ch
Feedback
Md. Ajmine

Md. Ajmine

前往频道在 Telegram

যে নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করেছে সে সফল। [সূরা আশ-শামস 91:09]

显示更多
8 531
订阅者
+224 小时
-97
-8930

数据加载中...

吸引订阅者
六月 '26
六月 '26
+39
在0个频道中
五月 '26
+106
在0个频道中
Get PRO
四月 '26
+115
在0个频道中
Get PRO
三月 '26
+42
在0个频道中
Get PRO
二月 '26
+141
在2个频道中
Get PRO
一月 '26
+55
在0个频道中
Get PRO
十二月 '25
+78
在1个频道中
Get PRO
十一月 '25
+98
在0个频道中
Get PRO
十月 '25
+84
在1个频道中
Get PRO
九月 '25
+66
在1个频道中
Get PRO
八月 '25
+52
在0个频道中
Get PRO
七月 '25
+76
在0个频道中
Get PRO
六月 '25
+343
在1个频道中
Get PRO
五月 '25
+165
在1个频道中
Get PRO
四月 '25
+416
在1个频道中
Get PRO
三月 '25
+331
在1个频道中
Get PRO
二月 '25
+405
在0个频道中
Get PRO
一月 '25
+598
在1个频道中
Get PRO
十二月 '24
+877
在3个频道中
Get PRO
十一月 '24
+671
在2个频道中
Get PRO
十月 '24
+817
在1个频道中
Get PRO
九月 '24
+1 726
在1个频道中
Get PRO
八月 '24
+840
在1个频道中
Get PRO
七月 '24
+2 611
在2个频道中
Get PRO
六月 '24
+442
在0个频道中
Get PRO
五月 '24
+689
在0个频道中
Get PRO
四月 '240
在0个频道中
Get PRO
三月 '24
+10
在0个频道中
日期
订阅者增长
提及
频道
18 六月0
17 六月+3
16 六月+2
15 六月+1
14 六月0
13 六月+4
12 六月+4
11 六月+6
10 六月+4
09 六月+2
08 六月+3
07 六月+3
06 六月+2
05 六月+3
04 六月+1
03 六月0
02 六月0
01 六月+1
频道帖子
'তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অজু করবে এবং উত্তমভাবে অজু করবে, এরপর কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করবে, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে যাবে। এসব দরজার যেটা দিয়ে খুশি সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে। ~ সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২৩৪

2
"نَارٌ حَامِيَةٌ" Surah Al-Qari'ah. Reciter : ? #mdajmine
"نَارٌ حَامِيَةٌ" Surah Al-Qari'ah. Reciter : ? #mdajmine
123
3
•|সূরা| আয যুখরুফ |📖 • |আয়াত |67-71|🔎 •|পাঠক|আবদুল্লাহ বিন দাউদ|🎙️ #mdajmine
•|সূরা| আয যুখরুফ |📖 • |আয়াত |67-71|🔎 •|পাঠক|আবদুল্লাহ বিন দাউদ|🎙️ #mdajmine
286
4
সমুদ্রের পানি কেন মিষ্টি হলো না? . কখনো কি সমুদ্রের এক ফোঁটা পানি ভুল করে মুখে পড়েছে? তীব্র নোনতা আর তেতো স্বাদে পুরো মুখটা কেমন যেন হয়ে যায়, তাই না? তেষ্টায় বুক ফেটে গেলেও সাগরের এই পানি আমরা এক ফোঁটাও পান করতে পারি না। . কখনো কি সমুদ্রের পাড়ে দাঁড়িয়ে গভীরভাবে ভেবে দেখেছেন—আল্লাহ তাআলা পৃথিবীর তিন ভাগ পানিই কেন এমন তীব্র লবণাক্ত করে রাখলেন? কেন এটাকে আমাদের পানের যোগ্য মিষ্টি পানি বানালেন না? . জানলে অবাক হবেন, এই তীব্র লবণাক্ততাই আসলে এই পৃথিবীতে আমাদের বেঁচে থাকার চাবিকাঠি! . সাগরের পানি যদি সাধারণ মিষ্টি পানি হতো, তবে কোটি কোটি জলজ প্রাণীর বর্জ্য আর সমুদ্রে পড়া যাবতীয় ময়লা-আবর্জনার কারণে এত বিশাল জলরাশি পচে দুর্গন্ধ ছড়াত। পুরো পৃথিবী একটা নরককুণ্ডে পরিণত হতো, কোনো মানুষ বা প্রাণী পৃথিবীতে নিঃশ্বাস নিতে পারত না। সমুদ্রের এই অতি উচ্চ মাত্রার লবণই আসলে পুরো সাগরের পানিকে পচন থেকে বাঁচিয়ে রাখছে, প্রাকৃতিক ‘অ্যান্টিসেপটিক’ হিসেবে কাজ করছে। . সবচেয়ে অবিশ্বাস্য তথ্যটি কী জানেন? আমাদের মনে হতে পারে পৃথিবীর সিংহভাগ অক্সিজেন আসে সুন্দরবন বা আমাজনের মতো বিশাল জঙ্গল থেকে। