ch
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

前往频道在 Telegram

🙂🙂🙂

显示更多
1 954
订阅者
无数据24 小时
-77 天
-1830 天
帖子存档
. যারা রমজানের সময় যাবেন তাদের সারা দিনে খাবারের টেনশন নাই , মক্কা মদিনার হারাম শরীফের চত্বরে রেস্ট নেওয়ার ব্যবস্থা আছে । একদম সকালে তাহাজ্জুদ নামাজের পর থেকে তারাবির নামাজ পর্যন্ত হারাম শরীফের মধ্যে থেকে যেতে পারবেন। ওখানে ইফতার আর রাতের খাবারের টেনশন নাই। আপনার মোয়াল্লেম যদি খাবারের ব্যবস্থা করেন তাহলে ভালো, যদি না করেন তাহলে আশেপাশে অনেক দোকান আছে যেখানে বাংলাদেশ ,পাকিস্তান ও ভারতীয়রা আছে কথা বলতে সমস্যা হবে না। . 🟩 ষষ্ঠ পরামর্শ : যাওয়ার সময় সাথে করে কিছু জিনিস অবশ্যই নিয়ে যাবেন , এগুলো হ্যান্ড ব্যাগে রাখবেন না , বুকিং এ দিয়ে দেবেন। ১) একটা প্লাস্টিক অথবা মেলামাইনের প্লেট , ঢেকে রাখা যায় এমন । আমি আর এফ এল এর রুটির বক্স নিয়েছিলাম। গোল রুটি রাখা যায় এমন বক্স একদম ঢাকনাসহ এটা দিয়েই প্লেটের কাজ করেছি । ২) একটা প্লাস্টিকের মগ (500 এমএল পরিমাণের নেবেন , যদি কখনো স্যালাইন খাওয়ার প্রয়োজন হয় যেন মাপামাপির ঝামেলা না লাগে সেজন্য ) ৩)কিছু ওষুধ , যেমন এক পাতা নাপা , ফ্লাজিল , ডমপেরিডন , লোসেকটিল , কয়েক পাতা স্যালাইন ইত্যাদি নিবেন সাথে কোনো এক ডাক্তার ভাইয়ের কাছ থেকে খাওয়ার নিয়ম জেনে নিবেন । আর যারা ডায়াবেটিস বা প্রেসারের ওষুধ খাচ্ছেন তা তো অবশ্যই সাথে এগুলো নিয়ে যাবেন। ৪) সব সময় হাটা যায় এমন নরম প্লাস্টিকের /রাবারের সেন্ডেল ২ জোড়া । ৫) এক বক্স মাস্ক । ৬) একটা এন্ড্রয়েড ফোন , প্রয়োজনে সৌদি সরকারের Tawakkalna নামক অ্যাপস /অন্য কোন অ্যাপস ইউজ করতে হতে পারে , যা আপনার মোয়াল্লেম আপনাকে সঠিক সময় জানিয়ে দেবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে , বাসায় যোগাযোগের জন্য ইমু ব্যবহার করা যাবে , অনেক হোটেলে ফ্রি ওয়াইফাই এর ব্যবস্থা আছে । সৌদিতে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলা যায় না, তাই ইমো ইন্সটল করে নিবেন। সিম আমাদের কিনতে হয়নি , ফ্রী দিয়েছিল । ৭) এখানে মক্কা এবং মদীনা হেরেম শরীফে পানির ব্যবস্থা আছে। এখান থেকে শুধু 500ml এর একটা পানির পট সাথে করে নিয়ে গেলেই হবে। প্রয়োজনে বোতলে পানি ভরে নিয়ে আসতে পারবেন । আর আপনি যতক্ষণ মসজিদে থাকবেন ততক্ষণ ওইখানে পানির ব্যবস্থা থাকবে। ৮) ব্রাশ, পেস্ট ,সাবান, শ্যাম্পু , ভ্যাসলিন/ পেট্রোলিয়াম জেলি, সরিষার তেল / টিস্যু যা প্রয়োজন সাথে করে নিয়ে যাবেন। তবে আমি ওইখানে একটা ছোট ভিমবারের অভাব খুব অনুভব করেছি । খাবার পর প্লেট পরিষ্কার করার জন্য। ৯) মুয়াল্লিম এর সাথে পরামর্শ করে দুই সেট এহরাম এর কাপড় , সার্বক্ষণিক ব্যবহার করার জন্য সাইট ব্যাগ , জুতা রাখার জন্য ছোট ব্যাগ ইত্যাদি নিয়ে যাবেন । (এসব সৌদি থেকে কিনবেন এই চিন্তা বাদ দেন , এতে সময় নষ্ট হবে এবং অনেক বেশি টাকা খরচ হবে ) ১০) সৌদিতে সব জিনিসের দাম অনেক বেশি। বিশেষ করে খাবারের দাম। তাই সাথে আপনার পছন্দমত শুকনা খাবার নিয়ে যেতে পারেন। অনেককে দেখেছি চিড়া নিয়ে গিয়েছে , চিনি ও গুড়া দুধ নিয়ে গিয়েছে। চিড়া ভিজিয়ে রেখেছে পরবর্তীতে চিনিও গুঁড়ো দুধ দিয়ে খেয়েছে। অনেককে দেখেছি ডিম নিয়ে যেতে। সাথে ছোট্ট একটা ওয়াটার হিটার। . 🟩 সপ্তম পরামর্শ: ওমরায় গিয়ে আমার জন্য স্পেশাল ভাবে দোয়া করবেন সাথে পৃথিবীর সমস্ত উম্মার জন্য দোয়া করবেন। . (ভয়েস টাইপিং সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে এ জন্য বানান ভুল হতে পারে সহানুভূতি কাম্য ) @Dr. Faijul haq

