1 996
订阅者
无数据24 小时
+47 天
+330 天
帖子存档
1 996
কাউকে মানসিক কষ্ট দিচ্ছেন?
খুব যত্ন করে দিন, যাতে কেউ টের না পায়!
তবে নিজেকেও একটু তৈরী রাখবেন ভবিষ্যতের জন্য।
যে কষ্টগুলো আপনি দিচ্ছেন, দুনিয়াতেই তার পুরোটা না হলেও মিনিমাম এক তৃতীয়াংশ ভোগ করে যেতে হবে যে!
গোলাকার এই পৃথিবীতে আপনার দেওয়া কষ্টগুলো ঘুরেফিরে কিন্তু আপনার কাছেই ফেরত আসবে একদিন না একদিন। আপনি অনুশোচনা আর আত্মগ্লানিতে ভুগতে ভুগতে একটা সময় শেষ করে দেবেন নিজেকে, হয়তোবা আপনার সো কল্ড ইগোর জন্য ওই মানুষটার কাছে মাফও চাইতে পারবেন না!
সবারই মনে রাখা উচিত, মানুষের দীর্ঘশ্বাস খুব খারাপ জিনিস — সামনে এগোতে গেলে শিকলের মত পা জড়িয়ে টেনে ধরে। কেউ অভিশাপ না দিলেও "রুহের হায়" বলে একটা কথা আছে, ইংরেজিতে যাকে "Revenge of Nature" বলে। মানুষ ভুলে গেলেও প্রকৃতি কিছুই ভুলে না! সময়ের ব্যবধান মাত্র!!
কেউ নিজে দোষ করে উল্টা আপনাকে অপবাদ দিয়েছে, নিজের দুর্বলতা প্রকাশ পাওয়ার ভয়ে আপনার অর্জনকে ছোট দেখাল, আপনার শ্রম-সফলতার স্বীকৃতি দিল না, ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ন্যায্য হিস্যা থেকে আপনাকে বঞ্চিত করেছে, কথার বাণে আপনাকে করেছে ক্ষত-বিক্ষত! করুক না!! জরুরি না যে সবকিছুর উত্তর আপনাকে এখনই দিতে হবে! কিছু উত্তর সময়ের উপর ছেড়ে দেন না! দেখেনই না কি হয়?
সবসময় আমরা বুঝে উঠতে পারি না, ঠিক কোন অপরাধের শাস্তি আমরা পাচ্ছি৷ কাউকে কষ্ট দিয়ে, অপমান করে, কাঁদিয়ে, কথা দিয়ে বেমালুম ভুলে যাই আমরা, কিন্তু প্রকৃতি ভোলে না, প্রকৃতি ক্ষমা করে না!
এই মুহূর্তে আপনি যার সাথে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যায় করে নিজেকে জয়ী ভেবে বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন, মনের আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সে হয়তো প্রতিবাদ করবে না, কিন্তু তার নীরবতা, কষ্ট থেকে আসা দীর্ঘশ্বাস আপনার সাথে বোঝাপড়াটা সঠিক সময়ে করে নিবে। কারণ মহান সৃষ্টিকর্তা কাউকে ঠকান না। তিনি কারোর একার না। তিনি সবার।
সংগৃহীত
1 996
ইবন হজর আল-হায়তমি ( رحمه الله ) বলেছেন:
*“একজন নারী যদি ঘর থেকে সাজসজ্জা ও সুগন্ধি মেখে বের হয়, তাহলে তা কবিরা গুনাহ (মহাপাপ) — এমনকি যদি সে তা স্বামীর অনুমতি নিয়েও করে।”*
● [الزواجر لابن حجر الهيثمي ٣٧/٢]
1 996
সম্প্রতি আমি Starlink Standard কিট ও Standard Wall Mount কিনেছি। অনেকে জানতে চেয়েছেন—Starlink আসলে কী, কেমন কাজ করে, দাম কেমন, সেটআপ কেমন, গ্রামে বা শহরে ঠিকভাবে চলবে কিনা—এসব। আমি নিজে ব্যবহার করে যা জানলাম, সাথে আপনাদের প্রশ্নের উত্তরগুলো দিচ্ছি। টেকি বা নন-টেকি, বড়-ছোট—সবাই যাতে বুঝতে পারেন, তাই সহজ ভাষায় লিখলাম।।
#Starlink কী?
Starlink হলো স্পেসএক্স (Elon Musk-এর কোম্পানি) এর বানানো স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সার্ভিস। সাধারণ ইন্টারনেট যেটা আমরা বাসায় ব্যবহার করি, সেটা আসে তার বা ফাইবার দিয়ে—রাস্তা, দেয়াল, অনেক জায়গা দিয়ে তার নিয়ে আসা লাগে। কিন্তু Starlink-এ কোনো তারের দরকার নেই।
আপনি টিভি ডিস-এর মতো একটা অ্যান্টেনা বাড়ির ছাদ, বারান্দা বা যেখানে খোলা আকাশ আছে সেখানে বসান, তারপর সেটার থেকে সরাসরি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পান! মানে—জঙ্গল, গ্রাম, নদীর মাঝখান, পাহাড়, বা যেখানে কোনোভাবেই তার নিয়ে যাওয়া সম্ভব না, সেখানেও সহজেই ইন্টারনেট!
# বাস্তব উদাহরণ:
যেমন ধরুন, গ্রামের বাড়ি বা রিসোর্টে গেছেন—ওখানে সাধারণত ভালো ইন্টারনেট পাওয়া যায় না। Starlink থাকলে টিভি ডিস-এর মতো অ্যান্টেনা বসান, সাথে সাথে পুরো বাসা-বারান্দায় ইন্টারনেট!
সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর:
১. স্পিড টেস্টের ভিডিও দেবেন?
→ আমার প্রোফাইলে Speedtest-এর ভিডিও আপলোড করেছি, চাইলে দেখে নিতে পারেন।
২. কতদিনে হাতে পেলেন?
→ ২০ মে অর্ডার করেছি, ৩০ মে হাতে পেয়েছি—মানে মোট ১০ দিন লেগেছে।
৩. কোন কুরিয়ারে পাঠায়?
