1 995
المشتركون
-124 ساعات
لا توجد بيانات7 أيام
+430 أيام
أرشيف المشاركات
1 996
পুরুষের যৌন সমস্যা
( ১৮+ যৌন শিক্ষা বিষয়ক লেখা )
.
🟩 সমস্যা ১ঃ
☑️যৌন আকাঙ্ক্ষার অভাব (Impaired Sexual Interest)
.
☑️লক্ষনঃ
এখানে পুরুষদের মধ্যে যৌন উত্তেজনা আসে এবং যৌন সুখ লাভ করেন কিন্তু তাদের যৌন কাজের প্রতি আগ্রহ তীব্রভাবে কমে যায়। নিজের মধ্যে যৌন আগ্রহ কমে যাওয়ার কারণে সঙ্গীর সব ধরনের যৌন আবেদন বা আচরণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করে এবং পুরুষ নিজ উদ্যোগী হয়ে কখনো সঙ্গীর সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হয় না। কিছু কিছু পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে যৌনতায় আগ্রহ না পেলেও হস্তমৈথুন করে যৌন সুখানুভূতি লাভ করে।
.
অনেক নারী অভিযোগ করে থাকেন যে তাদের স্বামী তাদের সঙ্গে যৌন মিলন না করলেও তাদের সামনেই হস্তমৈথুন করে। একজন নারী এ ধরনের আচরণ কখনো মেনে নিতে পারে না এবং এতে করে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয় যেটা অন্যান্য ছোট খাট বিষয় দিয়ে প্রকাশিত হয়।
.
স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ, ঝগড়াঝাঁটি, বিষন্নতা, সঙ্গীর প্রতি সন্দেহবাতিকতা ইত্যাদি কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
.
🟩 সমস্যা ২ঃ
☑️ইরেক্টাইল ডিসফাংশন (Erectile Dysfunction)
(লিঙ্গ ঠিকভাবে শক্ত না হওয়া)
.
☑️লক্ষনঃ
DSM- 5 (Diagnostic and Statistical Manual for mental disorders) এর মতে, সঙ্গীর সঙ্গে যৌনসহবাস করার জন্য বা যোনিপথে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর জন্য লিঙ্গ প্রয়োজনীয় পরিমান শক্ত হয় না। যৌন আদর করার পরও তাদের লিঙ্গ শক্ত হয় না, অথবা হলেও যোনিতে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর সময় লিঙ্গটা নেতিয়ে বা নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এতে করে লিঙ্গ যোনিতে ঢুকে না। অথবা ঢুকাতে পারলেও বীর্য বের (Ejaculate) হওয়ার আগেই লিঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যায়। ফলাফল, সঙ্গীকে চূড়ান্ত যৌন সুখ দিতে পারে না। ৭ থেকে ১৮ শতাংশ পুরুষদের মধ্যে জীবনে কোনো না কোনো সময়ে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এটাকেই মূলত পুরুষত্বহীনতা বলা হয়।
.
শৈশব নির্যাতন অথবা যৌন আঘাত, দীর্ঘ মেয়াদি চাপ, সঙ্গীকে যৌনসুখ না দিতে পারার অপরাধবোধ, বিষন্নতা, দাম্পত্য কলহ ইত্যাদি কারণে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন হতে পারে।
.
🟩 সমস্যা ৩ঃ
☑️দ্রুত বীর্যপাত (Premature Ejaculation)
.
☑️লক্ষনঃ
মাস্টার অ্যান্ড জনশন, সেক্স থেরাপিস্ট (১৯৭১) এর মতে, পুরুষদের মধ্যে এটা খুবই কমন সমস্যা। এখানে যৌন আদরের কারণে পুরুষদের লিঙ্গ উত্থিত হয় কিন্তু যৌন সহবাসের নিমিত্তে নারীর যোনিপথে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর পরপরই বীর্য বের হয়ে যায়। সময়ের হিসেবে বললে ১ মিনিটের ও কম সময়ের মধ্যে বীর্যপাত হয়ে যায়। যদিও যৌনসঙ্গমের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নাই তবুও যদি দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে সঙ্গীর মনে হতে পারে যৌনসুখের সময়টা খুবই ক্ষনস্থায়ী ছিল বা পরিপূর্ণ/চূড়ান্ত সুখ লাভ করতে পারেনি।
.
এরকম দ্রুত বীর্যপাত নারী এবং পুরুষ দুজনের জন্যই চরম লজ্জাকর ও হতাশাজনক হতে পারে। ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পুরুষের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এ সমস্যা হতে পারে। তবে DSM-5 অনুযায়ী কারো মধ্যে এ সমস্যাটা ৬ মাস ধরে থাকলে ডাক্তার অথবা চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানীদের শরণাপন্ন হওয়া দরকার।
.
যদি এ সমস্যার সঠিক কারণ এখনো অজানা তবুও মানসিক চাপ, বিষন্নতা, দুশ্চিন্তা, সঙ্গীকে সুখি করতে না পারার জন্য দোষী, নিজের শরীরের ইমেজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসের অভাব, যৌন সহবাসের সময় সম্পর্কে ভুল ধারণা ইত্যাদি কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
.
🟩 সমস্যা ৪ঃ
☑️বিলম্বিত বীর্যপাত (Retarded Ejaculation)
.
