1 954
Subscribers
No data24 hours
-77 days
-1830 days
Posts Archive
1 954
Brain Exercise :
1. প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে । তবে, নামাজের ভেতরের সুরা কালান গুলো বুঝে অর্থ জেনে পড়া।
2. ব্রেইন টাস্ক : ব্রেইন কে প্রতিদিন কিছু টাস্ক দিতে হবে। যেমন কোনো টপিক টিউটরিয়াল দেখে বুঝার আগে নিজে দেখে বুঝার চেষ্টা করা। না আসুক ০.০১% ও সফলতা। জাস্ট ডু ইট ফর ইউর ব্রেইন। ধরেন আপনি আইটি ব্যাকগ্রাউন্ড এর স্টুডেন্ট, যেকোনো বড় প্রজেক্ট এর সোর্স কোড অথবা নতুন প্রোগ্রামিং টপিক টিউটোরিয়াল দেখার আগে নিজে চোখ দিয়ে দেখে বুঝার চেষ্টা করা যে এখানে আসলে কি হয়েছে।
3. পর্নোগ্রাফি দেখা থেকে বিরত থাকা । কঠিন বাজে নেশা যা আনাদের ব্রেইন আর মন দুটোই নষ্ট করে।
4. কল্পনা করা। ডিপ থিংকিং : ধরেন আপনি কাল কোথাও যাবেন। চিন্তা করুন আপনি কিভাবে কোন রোড দিয়ে যাবেন সেখানে কয়টা স্টোর থাকতে পারে।
5. ওয়ার্কাউট : ব্রেইন কে অলোয়েজ বিজি রাখুন। তবে ৮ ঘন্টার ঘুম জরুরি। কিন্তু সকালে না। রাত ১১ টা থেকে ফজর পর্যন্ত
6. সময় মত খাবার খাওয়া।
7.ব্রেইন গেমস খেলুন। ( চেজ ছাড়া).
8. চেষ্টা করবেন রেগুলার বাদাম খাওয়ার।
--০--
1 954
জীবনে বেশিরভাগ কষ্টের কারণ যতটা সমস্যাগুলো নয়, তার চেয়ে সমস্যা গুলোকে আমরা যেভাবে দেখি, যেভাবে রিয়াক্ট করি, সেটাই কষ্টের কারণ । কষ্ট নিজে কষ্ট দেয় না, কষ্টকে যেভাবে দেখবেন, সেভাবেই কষ্ট সামনে এসে দাঁড়ায় । কোন সমস্যা এলে, সমস্যাটি আপনাকে দুটো চয়েস দেয় । একটি হলো - মেনে নিয়ে সমাধানের পথ খোঁজা, যেটি হলো একশন । আরেকটি হল - মানতে না পেরে কষ্টের বোঝা নেয়া, এটা হল রিএকশন । এই রিয়াকশনটাই কষ্ট । অ্যাকশনটা রিয়ালিটি । চয়েস আপনার ।
- অপূর্ব চৌধুরী
1 954
ব্রেস্ট পার্সোনালিটি : কি করে পুরুষ চিনবেন
ডা. অপূর্ব চৌধুরী
London, England
শুনতে সেক্সিস্ট শোনালেও বাস্তবে এটি ঘটে । কেন ঘটে, কিভাবে ঘটে, সেটার ব্যাখ্যা নয় ।
ব্যাপারটি হলো ব্রেস্ট পার্সোনালিটি । অথবা আরেকটু গভীরে বললে ব্রেস্ট সাইকোলজি ।
পুরুষরা কেন নারীর ব্রেস্ট পছন্দ করে, এটি ভিন্ন বিতর্ক । আজ বলবো পুরুষদের কার কি ধরনের ব্রেস্ট পছন্দ এবং এই ব্রেস্ট পছন্দের উপর ভিত্তি করে পুরুষ পার্সোনালি বা তার সম্পর্কে কি জানতে পারবো ।
মানুষ যখন কিছু পছন্দ-অপছন্দ করে, তার পেছনে কিছু কারণ থাকে । সে কারণগুলো তৈরী করে তার স্বভাব, তার চিন্তা-ভাবনা, তার আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি ।