→ আন্তর্জাতিকভাবে DHL, আর বাংলাদেশে এসে Sundarban Courier দিয়ে পৌঁছে দেয়।
৪. দাম ও মাসিক খরচ কত?
→ মোট খরচ: ৫৫,৭০০ টাকা [কিট ৪৭,০০০, শিপিং ২,৮০০, মাউন্ট ৫,৯০০]
→ আমি ৬,০০০ টাকার মাসিক প্যাকেজ নিয়েছি, চাইলে ৪,০০০ টাকারও প্যাকেজ আছে।
৫. বাসায় ৫ ফ্লোরে নেট চাই—কীভাবে হবে?
→ Starlink-এর রেসিডেন্সিয়াল প্যাকেজে চাইলে বিজনেস একাউন্টও নিতে পারেন। বড় বাসা হলে একাধিক রাউটার/এক্সটেন্ডার লাগাতে হবে, যেমন আমরা বাসার WiFi এক্সটেন্ডার দেই, তেমনি।
৬. প্রি-বুকিং ছিলো?
→ হ্যাঁ, প্রি-বুকিং দিয়ে এনেছি।
৭. কিনবো কিভাবে?
→ সরাসরি https://www.starlink.com/ থেকে অর্ডার করতে পারবেন।
৮. পেমেন্ট ডলারে নাকি টাকায়?
→ বাংলাদেশি টাকায় (BDT) পেমেন্ট করা যায়।
৯. Starlink-এর অফিস কোথায়?
→ ১৯তম ফ্লোর, UTC Building, ৮, পাঁথপাথ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা ১২১৫
১০. Latency (পিং) কত পাচ্ছেন?
→ গড়ে ৮০ms (মিলিসেকেন্ড) পাচ্ছি।
১১. রাউটার রেঞ্জ ও কানেক্ট করতে পারা ডিভাইস কত?
→ ৩,২০০ স্কয়ার ফিট কভারেজ, ২৩৫টি ডিভাইস একসাথে কানেক্ট করা যায়!
১২. NOC লাগে?
→ না, কোনো NOC বা অনুমতিপত্র লাগে না।
১৩. কাস্টমস ক্লিয়ার হতে কত দিন লেগেছে?
→ আমারটা ২৪ মে সকাল ৯টায় বাংলাদেশে এসেছে, ২৯ মে বিকাল ৫:৫০-এ কাস্টমস রিলিজ হয়েছে—মানে ৫ দিন মতো লেগেছে।
১৪. Starlink কি গেমিং/শহরের জন্য ভালো?
→ Starlink গেমিং, বা শহরে যেখানে ভালো ব্রডব্যান্ড (ক্যাবল) আছে, সেখানে ততটা ভালো না। কারণ, স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের পিং ক্যাবল ইন্টারনেটের চেয়ে কিছুটা বেশি।
তবে, গ্রামের বাড়ি, ফার্ম, রিসোর্ট, পাহাড়, নদীর চর—যেখানে ভালো ব্রডব্যান্ড নেই, সেখানে Starlink এক কথায় চমৎকার সমাধান!
১৫. বারান্দায় (balcony) কি Starlink সেটআপ করা যাবে?
→ হ্যাঁ, বারান্দায়ও Starlink-এর অ্যান্টেনা বসানো যায়। তবে যেখানেই দেন, খেয়াল রাখবেন যেন ওপরে খোলা আকাশ থাকে এবং পাশে বড় বিল্ডিং/গাছ না থাকে।
বাস্তব উদাহরণ:
ঠিক যেমন টিভির ডিস-এ সামনের দিকে দেয়াল/গাছ থাকলে চ্যানেল আসে না, Starlink-এর অ্যান্টেনা সামনে খোলা আকাশ পেলেই ভালো কাজ করবে।
বাস্তব অভিজ্ঞতা:
আমার বাসায় যখন বড়রা জিজ্ঞেস করলেন, “Starlink কী?”—আমি বলেছি, “এইটা টিভির ডিস-এর মতো, তবে টিভি না, ইন্টারনেট আসে!”
বাচ্চারা, পড়াশোনা, ইউটিউব, কল—সবই ভালো চলছে এখন।
সংক্ষেপে:
যাদের শহরে আগে থেকেই ভালো ইন্টারনেট আছে, তাদের জন্য এটা এক্সট্রা লাগবে না।
কিন্তু যেখানেই ব্রডব্যান্ড নেই, গ্রামের বাড়ি, ফার্ম, দূর-দূরান্ত—সেখানকার জন্য Starlink দারুণ কাজের এবং একমাত্র সমাধান।
কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান—নিজের অভিজ্ঞতা থেকে যতটুকু পারি, সবাইকে সাহায্য করার চেষ্টা করবো!
সবাই সুস্থ থাকুন, প্রযুক্তির সাথে এগিয়ে চলুন 🚀🌍
1 996
নিউজফিডে মাঝেমধ্যে দেখবা ডিগ্রি স্ক্যাম, আসল স্কিল। স্কিল হলেই কেল্লা ফতে!
এটা নিয়ে আবার দুই পক্ষ দাঁড়িয়ে যাবে।
আমার কাছে কথাটা অর্ধেক ঠিক, অর্ধেক ট্র্যাপ।
আমরা সাক্সেস মাপি অনেক্ষেত্রে ট্যাকা দিয়ে।
জিরো যত বেশি, হিরোও তত বড়!
মহাবিশ্বের কিছু সেরা নায়ককে যদি জিপিএস-এ ট্র্যাক করি, তাদের ব্যাঙ্ক-ব্যালেন্স নয়, ব্রেইন-ইমপ্যাক্টই আসল ক্যালকুলেশন।
চোখের দরজাটা খুলেই দেখ জামাল নজরুল ইসলাম, চিটাগাংয়ের ছেলেটা, কসমোলজির আঙিনায় হেঁটে বের করেছে “Ultimate Fate of the Universe” টাইপ জিনিস।
লোকটার শেয়ার বাজারে শেয়ার নেই, অথচ নলেজ বাজারে তাঁর নামের পাশে “Professor Emeritus” সীলমোহর।
আরেকটু আগেগেলে অ্যালেক্সান্ডার ফ্লেমিং ও তাঁর সেই দুর্গন্ধ-ছত্রাকের গল্প—পেনিসিলিন।
টাকা বানিয়েছেন?
