আকাবির-কথন
Open in Telegram
Show more
The country is not specifiedThe category is not specified
1 217
Subscribers
+324 hours
+297 days
+4230 days
Posts Archive
1 220
তালিবুল ইলমদের সংগ্রহে রাখা ও পড়ার মতো কিছু বই :
বড় যদি হতে চাও
তালিবে ইলমের জীবন গঠন, মাওলানা ইবরাহিম খলিল
তালিবুল ইলম গঠনের আদর্শ রূপরেখা, শায়খ আওয়ামা
মনীষীদের কাছে সময়ের মূল্য, (শায়খ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহ.-এর বাকি দুইটা বইও)
মনীষীদের দৃষ্টিতে সময়ের মূল্য
জীবন পথের পাথেয়
তালিবানে ইলম : পথ ও পাথেয়
আকাবিরে দেওবন্দের ছাত্রজীবন ১-৩
মনীষীদের ছেলেবেলা
দরদী মালীর কথা শোনো ১-৩
ইলম চয়নিকা ১-২
প্রিয় লেখক প্রিয় বই
1 220
যখন মুহাদ্দিস আহমদ আশ-শিরাজী ইন্তেকাল করলেন, তখন এক ব্যক্তি তাঁর ছেলের কাছে এসে বলল, আমি তোমার বাবাকে স্বপ্নে দেখেছি। তিনি শিরাজের জামে মসজিদের মিহরাবে দাঁড়িয়ে আছেন।তাঁর গায়ে ছিল একটি মূল্যবান পোশাক, আর তাঁর মাথায় ছিল রত্নখচিত মুকুট।
আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ আপনার সাথে কেমন আচরণ করেছেন?
তিনি বললেন, আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করেছেন, আমাকে সম্মানিত করেছেন এবং জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছেন।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, কীসের কারণে?
তিনি বললেন, বেশি বেশি দুরুদ শরীফ পড়ার কারণে।
(সিয়ারু আলামিন নুবালা : ১৬/৪৭৩)
1 220
শায়েখ থাকার ফায়দা
হযরত সাইয়্যিদ মাওলানা আবরারুল হক সাহেব রহ.
একবার হযরতের মাদরাসা সংলগ্ন ময়দানে ইট বিছানো হচ্ছিল, যাতে বর্ষা মৌসুমে কাদা না হয়। একটি ইট ছিল খুবই বাঁকা। বাহ্যত সেটাকে কোন কাজের মনে হচ্ছিল না। যাই হোক এটা দেখার পর আমরা হযরতওয়ালার সাথে নামাযের জামা‘আতে হাজির হলাম। মসজিদ থেকে ফেরার পথে দেখি মিস্ত্রি সেটাকে সাইজ করে এমন এক জায়গায় লাগিয়ে দিয়েছে যেখানে সোজা ইট দ্বারা খালি স্থান ভরাট করা সম্ভব ছিল না।
এই প্রসঙ্গে হযরতওয়ালা মন্তব্য করেন যে, কোন মানুষ যতই অসম্পূর্ণহোক না কেন; নিজেকে যদি সে কোন কামেল মানুষের নিকট সোপর্দ করে তাহলে উক্ত কামেল ব্যক্তি তাকে ঘষে-মেজে পরিপূর্ণ মানুষে পরিণত করে তাকে কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগিয়ে দিবেন এবং তার দ্বারা এমন কাজ আঞ্জাম পায় যা অন্যের দ্বারা সম্ভব হয় না।
1 220
আব্দুল্লাহ আল মাসউদ ভাইয়ের নুরুল কুরআন একাডেমিতে নক দিতে পারেন। তিনি এসব ব্যাপারে উপযুক্ত পরামর্শ দিতে পারবেন।
1 220
বইগুলো পড়লে আফসোস হয়। মনে চায়, যদি নিজেও সেই সময়ে থাকতাম আর এই কাফেলার অংশ হতাম...