যারা প্রথম/নতুন উমরায় যেতে চান , তাদের জন্য আমার বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু পরামর্শ । . 🟩প্রথম পরামর্শ: উমরার যাওয়ার সময় সবচেয়ে প্রথম খেয়াল রাখতে হবে আপনার সাথে যে মুয়াল্লিম হিসেবে যাচ্ছেন তিনি কেমন ! দরকার হয় তার সাথে আগে যারা হজ করতে গিয়েছে বা ওমরা করতে গিয়েছে তাদের কাছ থেকে জেনে নিন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এদের বাংলাদেশে চেহারা একরকম কিন্তু সৌদি তে যাওয়ার পরে চেহারা ভিন্ন রকম হয়ে যায়। . কিছু মুয়াল্লিম যাদের উদ্দেশ্য থাকে ব্যবসা , তারা মূলত সৌদিতে যায় ব্যবসা করার জন্য । এদের উদ্দেশ্য থাকে হাজীদের সহায়তা করার চেয়ে নিজের আখের গোছানো। . একদম নতুন একটা দেশ , নতুন একটা পরিবেশে ভাল মোয়াল্লেম না হলে খুব বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে যেতে হয়। . 🟩 দ্বিতীয় পরামর্শ: মাসলা মাসায়েল জেনে যাওয়া । যে এবাদত আমরা করবো সেই এবাদত করার জন্য পর্যাপ্ত মাসলা-মাসায়েল জানা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। সঠিক মাসলা-মাসায়েল এর অভাবে এবাদত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আপনি যে উত্তম কাজে যাচ্ছেন সে কাজের জন্য আপনার উচিত এ বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান লাভ করা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমরা মুয়াল্লিমের উপরে নির্ভরশীল হয়ে থাকি। একটা গ্রুপে অনেক মানুষ থাকার কারণে একজন মুয়াল্লিম সবাই কে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেনা । আর যদি ধান্দাবাজ কিসিমের মুয়াল্লিম হয় , তাহলে দেখা যাবে কোন ফাঁকে আপনার ওয়াজিব ছুটে গেছে আপনি নিজেই টের পাবেন না। যদি আপনার সঠিক মাসলা-মাসায়েল জানা না থাকে। এক্ষেত্রে আমি দুইটি বইয়ের সহায়তা নিয়েছিলাম ১) উমরা কিভাবে করবেন লেখক: অধ্যাপক মোঃ নুরুল ইসলাম মক্কী ২) উমরাহ মদিনা জিয়ারত ও দোয়া লেখক: ড: আবুবকর মুহাম্মদ যাকারিয়া . 🟩তৃতীয় পরামর্শ: সৌদি তে যাওয়ার আগে অবশ্যই মক্কা এবং মদিনায় যে স্থানগুলো ওমরার সাথে সম্পৃক্ত ও আপনি জিয়ারত করতে চাচ্ছেন এবং দর্শনীয় সেই স্থান গুলো সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিয়ে নিন । আগে থেকেই এ বিষয়ে পড়ালেখা করে নিলে আপনার জন্য অনুভব করা সহজ হবে। মক্কা-মদিনা ছাড়াও আরো অনেকগুলো বরকতময় স্থান আছে , এগুলো লিস্ট করুন এবং অবশ্যই এখানে জিয়ারত করুন । এক্ষেত্রে আমাকে একটা বই খুব সাহায্য করেছে , আপনারাও দেখতে পারেন ১) পবিত্র মক্কা মদিনা শরীফের ইতিহাস সম্পাদনাঃ শায়েখ শফিউর রহমান মোবারকপুরী প্রকাশক: মীনা বুক হাউস . 🟩চতুর্থ পরামর্শ: জামা কাপড় কেনা , স্বর্ণ কেনা এসব মার্কেট করার চিন্তা বাদ দিন , যাচ্ছেন ইবাদত করার জন্য , এখানকার প্রতিটা মুহূর্ত খুবই মূল্যবান। একজন হাজী সাহেবের জন্য একেক বিমানে একএক ওয়েট এর মাল বহন করা যায় । যেমন বাংলাদেশ বিমানে একটা পাসপোর্টধারীদের জন্য 25 কেজির ওজনের বক্স এর 2 টি বক্স , অর্থাৎ মোট 50 কেজি ওজনের মাল বহন করা যাবে। আগেই জেনে নিবেন আপনার বিমানে কত কেজি ওজন এলাও করবে। . মদিনা এয়ারপোর্ট এর নির্দিষ্ট স্থানে পাসপোর্ট দেখালে নির্দিষ্ট কিছু রিয়াল এর বিনিময়ে একটা পাঁচ লিটার ওজনের জমজমের পানি দিয়ে দিবে। তাহলে জমজমের পানি সহ আপনার ওজন যদি 55 কেজি হয় আপনাকে কিন্তু পানি আনতে দেবে না, এয়ারপোর্ট থেকে রেখে দেবে। তাই আপনি যে প্যাকেট করবেন সেই প্যাকেট যেন দুইটি বক্স মিলিয়ে 45 কেজির বেশি না হয়। ( জেদ্দা এয়ারপোর্ট থেকে দেশে ফিরলে , এয়ারপোর্টে জমজমের পানি দেবে কিনা জেনে নিবেন ) . সাধারণত আমরা খেজুর এবং জমজমের পানি নিয়ে আসি , এগুলো বরকত ময় জিনিস। অন্য কোন মার্কেট না করে পর্যাপ্ত পরিমাণ খেজুর কিনতে পারেন আত্মীয়দের মেহমানদারী করার জন্য।এজন্য আগেই জেনে নিন খেজুরের পাইকারি মার্কেট সম্পর্কে। মক্কা মদিনার আশেপাশে অনেক দোকান আছে যেখানে বাঙালি ভাইয়েরা আছেন। এদের মধ্যে যেমন ভালো দোকানদার আছে তেমনি কিছু দোকানদার আছে যারা উল্টাপাল্টা দামে পণ্য বিক্রি করে। বিষয়টি খেয়াল রাখবেন। . 🟩পঞ্চম পরামর্শ: মক্কা এবং মদিনায় তাহাজ্জুদ নামাজের জন্য আযান হয় , সৌদি তে গিয়ে প্রথম যেখানে যাবেন মক্কা অথবা মদিনায় ওখানকার নামাজের সময় জেনে নিন। রমজান ছাড়া অন্য সময় নিম্নের রুটিন ফলো করতে পারেন: সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে কয়েকটা খেজুর খাবেন সাথে জমজমের পানি পান করুন। সকালের নাস্তা হয়ে গেছে । . এবার তাহাজ্জুদএর আযান দেওয়ার আগেই বাসা থেকে বেরিয়ে যান , তাহাজ্জুদ নামায , ফজরের নামাজ ও জোহরের নামাজের পরে বাসায় আসুন , দুপুরের খাবার খেয়ে আছরের আজানের আগ পর্যন্ত ঘুমিয়ে , নামাজের জন্য বেরিয়ে যান , এরপরে আসরের নামাজ ,মাগরিবের নামাজ ও এশার নামাজ পড়ে বাসায় আসুন । মক্কার কাবা চত্বরে ও মসজিদে নববীতে প্রবেশের সাথে সাথে এতেকাফের নিয়ত করে নিন। আমি এই রুটিন ফলো করেছিলাম। এতে সময় নষ্ট কম হয় ।