না-ই বা করলেন। কিন্তু ওষুধটা আবিষ্কারের পর থেকে অন্তত ৫০০ কোটি জীবন রক্ষা পেয়েছে ।
বলা হয় তার বানানো অ্যান্টিবায়োটিক মানুষের গড় আয়ু ২৩ বছর বাড়িয়ে দিয়েছে ।
এখন প্রশ্ন, কয়েক হাজার শাহরুখের সম্মিলিত টাকা পয়সা ইম্প্যাক্ট মিলিয়ে কি একটা পেনিসিলিনের ইমপ্যাক্ট ফালাতে পারবে?
এই তালিকায় কাকে নিবা?
আমার উত্তরে “পেনিসিলিন”।
কারণ প্রতিদিন ইনফেকশন থেকে যে কোটি প্রাণ বাঁচে, সেটার জন্য প্রতিদিন ফ্লেমিং এর ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়তেসেনা ঠিকই, তবু ইতিহাসের সেরা ROI টা ফ্লেমিং এর ঝুলিতেই জমা।
পড়াশোনা দরকার, রিসার্চ দরকার।
যারা বলে “পড়াশোনা স্ক্যাম”, মনে রাখতে হবে, ক্লাসরুমের চকধুলা আসলে সিক্রেট সস।
টাকার দৌড় সহজে ফুরায়। কিন্তু জ্ঞান যদি সভ্যতার ডিএনএ-তে ছাপ রাখে, তার রিটার্ন হারিয়ে যায় না।
Money সবসময় Meaning হয়নারে ভাই।
Knowledge থেকে Innovation হয়, সেটা Social Impact নিয়ে আসে।
সাক্সেস মাপার মিটারটা যদি কেবল স্যালারি-রেভিনিউতে আটকে রাখি, তবে ফ্লেমিং-এর নামই হয়তো শুনতাম না।
জামাল নজরুলের একাডেমিক রেকর্ডগুলো তাকের মধ্যে ধুলোই মাখা থাকত।
তাই বলি ভাই/আপু—স্টাডি হার্ড, লার্ন ডিপ, স্কিল বিল্ড, আর ইনোভেট করতে থাকো।
টাকা আসবে কিংবা আসবেনা কিন্তু ইমপ্যাক্ট থাকবে।
পড়াশোনা স্ক্যাম নয়। যুগোপযোগী পড়াশোনা দরকার।
পড়াশোনা ইনোভেশন আনবে। ইনোভেশন আর স্কিল দিয়ে আগামীর দুনিয়ায় ইম্প্যাক্ট রেখে যাও।
এমন পড়াশোনা না যেটার সার্টিফিকেট দিয়ে মুড়ির ঠোঙ্গা বানায়ে মুড়ি খাইতে হয়।
1 996
“নারী হলো পর্দায় থাকার বস্তু। যখন সে পর্দা উপেক্ষা বের হয়, তখন শয়*তান তাকে অন্য পুরুষের চোখে শোভনীয়া ও লোভনীয়া করে তোলে”
-তিরমিযী, হাদিস: ১১৭৩; মিশকাত, হাদিস: ৩১০৯
1 996
পাঁচটি জিনিস আসার পূর্বে পাঁচটি জিনিস থেকে উপকৃত হয়ে নাও।
১) বার্ধক্যের আগে তারুণ্য।
২) অসুস্থতার আগে সুস্থতা।
৩) দারিদ্র্যের আগে সচ্ছলতা।
৪) ব্যস্ততার আগে অবসর এবং
৫) মৃ*ত্যুর আগে জীবন।
[শু'আবুল ঈমান : ৯৫৭৫; সহীহ আল জামে : ১০৭৭]
1 996
ছবিটিতে লাল বৃত্তের মধ্যে থাকা ব্যক্তিটির গল্প আমরা অনেকেই জানি কিন্তু তাকে খুব কম মানুষই চিনি। ইনি ছিলেন তার সময়ের সেরা একজন ইঞ্জিনিয়ার, তার জনপ্রিয়তা ছবিটির দিকে তাকালেই হয়ত বুঝে যাবেন।
তার একটি সত্য গল্প খুব প্রচলিত ছিল, যিনি একটি স্ক্রু ঘোরানোর জন্য ১ ডলার আর কোন স্ক্রু ঘোরাতে হবে সেটা জানার জন্য ৯,৯৯৯ ডলার দাবি করেছিলেন।
হ্যাঁ, এই প্রকৌশলী আসলেই ছিলেন। তার নাম ছিল চার্লস প্রোটিয়াস স্টেইনমেটজ (১৮৬৫–১৯২৩)।
একবার তার সঙ্গে পরিচিত হন খ্যাতিমান উদ্যোক্তা হেনরি ফোর্ড। যাকে বিখ্যাত ফোর্ড গাড়ির নির্মাতা হিসেবে জানি।
তো ফোর্ডের রিভার রুজ প্ল্যান্টে একটি বিশাল জেনারেটরে জটিল এক প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। সেখানে কর্মরত প্রকৌশলীরা কোনোভাবেই সমস্যার উৎস খুঁজে পাচ্ছিলেন না।
শেষমেশ হেনরি ফোর্ড নিজেই স্টেইনমেটজকে ডাকেন।
যথারীতি স্টেইনমেটজ কারখানায় এসে কারো সাহায্য না নিয়ে শুধু একটি খাতা, কলম আর একটি খাট চাইলেন।
মনে হতে পারে না, এত কিছু থাকতে খাট কেন, কেননা তিনি জন্ম থেকেই kyphosis- নামক রোগে এ আক্রান্ত ছিলেন, যার ফলে পিঠে একটি কুঁজ তৈরি হয়। যে কারণে তিনি ছিলেন কুঁজো এবং তার উচ্চতাও ছিল মাত্র প্রায় ৪ ফুট। এছাড়াও তার কাঁধ ও শরীরের গঠন ছিল অস্বাভাবিক, যা চলাফেরা ও কাজকর্মে সমস্যা সৃষ্টি করত।
যাইহোক তিনি টানা দু’দিন ও দু’রাত সেই বিশাল জেনারেটরের শব্দ শুনে কাটালেন, আর করলেন অসংখ্য জটিল হিসাব।
হঠাৎ করে তিনি একটি মই, একটি টেপ মাপার ফিতা আর একটা ব্ল্যাকবোর্ডের চক আনতে বললেন।
তার শরীরের প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি মই বেয়ে জেনারেটরের উপর পর্যন্ত উঠলেন।
