আন নিদা
Open in Telegram
নাম দেখে, প্রচ্ছদ দেখে পছন্দ হলে এই চ্যানেলে বই রাখা হয়; যেন পড়তে পারি ৷ সব বই পড়ে সংযুক্ত করা হয় না ৷ কিছু কিছু বই দেখে সংশয় হলে, সামান্য বুঝতে চেষ্টা করি— লেখক হকপন্থি কী না? ফিকহ এবং উসুলুল ফিকহ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেই বই এখানে শেয়ার করা হয়
Show more2 639
Subscribers
+224 hours
+107 days
+3130 days
Posts Archive
2 642
والحكم الشرعي لا يؤخذ من نص، إنما يؤخذ من نصوص، والأصل أن ندور مع الظواهر، فإن وقع ما فيه إشكال فقد نتكلف بعض الأحايين الجواب؛ لتسلم لنا سائر النصوص.
--- الشيخ مشهور بن حسن آل سلمان
2 642
وقال مجاهد: إذا دخلت المسجد فقل: السلام على رسول الله، وإذا دخلت على أهلك فسلِّم عليهم، وإذا دخلت بيتًا ليس فيه أحد فقل: السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين .
وروى الثوري عن عبد الكريم الجزري عن مجاهد، إذا دخلت بيتًا ليس فيه أحد فقل: بسم الله والحمد لله، السلام علينا من ربنا، السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين.
وقال قتادة: إذا دخلت على أهلك فسلم عليهم، وإذا دخلت بيتًا ليس فيه أحد فقل: السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين، فإنه كان يُؤمر بذلك، وحدثنا أن الملائكة تردُّ عليه .
— تفسير ابن كثير - ط ابن الجوزي – ابن كثير (٥ / ٥٧١)
2 642
জওয়াবের সারাংশ
জওয়াবের সারাংশ হলো, মুসলিম উত্তরাধিকার সংক্রান্ত উক্ত আইন যেহেতু কুরআন ও হাদীসে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বর্ণিত এবং মুসলিম উম্মতের মাঝে মুজমা আলাইহি (ইজমা সম্মত) আইন, তাই এতে কোন ধরনের সংশোধন ও পরিবর্তনের ন্যূনতম কোন অবকাশ নেই।
তদুপরি এর জন্য যে প্রস্তাবনা পেশ করা হয়েছে, সেটিও ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে একটি বাতিল প্রস্তাব। কারণ হাকীকতের বিচারে এটি হলো ওয়ারিশের জন্য অসিয়ত; যা শরীয়তের দৃষ্টিতে বাতিল।
যদি হাকীকত ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের দিকে না তাকিয়ে কেবল নামের ভিত্তিতে একে হেবা আখ্যা দেওয়া হয়, এরপর যদি কবযা না হয়ে থাকে তাহলে শরীয়তের দৃষ্টিতে মেয়ে একা এই সম্পদের মালিক হবে না; বরং উক্ত সম্পদ মিরাস বণ্টননীতি অনুযায়ী ওয়ারিশগণের মাঝে বণ্টন করা হবে। আর যদি কবযা হয়ে থাকে তাহলে কবযা সম্পন্ন হওয়া মাত্রই তাৎক্ষণিকভাবে হেবাকারীর মালিকানা থেকে বের হয়ে মেয়ের মালিকানায় এসে যাবে। এক্ষেত্রে হেবাগ্রহীতা মেয়ে হেবাকারীর জীবদ্দশায় এ সম্পদ ভোগ করার দাবী করতে পারবে না— শরীয়তের দৃষ্টিতেও এমন কথা বাতিল এবং স্বাভাবিক বিচার বুদ্ধির আলোকেও এমন কথা কেউ বলতে পারে না। কারণ এটি সম্পূর্ণরূপে স্ববিরোধিতা। ইসলামী শরীয়ত এমন স্ববিরোধী কথা বলতেই পারে না। মানব রচিত কোন আইন, যার কাছে নিজের আত্মসম্মানবোধ আছে, সেও নিজের জন্য এ ধরনের স্ববিরোধিতা বরদাশত করবে না।
2 642
Repost from Abdullah bin bashir
অনেক আলেম ও তালেবে ইলম ভাইরা বিস্তৃত আঙ্গিকে সিরাত পড়তে চান, তাদের জন্য এই ভিডিওটা একটি উত্তম রাহনুমায়ী হতে পারে।
https://youtu.be/4K3mX2olI5Q?si=I0-yScdXfgsw2pzf
2 642
وقال في «غاية البيان» والسواك أي استعماله سنة؛ لأن الخشبة التي تسمى سواكا ومسواكا أيضا ليست بسنة.