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, আমাদের নেওয়া প্রতি ১০টি শ্বাসের ৮টি অক্সিজেনই আসে সমুদ্রের উপরিভাগে থাকা অত্যন্ত ক্ষুদ্র এক ধরণের উদ্ভিদ ‘ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন’ (Phytoplankton) থেকে! . সাগরের পানি লবণাক্ত না হলে এই ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনগুলো বাঁচতে পারত না। তারা মারা গেলে সমুদ্রের সব মাছ ও প্রাণী মারা যেত এবং পুরো পৃথিবীর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে আমরা সবাই এক নিমেষে দম আটকে মারা যেতাম। অর্থাৎ, সাগরের যে নোনা পানিকে আমরা অপ্রয়োজনীয় ভাবি, তারই কল্যাণে আমরা প্রতিদিন বুক ভরে নিখরচায় অক্সিজেন নিচ্ছি! . গল্পটা এখানেই শেষ নয়। দয়াময় রবের ভালোবাসার কারিশমা দেখুন—এই যে সাগরের তেতো নোনা পানি, একেই যখন আমাদের পানের জন্য মিষ্টি পানি বানানোর প্রয়োজন হয়, তখন প্রকৃতিতে চালু হয়ে যায় এক অলৌকিক ‘ওয়াটার ফিল্টার’। . সূর্যের তাপে সাগরের পানি যখন বাষ্প হয়ে আকাশে ওড়ে, তখন রবের এক অদ্ভুত নিয়মে সব বিষাক্ত লবণ আর ক্ষতিকারক উপাদান নিচে জমা পড়ে থাকে। কেবল খাঁটি, বিশুদ্ধ ও পরিষ্কার পানিটুকুই বাষ্প হয়ে মেঘে পরিণত হয়। এরপর ল্যাবরেটরির সবচেয়ে আধুনিক ফিল্টারের চেয়েও নিখুঁতভাবে, পৃথিবীর বিশুদ্ধতম ‘পাতিত পানি’ (Distilled Water) হয়ে তা পৃথিবীতে শান্তিময় বৃষ্টিরূপে ঝরে পড়ে। . যে পানি লবনের জন্য মুখে দেয়া যায় না, তাকেই আমাদের জন্য মিষ্টি পানি বানিয়ে দিলেন কে? . আসলে, প্রকৃতির এই জাদুকরী ভারসাম্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—তিনিই ‘আল-লাতিফ’। যাঁর দয়া আর কাজের কৌশল অত্যন্ত সূক্ষ্ম, গভীর এবং নিখুঁত। যিনি মানুষের চোখের আড়ালে, অত্যন্ত গোপনে ও সূক্ষ্ম উপায়ে তাঁর সৃষ্টির জন্য পরম অনুগ্রহের ব্যবস্থা করে রাখেন। . আমাদের জীবনটাও মাঝে মাঝে এই সাগরের নোনা পানির মতোই তেতো আর কঠিন সমস্যায় ঘেরাও হয়ে যায়। আমরা হতাশ হয়ে ভাবি, "আমার সাথেই কেন এমন হলো?" কিন্তু আমরা জানি না, রবের সুনিপুণ পরিকল্পনায় সেই কষ্টের ভেতরই লুকিয়ে আছে আমাদের ভবিষ্যতের কোনো বড় কল্যাণ কিংবা নতুন কোনো সুসংবাদের বৃষ্টি। ~বই: তিনিই আমার রব
303
5
