ch
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

前往频道在 Telegram

🙂🙂🙂

显示更多
1 996
订阅者
无数据24 小时
+47
+330
帖子存档
ঈদে কোরবানির সময় প্রয়োজনীয় ওষুধের লিস্ট ও যত্ন ১. মাংস কাটার পর ▪️ সাধারণ ব্যথা হলে- Paracetamol 500/1000 mg ▪️ বেশি ব্যথায়, খাবারের আগে খেতে হবে- Naproxen 500 mg + Esomeprazole 20 mg ▪️কাটাছেঁড়া হলে- Povidone Iodine অ্যান্টিসেপটিক ২. অতিরিক্ত মাংস খেয়ে পেটে সমস্যা হলে: ▪️ অ্যাসিডিটি কমাতে- Antacid সিরাপ ও Omeprazole/Esomeprazole 20 mg (খালি পেটে) ▪️ কোষ্ঠকাঠিন্যে Lactulose বা Glycerin suppository ▪️ বমি ভাব হলে Domperidone 10 mg (খাবারের আগে) ▪️ চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, হালকা হাঁটাহাঁটি করুন। ৩. ডায়রিয়া হলে: ▪️ প্রতিবার ওরস্যালাইন খেতে হবে। ৪. সর্দি, জ্বর হলে: ▪️ Paracetamol 500 mg ▪️ এলার্জি সর্দিতে Loratadine 10 mg বা Desloratadine 5mg ▪️ গরম পানি, স্টিম ইনহেলেশন ও লবণ পানির গার্গল উপকারী। ৫. গরুর মাংসে কারো এলার্জি বা চুলকানি হলে: ▪️ Fexofenadine 120 mg বা Rupatadine 10 mg ▪️ Calamine lotion যা চুলকানি কমায় ▪️ শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন ৬. যারা উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসে ভুগছেন: ▪️ ওষুধ সেবন করুন, নিয়মিত প্রেসার ও গ্লুকোজ মাপুন। ▪️ লবণ ও মিষ্টি সীমিত রাখুন। ৭. ভ্রমণে: ▪️ নিরাপদ পানি ও পরিচ্ছন্ন খাবার খান। ▪️ ORS, Paracetamol, Antacid, Antihistamine ও ব্যান্ডেজ ব্যাগে রাখুন। 💊 সচেতনতায় Clear Concept

কখনো কখনো নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েও, প্রাপ্যটুকু ঠিক সময়ে পাওয়া যায় না। একটা উৎসবের আগে সামান্য কিছু পাওয়ার আশায়, মন খারাপ হয়ে যায় যখন সেটা সময়মতো মেলে না— শুধু অজুহাতের কারণে। আমার প্রয়োজন ছিলো, কারো সদিচ্ছা ছিল না। তবুও কাজ করে যাবো আন্তরিকতা নিয়ে, কারণ আমি দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করি, স্বার্থ থেকে নয়। কিন্তু মনে কষ্ট হয়, যখন জানি দিতে পারতেন, তবুও দিলেন না। আজ এমন একটি সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যখন ভালোবাসা, সম্মান আর প্রাপ্যটুকু পাওয়ার আশা করাটাই যেন দুর্লভ। তবুও নিরব থাকি, কারণ বিশ্বাস করি—আল্লাহ সব দেখেন, সব জানেন। 🕋"রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘একজন শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার প্রাপ্য মজুরি দিয়ে দাও।’ (সহীহ ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২৮৫৩) 🕋"আল্লাহ বলেন: “তোমরা ন্যায্য মাপ ও ওজন পূর্ণ করো এবং মানুষের জিনিসপত্র কম দিয়ো না।” (সূরা আশ-শোয়ারা, আয়াত: ১৮১-১৮৩) 🕋"রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘ধনের (সম্পদের) আধিক্য হলেই ধনী হয় না, (বরং) অন্তরের ধনীই প্রকৃত ধনী।’ (বুখারি ৬৪৪৬, মুসলিম ১০৫১, আহমাদ ৭৩২০) ধন-সম্পদ নয়, সত্যিকারের ধনী সে, যার হৃদয়ে রয়েছে দায়িত্ববোধ, ন্যায়বিচার ও মানবতা।

হারিয়ে যাবেন না কখনোই নিজের কাছে হেরে গিয়ে হারিয়ে যাবেন না। আপনি মনে করছেন আপনার মতন দুর্ভাগা কেউ নেই। অথবা সব অশান্তি আপনার। তা মোটেই নয়। আসলে আপনার চারপাশে অনেকজন আছে যাঁরা আপনার থেকে অনেক বেশি বিপদের মধ্যে আছেন, তাঁদের হতাশা অনেক বেশি। আমরা এতটাই নিজেকে ভালোবসি, নিজের কথা ভাবি যে অন্যের কষ্ট সেভাবে চোখে পড়ে না। অনেক বেশি হতাশা নিয়েও হাসিমুখে, শক্তমনে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে যারা- তাদের দেখে বাঁচতে শিখুন।

এটি একটি ১,০০০ গ্রাম লোহার বার, কাঁচামাল হিসেবে যার মূল্য মাত্র ১০০ ডলার। যদি আপনি এটাকে ঘোড়ার খুর বানাতে ব্যবহার করেন, এর মূল্য বেড়ে দাঁড়ায় ২৫০ ডলার। সেলাইয়ের সূঁচ তৈরি করলে এর মূল্য হয় প্রায় ৭০,০০০ ডলার। ঘড়ির স্প্রিং ও গিয়ার তৈরি করলে এর মূল্য পৌঁছে যায় ৬ মিলিয়ন ডলারে। আর এটাকে যদি উন্নত প্রযুক্তির লেজার উপাদানে রূপান্তর করা হয়, যা কম্পিউটার চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, তখন এই একই লোহার বারের মূল্য দাঁড়ায় ১৫ মিলিয়ন ডলার। আপনার প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় আপনি কি দিয়ে তৈরি তার মাধ্যমে নয়, বরং আপনি কীভাবে আপনার দক্ষতাকে বিকশিত করেন এবং তা প্রয়োগ করেন, তার উপর।

নিজেকে হারিয়ে সম্পর্ক ধরে রাখার চেয়ে, সম্মান নিয়ে আলাদা থাকা ভালো। নিজের আত্মসম্মানকে কখনো অবহেলা করবেন না। জীবন একটা পথ—যেখানে প্রতিটি বাঁকে থাকে শিক্ষা। কখনো সেটা আসে অভিজ্ঞতা থেকে, কখনো ব্যথা থেকে। এই ছোট ছোট বাস্তব কথাগুলো হয়তো আপনাকে একেকটা ধাপ পেরোতে সাহায্য করবে, হয়তো একটা ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিন্তা করতে বাধ্য করবে। সবশেষে বলব—জীবনকে সহজে নিন, কিন্তু হালকাভাবে নয়। শেখা কখনো শেষ হয় না, তবে শিখে নিজেকে বদলানোই আসল কাজ। আপনার মনে সবচেয়ে বেশি গেঁথে যাওয়া কথাটি কোনটি? কমেন্টে লিখে আমাদের জানাতে ভুলবেন না!