তারপর ফিতা দিয়ে মেপে জেনারেটরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে চক দিয়ে একটি দাগ দিলেন।
নিচে নেমে এসে আশপাশের অবাক প্রকৌশলীদের বললেন, এই নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সাইড প্লেট খুলে কুন্ডলি খুলতে হবে, এবং ঠিক ১৬টি তার খুলে ফেলতে হবে।
প্রকৌশলীরা তার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করলেন।
দেখা গেল, জেনারেটর আবার পুরোপুরি সচল হয়ে গেছে।
এরপর স্টেইনমেটজ, জেনারেল ইলেকট্রিকের পক্ষ থেকে হেনরি ফোর্ডের কাছে ১০,০০০ ডলারের একটি বিল পাঠান।
ফোর্ড কাজের প্রশংসা করলেও, এমন বড় অঙ্কের একটি বিল দেখে তিনি বিস্তারিত খরচ breakdown চেয়ে ফেরত পাঠান।
স্টেইনমেটজ তখন বিলটি এভাবে সংশোধন করে পাঠান—
জেনারেটরে চক দিয়ে দাগ টানা: ১ ডলার
কোথায় দাগ দিতে হবে তা জানা: ৯,৯৯৯ ডলার
মোট: ১০,০০০ ডলার
এইবার আর কোনো কথা না বলে ফোর্ড পুরো বিলটাই পরিশোধ করেন।
তো চার্লস স্টেইনমেটজ ও হেনরি ফোর্ডের ঘটোনাটি আমাদের চোখের সামনে একটি গভীর শিক্ষনীয় বার্তা তুলে ধরে।
জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার প্রকৃত মূল্য বোঝা এবং যথাযথ সম্মান করা উচিত।
দেখুন স্টেইনমেটজ এক নজরে খুব ছোট একটা কাজ করেছিলেন, চক দিয়ে একটা দাগ টেনেছিলেন। কিন্তু এই ছোট কাজের পেছনে ছিল বছরের পর বছর অর্জিত অভিজ্ঞতা, গভীর জ্ঞান ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা।
এই গল্প আমাদের শেখায় যে, কেবল চোখে দেখা শ্রম নয়, বরং সমস্যার মূল ধরতে পারার ক্ষমতা, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতাই অনেক সময় সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হয়ে দাঁড়ায়।
তাই কোনো পেশাজীবীর কাজ যখন সহজ মনে হয়, তখন তার পেছনের কঠোর পরিশ্রম ও দক্ষতা কদর করা উচিত।
**এই গল্পটি ১৯৬৫ সালের ১৪ মে "লাইফ" ম্যাগাজিনে ছাপা একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল। চিঠিটি লিখেছিলেন জ্যাক বি. স্কট। তার বাবা বার্ট স্কট ছিলেন হেনরি ফোর্ডের বহু বছরের কর্মী।
সংগৃহীত
© সৈয়দ ভুঁইয়া
1 996
সব কষ্টের জন্য ওষুধ লাগে না !!
পয়গম্বর মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“তোমাদের প্রত্যেকেই রক্ষণাবেক্ষণকারী (বা দায়িত্বশীল) এবং তোমাদের প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ”
(সহীহ বুখারী ও মুসলিম)
আমার চিকিৎসা জীবনের গভীর উপলব্ধি:
এই বহু বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতার পর আমি এমন একটি সত্য উপলব্ধি করেছি, যা কোনো চিকিৎসার বই কখনও আমাকে শেখায়নি:
প্রতিটি ব্যথা দেখা যায় না।
প্রতিটি কষ্ট স্ক্যান বা রিপোর্টে ধরা পড়ে না।
প্রতিটি অসুখের নাম নেই; তবুও আত্মা তা অনুভব করে।
আমি এমন অনেক মানুষকে দেখেছি যাদের রিপোর্ট ‘নরমাল’ এসেছে,
তবুও তারা ঘুমাতে পারে না।
তাদের বুক ধড়ফড় করে ।
তারা ভুলেই গেছে শান্তির অনুভূতি।
চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক — ‘যত্ন ’:
তারা শুধু ওষুধ খুঁজছিল না;
তারা খুঁজছিল এমন একজনকে,
যিনি তাড়াহুড়ো না করে শুনবেন,
হৃদয় থেকে অনুভব করবেন ,
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ -‘সহানুভূতি ’ দেখাবেন ।
একজন সত্যিকারের চিকিৎসকের অর্থ:
তখনই আমি এই হাদীসের আসল তাৎপর্য বুঝতে পারলাম।
পয়গম্বর মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেননি নেতারা হল শাসক।
তিনি বলেছেন তারা হল রক্ষণাবেক্ষণকারী । কারণ একজন সত্যিকারের নেতা, একজন প্রকৃত চিকিৎসক আধিপত্য দেখান না।
তিনি পথ দেখান, রক্ষা করেন, ও ‘যত্ন’ করেন তার পালিতদের।
প্রত্যেক আত্মার জন্য যত্নবান হওয়া:
প্রত্যেক আত্মার প্রতি আমি দায়বদ্ধ —
যারা বিশ্বাস নিয়ে আমার চেম্বারে আসে,