সাইকোলজি বলে:- ১. আপনি যদি কথা বলতে বলতে কাউকে আপনার ব্যগ দিয়ে দেন, তাহলে সেই ব্যক্তি কোনো কিছু না বলেই, কোনো ভাবনা চিন্তা না করেই আপনার ব্যগটি ধরে নিবে। বিশ্বাস না হলে আজই দেখতে পারেন। ২. আচ্ছা আপনার কি কখনো মনে হয়েছে যে, কোনো সেলিব্রেটি আপনাকে দেখেই আপনার প্রেমে পড়ে যাবেন? আজ্ঞে আপনি Erotomania নামক একটি মানসিক রোগে ভুগছেন। যেখানে আক্রান্তের মনে হয় যে সেলিব্রেটিরা তাকে দেখলেই তাদের প্রেমে পড়ে যাবে, অথবা কোনো সেলিব্রেটি হয়ত তার প্রেমে পড়ে গেছে। ৩. আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন যে, বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের বন্ধু খুবই কম হয়, কারণ তারা বন্ধু নির্বাচনে খুবই কঠিন হয়। কেবলমাত্র তাদের মতের বা চিন্তা ভাবনার সঙ্গে মিল রয়েছে এরকম মানুষকেই তারা বন্ধু বানায়। যার ফলে তাদের বন্ধুর সংখ্যা অনেক কম হয়। ৪. কিছু ব্যক্তির উপর করা একটি সার্ভে অনুযায়ী, রিজেকশন এবং ব্যর্থতা মানুষকে শারীরিক যন্ত্রণার মত কষ্ট দেয়। ৫. আপনি কি জানেন ১৬-২৮ বছরের মধ্যে হওয়া বন্ধুত্বগুলি বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং এগুলিই পরবর্তীতে স্থায়ী হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। ৬. আমরা যে কাপড় পরিধান করি, তা সরাসরি আমাদের মনের সঙ্গে যুক্ত। আপনি যদি ভালো কাপড় পড়েন আপনার মন এমনিতেই ভালো হয়ে যাবে, অপরদিকে আপনি যদি আপনার পছন্দের কাপড় পরিধান না করেন আপনার মন স্বাভাবিক ভাবেই খারাপ হয়ে যাবে। ৭. কারও সাথে কথা বলার সময় মাঝে মাঝে তার নাম উচ্চারণ করলে, সে অনেক আনন্দিত হয়। ৮. কাজের ফাকে মাঝে মাঝে কাছে বা দূরে ঘুরতে গেলে মনের সাথে সাথে আমাদের মস্তিষ্কও সুস্থ এবং স্বাভাবিক থাকে। দেখা গেছে যে এর ফলে ব্রেন স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে যায়। ৯.আপনি হয়ত পড়েছেন যে, কবিরা তাদের কবিতা কোনো নদীর সামনে বসে লিখছে। কিন্তু আপনি কি জানেন মানুষ যখন কোনো নদী বা সমুদ্র অর্থাৎ জলের সামনে সময় কাটায় বা বসে থাকে তখন তার মন অধিক শান্ত থাকে এবং সেই সময় তার মাথায় কোনো নতুন জিনিস সৃষ্টির প্রক্রিয়া বা নতুন কিছু করার ভাবনা চলতে থাকে। ১০. Truman syndrome –হল এমন একটি মানসিক রোগ যেখানে আক্রান্তের মনে হয় যে, সে কোনো রিয়্যালিটি শো বা বড় অনুষ্ঠানে আছে, এবং সরাসরি সেই দৃশ্য উপভোগ করছে।

রহস্যময় ২০২৩ এর ফেব্রুয়ারি! ফিরবে ৮২৩ বছর পর!! ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মতো আরও একটি এমন ফেব্রুয়ারি মাস বর্তমান বিশ্বে বসবাসকারী কারো ভাগ্যে আর জুটবে না। কারণ এমন মাস আরেকটা আসবে ৮২৩ বছর পর! তাই পরবর্তী কয়েক শত প্রজন্ম এমন ফেব্রুয়ারি মাসের দেখা পাবে না। চলতি সালের ফেব্রুয়ারি মাসকে ঘিরে রয়েছে চমৎকার রহস্য। এ মাসে সপ্তাহের সাতটি দিনই চারবার ঘুরে ফিরে আসবে। অর্থাৎ এ মাসে ৪টি শনিবার, ৪টি রোববার, ৪টি সোমবার, ৪টি মঙ্গলবার, ৪টি বুধবার, ৪টি বৃহস্পতিবার ও ৪টি শুক্রবার। একদিন কমও না, বেশিও না। গবেষণা বলছে, এমন ফেব্রুয়ারি মাসের আগমন হয় ৮২৩ বছর পর পর।

কাল এইচএসসির রেজাল্ট। গার্ডিয়ান বা সিনিয়র যারা আছেন, আপনার সন্তান বা ছোট ভাইবোন যদি আশানুরূপ ফলাফল করতে ব্যর্থ হয়, আর আপনি যদি ওর হাতটা শক্ত করে ধরে- "বাবা, দুই একটা রেজাল্ট খারাপ হতেই পারে, ব্যাপার নাহ! জীবন এইচএসসি রেজাল্ট থেকেও অনেক বড় একটা জিনিস.." এইটা বলতে পারার মানসিকতা না রাখেন, তাহলে ওর সফলতার কৃতিত্ব নেয়ার অধিকারও আপনি রাখেন না। আশানুরূপ রেজাল্ট না করতে পারার অনুভূতিটা অসহনীয়। এমনিতেই প্রচন্ড মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আপনি গার্ডিয়ান হয়ে যদি ওর কাধে হাতটা রেখে বলে দেখেন - এটার থেকে মানসিক প্রশান্তিদায়ক কিছু হতে পারে না। ওর মধ্যেও এই সংকল্প টা আসবে- "My whole world is with me. I'm not worthless. I'll make this little 'whole world' happy at any cost."

একসাথে তিন তালাক দেওয়া কিংবা বিভিন্ন সময় তালাক দিতে দিতে তিন পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া একটি জঘণ্য অপরাধ ও ঘৃণিত কাজ। আল্লাহ তাআলা এর শাস্তি হিসেবে এই বিধান দিয়েছেন যে, তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পুনরায় একসাথে বসবাস করতে চাইলে স্ত্রীর ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার পর অন্যত্র তার বিয়ে হওয়া এবং সে স্বামীর সাথে তার মিলন হওয়া অপরিহার্য। এরপর কোনো কারণে সে তালাকপ্রাপ্তা হলে কিংবা স্বামীর মৃত্যু হলে ইদ্দত পালনের পর এরা দু’জন পরস্পর সম্মত হলে নতুন করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে। প্রমাণ– وقال الليث عن نافع كان ابن عمر إذا سئل عمن طلق ثلاثا قال لو طلقت مرة أو مرتين فأن النبي صلى الله عليه و سلم أمرني بهذا فإن طلقتها ثلاثا حرمت حتى تنكح زوجا غيرك হযরত নাফে রহ. বলেন,যখন হযরত ইবনে উমর রাযি. এর কাছে ‘এক সাথে তিন তালাক দিলে ‎তিন তালাক পতিত হওয়া না হওয়া’ (রুজু‘করা যাবে কিনা) বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলো,‎ তখন তিনি বলেন-“যদি তুমি এক বা দুই তালাক দিয়ে থাকো তাহলে ‘রুজু’ [তথা স্ত্রীকে বিবাহ করা ছাড়াই ফিরিয়ে আনা] করতে পার। ‎কারণ, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এরকম অবস্থায় ‘রুজু’ করার আদেশ দিয়েছিলেন। ‎যদি তিন তালাক দিয়ে দাও তাহলে স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে, সে তোমাকে ছাড়া অন্য স্বামী গ্রহণ করা পর্যন্ত। (সহীহ বুখারী-২/৭৯২, ২/৮০৩) হযরত হারুন ইবনে আনতারা তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তার পিতা বলেছেন, আমি একদিন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. এর নিকট বসা ছিলাম। ইতিমধ্যে এক লোক এসে বলল, সে তার স্ত্রীকে এক বারেই একশো তালাক দিয়েছে। সে জানতে চাইল, এতে কি এক তালাক গণ্য হবে নাকি তিন তালাক গণ্য হবে? আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. বললেন, তিন তালাক কার্যকর হয়ে তোমার স্ত্রী তোমার থেকে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আর বাকি সাতানব্বই তালাকের গুনাহ তোমার উপর বর্তাবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা আসার নং ১৮১০১) উপরোক্ত হাদীস ও আসার থেকে বিষয়টি সুপ্রমাণিত যে. এক সাথে তিন তালাক দিলে (যেমন আপনার উক্ত আত্মীয় দিয়েছেন) তিন তালাকই হবে । এক তালাক নয়। এজন্যই বিখ্যাত ফকীহ ও মুহাদ্দিস আল্লামা ইবনুল হুমাম রহ. (মৃত.৬৮১হি.) আলোচ্য মাসআলাটি যে সাহাবাযুগ থেকেই অবিসংবাদিত তা উল্লেখ করার পর লিখেছেন- (তরজমা) “আর এ জন্যই যদি কোন (শরয়ী) আদালতের বিচারক এই সিদ্ধান্ত দেয় যে, এক সাথে তিন তালাক দিলে এক তালাক হয়, তাহলে তার ফায়সালা গ্রহণযোগ্য হবে না। কেননা বিষয়টিতে নতুন ইজতিহাদ ও সিদ্ধান্তের কোন সুযোগ নেই। সুতরাং নতুন কোন সিদ্ধান্ত দেয়া হলে তা শরীয়তসম্মত ‘মতপার্থক্য’ নয়; শরীয়ত গর্হিত ‘বিচ্ছিন্নতা’ হিসাবেই গণ্য হবে।” আর তিন তালাক হয়ে গেলে বিধান কী- এসম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন, فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ۗ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۗ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়। (সূরা বাকারা-২৩০)