☑️লক্ষনঃ
এটা পুরুষের এমন একটি সমস্যা যেখানে দীর্ঘক্ষণ যৌনসঙ্গম করার ফলেও বীর্যপাত করতে পারে না বা বীর্যপাত হয় না। এমনকি ২৫/৩০ মিনিট পরেও বীর্যপাত হয় না। এতে করে পুরুষ কখনও ক্লাইমেক্স বা চরমপুলক লাভ করে না। ওদিকে সঙ্গীর অর্গাজম হয়ে যায় (শারীরিক স্বাভাবিক অবস্থা)। কিন্তু পুরুষের বীর্যপাত না হওয়ায় বা খুবই দেরিতে হওয়ার কারণে নারী সঙ্গীর অবস্থা তখন ভয়াবহ হয়ে যায়। এ অবস্থা যদি কোনো পুরুষের মধ্যে ৬ মাসের বেশি সময় ধরে থাকে তাহলে মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা জরুরি।
.
এটাকে বিলম্বিত অর্গাজম বলা হয়। এ সমস্যার কারণে অনেক নারী বিবাহবিচ্ছেদ ঘটায়। কিন্তু এটার চিকিৎসা করলে সুফল পাওয়া যায়।
.
🟩 সমস্যা ৫ঃ
☑️যৌন বিতৃষ্ণা বা বিরাগ (Sexual Aversion)
.
☑️লক্ষণ:
এখানে পুরুষের মধ্যে যৌন কাজের প্রতি মারাত্মক অনীহা চলে আসে। যৌন কাজের বা যৌন সঙ্গমের প্রতি অনীহা ঘৃণা, অপমান, লজ্জা এবং আত্মসম্মানের সঙ্গে জড়িত থাকে। এ বিতৃষ্ণা বা অনীহা যে কোনো স্পেসিফিক কাজ যেমন ওরাল সেক্স অথবা যৌনিতে লিঙ্গ ঢুকানো নিয়ে হতে পারে, এটা হতে পারে বীর্যের গন্ধ, চুমু দেয়ার সময় লালার গন্ধের প্রতি। এটা হতে পারে সঙ্গীর যৌন অঙ্গ যেমন স্তন বা যোনির প্রতি। এটা হতে পারে যৌন সঙ্গম করার সময় সঙ্গীর বিভিন্ন শব্দের প্রতি।
1 996
আমাদের অফিসে / কর্মক্ষেত্রে / শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে / সোশ্যাল মিডিয়ায় গ্যাঞ্জাম এড়িয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করে যেতে হয়। যদিও সকলের কাছে সমান ভালো থাকা সম্ভব নয় !!
.
ভালো থাকার জন্য কিছু টিপস ফলো করা যায়।
.
★ অপরিচিত বা কম পরিচিত বা সোশ্যাল মিডিয়ায় কারো সাথে ব্যক্তগত কথা আলাপ না করা ।
★ সোশ্যাল মিডিয়ায় কারো সাথে গলায় গলায় সম্পর্ক তৈরি না করা ।
★ চুপ চাপ আন্তরিক ভাবে নিজের কাজ করা ।
★ অন্যে কি করলো না করলো এসব না দেখা ।
★ অফিশিয়াল কথা / প্রয়োজনীয় কথা ছাড়া অফিসে/কর্মক্ষেত্রে /শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন্য কোনো বিষয় আলাপ না করা
★ অফিসে / শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে /সোশ্যাল মিডিয়ায় কে ভালো বা কে মন্দ এসব কথা না বলা ও না শোনা ।
★ নিজের ব্যক্তিত্ব বজায় রাখা ।
★ অন্যের কাজে নাক না গলানো ।
★ সর্বোপরি কারো কোন কাজ ভালো না লাগলে তাকে এড়িয়ে চলা।
★ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আলাপ-আলোচনা এড়িয়ে যাওয়া ।( তাবলীগ/ দাওয়াতী কার্যক্রমের বিষয় আলাদা)
1 996
#সাইবার_বুলিং
আজকে হঠাৎ করে একটা পরিচিত মেয়ের ফেসবুক রিকুয়েস্ট আসলো। আমি রিকুয়েস্ট গ্রহন করার আগে, একটু পোস্টগুলোর দিকে নজন দিতেই অবাগ হয়ে গেলাম। প্রথম পোষ্টটা খুব জাজমেন্টাল টাইপের! নিজেকে প্রশ্ন করলাম, এরকম তিনি লিখেছেন কেন? আগ্রহ বেড়ে গেল। পরবর্তী পোস্টে দেখে চমকে উঠলাম। এবার তাকে নিয়ে এডিট করা কিছু ছবি, আমার সন্দেহ আবার বেড়ে গেল। পরের পোস্টে লেখা ’আমাার অনেকগুলো নোংরা জীবন আছে যা জানলে আপনারা সবাই আমাকে থুথু দিবেন’। এবার বুঝতে বাকি থাকলো না তার কি হয়েছে। মোবাইল নাম্বার কালেক্ট করে তাকে ফোন দিয়ে বুঝলাম আমার ধারনাই সঠিক। তিনি সাইবার বুলিংয়ের শিকার। দ্রুত তাকে সাইবার বুলিংয়ের ওমেন সাপোর্ট কেন্দ্রের ফোন নাম্বার (০১৩২০—০০০৮৮৮) দিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেছি।
মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, বুলিং হলো কাউকে ছোট করা, অপমান করা কিংবা বল প্রয়োগ করে, ভয় দেখিয়ে বা অপমান বা অপদস্ত করে বিকৃত আনন্দ উৎযাপন করা। আর সাইবার বুলিং হল কাউকে হয়রানি, হুমকি বা ভয় দেখানোর জন্য সেল ফোন, তাৎক্ষণিক বার্তা, ই—মেইল, চ্যাট রুম বা ফেসবুক এবং টুইটারের মতো সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটগুলির ব্যবহার করে বুলিং করা। গবেষণায় দেখা যায় যে, প্রায় ৬০% কিশোর—কিশোরীদের সোশ্যাল মিডিয়াতে সাইবার বুলিং করা হয়েছে বা অনলাইনে হয়রানি করা হয়েছে। বুলিংকারীরা আক্রমণ করতে, বেদনাদায়ক মিথ্যা ছড়ানো, এমনকি গুজব শুরু বা স্থায়ী করার জন্য সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলি ক্রমবর্ধমান ব্যবহার করে, যা বুলিংয়ের শিকার ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদী মানসিক ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে।
#কিভাবে_বুঝবেন_আপনার_প্রিয়জন_সাইবার_বুলিংয়ের_স্বীকার: আপনার প্রিয়জন সাইবার বুলিংয়ের স্বীকার হলে তার মধ্যে নিম্নের আচরণগুলো দেখা যেতে পারে:
—সামাজিক আচরণ কমে যায়
—তিনি বন্ধু বা সামাজিক ইভেন্ট এড়িয়ে চলেন
—স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় তাদের ঘরে নিজেকে আলাদা করে ফেলেন
— দিনে চুপচাপ করে একা থাকার প্রবনতা বেড়ে যায়।
— স্কুলের কাজে মনোনিবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে
— পরীক্ষায় গ্রেড কমতে থাকে
