার যাত্রা আপনার নিজের। অন্যের সাথে তুলনা না করে, আপনি গতকালের চেয়ে আজ কতটা ভালো হলেন, সেদিকে মনোযোগ দিন।
৪. নিজের সেরাটা দিন, তারপর বিশ্বাস রাখুন!
আপনি আপনার সেরাটা দিন, আপনার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করুন। কাজটা শেষ হওয়ার পর ফলাফল নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা না করে, প্রকৃতির ওপর বা ভাগ্যের ওপর বিশ্বাস রাখুন। সবকিছু আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকলেও, আপনার প্রচেষ্টাটাই আপনার হাতে।
৫. আপনার মনই আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি!
আপনি যেভাবে চিন্তা করেন, সেটাই আপনার জীবনের বাস্তবতা তৈরি করে। আপনার চিন্তাভাবনা যদি ইতিবাচক এবং শক্তিশালী হয়, তাহলে আপনি যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারবেন। নিজের মাইন্ডসেটকে সবসময় শক্তিশালী রাখুন।
৬. ভিকটিম মাইন্ডসেট ত্যাগ করুন!
"আমার সাথেই এমন হয় কেন?" বা "আমার জীবনে কিছুই ঠিক হয় না"—এই ধরনের ভাবনা আপনাকে কেবলই পেছনে টেনে ধরবে। আপনি আপনার জীবনের গল্পের নায়ক। পরিস্থিতি বদলানোর ক্ষমতা আপনার হাতেই।
৭. আপনার চারপাশের মানুষরাই আপনার আয়না!
আপনি যাদের সাথে বেশি সময় কাটান, তাদের চিন্তা-ভাবনা, অভ্যাস এবং কথাবার্তা ধীরে ধীরে আপনার মধ্যেও চলে আসে। তাই নিজের বন্ধু নির্বাচন করার সময় খুব সতর্ক থাকুন। এমন মানুষদের সাথে মিশুন যারা আপনাকে অনুপ্রাণিত করে, আপনার উন্নতি চায় এবং আপনাকে আরও ভালো মানুষ হতে সাহায্য করে।
৮. নিজেকে নির্দিষ্ট ছাঁচে আটকে রাখবেন না!
মানুষ পরিবর্তনশীল। আপনাকে কোনো একটি লেবেল বা ছাঁচে আটকে থাকার প্রয়োজন নেই। আপনি সময়ের সাথে সাথে বদলাতে পারেন, নতুন কিছু শিখতে পারেন এবং আপনার পরিচয়কেও নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারেন। নিজেকে ভাঙার বা গড়ার স্বাধীনতা দিন।
৯. দয়া এবং সাহায্যের মাধ্যমে সাফল্য খুঁজুন!
যখন আপনি কোনো কাজ দয়া এবং অন্যের প্রতি সাহায্যের মনোভাব নিয়ে করেন, তখন আপনি শুধু ভালো কাজই করেন না, আপনি আপনার জীবনেও ইতিবাচক শক্তি আকর্ষণ করেন। এই ধরনের কাজ আপনাকে দীর্ঘমেয়াদী এবং অর্থপূর্ণ সাফল্য এনে দেয়।
১০. যা কিছু আপনাকে ভালো রাখে না, তা ছেড়ে দিন!
আপনার জীবনে যদি এমন কোনো মানুষ, সম্পর্ক, অভ্যাস বা পরিস্থিতি থাকে যা আপনাকে আরও উন্নত হতে বা সুখী হতে সাহায্য করছে না, তবে তা ছেড়ে দিতে ভয় পাবেন না। সব সময় পরিবর্তন জীবনের জন্য জরুরি।
১১. আপনি যেমন, তেমনই ভালোবাসার যোগ্য!
আপনার কোনো অতিরিক্ত শর্ত ছাড়াই আপনি ভালোবাসা এবং সম্মানের যোগ্য। আপনার দাম আপনার কাজের ওপর বা অন্য কারো মতামতের ওপর নির্ভর করে না। আপনি যেমন, ঠিক তেমনই মূল্যবান।
এই শিক্ষাগুলো মনে রাখলে জীবনের পথচলা অনেক সহজ এবং আনন্দময় হয়ে উঠবে। Best wishes!