বাস্তবতা থেকে শেখা ২১টি মূল্যবান কথা By Spike Story জুন ৪, ২০২৫ একটা সময় ছিল, যখন আমাদের শিক্ষা হতো বইয়ের পাতায়, পরীক্ষার খাতায়, বা শিক্ষকের মুখে শোনা জ্ঞানে। কিন্তু সময় যত এগিয়েছে, জীবন আমাদের বড় শিক্ষক হয়ে উঠেছে। তার পাঠশালা খোলা আকাশের নিচে, আর ক্লাসরুম—নিজের অভিজ্ঞতার ভিতরে। এই অভিজ্ঞতা থেকেই জন্ম নেয় কিছু ছোট ছোট কথা, কিছু সতর্কতা, কিছু আদর্শ—যা সত্যি মানলে জীবনের অনেক ভুল এড়িয়ে চলা যায়। এই লেখায় আমরা এমনই কিছু জীবনের শিক্ষার কথা বলব, যা বাস্তবতা থেকে নেয়া। হয়তো এই কথাগুলো আপনি আগে কোথাও শুনেছেন, কিন্তু আজ সেগুলো নতুনভাবে উপলব্ধি করুন—কেননা এগুলো শুধু কথা নয়, বরং জীবন বদলে দেওয়ার মতো শিক্ষা। ১. নিজের প্রশংসা নিজে করবেন না যে মানুষ নিজেকে বড় করে তুলে ধরার চেষ্টা করে, অনেক সময় সে অজান্তেই ছোট হয়ে যায়। নিজের কাজ, নিজের মান যত ভালোই হোক, অন্যের চোখে তার মূল্য বাড়ে নম্রতায়, অহংকারে নয়। ২. ছোট কথাগুলো বড় করে তোলে মানুষকে “ধন্যবাদ” আর “অনুগ্রহ করে”—এই দুইটি শব্দ মানুষের ব্যবহার এবং মূল্যবোধের প্রতিচ্ছবি। নিজের ভুল স্বীকার করা যেমন একটি বড় গুণ, তেমনি অন্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোও একটি শক্তিশালী মানবিক গুণ। ৩. গোপন কথা গোপন রাখুন বিশ্বাস করা ভালো, কিন্তু অন্ধভাবে নয়। নিজের সবকিছু সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। আজ যার ওপর আপনি ভরসা করছেন, কাল সেই মানুষই দুর্বল মুহূর্তে আপনাকে ব্যবহার করতে পারে। ৪. অভিজ্ঞতা ছাড়া ব্যবসায় ঝাঁপ দেবেন না স্বপ্ন থাকা ভালো, কিন্তু অন্ধভাবে ঝুঁকি নেওয়া নয়। ব্যবসা শুরু করার আগে নিজেকে তৈরি করুন, শিক্ষাটুকু অর্জন করুন, বাজার বুঝুন—তবেই সাফল্যের সম্ভাবনা অনেকগুণ বাড়ে। ৫. পর্ণে আসক্তি ধ্বংসের পথে নিয়ে যায় পর্ণগ্রাফির প্রতি আসক্তি অনেক সময় মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক এবং ব্যক্তিত্বে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সাময়িক আনন্দের জন্য আপনি ধীরে ধীরে নিজের জীবনের দিশা হারাতে পারেন। ৬. পরচর্চাকারী থেকে দূরে থাকুন যে মানুষ সবসময় অন্যের নিন্দা করে, বিশ্বাস করুন—একদিন সে আপনাকেও কারো সামনে অপমান করবে। এমন মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করুন। ৭. গাধার সঙ্গে তর্ক করে লাভ নেই একজন যুক্তিহীন মানুষকে বোঝানো মানে নিজেকে তার স্তরে নামিয়ে আনা। সময়, শক্তি এবং সম্মান রক্ষা করতে হলে নির্দিষ্ট কিছু আলোচনা এড়িয়ে চলাই ভালো। ৮. কাজ ফেলে রাখবেন না “পরে করব” বলতে বলতে একসময় দেখা যায়, কাজটা আর করাই হয়নি। গবেষণায় দেখা গেছে, যেকোনো কাজ ফেলে রাখলে সেটি শেষ করার সম্ভাবনা ৮০% কমে যায়। ৯. ‘না’ বলতে শিখুন সবকিছুতে ‘হ্যাঁ’ বলা মানেই আপনি ভালো মানুষ, এমন না। নিজের সীমানা তৈরি করতে শিখুন। না বলতে পারাটা আত্মসম্মানের চিহ্ন। ১০. পরিবার বনাম জীবনসঙ্গী: ভারসাম্য রক্ষা করুন স্ত্রীর জন্য বাবা-মাকে অবহেলা করবেন না, আবার বাবা-মায়ের কারণে স্ত্রীর স্নেহও তুচ্ছ করবেন না। দুটি সম্পর্কেরই আলাদা মূল্য আছে—বুঝে চলতে শিখুন। ১১. সবাইকে খুশি করা সম্ভব না আপনি যতই চেষ্টা করুন না কেন, সবাইকে খুশি করা অসম্ভব। তাতে আপনার নিজস্বতা হারিয়ে যায়। নিজের মূল্যবোধ ঠিক রেখে সিদ্ধান্ত নিন। ১২. ঝুঁকি না নিলে সাফল্যও আসবে না জীবনের বড় সাফল্যগুলো আসে ছোট ছোট ঝুঁকির ফসল হিসেবে। তবে সবসময় হতে হবে ক্যালকুলেটেড রিস্ক—পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন করে নেওয়া পদক্ষেপ। ১৩. স্মার্টফোনের সীমা বোঝা জরুরি স্মার্টফোনে ডুবে যাওয়া মানেই বাস্তবতা থেকে দূরে সরে যাওয়া। গুগল জীবনের সব উত্তর দিতে পারে না—কিছু উত্তর খুঁজে পেতে হয় জীবনেই। ১৪. মনের কথা বলুন, দেরি করবেন না কখনো কখনো একটা না বলা অনুভব সারাজীবনের আফসোস হয়ে থেকে যায়। তাই সময় থাকতে ভালোবাসার কথা, ইচ্ছের কথা, কৃতজ্ঞতার কথা বলে ফেলুন। ১৫. সম্পর্ক ভাঙলে ভেঙে যেতে দিন যে সম্পর্ক কষ্ট দেয়, দম বন্ধ করে দেয়, মানসিক শান্তি কেড়ে নেয়—সেই সম্পর্ক আঁকড়ে ধরে থাকলে আপনি নিজের সঙ্গেই অন্যায় করছেন। ১৬. হাল ছাড়বেন না আপনি ঠিক কতটা কাছাকাছি পৌঁছেছেন তা আপনি নিজেই জানেন না। হয়তো সাফল্যের দরজায় দাঁড়িয়ে আছেন, আর আপনি হাল ছেড়ে দিচ্ছেন! কিছু কিছু সময় শুধু অবিশ্বাস্য ধৈর্যই সবচেয়ে বড় অস্ত্র। ১৭. শত্রু তৈরি নয়, সম্পর্ক রক্ষা করুন বিনা কারণে মানুষের সঙ্গে শত্রুতা তৈরি করা বোকামি। কিছু কথা না বললেও চলে, কিছু লড়াই এড়িয়েও জেতা যায়। ১৮. ধর্ম নিয়ে সম্মান বজায় রাখুন ধর্ম কারো ব্যক্তিগত বিশ্বাস। সেটায় আঘাত করা মানে শুধু তার অনুভূতিকে নয়, সামাজিক শৃঙ্খলাকেও আঘাত করা। সচেতন থাকুন। ১৯. ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও নয় বিশ্বস্ততা খুব মূল্যবান, কিন্তু ভবিষ্যত অনিশ্চিত। তাই ভালোবাসার নামে নিজের সম্মান ঝুঁকিতে ফেলবেন না। ২০. যিনি শুনতে চায় না, তাকে শেখাতে যাবেন না সবাই শিক্ষা নিতে প্রস্তুত থাকে না। কখনো কখনো কাউকে নিজের ভুলে শিখতে দিতে হয়। সময় হলে, সে ঠিকই আপনার কথার মূল্য বুঝবে। ২১. যেখানেই সম্মান নেই, সেখানেই দূরত্ব