— স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, যা তারা সাধারণত উপভোগ করতেন
—স্কুল এড়িয়ে যাওয়া বা স্কুল এড়িয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করা
—তাদের ফোন, ট্যাবলেট বা কম্পিউটারের দিকে তাকালে রাগ দেখায়
—তাদের ফোন বা কম্পিউটারের পর্দা দৃশ্য থেকে লুকিয়ে রাখতে পারেন
— হঠাৎ তাদের ফোন ব্যবহার এড়িয়ে চলেন
— নিকোটিন বা ড্রাগ বা অ্যালকোহল ব্যবহার করতে পারেন
— নেতিবাচক চিন্তা বা আবেগ প্রকাশ করেন
—কোন কারন ছাড়া আত্মহত্যার কথা বলেন, আত্মহত্যার হুমকি দিতে পারেন কিংবা চেষ্টা করতে পারেন।
#প্রতিকার: সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে দ্রুত তার প্রফেশনাল কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করুন। একজন প্রফেশনাল সাইকোলজিষ্ট এসেমেন্ট করে কি কি করতে হবে সেই ব্যবস্থা নিবেন। তার প্রতি পারিবারিক সহয়োগীতা ও সহমর্মীতা বাড়ান। তাকে দোষ দিবেন না, কারণ তাকে নিয়ে কেউ এমন করছে, এখানে তার কোন দোষ নেই। পাশাপাশি দ্রুত পুলিশের সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ সেলে ফোন করে বিস্তারিত জানান।
(ছবিটি অনলাইন থেকে নেয়া)
জিয়ানুর কবির
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট।
1 996
কিভাবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করবেন?
✅পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কি?
বিদেশ যাওয়ার জন্য কিভাবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করবেন? কিভাবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট হাতে পাবেন? কিভাবে নিজেই অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করবেন? সবকিছু বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এই লেখায়।
✅ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কি?
চাকুরি বা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ গমণের ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। এর মাধ্যমে সার্টিফিকেট প্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় কোনও ফৌজদারী অপরাধের রেকর্ড নেই – এই মর্মে প্রত্যয়ন করা হয়। অর্থাৎ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর মাধ্যমে সার্টিফিকেট প্রাপ্ত ব্যাক্তি অপরাধী নন, এবং তার বিরুদ্ধে থানায় কোনও অভিযোগ নেই এই বিষয়টি নিশ্চিতকরণ করা হয়। পুলিশ কোনও অপরাধীকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করে না।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী।
✅ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার শর্তাবলী হলো –
১. আবেদনকারীর কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ সম্পন্ন পাসপোর্ট থাকতে হবে।
২. আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা হিসেবে পাসপোর্টে উল্লিখিত স্থায়ী কিংবা জরুরী ঠিকানার যে কোন একটি ব্যবহার করতে হবে এবং আবেদনকারীকে অবশ্যই ঐ ঠিকানার বাসিন্দা হতে হবে।
৩. মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এম আর পি) এর ক্ষেত্রে যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ স্বরূপ জাতীয় পরিচয় পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র/স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে দাখিল করতে হবে ।
৪. বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী কোনও ব্যক্তির পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশন কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত কপি তার পক্ষে করা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে ।
৫. বিদেশগামী কিংবা প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক যারা বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য কোনও দেশ থেকে পাসপোর্ট ইস্যু/রি-ইস্যু করিয়েছেন তাদেরকে বাংলাদেশে আসার পর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে চাইলে সর্বশেষ এরাইভেল (Arrival) সিল সম্বলিত পৃষ্ঠাটির স্ক্যান কপি আবেদনের সাথে আপলোড করতে হবে।
৬. প্রবাসী আবেদনকারীগণ যার মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ সংগ্রহ করতে চান তার নাম এবং জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর উল্লেখ করে তাকে সত্যায়ন পূর্বক একটি অনুমতি পত্র (Authorization Letter) আবেদনের সাথে আপলোড করতে হবে। স্থানীয় আবেদনকারীর ক্ষেত্রেও সনদ গ্রহণের সময় সংগ্রহকারীকে অনুরূপ অনুমতি পত্রসহ প্রেরণ করতে হবে।
৭. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাকুরী কিংবা অন্য কোন কাজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হলে আপনি যে জেলার বাসিন্দা উক্ত জেলা ডিএসবি অফিস অথবা আপনার ঠিকানা যদি মেট্রোপলিটন এলাকায় হয় তাহলে উক্ত মেট্রোপলিটন এলাকার সিটি এসবি অফিসে যোগাযোগ করুন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য কি ডকুমেন্টস বা কাগজপত্র প্রয়োজন হবে?
