en
Feedback
পর্দা - The Sign of Modesty

পর্দা - The Sign of Modesty

Open in Telegram
2 651
Subscribers
No data24 hours
No data7 days
No data30 days
Posts Archive
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন — ❝কোনো নারী যদি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ঠিকভাবে আদায় করে, রামাদানে মাসে সিয়াম পালন করে এবং যথাযথভাবে স্বামীর কথা মেনে চলে, তাহলে তাকে বলা হবে—তুমি জান্নাতের যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা, সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করো।❞ . রেফারেন্সঃ [ইমাম বুখারি রাহিমাহুল্লাহ মুসলিম ও আহমাদ ইবনু উমারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, সহিহুল জামি, হাদিস নং : ৬৬০]

ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামের সার্ভার ডাউন!

আপনাদের ফেসবুক আইডির কী অবস্থা? কিছুটা একা একা লাগছে না? টেনশন নেবেন না, এই সমস্যা এখন পুরো বিশ্বের। দ্রুতই ঠিক হয়ে যাবে আশা করি। তবে এমন একদিন আসবে, যেদিন আমরা পুরো একা হয়ে যাব; পুরোপুরি একা। কেউ সেদিন আসবে না আমাদের সান্ত্বনা দিতে; একমাত্র আমল ছাড়া।

একটা কথা শুনতে একটু বা_জে লাগতে পারে। চেষ্টা করছি ভদ্রভাবে বলার। একটা মেয়ে যৌ_ন_তা রিলেটেড একটা পেশার পরে সবচেয়ে বেশি যেভাবে নিজেকে অসম্মানিত করতে পারে তা হলো কোনো ছেলের গার্লফ্রেন্ড হয়ে। একটা ছেলে আপনাকে স্পর্শ করে (শারীরিক সম্পর্ক হলে তো হলোই), আপনার নানা অঙ্গ-ভঙ্গি দেখে, গ-ন্ধ শুঁ-কে, ন্যা_কা_মো কথা শোনে আপনাকে প্রতিটা ওয়েতে ভো-গ করছে। কিসের বিনিময়ে? কিছু 'চাঁদ তারা এনে দেওয়া' ধরণের কথা, মাঝেমধ্যে কুমি-রের কান্না আর কিছু গিফট দেওয়ার মাধ্যমে। সে আপনার দায়িত্ব নেয় না, আপনার নিরা-পত্তা দেয় না, ধর্ম-সমাজের দৃষ্টি থেকে লু-কিয়ে লুকি-য়ে আপনাকে ভো-গ করে, জাহা_ন্নামে_র পথে নিয়ে যায়, আপনাকে একটা পরিবার না দিয়ে নিজ পরিবারের বি-রু-দ্ধে নেয়। আর আপনি তাকে স্পর্শ, দৃষ্টি ও শ্রবণের মাধ্যমে দিচ্ছেন যৌ_ন_তৃ-প্তি। এর চেয়ে অসম্মানের আর কী হতে পারে? আপনাকে কেউ কেন বিয়ে করতে চাইবে? যে শুধু আকর্ষণীয় কথার মাধ্যমেই যৌ_ন_তা বিলি করে তাকে কে বিয়ে করতে চাইবে? কেন কেউ আপনাকে সন্তানের মা বানাতে চাইবে, যে মা হওয়ার কথা সন্তানের চোখে, পরিবার ও স্বামীর চোখে এক মহান নারী, যাকে প্রচন্ড সম্মান করতে ইচ্ছে হয়? ঠিক কতটা নি-চে নামলে নি-চে নামা শে-ষ হবে? ~ ইরফান সাদিক!

