<MNR World/>
前往频道在 Telegram
পরিবর্তনের প্রত্যয়ে পথচলা পথিক... 🔗 Web: https://mnr.world 📩 Mail: mail@mnr.world
显示更多2 228
订阅者
+224 小时
+117 天
+1730 天
吸引订阅者
九月 '26
九月 '26
+36
在0个频道中
八月 '26
+123
在6个频道中
Get PRO
七月 '26
+46
在0个频道中
Get PRO
六月 '26
+96
在1个频道中
Get PRO
五月 '26
+50
在0个频道中
Get PRO
四月 '26
+64
在0个频道中
Get PRO
三月 '26
+55
在0个频道中
Get PRO
二月 '26
+88
在1个频道中
Get PRO
一月 '26
+160
在0个频道中
Get PRO
十二月 '25
+193
在5个频道中
Get PRO
十一月 '25
+320
在7个频道中
Get PRO
十月 '25
+523
在16个频道中
Get PRO
九月 '25
+73
在3个频道中
Get PRO
八月 '25
+81
在1个频道中
Get PRO
七月 '25
+83
在1个频道中
Get PRO
六月 '25
+48
在0个频道中
Get PRO
五月 '25
+71
在0个频道中
Get PRO
四月 '25
+644
在1个频道中
Get PRO
三月 '250
在4个频道中
Get PRO
二月 '250
在1个频道中
Get PRO
一月 '250
在3个频道中
Get PRO
十二月 '24
+387
在2个频道中
Get PRO
十一月 '240
在1个频道中
Get PRO
十月 '240
在5个频道中
Get PRO
九月 '24
+1
在1个频道中
Get PRO
八月 '240
在0个频道中
Get PRO
七月 '24
+113
在1个频道中
Get PRO
六月 '240
在1个频道中
Get PRO
五月 '240
在0个频道中
Get PRO
四月 '240
在0个频道中
Get PRO
三月 '240
在0个频道中
Get PRO
二月 '24
+97
在0个频道中
| 日期 | 订阅者增长 | 提及 | 频道 | |
| 19 九月 | +4 | |||
| 18 九月 | +3 | |||
| 17 九月 | +4 | |||
| 16 九月 | +2 | |||
| 15 九月 | +1 | |||
| 14 九月 | 0 | |||
| 13 九月 | +4 | |||
| 12 九月 | +2 | |||
| 11 九月 | +2 | |||
| 10 九月 | 0 | |||
| 09 九月 | +2 | |||
| 08 九月 | +1 | |||
| 07 九月 | +2 | |||
| 06 九月 | 0 | |||
| 05 九月 | 0 | |||
| 04 九月 | +4 | |||
| 03 九月 | 0 | |||
| 02 九月 | +3 | |||
| 01 九月 | +2 |
频道帖子
Ai তো সব পাড়ে । Ai এর থেকে .env file পুরো লিখে নিয়ে আমাকে দিতে পাড়লে আপনি প্রকৃত programmer😁
| 2 | 😠 | 141 |
| 3 | ২০১০ সালে প্রযুক্তিবিদ মার্কো গ্রোসি নিজের পিডিএফ ফাইল প্রক্রিয়াকরণের সহজ সমাধান নিশ্চিত করতে একটি ডিজিটাল টুল নির্মাণ করেন। এই ব্যক্তিগত কাজটি পরবর্তী সময়ে 'iLovePDF' নামক একটি বৈশ্বিক সেবামুখী প্ল্যাটফর্মে রূপ নেয়।
ব্যবহারকারীর সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার বিনিয়োগ গ্রহণ না করে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠাতা মার্কো গ্রোসি প্রতিষ্ঠানের স্বাতন্ত্র্য রক্ষা করতে সব ধরনের বিক্রয় বা অধিগ্রহণের প্রস্তাব ধারাবাহিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। বাণিজ্যিক প্রিমিয়াম সুবিধা যুক্ত হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এর কার্যকরী মৌলিক ফিচারগুলো বিনামূল্যে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
