en
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Open in Telegram

Show more
The country is not specifiedThe category is not specified
1 165
Subscribers
No data24 hours
No data7 days
+8230 days
Posts Archive
সহীহ বুখারীর এক হাদিসে প্রতি ফরয নামাজের পর ত্রিশ বারের পরিবর্তে দশবার করে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার পড়ার কথাও এসেছে।  আবু যর রাযি. হতে বর্ণিত অপর এক হাদিসে (সামান্য পার্থক্যসহ) উক্ত ঘটনার বিবরণ আছে। (সেই বিবরণ অনুসারে) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, প্রতিবার সুবহানাল্লাহ বলা একটি সদকা, প্রতিবার আলহামদুলিল্লাহ বলা একটি সদকা, স্ত্রীর সাথে সহবাস করাও সদকা! সাহাবীগণ আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, স্ত্রী-সহবাসে নিজের খায়েশ মেটানো হয়। এটাও সদকা হবে!? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, তোমরা কী খেয়াল করে দেখেছ, সে যদি তার এই খাহেশাত (প্রবৃত্তি) হারামভাবে পূরণ করত তাহলে কি তার শাস্তি (গুনাহ) হত না? তাই সে যখন বিষয়টা হালালভাবে সেরে নিবে এতে তার সওয়াব হবে। ফায়দা : হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকার নিয়তে স্ত্রী-সহবাস নেকী ও সওয়াবের কারণ হয়। এই ঘটনা সম্পর্কিত অন্য এক হাদীসে 'সহবাসের মাধ্যমে নিজের খায়েশ মেটানো হয়', এই প্রশ্নের জবাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, বলো দেখি, যদি তোমাদের কারও সন্তান হয়, যৌবনে পৌঁছে এবং তোমরা সেই সন্তানকে দিয়ে উচ্চ আশা পোষণ করতে থাকো আর এমন সময় সন্তান ইন্তেকাল করে; তাহলে কি তোমরা সওয়াবের আশা করো? সাহাবীগণ বললেন, অবশ্যই সওয়াবের আশা করি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, তোমরা কি তাকে সৃষ্টি করেছ? তোমরা কি তাকে হেদায়েত করেছ? তোমরা কি তাকে রিযিক দিয়েছ? বরং আল্লাহ তাআলা তাকে সৃষ্টি করেছেন, তিনিই তাকে হেদায়েত করেছেন এবং তিনিই রিযিক দিয়েছেন। অনুরূপভাবে সহবাসের দ্বারা তোমরা বীর্যকে হালাল স্থানে রেখে থাকো। এরপর তা আল্লাহ তাআলার কবজায় চলে যায়। তিনি ইচ্ছা করলে একে জীবিত করেন। ১৭৪ অর্থাৎ এর দ্বারা সন্তান সৃষ্টি করেন; অথবা এর মৃত্যু ঘটান, সন্তান সৃষ্টি করেন না। এই হাদীস থেকে বোঝা যায়, সন্তান লাভের কারণ ও মাধ্যম হয় বলেই সহবাসে নেকী ও সওয়াব হয়। [ফাযায়েলে আমাল : ৫৩৭]

সীরাতের প্রসিদ্ধ বই তো আর রাহিকুল মাখতুম। আরও দুয়েকটা বই আছে ভালো প্রসিদ্ধ। কিন্তু অনুবাদ কেমন যেন খটখটে আমার কাছে জীবন্ত অনু
+1
সীরাতের প্রসিদ্ধ বই তো আর রাহিকুল মাখতুম। আরও দুয়েকটা বই আছে ভালো প্রসিদ্ধ। কিন্তু অনুবাদ কেমন যেন খটখটে আমার কাছে জীবন্ত অনুবাদ বলে যদি সীরাতের কোনো বই থাকে, সেটা এটা।

Repost from N/a
photo content

Repost from N/a
সিরাত নিয়ে মাকতাবাতুল হাসানের কাজবাজ।
সিরাত নিয়ে মাকতাবাতুল হাসানের কাজবাজ।

