ch
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

前往频道在 Telegram

显示更多
未指定国家未指定类别
1 099
订阅者
无数据24 小时
+227
+2630
帖子存档
আমি যদি ২০ বয়সী আমাকে পেতাম তাহলে কিছু উপদেশ দিতাম। ১. একজন বিজ্ঞ আলেমের কাছে নিজেকে সোপর্দ করো। কোনো আল্লাহওয়ালা পীর সাহেব হলে ভালো। মুহাক্কিক আলেম+পীর হলে উত্তম। তার কাছে নিজেকে সমর্পণ করা নিয়ে কোনো ধরনের দ্বিধা করবে না। দেরিও করবে না। ২. যে বইগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো আগে পড়ে শেষ করবে। ৩. ঈমান তাজা হওয়ার বইগুলো প্রতিদিন ২ পৃষ্ঠা হলেও পড়বে। ৪. ভার্সিটির পড়াশোনাকে অবহেলা করো না। দুনিয়াবি কাজকে শতভাগ গুরুত্ব দিয়ে করবে। তা নিয়ে উদাসীনতা তোমার দ্বীনকে দুর্বল করবে। দ্বীন দুনিয়া দুটোই বোঝেন এমন মধ্যপন্থী বড়ভাই বা শিক্ষকের পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। ৫. মা-বাবার পায়ের কাছে নিয়মিত কিছু সময় কাটাবে। ৬. প্রতিদিন বা নিয়মিত দ্বীনী বয়ানে বসবে। মহল্লার জাহেল কোনো তাবলীগের সাথির ছয় নম্বরের বয়ান হলেও। কিছু কথা হলেও পাবে, যা ঈমানকে শক্তিশালী করে। ৭. ইখতিলাফী মাসআলা নিয়ে জীবনের ১ মিনিট সময়ও নষ্ট করবে না। ৮. তাবলীগের কাজকে তার সকল সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়েই করতে থাকো। অন্ধ ভক্ত হয়ো না। তবে কাজও ছেড়ো না। ৯. নিজেকে আজকের জায়গায় ভেবো না। তুমি বিপুল সম্ভাবনাময় মানুষ। সময়ে তুমি লাখো মানুষকে নেতৃত্ব দেবে। নিজেকে সেভাবে তৈরি করো। ১০. পরিবারে দ্বীনদারী আনার জন্য জানপ্রাণ চেষ্টা করো। নাহয় আজীবন আফসোস করবে। ১১. রাতে আগে আগে ঘুমানো হাজারো কল্যাণের চাবিকাঠি। এই অভ্যাসকে নিজের জন্য গ্রহণ করো। ১১. নিজেকে ভুলে যেও না। প্রতিদিন মুহাসাবা করো। নিজের হিসাবকিতাব করতে থাকো। আখিরাতকে ভুলে যেও না। © মুহাম্মদ হোসাইন

মজলিসে যদি কল্যাণকর বিষয়ের আলোচনা ও আল্লাহ তাআলার জিকির করা না হয়, তবে শয়তান এসে কথাবার্তার গতি পাপ ও অশ্লীলতার দিকে ঘুরিয়ে দেয়। কখনো উসকে দেয় পেটের চাহিদা, কখনো জাগিয়ে তোলে যৌন-পিপাসা। আহনাফ বিন কাইস বলেন : খাবার আর নারীর আলোচনা থেকে আমাদের মজলিসগুলোকে পবিত্র রাখো। যে ব্যক্তি অধিক পরিমাণে পেটের ক্ষুধা ও যৌন চাহিদা প্রসঙ্গে কথা বলে তাকে আমি ঘৃণা করি। (সংযত জবান সংহত জীবন : ২৫)

যার প্রত্যাশা যত দীর্ঘ হয়, তার আমল তত কম হয়; আর যে ব্যক্তি আখিরাতের কথা ভুলে যায়, সে নিজের আমলের হিসেব নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করে না। -শায়খ আবদুল মালিক আল কাসিম [সংযত জবান সংহত জীবন : ২৫]

এত হাসাহাসি করো কেন, হে মানুষ। এমনও তো হতে পারে, তোমার কাফনের কাপড় এসে গেছে ধোপার হাতে। -আব্দুল্লাহ বিন সা'লাবাহ রহ.

আমারও একই অনুভূতি।
আমারও একই অনুভূতি।

আলহামদুলিল্লাহ, প্রকাশককে বইটা অনুবাদ করতে বলেছিলাম। তিনিও করিয়েছেন...
আলহামদুলিল্লাহ, প্রকাশককে বইটা অনুবাদ করতে বলেছিলাম। তিনিও করিয়েছেন...

'আজকের ভালো কাজ' বইটা মূলত ইসহাক মুলতানী সংকলিত একটা দারুণ বই। ইসহাক মুলতানীর বেশিরভাগ কাজই আকাবিরদের লেখনী থেকে বিষয়ভিত্তিক
'আজকের ভালো কাজ' বইটা মূলত ইসহাক মুলতানী সংকলিত একটা দারুণ বই। ইসহাক মুলতানীর বেশিরভাগ কাজই আকাবিরদের লেখনী থেকে বিষয়ভিত্তিক সাজানো। এই বইও তেমনই একটা বই। দুঃখের বিষয়, এই বইয়ের অনুবাদে কোথাও তার নামটা পর্যন্ত নেই। দ্বিতীয় বিষয় হলো, এত সুন্দর সাজানো-গোছানো আমলী দারুণ একটা বইকে রংঢং করে রুহানিয়তশূন্য করে দিছে। এটাকে সাদাকালোভাবে গুছিয়ে ছাপলে সারা বছরের জন্য অল্প সময়ে পড়া ও তালীমের উপযোগী একটা বই হতো।

বই পড়েন আর না পড়েন, মাসিক নেয়ামত, মাসিক আলকাউসার, ত্রৈমাসিক শিশুকিশোর, ত্রৈমাসিক নারী পড়তে ভুইলেন না।
বই পড়েন আর না পড়েন, মাসিক নেয়ামত, মাসিক আলকাউসার, ত্রৈমাসিক শিশুকিশোর, ত্রৈমাসিক নারী পড়তে ভুইলেন না।

হযরত আনাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রজব মাসের শুরু থেকেই নিম্নোক্ত দোয়া বেশি বেশি করতেন, اَللهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِىْ رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَانَ উচ্চারণ: 'আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শা’বান, ওয়া বাল্লিগনা রমাদান।' অর্থ : 'হে আল্লাহ! আমাদের জন্য রজব ও শাবান মাসকে বরকতময় করুন এবং আমাদের রমজান মাস পর্যন্ত (হায়াত বৃদ্ধি করে) পৌঁছে দিন।' (আল-মুজামুল আওসাত :৩৯৩৯) © মাওলানা আবদুল্লাহ আল মাসউদ