🤷‍♂️ অফিসের ফরমাল ও ক্যাজুয়াল ড্রেস কোড 🤵‍♂️ ‘কর্পোরেট’– শব্দটাতেই কেমন একটা ভাব-গাম্ভীর্যতা রয়েছে। তাই পোশাকেও থাকা চাই তেমন গাম্ভীর্যের ছোঁয়া। কর্পোরেট অফিসিয়াল ড্রেস কোড হিসেবে চোখ বন্ধ করে বেছে নিতে পারেন আমাদের দেশীয় সুতি কাপড়ের শাড়ি ও কামিজ। শাড়ির ব্লাউজের ক্ষেত্রে বড় গলার ব্লাউজ ও নটেড ব্লাউজ পরিহার করতে হবে স্ট্রিক্টলি। শাড়ি, কামিজ বা স্যুট সব ক্ষেত্রেই রঙটা অবশ্যই হালকা হবে। সাধারণত ফরমাল পোশাকে হালকা নীল, সাদা, হালকা গোলাপী, ধূসর বা ছাই রঙ খুব প্রাধান্য পায়। তবে ফ্যাশন জগতের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের মতে- খাকি রঙের পোশাক এড়িয়ে চলাই ভালো। শাড়ি জমিন খুব পাতলা- যেমন মসলিন, নেট এমন হওয়া যাবে না। আমাদের দেশে মেয়েরা সাধারণত স্যুট পরে না। তবে চাইলে, ফরমাল প্যান্ট, ফরমাল শার্টের সাথে একটা ব্লেজার পরতে পারেন। ছোটো দুল, হাতে লেদার বা চেইনের ফরমাল ঘড়ি, হাতে একটা ব্যাগ, চুল ছোট হলে সুন্দর করে আঁচড়িয়ে খোলাই রাখুন। আর চুলটা যদি হয় কাঁধের নিচ পর্যন্ত বড়, তাহলে পনিটেইল করলেই আপনি রেডি, ঠোঁটে একটা হালকা রঙের লিপস্টিক ব্যস! পুরোই ক্লাসি একটা লুক! যখন আপনি ক্রিয়েটিভ তখন আপনার পোশাকেও তার প্রকাশ চাই। ক্রিয়েটিভের সাথে ফরমাল আউটফিট একেবারেই বেমানান অবশ্যই পার্টি ড্রেস পরে অফিস করবেন না! ক্রিয়েটিভ অফিসের ড্রেস কোডে ক্যাজুয়াল স্টাইলটা ব্যাপারটা কিন্ত পারফেক্ট! আপনার অফিসের জন্য হাতে এখন অনেক অপশন। আপনি চাইলেই যে কোনো রঙের পোশাক বেছে নিতে পারেন। জিন্স বা লেগিংসের সাথে পরতে পারেন নিজের খুশি মতো টপস! সে কটন, নিটেড বা জর্জেট যেমনই হোক না কেন। তবে শর্ত একটাই, ড্রেস অবশ্যই শালীন হতে হবে। টপস হিসেবে চাইলেই টি-শার্ট, ফতুয়া, বাটন ডাউন কলার (Button Down Coller)- এর শার্ট পরতে পারেন।চুল চাইলে খোলা রাখতে পারেন আবার বেঁধে নিলেও ভুল হবে না একটুও! কানে সৌখিন ফেদারের দুল থেকে ফরমাল টব পরলেও মানা নেই। গলায় ফ্যাশনেবল লকেট পড়লে বেশ গর্জিয়াস মনে হবে। হাতে ফ্যাশনেবল ঘড়ি, ব্রেসলেইট আরও স্টাইলিশ লুক দিবে আপনাকে। যেহেতু ক্রিয়েটিভদের অনেক বেশি সময় বাহিরে থাকতে হয়, তাই তারা বড় একটি ক্লাসিক হ্যান্ড ব্যাগ সাথে রাখতে পারেন। মেকআপ দিলে একেবারেই হালকা আর গাঢ় রঙের লিপস্টিক দিয়ে বেশ গর্জিয়াস লুক নিতে পারেন। কর্পোরেট কিংবা ক্রিয়েটিভ যেমন অফিসেই আপনি কাজ করুন না কেন, অফিস অনুযায়ী সঠিক পোশাক এটিকেট মেনে চললেই আপনার রুচিশীল ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠবে। অফিসিয়াল পোশাক খুব দামী বা নামী ব্র্যান্ডের হতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনার সাধ্যমত অফিসিয়াল ড্রেস কোড মেনে চললেও প্রফেশনালিজম বজায় থাকবে। তাহলে, এখন থেকে আপনার অফিস ও কাজের ধরন বুঝে অফিসিয়াল ড্রেস কোড বাছুন। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - 🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰 #konna #কন্যা #corporate #business #events #corporate #event #branding #marketing #work #photography #office #entrepreneur