দিলে সুকুন আনার জন্য এগুলোই এনাফ।
1 220
খলিফা হারুনুর রশিদের মন্ত্রী জাফর বারমাকি ও তার পিতা উভয়ই যখন কারাগারে ছিলেন, তখন মন্ত্রী তার বাবাকে জিজ্ঞাসা করলেন, বাবা! এত ইনসাফ, এত ন্যায়ানুগ আদেশ-নিষেধ ও বিপুল ধনসম্পদ দান-সদকার পরও আমাদের এই পরিণতির কী কারণ!?
তার বাবা বললেন, সবই কোনো মজলুম ব্যক্তির বদ দুআর ফল, যার থেকে আমরা বিমুখ ছিলাম, কিন্তু আল্লাহ তাআলা বিমুখ ছিলেন না!
[কুরআনের পাঠশালায় : ৫১]
1 220
একটা হাদীস আছে, একজন সাহাবী জিজ্ঞেস করেছিলেন, আল্লাহর রাসূল, এতেও কি সওয়াব মিলবে? (এটা তো নিজের নফসের...) আল্লাহ রাসূল বলেছিলেন, এটা যদি অপাত্রে হতো, তাহলে কি গুনাহ হতো না? (তাহলে এখানে কেন সওয়াব হবে না?)
1 220
অবসর সময়ে অনেক কিছুই মিস করি। পুরোনো সহপাঠী, বন্ধুবান্ধব, বই পড়া, মাদ্রাসার কলিগ কিংবা বার্ষিক মুখপত্র নিয়ে ব্যস্ততা...
কয়েক দিন পর নতুন বছর শুরু হবে। সবকিছু আগের মতোই চলবে। ভর্তি পরীক্ষার ব্যস্ততা... এবার আর আমার থাকা হবে না।
1 220
ঈদ এলেই অনেককে বলতে দেখি, ঈদে আগের মত আনন্দ নেই। ঈদের দিন কিছু করবো না। ঘুমিয়েই কাটিয়ে দিব৷
যারা এমন কথা বলেন তারা মূলত আনন্দের বৈচিত্র্য ধরতে পারেন না। তারা হয়তো ভাবেন সারাজীবন আনন্দের ধরন একই থাকবে৷ কিন্তু জীবনে আনন্দের ধরন বারবার বদলায়। ছোটবেলায় আনন্দ ছিল একরকম৷ এখন আরেকরকম। ছোটবেলায় আনন্দ ছিল বড়দের কাছ থেকে সালামি নেয়া। এখনকার আনন্দ হলো ছোটদের সালামি দেয়া। ছোটবেলায় আনন্দ ছিল বাবার কাছে বায়না করে এটা সেটা কেনা, ঘুরতে যাওয়া। এখনকার আনন্দ হলো সন্তানের আবদার মেটানো, তাদের নিয়ে ঘুরতে যাওয়া, সময় কাটানো৷
যদি জীবনের সব স্তরে আনন্দের ধরন একই থাকতো তাহলে জীবনে কোনো বৈচিত্র্য থাকতো না, জীবন থেমে যেত। কিন্তু জীবন গতিশীল। জীবনে অন্য সবকিছুর মত আনন্দের ধরনও বদলায়৷ এই পরিবর্তনকে মেনে নেয়ার মাঝেই লুকিয়ে থাকে জীবনকে উপভোগ করার কৌশল। পুরনো স্মৃতিগুলো স্মৃতিকাতর করবে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই স্মৃতির মাঝেই বন্দি হয়ে বর্তমান থেকে বিচ্ছিন্নতা কাম্য নয়।
তাই জীবনের যে পর্যায়েই থাকুন, আনন্দ খুঁজে নিন। ঈদের রুহানিয়ত ও আনন্দ উপভোগ করুন। সাংস্কৃতিক আধিপত্যের যুগে প্রজন্মকে মুসলিম পরিচয়ের সাথে আরো বেশি ঘনিষ্ঠ করে তুলুন৷
تقبل الله منا ومنكم
ঈদ মুবারক।
সবার ঈদ ভালো কাটুক।
© ইমরান রাইহান