এতো কীসের তাড়াহুড়ো! গতকাল মাগরিবের পর সকাল-সন্ধ্যার নিয়মিত দুআ-দুরুদে কিছুটা কমতি রেখেই তাড়াহুড়ো করে উত্তরার দিকে রওয়ানা দেই। উদ্দেশ্য, উত্তরায় থাকা পরিবারের লোকজনকে বাসায় নিয়ে আসা। ৭ নং সেক্টরে ঢুকতেই একটি মোটর সাইকেল রং সাইডে এসে অটোরিকশায় ধাক্ক মেরে একটু দূরে ছিটকে পড়লো। দুই বাহনের এই ধাক্কায় আমিও অটোর সামনের দিকের লোহার গ্রিলে ধাক্কা খেলাম। প্রাথমিকভাবে মনে হল তেমন কিছু হয়নি, একটু ধাক্কা লেগেছে মাত্র। অটোচালক আর তার রিকশারও তেমন সমস্যা দেখলাম না। তাই বাইক চালককে কিছু না বলে চলে এলাম। আম্মার বাসার সামনে এসে বিবি বাচ্চা নিয়ে নামতেই অটোচালক ভাই বললেন, ওনার সামনের দিকের এক পাশের সকেট জাম্পার ফেটে গেছে। এদিকে আমিও ধীরে ধীরে ডান পাশের মাড়িতে, বুকের ডান পাশে, দুই হাতের পেশিতে আর ডান হাটুতে ব্যথা অনুভব করতে শুরু করলাম। অটোচালক পূর্ব পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠ। আমার কারণেই বেচারা মেইন রোডের এই পাশে এসেছে। তাই একরকম দায় বোধ থেকেই ওনার সকেট জাম্পার ঠিক করার টাকাটা দিলাম। ওনাকে বিদায় দিয়ে বাসায় আসতেই আম্মা বরফের প্যাকেট হাতে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, মাগরিবের পরের নিয়মিত দুআ-দুরুদ পড়েছি কিনা? আবু দারদা রা. এর দুআটা পড়েছি কিনা? বললাম, আজকে পড়া হয়নি। আম্মা একটু নাখোশ হলেন। বললেন, এত কীসের তাড়াহুড়ো যে কয়েক মিনিটের দুআ পড়া যায় না! আসলেই তো, এতো কীসের তাড়াহুড়ো যে, কয়েক মিনিটের আমল করা হয় না! মূলত সবই নফস আর শয়তানের ধোঁকা। যার ধকল সইতে হয় শরীরকে। ফাঁকা হয় পকেট। আর বাড়ে দুশ্চিন্তা। © আহমাদ ইউসুফ শরীফ

আকাবির-কথন থেকে উৎসাহিত হয়ে আপনি কোনো বই সংগ্রহ করেছেন, কিংবা পড়েছেন? কেমনে লেগেছে? টাকাটা গচ্ছা গেছে এমন মনে হয়েছে কোনোটা কি
আকাবির-কথন থেকে উৎসাহিত হয়ে আপনি কোনো বই সংগ্রহ করেছেন, কিংবা পড়েছেন? কেমনে লেগেছে? টাকাটা গচ্ছা গেছে এমন মনে হয়েছে কোনোটা কিনে? এরকম থাকলে তাও চিঠিতে জানাবেন। https://chithi.me/khulachiti [আর হ্যাঁ, চাইলে ফেইসবুকেও শর্ট অথবা লং একটা পোস্ট করতে পারেন।]

আপকামিং ফ্রম উমেদ।
+1
আপকামিং ফ্রম উমেদ।

অনলাইনে দ্বীনী কথাবার্তা বলায়ও রিয়া এসে যায়। এটা বড়ই খতরনাক একটা রোগ! আস্তাগফিরুল্লাহ।
অনলাইনে দ্বীনী কথাবার্তা বলায়ও রিয়া এসে যায়। এটা বড়ই খতরনাক একটা রোগ! আস্তাগফিরুল্লাহ।

দুটোই আলী মিয়ার। দুটোই দুই ধাঁচের। দুটোই সুন্দর। সংগ্রহ করে পড়া শুরু করে ফেলুন।
দুটোই আলী মিয়ার। দুটোই দুই ধাঁচের। দুটোই সুন্দর। সংগ্রহ করে পড়া শুরু করে ফেলুন।

আমার সবচেয়ে পছন্দের সীরাহ। মনে হয় এ যেন অনুবাদ নয়, যাইনুল আবিদীন সাহেব-ই মৌলিক লিখেছেন। ফক্রে : আয়েশা সিদ্দীকা
+1
আমার সবচেয়ে পছন্দের সীরাহ। মনে হয় এ যেন অনুবাদ নয়, যাইনুল আবিদীন সাহেব-ই মৌলিক লিখেছেন। ফক্রে : আয়েশা সিদ্দীকা

বাংলার দুই নক্ষত্র : শায়খ আবু তাহের মিসবাহ দা. বা. (আমাদের ‘আদিব হুযুর’) আল্লামা আবদুল মালিক হাফি. সাথে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয়
বাংলার দুই নক্ষত্র : শায়খ আবু তাহের মিসবাহ দা. বা. (আমাদের ‘আদিব হুযুর’) আল্লামা আবদুল মালিক হাফি. সাথে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় আলেম মুফতি শামায়েল নদভী হাফি.।