#আবার #করোনা: এবার জ্বর নেই, কাশি নেই--সোজা ফুসফুসে আঘাত করছে করোনা। নতুন করে শুরু হয়েছে করোনার আরেকটি ঢেউ। নতুন রূপ -- XBB -আগের মতো নয়। এই ভাইরাসে সাধারণভাবে জ্বর বা কাশি হয় না, তবে শরীরের ভেতরে নীরবে চলতে থাকে ভয়াবহ সংক্রমণ। রোগীরা মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য, পিঠে অস্বস্তি--এসব উপসর্গ নিয়ে আসেন। অনেক সময় নাকের সোয়াব পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ আসে, কিন্তু এক্স-রেতে ধরা পড়ে নিউমোনিয়া। XBB ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় অন্তত ৫ গুণ বেশি সংক্রামক এবং সরাসরি ফুসফুসে আঘাত করে--তাই উপসর্গ হালকা হলেও ঝুঁকি অনেক বেশি। 🔍 লক্ষণ যেগুলো দেখা যাচ্ছে: • মাথা ব্যথা, শরীর ব্যথা • গলা ও জয়েন্টে ব্যথা • পিঠে চাপ • ক্ষুধা হ্রাস • ক্লান্তি, • এক্স-রেতে নিউমোনিয়া শরীরের বাইরে থেকে ধরা না পড়লেও ভিতরে আক্রান্ত হচ্ছে শ্বাসতন্ত্র। সময় থাকতে সতর্কতা অবলম্বন করুন যাদের শরীরে #ইমিউনিটি কম, বয়স্ক লোকজন, #গর্ভবতী মা, ডায়াবেটিস থাকলে, ক্যান্সার থাকলে, ইতিপূর্বে ফুসফুসে কোন রোগ থাকলে (যক্ষা) থাকলে তাদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি হলো এই করোনাভাইরাস। ✅ করণীয়: • মাস্ক ব্যবহার করা • জনসমাগম এড়িয়ে চলা • ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখা • নিয়মিত হাত ধোয়া। কোরবানির পশুর হাটে জনস সমাগম এ অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন • উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনে এক্স-রে বা HRCT করানো। #আশার কথা হলো করোনা হলো ভাইরাস দিয়ে সৃষ্ট একটি রোগ। প্রতিবছরই এরকম ভাইরাস বাহিত রোগ আমাদের আক্রমণ করতে পারে। যাদের ইমিউনিটি ভালো, নিয়মিত শরীর চর্চা করেন, খাবারদাবার পরিমাপ মত করেন, ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখেন তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি কম থাকবে। 📢 ব্যক্তিগত অনুরোধ: এই বার্তাটি ছড়িয়ে দিন। পরিবার, সহকর্মী, বন্ধুবান্ধব -- সবার সঙ্গে শেয়ার করুন।

জীবনটা তোমার,চয়েসও তোমার👇 এই পৃথিবীতে চলতে গেলে প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষের মুখোমুখি হতে হবে। ভিড় ঠেলে সামনে এগোতে হবে, নানা রকম কথা কানে আসবে। কিন্তু এই ভিড়ে তুমি যা করো তা হলো ইগনোর। কারণ জীবনটা তোমার, সিদ্ধান্তও তোমাকেই নিতে হবে। জীবনের পথে কিছু মানুষ আসবে শুধু আবর্জনা ছড়াতে। তাদের কাজই হলো তোমার চারপাশটা বিষিয়ে তোলা। তাদের থেকে দূরে থাকো, নেগেটিভিটি দেখলেই নিজেকে সরিয়ে নাও। এতে কোনো লজ্জা নেই, বরং এটাই বুদ্ধিমানের কাজ। খারাপ লাগলেও মানতে হবে, যাদের তুমি বন্ধু ভাবো, তাদের অনেকেই তোমার ক্ষতি দেখতে চায়। তারা সহানুভূতির মুখোশ পরে তোমার কাটা ঘায়ে নুন ছিটায়। তুমি সেই সুযোগটা দিও না। অপ্রয়োজনে তর্কে যেও না, কাউকে বোঝানোর দরকার নেই। কেউ যদি তোমাকে মূর্খ বলে হেসে উড়িয়ে দাও। তোমার সময় আর শক্তিটা বাঁচাও। কারণ সেটাই আসল। তারা যা বলছে, শুনে নাও, হাসো আর মনের ভেতর থেকে “ধন্যবাদ” বলে নিজের পথে এগিয়ে চলো। যারা নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারে, তারাই আসল জীবনটা বোঝে। তোমাকে নিয়ে যখন অন্যরা ব্যস্ত থাকবে সমালোচনায়, তখন তুমি একটা ভালো বই পড়ো, প্রিয়জনের সঙ্গে কোথাও ঘুরে আসো, রংতুলি হাতে ক্যানভাসে রঙ ঢালো। ঘর গোছাও, গান শুনো, সিনেমা দেখো, গাছ লাগাও, খেলাধুলা করো, ছবি তুলো, ব্যায়াম করো কিংবা স্রষ্টার উপাসনায় মন দাও। সবচেয়ে জরুরি ব্যাপার হলো তাদের কথায় রিয়েক্ট করো না। দিনশেষে তুমিই জানো তুমি কে, আর কারা তোমার জীবনে সত্যিকারের গুরুত্ব রাখে। তোমার পরিবার ও প্রকৃত বন্ধুদের নিয়ে একটা নিরাপদ বাউন্ডারি তৈরি করো তাদের কাছেই নিজেকে উজাড় করে দাও, যাদের সামনে তুমি আয়নার মতো দাঁড়াতে পারো, যাদের সামনে ঝুঁকতে পারো। কারণ তারাই তোমার মঙ্গল চায়। বাকিদের একপাশে সরিয়ে দাও তারা শুধুই শব্দদূষণ। একটা কথা মনে রাখো জীবনটা অপূর্ব সুন্দর। তুমি যে পৃথিবীতে আছো, সেটাও অপূর্ব। পথচলায় যদি আগাছা বা কাঁটাঝোপ সামনে আসে, সাইড কাটিয়ে এগিয়ে যাও। সব কথার উত্তর দিতে নেই, সব কিছুর প্রতিক্রিয়া দেখাতে নেই, সবাইকে বোঝানোরও দরকার নেই। এই ছোট ছোট বোধগুলো যদি আয়ত্তে আনো, তবে হারাবার কিছু থাকবে না;জয়টাই হবে তোমার। ছবি: এআই।