1. বাজারে ধারনা যে - বেশিরভাগ পুরুষ নারীর বিগ ব্রেস্ট পছন্দ করে । এটি ভুল । দুই তৃতীয়াংশ পুরুষ আসলে মিডিয়াম সাইজ ব্রেস্ট পছন্দ করে বেশি ।
2. যে সব পুরুষ বিগ সাইজ ব্রেস্ট পছন্দ করে, দেখা গেছে তাদের অনেক নারীর সাথে বিছানায় যাওয়ার অভিজ্ঞতা থাকে ।
3. এক জরিপে দেখা গেছে বেশিরভাগ পুরুষ C কাপ সেইপ ব্রেস্ট বেশি পছন্দ করে ।
4. ম্যান পার্সোনালিটি নিয়ে কাজ করা একদল সাইকোলজিস্ট গবেষণায় দেখেছেন - যে সব পুরুষ ছোট পরিবার চায়, সন্তান বেশি চায় না বা একেবারেই চায় না, তারা ছোট ব্রেস্টের নারীদের পছন্দ করে বেশি । যারা অনেক বাচ্চার বাবা হতে পছন্দ করে তারা বিগ ব্রেস্ট সম্পন্ন নারীদের পছন্দ করে বেশি । ব্রেস্টের সাথে নারীর রিপ্রোডাকটিভ পাওয়ারের একটি সোশ্যাল ইঙ্গিত থাকে বলে মনে করে অনেক পুরুষ ।
5. আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে ধনী পুরুষেরা ছোট ব্রেস্টের নারীদের পছন্দ করে বেশি । কারণ সে তার ক্ষমতা এবং টাকা দিয়ে সুন্দরীদের আকর্ষণ করে । আর টাকা পয়সা কম যেসব পুরুষের তারা বিগ ব্রেস্ট নারীদের বেশি পছন্দ করেন । পকেট যার যত ছোট, তিনি ততো বড় পছন্দ করেন ।
6. যে সব পুরুষ ছোট ব্রেস্টের প্রতি আকর্ষিত হয়, তাদের সেক্স ড্রাইভ এভারেজ বা মাঝারি । দেখা গেছে বড় ব্রেস্টের প্রতি যে সব পুরুষ তাকায় বেশি তাদের সেক্স ড্রাইভ হাই থাকে বেশি ।
7. একটা মজার স্টাডি আছে - যদিও অনেকে একমত নন তার সাথে, যে সব পুরুষ ব্রেস্টের দিকে তাকান বেশি, তারা অনেকদিন বাঁচে । এটার মানে নয় আবার মেয়ে দেখলেই তাকিয়ে থাকবেন ! এতে বরং আপনার আয়ুকাল আরো কমিয়ে দেবেন ধরা খেলে । 😄😄
তথ্য সূত্র
1. The Journal of Socio-Economics
2. Men’s Health Magazine
3. New England Journal of Medicine
4. The Daily Records
5. Fatherly
1 954
আল্লাহ! আমার এমন কোন গোনাহ বাদ রেখোনা যা তুমি ক্ষমা করবেনা।এমন কোন দুশ্চিন্তা ও বিপদ রেখোনা যা তুমি দূর করবেনা। এমন কোন ঋন রেখোনা যা তুমি পরিশোধ করবেনা। দুনিয়া ও আখিরাতের এমন কোন প্রয়োজন বাদ রেখোনা যা তুমি পূর্ন করবেনা।
হে আল্লাহ! তুমি প্রত্যেক অপারগ ও অক্ষমের দোয়া শুনো, প্রত্যেক রুগ্ন ব্যক্তিকে স্বাস্থ্য দান করে থাকো। প্রত্যেক ব্যক্তির গোনাহ মাফ করো এবং প্রত্যেক ব্যক্তির তওবা কবুল করে থাকো। তোমার এইসব নেয়ামতের কেউ প্রতিদান দিতে পারেনা। কোন প্রশংসাকারীর প্রশংসা তোমার প্রশংসার হক আদায় করতে পারেনা।
তুমি আমার সব আকাংখার শেষ প্রান্ত! তুমি আমার সব অভিযোগের সর্বশেষ শ্রবনকারী!