1 997
একসাথে থাকা, খাওয়া এবং ঘুমানো মানেই কিন্তু দাম্পত্য নয়। একই ছাদের নিচে দীর্ঘদিন বসবাস করেও দুজন মানুষ সহস্র মাইল দূরত্বে থেকে যান।
এমন দম্পতি আছে, যারা বহু বছর এক সাথে থেকেও দাম্পত্যের প্রকৃত মানে বুঝে উঠতে পারেনি। সংসার করতে করতে মানুষ একসময় ধরে নেয়, একই ছাদের নিচে থাকা, একই বিছানায় ঘুমানো, একই টেবিলে খাওয়াদাওয়া আর পারস্পরিক জৈবিক চাহিদা পূরণ করাটাই দাম্পত্য।
দাম্পত্য শুধুই একটি অভ্যাস নয়।
যদি সংসার মানে কেবল এ ধরনের কিছু বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ জীবনকেই বোঝায়, তা হলে কিছু সংসার টেকে না কেন? তারাও তো একই বিছানায় ঘুমায়, একই টেবিলে খাবার খায়, যৌনতা আছে, তারপরও কেন সংসার ভাঙে?
একজন মানুষের সাথে আছি, পাশে আছি; কিন্তু তারপরও মাঝখানে একটা দূরত্ব থেকে যায়। বলা যায় না, বোঝানো যায় না। জীবনসঙ্গীর বুকে মাথা রেখেও কখনো কখনো নিজেকে খুব একা লাগে।
দাম্পত্য জীবনে আমি আসলে কী চাই? কোনটি সত্যিকারের প্রাপ্য? কোনটা অপ্রাপ্য? সংসার মানে আসলে অভ্যাস-এই ধারণা থেকে আমরা বের হতে পারি না।
অভ্যাস নিশ্চয়ই, কিন্তু সবটাই কি অভ্যাস? আমরা একই ছাদের নিচে থাকি, কিন্তু কখনো কি একসাথে আকাশ দেখেছি? সমুদ্রপাড়ে বসে পরম নির্ভরশীলতায় পাশের মানুষটির কাঁধে মাথা রেখেছি? কখনো সঙ্গীর মনে উঁকি দিয়ে জানতে চেষ্টা করেছি-সে কেমন আছে? পরস্পরের হাত ধরে কখনো একান্তে বসেছি? দৈহিক প্রয়োজন ছাড়া পরস্পরকে জড়িয়ে ধরেছি?
আমরা বুঝতে চেষ্টা করি না, একসঙ্গে একঘেয়ে জীবন কাটানোর ফাঁকে ফাঁকে বাড়তি কিছু আনন্দপূর্ণ ও মূল্যবান সময় সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে দেওয়া প্রয়োজন। শরীরের টানে প্রতিদিন কাছে আসি, অথচ কেউ কারোর মনের খোঁজ রাখি না। সংসারের সংজ্ঞার্থ কেবল শরীরের উষ্ণতা আর নিশ্বাসের গভীরতায় সীমাবদ্ধ নয়, এর বাইরে আরও কিছু রয়েছে।
প্রতিটা মানুষই একা (চিবুকের কাছেও); অথচ সবারই সমর্পিত হওয়ার মতো নিরাপদ একটা একান্ত নির্ভরশীলতার জায়গা প্রয়োজন। নিবিড় ভালোবাসার স্পর্শ প্রয়োজন। যেখানে কামকে ছাপিয়ে প্রেমই মুখ্য হয়ে ওঠে।
দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসার দায়বদ্ধতাকে যারা এড়িয়ে যেতে চায় তারা সংসারকে একটা অভ্যাস বলে চালিয়ে দেয়। প্রেমহীন দাম্পত্যে দম্পতিকে অভিনয় করে বাঁচতে হয়। এমন অনেক দম্পতি আছে, যারা অপছন্দের মানুষের সাথে একই ছাদের নিচে কেবল অভিনয় করেই একটা জীবন পার করে দেয়।
যার সাথে এক ছাদের নিচে সারাটা জীবন পার করতে হবে, যার জন্য এত পরিশ্রম, সে আসলে কেমন আছে? সে কি ভালো আছে? এই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। সংসারে বিবাদ থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু কাউকে না কাউকে এগিয়ে আসতে হয়। রাগ কিংবা অভিমান ভাঙাতে ভালোবেসে জড়িয়ে ধরতে হয়। মানুষ নিশ্চয়ই এতটা নিষ্ঠুর নয়-যে কিনা ভালোবাসাকে অবহেলা করবে।
সংসার মানে যতটা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের নিশ্চয়তা; যতটা জৈবিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্র; ততটাই প্রেম, ভালোবাসা, পারস্পরিক নির্ভরশীলতা, শ্রদ্ধাবোধেরও জায়গা। সংসার হয়ে উঠুক শান্তির নীড়, ভালোবাসার পরম আশ্রয়।