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আপনার যেসব ডকুমেন্টস বা নথিপত্র প্রয়োজন হবে সেগুলো হলো –
১. অনলাইনে যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদন পত্র ।
২. ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি।
৩. বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী নাগরিকগনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি।
৪. বিদেশী নাগরিকদের ক্ষেত্রে নিজ দেশের জাস্টিস অব পিস (Justice of Peace) কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি।
৫. সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখা থেকে (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১) চালান কোডে করা ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালান অথবা অনলাইনে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সার্ভিসচার্জ সহ ফি প্রদান।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য কিভাবে আবেদন করবো?
যদি চাকুরি বা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ গমনের উদ্দেশ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয় তাহলে অবশ্যই আনলাইনে আবেদন করতে হবে। অন্যদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাকুরী কিংবা অন্য কোনও কাজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হলে আপনি যে জেলার বাসিন্দা উক্ত জেলা ডিএসবি অফিস (জেলা বিশেষ শাখা) অথবা আপনার ঠিকানা মেট্রোপলিটন এলাকায় হলে উক্ত মেট্রোপলিটন এলাকার সিটি এসবি অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।
নতুন নতুন আপডেট জানতে জয়েন করুন আমাদের গ্রুপে -
♻️ https://www.facebook.com/100308635529380 ♻️
বিভিন্ন বিষয় সঠিক তথ্য পেতে অথবা জানাতে যুক্ত থাকুন প্রবাসী অ্যাপের সাথে -
https://play.google.com/store/apps/details...
#probashi #jobs #work #recruitment #jobopportunity #jobvacancy #jobseekers #employment #jobsearching #PoliceClearance #PoliceClearanceCertificate
1 996
ক্যারিয়ার ক্রাইসিস থাকুন সঙ্গীর পাশে !
চাকরিবাকরি নিয়ে সমস্যায় থাকেন না, এমন মানুষ খুব কমই থাকেন। আর যেকোনো সম্পর্ক চলাকালে আপনার সঙ্গী এ নিয়ে নানা সংকটে ভুগতেই পারে। হতে পারে, হঠাৎ চাকরি হারাল বা ছেড়ে দিতে হলো। এমন ক্যারিয়ার ক্রাইসিসে সঙ্গীর জন্য আপনার কি কিছুই করণীয় নেই?
যেকোনো প্রতিষ্ঠানেরই খারাপ অবস্থা যেতে পারে। এমনও হতে পারে আপনার সঙ্গীর চাকরি হারানোর ঝুঁকি রয়েছে, বা এরই মধ্যে চাকরি হারিয়েছে। কিংবা এমনো হতে পারে, সে আর চাকরিটা করতে চায় না, তার লক্ষ্য আরো বড়। সে যা-ই হোক, এ সময় তার ভেতর হতাশা ভর করতে পারে। তাই সঙ্গীকে দোষারোপ করা চলবে না। ক্যারিয়ার ক্রাইসিসে যে কেউ ভুগতে পারে। এ সময় সঙ্গীর পাশে থাকুন। বাড়িয়ে দিন কোমল হাত।
✅ শান্ত থাকুন
এ সময় দয়া করে প্যানিক বাটনে চাপ দেবেন না। সঙ্গীর পাশে থাকুন। তাকে নিয়ে যত নেতিবাচক চিন্তা মাথায় গিজগিজ করছে, তা ঝেড়ে ফেলুন। এ সময় সুশ্রোতা হোন এবং কীভাবে এ পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটানো যায়, তা নিয়ে সহৃদয়ে আলোচনা করুন।
✅ মৌন থাকুন
এটা ব্যক্তিগত সংকট। তাই বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের লোকজনকে এসব নিয়ে কথা না বলাই ভালো। পরিবার থেকে দূরে রাখুন কাজের স্থান। আপনি যদি এসব বিষয়ে পরিবারের অন্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলে আপনার সঙ্গী বিব্রত হতে পারে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে সঙ্গীকে সাহায্য করুন।
✅ একসঙ্গে চাকরি খুঁজুন
সঙ্গীকে এ ব্যাপারটা বুঝতে দিন যে সে আর একা নয়। আপনিও তার পাশে আছেন। তার প্রতি পদক্ষেপে যথাসাধ্য সাহায্য করার চেষ্টা করুন। হতে পারে সেটা তার জীবনবৃত্তান্ত গোছাতে, কিংবা আপনার যদি জব নেটওয়ার্ক থাকে, সেখানে কড়া নাড়তে। সঙ্গীর কাছ থেকে এটাও জানতে চাইতে পারেন, ভালো চাকরির জন্য তার কোনো প্রফেশনাল ডিগ্রি করার ইচ্ছে আছে কি না। অর্থাৎ যেভাবেই হোক, সঙ্গীর পাশে থাকুন।
✅ আর্থিক দিকটাও দেখুন
ক্যারিয়ারের কোনো সংকট এলে সেটা শান্তভাবে মোকাবিলা করার চেষ্টা করুন। শুধু মানসিকভাবে নয়, আর্থিকভাবেও সঙ্গীকে সাহায্য করার চেষ্টা করুন। জীবন দুজনের, তাই আর্থিক দিকটাও দুজন মিলে সামলান। এ সময় বিলাসদ্রব্য কেনাকাটা পরিহার করতে পারেন। বাইরে খাওয়া-দাওয়া, শপিং কিংবা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আগে যেভাবে খরচ করতেন, সেটা কমিয়ে আনতে পারেন। অর্থাৎ লাইফস্টাইলে কিছুটা পরিবর্তন আনলেই কিন্তু পরিস্থিতি উত্তরণে সহায়ক হবে। সুসময় এলে তো এ অবস্থা থাকবে না, তাই না?
এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন -
🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰
#konna #কন্যা #corporate #business #events #corporateevents #event #wedding #branding #marketing #design #work #photography #party #eventplanner #office #entrepreneur #weddings #corporatelife #travel #love #eating #healthy #healthylife
1 996
চিকিৎসা বিজ্ঞানে কিছু Terminology আছে যা সকলের জন্যই জানা প্রয়োজন। অনেক সময় প্রেসক্রিপশন লেখার জন্য অথবা প্রেসক্রিপশন বোঝার জন্য শব্দগুলো প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
▪LAP = Lower Abdominal Pain. তলপেটে ব্যথা।
▪LBP = Low Back Pain. মাজাব্যথা।
▪RA = Rheumatic Arthritis. বাতজনিত সন্ধিপ্রদাহ।
▪OA = Osteo-arthritis.= অস্থি এবং অস্থিসন্ধিমূলক প্রদাহ।
▪MI = Myocardial Infarction. = একপ্রকার হৃৎপিন্ডের রোগ।
▪DUB = Dysfunctional Uterine Bleeding. = জরায়ু থেকে একাধিকবার, দীর্ঘস্থায়ী, অনিয়মিত রক্তক্ষরন।
▪ PCOS = Poly-Cystic Ovarian Syndrome.=পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম।
▪ DM = Diabetes Mellitus.= ডায়াবেটিস মেলিটাস।
▪ NIDDM = Non- Insulin Dependent Diabetes Mellitus.= ইনসুলিন অনির্ভর ডায়াবেটিস মেলিটাস।
▪ IDDM = Insulin Dependent Diabetes Mellitus.= ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিস মেলিটাস।
▪ CKD = Chronic Kidney Disease.= ক্রনিক কিডনী ডিজিজ।
▪ LVeF = Left Ventricle Failure.= বাম নিলয়ের কার্যকারীতার অভাব।
▪ COPD = Chronic Obstructive Pulmonary Disease.= ফুসফুসের পুরাতন প্রকৃতির প্রতিবন্ধকতামূলক রোগ।
▪ RTI = Respiratory Tract Infection.= শ্বাসতন্ত্রে সংক্রামসজনিত প্রদাহ।
▪ RTA = Road Trafic Accident. = সড়ক দূর্ঘটনা।
▪ UTI = Urinary Tract Infection.= মূত্রনালীর সংক্রামনজনিত রোগ।
▪ GBS = Guillain-Barre Syndrome.= গুলিয়েন-বেরী সিনড্রোম, একধরনের স্নায়ু রোগ।
▪ IBS = Irritable Bowel Syndrome.= অন্ত্রের বিশেষ ধরনের এক রোগ।
▪ IBD = Irritable Bowel Disease. / Inflammatory Bowel Disease.= অন্ত্রের বিশেষ ধরনের এক রোগ।
▪ DU = Duodenal Ulcer.= ডুওডেনামের ক্ষত।
▪ GU = Gastric Ulcer.= পাকস্থলীর ক্ষত।
▪ GU = Genital Ulcer.= জননাঙ্গের ক্ষত।
▪ ARI = Acute Respiratory Infection.= সদ্য শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ।
▪ HTN = Hypertension.= উচ্চরক্তচাপ।
▪ VD = Venereal Disease.= যৌনরোগ।
▪ STD = Sexually Transmitted Disease.= যৌন সংক্রামক রোগ।
▪ NS = Nephrotic Syndrome.= কিডনী সংক্রান্ত রোগ।
▪ ALL = Acute Lymphocytic Leukemia.= এক ধরনের রক্তরোগ বিশেষ।
▪ AML = Acute Myelogenous Leukemia.= এক ধরনের রক্তরোগ বিশেষ।
▪ CML = Chronic Myeloid Leukemia = এক ধরনের রক্তরোগ বিশেষ।
▪ AAA = Abdominal Aortic Aneurysm. = পেটে অবস্থিত মহাধমনী বেলুনের মতো ফুলে যাওয়া।
▪ TAA = Thoracic Aortic Aneurysm.= বক্ষ গহ্বরে অবস্থিত মহাধমনী বেলুনের মতো ফুলে যাওয়া।
▪ PUO = Pyrexia of Unknown Origin.= যে জ্বরের কারন নির্য়য় করা যায় না।
▪ GERD = Gastro-esophageal Reflex Disease.= পাকস্থলী থেকে অন্ননালীর দিকে খাদ্যকনার রিফ্লেক্স জনিত উপসর্গ।
▪ NSAID = Non-Steroidal Anti-Inflammatory Drugs. = এ্যালোপ্যাথিতে ব্যবহৃত বেদনানাশক ঔষধ।
▪ IHD = Ischemic Heart Disease. = হৃৎপিন্ডে “ইস্কেমিয়া”জনিত রোগ।
▪ P/V = Per Vaginal ....= যোনীপথ, যোনীপথে বা যোনীপথ হতে ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
▪ P/R = Per Rectal ....= মলদ্বার, মলদ্বারে, মলদ্বার হতে ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
▪ IUCD অথবা শুধু CD = Intra-uterine Contraceptive Device অথবা শুধু Contraceptive Device.= জরায়ুর ভেতরে প্রবিষ্ট জন্মবিরতীকরন যন্ত্র বিশেষ। যেমন “কপার-টি।”
▪ A.N = Anxiety Neurosis.= একধরনের মানসিক রোগ। অকারন উদ্বিঘ্নতা।
▪ E.D = Erectile Dysfunction = লিঙ্গোথ্বানজনিত গোলযোগ।
▪ PE = Premature Ejaculation.= সময়ের পূর্বে বীর্যপতন। শীঘ্রপতন।
▪ GIT = Gastro-intestinal Tract.= পরিপাক নালী।
▪ MR = Menstruation Regulation.= ঋতুস্রাব নিয়মিতকরনের জন্য ছোট একধরনের সার্জারী। সাধারনত: ভ্রুন নষ্ট করার পদ্ধতি।
▪ D & C = Dilatation & Curettage.= একধরনের স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের সার্জারী।এতে জরায়ু মুখ সম্প্রোসারিত করে জরায়ুর অভ্যান্তর চাঁছা হয়।
▪ VSD = Ventricular Septal Defect.= হৃৎপিন্ডের ব্যবধায়ক পেশীর ক্রুটি।
▪ DNS = Deviation Nasal Septum. = নাকের মাঝখানের নরম অস্থি বাঁকা।
#20_Minute_Medical
1 996
ইমামুল মুসলিমিন বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,
"একজন পুরুষের ভূমিকা হল আয়-উপার্জন করে পরিবারকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা আর একজন নারীর ভূমিকা হলো ভালোবাসার ছোঁয়ায় বাচ্চাকাচ্চা লালন-পালন করা এবং তাদেরকে মায়া-মমতা প্রদর্শন করা।"
[ফাতওয়া বিন বায, ১/৪১৯]
.