আমি লক্ষ্য করে দেখেছি যেসব মেয়েরা অনেকগুলো ছেলের মধ্যেখানে বসে গল্প আর আড্ডাবাজিতে মেতে ওঠে, কারণে-অকারণে হাসতে হাসতে পাশে বসে থাকা কোনো ছেলেবন্ধুর গায়ের উপর পড়ে যেতে উপক্রম হয় এই টাইপের মেয়েদেরকে ছেলেরা শুধু মেয়েবন্ধু হিসেবেই গ্রহণ করে। কখোনো তাদের "বধূ" বানাতে চায়না। আপনি কি জানেন সব পুরুষেরাই যে বিবাহের উদ্দেশ্যে রক্ষণশীল পরিবারের "ভদ্র" মেয়েদেরকেই অধিক পছন্দ করে? তা নিজের চরিত্র যেমনি হোক না কেনো! এর দ্বারাও কি আমার বোনেরা, আপনারা কিছুই বুঝেন না? এর মানে হচ্ছে সহজপ্রাপ্য জিনিসের কোনো মূল্য নেই। যখনই আপনি পুরুষ প্রজাতির কাছে সহজলভ্য হয়ে গেলেন তখনই তারা আপনাকে বধূর মর্যাদা দেওয়ার পরিবর্তে শুধুই তাদের আড্ডাবাজির সদস্য হিসেবেই রাখাটাকেই যথেষ্ঠ মনে করল। জানেন কি? তাই বলছি, দয়া করে ঝিনুকের ভিতরে থাকা "মুক্তা" হয়ে থাকুন, "ঝিনুক" হবেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবাদতখানায় জুমার নামাজ পড়াচ্ছিলেন একজন বিদেশি ছাত্র। ওনার খুৎবার বিষয় ছিল - নামাজ। তিনি ১৫ মিনিটে ইংরেজিতে অনেক চমৎকার কিছু কথা বলেছেন; সামারি করার সময় একটা ‘লাইন’ উচ্চারণ করেছেন, যা আজও আমার কানে-মনে বাজে — “সারাদিনের পরিকল্পনায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কিভাবে ঠিকভাবে আদায় করবেন, আগে সেই পরিকল্পনা নিন; তারপর বাকি কাজগুলো ঐ অনুযায়ী এডজাস্ট করে পরিকল্পনা করুন; আপনার জীবন পাল্টে যাবে।” আসুন আমরা আল্লাহর কাছে এভাবেই পরিকল্পনা নেওয়ার তাওফিক কামনা করি। - ইমরুল!

তাবেঈ মূসা ইবনু ইয়াসার বলেন, এক মহিলা আবু হুরায়রা (রা.)-এর নিকট দিয়ে গমন করেন। তাঁর দেহ থেকে সুগন্ধি জোরালোভাবে বেরিয়ে আসছিল। তখন তিনি বলেন, হে আল্লাহর বা-ন্দী! তুমি কি মসজিদে যাচ্ছ? মহিলা বলেন, হ্যাঁ। তখন আবু হুরায়রা বলেন, তুমি কি মসজিদে গমনের জন্য সুগন্ধি মেখেছো? মহিলা বলেন, হ্যাঁ! আবু হুরায়রা বলেন, তাহলে তুমি ফিরে গিয়ে গোসল করো। কারণ আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ❝যদি কোন নারী মসজিদে গমন করার সময় তার সুগন্ধি প্রসারিত হয় তবে আল্লাহ তার সালাত কবুল করবেন না, যতক্ষণ না সে তার বাড়িতে ফিরে গিয়ে গোসল করে।❞ ~ 'পোশাক, পর্দা ও দেহসজ্জা'—বই থেকে!

কিছুদিন আগে একজন গবেষকের একটি গবেষণায় দেখলাম যে, একজন পুরুষের মস্তিষ্কের মেমোরি কার্ড প্রায় ২৫ লাখ জিবি! অবাক করা কান্ড! এরপরও এই যুগের Young Generation এর ম-স্তি-ষ্ক অ_কে_জো হওয়ার কারণ নিয়ে আমি যখন ভাবলাম, তখন আমার কাছে মনে হয়েছে যে, এত বড় একটি আসমানী সিস্টেমকে অকার্যকর করে দেওয়ার জন্য শুধুমাত্র বে-পর্দার একজন নারীর একটি হাসিই যথেষ্ট, ইন্না লিল্লাহ! ~ আতাউর রহমান নদভী (হাফি.)

