আকাবির-কথন
Открыть в Telegram
Больше
Страна не указанаКатегория не указана
1 194
Подписчики
+324 часа
+67 дней
+2630 дней
Архив постов
1 194
একটা সিক্রেট ঘটনা বলি। অনেকসময় আমরা দেখি কেউ মারা যাওয়ার আগে অনেক ভালো ভালো কাজ করতে থাকে। এমন অনেক ইশারা দিতে থাকে মৃত্যুর যেগুলো আমরা শুনে বুঝি না। কিন্তু তার মৃত্যুর পর আমরা বুঝি। আরে! সে তো আগেই জানতো সে মারা যাচ্ছে!
আমরা শহীদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুর পর তার বায়োতে দেখেছিলাম সেখানে লেখা: 'অনন্ত মহাকালে মোর যাত্রা অসীম মহাকাশের অন্তে'। আবার শহীদ হাদিকে দেখতাম শাহাদাতের আগে এমনসব কথা বলছেন যেন তিনি তার মৃত্যু হবে আগেই জানতেন। আবার অনেকেই দেখা যায় মৃত্যুর আগে গুনাহ আরো বেশি শুরু করে দেয়। এমনকি সে গুনাহের উপর মারা যায়। কিন্তু এগুলো কি কাকতালীয় নাকি আল্লাহ তায়ালা তার প্রিয় বান্দাকে আগেই ইশারা দেন? এনিয়ে সুন্দর একটা হাদিস আছে। সেই হাদিসটাই আজকের সিক্রেট ঘটনা।
রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
إن الله إذا أراد بعبده خيرا قيض له ملكا قبل موته بعام فسدده ويسره حتى يموت وهو خير ما كان، فإذا حضر فرأى ثوابه من الجنة فجعل يتهوع نفسه ود أنها خرجت، فعند ذلك أحب لقاء الله فأحب الله لقاءه، وإذا أراد بعبد سوءا قيض له شيطانا قبل موته بعام فصده وأضله وفتنه حتى يموت شر ما كان، ويقول الناس مات فلان وهو شر ما كان، فإذا حضر فرأى ثوابه من النار جعل يتبلع نفسه ود أنه لا يخرج، فعند ذلك كره لقاء الله وكره الله لقاءه
আল্লাহ যখন কোনো বান্দার কল্যাণ চান তখন তার মৃত্যুর এক বছর আগে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করে দেন। সেই ফেরেশতা তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। তার জন্য নেক আমল করা সহজ করে দেয়। এমনকি সে তার জীবনের সর্বোত্তম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয় এবং সে জান্নাতে তার প্রতিদান দেখতে পায় তখন তার প্রাণ যেন বের হয়ে যেতে চায়। সে কামনা করে যে তার রূহ দ্রুত বের হয়ে যাক। তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎকে ভালোবাসে আর আল্লাহও তার সাক্ষাৎকে ভালোবাসেন।
আর আল্লাহ যখন কোনো বান্দার অকল্যাণ চান তখন তার মৃত্যুর এক বছর আগে একটা শয়তানকে তার উপর নিয়োজিত করে দেন। সে তাকে সত্য পথ থেকে ফিরিয়ে দেয়। গোমরাহ করে এবং বিভ্রান্তিতে ফেলে রাখে। এমনকি সে জীবনের সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। মানুষ বলতে থাকে: অমুক ব্যক্তি সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় মারা গেছে। যখন মৃত্যুর সময় আসে এবং সে জাহান্নামে তার শাস্তি দেখতে পায় তখন তার প্রাণ যেন ভিতরে ঢুকে যেতে চায়। সে কামনা করে যে তা বের না হোক। তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎকে অপছন্দ করে আর আল্লাহও তার সাক্ষাৎকে অপছন্দ করেন।
[মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা]
আপনি কোনটা চান? আল্লাহর সাক্ষাৎ পাওয়ার অসীম কামনা নাকি শয়তানের সাথে দোস্তি?
মালিক! তোমার দীদার আমাদের নসীব করো।
~লেখা - উস্তায আম্মারুল হক।
1 194
মৌলিক আকীদার প্রাচীন কিতাব। ফরিদাবাদ মাদরাসার হযরত মাওলানা যিকরুল্লাহ খান হাফিযাহুল্লাহ ইফতার ছাত্রদের সংক্ষিপ্ত এই পুস্তিকাটি পড়াতেন।
মাওলানা গোলাম কিবরিয়া ভাই রিসালাটি অনুবাদ করেছেন। সম্পাদনা করেছেন শায়খ ইউসুফ ওবায়দী হাফি.। মাওলানা আব্দুল্লাহ বিন বশির ভাইয়েরও শুকরিয়া জানাই, কেননা উনিই মুহতারাম অনুবাদক ভাইকে আমাদের সাথে যুক্ত করে দিয়েছেন।
সম্পাদনা দীর্ঘ মারহালা পার হয়ে বইটি এখন প্রেসে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে।
কয়েকদিনের মধ্যেই বায়তুল মুকাররম বইমেলায় উমেদ প্রকাশের স্টলে পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।