একটি পূর্ণাঙ্গ সুস্থতার আশায়।
আপনি একা নন:
যদি আপনি এই লেখাটি পড়ে মনে করেন কেউ আপনাকে বোঝেনি,
যদি রিপোর্ট বলে আপনি ভালো আছেন — অথচ আপনার মন বলে আপনি ভালো নেই ,
জেনে রাখুন-
আপনি একা নন।
আপনি দুর্বল নন।
আপনি কিছু কল্পনা করছেন না।
আপনার শুধু চিকিৎসা নয়,
আপনার প্রয়োজন এমন একজন,
যিনি আপনাকে পূর্ণভাবে, মমতাভরে এবং আন্তরিকভাবে দেখবেন।
আমার দোয়া:
আমি প্রতিদিন আল্লাহর কাছে দোয়া করি:
হে আল্লাহ, আমাকে এমন একজন চিকিৎসক বানান,
যার স্পর্শ শুধু শরীর নয় — বিধ্বস্ত আত্মাকেও আল্লাহর মদতে আরোগ্যলাভে সাহায্য করতে পারে।
আমাকে রাখাল (রক্ষণাবেক্ষণকারী) বানান — ভেড়ার নয় — বরং এমন হৃদয়গুলোর,
যারা শান্তির জন্য হাহাকার করে।
- ডা. কে. এম. সইফুল্লাহ
একজন ভাই। একজন চিকিৎসক। একজন আমানতদার ব্যক্তি।
1 996
জাপানীজদের কিছু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার আছে।
এই যেমন, ওরা সরাসরি কিছু বলেনা।
একটু ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলা ওদের স্বভাব।
এমনকি প্রফেসররা স্টুডেন্টদের কিছু বিষয় পছন্দ না হলে এভাবে বলেন, "তোমার জায়গায় আমি হলে হয়তো এটা এভাবে করতাম না। ওভাবে করতাম"
তবে এসবের উদ্দেশ্যটা খুব ভালো, কেউ যেন কারো কথায় কোনভাবে #কষ্ট না পায়।
আর আমরা? সবকিছু ডাইরেক্ট, সরাসরি বলতে অভ্যস্ত। কেউ কষ্ট পেলে সেটা তার বিষয়, তার সমস্যা 😥
যাহোক, শুনেছি জাপানে কোন ছেলে কোন মেয়েকে বিয়ের জন্য প্রপোজ করলে কখনো সরাসরি বলেনা, "তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?"
বরং ছেলেরা নাকি মেয়েদেরকে বলে, "তুমি কি আমার জন্য সারা জীবন রান্না করবে?"
তবে বাংলাদেশে কোন ছেলে এভাবে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তার কপালে দুঃখ আছে, শতভাগ নিশ্চিত :)
ওরা এমনকি কাউকে সহজে #ফোন ও করেনা। খুব জরুরী হলে মেসেজ দেয়। আর একান্তই না পারলে তখন ফোন করে।
আর ফোন করলেও প্রথমে একবার ক্ষমা চেয়ে নেয়। ফোন শেষ করার সময় আবারও ক্ষমা চেয়ে নেয়।
দেখা গেলো, মূল কথা ত্রিশ সেকেন্ডের আর ক্ষমা চাইলো দুই মিনিট!
অসম্ভব ভদ্র, ওরা আসলে মাত্রাতিরিক্ত ভদ্র। আমি মাঝে মাঝে বলতাম, ওরা আসলে বিরক্তিকর ভদ্র!
আর আমরা? সরাসরি কল দিয়ে বসি। দেখা গেলো, মূল কথা ত্রিশ সেকেন্ডের আর বাকী বিশ মিনিট আজাইরা আলাপ!
অপর প্রান্তের মানুষটি বিজি থাকতে পারে, হয়তো টায়ার্ড থাকতে পারে -- এসব ভাবার সময় কোথায়? এখানে #প্রাইভেসি এখনো বিলাসিতা!
তাছাড়া জাপানীরা বাসে, ট্রেনে পাশের সীটে বসা কারো সাথে #খাজুরী আলাপ করেনা। বই পড়ে কিংবা নিজের স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে।
আর আমরা? বাসে / ট্রেনে উঠেই পাশের জনের বাড়ী কোথায় থেকে শুরু করে বাচ্চা কয়টা সেই খবর নিবে। বিয়ে না করলে তাড়াতাড়ি বিয়ে করার উপদেশ দিবে। বিয়ে করলে তাড়াতাড়ি বাচ্চা নিতে উপদেশ দিবে।
আরেক জনের #পার্সোনাল লাইফ নিয়ে আমাদের এত আগ্রহ, অবিশ্বাস্য!
আর নিজেকে জাহির করতে বিজি হয়ে পড়ে। নিজের কোন আত্মীয় ভালো পজিশনে থাকলে কিংবা নিজে ভালো কোন জায়গা থেকে পড়াশুনা করে আসলে সেটা দুই মিনিটের মধ্যেই অপ্রাসঙ্গিক হলেও বলে বসবে!
আর কারো বিষয়ে হুট করে সস্তা - আপত্তিকর মন্তব্য করা, জাজমেন্ট করা, #গসিপ করা, এমনকি কিছুই না জেনে কারো চরিত্র নিয়ে টানাটানি করতে ও আমাদের জুড়ি নেই।
জাপানিদের আরেকটি অভ্যাস ইন্টারেস্টিং, জাপানীরা লিফটে কেউ কারো চেহারার দিকে তাকায়না। সবাই দরজার দিকে কিংবা নীচের দিকে তাকিয়ে থাকে।
আর আমরা? লিফটে ঢুকেই সবার চেহারা একবার একনজর দেখে নিই, নামার সময় আবার সবার চেহারা রিভাইজ করে বের হই!
#পুনশ্চ
ওদের সব ভালো, আমাদের সব খারাপ বিষয়টি এমন নয়।
এবসলিউট কিছু নেই। সবই আপেক্ষিক।
যাহোক, হ্যাপী উইক এন্ড!