আমার বয়স যখন ২০ ছিল তখন এক বৃদ্ধ ব্যক্তির সাথে কথা বলেছিলাম। বয়স প্রায় ৮৪! পেশায় তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস সাইন্স ডিপার্টমেন্টের পরিচালক ছিলন। তিনি তার জীবন নিয়ে অভিজ্ঞতা আমাকে জানাতে গিয়ে বল্লেন, বয়স তোমাকে বিনয়ী করবে, তাজ। বয়স বাড়ার সাথে সাথে দেখবা তুমি বড় বড় জিনিসের পেছনে ছুটতে থাকা বন্ধ করে দিয়েছো এবং ছোট ছোট জিনিসগুলোকে মূল্য দিতে শুরু করেছো। একা হাসিখুশি সময় কাটানো, পর্যাপ্ত ঘুম, ভালো খাবার, দীর্ঘক্ষন হাঁটাহাঁটি, খেলাধুলা করার ক্ষমতা, এবং প্রিয়জনদের সাথে মানসম্পন্ন সময় কাটানো তোমার কাছে লাক্সারি মনে হবে। আমি ভাবলাম এইগুলা সবইতো আমার জীবনে আছে। তাহলে কী আমি আসল লাক্সারি পেয়ে গেছি?! তিনি বল্লেন হ্যাঁ তবে এটা অনুধাবন করতে হলে তোমাকে বৃদ্ধ হতে হবে। এই একটা কথপোকথন আমার ব্রেইন থেকে ১০০% প্রেশার কমিয়ে দিয়েছিল। আমি তারপর থেকে কখনও ভীষন রকম মন খারাপ করিনি, জীবন নিয়ে কোনো অভিযোগও হয় নি। এই কথোপকথনই মূলত আমাকে ট্রিগার করছিল এইটা জানতে যে কিভাবে যুবক বয়সের লাক্সারি আমি বৃদ্ধ বয়সেও নিয়ে যেতে পারি। অসংখ্য রিসার্চ পেপার পড়া শুরু করলাম যেটা আমি আমার একাডেমিক লাইফেও কখনও পড়িনি। সেগুলোই আপনাদের সাথে শেয়ার করি। ভালোলাগার বিষয় হলো আপনারা অনেকেই মূল্যায়ন করেন আবার কিছু সংখ্যক মানুষ করেন না। আসলে মূল্যায়ন করতে হলে আপনাকে আগে একজন বৃদ্ধের জীবন অনুধাবন করতে হবে। A J TAJ

এসএসসির বেসিক গুলো ঝালিয়ে নাও। কোচিং কোর্সের পিছনে না দৌড়ায়ে, নিজে নিজে রুটিন বানিয়ে পড়ো। ফিল ইন দ্য ব্ল্যাংকস, এমসিকিউ, শর্ট কোয়েশ্চেন – কখনো কি ধরণের প্রশ্ন আসে ঠিক নাই। তাই তুমি নিজে নিজে একদম বেসিক ধরে ধরে একটা প্রিপারেশন নিয়ে নাও। এই ধাপে আপাতত স্কিলর পিছে সময় দেয়ার দরকার নাই। তোমার টার্গেট এখন শুধু একটা – ভালো কলেজে চান্স। সবাই এক রকম না, কিন্তু সবাই কিছু না কিছু শিখতে পারে। তোমরা সবাই একই রকম ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসো না—কারও কাছে ল্যাপটপ আছে, AC রুমে বসে ক্লাস করে, কোর্সে ভর্তি হওয়ার মত সামর্থ্য আছে। আবার কেউ গ্রামের কুঁড়ে ঘরে বসে মোবাইলের ছোট্ট স্ক্রিনে চেষ্টা করতেছে কিছু শেখার। কিন্তু জানো, যার যা আছে, তা দিয়েই শুরু করা যায়। দরকার শুধু ইচ্ছা আর ধৈর্য। অলস বসে থাকো না। অলসতা থেকেই শুরু হয় জীবনের বড় ক্ষয়ক্ষতি—নেশার প্রতি আকর্ষণ, খারাপ বন্ধুর সঙ্গ, অবাঞ্ছিত সম্পর্ক, এবং এমন অনেক কিছু যা তোমার জীবনের ভবিষ্যৎ, তোমার ক্যারিয়ার, তোমার পরিবারের স্বপ্ন—সব কিছু শেষ করে দিতে পারে। নিজেকে এমন কিছুতে ইনভলভ করো, যেটা তুমি গর্ব করে বলতে পারো। এমন কিছু শেখো, এমন কিছু করো—যেটা তোমাকে নিজের চোখেই সম্মানিত করে তোলে। শেষ কথাটা একজন বড় ভাই হিসাবে বলি—সিগারেট কিংবা কোনো নেশার পাল্লায় পইর না । রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাওয়া তোমাকে শোভা পায় না। যদি তোমার আব্বু এইভাবে তোমাকে দেখে , তার বুকটা ভেঙে যাবে। কষ্টে ছিঁড়ে যাবে তার স্বপ্ন, যা সে তোমার জন্য দেখে রেখেছে। এই সময়টাই তোমার গড়ার সময়। এই সময়টাই তোমার যুদ্ধের সময়। আজকে যে ছোট ছোট চয়েসগুলো তুমি নিচ্ছো, সেগুলোই ঠিক করে দেবে—তুমি ভবিষ্যতের "সৌম্য" বা "লামিন" হবে, নাকি ভবিষ্যতের একটা পরিতাপে পরিণত হবে। ভালো থাকো। শেখো। গড়ো। তোমার জন্য শুভকামনা। ❤️ Jhanker Mahbub