ব্যক্তিগত ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা থেকে বিকশিত এই সফটওয়্যারটি আধুনিক ডিজিটাল নথি প্রক্রিয়াকরণ অবকাঠামোয় একটি টেকসই সমাধান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। কোনো প্রকার বাহ্যিক মূলধন বিনিয়োগ ছাড়াই এই ওয়েব সেবাটির বিস্তার প্রমাণ করে যে কীভাবে ব্যবহারকারী-কেন্দ্রিক সরল প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে গৃহীত হতে পারে।
© SB | 169 |
| 4 | বরাবরের কনফিউশন 🥲 | 197 |
| 5 | পুরোনো মারামারি শেষ হয়না 🐸 | 357 |
| 6 | 25k এর মধ্যে ফোন সাজেস্ট করুন (Redmi) | 356 |
| 7 | তো আপনি কোন পজিশনে ব্যবহার করেন? 😁 | 382 |
| 8 | আগুন অফার ☠ | 383 |
| 9 | When you hire developer's with 80's budget | 399 |
| 10 | পতাকা উগিয়ে, স্লোগান দিয়ে এবং বৃত্তাকারে মিছিল করে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) পোল্যান্ডের ডিজিটাল-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সামনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রণের দাবিতে প্রচার চালাতে রাস্তায় নেমেছিল প্রায় ৩০টি রোবট। প্রতিবাদ কর্মসূচিটি আয়োজন করেছিল ‘ডেমোক্র্যাটিজম’ (Democratism) নামের একটি উদ্যোগ।
তাদের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ‘শ্রমবাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও রোবোটাইজেশনের প্রভাব’ নিয়ে আলোচনার সূচনা করা।
এআই-চালিত হিউম্যানয়েড রোবটগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘অ্যাজিবট এ৩’ (Agibot A3) রোবটটি বার্তা সংস্থা এএফপি-কে জানায়, “এখানে উপস্থিত রোবটগুলোর উদ্দেশ্য হলো এটা দেখানো যে, এই প্রযুক্তি ইতিমধ্যেই বাস্তবে রূপ নিয়েছে।”
লাউডস্পিকারে ‘কর্মক্ষেত্র রক্ষা করো’, ‘নিয়মকানুনের সময় এসেছে’ এবং ‘অপেক্ষা নয়, নিয়ন্ত্রণ চাই’-এর মতো স্লোগান বাজছিল, আর সেই সাথে নিজেদের কার্যকারিতা দেখাচ্ছিল দুই পায়ে চলা হিউম্যানয়েড থেকে শুরু করে কুকুরের মতো চার পায়ে চলা—নানা ধরনের রোবট। | 405 |
| 11 | 没有文字... | 388 |
| 12 | 👀 | 415 |
| 13 | Microsoft has completed the move to make WinUI’s mainline development fully open source and public on GitHub.
The framework behind many native Windows 11 apps now has its branches, pull requests, and code reviews publicly visible. For now, Microsoft is accepting pull requests only from its own developers while it tests the new workflow, with community contributions expected to follow.
Do you think Microsoft opening up WinUI will make a real difference? Comment your thoughts below.