من كتاب «تحفة النساك في فضل السواك للميداني، صـ 32
2 642
قَالَ: (وَالسِّوَاكُ) لأنَّهُ -عليه الصلاة والسلام-: كَانَ يُوَاظِبُ عَلَيْهِ، وَعِنْدَ فَقْدِهِ يُعَالِجُ بِالْأُصْبُعِ لأنَّهُ -عليه الصلاة والسلام-: فَعَلَ كَذَلِكَ، وَالْأَصَحُّ أَنَّهُ مُسْتَحَبُّ.
قَالَ (وَالْمَضْمَضَةُ وَالاسْتِنْشَاقُ) لأنَّهُ -عليه الصلاة والسلام- فَعَلَهُمَا عَلَى الْمُوَاظَبَةِ. وَكَيْفِيَّتُهُ أَنْ يُمَضْمِضَ ثَلاثًا يَأْخُذُ لِكُلِّ مَرَّةٍ مَاءً جَدِيدًا ثُمَّ يَسْتَنْشِقَ كَذَلِكَ هُوَ الْمَحْكِيُّ مِنْ وُضُوءٍﷺ-.
(وَمَسْحُ الْأُذُنَيْنِ) وَهُوَ سُنَّةٌ بِمَاءِ الرَّأْسِ عِنْدَنَا
-قوله: (والسواك): أي: استعمال السواك على حذف المضاف لا من الإلباس [لما أن السواك] (٥)، والسواك واحد وهو اسم للخشبة المتعينة للاستياك وليست الخشبة سنة.
— النهاية في شرح الهداية - السغناقي – الحسام السغناقي (١ / ٤٢)
2 642
হাদিসে মেসওয়াকের যে সকল ফজিলত এসেছে, সেগুলো পাওয়ার জন্য কি নির্দিষ্ট আলাতুস সিওয়াক ব্যবহার করা নাকি মুতলাক দাঁত পরিষ্কার করা?
এ বিষয়ে একটা আলোচনা চলছে । আমি এখানে এ বিষয়ে কিছু উদ্ধৃতি হয়তো শুধু উল্লেখ করব ।
2 642
তানবীরুল আবসার গ্রন্থের লেখক, মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহ আত-তুমুরতাশি রহিমাহুল্লাহুর (মৃ.১০০৭ হি.) ‘ফাতাওয়াত তুমুরতাশি’র (দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে দারুল ফাতহ থেকে। মাখতুত থেকে অস্থিত্বে আসা প্রথম প্রকাশ এটা) পিডিএফ কালকে পেলাম। সকালবেলা বইটির শুরু থেকে পড়ছিলাম।
একটা মাসআলায় প্রাসাঙ্গিকভাবে উনি উল্লেখ করলেন, ‘গায়েবানা জানাযার সালাত জায়েযের কথা বলেছেন ইমাম শাফেঈ রহিমাহুল্লাহু’। টিকাতে মুহাক্কিক এই কথার সূত্র দেখাচ্ছেন শাফেঈ ফকীহ শাইখুল ইসলাম যাকারিয়া আনসারি রহিমাহুল্লাহুর ‘আসনাল মাতালিব ফী শরহি রওযাতিত তালিব’ গ্রন্থ থেকে। (ফাতাওয়াত তুমুরতাশি:১/৯১)
…
বলতে চাচ্ছিলাম, আমরা তো অনেক আলেমের মুখে শুনেছি, গায়েবানা জানাযার নামায সর্বসম্মতক্রমে জায়েয নেই। এটা উম্মাতের আলেমদের ইজমাঈ ফয়সালা। তো শাফেঈ রহিমাহুল্লাহু কী সেই আলেমদের তালিকায় নেই?! অথবা আমরা বলতে পারি ‘সর্বসম্মতক্রমে’ মানে হানাফি ‘মাযহাবের সর্বসম্মতক্রমে’। যদি এটাই উদ্দেশ্য হয়, তাহলে এই মাজাযের কোন ক্বরীনা আছে ওনাদের কথায়! যে কোন ধরণের ইসনাদ মাজাযে আকলি হওয়ার জন্য ‘তালখীসুল মিফতাহ’ এবং ‘মুখতাসারুল মাআনি’তে স্পষ্টভাবে শর্ত করা হয়েছে –কোন তাআওউল/ক্বরীনা লাগবে।
বি. দ্র. গায়েবানা জানাযার নামায পড়তে উৎসাহিত করছি না। কিংবা এটাকে নর্মালাইজ করছি না। আহলে ইলমদের ইলমি আমানতের বিষয়টা মূলত বুঝতেছি না!