এসএসসি পরীক্ষা শেষ! এখন কী করবো? ১৭ বছর বয়সেই পুরো বিশ্ব তাকিয়ে আছে বার্সেলোনার ফরওয়ার্ড লামিন ইয়ামালের দিকে। ক্লাবগুলো রীতিমতো ঝাঁপিয়ে পড়েছে ওকে দলে নেয়ার জন্য। অন্যদিকে দেবজ্যোতি দাস সৌম্য, মাত্র ১৫ বছর বয়সে হয়ে গেছে গ্র্যান্ডমাস্টার। তুমি হয়তো ভাবছো, “আমি এই লেভেলের মানুষ না ভাই!” ঠিক আছে। আমরা সবাই হয়তো লামিন বা সৌম্য হতে পারব না। কিন্তু একটা জায়গায় আমরা ওদের মতোই— আমাদেরও Passion আছে। আর প্যাশনের পিছনে ছোটার সাহস যদি থাকে, তাহলে আমরাও একটা গল্প হতে পারি। এখন চলো জেনে নেই - এই সময়টা তোমরা কিভাবে কাজে লাগাতে পারো। Step 1: ঘুমাও, মনের মতো করে ঘুমাও তোমার পরীক্ষার টেনশনে কত রাত ঠিক মতো ঘুম হয়নি সেটা তুমিও জানো না। তাই এখন এক সপ্তাহ ঘুমাও। ঠিক মতো। শান্তিতে। এই ঘুম তোমার পুরস্কার, এটা নিয়ে কোনো কম্প্রোমাইজ না। Step 2: ঘুরে আসো, মনটা হালকা করো ঘুমের পর একটুর জন্য জাস্ট সব কিছু থেকে দূরে চলে যাও। ফ্যামিলি সাপোর্ট থাকলে – নেপাল, থাইল্যান্ড, বা যেকোনো একটা নতুন দেশ ঘুরে আসো। না পারলে সাজেক, কক্সবাজার, টাঙ্গুয়ার হাওর। তা-ও না হলে? গ্রামের বাড়ি। দেখবা নতুন একটা অভিজ্ঞতা পাবা সাথে মন তো ভালো হবেই। Step 3: বাস্তবতা বুঝো – ডিগ্রি থাকলেই চাকরি হয় না ২০১৭ সালে ৪ লাখ স্নাতক ছিল বেকার। ২০২২-তে সেটা ৮ লাখ। এই মানুষগুলো কোথায় ভুল করেছিল জানো? তারা শুধু পড়াশোনা করেছিল, স্কিল শেখেনি। তাই তোমার ভালো লাগার ফিল্ড খুঁজে বের করো। স্কিল ডেভেলপ করার যুদ্ধে এক পা আগায় যাও। Step 4: স্কিল শিখো – যেটা তোমাকে এগিয়ে রাখবে এই ছুটিটা শুধু ঘুম, ট্যুর, আর সিরিজ দেখেই শেষ করে ফেলো না। জীবনটা যে রকম কঠিন হয়ে যাচ্ছে, তাতে শুধু একাডেমিক সার্টিফিকেট নিয়ে এগোনো যাচ্ছে না। দরকার এমন কিছু স্কিল, যেগুলা তোমাকে আলাদা করে তুলবে, চাকরি না পাইলেও যেগুলা দিয়ে তুমি নিজের ইনকাম শুরু করতে পারবা। নিচে এমন কিছু স্কিল নিয়ে কথা বলি, যেগুলা তুমি চাইলে ঘরে বসেই শেখা শুরু করতে পারো। ✅ ১. প্রোগ্রামিং (Programming): এইটা শুধু সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য না—প্রতিটা ফিল্ডেই এখন বেসিক কোডিং জানাটা মেন্ডেটরি হয়ে গেছে। ধরো তুমি মেডিকেল, বিজনেস বা মিডিয়াতেও যেতে চাও—কোডিং জানলে তুমি অন্যদের থেকে সবসময় একধাপ এগিয়ে থাকবে। খুব কঠিন কিছু না, প্রথমে একটা ওয়েবসাইট বানাতে শেখো। এরপর দেখবা তোমার নিজের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়ে গেছে—"হ্যাঁ, আমি পারি।" ✅ ২. ভিডিও এডিটিং (Video Editing): এক সময় ভিডিও বানানো মানে শুধু ইউটিউবারদের ব্যাপার ছিলো। এখন কোম্পানির মার্কেটিং, ব্র্যান্ডিং থেকে শুরু করে চাকরির প্রেজেন্টেশনেও ভিডিও লাগছে। ভিডিও হলো বর্তমানের সবচেয়ে পাওয়ারফুল কন্টেন্ট ফরম্যাট। তুমি চাইলে মোবাইল দিয়েই ভিডিও এডিটিং শেখা শুরু করতে পারো—CapCut, VN, Kinemaster-এর মতো অ্যাপ দিয়ে। ✅ ৩. গ্রাফিক্স ডিজাইন (Graphics Design): সৃজনশীলতা + টুলস = পাওয়ার। তুমি যদি সুন্দরভাবে কিছু উপস্থাপন করতে পারো, তাহলে যেকোনো সাধারণ আইডিয়াকেও অসাধারণ বানানো যায়। কোম্পানির লোগো, ফেসবুক পোস্ট, স্লাইড প্রেজেন্টেশন—সব জায়গায় গ্রাফিক্স ডিজাইনারের চাহিদা আছে। Canva দিয়ে শুরু করো, তারপর ধীরে ধীরে Adobe Illustrator বা Photoshop-এ যাও। ✅ ৪. কনটেন্ট ক্রিয়েশন (Content Creation): এইটা এখন একটা ফুলটাইম ক্যারিয়ার। ইন্ডিয়ান ইউটিউবার Dhruv Rathee তার কনটেন্ট দিয়ে পুরো নির্বাচনে প্রভাব ফেলছে। ভাবো তো, সে কিভাবে শুরু করেছিল? প্যাশন দিয়ে। তুমি যদি ভালো কথা বলতে পারো, বা লিখতে পারো, কিংবা গল্প বলার ট্যালেন্ট থাকে—তাহলে তোমার কনটেন্ট দিয়েও লাখ লাখ মানুষ অনুপ্রাণিত হতে পারে। ✅ ৫. স্পোকেন ইংলিশ (Spoken English): ২০২৫ সালে এসে যদি তুমি ইংরেজিতে দুইটা কথা বলতে না পারো, তাহলে সেটা তোমার জন্য বিশাল একটা ড্রব্যাক। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, ইউনিভার্সিটির প্রেজেন্টেশন, বা হায়ার স্টাডির জন্য স্পোকেন ইংলিশে ভালো হওয়া মেন্ডেটরি। ইউটিউবেই ফ্রি তে অসাধারণ রিসোর্স আছে, শুধু কনসিসটেন্টলি প্র্যাকটিস করতে হবে। ✅ ৬. ফিজিক্যাল এক্টিভিটিস (Physical Activities): একটা কথা মনে রেখো—"Health is Wealth" এটা কোনো ডায়লগ না, এটা বাস্তবতা। শরীর যদি ভালো না থাকে, মস্তিষ্কও কাজ করবে না। খেলাধুলা করো—ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন—যেটা ভালো লাগে। সাঁতার শিখো, জিমে যাও, জগিং করো। নিজের ফিটনেসটা মেইনটেইন করো। 🏫 Step 5: মিশনারি কলেজে ভর্তি হতে চাও? তাহলে প্রস্তুতি এখনই নটরডেম, সেন্ট যোসেফ, হোলি ক্রস—সবচেয়ে ভালো কলেজগুলোতে যেতে চাইলে ভর্তি পরীক্ষার প্রিপারেশন এখনই নিতে হবে।