🗻 বরফে ডোবালেই চেহারা সতেজ 🗻 হাতের কাছের খুব সাধারণ কিছু উপকরণ থেকেও পাওয়া যেতে পারে অসাধারণ ফলাফল। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে বরফের কিউবের কথা। চটজলদি মুখের ফোলা কমানো থেকে শুরু করে বলিরেখা দূর করার মতো কঠিন সমস্যাগুলোর সমাধান দিতে পারে ছোট এই ঠান্ডা জিনিস। ত্বক ঠান্ডা করার এই পন্থা গরমে আরাম দেবে। শীতেও করা যাবে এই রূপচর্চা। কোরিয়ান নারীরা এটি নিয়মিত অনুশীলন করেন। সকালে বা সন্ধ্যায় ৩০ সেকেন্ডের জন্য দুই থেকে তিনবার বরফ দেওয়া ঠান্ডা পানিতে চেহারা ডোবানো যাবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আইস ওয়াটার ফেস ডিপ থার্মোজেনেসিস নামে পরিচিত এই বরফথেরাপি নতুন কিছু নয়, বহু শতাব্দী ধরেই চলে আসছে। প্রক্রিয়াটিতে আপনার ত্বক কয়েক সেকেন্ডের জন্য ঠান্ডা তাপমাত্রায় উন্মুক্তভাবে থাকে। এটি ত্বকের জন্য একাধিক সুবিধা নিয়ে আসে বলে মনে করা হয়। প্রতিদিন একবার করলেই হয়। ১ মিনিটে ৫ থেকে ১০ সেকেন্ডে যে কয়বার করতে পারেন। ✅ বরফপানি ছিদ্রের আকার ছোট করে ত্বকের সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলোর একটি বর্ধিত ছিদ্র। মুখের ছিদ্রগুলো বড় ও খোলা থাকলে তেল, ময়লা ও ধুলা ঢুকে যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জমা হতে থাকে, কেড়ে নেয় আপনার ত্বকের প্রাকৃতিক আভা। এই ছিদ্রগুলো বড় দেখায়, যখন তাদের মধ্যে ময়লা জমে থাকে। নিয়মিত বরফে চেহারা ডোবালে ত্বকের ছিদ্রের আকার ছোট হয়ে আসে। ✅ ত্বক টানটান করে ত্বক শিথিল হওয়া শুরু করলে নিয়মিত বরফের জলে মুখ ডুবিয়ে রাখা ভালো। এটি আপনার ত্বক টানটান করতে সহায়তা করবে। ঠান্ডা পানিতে মুখ ডুবিয়ে রাখলে ত্বকের ছিদ্র শক্ত হতে শুরু করে। এ ছাড়া এই আইস ওয়াটার থেরাপি বলিরেখা ও সূক্ষ্মরেখার মতো বার্ধক্যজনিত লক্ষণগুলোর উপস্থিতি রোধ করে। ✅ মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী করে বেশির ভাগ তারকা মেকআপ করার আগে এই পদ্ধতিতে ত্বক ঠান্ডা করে নেন। কারণ, বরফের ঠান্ডা জল ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নিয়ন্ত্রণ করে। এ কারণে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ থাকে চেহারায়। তবে কথা আছে। শুষ্ক ও সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এ প্রক্রিয়াটি ভালো নয়। করলেও খুব কম সময়ের জন্য করে দেখুন, আপনার ত্বক বরফঠান্ডা পছন্দ করছে কি না। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - 🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰 #konna #কন্যা #beautytips #beauty #skincare #makeup #skincareroutine #beautybloggers #skincaretips #beautycare #makeupartist #skincareproducts #makeuptutorial #skin #beautyinfluencer #selfcare #beautiful #beautyhacks #glowingskin

শাড়ির সাথে নিকাব, নিকাবের সাথে টাইট ফিটিং ড্রেসআপ, নিকাবের সাথে টিপ/টিকলি এই টাইপ কম্বিনেশন কোনোকালেই আমাদের সহমতের জায়গা হওয়ার কথা না। অনলাইনের বদৌলতে কত কী দেখতে হয়! শুধুমাত্র কালারিং বোরকা হিজাব দেখার দিনকাল বাদই দিলাম। এই যে সেদিন দেখলাম এক মহিলা ভ্লগার শাড়ির সাথে হাজারো অলংকার পরে নিকাব পরে বিয়ে এটেন্ড করছে। আউজুবিল্লাহ, এই নাকি পর্দা! এমনও দেখেছি যে নিজে শুধুমাত্র নিকাবি কিন্তু অবলীলায় বেপর্দাদের সাথে ছবি শেয়ার করছে৷ পর্দা করে কাপল পিক, কিস হাগসহ সে বেহায়াপনা আজকাল দেখানো হচ্ছে এটা একটা কথাই জানান দেয় তা হলো, হিজাবি কিংবা নিকাবির সংখ্যা হুহু করে বাড়লেও বাড়েনি প্রকৃত নিকাবিদের সংখ্যা যারা বুঝে নিকাব কেবল নাক আর মুখ ঢেকে রাখাই নয়। আমি জানি, নিকাবের সঠিক সংজ্ঞায়ন করতে গিয়েও হিউ-মিলে-ইট হয় অনেকে। অবশেষে ব্লক বা ব্যান করে। ব্লক কিংবা ব্যান করে নির্দিষ্ট কিছু পাবলিকের চোখ থেকে সরানো যায় নিজেকে, কিন্তু আল্লাহ সুবহানা তা'আলার দৃষ্টি! এমনই কি ছিল নারী সাহাবীদের পর্দা? এরকমটাই কি কুরআনের আয়াতে আয়াতে বলেছেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা? কুরআনে বলা হয়েছে, وقرن فى بيوتكن ولا تبرجن تبرج الجاهلية الاولى ‘নিজ গৃহে অবস্থান করো, সাজ-সজ্জা প্রদর্শন করে বেড়িও না যেমন প্রাচীন জাহেলী যুগে প্রদর্শন করা হত।’ কেবল চুল ঢাকা কিংবা নাক আর মুখ ঢাকা মানেই হিজাব-নিকাব, এই ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। কেবল এই ধারণার কারনেই হিজাব নিকাব পরেও নিজেদের আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলার একটা প্রতিযোগিতা তৈরী হচ্ছে আমাদের মাঝে। কিছু বলতে গেলেই ওপার থেকে উত্তর আসে, "হিজাব, নিকাব করলেও আপনারা এতো কথা বলেন কেন?" সঠিক হিজাব নিকাব না করে কেবল মডারেট পর্দা করে হিজাবের অবমাননা কার দেখতে ভালো লাগে? সোশ্যাল মিডিয়ার সবচাইতে পপুলার সেকশন আজ কাপল ভ্লগ আর হিজাবি কাপল হলেতো মা শা আল্লাহ আর গদগদ কমেন্টে কমেন্টবক্স পরিপূর্ণ হয়ে যায়। হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, দুই শ্রেণীর দো~য~খী এখনও আমি দেখিনি। (কারণ তারা এখন নেই, ভবিষ্যতে আত্মপ্রকাশ করবে) এক শ্রেণী হচ্ছে ঐ সকল মানুষ, যাদের হাতে ষাঁ~ড়ে~র লেজের মতো চা~বু~ক থাকবে, যা দিয়ে তারা মানুষকে প্র-হা-র করবে। (দ্বিতীয় শ্রেণী হচ্ছে) ঐ সকল নারী, যারা হবে পোশাক পরিহিতা, ন-গ্ন, আকৃষ্ট ও আকৃষ্টকারী; তাদের মাথা হবে উটের হেলানো কুঁজের ন্যায়। এরা জান্নাতে যাবে না এবং জান্নাতের খুশবুও পাবে না অথচ জান্নাতের খুশবু তো এত এত দূর থেকে পাওয়া যাবে। (মুসলিম ২/২০৫, হাদীস : ২১২৮) অলংকারাদি প্রদর্শনের যে এক প্রতিযোগিতায় বিভোর হয়ে নারীরা আজ যা করছে তার সতর্কতাস্বরুপ নিচের কথাই যথেষ্ট। ইমাম যাহাবী রাহ. বলেন, যে সব কর্ম নারীর উপর লানত করে তা হল অলংকার ও আকর্ষণীয় পোশাকের সৌন্দর্য প্রকাশ করা। ঘর থেকে বের হওয়ার সময় সুগন্ধি ব্যবহার। (আলকাবায়ের : পৃ. ১০২) চলুন আমরা তেমন পর্দা করি যেমনটা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কুরআনে উল্লেখ করেছেন, তাদের ফলো করি যারা আমাদের প্রকৃত আইডল। এসব ভ্লগার একজন মুসলিম মেয়ের আইডল হতে পারেনা, আমাদের আইডল নারী সাহাবাগন। রাদিআল্লাহু আনহুম। - কামরুন নাহার মীম