1 996
সন্তান পালিত হোক আর নিজের গর্ভের হোক তাঁকে দ্বীনী শিক্ষা দিতে হবে, যা অভিভাবক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব ছিল। জেনারেল শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা না দেয়ায় অতি আদরে দুধ কলা দিয়ে কাল সাপ তৈরি হয়েছে আর কিছু নয়। আগামী প্রজন্ম কে রক্ষার জন্য কুরআন ও হাদীসের শিক্ষার উপর জোর দেয়া জরুরী। মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়েত দান করুন।
1 996
কিছু নিঃসঙ্গ শেরপার মৃত্যু এবং আমার ভাবনা।
গত কয়েক মাসে আমি বেশ কয়েকজন পরিচিতের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। সবার তিনটি জায়গায় মিল...
১. এরা সবাই বয়সে আমার ছোটো কিংবা পিঠাপিঠি, চল্লিশ থেকে পঞ্চান্ন বছর বয়স।
২. সবাই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন।
৩. সবাই হার্ট অ্যাটাকেবঅকস্মাৎ মারা গেছেন, কিন্তু এরা কেউ হৃদরোগী ছিলেন না।
প্রতিটি মৃত্যুই আমার বুকে তিরের মতো বিঁধেছে। আমি অনেক চিন্তা করেছি, সুস্থ, সবল মানুষ, যারা নিয়মিত ব্যায়াম করতেন, হাঁটতেন এমন কী শখ করে কেউ কেউ ফুটবল খেলতেন, এরা হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে মারা যাবেন কেন? এদের সবার মধ্যে আমি যে 'কমন' ব্যাপারটি পেয়েছি, তাহলো, বিভিন্ন কারণে এরা সবাই অপ্রত্যাশিত আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন। তাঁরা সবাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মোটামুটি ভালো চাকুরি করতেন। কেউ ব্যবসা করতেন। বেশ স্বচ্ছল ছিলেন। ভালো ফ্ল্যাট নিয়ে থাকতেন, বাচ্চারা ভালো স্কুলে পড়তো। কিন্তু বিশেষ করে করোনা পরবর্তী সময়ে আর্থিক মন্দার কারণে কেউ চাকুরি হারিয়েছিলেন, কেউ কম বেতনে নতুন চাকুরিতে যোগ
দিয়েছিলেন বা কেউ সম্পুর্ণ বেকার হয়ে গিয়েছিলেন। যারা ব্যবসা করতেন তাঁদের ব্যবসায় ধ্বস নেমেছিল। মোদ্দা কথা, এরা সবাই আকস্মিক আর্থিক পতনে ভীষণ বিপদে পড়ে গিয়েছিলেন। এদের আয় কমে গিয়েছিল, কিন্তু খরচ কমেনি। তাই সবাই ছিলেন দিশেহারা। কেউ কেউ চিন্তা করবে বলে পরিবারকে এ বিপর্যয়ের কথা বলেননি। পুরো চাপ একা নিয়েছেন। খাবার টেবিলে হেসেছেন, সে হাসির পেছনে যে রক্তবর্ণ বেদনা লুকিয়ে আছে তা কাউকে বুঝতে দেননি। শেষ পর্যন্ত তাঁরা এ চাপ সইতে পারেননি। ফলাফল- হার্ট অ্য্যাটাকে মৃত্যু।
এ মৃত্যুগুলো যে কী ভয়াবহ কষ্টের তা বলার দরকার নেই। তাই আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে কিছু পরামর্শ দিতে চাই, হয়ত কাজে লাগতে পারে।
১. দয়া করে পরিবারের সাথে সমস্যা শেয়ার করুন। তাঁরা আজ বা কাল ব্যাপারটা জানবেনই। তাই গোপন না করে তাঁদের নিয়েই পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন।
২. প্রয়োজনে নাটকীয়ভাবে জীবনযাত্রার খরচ নামিয়ে আনুন। মিডল ক্লাসের প্রচলিত 'ইগো'র কারণে আমরা অযথা অনেক খরচ বাড়িয়েছি। সেগুলো চাইলে বাদ দেয়া যায়। কম দামের বাড়িতে শিফট করুন। গাড়ি বিক্রি করে দিন। অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিন। কে কী বললো সেদিকে পাত্তা দিবেন না, এখন টিকে থাকাটাই মুখ্য।
৩. বাচ্চাদের স্কুল খরচ খুব বেশি হলে তাও বদলে ফেলুন। স্কুলের পরিচয়ে ছাত্রছাত্রীদের আখেরে কোনো লাভ হয় না। কাজ হয় তার রেজাল্টে। সেটা যেকোনো ধরনের স্কুল থেকেই করা যায়। তুলনামূলক কম খরচের স্কুলে বাচ্চাদের শিফট করে নিজে তাদের পড়াশোনা তদারক করুন।
৪. সময়টা খুব খারাপ। তাই কোনো সমস্যা না থাকলেও মাঝে মাঝে ইসিজি করিয়ে ডাক্তারের সাথে আলাপ করুন।
৫. সমস্যা নিয়ে ভাইবোনের সাথে আলাপ করুন। পরিবারের যে ভাই বা বোন বিপদে পড়েছেন, তাঁকে অন্যরা আগলে রাখুন। টাকা গেলে টাকা আসবে। ভাইবোন গেলে আর ফিরে পাওয়া যাবে না। এই কঠিন সময়ে সবাই এক ছাতার নিচে আশ্রয় নিন। একজনের উষ্ণতা দিয়ে আরেকজনকে রক্ষা করুন।