#দাম্পত্য #দাম্পত্যজীবন #সংসার #ভালোবাসা #সম্পর্ক
#দাম্পত্যবন্ধন #দাম্পত্যসমস্যা #পারস্পরিকসমঝোতা #স্বামীস্ত্রীরসম্পর্ক #মনোজগত #একান্তসময় #দায়বদ্ধতা
#বিশ্বাস #মনেরখোঁজ #মানসিকস্বাস্থ্য #বাংলালেখা
#অনুভূতি #জীবনবোধ #জীবনদর্শন #দুজনারকথা
#Marriage #MarriedLife #Relationship #CoupleLife
#LoveAndCare #EmotionalBond #Understanding
#RelationshipGoals #Partnership #LoveMatters
1 997
আপনি নামাজ ফুল প্রেজেন্স নিয়ে পড়তে পারবেন, আল্লাহ কে গভীরভাবে বিশ্বাস করতে পারবেন,
ভয় ছাড়া ভালোবাসতে পারবেন, সাহস নিয়ে বাঁচতে পারবেন,আল্লাহর কদরের উপর ফুল স্যারেন্ডার করতে পারবেন, এবংআল্লাহ কে প্রতিটি মুহূর্তে খুব কাছে অনুভব করবেন।
আর জানেন তো— যে মানুষ আল্লাহকে কাছে পায়, তার ভিতরে ভয় ও কষ্ট বেশিক্ষণ থাকতে পারে না।
হিলিং হলো স্পিরিচুয়াল রিফাইনমেন্ট।
সিম্পল ভাষায় — আপনি যদি সারভাইভাল মোড থেকে বের হয়ে জীবনে ফুল স্পিরিট নিয়ে বাঁচতে চান, তাহলে আপনাকে হিলিং করতেই হবে।
ইউ হিল যাতে আপনি আল্লাহকে ক্লিয়ারলি শুনতে পারেন,ইউ হিল যাতে আপনার বডি রেস্ট করতে পারে, ইউ হিল যাতে আপনি ফিয়ার ছাড়া ভালোবাসতে পারেন, ইউ হিল যাতে আপনার ফিউচার আর আপনার পাস্ট–কে রিপিট না করে।
আমি আশা করি আপনাকে বুঝাতে পেরেছি আপনার ইমোশনাল, ফিজিক্যাল এবং স্পিরিচুয়াল ওয়েল-বিয়িং–এর জন্য কেন আপনার চাইল্ডহুড উাউনড হিল করা এসেনশিয়াল, জরুরি এবং আনকম্প্রোমাইজড। যদি বুঝে থাকেন —তাহলে আপনার জন্য পরের step হলো - বুঝতে শেখা যে আপনার wounds (জখম) গুলো আসলে কোথা থেকে এসেছে।
কারণ— আপনি আপনার story নতুন করে লিখতে পারবেন না যতক্ষণ না আপনি বুঝবেন আপনার জীবন কোথা থেকে শুরু হয়েছে।
আমার নেক্সট কয়েকটি article আমি আপনার সাথে এক্সপ্লোর করব— আপনার চাইল্ডহুড , আপনি কেমন প্যারেন্টিং পেয়েছেন, আপনার parents–দের ইমোশনাল উাউন্ডস কীভাবে আপনার nervous system ও belief system গঠন করেছে,এবং কীভাবে আপনার আজকের জীবনের প্যাটার্নগুলো আপনার জীবনের early experience গুলো থেকে তৈরি হয়েছে।
এখান থেকেই আপনার ট্রু সেল্ফ আন্ডারস্ট্যান্ড শুরু হয়।
এবং এখান থেকেই আপনার হিলিং- পাওয়ারফুল, ইন্টেনশনাল এবং লাইফ-চেঞ্জিং হয়ে যাবে।
সো স্টে টিউনড ফর দ্য নেক্সট ওয়ান
কারণ সামনে যে কথাগুলো রয়েছে—সেগুলো থেকেই আপনি গভীরভাবে বুঝতে ও ডিসকভার করতে পারবেন - the story you have been living.
যাতে আপনি অবশেষে choose করতে পারেন —আপনি আসলে যে গল্পটা আপনার জীবনে তৈরি করতে চান…
1 997
যেকোনো রোগকে পুরোপুরি শরীর থেকে বের করতে চাইলে -সবার আগে আপনাকে নিজের ইমোশনাল wounds (ভেতরের মানসিক আঘাতগুলো)গুলো চিনতে হবে। আপনার ইনার উউন্ড বুঝতে পারা হলো আপনার হিলিং-এর ফান্ডামেন্টাল স্টেপ।
এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে - “আমার শারীরিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে আমার ভেতরের এই জখমগুলো কি রিলেশনশিপ আছে?”