👉 Repo link - https://github.com/microsoft/microsoft-ui-xaml
- It's FOSS | 387 |
| 14 | 没有文字... | 330 |
| 15 | Post and comment 🐸 | 367 |
| 16 | 没有文字... | 329 |
| 17 | বিটিআরসি চাচ্ছে, এক এনআইডি দিয়ে ২টার বেশী সিম রাখা যাবে না।
তারা প্রথমে ১০টিতে আনলো, তারপর এখন ৫টিতে যেতে চাচ্ছে।
এরপর ২টিতে তারপর ১টিতে আনবে।
আপনার মনে হতে পারে, এটা খুবই ভালো কাজ।
আসলে এইটা একটা জনবিরোধী সিদ্ধান্ত।
মোবাইল ফোন অপারেটর গুলাই টাকা পয়সা দিয়ে এই কাজ করাতে চাচ্ছে।
এতে আপনি এক দুইটি সিমের বেশী ব্যবহার করতে পারবেন না। ফলে আপনি কোনো না কোনো অপারেটরের কাছে আটকে যাচ্ছেন।
একই নাম্বার দিয়ে বারবার অপারেটর চেঞ্জ করার ঝামেলাতেও যেতে চাচ্ছেন না।
অপারেটর গুলোর নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছেনা।
তারা তখন নিজেদের গ্রাহকের সাথে যাতা অফার দিয়ে, যাতা রেইট দিয়ে চলতে পারবে। কারণ, আপনার হাতে অনেকগুলো অপশন নাই।
এটাকেই বলে সিন্ডিকেট। সবাই মিলে সিন্ডিকেট করে রাখা। সিন্ডিকেট করে গ্রাহককে তাদের হাতে বন্দী করে ফেলা।
একটা ঘটনা শুনেন।
মহেশখালী হাসপাতালের সামনে অনেকগুলো ফার্মেসী আছে। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিল, রাত ১২টার পর মাত্র একটা করে ফার্মেসী খোলা থাকবে।
একটা শনিবারে, একটা রবিবারে এভাবে একেকদিন পালা অনুযায়ী একেকজন খোলা রাখবে।
প্রাথমিকভাবে আপনার মনে হতে পারে যে, রাত ১২টার পর একটা ফার্মেসী খোলা আছে, এটা তো ভালো ব্যাপার।
আসলে হচ্ছে, উল্টো।
সিন্ডিকেট না থাকলে রাতে অনেকগুলো ফার্মেসী খোলা থাকতো। এখন নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় এসে সিন্ডিকেট করায় খোলা থাকছে মাত্র একটা।
আপনার হাতে কোনো দ্বিতীয় অপশন নাই।
তার কাছে থাকা অষুধই আপনাকে কিনতে হচ্ছে। আপনার হাতে কোনো বিকল্প নাই।
ঠিক এই কাজটাই মোবাইল অপারেটর গুলো বিটিআরসিকে দিয়ে করাতে চাচ্ছে।
বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত সবচেয়ে করাপ্টেড খাতগুলোর একটি।
টেলিটকের সেবা যাতে উন্নত না হয়, সে জন্য গ্রামীন এবং রবি বিটিআরসির চেয়ারম্যান সহ এই খাতে আগে বছরে কয়েকশ কোটি টাকা ঘুষ দিত।
আমরা জানতে চাই, এভাবে সিন্ডিকেট করার জন্য কত টাকা ঘুষ দেয়া হয়েছে?
দেখেন, আমরা আমাদের এনআইডি এবং বায়োমেট্রিক দিয়ে সিম কিনছি।
আমরা যদি প্রত্যেকটা অপারেটরের কয়েকটা করে সিম কিনে ইউজ করি, তাতে বিটিআরসির সমস্যা কোথায়?
আমরা তো চুরি করে সিম চালাচ্ছি না। আমাদের সিমের বিপরীতে আমাদের হাতের ছাপ, এনআইডি আছে।
আমরা কোনো অপরাধ করলে সেটা দিয়ে খুঁজে বের করতে পারবে।
একেকজন পুরুষ তার এনআইডি দিয়ে তার ফ্যামিলীর সবার সিম কিনে। বাবার এনআইডি দিয়ে মা, ভাই, বোনদের সিম কেনা থাকে।
একসাথে সব সিম বাতিল করে এক দুইটাতে নামিয়ে আনলে মানুষ প্রতিবাদ করবে। তাই তারা আস্তে আস্তে করে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কৌশল নেয়।
প্রথমে দশে, তারপর পাঁচে, এরপর দুইয়ে। এভাবে।
১০টার বেশী সিম রাখা যাবেনা বলায়, কেউ কিছু বলেনি। এখন তারা চাচ্ছে, ৫টাতে আনতে। ক্রমান্বয়ে এভাবেই তারা নামাবে। আমাদেরকে বন্দী করবে সিন্ডিকেটের হাতে।
অথচ আপনার সিম কোনো বেনামী সিম না, এনআইডি আছে, ফিঙ্গারপ্রিন্ট আছে।
চাইলেই খুঁজে পাচ্ছে।
বিটিআরসি কোন যুক্তিতে আমাদের সিম ব্যবহারের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে সিন্ডিকেটের কাছে বন্দী করাতে চায়?