এখন ঘটুক বা পরে, কিন্তু আমার সাথে যাই ঘটুক, সব কিছুর জন্য তোমার কাছে কল্যান ও মংগল কামনা করছি।
আমি যা জানি এবং যা জানিনা, সব অনিস্ট থেকে আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাইছি।
আমি তোমার কাছে ঐ সব কল্যান ও সৌন্দর্য কামনা করছি, যা তোমার কাছে, তোমার বান্দা ও তোমার প্রেরিত নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কামনা করেছেন।
হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে জান্নাত চাইছি। প্রত্যেক ওইসব কাজ ও কথার উপর আমলের তৌফিক চাইছি, যা আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে।
আমি তোমার কাছে জাহান্নাম থেকে পানাহ চাইছি। দূরে থাকতে চাইছি সে সব কথা, কাজ ও আমল থেকে, যা আমাকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যেতে পারে। হে আল্লাহ, আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি, যেন তুমি আমার শরীরকে জাহান্নামের আগুন দ্বারা দগ্ধ না করো।
ইয়া আল্লাহ! আমার সম্পর্কে তোমার সব মীমাংসাকে তুমি কল্যানকর বানিয়ে দাও…… তুমি যা কিছু মীমাংসা করবে তার সব পরিনাম আমার জন্য মংগলজনক করে দাও।
তুমি আমার সব গোনাহ এবং অনিচ্ছাকৃত ভুলগুলোকে ক্ষমা করে দাও….. আমার অন্তরের ক্রোধকে দূর করে দাও।
আমি তোমার কাছে সঠিক হিতাহিত জ্ঞান ও প্রজ্ঞা কামনা করছি। আমাকে তোমার প্রতি আকৃস্ট করে দাও। আমার হৃদয়কে প্রাচুর্যমন্ডিত করে দাও এবং যা কিছু আমাকে দান করেছো তাতে বরকত ও সাফল্য দান করো।
আমি তোমার কাছে সুদৃঢ় ঈমান, স্বাস্থ্য, সম্পদ, সাফল্য ও সন্তুষ্টি চাইছি। পবিত্র জীবন ও সম্মানজনক মৃত্যু চাইছি।
আমার জন্য, মা-বাবা ও পরিবারের জন্য, আপনজন ও বন্ধুবান্ধবদের জন্য অনুগ্রহ ও ক্ষমা, সঠিক জীবন ও দৃঢ় ঈমান, অফুরন্ত নেয়ামত ও বরকত চাইছি।
হে আল্লাহ! আমার দেশের জন্য তোমার কাছে বরকত, সজীবতা ও শ্যামলতা, শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করছি।
আমীন! ইয়া রব্ব।
Rizwanul Kabir
1 954
ডাবের পানিঃ
আমাদের দেশের ম্যাক্সিমাম মানুষ এটা কে ঐশ্বরিক কিছু মনে করে থাকেন।এটা যেন সর্ব রোগের মহৌষধ ।
বমি করলে ডাবের পানি, পায়খানা করলে ডাবের পানি। ঘেমে গেলে ডাবের পানি। আবার অনেকে মনে করে এটা খেলে শৌর্য বীর্য বাড়ে।
মজার কথা হলো Coconut water is very much poor in Sodium. তবে সেটা potassium এ বেশ Fortified. আমরা যে খাবার Saline খাই সেখানে যে পরিমান Sodium থাকে সেটা Coconut water দিয়ে পূরন করতে গেলে ৪ টা ডাব খাওয়াতে হবে। এদিকে Sodium কারেক্ট করতে গিয়ে বডিতে potassium হয়ে যাবে ৪ গুণ। যেটা অবশ্যই ভাল কিছু হবে না আপনার হৃদয়ের জন্য।
এবার আসেন দামের কথায় আসি। একটা ডাবের দাম ঢাকায় এখন ১০০ টাকা যেটা সবচেয়ে ছোট। আর একটা Orsaline এর দাম ৫ টাকা। যেখানে সব রকমের লবন যেমন Sodium , Potassium মানুষের শরীরের সাপেক্ষে সমসত্ত্ব করে বানানো হইছে।
এখন চিন্তা করেন সারাদিন ঘেমে কিংবা বমি করে আপনি বেশ কিছু Sodium loss করে ফেলছেন বডি থেকে। এই Sodium এর ঘাটতি পূরন করতে আপনি ৫ টাকার স্যালাইন খেলেন। এই স্যালাইন আপনার সোডিয়াম যতটুকু কারেক্ট করবে, সেই পরিমান কারেক্ট ডাব খেয়ে করতে গেলে লাগবে ৪০০ টাকার ডাব। সাথে তো আছে Potassium বেড়ে যাবার ভয়। Heart এর রোগী কে ডাব খাওয়ায়ে মেরে ফেলার ইতিহাস ও চোখে দেখা। আর ডাবে স্যালাইনের চেয়ে প্রায় ৩ গুন Carbohydrates থাকে। মানে Diabetic দের জন্য এইটা কে তরল না বলে গরল বলাই শ্রেয়!
