1 995
订阅者
-124 小时
+17 天
+530 天
帖子存档
1 995
🔹🔹মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১৪টি উপায়🔹🔹
১) মানুষের ব্যাপারে খরবদারী করবেন না। কে কী করছে সে বিষয়ে মাথা ঘামানো নিজের মানসিক চাপ বৃদ্ধির একটি কারণ। আরেকটি সমস্যা হবে, অন্যের বিষয় নিয়ে মাথা ঘামালে নিজেকে অন্যদের সাথে তুলনা করার মনোভাব সৃষ্টি হবে। টাকা-পয়সা, সামাজিক অবস্থান, পদমর্যাদা, গাড়ি, বাড়ি, অলংকার, পোশাক, সৌন্দর্য ইত্যাদি দিক থেকে তখন মানসিক চাপ অনুভব করবেন। তাই আল্লাহ আপনাকে যা দিয়েছেন তা নিয়ে খুশি থাকুন আর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন। তাহলে হৃদয়ে পরম প্রশান্তি অনুভব করবেন ইনশাআল্লাহ।
২) আপনার যতটুকু দায়িত্ব ও কর্তব্য ততটুকু পরম আন্তরিকতার সাথে পালন করুন। আপনার সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব কাঁধে তুলতে যাবেন না। অনুরোধে ঢেঁকি গিলবেন না। অন্যথায় আপনাকে অতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকতে হবে।
৩) মানুষের সাথে অতিরিক্ত সম্পর্ক মানসিক চাপের অন্যতম কারণ। তাই আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী, কলিগ, ক্লাসমেট ইত্যাদির সাথে সীমিত সম্পর্ক রাখুন। সম্পর্ক যত ব্যাপক হবে ততই আপনি নানা বাধ্যবাধকতার জালে আটকে যাবেন।
৪) অতিলোভ করবেন না। অতিলোভী ব্যক্তি অর্থ-কড়ি, ধন-দৌলত, পদমর্যাদা ইত্যাদি বৃদ্ধির চিন্তায় বিভোর থাকে। যদি সামান্য টাকা-পয়সা হাতছাড়া হয় বা চাকুরীর প্রমোশন থেকে বঞ্চিত হয় তবে তার হাহুতাশ দেখে কে? সুতরাং অল্পে তুষ্টি মানসিক শান্তির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি তাকওয়ারও পরিচায়ক।
৫) সাধ্যের বাইরে নিজের অর্থ-সম্পদ, আরাম-আয়েশ উজাড় করে দিবেন না। যারা কৃত্রিমভাবে নিজের সব কিছুকে উৎসর্গ করে দেয় তারা তাদের কথা-বার্তা ও আচরণে মানুষের ধন্যবাদ ও প্রশংসা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকে। কিন্তু যদি তা না পায় তখন তার মানসিক অস্থিরতা ও টেনশন বেড়ে যায়।
৬) আজকের দিনটিকে ভালভাবে উপভোগ করুন। আগামী কাল কী হবে সেটা আল্লাহর উপর ছেড়ে দিন। ইবাদত-বন্দেগীর পাশাপাশি আল্লাহর দেয়া নেয়ামত স্বাচ্ছন্দ্যে উপভোগ করুন। দুনিয়াবী বিষয়ে আগামীর চিন্তায় অস্থির হয়ে মানসিক চাপ বৃদ্ধি করবেন না।
৭) প্রতিদিন একান্ত নির্জনে কিছু সময় কাটান। এ সময় দুনিয়ার কারও সাথে সম্পর্ক রাখবেন না। বিশেষ করে ইন্টারনেট তথা হোয়াটসএ্যাপ, ফেসবুক ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন। এ সময় আত্মসমালোচনা করুন আর আল্লাহর নিকট দুয়া করুন। তাহলে দেখবেন, মহান আল্লাহ আপনার মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দান করবেন ইনশাআল্লাহ।
৮) জ্ঞানীদের জীবনী পড়ুন, তাদের উপদেশ ও মূল্যবান বাণীগুলো পড়ুন তাহলে তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা ও উপদেশ দুনিয়ার জীবনে আপনার চলার পথকে সহজ করে দিবে ইনশাআল্লাহ।