১. গোপনীয়তাই তোমার শক্তি। যা অন্যরা জানে না, তা নষ্ট করতে পারবে না। নিজের ব্যক্তিগত জীবন গোপন রাখো—সবাই তোমার মঙ্গল চায় না। ২. একাকীত্ব পথচলারই অংশ। একে ভয় না পেয়ে উপভোগ করো, এতে আত্মউন্নতির সুযোগ বেশি। ৩. সবকিছুই ক্ষণস্থায়ী। জীবনে উত্থান-পতন আসবেই, তাই সবসময় বাস্তববাদী ও বিনয়ী থাকো। ৪. প্রত্যেকেই ভেতরে ভেতরে কোনো না কোনো লড়াই করছে। যতটা সম্ভব সদয় হও, এতে তোমার কিছু কমবে না। ৫. জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার সময় শুধু সৌন্দর্য নয়, তার মূল্যবোধও দেখো। কারণ, সে-ই হবে তোমার প্রতিচ্ছবি। ৬. তোমার মানসিক শান্তি সবার আগে। এটা ঠিক রাখার জন্য মাঝে মাঝে একটু স্বার্থপর হও প্রয়োজন। ৭. সময়ের অভাব নেই, দরকার শুধু কম বিভ্রান্তি। ফোকাস করো, সফলতা ধরা দেবেই। ৮. সবার জন্য সময় বরাদ্দ করো না। শুধু তাদের জন্য রাখো, যারা সত্যিকার অর্থেই তোমাকে মূল্য দেয়। ৯. যে মানুষগুলো তোমার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও কৃতজ্ঞ, তাদের সঙ্গেই থাকো। সম্মানের জন্য কারও কাছে অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। ১০. নিজেকে ভালোবাসা আত্মকেন্দ্রিকতা নয়, বরং নিজের প্রতি দায়িত্ববোধ। ১১. যারা তোমার জীবনের বোঝা হালকা করে, তাদের আঁকড়ে ধরো। এমন মানুষ খুবই বিরল। ১২. সঠিক মানুষ তোমাকে এগিয়ে নেবে, আর ভুল মানুষ টেনে নামাবে। তাই বন্ধু-বান্ধব বেছে নিও বুঝে। ১৩. মানসিক শান্তি দুনিয়ার সবচেয়ে দামি সম্পদ। তাই যেকোনো মূল্যে এটি রক্ষা করো। ১৪. ভালোবাসার পেছনে ছুটবে না, বরং নিজের জীবনকে উপভোগ করো। সঠিক মানুষ আপনিই আসবে। ১৫. তেমন কাউকে খুঁজে নিও, যে তোমার সঙ্গে এগিয়ে যেতে চায়। একে অপরকে ভালো কিছুতে অনুপ্রাণিত করবে। ১৬. পশ্চাতাপ নয়, জীবন থেকে শিক্ষা নাও। ভুল থেকে শিখে সামনে এগিয়ে যাও। ১৭. তোমার সঙ্গী এমন হওয়া উচিত, যে তোমাকে নিয়ে গর্বিত থাকে। ১৮. জীবনে কঠিন সময় আসবেই, কিন্তু কখনো হাল ছেড়ো না। ১৯. ক্লান্ত লাগলে বিশ্রাম নাও, কিন্তু স্বপ্নের পথ থেকে সরে যেও না। ২০. কখনো কখনো কিছু সময়ের জন্য নিজেকে আড়ালে রাখতে হয়, আরও শক্তিশালী হয়ে ফেরার জন্য। ২১. অন্যদের সফলতা থেকে শেখো, কিন্তু তাদের ভুল থেকেও শিক্ষা নিতে ভুলো না। ২২. কাউকে কিছু আশা করা বন্ধ করো, তাহলেই মানসিক শান্তি পাবে। ২৩. সবকিছু একদিন ঠিক হয়ে যাবে। ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখো। ২৪. অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাও—সফলতা একদিন ধরা দেবে। ২৫. পারস্পরিক প্রচেষ্টার চেয়ে আকর্ষণীয় কিছু নেই। ২৬. যেখানে তোমার মূল্য নেই, সেখানে বেশি ভাবার দরকার নেই। ২৭. যদি কেউ তোমাকে সাহায্য না করে, নিজেই নিজের পথ তৈরি করো। ২৮. নিজের উন্নতিতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করো। ২৯. সত্যিকারের আলোচনায় ভুল বোঝাবুঝি থাকার কথা নয়। ৩০. "আগামীকাল করব" মানেই দেরি করা। আজই শুরু করো। ৩১. আগের মতো থাকার প্রয়োজন নেই, বরং প্রতিদিন আরও ভালো হও। ৩২. অনেক সময় ধৈর্য ধরাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। ৩৩. সবাই তোমার জীবনকে বুঝবে না, সেটাই স্বাভাবিক। ৩৪. নিজেকে সারিয়ে তুলো, যাতে অতীত তোমার ভবিষ্যৎকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে। ৩৫. বন্ধু সংখ্যা কম হলেও