তাই অতিরিক্ত ঘাম, বমি বা ডায়রিয়া হলে ৫ টাকার একটা স্যালাইন খান। ডাবের এই হাইপের জন্যই আজ ডাব ওয়ালাদের এই সিন্ডিকেট। এটা সত্যিকার অর্থেই স্যালাইনের থেকে কম কার্যকর এবং আলাদা কোন স্বাস্থ্য সুবিধা এতে নেই।আর ব্যাপার টা তো এমনো না ,যে চুমুকে চুমুকে বেহেস্তের খাবারের মতো স্বাদ পরিবর্তন হয়।
@
1 954
অভিযোগঃ আমার সংসারে সব অশান্তি এই শাশুড়ীর জন্য!
হ্যাঁ, যখন আপনার স্বামীর সাথে একটি ভাল দাম্পত্য সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা আসে, তখন এটি খুবই জরুরী যে আপনি শুধুমাত্র তার সাথে আপনার সম্পর্কের জন্যই নয় কিন্তু তার পিতামাতার সাথে আপনার সম্পর্কের উন্নতির ক্ষেত্রেও আত্মনিয়োগ করবেন। শ্বশুরবাড়ির সাথে আপনার সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ, আপনার বিবাহের ভিত্তিকে ব্যাপকভাবে সাহায্য করবে এবং পরিবারের উভয় পক্ষকে এক হয়ে যাওয়া অনেক সহজ করে তুলবে।
আপনার শ্বশুরবাড়ির ভাল দিকগুলো খুজে পেতে, আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে কীভাবে তাদের মধ্যে গভীর ভাবে ঢুকতে হবে। এর মানে হল যে আপনি আপনার শাশুড়ির সাথে কেমন আছেন এবং আপনার শ্বশুরের সাথে আপনি কেমন আছেন সেটা আপনাকে আলাদা ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
দুটির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে কারণ শাশুড়ি, বিশেষ করে, যখন আপনাকে তার ভবিষ্যত পুত্রবধূ হিসাবে গ্রহণ করার কথা আসে তখন তারা একটু বেশি কঠিন এবং উত্তেজিত হতে পারে। আপনার জীবন সঙ্গীর মা-র সাথে ঘনিষ্ঠতা এবং তাকে প্রভাবিত করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতির প্রয়োজন হবে।
তাই একজন ছেলে এবং একজন স্বামীর দৃষ্টিকোন থেকে,আপনার এবং আপনার শাশুড়ির সম্পর্কের উন্নতির জন্য ১০টি টিপস্ আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম--
১. সর্বদা শান্ত থাকুনঃ
যে কোন পরিস্থিতিতে আপনি কেমন মানষিক তিক্ততা অনুভব করছেন তা নির্বিশেষে, শাশুড়ীর সাথে কোনো অবস্থাতেই আপনার কখনোই অশান্ত হওয়া উচিত নয় বা নোংরা আচরণ করা উচিত নয়।
২. আপনার শিষ্টাচার ভুলবেন নাঃ
আপনার পারিবারিক শিক্ষা আপনাকে মার্জিত করে।
আর সামাজিক শিক্ষা আপনাকে সবাইকে প্রাপ্ত সম্মান প্রদান শিক্ষায়। সন্তুষ্টি প্রকাশ এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন আপনাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। আর তাই আপনি এই দুটি জিনিস যত বেশি করবেন ততই আপনাদের সম্পর্কের জন্য ভালো।
৩. স্বামী সম্পর্কে সুন্দরভাবে কথা বলুনঃ
আপনি তার সাথে মনের কথাগুলি ভাগ করে নেওয়ার বিষয়ে যতই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না কেন, কোনওভাবেই তার ছেলের সম্পর্কে কখনও খারাপ কথা বলবেন না। সর্বোপরি তিনি তার মা এবং আপনি যা পাবেন তা হল তার প্রতিরক্ষামূলক মা প্রবৃত্তি, যদি আপনি কখনও আপনার সঙ্গীর সম্পর্কে খারাপ কথা বলেন।