🎓 বড় হও, শুধু ক্লাস পাস করে নয়—নিজেকে গড়ার সাহস দিয়ে! তোমার ডিগ্রির নাম হতে পারে BBA, CSE, LAW বা ENG—কিন্তু ভবিষ্যতে তোমার পরিচয় হবে তুমি কে আর কী করতে পারো সেটা দিয়ে। 🎯 তোমাকে কেউ জিজ্ঞেস করবে না, তুমি কয়টা এমসিকিউ ঠিক করেছো। তারা জানতে চাইবে—তুমি সমস্যার সমাধান করতে পারো কি না, মানুষকে বোঝো কি না, সিদ্ধান্ত নিতে পারো কি না। তাই বলছি, শুধু পাস করলেই ভবিষ্যৎ তৈরি হয় না। ভবিষ্যৎ তৈরি হয়, যখন তুমি নিজেকে গড়তে শুরু করো—স্কিল, দৃষ্টিভঙ্গি আর আত্মবিশ্বাস দিয়ে। ✅ এখন থেকে যেটা করা দরকার: 🔹 রোজ অন্তত ২ ঘণ্টা নিজের উন্নয়নে দাও—পড়াশোনা, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, থিংকিং টাইম। 🔹 শেখো কীভাবে শেখা যায়—ইউটিউবে ভালো লেকচার দেখো, TED Talks শুনো, ভালো বই পড়ো। 🔹 নিজের একটা সাবজেক্টে এক্সপার্টিজ গড়ো—চাকরি খোঁজার আগে নিজেকে এমন একটা কাজের উপযুক্ত করে তোলো, যেখানে তোমাকেই খোঁজে। 🔹 ক্লাব-এক্টিভিটিতে যুক্ত হও। একটার সঙ্গে নিজেকে ভালোভাবে জড়াও। সেখানে শিখবে টিমওয়ার্ক, লিডারশিপ, কমিউনিকেশন—যেগুলো রেজাল্টের থেকেও বেশি কাজে লাগে। 🔹 সিনিয়রদের সাথে কানেকশন করো। অ্যালামনাইদের খুঁজে বের করো—যারা তোমার সাবজেক্টে এখন ক্যারিয়ারে সফল। তাদের অভিজ্ঞতা তোমার সময় বাঁচাবে। 🔹 নিজের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে একটা সামাজিক সমস্যা নিয়ে ভাবো। তোমার শিক্ষাই যদি সমাজের কাজে না আসে, তবে তুমি এখনো শেখনি। 📢 মনে রাখো: চার বছর পরে ডিগ্রি নয়, তোমার ভিতর তৈরি হওয়া মানুষটাই তোমার ভবিষ্যৎ গড়বে। তাই আজ থেকেই শুরু করো—শুধু ডিগ্রির জন্য নয়, নিজেকে গড়ার জন্য! পরবর্তী পোস্ট: ৫ জুনে আসছে—"তুমি কীভাবে 'স্মার্ট পড়ুয়া' হতে পারো?" কম সময়ে, কম কষ্টে—বেশি শেখার কৌশল! মিস কোরো না! এবার শুরু করো ঠিকভাবে। #StudySmart #UniversityLife #CareerMindset #LifeSkills #বাংলাদেশের_তরুণ #ProfessorArif

ইমাম ইবনে হাজার আসকালানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — ‘জ্ঞানী লোক নিজের স্ত্রী, বোন ইত্যাদি (মাহরাম) নারীর চেহারা পরপুরুষকে দেখানোর প্রতি নিজের জন্য কঠোর করে নেয়।’ [ফাতহুল বারী, ১২/২৪৫]

একটা Easy Rule Follow করলেই জীবনের অর্ধেক ঝামেলা কমে যায়, সেটা হচ্ছে "Always keep your private life private." দেখেন ভাই, দুনিয়ায় আসছেন যতদিন বেঁচে থাকবেন সুখ-দুঃখ , ঝামেলা-আনন্দ এসব থাকবেই। কিন্তু, যখন-ই আপনি আপনার ব্যক্তিগত জীবনের সব-কিছু হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষের কাছে প্রকাশ ও প্রচার করে বেড়াবেন তখন সেখানে একেকজনের একেকভাবে নজর লাগাটা একদকম-ই স্বাভাবিক! যদি ব্যক্তিগত জীবন পাবলিকলি প্রকাশ করাই লজিক্যাল হতো, তবে জ্ঞানী-গুনি রথী মহারথীগন তাদের ব্যক্তিগত জীবনের কাহিনী আড়ালে রাখতোনা!! সবকিছু গোপনীয় রাখার সুবিধা হচ্ছে, তকদিরে যদি আপনার মন্দ কিছু-ও থাকে, তবে সেটা গুটিকয়েকজন-ই জানবে। সেটার প্রভাব এই গুটিকয়েকজনের মাঝেই পড়বে এবং ভবিষ্যতে ওই ঘটে যাওয়া ঝামেলা নিয়ে দ্বিতীয়বার ঝামেলা হওয়ার সম্ভাবনা কম! যে-কেও এসে সেই ঝামেলা নিয়ে কথা শোনাবেনা আপনাকে! কিন্তু চিন্তা করেন, এই যে কয়েকদিন পর-পরই কাপল ভ্লগার বা ওমুক তমুকের সংসার ভাঙার পর ফেসবুকে সালিশ বসে, এতে লাখ লাখ মানুষ বিচারক হয়ে যায়! জীবনে যেসব মানুষ, আপনাকে নিয়ে একটা টু-শব্দও করার সাহস পেতোনা, সেও ফেসবুকে এসে সমালোচনা বা হাজারটা বাজে মন্তব্য করে বসে! আর কোনো ব্যক্তিত্ববান ব্যক্তি-ই চাইবেনা, তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তৃতীয় কোনো পাবলিক মন্তব্য করুক!! দুইটা পথ আপনার সামনে , হয় ব্যক্তিগত জীবন ব্যক্তিগত রাখুন! নতুবা মনিটাইজেশনের কিছু টাকা কামানোর জন্য কাপল ভ্লগ, ফ্যামিলি ভ্লগ আর নিজের লাইফটা পাবলিক করে, ফিউচার লাইফটা জাহান্নাম বানান! @Abdullah Al Imran