আবদুর রহমান ইবনে আবু নুম রাহিমাহুল্লাহর মাথায় প্রচুর উকুন ছিলো। উকুনের কারণে তিনি অতিষ্ঠ ছিলেন। উকুন নিধনের জন্য অনেককিছু করলেন, কোনো লাভ হলো না। একদিন তিনি আল্লাহর কাছে দু’আ করলেন - “হে আল্লাহ! আমার মাথায় অনেক উকুন। উকুন থেকে আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই।” আল্লাহ তার দু’আ কবুল করলেন। দু’আ শেষ করতে না করতেই তার মাথা থেকে বলের মতো উকুনগুলো ঝরে পড়লো। আমরা ছোটোখাটো বিষয়ে কি আল্লাহর কাছে দু’আ করি? মাথায় খুশকি আছে, স্যাম্পু ব্যবহার করে কাজ হচ্ছে না। আল্লাহর কাছে কি দু’আ করি - “আল্লাহ! আমার মাথার খুশকি দূর করে দিন?” ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাই না কেনো? আমাদের কি মনে হয় ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহ সাহায্য করেন না? কিংবা এসব ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহর কাছে চেয়ে কী হবে? সালাফগণ ‘ছোটোখাটো’ ব্যাপারেও আল্লাহর কাছে সাহায্যপ্রার্থনা করতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “তোমাদের প্রত্যেকেই যেন তার প্রতিটি অভাব পূরণের উদ্দেশ্যে তার রবের নিকটে প্রার্থনা করে, এমনকি তার জুতার ফিতা ছিঁ-ড়ে গেলে তাও যেন তাঁর নিকটে চায়।” [জামে আত-তিরমিজি : ৩৬০৪] আবদুর রহমান ইবনে আবু নুম রাহিমাহুল্লাহর ঘটনাটি পাবেন 'সাহাবীদের চোখে দুনিয়া'–বইতে!

সব ই অভিনয়। ফাঁ-কা বুলি। মানুষের সামনে ওরা এমন একটা ভাব ধরে যেন ওদের চেয়ে সুখী দাম্পত্য পৃথিবীতে আর নাই। আসলে সব ধোঁ_কা, প্রতা_রণা আর মি-থ্যা মরীচিকা। সমস্যা হলো, ওদের এই মিছে চাকচিক্যের ফাঁ_দে আটকা পড়ে কত যে দম্পতি নিঃশেষিত হয়েছে তার ইয়ত্তা নাই। অনেক অবুঝ নারী সে_লি-ব্রি_টি হতে চায়। অনেকে আবার তুলনামূলক মূল্যায়ন করতে গিয়ে স্বামীর উপরে সামর্থ্য বহির্ভূত বোঝা চাপিয়ে দিয়ে কৃ-ত্রি-ম সুখের আশায় অ-কৃত্রিম সুখের নীড়ে আ-গু-ন ধরিয়ে দেয়। হালাল এবং স্বল্পে তুষ্টির সুখ পৃথিবীতে আর নাই। ~ ড. বিএম মফিজুর রহমান আল-আযহারী (হাফি.)

লক্ষকোটি বার বলব — দ্ব্যর্থহীনভাবে চিৎ-কার করে জানিয়ে দেব — আমি মা হতে চাই। মা পরিচয়ের চেয়ে বড় পরিচয় আর কিছু হতে পারে না। . ~ আনিকা তুবা!