৪. তার সাথে পরিচিত হনঃ
আপনি কী/কেমন তা সম্পর্কে সে যতটা জানতে চাইবে, আপনিও যদি তার প্রতি একই আগ্রহ দেখান তবে এটি অনেক ভালো লক্ষন। কথা বলার সময় শুধু তার প্রশ্নের উত্তরই দেবেন না, সাথে তাকে দেখান যে আপনি আসলে তাকে আরও জানতে চান এবং আপনি যে কোনও উপায়ে তার ঘনিষ্ঠ হতে চান।
৫. তার প্রশংসা করুনঃ
সব শাশুড়িই একটু প্রশংসা ভালবাসেন এবং তারা এটি পেতে কখনোই ক্লান্ত হবে না! তাই, যখন সে কিছু রান্না করে বা আয়োজন করে তখন তাকে জানাতে ভুলবেন না যে সে দুর্দান্ত। এই জিনিসগুলিকে একটি উষ্ণ হাসি দিয়ে বলুন যে আপনি এটি সম্পর্কে প্রকৃতপক্ষে প্রকৃত।
বিশ্বাস করুন, একটু দেরী হলেও একদিন আপনার জন্য ও তার তরফ থেকে আপনার জন্য প্রশংসা বয়ে আনতে থাকবে।
৬. জীবন সম্পর্কে তার পরামর্শের জন্য জিজ্ঞাসা করুনঃ
এটি করা তাকে দেখাবে যে আপনি তার মতামতকে কতটা সম্মান এবং মূল্য দিয়েছেন। এটি সত্যিই তাকে অনুভব করাবে যে আপনি তার কথার প্রশংসা করেছেন এবং একজন শাশুড়ির জন্য তার পুত্রবধূকে জানার, এর চেয়ে প্রশান্তির আর কিছুই হতে পারে না, যে তার বৌমা আসলে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে তার মতামত আশা করে।
৭. মাঝে মাঝে উপহার আনুনঃ
পারিবারিক অনুষ্ঠান বা শুধুমাত্র একটি নিত্য নৈমিত্তিক দেখা হওয়ার সময়, একটি সুই-সুতা পরিমান হলেও উপহার আনার চেষ্টা করবেন। উপহার যত বেশি ব্যক্তিগত হবে তত ভালো, আপনি জানতে পারবেন যদি আপনি ৪ নম্বর টিপস্ ভালো করে অনুসরণ করার চেষ্টা করেন।
৮. সবসময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবেনঃ
যখনই তিনি পরিবারের জন্য বা বাড়ির আশেপাশে কিছু করার চেষ্টা করছেন, তখন সাহায্য করার প্রস্তাব দিন, যদিও আপনি মনে করতে পারেন যে তার এটির প্রয়োজন নেই, তাও করবেন। এটি সর্বদা অফার করা একটি দুর্দান্ত উপায় এবং এটি তাকে দেখাবে যে আপনি কতটা একাত্ত্ব থাকার চেষ্টা করছেন।
৯. আত্মবিশ্বাসী হনঃ
কখনও কখনও শাশুড়ি তার 'কঠরতা প্রদর্শন' এর মাধ্যমে আপনার পদক্ষেপ বা আপনার আত্মবিশ্বাস পরীক্ষা করতে চান। আপনি যদি তাকে দেখান যে আপনি যে কোন পরিস্থিতিতে সত্য/স্বচ্ছ থাকতে পারেন, তবে সে আপনার প্রতি আরও বিশ্বাসী হবে।
১০. দেখান যে আপনি তাকে খুব পছন্দ করেনঃ
এমনকি আপনি সত্যিই যদি তাকে এক মিনিটের জন্য হলেও তাকে সহ্য না পারেন, তাও উচিৎ হবে না, এই অশোভন বা অসন্তুষ্ট আচরণের অজুহাত দেয়া। এটি আপনার সঙ্গীর মা, আপনি তাকে ছেড়েও দিতে পারবেন না তাই আপনার সেই বন্ধুত্বপূর্ণ মুখটি রাখা এবং অভিনয় করে হলেও, আপনার সাধ্যমতো গুরুজনের প্রাপ্ত সম্মানিত আচরণ করা।
লেখা: Anup Das