কারণ হলো - আপনার আনহিলড উউন্ডস শুধু আপনার ভেতরে বেঁচে থাকে না, এই গভীর জখমগুলো আপনার জীবনে বিভিন্ন রূপে প্রকাশ পায়।
যেমনঃOverthinking — অতিরিক্ত ভাবনা,Anxiety — উদ্বেগ / দুশ্চিন্তা, Chronic pain — দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, Irritability — বিরক্তিভাব / সহজে রেগে যাওয়া ,Fear of abandonment — পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়ার ভয় ,Emotional breakdowns — মানসিক ভেঙে পড়া / আবেগগত ভেঙে পড়া, ছোট ছোট ব্যাপারে trigger হয়ে যাওয়া, toxic relationships attract করা এবং Allah-কে trust করতে অসুবিধা অনুভব করা।
প্রতিটি unhealed জখম একটি প্যাটার্নে পরিণত হয়।
আপনি যদি আপনার childhood unmet needs এবং emotional wounds গুলো heal না করেন, আপনার শরীরের nervous system constant fight–flight অথবা freeze mode–এ থাকে।
ফলে দিন দিন আপনার রোগ বাড়তে থাকে এবং জীবনে এগিয়ে যেতে চাইলে ও সেটি সম্ভব হয় না, কারণ ভিতরে ভিতরে আপনার mind সেই ছোটবেলার কষ্টগুলো বারবার replay করে এবং আপনি সেগুলো বারবার live করতে থাকেন।
আর যখন আপনি আপনার অতীতকে বারবার relive করতে থাকেন — especially যখন আপনার MIND জীবনে এগিয়ে যেতে চায় — তখন সেটি lead করে:
heart palpitations, joint pain, digestive issues, hormonal imbalance, exhaustion, insomnia—
আপনার শরীর তখন আপনার unhealed wounds-এর voice হয়ে দাঁড়ায়।
আর কী হয় জানেন? আপনার ইমোশনাল জখম আপনার spiritual connection-কে ব্লক করে দেয়।
ইসলামে আমাদের qalb (heart) হলো - imaan → ইমান, clarity → ক্ল্যারিটি, tawakkul → তাওয়াক্কুল, guidance → গাইডেন্স এবং শান্তির মেইন সেন্টার ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“There is a piece of flesh… if it is sound, the whole body is sound.”
তাই আপনার unhealed wounds আপনার হৃদয়ে সৃষ্টি করে গাফলাহ , সন্দেহ, ভবিষ্যতের ভয়,স্কার্সিটি মেন্টালিটি - যেখানে সব সময় সবকিছুই অভাব মনে হয়… রাগ,রিজেন্টমেন্ট এবং হেভিনেস তৈরি হয়…আল্লাহ্র উপর ফুল স্যারেন্ডার করা কঠিন হয়ে যায়…
আপনার পুরনো জখমগুলো heal করার মানে হলো- আল্লাহ্র সাথে আপনার সম্পর্ককে heal করা।
আপনার ইনার হিলিং না হলে, আপনার Wounds চলে যায় পরের প্রজন্মেও.
আপনি যদি আপনার ইনার হিলিং না করেন, আপনার wound আপনার বাচ্চাদের মধ্যে পাস ডাউন হয়—stress hormones, আনহেলদি অ্যাটাচমেন্ট প্যাটার্নস এবং ইমোশনাল রেসপন্সেস-এর মাধ্যমে।
আপনি যদি নিজেকে আগে হিল না করেন, আপনার বাচ্চারা সেটি inherit করবে—
আপনার anxiety, আপনার ভয়, আপনার রিঅ্যাকশনস, এবং আপনার ইমোশনাল ইনস্টেবিলিটি -এর মাধ্যমে।
তাই যখন কোনো প্যারেন্ট আমার কাছে আসে বাচ্চার সমস্যা নিয়ে, আমি প্রথমে তাদের সাথে কাজ করার অফার করি - কারণ প্যারেন্ট এর হিলিং হলে বাচ্চার জন্য সেটা generational mercy হয়ে দাঁড়ায়. এবং আপনার transformation–ই হয়ে যায় আপনার সন্তানের foundation.