#TheDailyFawaid
1 996
💔 মানসিক চাপে দেহের নানা সমস্যা? 💔
দিনের বেশির ভাগ সময়ই নানা কারণে আমরা মানসিক চাপের মধ্যে কাটাই। আর তার প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরের উপরেও। হজমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, অনিদ্রা, স্নায়ুর সমস্যা- ইত্যাদি নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে এই মানসিক চাপ থেকে। তাই আমাদের প্রথমে মানসিক চাপ দূর করা উচিৎ। অনেকে মনে করতে পারেন, মানসিক চাপ তো চাইলেই দূর করা যায় না! তাহলে কীভাবে সম্ভব! উপায় আছে। মাত্র ১ টুকরো বরফ! এতেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে অনেকটা। বিশ্বাস হচ্ছে না? জেনে নিন উপায়।
ঘাড়ের পেছনে একটি বিশেষ প্রেসার পয়েন্ট আছে। আর সেই বিশেষ পয়েন্টে ১ টুকরা বরফ কিছুক্ষণ ধরে রাখতে পারলে আপনার দেহের নানা সমস্যা দূর করে দিতে পারে নিমেষেই। যেমন-
১) হজম সংক্রান্ত সমস্যা,
২) ঘুম সংক্রান্ত সমস্যা,
৩) মানসিক চাপ,
৪) ঠাণ্ডা লাগা বা সর্দি-কাশির সমস্যা,
৫) মাথাব্যথা, দাঁতে ব্যথা সহ শারীরিক নানা দীর্ঘমেয়াদী ব্যথার সমস্যা,
৬) শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা এবং কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা,
৭) থাইরয়েড সমস্যা,
৮) মেয়েদের মাসিকের সমস্যার সমাধানে আমাদের ঘাড়ের পেছনে একটি বিশেষ প্রেসার পয়েন্টে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে হবে ১ টুকরা বরফ।
এবার জেনে নেওয়া যাক এর পদ্ধতি সম্পর্কে-
ঘাড়ের ঠিক মাঝখানের যে পয়েন্টের নাম ফেং ফু। এই পয়েন্টটি খুঁজে বের করার পর ১ টুকরা বরফ এই পয়েন্টে ধরে রাখুন। ২০ মিনিট এই পয়েন্টে বরফের টুকরা ধরে রাখুন। নিয়মিত সকালে খাবার খাওয়ার আগে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই কাজটি করুন। তবে শুরুতেই ২০ মিনিট বরফ ধরে রাখা হয়তো সম্ভব হবে না। তাই প্রথম কয়েকটা দিন ৩০-৪০ সেকেন্ড বরফ ধরে ধরে রাখতে পারলেই হবে। খেয়াল করবেন, এই পয়েন্টে কিছুক্ষণ বরফ ধরে রাখার পর কিছুটা উত্তাপ অনুভূত হবে। নিয়মিত এই পদ্ধতি পালনে শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি মানসিকভাবেও সুস্থতা বোধ করবেন।
এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন -
🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰
#konna #কন্যা #mentalissue #mentalhealth #mentalillness #anxiety #bipolar
1 996
প্লীজ ভুল শুধরে নিনঃ
অনেকেই মনে করেন ১২০/৮০mmHg ই শুধু স্বাভাবিক ব্লাড প্রেসার। কিন্তু সেটা ভুল ধারণা।
এই ভুলের কারনে প্রায়ই আমরা এমন রোগী পাই, যারা এসে বলেন "আমার তো লো প্রেসারের সমস্যা আছে।"
প্রেসার মেপে দেখি ১০০/৭০mmHg. অথচ এটা লো প্রেসার নয়। এটাও স্বাভাবিক প্রেসার।
স্বাভাবিক প্রেসার আসলে কত?