যদি প্রশ্ন করা হয়, আমার প্রিয় কাজ কী? তাহলে আমি একশবার বলব, হাজার বার বলব, বাচ্চাদের সাথে সময় কাটানো। বাচ্চাদেরকে গল্প শোনানো। ওদের সাথে খেলা। মা/-র্শা/-ল আর্ট প্র‍্যাকটিস করা। ওদের নিয়ে ক্র‍্যাফট মেকিং। ওদের সূরা পড়ানো। ইসলামের কথা বলা। মুস/লিম/দের কথা বলা। . এসব কাজ করে আমি কখনো বোরড হই না। হ্যাঁ, ক্লান্ত হই। সারাদিন সাংসারিক কাজ সামলানোর পর আমার অসম্ভব টায়ার্ড লাগে। তবু যখন রাত হয়ে গেলে বাচ্চারা বলে, এবার আমাদের সাথে শোও, আমাদের সাথে ঘুমাও। আমি কথাটা ভীষণ এনজয় করি। মুখে কপট বি_র_ক্তি দেখিয়ে বলি, তোমাদেরকে দেখলে মনে হয় মা যেন সারাদিন তোমাদের সাথে ছিলাম না! শুধুমাত্র আরেকটা দুধের শিশু ও আছে, তাই বড়গুলোর সাথে ঘুমানোটা আর হয় না। কিন্তু আমার ইচ্ছা করে ওদের কথা মেনে নিই। আমার ইচ্ছা করে হ্যা-রি পটার বইয়ের টাইম ট্রাভেলের মতো একই সময়ে বড়গুলোর সাথে গুটুরগুটুর গল্প করি আর অন্যপাশে পিচ্চিটার ফোকলা হাসি দেখে ছড়া কাটি। আমার ইচ্ছে করে দিনে-রাতে চব্বিশ ঘণ্টাই জেগে থেকে ওদের সঙ্গ উপভোগ করি৷ . এই যে বাচ্চাদের সাথে সারাটাদিন কাটিয়ে দিচ্ছি৷ আমার অলমোস্ট ফুল এনার্জি ওদের পিছে দিয়ে দিচ্ছি, এজন্য আমার একটুও খারাপ লাগে না। বরং যেই দিনগুলোতে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি, বাসার কাজগুলো ঠিকভাবে গোছাতে পারি না, বাচ্চাদেরকে বেশি সময় দিতে পারিনা সেদিন আমার খারাপ লাগে। যখন ওদের জন্য পরিকল্পনা মাফিক মোটামুটি সব কাজ করতে পারি, সে দিনগুলোই আমার কাছে সেরা। অন্তর থেকে কেমন একটা শান্তি অনুভব করি। খুব স্যাটিসফাইড লাগে। . আমি ছোটবেলা থেকে মোটামুটি ভালো রেজাল্ট করেছি৷ ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছি। আমার মা-বাবা এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা আমার উপর অনেক আশা রেখেছেন, আমাকে নিয়ে বড় বড় স্বপ্ন দেখেছেন। তাদের অনেকেই হয়তো আমাকে এখন একজন ব্য/র্থ মানুষ ভাবেন। আমার কাজগুলোকে নী-চু নজরে দেখেন। তাদের অভিব্যক্তিতে ফুটে ওঠে, তুবা মেয়েটা জীবনে কিছুই করতে পারল না। . কিন্তু আমি যখন থেকে বুঝতে শিখেছি, ইসলাম আমাকে নারী হিসেবে কী দায়িত্ব দিয়েছে, তখন থেকে আমার বিন্দুমাত্রও ইচ্ছা হয়নি চাকরি করবার বা নিজের ক্যারিয়ার সাজানোর। সমাজ হয়তো আমাদের এই চিন্তাটা বুঝতে পারে না। তাদের কাছে অনেক চটকদার অপশন আছে। ক্যারিয়ার, প্রোমোশন, হাই-স্যালারি ইত্যাদি। এগুলোই এখন মানুষের স্ট্যাটাস মাপার মাপকাঠি। এগুলো ছাড়া কেউই আপনাকে ঠিক সমীহ করতে চাইবে না। কিন্তু এসব নিয়ে আমি বিন্দুমাত্র