2 725
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-67 روز
-630 روز
آرشیو پست ها
আমি কখনো রেগে গিয়ে এমন কথা বলিনি, যে রাগ চলে যাওয়ার পর সেটার জন্য আফসোস করব।
- মুওয়াররিক আল-ইজলী (রাহিমাহুল্লাহ)
[হিলয়াতুল আউলিয়া]
❝সবচাইতে অ-ক্ষম হচ্ছে সে ব্যক্তি যে দু'আ করতেও অ-ক্ষম, আর সবচাইতে কৃ-পণ হচ্ছে সেই ব্যক্তি যে সালাম দিতে কার্পণ্য করে।❞
.
أعجز الناس من عجز عن الدعاء وأبخل الناس من بخل بالسلام
.
~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
.
[সহীহুল জামি, হা : ১০৪৪]
.
সবাইকে — আসসালামু'আলাইকুম!
তুমি কি জানতে চাও, আল্লাহর কাছে তোমার সম্মান কতটকু? তাহলে দেখ, তিনি তোমাকে কোন অবস্থায় রেখেছেন?
- যদি দেখ তিনি তোমাকে তার যিকিরে মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিনি তোমাকে স্মরণ করতে চান।
- যদি দেখ তিনি তোমাকে কুরআন দ্বারা মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিনি তোমার সাথে কথা বলতে চান।
- যদি দেখ, তিনি তোমাকে ইবাদাত/আনুগত্যে ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিনি তোমাকে তার সান্নিধ্যে টেনে নিয়েছেন।
- যদি দেখ, তিনি তোমাকে দুনিয়া দিয়ে ব্যস্ত করে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিনি তোমাকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন।
- যদি দেখ, তিনি তোমাকে লোকজনের সাথে মশগুল বানিয়ে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিনি তোমাকে অপমানিত করেছেন।
- যদি দেখ, তিনি তোমাকে দুআর দ্বারা ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে নাও, তিনি তোমাকে কিছু দিতে চান।
অতএব, সবসময় নিজের অবস্থা দেখ। তুমি কোন কাজে মশগুল? আল্লাহ তোমাকে যে কাজে ব্যস্ত রেখেছেন, সেটাই তোমার অবস্থান তাঁর কাছে।
মূল : ড. রাতিব আন-নাবলুসি।
অনুবাদ : ড.বি. মফিজুর রহমান আল-আযহারী।
ইদানিং নারীদের পোশাকগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে তার হাতগুলো অনেকটা দৃশ্যমান হয়। হাত বলতে আমি কবজি থেকে উপরের অংশকে মিন করছি। এমনকি যারা বোরকা পরিধান করেন, তারাও হাতের অংশটি এমনভাবে তৈরি করেন, যাতে একটু মুভমেন্টেই হাতের অনেকটা প্রকাশ হয়ে যায়। দিনে দিনে এই প্রবনতা বাড়ছে। বিশেষ করে মিডিয়ায় যারা কথা বলেন, ইসলাম ভাবাপন্নরাও যেভাবে সামনে আসেন, তাতে বিষয়টা চোখে পড়ে যায়।
ইসলামী অনুশাসন না মানলে এগুলো কোনো সমস্যাই নয়। তবে কেউ যদি সর্বোত্তমভাবে ইসলাম অনুসরণ করতে চান, তাদের জন্য কিছু কথা বলা যায়।
প্রথমত যা বলা দরকার তা হলো, বিভিন্ন মাযহাব ও আলেমদের মধ্যে নারীর হাত সতরের অন্তর্ভুক্ত কি না—এ নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে। তবে প্রসিদ্ধ মত অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক নারীর দুই হাত (কবজি পর্যন্ত) সতরের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই নামাজের বাইরে সাধারণ অবস্থায় কবজি পর্যন্ত হাত খোলা রাখা বৈধ বলে গণ্য করা হয়, যদি তা ফিতনার কারণ না হয়।
এ প্রেক্ষিতে, সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত হলো, যদি জামার হাতা বড় করার ধরন এমন হয় যে কবজির ওপরে বাহুর কিছু অংশ প্রকাশিত হয়, তাহলে অধিকাংশ ফকিহের মতে সেটি সতর প্রকাশের মধ্যে পড়বে। তাছাড়া হাতের ঐ অংশ প্রকাশিত হওয়ার কারণে সংশ্লিষ্ট নারীর গায়ের রং বোঝা যায়। তার পরিধেয় অলংকার স্পষ্ট হয়। এ কারণে, অনেকেই বোরকার নীচে ফুল হাতা জামা পরিধান উত্তম মনে করেন। তাতে করে বোরকার নীচের পোশাকটি আলাদা ব্যাকআপ হিসেবে কাজ করে।
~ আলী আহমদ মাবরুর!