ফ্রি ডায়াগনোসিস রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা আপনার জ্বীন জাদু কেন্দ্রিক কোন সমস্যা আছে কিনা তা যাচাই করতে আমাদের ফ্রী ডায়াগনোসিস রুক্বইয়্যাহ সেশনে অংশগ্রহণ করতে পারেন আজ ২-৬-২৫ সোমবার রাত ৭ঃ৩০ মিনিটে আমাদের টেলিগ্রাম পাবলিক চ্যানেলে অডিও লাইভে অনুষ্ঠিত হবে ইনশাল্লাহ চ্যানেল লিংক https://t.me/QL7uhFdMel8wMjll Raqi Abdullah Al-Mamunফ্রি ডায়াগনোসিস রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা আপনার জ্বীন জাদু কেন্দ্রিক কোন সমস্যা আছে কিনা তা যাচাই করতে আমাদের ফ্রী ডায়াগনোসিস রুক্বইয়্যাহ সেশনে অংশগ্রহণ করতে পারেন আজ ২-৬-২৫ সোমবার রাত ৭ঃ৩০ মিনিটে আমাদের টেলিগ্রাম পাবলিক চ্যানেলে অডিও লাইভে অনুষ্ঠিত হবে ইনশাল্লাহ চ্যানেল লিংক https://t.me/QL7uhFdMel8wMjll Raqi Abdullah Al-Mamun

আপনি এখন যে পরিস্থিতি তে আছেন, ভাল হোক আর খারাপ;আল্লাহর শোকর আদায় করুন। . মনে রাখবেন যা হয়েছে তা আল্লাহর ইচ্ছায় হয়েছে, হয় তো আপনার ভুলের সাজা বা ঈমানের পরীক্ষা।আল্লাহ আপনাকে সবর দিবেন ও গুনাহ মুক্ত করবেন। . আপনার শুধু দরকার উনার উপর তাওয়াক্কুল করা আর সবর করা। . যা হচ্ছে আপনার জন্য উত্তম হচ্ছে। সামনে যা হবে আরো উত্তম হবে,কারণ আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী, শুধু সময়ের ব্যাপার‌। . লিখেছেন: যাইনাব আল-গাযী . #Hikmah

ফিলোসোফি পড়ে শেখা ৩টা শিক্ষা- ১/ নিজেকে জানো (Know Thyself) সক্রেটিস বলেছিলেন, জীবনের প্রকৃত উপলব্ধি শুরু হয় নিজেকে জানার মধ্য দিয়ে। আমি কে? আমি কী চাই? কী আমাকে নাড়া দেয়, আর কী ভেতর থেকে শক্তি দেয়, এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার মধ্যেই জীবনের সত্যিকার মানে লুকিয়ে আছে। ২/ কোনো কিছুই স্থায়ী নয় (Everything is Impermanent) সবকিছু বদলায়। সময়, অনুভূতি, মানুষ, সম্পর্ক, কোনো কিছুই একই রকম থাকে না। গ্রিক দার্শনিক হেরাক্লিটাস বলেছিলেন, “তুমি একই নদীতে দুইবার নামতে পারবে না। কারণ ততক্ষণে নদীর পানি বদলে গেছে, আর বদলে গেছো তুমিও।” সুখ, দুঃখ, যশ, ব্যর্থতা - সবই সাময়িক। আর এটাই জীবনের অনিশ্চয়তাকে সহজে গ্রহণ করতে শেখায়। ৩/ যা নিয়ন্ত্রণে নেই, সেটা নিয়ে ভেবো না। জীবনের অনেক কিছুই আমাদের হাতের বাইরে। যেমন: আবহাওয়া, অন্য মানুষের আচরণ, ভবিষ্যৎ, ভাগ্য। কিন্তু কিছু জিনিস আমাদের নিয়ন্ত্রণেই থাকে, আমাদের চিন্তা, মনোভাব, প্রতিক্রিয়া, সিদ্ধান্ত। স্টয়িক দার্শনিকরা বলেন: “যা তুমি বদলাতে পারো না, সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করো না। বরং যেটা তুমি বদলাতে পারো, সেটার জন্য দায়িত্ব নাও।”