চিন্তিত নই। আমার মূল ফোকাসই হয়ে গেছে আমার পরিবার, আমার সন্তান-সন্ততি, আমাদের দ্বীন-ঈমান-আমল। . এর মাঝে যে আমি কখনোই কোনো ‘জব’ করিনি, তা না। টুকটাক করেছি। তবে পায়ের নি-চে মাটি হিসেবে আমার নিজস্ব কিছু আর্নিং থাকা দরকার এমন মানসিকতা থেকে করিনি। কিংবা আমার নিজের একটা আলাদা পরিচয় থাকা চাই — এই মনোভাবও রাখিনি। বরং আমি যে বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছি শুধুমাত্র সেই বিষয়গুলো নিয়েই ইনভলভ হওয়ার চেষ্টা করেছি। মানুষের মধ্যে ইসলামী জ্ঞানের প্রচার-প্রসারের তাগিদ থেকে মাদ্রাসা বা ইসলামিক প্রতিষ্ঠানে পড়িয়েছি। বাচ্চাদের জন্য গল্পের বই লিখেছি। আমার সব কর্মকাণ্ড কমবেশি এগুলো ঘিরেই। এর কোনোটাই দুনিয়াবি নজরে খুব বড় কিছু না। এরপরেও যদি কোনোকিছুর জন্য এতটা বেশি সময় দেয়া লাগে, যার কারণে আমার সংসার জীবনে সময় দিতে অসুবিধা হবে, আমি নির্দ্বিধায় সেগুলো করার চিন্তা বাদ দিয়েছি। কেননা এর কোনোটাই আমার মেইন ফোকাস ছিল না। . আমার ফার্স্ট প্রায়োরিটি আমার সংসার এবং সন্তানদের আপব্রিঙিং। তাদের তরবিয়ত। আলহামদুলিল্লাহ — এই দুই জিনিস যদি ঠিক থাকে, তাহলে আমি সফল আলহামদুলিল্লাহ। সংসার এবং সন্তানদের পিছে যে সময় যাচ্ছে, সেটা মোটেও সময় নষ্ট নয়। এই টাইমটা আমার ইনভেস্টমেন্ট। অনেকে মনে করে ক্যারিয়ারে সময় দিলাম না, বাচ্চাদের পিছে সংসারের পিছে খেটে খেটে ম/রে গেলাম, এতে আমার কী লাভ হলো? আমি কী পেলাম? নিজের কোনো ক্যারিয়ার নিজের কোনো পরিচয় না থাকা মানে আমার জীবনটাই বৃথা। আমরা মুসলিমরা ভাবি, আলহামদুলিল্লাহ, আমি সংসারের পিছে সময় ইনভেস্ট করে নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলছি। আমার সমস্ত সময়, মেধা, শ্রম, প্রচেষ্টা সবকিছু ঢেলে দিয়ে একটু একটু করে আমার সন্তানদেরকে তৈরি করছি। এরচেয়ে বড় প্রজেক্ট আর কী হতে পারে? . আমার সন্তানরা যদি আলেম হয়, হাফেজ হয়, মুস-লিম উম্মাহর জন্য বেনেফিশিয়াল কিছু করতে পারে তাহলেই আমাদের এই পরিশ্রম সফল। তাদেরকে আল্লাহর পথে গড়ে তোলার বিনিময়ে আমিও জান্নাতের হক্বদার হয়ে যাব ইন শা আল্লাহ। এখন কবুল করার মালিক আল্লাহ। আমরা তো খালি চেষ্টা করতে পারি। . মানুষ হিসেবে আমরা খুবই সীমিত সময় হাতে করে দুনিয়ায় এসেছি। এই সময়টুকু আমি আমার পরিবারে দিব নাকি মানুষের বিজনেসে দিব, এই হিসাব তো আমাকেই করতে হবে। আমি আমার পথ বেছে নিয়েছি। আমাকে কেউ যদি বলে তুমি একজন মা হতে চাও নাকি একজন ইঞ্জিনিয়ার? মা হতে চাও নাকি একজন লেখিকা? মা হতে চাও নাকি একজন সাকসেসফুল ক্যারিয়ার উইম্যান? তাহলে হাজারবার বলব,