আউয়াল ওয়াক্তে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে পারা একজন মুমিনের জন্য এই পৃথিবীর বুকে অন্যতম সেরা অর্জন।
অথচ আমাদের আমলনামায় এই সেরা অর্জন এর সংখ্যা জিরো!
আরেহ! পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকঠাক আদায় করা-ই আমাদের মত গাফেলদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে আউয়াল ওয়াক্তে নামাজ আদায়? সে তো চিন্তারও বাইরে!
কী নির্মম সত্য এ ক্যালকুলেশন! দয়াময় রবের সাথে দূরত্ব কেবল বাড়ছে তো বাড়ছেই অথচ বান্দার নেই এ ব্যাপারে কোনো মাথাব্যথা!
কতখানি অধঃপতন হলে এমন পরিস্থিতি মুমিনের জীবনে আসে, কতখানি মোহগ্রস্ত হলে এমন জু-লু-ম করা যায় নিজের প্রতি?
এ কেবল আমাদের মত চরম অ-কৃতজ্ঞ মুমিনের দ্বারাই সম্ভব যার কাছে আখিরাতের চেয়ে দুনিয়ার মূল্য বেশি।
নিশ্চয় মহান রব কারো উপর জু-লু-ম করেন না। মানুষ
নিজেই নিজের উপর জু-লু-ম করে এবং বেলা শেষে নিজের করা জু-লুমের প্রতিদান-ই দুহাত ভরে পায়!
এ চিত্র আর কারো নয়, আমারই চিত্র, আমাদেরই চিত্র!
মাফ চাই ইয়া রব! সবকিছুর উর্ধ্বে চলে যাক আপনার প্রতি টান, আপনার প্রতি ভালোবাসা। কৃতজ্ঞতায় নুয়ে পড়ুক এ মস্তক। মন বারংবার খুঁজে ফিরুক আপনার সাথে কথোপকথনের সময় ও উপায়!
নিজের লেখা নিজে পড়েই চোখ ভ-রে পানি আসছে। গলগল করে বেরিয়ে আসতে চাইছে!
চোখের পানিকে খুশিতে রুপান্তরিত করার তৌফিক দিন মহান রব, বারাকাহ দিয়ে দিন নিয়তে, সময়ে, কর্মে। লাগাম টেনে দিন দুনিয়ার পেছনে ছুটে চলা মো-হে।
আপনি সহজ করে দিলেই তো সব সহজ!
~ শামছুন্নাহার রুমি!
'আমি যখন কোনো পা-পে লিপ্ত ছিলাম, তখন আল্লাহ আমার দিকে দৃষ্টি দিয়ে ফেলেছিলেন; ফলে তিনি আমাকে ঘৃ-ণা করেছেন এবং আমার তাওবাহর দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন!;— এমনটা যে ঘটেনি তার নিশ্চয়তা আমাকে কে দিল?!'
.
- হাসান বসরী (রাহিমাহুল্লাহ)
[ইবনুল জাওযীর ‘আদাবুল হাসান আল-বসরী ওয়া-যুহদুহু : পৃ. ২৬]
ইবনুল কাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন:
والله سبحانه يُعاقب من فَتح له باباً من الخير فلم ينتهزه = بأن يحول بين قلبه وإرادته
"মহান আল্লাহ যার সামনে কল্যাণের একটি দরজা (সুযোগ) খুলে দেওয়ার পরও সে সেটিকে কাজে লাগায়নি, আল্লাহ তাকে এভাবে শাস্তি দেন যে, তিনি বান্দার অন্তর এবং (ভালো কাজটি করার) ইচ্ছার মধ্যে প্রতিবন্ধক সৃষ্টি করে দেন।"
[যাদুল মা'আদ]
نسأل الله السلامة.