চলবে, তবে তারা যেন সত্যিকার অর্থেই শুভাকাঙ্ক্ষী হয়। ৩৬. যারা সাময়িকভাবে আসে, তাদের স্থায়ীভাবে বিদায় জানাও। ৩৭. মানুষ আসবে-যাবে, কিন্তু তুমি যেন নিজে শক্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারো। ৩৮. নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাইলে মাঝে মাঝে হারিয়ে যাও। ৩৯. যদি কেউ তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তাহলে হয়তো তারা তোমার পরিবর্তন মেনে নিতে পারবে না। ৪০. নিজের উন্নতিতে মনোযোগ দাও, অন্যদের প্রমাণ করার কিছু নেই। ৪১. কখনোই সেই জায়গায় ফিরে যেও না, যা একসময় তোমাকে ভেঙে ঘুড়িয়ে দিয়েছিল। সামনে এগিয়ে যাও, কারন তোমার জীবনের সেরা দিনগুলো এখনও আসেনি!💖🌸
317
6
https://youtu.be/oW3W6sgc_dU?si=kbetJOnpWjY5LKC8
https://youtu.be/oW3W6sgc_dU?si=kbetJOnpWjY5LKC8
254
7
“টাকা যখন হাতে থাকবে কিন্তু অন্তরে থাকবে না, তখন তা তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না; এমনকি তার পরিমাণ যদি পাহাড়সমও হয়। কিন্তু সেই টাকা যখন তোমার অন্তরে আসন গেড়ে বসবে, তখন তা তোমার নিশ্চিত ক্ষতি করবে; এমনকি তোমার হাতে যদি একটি পয়সা কড়িও না থাকে।” ~ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) সূত্র: [মাদারিজুস সালিকীন: ১/৪৬৩]
376
8
উত্তম বিবাহের জন্য বা রিজিকের যদি শুধু একটা আমল সাজেস্ট করতে হয় তাহলে আমি এই আমল টাই সাজেস্ট করবো। ইস্তেগফার....ইস্তেগফার....ইস্তেগফার! প্রচুউউউউর ইস্তেগফার! অতিরিক্ত ইস্তেগফার করলে রিজিক যে কিভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকবে। বিয়েও তো রিজিকের ই অংশ। তাই ইস্তেগফারের আমলটাকে শক্ত ভাবে আকড়ে ধরুন। ইস্তেগফার শুধু শুরু করে দেখুন কঠোর ভাবে। সুবহানাল্লহ! আপনি শুধু তাজ্জব হয়ে তাকিয়ে দেখবেন আর ভাববেন – “এও কি সম্ভব? কি করে সম্ভব হলো?” আল্লহু আকবর! আপনি শুধু শুরু করুন বিইযনিল্লাহ। আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা নিজেই কুরআনে এই কথা বলেছেন। আল্লহ যা বলেছেন, তা কি আর যেন তেন বা দূর্বল কথা হতে পারে? বলুন? আল্লহ ﷻ নিজেই বলেছেন– “অতঃপর আমি বলেছি, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি মহাক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করবেন, তোমাদের জন্য উদ্যান সৃষ্টি করবেন এবং তোমাদের জন্য নদী-নালা প্রবাহিত করবেন।’” — সূরা নূহ, আয়াত ১০–১২ এই আয়াতের উপর আমল করে দেখুন। জীবন বদলে যাবে ইন শা আল্লহ। আসুন এই পোস্ট দেখার সাথে সাথে ১০ বার ইস্তেগফার করে নেই। সম্ভব হলে সবচেয়ে উত্তম ইস্তেগফার অর্থাৎ সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার পাঠ করি। সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার– اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي، فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আংতা রব্বী, লা ইলাহা ইল্লা আংতা খলাক্বতানী ওয়া আনা