কী আশ্চর্য! তুমি আমার সবই দেখো, সব জানো আমার মনের ভেতর গোপন অনুভব ভ/য়ে সদা কাঁ/পে হৃদয় কোথা যে পালাই তোমার চেয়ে আপন প্রভু, কারেও নাহি পাই! ~ চৌধুরী গোলাম মাওলা

প্রশান্তির ঘুম... ❝হে প্রশান্ত আত্মা, তুমি ফিরে এসো তোমার রবের প্রতি সন্তুষ্টচিত্তে, সন্তোষভাজন হয়ে। অতঃপর আমার বান্দাদের অন্
প্রশান্তির ঘুম... ❝হে প্রশান্ত আত্মা, তুমি ফিরে এসো তোমার রবের প্রতি সন্তুষ্টচিত্তে, সন্তোষভাজন হয়ে। অতঃপর আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও এবং প্রবেশ করো আমার জান্নাতে!❞ (সূরা আল-ফজর : ২৭-৩০) শহীদ (রহি.)

৫ ওয়াক্ত সলাত আদায়কারীদের জীবনে একটি অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে যে, তিনি হয়তো কোনোদিন অসুস্থতায় বা অতিরিক্ত ক্লান্তিতে ফজরের আযান ও এলার্ম কোনোটাই শুনতে পান নাই এবং তার ঘুম ভেঙ্গেছে সূর্যোদয়ের পর। কিন্তু ঘুম ভাঙ্গার সাথে সাথে তিনি যখন দিনের আলো দেখতে পান - তিনি চমকে উঠে একটাই কথা ভাবেন, ❝হায় আল্লাহ্‌, ফজরের সলাত পড়া হয়নি!❞ তার হৃদয়টা ভেঙ্গে যায়, চোখ ভিজে যায়, খুব বড় রকমের অপরাধ বোধ কাজ করে তার অন্তরে! তাকে যদি বলেন, ❝অমুক সময় অফিসে মিটিং আছে।❞ দেখবেন তিনি সলাতের সময়কে হিসাব করে আপনাকে মিটিং-এর সময় এগিয়ে বা পিছিয়ে নিতে বলবে। যদি তাকে দাওয়াত দেন, দেখবেন তিনি তখনও সলাতের সময়কে হিসাবে রেখে আপনার দাওয়াতের সময় পরিবর্তন করে দাওয়াত কবুল করবে। তিনি সারাদিন যদি ছোটাছুটির উপরেও থাকেন কিংবা টেবিলে বসে কাজ করেন, তবুও তার সারাদিনের কাজকর্ম সলাতের সময়ের হিসাবে পরিকল্পিত হয়। এই বিষয়টাই খুব ভালো লাগে যে, নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত সলাত আদায়কারীরা প্রকৃত পক্ষে অন্তরের গভীর থেকে সর্বক্ষণ সলাতের মাঝেই থাকেন। ঘুমাতে যাবার সময়েও তার একটাই চিন্তা ❝তাহাজ্জুদে বা ফজরে উঠতে হবে।❞ ❝আল্লাহ্‌ কেনো ৫ ওয়াক্ত সলাতকে ফরজ করলেন?❞ - এ বিষয়ে যখন গভীর চিন্তা করতে থাকি, আমি এমন প্রচুর নির্দেশনা পাই এবং আমি সত্যই মুগ্ধ ও কৃতজ্ঞ যে, আমাদের রব আমাদের জন্য ৫ ওয়াক্ত সলাত ফরজ করেছেন। ইবাদাতের কারণ বুঝতে পারি আর না পারি, প্রজ্ঞাশীল হতে পারি আর না পারি - আল্লাহ্‌র হুকুমই আমাদের জন্য যথেষ্ট! ~ শিবলী মেহেদী

❝যে নারী বোরকা পরেও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভাবে, ‘আমাকে দেখতে সুন্দর লাগছে তো! বাইরে গেলে আমাকে ভালো লাগবে তো!’ সে এখনো বেপর্দাই রয়ে গেল!❞ ~ তানজীল আরেফীন আদনান