❝দুটি জিনিস আমার থেকে দুনিয়ার সকল স্বাদ নিয়ে গিয়েছে : মৃ-ত্যুর স্মরণ ও মহান আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর কথা স্মরণ।❞
- আব্দুল আ'লা আত-তাইমী (রাহিমাহুল্লাহ)
[হিলয়াতুল আউলিয়া]
খলিফা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সাহাবীদের নিয়ে একটা মিটিংয়ে বসা।
তখন একজন বায়ু ত্যাগ করলো। অনেকেই নাকে হাত দিচ্ছে, দুর্গন্ধ লাগছে।
একপর্যায়ে খলিফা নির্দেশ দিলেন, যিনি এই কাজটি করেছেন, তিনি যেন অজু করে আসেন (একটু পরেই তো নামাজ)।
তখন আরেকজন সাহাবী অন্য পরামর্শ দিলেন। তাঁর নাম জারির ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু।
তিনি বললেন, আমরা এক কাজ করি। সবাই মিলেই অজু করতে যাই। কারণ, যিনি এই কাজ করেছেন, তিনি একা উঠে গেলে তার অস্বস্তি হবে, অন্যরা তাকে নিয়ে মজা নিবে। তারচেয়ে আমরা সবাই মিলে অজু করতে গেলে তার ইজ্জত রক্ষা পাবে।
খলিফা সেই সাহাবীর পরামর্শ গ্রহণ করলেন। সবাই মিলে অজু করতে গেলেন।
.
পাবলিক প্লেইসে একজন মানুষের ইজ্জতের মূল্য সাহাবীদের কাছে কেমন ছিলো এই ঘটনা তারই এক প্রমাণ। তাদের মধ্যে কী ধরণের ইম্প্যাথি ছিলো চিন্তা করুন!
রেফারেন্স : [ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবী, উমর ইবনুল খাত্তাব : ১/৩২০]
~ আরিফুল ইসলাম!
বর্তমানে মুসলমানদের বিয়ে বাড়িতে গেলে দেখবেন, আগন্তুক সকল মানুষকে খুশি রাখা হয়।
এমনকি কু-কু-র—বিড়ালকে ও পর্যাপ্ত খাবার দিয়ে খুশি রাখা হয়। এই খুশি থেকে শয়-তান-ও বাদ যায় না।
শুধু অবহেলা করা হয় আল্লাহ এবং রাসূল (সা.)-কে!
জীবনটা যে স্বামী ছাড়াও অবিস্মরণীয় হতে পারে তার উদাহরণ — মারিয়াম আলাইহিস সালাম!
জীবনটা যে সন্তান ছাড়াও সফল হতে পারে তার উদাহরণ — আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহা!
জীবনটা যে জা-লিম স্বামীর সাথে বসবাস করেও সমুজ্জ্বল হতে পারে তার উদাহরণ — আছিয়া আলাইহিস সালাম।
জীবনটা যে পড়ন্ত বয়সেও অন্যদিকে মোড় নিতে পারে তার উদাহরণ — খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা।
জীবনটা যে শুধু সংসারী হয়ে সবচেয়ে উঁচু মর্যাদার নারী-জীবন হতে পারে তার উদাহরণ — ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা!
দুঃখ তো তোমার থাকবেই নারী। সে সংসার থাকলেও থাকবে, না থাকার কারণেও থাকবে। দুঃখগুলোকে পোষ মানিয়ে জীবনটা যদি উৎসর্গ করো শুধু রবের নামে, তাহলে দেখো এই বেঁচে থাকার অনুভূতি কী অসাধারণ — পরকালের আশ্বাস এনে দিবে একেকটা অপ্রাপ্তিতেও কী দারুণ স্বাদ!
~ মাজিদা রিফা!
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন — ❝কোনো নারী যদি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ঠিকভাবে আদায় করে, রামাদানে মাসে সিয়াম পালন করে এবং যথাযথভাবে স্বামীর কথা মেনে চলে, তাহলে তাকে বলা হবে—তুমি জান্নাতের যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা, সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করো।❞
.
