আকাবির-কথন
Open in Telegram
Show more
The country is not specifiedThe category is not specified
1 099
Subscribers
No data24 hours
+227 days
+2630 days
Posts Archive
1 099
আপনার বিপুল মেহনতে প্রস্তুত করা সদকায়ে জারিয়ার ফলাফল কতদিন জারি থাকবে বলে আশা করেন?
আপনি কত আশা করেই না পরিশ্রম করছেন। অথচ আপনার জানা নেই আগামীকাল তার পেটে কী নিয়ে বসে আছে। ১০০ বছর পরে কী হবে আপনার এত প্রাণবন্ত উদ্যোগগুলোর।
সদকায়ে জারিয়া... আহা, হাদীসে বর্ণিত জারিকৃত আমল লাভের আকাঙ্ক্ষায় মানুষ কতকিছুই না করেছে! কিন্তু সময়, সময়! সময় সব খেয়ে ফেলে, সব শেষ করে দেয়, সব বিলীন হইয়ে যায়।
যুগে যুগে কত প্রকার সদকায়ে জারিয়ার উদ্যোগ মানুষ নিয়েছে। মাদরাসা, পাঠাগার, দাওয়াহ সেন্টার... নেক উদ্যোগ, নিঃসন্দেহে! তবে কালের স্রোতে সেসব হারিয়ে গেছে কোথায়! কোনোটা মাস, কোনোটা বছর শেষে ভঙ্গুর হয়েছে, স্থবির হয়েছে, হারিয়ে গেছে।
আরও গভীরভাবে ভাবুন। আরও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করুন। আরও মানুষ তৈরি করুন। বিপুল সহযোদ্ধা ছাড়া কোনো উদ্যোগ চলমান রাখা যায় না। সেই সহযোদ্ধারাও হতে হবে আপনার ফিকিরের, আপনার মতো অন্তরের ব্যথা তারও থাকা লাগবে।
© মুহাম্মাদ হোসাইন
1 099
এইতো কিছুদিন আগেও কাদামাটি আর পানির জন্য বর্ষাকাল বিরক্তিকর লাগত। নানাবাড়ি যেতে ৩ ঘণ্টা নৌকায় বসা লাগত, নাহয় দীর্ঘ জায়গা হেঁটে যেতে হতো। এখন নিজের বাড়ি থেকেও রাস্তা হয়ে গেছে। নানাবাড়িও যাওয়া যায় গাড়ি দিয়ে।
পেছনের সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়লে কিংবা একলা বাড়ি, চতুর্দিকে পানি, ঘাটে বাঁধা নৌকা দেখলে কত সুন্দর লাগে! বড্ড মিসও করব সেই দিনগুলো...
এই তো লাস্ট যেবার নীলাদ্রি গেলাম, আসার সময় জাদুকাটা নদীর পাশে খেয়াঘাটে নৌকার অপেক্ষায়। তখন মাত্র সন্ধ্যা হয়েছে। হাল্কা বৃষ্টি। চায়ের স্টলে বসে চা খাওয়া আর এমন দৃশ্য দেখা জীবনে দ্বিতীয়বার আসবে কি না কে জানে!
নস্টালজিক সেই দিনগুলো কীভাবে হারিয়ে গেল। সময়ের সাথে বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা, আড্ডা, ঘুরতে যাওয়া বোধহয় বাকি জীবন মিসই করে যাব...
1 099
একসময় শায়খ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহ.-এর বই অনুবাদের জোয়ার চলছিল। তখনকার পাঠকরাও এগুলোর প্রতি খুব আগ্রহী ছিল। ইদানীং সেটা কমে গেছে মনে হচ্ছে।
একইভাবে তানতাভীসহ আরও অনেকেরই...
1 099
অন্যের সাথে রাগ, ভাব দেখাতে ভালো লাগে। কিন্তু অন্যের কাছ থেকে আমরা বরাবরই কোমল, আন্তরিক ব্যবহার কামনা করি।
নিজের অনেক বদ অভ্যাস আছে। এর মাঝে মেজাজ হারানো, রেগে যাওয়া অন্যতম। অথচ আন্তরিক মানুষদের আচরণে বরাবরই মুগ্ধ হই। নিজের আশেপাশে বেশিরভাগই এমন মানুষ পাই, যারা আমার বদমেজাজ মেনে নেয় আন্তরিকতার সাথে। হাসিমুখে।
কোম্পানিতে এখানে যে সেক্টরে কাজ করি, এখানকার লিডার দুজন, সাবলিডার তিনজন। তন্মধ্যে একটা ছেলে আছে 'শান'। বাড়ি শ্রীলঙ্কা। মুসলমান কি না জানি না। তবে পুরো ওয়ারহাউজের সবাই তার আচরণে মুগ্ধ। মাত্র ছয়দিন হলো কাজ করছি, অথচ সে কতবার আন্তরিকভাবে কাজ শিখিয়ে দিলো, ভুল শুধরে দিলো। একজন তো আজ বলেই দিলো, ছেলেটার আসলেই রাগ আছে কি না, কে জানে। নাকি আমাদের সাথে রাগ হয় না সে।
আজ ছিল তার এখানে চাকুরির লাস্ট দিন। শীঘ্রই দেশে চলে যাবে। বিয়েশাদি করবে হয়তো। সুযোগ হলে ইউরোপও চলে যাবে। দীর্ঘ একটা সময় তাকে মনে পড়বে।
1 099
আগুন লাগলে বা ভূমিকম্প হলেও কি বোরকা ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া যাবে না?
না, ব্যাপারটা মোটেও তেমন না। উলামায়ে কেরাম বলেন, হাতের কাছে যা আছে তা নিয়ে সাধ্যমতো পর্দা বা শালীনতা রক্ষা করে বেরিয়ে যাবে। অনেক মা-বোন মাসআলা না জানার কারণে পেরেশানীতে পড়ে যান।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন। আল্লাহর দিকে মুতাওয়াজ্জু হওয়ার তাওফিক দিন। আল্লাহর কাছ থেকে নিজেদের নিরাপত্তা কবুল করিয়ে নেয়ার তাওফিক দিন। আমীন।
© মুহাম্মাদ হোসাইন
1 099
খলিফা আবু জাফর মানসুর মৃত্যুর সময় বলেছিলেন, যে মরে যায়, তার কীসের বাদশাহি। হে আল্লাহ, আমি অনেক গুনাহর দুঃসাহস করেছি, তবে আপনার সবচেয়ে প্রিয় বস্তুতে আপনার আনুগত্য করেছি। আর সেটি হলো, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ-এর সাক্ষ্য। এটি আপনার পক্ষ থেকে আমার ওপর করুণা। আপনার প্রতি আমার অনুগ্রহ নয়। হে আল্লাহ, এই সাক্ষ্যকেই আপনি আপনার নৈকট্য অর্জনের অসিলা বানিয়ে দিন। এই কথাগুলো বলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
[জীবনের ওপারে : ১১৫]
1 099
১. চেষ্টা করবেন প্রতিদিন সাদাকা করতে। এটার ফল অবশ্যই পাবেন। হাদিসে এসেছে, সাদাকা বিপদাপদকে দূরে সরিয়ে রাখে। সাদাকা নিকৃষ্ট মৃত্যু থেকে বাঁচায়।
২. বেশী বেশী ইস্তেগফার ও দুরুদ পড়বেন। এতে আল্লাহর রহমত লাভের পাশাপাশি বিপদ দূর হয়। রিজিকের বরকত হয়।
আল্লাহ রহম করুন।
©