অ্যান্ড রিমেম্বার - ইট ইজ নেভার টু লেট।
এখানেই শেষ নয়।
আপনি কখনোই নতুন কোরে জীবন তৈরি করতে পারবেন না আপনার পুরোনো চাইল্ডহুড উউন্ডস গুলো নিয়ে।
আপনি পারবেন না পুরোপুরি সুস্থ থাকতে…আপনার রিলেশনশিপস কখনোই হেলদি হবে না…
inner peace পাবেন না… confident হতে পারবেন না…ফিনানশিয়ালি ফ্রি হতে পারবেন না - আল্লাহ্ আপনাকে যত টাকা দিক না কেন।
আপনি যতই লম্বা নামাজ পড়ুন, আপনার স্পিরিচুয়াল গ্রোথ হবে না… কারণ আনহিলড উউন্ডস আপনাকে সারাজীবন সারভাইভাল, প্রোটেকশন, ফিয়ার, লিমিটেশন, সেল্ফ-স্যাক্রিফাইস, সেল্ফ-ডাউট-এর ভিতরে ঘুরাবে।
কিন্তু হিলিং – হিলিং আপনাকে জীবনে clarity এনে দেবে, স্ট্রেংথ ফিরিয়ে দেবে,
কনফিডেন্স দেবে, self-worth বুঝতে শিখাবে,জীবনে একটি true vision দেখাবে, এবং আপনি ফাইনালি আল্লাহ র সাথে aligned হয়ে চলতে পারবেন।
আপনার জীবনের নেক্সট লেভেলে যেতে হলে আপনার দরকার একটা নিউ আইডেন্টিটি — যে আইডেন্টিটি আপনার পাস্ট দিয়ে শেপ করা না।
হিলিং হলো সবচেয়ে বড় ইবাদাহ.
যেহেতু আল্লাহ আমাদেরকে আমাদের হার্ট পিউরিফাই করতে বলেছেন,ইনার হিলিং আপনার জন্য সবচেয়ে বড় ইবাদাহ.
আল্লাহ বলেছেন—“আসল সফল তারাই, যারা নিজেদের রূহকে পরিশুদ্ধ করতে পারে।”
আপনি যখন পিউরিফায়েড হবেন, দুনিয়ার এত কিছুই আপনাকে আর এতটা কষ্ট দেবে না। আপনি শারীরিকভাবে হেলদি থাকবেন।আপনি tests এবং চ্যালেঞ্জ থেকে উঠে আবার সেন্টার–এ ফিরে আসতে পারবেন। ইনশা আল্লাহ.
যখন আপনি হিল করবেন…
1 997
পুরুষের এক অদ্ভুত সমস্যা - Blue Balls
ব্লু বলস বা নীল বলগুলো! সে আবার কী! আসলে এখানে balls বলতে অণ্ডকোষ বোঝাচ্ছে, বা শুক্রাশয়, বা ইংরেজিতে বললে testicles, আর blue মানে নীল। অর্থাৎ Blue Balls অর্থ নীল শুক্রাশয়, কিন্তু তার মানে কী? Blue Balls টার্মটা মূলত একটা ঘটনার ইনফর্মাল নাম যার মেডিকেল নাম হচ্ছে Epididymal Hypertension. ডাক্তাররা ব্যাপারটাকে এই নামে ডাকলেও সারা বিশ্বের সকল বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে সহমত নন, তাছাড়া এ নিয়ে রিসার্চের সংখ্যাও নগণ্য। কিন্তু তাতে কী? অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ছেলেরা ব্যাপারটা ঠিকই বুঝতে পারে, তাই ছেলেদের কাছে ব্যাপারটা অবশ্যই সত্যি। এখন ব্যাপারটা কী তা বিস্তারিত জানা যাক।
প্রাপ্তবয়স্ক আমরা সকলেই জানি যে পুরুষাঙ্গের কাজ কী কী। এর কাজগুলোর মধ্যে প্রধান একটি কাজ হচ্ছে শারীরিক মিলন। তো এই কাজের জন্য ছেলেরা যখন উত্তেজিত হয় তখন বেশ খানিকটা রক্ত পুরুষাঙ্গের এলাকায় চলে আসে, এবং তখন রক্ত বেরিয়ে হওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকে, ফলে রক্ত ফিরে যেতে না পেরে পুরুষাঙ্গকে প্রসারিত করে। শুধু পুরুষাঙ্গই নয়, এর আশেপাশে সকল জায়গাতেই রক্ত পূর্বের থেকে বেশি পরিমাণে থাকে, অর্থাৎ অণ্ডকোষেও রক্তের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই অবস্থায় ব্যক্তি শারীরিক মিলনে অংশ নিতে পারে, বা অন্য কোনো উপায় অবলম্বন করতে পারে, যেভাবেই হোক ব্যক্তি অরগ্যাজম (বীর্যস্থলন/রাগমোচন) লাভ করলে Epididymal