৯) জীবনে যত বিপদ ও সমস্যাই আসুক না কেন-যেমন, আর্থিক ক্ষতি, পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট, অসুখ-বিসুখ ইত্যাদি এগুলো নিয়ে খুব বেশী দু:শ্চিন্তা করবেন না। বরং সহজভাবে মেনে নিন। মনে রাখুন, মহান আল্লাহর লিখিত তাকদিরের বাইরে কিছুই ঘটে না। বিপদাপদেই হয়ত কল্যাণ রয়েছে যা বাহ্যিক দৃষ্টিতে মানুষের দৃষ্টিগোচর হয় না। কিন্তু নিশ্চয় আল্লাহ হেকমত ছাড়া কিছুই করেন না।
১০) সব কিছুই গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করবেন না। মানুষের প্রতিটি কথা বা কাজ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা ঠিক নয়। সব কিছু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা ঠিক নয়। বরং মনে আনন্দ বজায় রাখুন, মানুষের সাথে দেখা-সাক্ষাতে হাসতে শিখুন। আপনার কথা ও আচরণে যেন ফুলের সুঘ্রাণ বের হয়। তাহলে ইনশাআল্লাহ মন ফ্রেশ থাকবে আর মানসিক চাপ কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।
১১) শরীরকে তার হক দিন। প্রয়োজনীয় খাবার, ঘুম, বিশ্রাম গ্রহণ করা জরুরি।
১২) দৈনন্দিন গুরুত্বপূর্ণ কাজের লিস্ট তৈরি করে আগেরটা আগে পরেরটা পরে করুন। তবে তা করতে গিয়ে নিজেকে কষ্টের মধ্যে ফেলে দিবেন না। মনে রাখবেন, অগোছালো কার্যক্রম মানসিক অস্থিরতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ তৈরি করে।
১৩) ‘প্রতিটি কাজ ১০০ পার্সেন্ট নির্ভুল করতে হবে’ এই চিন্তা মাথা থেকে সরাতে হবে। কেননা, পূর্ণাঙ্গতার গুণ কেবল মাত্র আল্লাহর। যারা সব কাজ নির্ভুল করার চিন্তায় থাকে তাদেরকে চতুর্দিক থেকে দু:শ্চিন্তা, টেনশন,অস্থিরতা ঘিরে ধরে। ফলে তাদের মানসিক চাপ চরম আকার ধারণ করে।
১৪) নিশ্চিত থাকুন, আল্লাহর সাথে সম্পর্ক যত গভীর হবে দুনিয়া ও আখিরাতের সব কাজ তত সহজ হবে। আল্লাহ ভীতি, নামায, সকাল-সন্ধ্যার দুয়া ও যিকির, নেকীর কাজ, মানুষের কল্যাণে কাজ ইত্যাদির মাধ্যমে আল্লাহ বান্দার মনে অফুরন্ত প্রশান্তি বর্ষণ করেন, সমস্যা দূরভিত করেন আর তখন জীবন হয়ে উঠে আরও প্রাণবন্ত, স্বচ্ছন্দয় ও আল্লাহর ভালবাসায় সুরভিত।
আল্লাহ সকলকে তাওফিক দান করুন।
-সংগৃহীত
রহস্যময় বিশ্ব
1 995
Repost from Banglay IELTS
ইউনিভার্সিটিতে চান্স হয় নাই তো কি হইছে? DU/Medical/Buet etc এইগুলো তে পড়া জিবনের সব কিছু না। ইউরোপ আমেরিকাতে হাজারো ইউনিভার্সিটি আছে। আর এইগুলোতে পড়ার সব থেকে বড় বাধা Taka/IELTS/SAT scores না। সব থেকে বড় বাধা হলো Information gap. জি, আমি ঠিকই বলতেছি। আপনার মা বাবার Information Gap টা মানা যায়, কিন্তু আপনার টা মানা যায় না। যদিও আমার নিজেরই Information Gap ছিলো। SAT দিয়ে আমেরিকা যাওয়া যায় এটা আমি HSC এর পরে জানতাম না। তাই হয়তো DU তেই পড়া লাগছে। সেটা 8/10 বছর আগের কথা। কিন্তু এখন 2023 সাল!!