মুফতি শামায়েল নদভি সাহেবের সাথে আবু তাহের মিসবাহ (হাফি)—এর মাদরাসাতুল মাদীনাহতে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল আজ বিকেলে। পথ ভুল করে ফেলায় যেতে একটু দেরি হয়েছিল। যেয়ে দেখি আবদুল মালেক (হাফি) মাদরাসার গেইটে দাঁড়িয়ে আছেন। আমার এর আগে উনার সাথে কখনো দেখা কিংবা কথা বলার সৌভাগ্য হয়নি। এগিয়ে যেয়ে সালাম দিয়ে মুসাফাহা করে বললাম, হজরত! মাজরত করবেন! পথ ভুল করে ফেলায় আসতে দেরি করে ফেলেছি আমরা। আর এদিকে আপনি দাঁড়িয়ে আছেন আমাদের ইন্তেজারে। শাইখ উল্টো বললেন, বরং আপনারা আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। আপনারা অপরিচিত একটি জায়গায় এসেছেন আমাদের দাওয়াতে। আমাদের উচিত ছিল আপনাদের যেন পথ চিনতে সুবিধে হয় সেজন্যে একজন রাহবার পাঠানো। আমি উনার বিনয় দেখে হতভম্ব হয়ে গেলাম। মাদরাসার ভেতরের পরিবেশটাও বেশ মুগ্ধ করেছে। যেন সাজানো গুছানো এক ফুলের বাগান। ভেতরে যেয়ে প্রথমবারের মতো আবু তাহের মিসবাহ (হাফি)—কে সামনাসামনি দেখার ও কথা শুনার সৌভাগ্য হলো। উনার 'এসো আরবি শিখি' এবং 'এসো উর্দু শিখি' পড়ে বেশ উপকৃত হয়েছিলাম। কথাটা উনাকে সরাসরি বলতে ইচ্ছে করছিল। এক কক্ষে উনাদের একসাথে দেখার পর বুঝতে পেরেছি কেন উনাদের এতো কদর করা হয় সব জায়গায়। বেশ অসুস্থ হবার পরেও আবু তাহের মিসবাহ (হাফি) আমাদের অনেক সময় দিলেন। হাসিমুখে কথা বললেন। মাদরাসায় আমাদের ভালো আপ্যায়ন করা হলো। সেখান থেকে মাগরিবের পর আবদুল মালেক (হাফি)—এর মারকাযুত দাওয়ায় যাওয়ার সৌভাগ্য হলো। ঘুরে ঘুরে দেখা হলো উনার প্রতিষ্ঠানটি। আবদুল মালেক (হাফি)—ও তার মাদরাসায় আমাদের ভালো আপ্যায়ন করলেন। আমার খেতে ইচ্ছে না করায় রুমের বাইরে এককোণে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। উনি নিজে বাইরে এসে আমাকে ভেতরে যেতে বললেন। আমি আবারও উনার আচরণে অবাক হলাম। ফেরার পথে যেন পথ ভুল না করি সেজন্যে তিনি আমাদের সাথে একজন রাহবার পাঠালেন। 'ইলম তো আল্লাহ তা'আলা অনেককেই দান করেন। কিন্তু 'ইলমের সাথে এতো উত্তম আচরণ বর্তমান যুগে মেলা বড়ো কঠিন। আল্লাহ তা'আলা উনাদের ছায়া বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য আরো দীর্ঘ করুন। আল্লাহুম্মা আমিন। © শিহাব আহমেদ তুহিন

আমার পড়া সেরা একটা বই। ফক্রে : সাফিয়্যাহ
আমার পড়া সেরা একটা বই। ফক্রে : সাফিয়্যাহ

আমি/আমরা ভালা খরি ফান্দো আখটিছি। এমন আখটা আখটিছি, খাইন্দাও কূল মিলের না 🥲
আমি/আমরা ভালা খরি ফান্দো আখটিছি। এমন আখটা আখটিছি, খাইন্দাও কূল মিলের না 🥲

সেই! 🫶❤️
সেই! 🫶❤️

জান্নাত অথবা জাহান্নাম 🙂
জান্নাত অথবা জাহান্নাম 🙂

সালেহ আহমদ শামীকে চিনি এই বইয়ের মাধ্যমে। বই আর লেখকের মাহাত্ম্য বুঝতে এটুকু জানাই যথেষ্ট যে, এটা মারকাযুদ দাওয়াহ থেকে অনুবাদ
সালেহ আহমদ শামীকে চিনি এই বইয়ের মাধ্যমে। বই আর লেখকের মাহাত্ম্য বুঝতে এটুকু জানাই যথেষ্ট যে, এটা মারকাযুদ দাওয়াহ থেকে অনুবাদ করানো হয়েছে। সাহাবীদের অন্তর্দৃষ্টি নামে মাকতাবাতুল হাসানও এটা অনুবাদ করেছে। এরপর তো সালেহ আহমদ শামীর বই হাতের কাছে পেলেই...