Hypertension ঘটনাটা ঘটে না। কিন্তু যদি ব্যক্তি অরগ্যাজম লাভ করতে না পারে, এবং এই erect অবস্থায় অনেক্ষণ থাকতে হয় তখনই বাঁধে বিপত্তি। অণ্ডকোষ এবং কুঁচকির আশেপাশের এলাকায় ব্যথা ব্যথা করতে থাকে, ভারী ভারী লাগে, কেমন যেনো ধরে আসে বলে মনে হয়, মোট কথা বললে অস্বস্তি লাগে। এই ব্যথাটা যতক্ষণ ইরেক্ট থাকে ততক্ষণও থাকতে পারে আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেলেও কিছুক্ষণ এমন থাকতে পারে। কতক্ষণ থাকবে সেটা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন। সাধারণত কয়েক মিনিট থেকে ঘন্টা খানেক মতো থাকতে পারে। সক্কলের যে এটা হবে এমনও নয়, তবে হতে পারে। এই যে অরগ্যাজম লাভ না করার ফলে যে ব্যথা বা অস্বস্তি, এই ঘটনার নামই Epididymal Hypertension বা ইনফর্মাল ভাবে বললে Blue Balls. এই অবস্থায় অণ্ডকোষের রং যে খুব নীল হয়ে যায় এমনও নয়, তবে কিছুটা নীল আভা দেখা যেতে পারে। এর জন্য নাম দেওয়া হয়েছে Blue Balls.
তো ব্যাপারটা কি চিন্তা করার মতো কিছু? মোটেই না। এটা স্বাভাবিক একটা ব্যাপার এবং চিন্তা করার মতো কিচ্ছু না। কিছুক্ষণ সময় দিলেই ব্যথা আর থাকেনা, শুধু একটু অস্বস্তি মেনে নেওয়া লাগে এই আরকি। তবে চাইলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব অরগ্যাজম লাভ করে। আর তা করার সুযোগ যদি না থাকে তবে অন্যকাজে মনোনিবেশ করলেও লাভ হতে পারে। এমন কিছু কাজ হচ্ছে স্নান করা, ভারী কিছু উত্তোলন করা, ব্যায়াম করা, কারো সাথে কথা বলা ইত্যাদি। মোটকথা ওই জায়গা থেকে রক্তের প্রেশারটা কমে গেলেই ব্যথা বা অস্বস্তিটাও আর থাকবে না।
কিন্তু যদি দেখা যায় অণ্ডকোষে প্রচুর ব্যথা হচ্ছে, বা সেখানকার রং নীল হয়ে গেছে তবে অতিসত্বর চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত কারণ এর পিছনে অন্য কোনো মেডিকেল কারণ থাকতে পারে যেমন কিডনি পাথর, টেস্টিকুলার টরশন ইত্যাদি।
তবে ব্লু বলস নিজে কোনো সিরিয়াস বিষয় নয়। অধিকাংশ ছেলেরাই ব্যাপারটা অনুভব করে থাকে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে মেয়েরা কি এর থেকে ছাড় পাচ্ছে? উত্তর হচ্ছে, নাহ! ছেলেদের থেকে কম তবে মেয়েরাও যদি অনেক উত্তেজিত হওয়ার পর অরগ্যাজম লাভ করতে না পারে তবে তাদের ক্ষেত্রেও এই ঘটনা ঘটতে পারে এবং তখন ব্যাপারটার নাম দেওয়া হয় Blue Vulva বা Pink Pelvis!
শেষে একটা কথা বলে লেখাটা শেষ করি। অনেকসময় মেয়েদের পিরিয়ড পেইনের সাথে ছেলেদের এই ব্লু বলসের পেইনের তুলনা করা হয়। ব্যাপারটা বড়ই হাস্যকর। সবক্ষেত্রে নয় তবে মেয়েদের পিরিয়ড ক্রাম্প/পেইন এই ব্যথার থেকে অনেকাংশে বেশি হতে পারে। ব্লু বলস ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যথা বা অস্বস্তিটা সহ্য করার মতোই হয় সবসময়, এবং তা দ্রুত ঠিকও হয়ে যায়, পিরিয়ড ক্রাম্পের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অতটা সহজ নয়। (সবার ক্ষেত্রে নয় অবশ্যই) তবে ব্লু বলসের ব্যথা যদি পিরিয়ড ক্রাম্পের মতো এতটা অসহ্য হয়ে ওঠে তাহলে সেটা ব্লু বলস নয়, অন্য কিছু, আর তার জন্য দ্রুত ডাক্তারের কাছে দৌড়ানো উচিত!