আপনার এখন মেইন কাজ হলো একটু break নেওয়া! যান, পারলে কোথাও (সাগর/পাহার/চা বাগান) থেকে ঘুরে আসেন। তারপরে ডিসিশন নেন কোন দিকে যাবেন— ইউরোপ নাকি আমেরিকা? আমার পার্সোনাল ওপিনিয়ন থাকবে অনেকগুলো টাকা দিয়ে বাংলাদেশের কোন প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি তে পড়ার দরকার নাই। আপনার আই এল টি এস এর জন্য যা যা লাগে সব আমি ফ্রিতে আমার ইউটিউব আর ওয়েবসাইটে দিয়ে রেখেছি। এখন SAT নিয়ে একটু কাজ করার বাকি আছে। ইনশাআল্লাহ অতিশীঘ্রই SAT নিয়ে খুব ভালো কিছু পেয়ে যাবেন! এটাও ফ্রিতে থাকবে।
One more thing.......
"স্টুডেন্ট কনসালটেন্সির ফ্রি সার্ভিস নিয়ে আসতেছি! ইনশাআল্লাহ"
আপনিও শুরু করেন, লগে আছি, থাকবো! ♥️
-
(ভালোবাসলে share দিবেন!)
1 995
"অন্তর নষ্টকারী বিষয় হচ্ছে ৫টি:
১) মানুষের সাথে বেশি মেলামেশা করা,
২) অত্যাধিক আশা,
৩) গাইরুল্লাহর সাথে সম্পর্ক কায়েম করা,
৪) ভরপেট আহার,
৫) অতি ঘুম।
এই ৫টি হচ্ছে সবচাইতে বড় অন্তর নষ্টকারী বিষয়।"
.
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
.
.
[ মাদারিজুস সালিকীন: ২/৮৭, দারু ইবন হাযম, ২০১৯ ঈ.]
1 995
Repost from Dhikr
উমর (রা) এর দুআটি কত ছোট, কিন্তু কী অদ্ভুত সু্ন্দর।
اَللّٰهُمَّ عَافِنَا وَاعْفُ عَنَّا
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আ-ফিনা ওয়া-ফু আন্না।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাদের সুস্থ রাখুন, আমাদের ক্ষমা করুন।
(কিতাবুয যুহদ লিল ইমাম আহমাদ,৫৯৬ )
1 995
ডিভোর্স দেওয়ার নিয়ম!
Adv Md Oliur Rahman
Croydon, UK
সকালে ফেইসবুক scroll করতে গিয়ে দেখলাম, পরীমনি রাজকে তালাক দেওয়ার জন্য ২৪ ঘন্টা সময় দিয়েছেন। আসলে আমাদের সমাজে অনেক মেয়েরা জানে না ;তারা নিজেরা চাইলেও তালাক দিতে পারে।
তালাক দেওয়ার নিয়ম :
বিয়ে করার ক্ষেত্রে যেমন আইনী বৈধতা জরুরী তেমনি তালাকের ক্ষেত্রেও বৈধতা জরুরী। আমাদের দেশের আইনমতে, কেউ যদি ডিভোর্স বা তালাক দিতে চায় তবে মুখে ‘তালাক’ বলার পর এই সংক্রান্ত লিখিত নোটিশও দিতে হবে। যাকে তালাক দেয়া হয় সে স্বামী বা স্ত্রী যাই হোক, তাকে নোটিশ দিয়ে তালাকের বিষয়ে অবগত করতে হবে। পাশাপাশি একই নোটিশ তালাক যাকে দেয়া হয় তার এলাকার চেয়ারম্যান বরাবরে পাঠাতে হবে।
চেয়ারম্যান বলতে এখানে বোঝানো হচ্ছে—
১। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
২।পৌরসভার চেয়ারম্যান।
৩।সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক।
৪। সেনানিবাস এলাকায় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের জন্য সরকারের নিয়োগ করা ব্যক্তি।
চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো তালাক নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে দুই পক্ষের পুনঃমিলনের উদ্দেশ্যে চেয়ারম্যান সালিশি কাউন্সিল তৈরি করবেন। যদি দুই পক্ষের মধ্যে কোনোভাবেই পুনঃমিলন সম্ভব না হয় তবে তালাক নোটিশ প্রদানের তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে তালাক কার্যকর হয়ে যাবে। এই ৯০ দিন পর্যন্ত স্ত্রীর ভরণপোষণ ও অন্যান্য খরচ বহন করবেন স্বামী। তালাক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। নিকাহ রেজিস্ট্রার দিয়ে সথাসময়ে তালাক নিবন্ধন করতে হবে।
তালাকের ক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, যদি তালাক দেওয়ার সময় স্ত্রী গর্ভবতী হয়ে থাকে তবে তার গর্ভাবস্থার পরিসমাপ্তি না হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ সন্তান ভূমিষ্ঠ না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।