আচ্ছা, ছেলে মানুষ এতটা গাইরতহীন হয় কীভাবে! . মাঝেমধ্যেই দেখি কিছু ভাইয়েরা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের মা, বোন, স্ত্রীর ছবি শেয়ার করে বেড়ান। আচ্ছা ভাই, আপনাদের কি গাইরত নেই? নিজেদের আত্মমর্যাদা কি সব বন্ধক দিয়ে রেখেছেন? . ছেলে মানুষ হবে গাইরতওয়ালা। পসেসিভ। ‘ন্যারো’ মাইন্ডেড। সে তার মা-বোন-স্ত্রী'দের নন মাহরাম কাউকে দেখতে দেবে না। ছেলেরা হবে তাদের জন্য সুরক্ষা প্রাচীরের মতো, যে তাদেরকে বেগানার চাহনি থেকে নিরাপত্তা দেবে। . কিন্তু ভাইয়েরা, আপনারা কী করছেন? কদিন পরপর তথাকথিত মা দিবস, বউ দিবসের স্লোগান দিয়ে দিয়ে তাদেরকে অনলাইন দুনিয়ায় উন্মুক্ত করে দিচ্ছেন। নিজেদের মায়েদেরকে, স্ত্রীদেরকে অন্যদের দেখার জন্য সুযোগ করে দিচ্ছেন। কেন ভাই? ঠিক কোন ভালোবাসায় আপনি আপনার মা-বোন-স্ত্রীর ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে দিচ্ছেন? আপনাদের কি আত্মমর্যাদা নেই? . আপনাদের মতো লোকদের উদ্দেশ্য করেই আলি ইবনু আবী তালিব (রদিয়াল্লাহু আনহু) প্রশ্ন ছুঁড়েছিলেন— ‘তোমাদের কি লজ্জা নেই? গাইরত নেই? তোমরা নারীদেরকে পুরুষদের মাঝে ছেড়ে দিয়েছ। তারা পুরুষদেরকে দেখছে, পুরুষরাও তাদেরকে দেখছে!’ (কিতাবুল কাবাইর, ১৭১) . ভাই আমার, আত্মমর্যাদাবান হোন। আমাদের নবি মুহাম্মাদ ﷺ আত্মমর্যাদাবান ছিলেন। প্রচন্ড আত্মমর্যাদাবান। আর আমাদের রব সবচেয়ে বেশি আত্মমর্যাদাবান। . একবার সাহাবি সা’দ ইবনু উবাদা (রদিয়াল্লাহু আনহু) একজনকে বলছিলেন, ‘যদি আমি আমার স্ত্রীর সাথে (গাইর মাহরাম) কোনো পুরুষকে দেখি, তাহলে আমি ত/র/বা/রি দিয়ে তার গ/র্দা/ন ফেলে দেব।’ এই কথা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছে পৌঁছলে তিনি সাহাবিদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘তোমরা কি সা’দের আত্মমর্যাদা দেখে অবাক হচ্ছ? আল্লাহর শপথ! আমি সা’দের থেকেও বেশি আত্মমর্যাদাবান এবং আল্লাহ আমার থেকেও বেশি আত্মমর্যাদাবান।’ (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং - ১৩৯৮) . তাই ভাইয়েরা, এমনটা করবেন না। আপনাদের মা, বোন বা স্ত্রীর ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করে বেড়াবেন না। মানুষের সামনে তাদেরকে উন্মুক্ত করে দেওয়াতে ভালোবাসা নেই। আছে লজ্জাহীনতা, গাইরতহীনতা, দায়িত্বহীনতা। . আচ্ছা, এমনও তো হতে পারে যে, আপনি তাদের যেসব ছবি আপলোড করছেন, কেউ সেগুলো এডিট করে কোনো পর্ন সাইটে আপলোড করে দিল! হতে পারে না? . সচেতন হোন, ভাইয়েরা। আত্মমর্যাদাবান হোন। নিজের মা, বোন আর স্ত্রীর জন্য সুরক্ষা প্রাচীর হোন। তাদের বেইজ্জতির কারণ হইয়েন না। ©

গর্ভাবস্থায় মায়েদের শরীর চুলকানি ও জন্ডিসের সমস্যাঃ করণীয় ও চিকিৎসা অনেক সময় দেখা যায় পুরো গর্ভকালীন সময় জুড়ে মায়েদের মৃদু চুলকানির সমস্যা দেখা দেয়। অনেকের ক্ষেত্রে এটা গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাসে লক্ষ্য করা যায়। সাথে মৃদু জন্ডিস (S.Bilirubin 5-6 mg/dl) থাকতে পারে এবং সেটা চুলকানি শুরু হওয়ার ২ সপ্তাহ পর থেকে দেখা দেয়। প্রস্রাবের রং গাঢ় হলুদ এবং মলের রং সাদাটে বর্ণ ধারণ করে। স্বাস্থ্য সাধারণত অটুট থাকে এবং কোন ব্যথা থাকে না। তবে দেহের ওজন বেশ কমে যেতে পারে। শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর জন্ডিস চলে যায় এবং ১-২ সপ্তাহের মধ্যে চুলকানিও বন্ধ হয়ে যায়। এরূপ চুলকানির সমস্যার পুনরাবৃত্তি পরবর্তী গর্ভধারণের সময়ও দেখা দিতে পারে। ল্যাব টেস্টঃ S. Bilirubin ও S. Alkaline Phosphatase বেড়ে যায় কিন্তু SGPT, SGOT ও GGT সাধারণত নরমাল থাকে। সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পর S. Bilirubin ও S. Alkaline Phosphatase এর মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসে। ভিটামিন কে এর ঘাটতির জন্য Prothrombin time বেড়ে যায়। Steatorrhea বা মলের সাথে প্রচুর পরিমানে চর্বি নিঃসৃত হয়। গর্ভাবস্থায় কোলেস্ট্যাটিক চুলকানি সাধারণত পারিবারিক ঐতিহ্য অনুযায়ী হয়ে থাকে এবং দেখা যায় মা, বোন ও তাদের কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। এদের মধ্যে যারা জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করেন তাদেরও এমনটা হতে পারে। রোগ নির্ণয়ঃ প্রথম গর্ভধারনের সময় ভাইরাস জনিত জন্ডিস থেকে এ অবস্থাটি পৃথক করা কঠিন হয়ে পড়ে। শুধু মাত্র চুলকানি এবং S. Bilirubin ও S. Alkaline Phosphatase এর মাত্রা বৃদ্ধি দেখে এই রোগ নির্ণয় করতে হয়। এখানে ভাইরাস জনিত জন্ডিসের মতো খাওয়ায় অরুচি, বমি কিংবা বমি বমি ভাব, জ্বরের অনুভূতি ইত্যাদি লক্ষ্মণ উপসর্গগুলো সাধারণত থাকে না। চিকিৎসাঃ যথাযথ খাবার ও পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। গর্ভপরবর্তী রক্তপাত এড়াতে সন্তান ডেলিভারির অন্তত ৬ ঘন্টা পূর্বে ভিটামিন কে গ্রহণ করতে হবে। ডেক্সামিথাসন ১২ মিগ্রা/দিন করে ৭ দিনের জন্য (যা চুলকানি কমায় এবং শিশুর ফুসফুসের উন্নয়নে সহায়তা করে); আরসোডিঅক্সিকোলিক এসিড ১-২ গ্রাম/দিন (যা চুলকানি কমায়, লিভার ফাংশনের উন্নয়ন ঘটায় এবং শিশু মৃত্যুর হার কমায়); বর্তমানে এটাই গর্ভাবস্থায় চুলকানির ফার্স্ট-লাইন চিকিৎসা হিসেবে গৃহীত হয়েছে। রোগের গভীরতা ও খারাপ পরিণতি অনুধাবন করে গর্ভাধারণের ৩৬ কিংবা ৩৮ সপ্তাহের মধ্যে ডেলিভারি করিয়ে নিতে হবে। অনাগত শিশুর বেশ কিছু ঝুঁকি রয়েছে - গর্ভপাত হয়ে যাওয়া, শিশু পুর্নাঙ্গ হওয়ার পূর্বেই ভূমিষ্ট হয়ে যাওয়া, অপূর্নাঙ্গ শিশুর জন্ম, গর্ভকালীন শিশুর শ্বাসকষ্ট এমনকি শিশুর মৃত্যু। তাই অনাগত শিশুকে অত্যন্ত যত্ন সহকারে মনিটর করতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডেলিভারি করিয়ে নিতে হবে। শিশুর পরিণতি ভালো হতে পারে যদি মা আরসোডিঅক্সিকোলিক এসিড গ্রহণ করে থাকেন। মায়ের রোগ পরিণতি অত্যন্ত চমৎকার। মাকে এই বলে সতর্ক করে দিতে হবে যে, পরবর্তী গর্ভধারণের সময়ও এই অবস্থার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে এবং চুলকানি আরও বাড়তে পারে যদি তিনি জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করে থাকেন। ডাঃ এম সাঈদুল হক সহকারী অধ্যাপক, লিভার বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। চীফ কনসালট্যান্ট, ঢাকা গ্যাস্ট্রো-লিভার সেন্টার। ০১৭০৩-৭২৮৬০১, ০১৭১০-০৩২১৫৮ ০১৯২৭-০৬৮১৩৬, ০১৮৬৫-৫০৪০২৬