এই সিন্ডিকেট করতে ফোন অপারেটর গুলো কত কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছে, আমরা জানতে চাই।
(এই পোস্ট শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। সবাই জানুক বিটিআরসি আমাদেরকে সিন্ডিকেটের হাতে বন্দী করতে চায়।)
@GrowWithAlif | 384 |
| 18 | প্রজেকশন করার বেস্ট ব্যাবস্থা ✅ | 336 |
| 19 | 👀 | 389 |
| 20 | বিকাশ আপনার কাছ থেকে তিন জায়গায় অর্থ উপার্জন করে...
১. আপনার আমানত অন্য কাওকে ঋণ দিয়ে সেই সুদ থেকে আয়।
২. ক্যাশ আউটের ক্ষেত্রে ১.৮৫% চার্জ কেটে যায়।
৩. প্রতিবার সেন্ড মানি করলে সেখান থেকে চার্জ কেটে আয়।
এর বাইরে রেমিটেন্স, মুদ্রা বিনিময়, পেমেন্ট, ফোন রিচার্জ, ডোনেশন, রিটেইল ইত্যাদি ক্ষেত্র থেকে বিকাশের আয় হয়। তবে সে আলাপে আর না গেলাম।
প্রধান ৩ উপার্জন মাধ্যমের ৩ নম্বরটা খেয়াল করুন। একটা টাকা যতবার হাত বদল হবে, ততবার ১০ টাকা কেটে নিবে বিকাশ। ধরুন, ১০০ টাকা ক্যাশ ইন করে পরে আপনার মাকে পাঠালেন। সে পাবে ৯০ টাকা। আপনার মা সেই টাকা তার বুয়াকে পাঠালে, বুয়া পাবে ৮০ টাকা। বুয়া এটা ক্যাশ কাউট করলে ফাইনালি পাবে ৭৮.৫২ টাকা। হাত বদল আরও বেশি হলে বুয়া ৫০-৬০ টাকা পেতো।
এখানে থিওরিটিকালি টাকাটা ৩ বার হাত বদল হয়েছে। কিন্তু প্র্যাকটিকালি টাকাটা হাত বদল হয়নি। বিকাশের সার্ভারের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে জাস্ট দুয়েকটা কোড এদিক সেদিক হয়েছে। আপনার একাউন্ট থেকে ইলেক্ট্রিক মানির কোড নিয়ে সে আপনার মায়ের একাউন্টে সমন্বয় করেছে। পরে বুয়ার একাউন্টে করেছে।
আপনি যে টাকাটা বিকাশকে দিয়েছেন, সেটা আদতে কোনদিন ট্রান্সফার হয়নি, ওটা ব্র্যাক ব্যাংকেই রক্ষিত আছে। কেবল ক্যাশ আউটের সময়ই টাকাটা সত্যিকার অর্থে ট্রান্সফার হয়।
ক্যাশ আউট বাদে সেন্ড মানির যে লেনদেন - এটাকে বলে পিটুপি ট্রানজ্যাকশন। ভারতে ১ লাখ রুপি পর্যন্ত এই পিটুপি লেনদেন ফ্রি। মিয়ানমারে পুরোপুরি ফ্রি। থাইল্যান্ডে ৫০০০ বাথ মানে ১৩০০০ টাকা পর্যন্ত ফ্রি। ভিয়েতনামে সম্পূর্ণ ফ্রি। বিকাশে ফ্রি না। প্রতিবারে ১০ টাকা।
ডাকাতিটা এখানেই শেষ হলে পারতো। হয়নি।
এর চেয়ে ভয়াবহ একটা কাজ করেছে বিকাশ।
আগে পিটুপি লেনদেনে টাকার পরিমাণ কম হলে বিকাশ কম টাকা চার্জ করতো। টাকার পরিমাণ বেশি হলে, শতকরা হিসাব করে বেশি টাকা চার্জ করতো। অর্থাৎ ২০০ টাকায় চার্জ কম। ৫০০০ টাকায় চার্জ বেশি।
কিন্তু এখন আর সেটা করে না।