৬. এ দুঃসময়ে পরিবারের সদস্যরা যুথবদ্ধ থাকুন। পরিবারের সবার সম্মিলিত আয় যদি সবার কাজে লাগানো যায় তাহলে সবাই উপকৃত হবেন। স্থায়ী বেদনাকে আমন্ত্রণ জানানোর চেয়ে এটা অনেক ভালো। মনে রাখবেন, যে মেষ শাবক পালছুট হয়, সে-ই বাঘের কবলে পড়ে। আমি মনে করি, পরিবারের সমস্যাগ্রস্ত সদস্যকে রক্ষা করার জন্য যুথবদ্ধ পরিবারের যুথবদ্ধ আর্থিক পরিকল্পনা অনেক বড় ওষুধ হিসেবে কাজ করবে।
৭. দয়া করে সমস্যার কথা বন্ধুদের বলুন। আর যেসব বন্ধুরা ভালো আছেন, তাঁরা বিপদগ্রস্ত বন্ধুকে আগলে রাখুন। প্রয়োজনে তাঁর জন্য 'বেইল আউট' প্ল্যান করুন। সবাই হাত লাগালে বিপন্ন বন্ধুটিকে আবার দাঁড় করিয়ে দেওয়া মোটেও অসম্ভব নয়।
৮. মধ্যবিত্তের যে ইগোর কথা বলছিলাম তা বাদ দিয়ে আয়ের বিকল্প উৎস বের করুন। যেমন, ছাত্রজীবনে যিনি টিউশনি করতেন, তিনি প্রয়োজনে তাতে ফিরে যান। যাদের বাড়িতে জায়গা আছে, তাঁরা কৃষি থেকে আয়ের ব্যবস্থা করুন। পুকুর থাকলে মাছ চাষ করুন, হাঁস-মুরগি পালন করুন। বাড়ির মহিলারা সেলাই কাজ, হোম মেইড ফুড এধরণের ছোটো ছোটো উদ্যোগ নিন।অনলাইন/অফলাইনে বিক্রি করুন। সততাকে পুঁজি করলে ক্রেতার অভাব হবে না।
৯.প্রতি বছর পুনর্মিলনী/ রি-ইউনিয়নের বন্যা আমরা দেখি।লাখ লাখ টাকা এসব অনুষ্ঠানে খরচ হয়েছে। এসব অ্যালামনাই এসোসিয়েশন প্রত্যেক সদস্যের বিপদে পাশে দাঁড়াতে পারেন। নয়ত এসব মিলনমেলা একটি লোক দেখানো মূল্যহীন ব্যাপার বলে প্রমাণিত হবে।
১০. সবশেষে বলি, বাড়ির একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য হচ্ছেন নিঃসঙ্গ শেরপা। তাঁকে একাই লড়াই করতে হয়। এ একাকী যোদ্ধাকে বাড়ির সবাই স্বস্তি দিন, যত্ন করুন, মায়ায় ডুবিয়ে রাখুন। তিনি যাতে অযথা চাপে না পড়েন সেদিকে নজর দিন।
দশ মিনিটের বুকে ব্যথায় যিনি মারা যাচ্ছেন, তা আসলে দশ মিনিটের ব্যথা নয়, দিনের পর দিনের ব্যথা।অনিশ্চয়তার এ দীর্ঘ ব্যথার চাপ আসলে তিনি আর নিতে পারেননি। একমাত্র আমাদের সম্মিলিত হাত সে বুকে রাখলেই এ ব্যথা কমবে।
1 996
যৌন সমস্যা নেই। তবে যৌন দুর্বলতা আছে। পুষ্টিকর খাবার, Kegel exercises, কিছু কৌশল আয়ত্ত করলেই সুস্থ হয়ে উঠবেন।
মূলত মাথা থেকে দূর করে দিন আপনার কোনো সমস্যা আছে। কিছুটা দুর্বল আছেন যা সঠিক লাইফস্টাইলের মাধ্যমে রিকোভার সম্ভব।
খাবার + ব্যায়াম+ কৌশল এর নিয়মগুলো ফলো করুন।
খাবার- https://www.facebook.com/milontotto/posts/pfbid02V7uPSPZ2AxNtZNfQzK6376VFfpGdGrSt8GA7rBW4RrgygzgZZsLnM9dyyT2EhwEpl
ক্যাগেল ব্যায়াম- https://www.facebook.com/MilonTotto/posts/pfbid0HHGGNJe772fTdcvhmfkMknq22gYHyBTJyA9PZNhcMRzTbvk6k7rGW1eNuXfSmuZml
কৌশল- https://www.facebook.com/milontotto/posts/pfbid02N2uVcjaJAQDrFLWaHoZmsBmt2bqQXpi54J6JU75c4qcX8VEvueMc2PsZxWofRMVal
খাবারের ডিটেইলস পার্ট টেলিগ্রামে দেওয়া আছে
https://t.me/milontottoofficial
1 996
লিখাটা দারুণ লেগেছে। ❤️
জীবনের পথে চলতে হলে…
চারপাশে অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হবে, অনেক রকম কথা কানে আসবে, কখনো কখনো আপনাকে ভিড় ঠেলে এগোতেও হবে। এমন সময় আপনি যা করবেন তা হলো—ইগনোর। কারণ জীবনে কিছু মানুষ থাকবে, যাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো আবর্জনা ছড়ানো, অন্যের জীবনে বিষ ঢালা।
লাইফ আপনার—চয়েস ও ডিসিশনও আপনার।
নেগেটিভিটি যেখানেই দেখবেন, সেখান থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবেন। এটা দুর্বলতা নয়, বরং নিজের মানসিক শান্তির প্রতি দায়িত্বশীল থাকা।
খারাপ লাগলেও এটা সত্যি—আপনি যাদের বন্ধু ভাবেন, তাদের অনেকেই আপনার পতন দেখতে চায়। সহানুভূতির মুখোশ পরে তারা সুযোগ খুঁজে বেড়ায় আপনাকে আঘাত করার।
তাদের সেই সুযোগটা দেবেন না। অপ্রয়োজনীয় তর্কে যাবেন না, কারো কিছু বোঝাতে যাবেন না। কেউ যদি আপনাকে মূর্খ বলে, হেসে বেরিয়ে আসুন। এতে আপনি সময়, এনার্জি আর মানসিক শান্তি—সবই বাঁচাবেন।
আপনার রেসপন্সই আপনার শক্তি।
যারা জীবনটা সত্যি বোঝে, তারা জানে কাকে রেসপন্স দিতে হয় আর কাকে এড়িয়ে যেতে হয়।