ভুমিকম্প, ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, সুনামী.. ইত্যাদি বিপদগুলোকে নিছক 'প্রাকৃতিক' দুর্যোগ বলে চালিয়ে দেয়া যাবে না। বরং এগুলো সতর্কবার্তা এবং মানুষের ঈমান-আমল ও চরিত্রে যে দুর্বলতা ও সমস্যা তার সামান্য শাস্তি স্বরূপ। মানুষের অপরাধের ভিত্তিতে দুনিয়াতে তাদেরকে শাস্তি দিলে কেউ রেহাই পেত না। আল্লাহ সবাইকে ধ্বংস করে দিতেন। আল্লাহ বলেন, "আর তোমাদের উপর যে বিপদ-মুসীবত আপতিত হয়, তা তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল। তোমাদের অনেক অপরাধই তিনি ক্ষমা করে দেন। (সূরা শূরা: ৩০) আল্লাহ আরো বলেন, "আল্লাহ মানুষকে তাদের সব কৃতকর্মের কারণে শাস্তি দিলে ভূপৃষ্ঠের কোন প্রণীকেই তিনি রেহাই দিতেন না। কিন্তু তিনি একটি নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দিয়ে থাকেন...। (সূরা ফাতির: ৪৫) © আব্দুল্লাহ আল কাফী (হাফি.)

মেডিটেশন আপনার জীবন পাল্টে দিতে পারে। 1.অতীত ও ভবিষ্যতের দুঃখকে দূরে সরিয়ে বর্তমানের উপর ফোকাস করতেও সাহায্য করতে পারে। 2.আপনার নেগেটিভ ইমোশনাল থেকে বের হতে পারবেন। 3.আপনার ইমাজিনেশন এবং ক্রিয়েটেভিটি বৃদ্ধি করতে পারবেন। 4.আপনি স্ট্রেসফুল সিচুয়েশনে নতুন পারস্পেকটিভ গেইন করতে পারবেন। 5.আপনার ধৈর্য্য শক্তি বাড়াতে পারবেন। 6.আত্ম-সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারবেন। 7.আপনার বর্তমানের উপর ফোকাস করতে পারবেন। 8.প্রতিদিন ২০ মিনিটের ধ্যান আপনার শরীরকে 1 ঘন্টা গভীর ঘুমের মতো বিশ্রাম দিতে পারে এবং আপনার রক্তচাপকেও নিয়ন্ত্রনে আনতে পারে। মেডিটেশন করার নিয়ম। https://m.facebook.com/groups/parapsychologybangladesh/permalink/1010458899543481/?mibextid=Nif5oz https://m.facebook.com/groups/parapsychologybangladesh/permalink/1011097539479617/?mibextid=Nif5oz https://m.facebook.com/groups/parapsychologybangladesh/permalink/1013693149220056/?mibextid=Nif5oz

💕 ভালো ঘুমের জন্য যা করবেন 💕 ঘুমানোর আগে অবশ্যই হাত-পা পরিষ্কার করে লোশন লাগিয়ে নিন। ত্বক শুষ্ক হলে লোশনের সঙ্গে গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ঘুমানোর আগে ত্বকের যত্নের পাশাপাশি ভালো ঘুম হওয়ার আরও এমনই কিছু উপায় বলে দিলেন রূপ বিশেষজ্ঞ আফরিন মৌসুমি। শোয়ার আগে হাত-মুখ ও পা ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। গলা ও কাঁধ ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুছে নিতে পারেন, বিশেষত যাঁরা বাড়ির বাইরে কাজ করেন, তাঁদের জন্য কাঁধ ও ঘাড় ভিজিয়ে নেওয়া খুবই ভালো অভ্যাস। চাইলে গোসল করে নিতে পারেন। গোসলের আগে হালকাভাবে তেল মালিশ করা ভালো। তিল, নারকেল বা সরিষার তেল বেছে নিতে পারেন। মিনিট পাঁচেক সময় নিয়ে তেল মালিশ করে আরও পাঁচ-দশ মিনিট অপেক্ষার পর গোসল করুন। এতে ত্বক কোমল ও মসৃণ থাকে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ে, ক্লান্তি দূর হয়। শুধু ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়েই ঘুমানো যাবে না। মুখ পরিস্কার করে অবশ্যই খুব ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। ময়েশ্চারাইজার যত হালকা হবে, তত ভালো। চাইলে বাড়িতেও তৈরি করতে পারেন ময়েশ্চারাইজার। ৪ টেবিল চামচ ভাত (রান্নার পর স্টিলের চালনিতে চেলে নরম করে নিতে হবে), ১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল, ১টি সেদ্ধ আলু এবং ২টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল (ক্যাপসুলের ভেতরের রস) মিশিয়ে ময়েশ্চারাইজার তৈরি করতে পারেন। এটি সব ধরনের ত্বকের জন্য ভালো, ক্লিনজার হিসেবেও কাজ করে। সুগন্ধে ভালো ঘুম হয়। তাই ঘরে সুগন্ধির ব্যবস্থা করতে পারেন। রজনীগন্ধা ও বেলি ফুলের মতো ফুল প্রাকৃতিক অ্যারোমার কাজ করে। এছাড়াও শোবার হালকা মিউজিকের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। আর পাটভাঙা নতুন কাপড় নয়, ঘুমানোর সময় পাতলা নরম কাপড় পরলে আরাম অনুভব করবেন। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - https://www.facebook.com/groups/149192167228573 #konna #fitness #healthylifestyle #motivation #health #healthy #workout #sleep