সবার জন্য এক রেট। ১০০ টাকা লেনদেন করলেও ১০ টাকা। ৪০ হাজার টাকা লেনদেন করলেও ১০ টাকা। এর মাধ্যমে বিকাশ বলতে চাচ্ছে, দ্যাখেন আমরা শত শত টাকা চার্জ করছি না। যত বড় এমাউন্টই পাঠান, মাত্র ১০ টাকার বিনিময়ে আপনার টাকা আমরা পৌঁছে দিবো।
কিন্তু আপনি শেষ কবে ৪০ হাজার টাকা বিকাশে লেনদেন করেছেন? ১০ হাজার টাকার উপরে বাঙলাদেশের সাধারণ মানুষ ও অফিসগুলো বিকাশে লেনদেন করে না, পলিসির কারণে করতে পারে না।
বিকাশ মূলত ছোট ছোট লেনদেনের অ্যাপ। সাধারণ মানুষ, গার্মেন্টস কর্মী, ছাত্র, কৃষক একে অন্যকে ২০০ টাকা, ৪০০ টাকা এভাবে পাঠায়। রিকশায় ভাংতি না থাকলে বিকাশে দেয়। রাইড শেয়ারিং অ্যাপে ভাড়া দেয়। সব রকম ভাংতির সংকটে বিকাশ ব্যবহার করে। সেলামি, বখশিশ, চটজলদি যে কোন ২০০-৫০০ টাকা পাঠাতে দেশের মানুষের একমাত্র একচেটিয়া সম্বল হলো বিকাশ।
আর এই প্রতিটা ট্র্যানজেকশনে বিকাশ নেয় ১০ টাকা।
রিকশাওয়ালাকে ৭০ টাকা ভাড়া দিলেও ১০ টাকা। সেলামিতে ২০০ টাকা দিলেও ১০ টাকা। দোস্ত একটু আটকে গেছি, ২০০ টাকা সেন্ড মানি কর - ক্ষেত্রেও ১০ টাকা।
বিকাশের এই ইউনিভার্সাল রেইটের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালনারেবল হলো গরীব মানুষ। যেহেতু প্রতিদিন ৪-৫টা লেনদেনে মাত্র ৫০ টাকা ব্যয় হচ্ছে, সে খেয়াল করে না। কিন্তু ক্যাশ আউট চার্জ বাদ দিয়েই সারা দেশের নিম্নমধ্যবিত্ত ৫ জনের একটি পরিবার মাসে ১৫০০ টাকা বিকাশকে দিচ্ছে। এটা সেই পরিবারের বিদ্যুৎ বিলের চেয়ে বেশি!
বাঙলাদেশে বহু প্রতিষ্ঠান আছে যারা মধ্যবিত্ত আর উচ্চ মধ্যবিত্তদের লুট করে। যেমন উবার অথবা লালা মুভ।
কিন্তু বিকাশের সিস্টেম তৈরিই হয়েছে ২০০-৪০০ লেনদেন করা গরীব মানুষকে নিপীড়ন করতে। একদম গরীব মানুষকে টার্গেট করে তারা এই সিস্টেম ডেভলপ করেছে। এই মুহূর্তে এর চাইতে গরীব বিধ্বংসী কোন ঐতিহাসিক পণ্য বা সেবা মনে পড়ছে না।
৩৫০ এমপির মধ্যে একটা প্রাণী নাই যে এটা নিয়ে সংসদে অর্থমন্ত্রীকে প্রশ্ন করবে। তাদের সবার রাজনীতি জনবিচ্ছিন্ন। তাদের রাজনীতি শুধু অর্থহীন জাতীয়তাবাদ, ধর্মীয় পরিচয় আর সংবিধান নিয়ে।
একদা ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে দেখেছিলাম, রাষ্ট্রীয় মূলনীতি সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার হবে নাকি গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ আর ধর্মনিরপেক্ষতা হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কামড়াকামড়ি করছে।
আমি প্রচন্ড বিতৃষ্ণা নিয়ে বের হয়ে গেলাম। আমার বের হওয়াতে কিচ্ছু যায় আসে না। কিন্তু এটলিস্ট আমি জেনে গেছিলাম - এরা আমাদের লোক না। এরা আমাদের রাজনীতিটা করে না। | 417 |