স্বাভাবিক প্রেসারঃ
উপরেরটা ৯০-১৪০mmHg. এটাকে বলে সিস্টোলিক ব্লাড প্রেসার।
আর নিচেরটা ৬০-৯০mmHg. এটা হচ্ছে ডায়াস্টোলিক ব্লাড প্রেসার।
অর্থাৎ প্রেসার উপরেরটা ৯০ এর কম হলে লো প্রেসার, ১৪০ এর বেশি হলে হাই প্রেসার।
আর নিচেরটা ৬০ এর কম হলে লো প্রেসার এবং ৯০ এর বেশি হলে হাই প্রেসার।
Attention:
অল্প কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া একজন নন মেডিকেল মানুষ এটুক জানলেই চলবে।
তবে
১.বয়স বেশি হলে প্রেসার স্বাভাবিকভাবেই একটু বেশি পাওয়া যেতে পারে।
২.ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে প্রেসার থাকা উচিত ১৩০/৮৫ mmHg এর মধ্যে।
সবার এই প্রাথমিক জ্ঞান থাকা উচিত নইলে পদে পদে বিপদে পড়তে পারেন।
Source:
১.Nhs
২.যদিও american heart Association এর মতে কিছুটা ভিন্নতা আছে।
ডা.মাহামুদুল ইসলাম চৌধুরী
এমবিবিএস,বিসিএস স্বাস্থ্য
1 996
MBBS ডাক্তারদের অনলাইনে USA তে উচ্চ শিক্ষার (Doctorate/PhD) করার সুবর্ন সুযোগ! (আগামী ৫দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে!)
যে সকল বাংলাদেশী MBBS ডাক্তারগন ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিন লাইনে উচ্চতর ডিগ্রি করতে আগ্রহী তাদের জন্য সম্পূর্ণ অনলাইনে The University of Integrated Health(UIH) এ নিম্নে উল্লেখিত ডিগ্রিগুলো করার সুযোগ রয়েছে।
উক্ত ডিগ্রিগুলো করতে যে খরচ হবে Prof. Dr. Mojibul Haque তা সম্পুর্ণ স্পন্সর করবেন। বাংলাদেশী চিকিৎসক গন যেন আরো উন্নত মানের চিকিৎসা সেবা দিতে পারে সে উদ্দেশ্যে Dr. Haque এর এই মহৎ উদ্যোগ। সবাই স্যারের জন্য দোয়া করবেন ।
আগ্রহী গন শীঘ্রই যোগাযোগ করুন: WhatsApp: +8801705 571 316
অথবা আপনার CV সরাসরি সেন্ড করুন: acrhbd@gmail.com
অথবা রেজিস্ট্রেশন করুন: https://forms.gle/zXnCohiWh4H8JD3AA
শুধুমাত্র ২৮ বছর বয়সের অধিক অভিজ্ঞ ডাক্তারদেরকে বাছাই করে এই স্পনসর করা হবে। আবেদনের শেষ তারিখ: ফেব্রুয়ারী ০২, ২০২৩, বৃহস্পতিবার!
পিএইচডি/ডক্টরেটের বিষয়:
-ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিন
-ফাঙ্কশনাল মেডিসিন
-ন্যাচারাল মেডিসিন
Doctoral Program Link: https://uih.education/
1 996
"কোনো মহিলা যদি কোনো পুরুষের সামনে, ঘরের ভিতরে দুলাভাই, ভাসুর, দেবরের সামনে, ঘরের বাইরে রাস্তা ঘাটে বেরিয়ে যান; মাথার চুল বেরিয়ে আছে, কান বেরিয়ে আছে, ঘাড়, গলা বেরিয়ে আছে, বাজু, বাহু বেরিয়ে আছে, তবে প্রতি সেকেন্ডে একটা করে মহা কবিরা গুনাহ ওই মহিলা, তার স্বামী, অথবা আব্বা আম্মার আমলনামায় জমা হতে থাকে।"
__ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহিমাহুল্লাহ)
1 996
🔻এলাচ ভেজানো পানিতে মিলবে রোগের সমাধান 🔻
প্রতিদিনের রান্নায় সবাই কমবেশি এলাচ ব্যবহার করেন। সবার রান্নাঘরেই এই মসলাটি থাকে। শুধু রান্নায় ঘ্রাণ বা স্বাদ বাড়াতে নয় বরং এলাচ স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী।
এলাচে অনেক পুষ্টিগুণ আছে। যা মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। এলাচে থাকে ক্যালোরি, ফাইবার, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন সি, প্রোটিনসহ নানা উপাদান। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এলাচ বিভিন্ন রোগের দাওয়াই হিসেবেও কাজ করে।
দুই ধরনের এলাচ পাওয়া যায়- সবুজ ও কালো এলাচ। জানেন কি, ছোট ছোট এলাচ দানার গুণে শারীরিক বিভিন্ন ব্যাধি থেকে মেলে মুক্তি। এজন্য এলাচ ভেজানো পানি দৈনিক পান করতে হবে।
ওজন কমানো থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এলাচ। এ ছাড়াও বিভিন্ন সমস্যা থেকেও মুক্তি মেলে এলাচ ভেজানো পানি খেলে।
জেনে নিন এলাচ জল খেলে শরীরে কী ঘটে?