(তথ্যসূত্র কমেন্টে)
1 997
শিশুর মতো আগলে রাখতে হয় নারীকেও। এটা ব্রেইন ম্যাপিং এর দরুন। শিশুর মতোই সে অনেক কিছু বুঝতে চায় না। নন-ইস্যুকে ইস্যু আর অদরকারিকে দরকারি ভাবা, ভুলে যাবার জিনিস মনে রাখা, জিদ, যুক্তির উপর আবেগের প্রাধান্য, হিসেবের চেয়ে জবানের প্রাধান্য, পর্যবেক্ষণ ডিটেইল কিন্তু শর্টটার্ম। এগুলো সব মাতৃগর্ভে নারীভ্রূণের হরমোন-বিধৌত ব্রেইনম্যাপ। আমরা কি শিশুকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবি। ৪০ বছরের পুরুষ কি ১০ বছরের শিশুকে ভাবে প্রতিযোগী? নারীও তেমনি। ভালেবাসা আর মমতা ছাড়া আর কিছু পুরুষের দেয়ার নেই।
তাহলে নারী যখন ঝগড়া করে, তখন জবাব দেব না? না। জবান নারীর শক্তির জায়গা। পানিতে নেমে কুমীরের সাথে লড়া, আর নারীর সাথে ঝগড়া বকাবাজি করা একই জিনিস। পুরুষ উইথড্র করবে। নারীর জায়গায় নিজেকে নেবেন না। ঝগড়া জিনিসটাই আমার জিনিস না। এবং আমি ইন্টারেস্টেড না। আমি গেলাম। চুপ থাকা আপনার কর্তৃত্বের লক্ষণ। এক্সপ্রেশনলেস ফেইস। নারী সহজে কনফিউজ হয়। কনফিউজ করে দেন। তার ঝগড়ার বিপরীতে আপনার মুভ কী হবে, এটা নিয়ে তাকে কনফিউজ করে দেন। চুপ হয়ে যান। নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে যান।
-ডা. শামসুল আরেফিন।
1 997
"নুন, চিনি রিফাইন্ড তেল সব ছেড়ে দিয়েছি আজ বছর দুয়েক হয়ে গেল...
সকালে উঠে প্রায় তিন কিলোমিটার হাঁটি, আধঘন্টা যোগাসন.... একলিটার ঈষদুষ্ণ জল... এইগুলো প্রায় রুটিন হয়ে গেছে আমার...
চা কফি মদ সব ত্যাগ করেছি বেশ কিছুদিন হয়ে গেল... শুধু সবুজ সবজি, তাজা ফল খাই... সাথে ভুট্টার রুটি তাজা মাখন দিয়ে...
সারাদিনে প্রায় তিনলিটার জল...
বিকেলে একগ্লাস ছাঁচ, সাথে ড্রাইফ্রুট... সিজনাল ফ্রেশ ফল যখন যা পাই খাই...
সবরকম খারাপ জিনিস খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি... অ্যালকোহল একেবারেই বন্ধ...
সব বাজে অভ্যেস বন্ধ হয়ে গেছে প্রায়... এখন যে করেই হোক এই মিথ্যেকথা বলার অভ্যেসটা ছাড়তে পারলেই হয়ে যাবে...!" Collected,
1 997
#হিল্লা_বিয়ে_ও_ইসলাম।
মুহতারাম Muhammad AL MaMun ভাই জানতে চেয়েছেন:
প্রশ্ন: ধরুন কেউ তার বউকে রাগের মাথায় তিন তালাক দিলো। ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। পরে ভুল বুঝতে পেরে স্বামী-স্ত্রী কেউ কাউকে ছাড়তে রাজি না। এমতাবস্থায় স্বামী যদি তার আপন ভাইকে দিয়ে তার বউকে বিয়ে করিয়ে নেয় এবং ভাইকে শর্ত জুড়ে দিলো বউয়ের সাথে কোনোরকম কোনো সহবাস করতে পারবে না। তথা বউ ভাইয়ের সাথে বিয়ে হলেও নামে মাত্র বিয়ে। বউ প্রথম স্বামীর অধীনেই থাকবে। এবং কিছুদিন পর ভাই ঐ বউকে তালাক দিয়ে দিলো। পুনরায় প্রথম স্বামী তার বউকে গ্রহন করিলো। তাহলে কি কোনো সমস্যা আছে? অর্থাৎ পুনরায় বিবাহ জোড়া লেগে যাবে?