1 995
চেম্বারে ভিজিট দিয়ে দেখাতে আসলে রোগীদের এই পরামর্শগুলো বলি। যেকোন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য পরামর্শটি খুব দরকারি।
দুটি জিনিস খাবার থেকে যত কমাতে পারেন তত ভালো-
১. চিনি
২. চর্বি জাতীয় খাবার
তিনটি খাবার কখনো অতিরিক্ত খাবেন না-
১. অতিরিক্ত ভাত
২. অতিরিক্ত লবণ
৩. অতিরিক্ত তেল
ছয়টি জিনিস একটু বাড়িয়ে খাবেন-
১. সব রকমের সবুজ শাক
২. সব রকম সবুজ সবজি,সীম বা মটরশুটি
৩. ফলমূল
৪. পানি
৫. দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার
৬. ডিম
সাতটি জিনিসের চর্চা রাখুন-
১. নামাজ পড়া,রোজা রাখা,
২. সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা,
৩. মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা,
৪. নিয়মিত শরীর চর্চা করা,
৫. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
৬. দৈনিক কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা ঘুমান
৭. মানসিক চাপ দূর করুন।
৮. সঙ্গী বা সঙ্গিনীর বিশ্বাস ধরে রাখুন। অন্যদিকে নজর দিবেন না। তা না হলে জীবন থেকে শান্তি হারিয়ে যাবে।
৩০-৪০ বছর বয়সের পর নিয়মিত চেক করুন-
১. ব্লাড প্রেশার
২. ব্লাড সুগার
তিনটি জিনিস জীবন থেকে নিষিদ্ধ করুন-
১. সিগারেট
২. আলকোহল
৩. পান সুপারি জর্দা
পরামর্শটি আপনার পরিবারের সদস্য, বন্ধুবান্ধব, পরিচিত জনদের মাঝে ছড়িয়ে দিন। এগুলো নিজে একা মেনে চললে হবে না। সবাই একসাথে মানলে সর্বোচ্চ উপকার পাবেন।
ডা.মাহামুদুল ইসলাম চৌধুরী
এমবিবিএস,বিসিএস স্বাস্থ্য
আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক আই ডিঃ
https://www.facebook.com/mahamudulislamchowdhury.mamun
1 995
প্রস্রাবে ইনফেকশন (Urinary tract infection) প্রতিরোধে/ প্রতিকারে করনীয় --
💠প্রচুর পানি পান করতে হবে ও পানি জাতীয় খাবার খেতে হবে,গরমের সময় শরীর থেকে অতিরিক্ত ঘাম ও লবণ বেরিয়ে যাওয়ার কারণে কয়েক গ্লাস পানি বেশি খেতে হবে। এ ক্ষেত্রে লেবুর শরবত, ফলের রস, ডাব ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে।
💠প্রস্রাবের চাপ হলে, প্রস্রাব ধরে রাখা যাবে না।
💠 যৌনমিলনের আগে ও পরে প্রস্রাব করতে হবে ও পরিস্কার করতে হবে।
💠 যৌন মিলনে শুষ্কতা এড়াতে জেলি ব্যবহার করতে পারেন। তবে শুক্রাণুনাশক কোনো ওষুধ ব্যবহার করবেন না।
💠ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।
💠সুতি অন্তঃর্বাস ব্যবহার করতে হবে।
💠 মল ত্যাগের পর পায়ু এলাকা সামনে থেকে পেছনে ধুয়ে ফেলতে হবে, প্রস্রাব করার পর টয়লেট পেপার দিয়ে চেপে মুছতে হবে, কখনো ঘষবেন না এবং পায়খানার রাস্তা থেকে প্রস্তাবের রাস্তার দিকে কখনো মুছবেন না।
তাতে পায়ু এলাকা থেকে মূত্রনালিতে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশের ঝুঁকি কমবে।
💠কোষ্ঠ্যকাঠিন্য এড়িয়ে চলতে হবে। যাঁদের এ সমস্যা রয়েছে তাঁরা প্রচুর পানি পানের পাশাপাশি আঁশযুক্ত খাবার, যেমন- শাকসবজি, সালাদ, ফল, ইসবগুলের ভুসি ইত্যাদি বেশি করে খাবেন। তবে ইসবগুলের ভুসি ভিজিয়ে না রেখে সঙ্গে সঙ্গে খাবেন।
💠মাসিকের সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।
💠 মাসিক বা রজঃস্রাবের সময় যৌন মিলন করবেন না।