সমালোচনার মধ্যে না ডুবে গিয়ে ভালো কিছু করুন—
একটা ভালো বই পড়ুন
প্রিয়জনের সাথে সময় কাটান
ঘর সাজান
রংতুলি দিয়ে ক্যানভাসে মনের কথা ফুটিয়ে তুলুন
সিনেমা দেখুন, গান শুনুন
ছবি তুলুন, ব্যায়াম করুন, গাছ লাগান
কিংবা একটুখানি চুপ করে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সংযোগ গড়ুন
নিজেকে বাঁচান অপ্রয়োজনীয় মানুষের আগ্রাসন থেকে।
আপনার জন্য আসল মানুষগুলোকে চিনে নিন—পরিবার, কাছের কিছু বন্ধুবান্ধব, যাদের সামনে আপনি আয়নার মতো স্বচ্ছ হতে পারেন। তাদের সঙ্গেই আপনার মনের কথাগুলো ভাগ করুন, কারণ তারা আপনার ভালোটা চায়। বাকি দুনিয়াকে জঞ্জাল ভাবুন, এবং দরকার হলে ঝেড়ে ফেলুন।
সবশেষে, মনে রাখবেন—
জীবন অনেক সুন্দর। পৃথিবীও অনেক সুন্দর। পথে চলতে গিয়ে আগাছা আর কাঁটাঝোপ থাকবেই, কিন্তু আপনাকেই বেছে নিতে হবে কোনটা পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যাবেন।
সব কথার উত্তর দিতে নেই, সবকিছুর প্রতিক্রিয়াও দিতে নেই।
নিজেকে প্রমাণ করার দরকার নেই, শুধু নিজের পথে স্থিরভাবে এগিয়ে যান।
#গুরুত্বপূর্ণ #শিক্ষনীয়
সংগৃহীত
1 996
📍সঠিক জীবনসঙ্গী পেলেও টক্সিক পরিবারকে কীভাবে সামলাবেন?📍
👉👉জীবনসঙ্গী যদি ভালো হয়, তাহলে জীবনের বড় একটা যুদ্ধ জিতে যাওয়া যায়।
কিন্তু…
👉 যদি তার পরিবারে টক্সিক মানসিকতার মানুষ থাকে?
👉 যারা সবসময় নেতিবাচক কথা বলে, মানসিক চাপ দেয়, ছোট করে দেখে, অযথা হস্তক্ষেপ করে?
তখন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা আর মানসিক শান্তি — দুটোই কঠিন হয়ে পড়ে।
কিন্তু উপায় আছে।
🔹 টক্সিক পরিবারের সদস্যদের কীভাবে সামলাবেন?
✅ ১. ইমোশনাল রিঅ্যাক্ট করা বন্ধ করুন: তারা আপনাকে provoke (উত্তেজিত) করতে চাইবে।
আপনি শান্ত থাকুন, মাথা ঠান্ডা রাখুন।
আপনার শান্ত আচরণই তাদের জ্বালাবে।
✅ ২. নিজের বাউন্ডারি স্পষ্ট করুন: শ্রদ্ধার সাথে সীমারেখা টেনে দিন। "আমি এটা করতে পারবো না", "এটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার",স্পষ্টভাবে বলে দিন।
✅ ৩. সরাসরি বিতর্কে যাবেন নামারিয়া কথার উত্তর দিতে হবে না। কিছু কথা 'হাসি দিয়ে এড়িয়ে যান' — এটা আসলে বুদ্ধিমানের কাজ।
✅ ৪. জীবনসঙ্গীর সাথে খোলামেলা কথা বলুন:
আপনার অনুভূতি, কষ্ট সবকিছু শেয়ার করুন।
দুজনের বোঝাপড়া যত শক্ত হবে, বাইরের চাপ তত সহজে সামলানো যাবে।
✅ ৫. নিজের মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রাধান্য দিন:
সবকিছুর পরেও যদি টক্সিসিটি থেকে যায়,
তাহলে নিজের জন্য 'emotional detachment' (মন থেকে দূরে থাকা) শিখুন। সবার মন পাওয়ার দরকার নেই।
✅ ৬. নম্র কিন্তু দৃঢ় থাকুন: নম্রতা দুর্বলতা নয়।
আপনি সম্মান দেখান, কিন্তু নিজের আত্মসম্মান রক্ষা করুন।
🎯শেষ কথা: "জীবনসঙ্গী যদি সঠিক হয়, তাহলে টক্সিক পরিবারের চাপও সামলানো যায়। বুদ্ধিমত্তা, ধৈর্য আর বোঝাপড়ার মাধ্যমে।"
👉 নিজের মানসিক শান্তি বজায় রাখুন, বুদ্ধি দিয়ে পরিস্থিতি সামলান। 🙂
Maria Zaman
1 996
আমার এক আত্মীয় আছে। নাম বললাম না। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। ফেসবুকে নিয়মিত মোটিভেশনাল পোস্ট দেয়। “জীবনে বড় হতে হলে ঘাম ঝরাতে হয়।” সে নিজে ঘাম ঝরায় না। আমি একদিন হুদাই জিজ্ঞেস করলাম, দাদু, চাকরি না পেলে কি করবি?
সে গভীর চোখে বলল, বিসিএস দেবো।
আর যদি না হয়?
- তাহলে এমএসসি করবো।
আর যদি ওটাও না হয়?
-দাদুর চোখ তখন নিচে। সে আর উত্তর দেয় না।
আমার পরিচিত এক হোটেল মালিক আছে, নাম রহিম। সে ক্লাস নাইনে স্কুল ছেড়ে দিয়েছিল। এখন তার তিনটা হোটেল, একখানা পিকআপ, আর একটা চায়ের কার্ট। আমি যখন তাকে দেখি, আমার মনে হয় এই মানুষটাই হয়তো সফলতার আসল সংজ্ঞা।
আমরা এমন একটা সমাজ বানিয়েছি যেখানে চা বানানো মানে লজ্জা, আর চায়ের কাপ হাতে বসে থাকা মানে স্ট্যাটাস।
ঠিক এখান থেকেই বেকারত্বের শুরু...
现已上线!2025 年 Telegram 研究 — 年度关键洞察 