উত্তর:
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।
#প্রথম স্বামীর কাছে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য প্রচলিত চুক্তিভিত্তিক হিল্লা বিয়ে জায়েজ নেই।
দলীল :
১ - আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিল্লাকারী ও যার জন্য হিল্লা করা হয় উভয়কে লানত করেছেন”। [১]
২ - আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিল্লাকারী এবং যার জন্য হিল্লা করা হয় উভয়কে লানত করেছেন।” [২]
সর্বসম্মতিক্রমে বিশুদ্ধ এই হাদিসটি আরো অনেকগুলো সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।
#যদি স্বাভাবিকভাবেই দ্বিতীয় বিয়ে হয়, মিলন হয় এবং বিচ্ছেদ হয়ে যায় কিংবা দ্বিতীয় স্বামীর ইন্তেকাল হয়ে যায় তাহলে ইদ্দত পালনের পরে আগের স্বামীর সাথে পূনরায় বিবাহ বৈধ। তবে দ্বিতীয় সংসারে মিলন না হয়ে থাকলে আগের স্বামীর সাথে পূনরায় বিবাহ বৈধ হবেনা।
দলীল:
‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবাযর (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রিফা’আহ্ আল কুয়াযী (রাঃ) তার স্ত্রীকে পুরাপুরি (তিন) ত্বলাক্ব দিয়ে দেয়। অতঃপর সেই স্ত্রীলোকটি ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে বিবাহ করে। এরপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে (নিজের ব্যাপারে) বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! সে ছিল রিফা’আর অধীনে। সে তাকে পুরোপুরি তিন দিন ত্বলাক্ব দেয়। অতঃপর সে ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে বিবাহ করে। আল্লাহ্র কসম, তার সাথে যা রয়েছে তা তো কাপড়ের ঝালরের মতো। এ বলে, মহিলা তার উড়নার আঁচল ধরে দেখাল। (অর্থাৎ দ্বিতীয় স্বামী রতিক্রিয়ায় অক্ষম) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন এবং বললেন, তুমি সম্ভবত রিফা’আর নিকট ফিরে যেতে চাও? যতক্ষণ না সে (দ্বিতীয় স্বামী) তোমার স্বাদ গ্রহন করে এবং তুমি তার স্বাদ আস্বাদন করে ততক্ষণ তো এটা সম্ভব না। (অর্থাৎ দ্বিতীয় স্বামীর সাথে স্বাভাবিক রতিক্রিয়া হওয়ার আগে তালাক হলেও ওই মহিলা আগের স্বামীর সাথে বিবাহ বসতে পারবেনা) [৩]
রেফারেন্স:
[১] সূত্র: আহমদ : (২/৩২৩), ইব্নুল জারুদ ফিল “মুনতাকা” : (৬৮৪), বায়হাকি ফি সুনানিল কুবরা : (৭/৩৩৯), ইব্ন আবি হাতেম ফিল ইলাল : (১/৪১৩) এবং তিরমিজি ফি ইলালিল কাবির : (২৭৩), ইমাম যায়লায়ি তার “নসবুর রায়াহ” (৩/২৪০) গ্রন্থে এ সনদে বিদ্যমান বর্ণনাকারীদের আলোচনা করে বলেন হাদিসটি সহিহ। “ইলালুল কাবির” : (১/১৬০)
[২] সূত্র : জামে তিরমিজি : (পৃ.৪২৫), হাদিস নং : (১০৩৪), প্রকাশক : দারু ইহ্ইয়াউত তুরাসিল আরাবি, বইরুত। এ হাদিসটি সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিতভাবে আরো বর্ণনা করেন ইমাম আহমদ : (৪২৮৩), (৪২৮৪), (৪৪০৩), নাসায়ি ফি সুনানিল কুবরা : (৩/৩২৫) ইব্ন আবি শায়বাহ : (৭/২৯২), দারামি : (২২৫), বায়হাকি : (৭/৩৩৯)
[৩] সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৪১৯, (ই.ফা. ৩৩৯২, ই.সে. ৩৩৯১)
1 997
মুসলিম নর-নারীদের অনুরোধ করতেছি যারা বিবাহ করেছেন বা করবেন উভয়ই তালাকের মাসালা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিবেন। তা না হলে দেখা যায় অজ্ঞাতবশত অবৈধ সম্পর্ক থেকে যায় এবং অনাগত বাচ্চাও অবৈধ হয়। অতএব আল্লাহকে ভয় করে এ সকল বিষয়ে ন্যূনতম জ্ঞান অর্জন করা ফরজ।
Available now! Telegram Research 2025 — the year's key insights 