💠 যাদের মেনোপজ হয়ে গেছে তাদের বারবার ইউটিআই বা প্রস্রাবে জীবাণু সংক্রমণ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যোনিপথে এবং মূত্রনালির মুখে ইস্ট্রোজেন ক্রিম ব্যবহার করতে হতে পারে।
💠 রিকারেন্ট ইউটিআইয়ের ক্ষেত্রে স্বল্পমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দীর্ঘদিন সেবন করতে হতে পারে।
💠কর্মরত মহিলাদের, স্কুল-কলেজের মেয়েদের প্রয়োজনে সাধ্যমতো উপযুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেটের ব্যবস্থা করতে হবে।
👉ঘরে বসে চিকিৎসাঃ
* পর্যাপ্ত পানি পান করুন। এতে প্রচুর প্রস্রাব হবে, জীবাণু প্রস্রাবের মাধ্যমে বহুলাংশে বের হয়ে যাবে।
* যেসব খাবারে ক্যাফেইন আছে, যেমন কফি-অ্যালকোহল-কোমলপানীয় ইত্যাদি ইউরিন ইনফেকশন ভালো না হওয়া পর্যন্ত এড়িয়ে চলুন।
* তলপেটে হালকা গরম সেঁক দিলে আরাম পাওয়া যায়। তবে বেশি তাপমাত্রার সেঁক দেওয়া যাবে না।
*ক্র্যানবেরী জুস নিয়মিতভাবে খেলে প্রস্রাবে ইনফেকশন কম হবে।
* গরমের দিনে দই খেতে পারেন।
প্রস্রাবে জীবাণু সংক্রমণের উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রস্রাব পরীক্ষা করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হবে। যথাযথ চিকিৎসা না করালে স্থায়ীভাবে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ডাঃ তাজরীন জাহান
Advisor
20 Minute Medical
#20minutemedical
1 995
সারাদিন এসি রুমে থাকেন? তাহলে এখনই সাবধান হন!
এই গরমে একটু ঠান্ডা খুঁজতে, একটু শান্তি পেতে যদি আমরা এসির ওপর নির্ভর করি সেটা কি খুব দোষের? অবশ্যই না।কিন্তু যদি আপনি সারাদিন-ই এসির মধ্যে থাকেন সেটা মোটেই ভালো কথা নয়।এতে হতে পারে শারীরিক ক্ষতি।
আসুন সারাক্ষণ এসিতে থাকার কয়েকটি স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক...
১) যাঁরা দিনের বেশির ভাগ সময় বা অন্তত টানা ৯-১০ ঘণ্টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে কাটান, তাঁদের মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের নানা সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়। অতিরিক্ত এসির ব্যবহার শ্বাসতন্ত্রের নানা সংক্রমণকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
২) অতিরিক্ত এসির ব্যবহার কনজাংটিভাইটিস (conjunctivitis) এবং ব্লেফারাইটিস-এর (blepharitis) মতো চোখের একাধিক সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। এ ছাড়া যাঁরা চোখে লেন্স ব্যবহার করেন, তাঁদেরও নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
৩) অতিরিক্ত এসির ব্যবহার বেশ কয়েকটি রোগের প্রকোপকে বাড়িয়ে দিতে পারে। যাঁরা দিনের বেশির ভাগ সময় বা অন্তত টানা ৯-১০ ঘণ্টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে কাটান, তাঁদের মধ্যে আর্থাইটিস, ব্লাড প্রেসার বা নানা ধরণের স্নায়ুর সমস্যা অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে।
৪) অতিরিক্ত এসির ব্যবহার অনেকের অ্যালার্জির সমস্যাও মারাত্মক ভাবে বেড়ে যেতে পারে।
৫) দীর্ঘ ক্ষণ এসিতে থাকার ফলে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে ফেলে। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় এবং ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৬) যে সব মানুষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে দীর্ঘ ক্ষণ থাকেন, তাঁরা মাথা ব্যথা বা মানসিক অবসাদের মতো সমস্যায় বেশি ভোগেন।
ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।
现已上线!2025 年 Telegram 研究 — 年度关键洞察 