আবদুক, ওয়া আনা ‘আলা আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতো‘ত, আউযু বিকা মিং শাররি মা ছনা‘ত, আবূউ লাকা বি নি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বি যাম্বী, ফাগফির লী, ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আংতা। অর্থঃ“হে আল্লাহ! আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী আপনার অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির ওপর অটল আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আপনার যে নিয়ামত আমার ওপর রয়েছে তা স্বীকার করছি এবং আমার গুনাহও স্বীকার করছি। অতএব আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই আপনি ছাড়া গুনাহ ক্ষমা করার কেউ নেই।” আরও কিছু ছোট ইস্তেগফার দিচ্ছি। এগুলোও করতে পারেন ইন শা আল্লহ। ১. أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লহাল আযীম। অর্থ: আমি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। ২. أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহাল আযীমা ওয়া আতূবু ইলাইহি। অর্থ: আমি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছে তওবা করি। ৩. رَبِّ اغْفِرْ لِي উচ্চারণ: রব্বিগফির লী। অর্থ: হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন। ৪. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির লী ওয়ারহামনী। অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার প্রতি দয়া করুন। ৫. رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ উচ্চারণ: রব্বিগফির ওয়ারহাম, ওয়া আনতা খাইরুর রাহিমীন। অর্থ: হে আমার রব! ক্ষমা করুন, দয়া করুন; আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ দয়াকারী। ৬. اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নী। অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করুন। ৭. أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি। অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছে তওবা করি। ৮. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির লী যাম্বী কুল্লাহু। অর্থ: হে আল্লাহ! আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন। সবচেয়ে সহজ ও বেশি পড়া হয়: "أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ",(আস্তাগফিরুল্লহ) "أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ",(আস্তাগফিরুল্লহ ওয়া আতুবু ইলাইহ) এবং "أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ"(আস্তাগফিরুল্লহাল আযীম)। এগুলো চলতে-ফিরতে, কাজের ফাঁকে, কিংবা যে কোনো সময় পড়া যাবে ইং শা আল্লহ। লিখা ~ উম্মে আদন
447
9
হে আমাদের রব, আমরা যদি ভুলে যাই অথবা ভুল করি, তাহলে আপনি আমাদের পাকড়াও করবেন না। ☘️🤍 🎙️Sheikh Muhammad Al Luhaidan (Hafizah
হে আমাদের রব, আমরা যদি ভুলে যাই অথবা ভুল করি, তাহলে আপনি আমাদের পাকড়াও করবেন না। ☘️🤍 🎙️Sheikh Muhammad Al Luhaidan (Hafizahullah) #mdajmine