রেফারেন্সঃ [ইমাম বুখারি রাহিমাহুল্লাহ মুসলিম ও আহমাদ ইবনু উমারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, সহিহুল জামি, হাদিস নং : ৬৬০]
আপনাদের ফেসবুক আইডির কী অবস্থা? কিছুটা একা একা লাগছে না? টেনশন নেবেন না, এই সমস্যা এখন পুরো বিশ্বের। দ্রুতই ঠিক হয়ে যাবে আশা করি।
তবে এমন একদিন আসবে, যেদিন আমরা পুরো একা হয়ে যাব; পুরোপুরি একা। কেউ সেদিন আসবে না আমাদের সান্ত্বনা দিতে; একমাত্র আমল ছাড়া।
একটা কথা শুনতে একটু বা_জে লাগতে পারে। চেষ্টা করছি ভদ্রভাবে বলার।
একটা মেয়ে যৌ_ন_তা রিলেটেড একটা পেশার পরে সবচেয়ে বেশি যেভাবে নিজেকে অসম্মানিত করতে পারে তা হলো কোনো ছেলের গার্লফ্রেন্ড হয়ে। একটা ছেলে আপনাকে স্পর্শ করে (শারীরিক সম্পর্ক হলে তো হলোই), আপনার নানা অঙ্গ-ভঙ্গি দেখে, গ-ন্ধ শুঁ-কে, ন্যা_কা_মো কথা শোনে আপনাকে প্রতিটা ওয়েতে ভো-গ করছে।
কিসের বিনিময়ে?
কিছু 'চাঁদ তারা এনে দেওয়া' ধরণের কথা, মাঝেমধ্যে কুমি-রের কান্না আর কিছু গিফট দেওয়ার মাধ্যমে। সে আপনার দায়িত্ব নেয় না, আপনার নিরা-পত্তা দেয় না, ধর্ম-সমাজের দৃষ্টি থেকে লু-কিয়ে লুকি-য়ে আপনাকে ভো-গ করে, জাহা_ন্নামে_র পথে নিয়ে যায়, আপনাকে একটা পরিবার না দিয়ে নিজ পরিবারের বি-রু-দ্ধে নেয়।
আর আপনি তাকে স্পর্শ, দৃষ্টি ও শ্রবণের মাধ্যমে দিচ্ছেন যৌ_ন_তৃ-প্তি।
এর চেয়ে অসম্মানের আর কী হতে পারে? আপনাকে কেউ কেন বিয়ে করতে চাইবে? যে শুধু আকর্ষণীয় কথার মাধ্যমেই যৌ_ন_তা বিলি করে তাকে কে বিয়ে করতে চাইবে? কেন কেউ আপনাকে সন্তানের মা বানাতে চাইবে, যে মা হওয়ার কথা সন্তানের চোখে, পরিবার ও স্বামীর চোখে এক মহান নারী, যাকে প্রচন্ড সম্মান করতে ইচ্ছে হয়?
ঠিক কতটা নি-চে নামলে নি-চে নামা শে-ষ হবে?
~ ইরফান সাদিক!
আমি লক্ষ্য করে দেখেছি যেসব মেয়েরা অনেকগুলো ছেলের মধ্যেখানে বসে গল্প আর আড্ডাবাজিতে মেতে ওঠে, কারণে-অকারণে হাসতে হাসতে পাশে বসে থাকা কোনো ছেলেবন্ধুর গায়ের উপর পড়ে যেতে উপক্রম হয় এই টাইপের মেয়েদেরকে ছেলেরা শুধু মেয়েবন্ধু হিসেবেই গ্রহণ করে। কখোনো তাদের "বধূ" বানাতে চায়না।
আপনি কি জানেন সব পুরুষেরাই যে বিবাহের উদ্দেশ্যে রক্ষণশীল পরিবারের "ভদ্র" মেয়েদেরকেই অধিক পছন্দ করে? তা নিজের চরিত্র যেমনি হোক না কেনো! এর দ্বারাও কি আমার বোনেরা, আপনারা কিছুই বুঝেন না? এর মানে হচ্ছে সহজপ্রাপ্য জিনিসের কোনো মূল্য নেই। যখনই আপনি পুরুষ প্রজাতির কাছে সহজলভ্য হয়ে গেলেন তখনই তারা আপনাকে বধূর মর্যাদা দেওয়ার পরিবর্তে শুধুই তাদের আড্ডাবাজির সদস্য হিসেবেই রাখাটাকেই যথেষ্ঠ মনে করল।
জানেন কি? তাই বলছি, দয়া করে ঝিনুকের ভিতরে থাকা "মুক্তা" হয়ে থাকুন, "ঝিনুক" হবেন না।