কয়েকটি লক্ষণ দেখে বুঝতে পারবেন আপনার ওপর যাদু করা হয়েছে কি-না। এই সময়ে অনেক মানুষকে ব্ল্যাকম্যাজিক/কালো যাদু করা হচ্ছে। যদি কেউ সফল হয়ে যায় বা সুখে থাকে, তাহলে তার ওপর অনেকের বদনজর লাগে। কেউ কেউ আগ বাড়িয়ে তার সফলতা এবং সুখ শান্তি নষ্ট করার জন্য কালো যাদু করে। এটা যেমন শত্রুরা করে, তেমনি খুব কাছের আত্মীয়রাও করে। আপনার ওপর কালো যাদু করা হয়েছে কি-না সেটা কয়েকটি লক্ষণ দেখে বুঝতে পারবেন। 🔴 বারবার দুঃস্বপ্ন দেখা, স্বপ্নের মধ্যে সাপ, ভয়ংকর জন্তু দেখা। কিংবা বারবার স্বপ্নে দেখবেন আপনি উঁচু পাহাড়/ বিল্ডিং থেকে পড়ে যাচ্ছেন। 🔴 বারবার দুর্ঘটনা ঘটা। হাত থেকে বারবার কিছু পড়ে যায়। প্লেট-গ্লাস পড়ে ভেঙ্গে যাচ্ছে, প্রতিদিন হোঁচট খাচ্ছেন, ওয়াশরুমে গিয়ে পড়ে যাচ্ছেন ইত্যাদি। 🔴 স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। আগে সবকিছু মনে রাখতে পারতেন। হঠাৎ করে কেমন যেন সব ভুলে যাচ্ছেন। রান্না করলে লবণ দিতে ভুলে যাচ্ছেন নিয়মিত, বাইরে বের হলে চাবি-টাকা নিতে ভুলে যাচ্ছেন ইত্যাদি। 🔴 শারীরিক সম্পর্কে অনীহা তৈরি হয়েছে। আগে স্বামী-স্ত্রী শারীরিক সম্পর্ক উপভোগ করলেও এখন একেবারে মন চায় না। উল্টো এই প্রসঙ্গ আসলে রাগ উঠে। 🔴 অনিয়মিত ঘুম হয়। রাতে ঠিকমতো ঘুম হয় না। অথবা এতো বেশি ঘুম হয় যে, উঠতেই ইচ্ছে করে না। 🔴 দীর্ঘদিন ধরে মাথা ব্যাথা, পেট ব্যাথা, ঘাড় ব্যাথা হচ্ছে। ওষুধ খাওয়া সত্ত্বেও কাজ হচ্ছে না। 🔴 খাইতে মন চায় না। দুর্গন্ধ লাগে। অথবা এতো বেশি খাওয়ার রুচি তৈরি হয়েছে, আগে কখনো এমন খেতে পারতেন না। 🔴 আপনি হঠাৎ করে রেগে যাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে কোনো কারণ ছাড়াই আপনার এতো মন খারাপ থাকে, কান্না করতে ইচ্ছে করে। কখনো গালাগালি করতেন না, এখন কথায় কথায় গালি আসে, মেজাজ অধিকাংশ সময় খারাপ থাকে। 🔴 আযান শুনতে ইচ্ছে করে না কানের মধ্যে আঙ্গুল ঢুকিয়ে রাখেন। কুরআন তেলাওয়াত সহ্য করতে পারেন না। 🔴 অনিয়মিত মাসিক হচ্ছে। কখনো চল্লিশ, পঁয়তাল্লিশ দিন পরপর হচ্ছে, কখনো আবার পনেরো দিন পরপর হচ্ছে। 🔴 কারো প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা তৈরি হয়েছে বা কারো প্রতি অসম্ভব ঘৃণা। অথচ এগুলোর পেছনে কোনো কারণ নেই। 🔴 বারবার গর্ভপাত হচ্ছে। ডাক্তার দেখানোর পর দেখা যায় সব রিপোর্ট ঠিক আছে। কিন্তু, বেবী কনসেভ হচ্ছে না অথবা গর্ভের সন্তান মারা যায়। 🔴 সবসসময় মনে হয় দুর্গন্ধ পাচ্ছেন। বা হঠাৎ মনে হয় নাকে দুর্গন্ধ লাগছে, কিন্তু আশেপাশের সবাই বলছে তাদের এমনটা হচ্ছে না। 🔴 হঠাৎ করে আপনি অস্বাভাবিক কাজ করা শুরু করেছেন। আগে আপনি হিসেব করে চলতেন, এবার কোনো কারণ ছাড়াই আপনি বেহিসেবী হয়ে উঠলেন। আগে ভিক্ষুক চাইলে ১০ টাকা দিতেন না। এখন ৫০০ টাকা, ১০০০ টাকা দেয়া শুরু করছেন। আগে দামাদামি করতেন, হঠাৎ করে দেখা গেলো বিক্রেতা যা বলছে, কিছু না বলে সেই দামেই কিনে ফেলছেন। (অর্থাৎ খামখেয়ালি চলাফেরা শুরু করছে না) 🟩 এই লক্ষণগুলো এক বা একাধিক যদি আপনার সাথে মিলে যায়, তাহলে সেটা যাদুর প্রভাব হতে পারে। কোনো রোগের জন্য যেমন টেস্ট করাতে হয়, তেমনি এমনটা আপনার মধ্যে দেখা গেলে সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞ রাক্বীর পরামর্শ নিতে হবে। ⚠️ তবে, এটা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যে, এই লক্ষণ মিলে যাওয়া মানেই আপনাকে যাদু করা হয়নি। এগুলোর পেছনে স্বাভাবিক কারণও থাকতে পারে। ❌ জিন, যাদু, বদনজর এমন এক রোগ, যে রোগের চিকিৎসা ডাক্তাররা দিতে পারে না। এ ধরনের সমস্যা নিয়ে ডাক্তারদের কাছে গেলে , তারা রোগ খুঁজে না পেয়ে আক্রান্ত ব্যক্তিকে মানসিক সমস্যার রোগী মনে করে সেই অনুযায়ী ওষুধ দেয় এবং অনেক ঘুমের ওষুধ দিয়ে থাকে যা, ব্যক্তির জন্য পরবর্তীতে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ✅ আপনার যেন এমনটা না হয়, সেজন্য বেশ কিছু প্রতিরোধ ব্যবস্থা আছে, অনেক আমল আছে। সেগুলো নিয়মিত করলে আশা করা যায় আপনার ওপর জিন, যাদুর প্রভাব পড়বে না; আর পড়লেও সেটা আপনাকে খুব বেশি ক্ষতি করতে পারবে না, ইন শা আল্লাহ। 🟥 জিন, যাদু, বদনজরে যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে। বিশেষ করে আপনি যদি সফল, সুখী হন বা আপনার সম্ভাবনা থাকে। 🔴 অনেকের জীবনে বড় বড় ক্ষতি এসেছে এসবের ফলে। এগুলো থেকে রক্ষা পেতে হলে জিন, যাদু, বদনজরের বাস্তবতা সম্পর্কে জানতে হবে। 📍 ⚠️জরুরী বার্তা: মেসেনজারে বা হোয়াটসঅ্যাপে সুধু সালাম দিয়ে বসে থাকবেন না। নিজের সমস্যার মূল পয়েন্ট গুলো মেসেজে অথবা ভয়েজ করে বলবেন। প্রয়োজন ছাড়া অযথা কোন কথা/প্রশ্ন করবেন না। এতে আপনার সময় নষ্ট আমারও সময় নষ্ট হয়। ➡️ as-shifa Rukiya centre সচেতনতামূলক গুরুত্বপূর্ণ সব পোস্ট পেতে আমাদের পাশে থাকুন। এমন টেলিগ্রাম চ্যানেল https://t.me/QL7uhFdMel8wMjll আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ Follow the As-shifa Rukiya Centre channel on WhatsApp: https://whatsapp.com/channel/0029Vah8rHrI1rcgrKlJPn1n রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে ইনবক্স করুন Raqi Abdullah Al-Mamun 01969-242731