403
10
যালিম কওমের ধ্বংস অনিবার্য.....🤲 #mdajmine
যালিম কওমের ধ্বংস অনিবার্য.....🤲 #mdajmine
408
11
“তুমি যদি এমন এক জামানায় বসবাস করে থাকো— যেখানে মানুষ আমল ছাড়া কেবল মুখের কথায় সন্তুষ্ট থাকে এবং আমল ছাড়া কেবল বইয়ের স্তূপ নিয়েই তৃপ্ত থাকে; তবে জেনে রেখো; তুমি ইতিহাসের নিকৃষ্টতম সময়ে নিকৃষ্টতম মানুষদের মাঝে বাস করছ।” ~সুফিয়ান ইবনে উইয়ায়নাহ (রহ.) সূত্র: [ইবত্বালুল হিয়াল: ১/৩৪]
422
12
আল্লাহর পরিকল্পনা সবসময় আমাদের পরিকল্পনার চেয়ে উত্তম। 🎙️Sheikh Muhammad Al Luhaidan (Hafizahullah) #mdajmine
আল্লাহর পরিকল্পনা সবসময় আমাদের পরিকল্পনার চেয়ে উত্তম। 🎙️Sheikh Muhammad Al Luhaidan (Hafizahullah) #mdajmine
446
13
সহজে জান্নাতে যাওয়ার জন্য কুরআন হাদিসে যে চারটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে— 🤍🌷 ১. শির্ক মুক্ত থাকা ২. ফরজ পালন করা ৩. হারাম থেকে দূরে থাকা ৪. বান্দার হক নষ্ট না করা - আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ..
456
14
শুধুমাত্র তিনটি জিনিসের জন্য রবের কাছে বান্দার হিসাব দিতে হবে না: (১) লজ্জাস্থান হেফাজতের জন্য এক টুকরা কাপড়। (২) বেঁচে থাকার জন্য যৎসামান্য খাবার। (৩) মাথা গোজার মত একটি ঘর। এছাড়া সব কিছুর হিসাবই কেয়ামতের দিন বান্দাকে দিতে হবে। ~হাসান বসরী (রাহিমাহুল্লাহ) সূত্র: [কিতাবুয যুহদ: ২২১]
516
15
ভিডিও লিংক https://youtu.be/dtultVzpUoY?si=25Ohx-s2Dt9KNs1c
ভিডিও লিংক https://youtu.be/dtultVzpUoY?si=25Ohx-s2Dt9KNs1c
510
16
আজ বেজোড় রাত এবং জুম'আর রাত একত্রিত হয়েছে। বেশ কয়েকটি বর্ণনায় পাওয়া যায়, যদি জুম‘আর রাত কোনো বিজোড় রাতের সাথে মিলে যায়, তবে সে রাতটি লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ইমাম ইবন রজব হাম্বলি (রহ.) তাঁর লাতায়িফুল মা‘আরিফ গ্রন্থে ইবনু হুবাইরাহ (রহ.) থেকে বর্ণনা করে বলেন—"যদি জুম‘আর রাত কোনো বিজোড় রাতের সাথে মিলে যায়, তাহলে অন্যান্য রাতের তুলনায় এই রাতটিতে লাইলাতুল কদর সংঘটিত হওয়ার বেশি আশা করা যায়।" ইবনু তাইমিয়া (রহ.) বলেন—"যদি জুম‘আর রাত শেষ দশকের কোনো বিজোড় রাতের সাথে মিলে যায়, তাহলে ইনশাআল্লাহ সেটি লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।" শাইখ আবদুল আজিজ ইবনু বায (রহ.)-এর একটি বক্তব্যও এমন আছে। তিনি বলেন—"কিছু আলেম বলেছেন, যদি বিজোড় রাতগুলোর মধ্যে কোনোটি জুম‘আর রাতে পড়ে, তাহলে সেটি আরও বেশি গুরুত্ববহ এবং লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি। তাই আমাদের উচিত, এসব রাতের বিশেষ যত্ন নেওয়া এবং বিশেষ করে এই রাতে ইবাদতে অধিক পরিশ্রম করা।" —মাহমুদ বিন নূর #ilmannafiya
574
17
https://youtu.be/bQtgDl8JUPQ?si=c1ARmz6W5QLkD1vI
https://youtu.be/bQtgDl8JUPQ?si=c1ARmz6W5QLkD1vI
511
18