হিসনুল মুসলিম দোআ: [১৮৬] নয়ন প্রীতিকর স্ত্রী ও সন্তানাদি লাভের দোয়া [২৫:৭৪] رَبَّنَا هَبۡ لَـنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَذُرِّيّٰتِنَا قُرَّةَ اَعۡيُنٍ وَّاجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِيۡنَ اِمَامًا‏ হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন যারা আমাদের চক্ষু শীতল করবে। আর আপনি আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন রব্বানা-হাব্লানা-মিন্ আয্ওয়া-জ্বিনা-অ র্যুরিয়্যা-তিনা-কুররাতা আ’ইয়ুনিঁও অজ্ব্‘আল্না-লিল্মুত্তাকীনা ইমা-মা-। দোয়ার প্রেক্ষাপট: প্রকৃত ঈমানদার ও জান্নাত আকাঙ্খীরা তাদের দুনিয়ার পারিবারিক জীবন সুন্দর করতে এবং আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে দুনিয়ার জীবনে যথাযথভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে আল্লাহর দরবারে এরূপ দু'আ প্রার্থনা করে। সূরা আল-ফুরকান - ২৫:৭৪ দোআ ও যিকির (হিসনুল মুসলিম) অ্যাপটি পেতেঃ https://gtaf.org/apps/hisnulbn #GreentechApps

দিনের কখন কোন কাজটা করা উচিত, দেহঘড়ি অনুযায়ী মানছেন কি? ১. ভোর ৬টা থেকে সকাল ৮টা ৫৯ এই সময় আপনার হার্ট সবচেয়ে দুর্বল থাকে। রক্তনালিগুলো তুলনামূলকভাবে অনমনীয় থাকে। আর রক্তচাপ থাকে সর্বোচ্চ। এই সময় ঘুমের জন্য দায়ী হরমোন মেলাটনিনের নিঃসরণ বন্ধ হয়ে যায়। এই সময় শরীরচর্চা না করাই ভালো। ২. সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা ৫৯ এই সময় আপনি সম্ভবত অফিসে। এ সময় আমাদের শরীর কাজ করার মুডে থাকে। তবে সর্বোচ্চ পরিমাণে নিঃসৃত হয় স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল। এটা আমাদের সতর্ক থাকতেও সাহায্য করে। দুপুরে খাবারের আগপর্যন্ত আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়তে বাড়তে সর্বোচ্চ হয়ে যায়। তবে এই সময়ের স্মৃতি আমাদের সবচেয়ে কম মনে থাকে। এর অন্যতম কারণ, এটা ‘শর্ট টার্ম মেমোরি’রও সময়। এই সময় আপনার উচিত ব্যস্ত থাকা। ৩. দুপুর ১২টা থেকে বেলা ২টা ৫৯ দুপুরের খাবারের পর আমাদের পেট ভরা থাকে। এই সময় গ্যাস্ট্রিকজনিত কার্যক্রম বাড়ে। এটা গাড়ি চালানোর জন্য সবচেয়ে খারাপ সময়। বিশ্বে যত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে, তার বেশির ভাগই বেলা ২টা থেকে ৩টা—এই সময়ের মধ্যে। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষেরা এই সময় রাস্তায় মারা যান। এই সময় মদজাতীয় কোনো কিছু খাওয়া উচিত নয়। কেননা অন্য সময়ের তুলনায় এই সময় অ্যালকোহল বেশি ‘চড়ে বসে’। ৪. বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা ৫৯ এটি শারীরিক পরিশ্রমের জন্য সেরা সময়। এই সময় শরীরের তাপমাত্রা সবচেয়ে বৃদ্ধি পায়। হাঁটা বা ‘ওয়ার্ম আপ’ জাতীয় ব্যায়াম আপনি করতেই পারেন। এই সময় হার্ট ও ফুসফুস সবচেয়ে ভালো থাকে। শরীরের মাংসপেশিও শতকরা ৬ ভাগ শক্তিশালী থাকে। অনেকেই এই সময় দৌড়ে বা ‘অ্যাথলেটিক’ কিছু করে রেকর্ড গড়েছেন। ৫. সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা ৫৯ এই সময়ের যত শুরুর দিকে আপনি রাতের খাওয়া সেরে নেবেন, তত ভালো। যত দেরি করবেন, তত খারাপ। অর্থাৎ সন্ধ্যা ৬টায় যদি রাতের খাবার খেয়ে নেন, সবচেয়ে ভালো। ৮টা ৫৯–এ খেলে বেশ দেরি হয়ে যায়। তবে এই সময়ের মধ্যে ভারি কিছু খাওয়া যাবে না। এটি নিজেকে নিয়ে ভাবার জন্য ভালো সময়। ৬. রাত ৯টা থেকে রাত ১১টা ৫৯ এই সময় ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন নিঃসৃত হতে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা কমতে থাকে। ঘুমিয়ে পড়ার সেরা সময়। রাত ৯টা থেকে ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন নিঃসৃত হতে থাকে (সংগৃহীত) (logical science)

Life Changing Habits Part 1 1. প্রতিদিন 7+ ঘন্টা ঘুমান। ঘুম আপনার শরীরের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কমপক্ষে 7 ঘন্টা পর্যাপ্ত ঘুম। 2. প্রতিদিন 10 মিনিট Meditation করুন। তাহলে আপনি আপনার ব্রেইনের যত্ন নিচ্ছেন। শান্ত ও নিরব জায়গায় কমপক্ষে প্রতিদিন ১০ মিনিট মেডিটেশন করুন। 3. প্রতিদিন সানলাইটে ১০ মিনিট থাকুন। সেরা সময় 7am টা থেকে 9am টা পর্যন্ত। 4. ভোরে ঘুম থেকে ওঠা বিশ্বের সবচেয়ে সফল ব্যক্তিদের সাফল্যের অন্যতম রহস্য ছিল। 5. প্রতিদিন 30 মিনিট পড়ুন। প্রতিদিন 30 মিনিটের জন্য বই পড়ুন। এটি আপনার নলেজ ইম্প্রুভ করবে এবং আপনার আইডিয়া গুলো প্রসারিত করবে। 6. সুগার এবং জাঙ্ক ফুডকে না বলুন। 30 দিন চিনিযুক্ত জিনিস খাবেন না বা পান করবেন না। ৩০ দিন পর বুঝতে পারবেন। 7. সপ্তাহে অন্তত 3/4 বার ওয়ার্কআউট করুন। 8. দিনে অন্তত 3 লিটার পানি পান করুন। এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি আপনার শরীরকে সব সময় হাইড্রেটেড রাখবে।