আল্লাহর পরিকল্পনায় কোনো তাড়াহুড়া নেই, কোনো ভুল সময়ও নেই। আমরা অনেক সময় অপেক্ষাকে 'বিলম্ব' বা 'দেরি' মনে করে হতাশ হই, অথচ আল্লাহ সেটিকে আমাদের জন্য 'প্রস্তুতির সময়' বানিয়ে দেন। তাই কখনো হতাশ হবেন না। যে দোয়াটি আজও পূরণ হয়নি বলে আপনার মনে হচ্ছে, সেটিও মহান রবের অসীম জ্ঞানের মধ্যেই আছে। আল্লাহ কখনো দেরি করেন না; সবকিছু তাঁর নির্ধারিত সর্বোত্তম সময়েই আমাদের জীবনে আসে। 📖 পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন: "অথচ এমনও হতে পারে যে, তোমরা কোনো বিষয় অপছন্দ করছ, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হতে পারে তোমরা কোনো বিষয় পছন্দ করছ, অথচ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আল্লাহ জানেন, আর তোমরা জানো না।" (— সূরা বাকারাহ: ২১৬) কষ্টের সময়গুলোতে সবর (ধৈর্য) ধারণ করাই মুমিনের বৈশিষ্ট্য। কারণ, আল্লাহ নিজেই আমাদের সান্ত্বনা দিয়ে বলেছেন: "নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।" (— সূরা ইনশিরাহ: ৫) দোয়ার ক্ষেত্রে আমাদের কখনো নিরাশ হওয়া উচিত নয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের তাড়াহুড়ো করতে নিষেধ করেছেন: "তোমাদের প্রত্যেকের দোয়া কবুল করা হয়, যদি সে তাড়াহুড়ো না করে এবং একথা না বলে যে— 'আমি দোয়া করলাম কিন্তু আমার দোয়া কবুল হলো না'।" (— সহীহ বুখারী: ৬৩৪০, সহীহ মুসলিম: ২৭৩৫) আপনার কাজ শুধু খালেস নিয়তে দোয়া করে যাওয়া এবং রবের উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল (ভরসা) রাখা। হয়তো তিনি আপনাকে আপনার চাওয়ার চেয়েও উত্তম কিছু দেওয়ার জন্য এই মুহূর্তে প্রস্তুত করছেন! আলহামদুলিল্লাহ। #শিক্ষা
602
19
https://youtu.be/KtGKRd3iIp0?si=m1AEa1TLkfJ6Dvs-
https://youtu.be/KtGKRd3iIp0?si=m1AEa1TLkfJ6Dvs-
466
20
আমাদের প্রাপ্ত সম্পদ ও জ্ঞান কোনো একক কৃতিত্ব নয়, বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া এক মহান আমানত ও পরীক্ষা। এর উদ্দেশ্য একটাই—আমরা কি মানুষের সেবায় নিয়োজিত হচ্ছি, নাকি অহংকারে মত্ত হচ্ছি? ইতিহাস সাক্ষী, যুল-কারনাইন যখন এক বিশাল সাম্রাজ্য ও ক্ষমতার অধিকারী হয়েছিলেন, তখনও তাঁর পা মাটিতেই ছিল। তিনি অবলীলায় বলেছিলেন—‘আমার প্রতিপালক আমাকে যে সামর্থ্য দিয়েছেন, তাই উৎকৃষ্ট’। নিয়ামত পেয়ে অহংকারী না হয়ে আল্লাহর দিকে ঝুঁকে পড়াই একজন মুমিন নেতৃত্বের প্রধান বৈশিষ্ট্য।" — নোমান আলী খান অহংকার ও নিয়ামতের পরীক্ষা নিয়ে আল্লাহর বাণী: "আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভালো দ্বারা বিশেষভাবে পরীক্ষা করে থাকি।" (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ৩৫) অহংকারের পরিণতি নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সতর্কবার্তা: রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: "যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।" (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ৯১)
530