>> প্রতিদিন সকালে এলাচ ভেজানো পানি খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে, তারা এই পানি খেলে উপকার পাবেন।
>> রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যাও কিছুটা কমাতে পারে এই পানীয়। রক্ত সঞ্চালনের গতিও বাড়ায় এটি।
>> শরীরের দূষিত পদার্থ দূর করে এই পানীয়। ফলে ওজন কমে।
>> যাদের ত্বকে দ্রুত বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে, তারা নিয়মিত সকালে খালি পেটে এই পানি খেলে ত্বক টানটান হয় ও বলিরেখা কমে।
>> দাঁতের গোড়ার নানা ধরনের সংক্রমণও কমে এই জল খেলে।
>> এলাচে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হার্টের জন্য অনেক উপকারী। হার্টের রোগীদের প্রতিদিন একটি করে এলাচ খাওয়া উচিত।
>> এলাচের থাকা ওষুধি গুণ হজম ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে।
>> শীতে শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেড়ে যায়। এ সমস্যা সমাধান করে এলাচ। প্রতিদিন এলাচ ভেজানো পানি খেলে খেলে শ্বাসকষ্ট থেকেও মিলবে মুক্তি। এ ছাড়াও সর্দি-কাশি নিরাময়েও সাহায্য করে এই পানীয়।
>> প্রতিদিন এলাচ খেলে তা ক্যানসার রোধে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। এলাচ শরীরে ক্যানসারের টিউমার ও কোষগুলো বৃদ্ধিতে বাঁধা দেয়। এটি শরীরে কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে।
>> স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সবাই বাদাম খান। তবে জানেন কি, এলাচও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এলাচের সুগন্ধ মস্তিষ্ককে সতেজ করে ও শান্ত রাখে। প্রতিদিন এলাচ জল খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে ও ডিপ্রেশন দূর হয়।
>> এলাচে থাকা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান অ্যার্লাজির সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
>> ত্বককে উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে এলাচে থাকা ভিটামিন সি। যা ত্বকে রক্ত সঞ্চালনও বাড়ায়। এলাচ ত্বক পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে।
>> নিয়মিত এলাচ ভেজানো পানি খেলে চুলের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। এলাচ চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
কীভাবে তৈরি করবেন এলাচ জল?
প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস পানিতে ৭-৮টি এলাচ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে এলাচ ভেজানো পানি ছেঁকে খালি পেটে পান করুন। ভেজানো এলাচগুলো ফেলে না দিয়ে রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন।
এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন -
🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰
#কন্যা #konna #health #healthcare #healthyfood #nutrition #woman #womanhealth #winter #vegetables #cardamom
1 996
*প্রতিদিনের গতিবিধি তে আচার-আচরণ কোনো পরিবর্তন হচ্ছে কিনা লক্ষ্য করুন। তার সাথে মিশুন। বন্ধু হোন। তাকে নিজের গল্প গুলো বলুন। স্বপ্ন গুলো বলুন। অপ্রাপ্তি গুলো শুনান।****
* লেখাগুলো অগোছালো মনে হলেও পড়বেন এবং বুঝার চেষ্টা করবেন। *
আমাদের ছেলেমেয়ে গুলো আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। নষ্ট ও কুৎসিত সংস্কৃতির দিকে ঝুঁকছে।
!!!!!!! রক্ষা করুন!!!!!
1 996
অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ
একটা সময় আসবে - আমরা হয়তো ভুলে যাবো কে আমাদের মা? কে আমাদের বাবা? কারা আমাদের পরিবার?
তখন হয়তো আমরা আমাদের তথাকথিত প্রেমিক-প্রেমিকাদের মিথ্যে অভিনয়ে জালে ফেঁসে আমাদের বাবা-মা,ভাই-বোনের ত্যাগ- ভালোবাসার কথা ভুলে যাবো।
আসলে উপরে যে সময়টার কথা বলেছি- ঐ সময়টা চলে এসেছে।
প্রতিনিয়ত আমাদের আশেপাশে এমন অনেক ঘটনা ঘটতেছে।
যেগুলো আমরা শুনি- দেখি কিন্তু কিছু বলি না।
কারণ ঘটনাগুলো আমাদের সাথে ঘটে না। অন্য কারো সাথে ঘটতেছে। যার কারণে এখন পাত্তা দিই না। তবে হাসতে পারি।
আমাদের আশেপাশের ছোটো ভাই - বোনেরা তাদের ভালোবাসার মানুষের হাত ধরে চলে যাচ্ছে এক অমোঘ অন্ধকার জগতের দিকে।
তারা ভাবছে না তাদের বাবা- মা আর পরিবারের অন্যদের কথা।
গত কয়েকদিনে আমার পরিচিত মহলে এমন দুটি ঘটনা শুনে খুবই ভয় পাচ্ছি।
কীভাবে বড় করবো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?
কী যে বিশ্রি এবং জঘন্য এক সমাজব্যবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি - তা কেউ ভাবছে না।
সারা জীবন যে বাবা-মা সন্তানকে লালন-পালন করে বড় করেছে,পড়ালেখা করিয়েছে, সেই বাবা-মায়ের কথা না ভেবে সন্তানেরা অন্য কোনো ছেলে- মেয়ের সাথে চলে যাচ্ছে!
* এইচএসসি পড়ুয়া একটা মেয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে, টিউশনে যাবে। বাবা-মা জানে মেয়ে কলেজের স্যারের কাছে প্রাইভেটে গেছে। অথচ সেই মেয়ে অন্য ছেলের সাথে পালিয়ে যাচ্ছে, তারা গর্ভধারিণী মা কে ছেড়ে,বাবাকে ছেড়ে।।
***আমরা দিনে দিনে প্রাণহীন পশুতে পরিণত হচ্ছি।
আমাদের বাবা-মা আমাদের জন্য কত ত্যাগ করেন। কত দুঃখ-কষ্ট সহ্য করেন। নিজেরা না খেয়ে আমাদের খাওয়ান। আমাদের মায়েরা একই পুরানো শাড়ি দিয়ে বছরের পর বছর কাটিয়ে দেন।
**বাবা নামের মানুষটা সকালে বের হয়ে সন্ধ্যায় বাসায় আসেন। একটা শার্ট, একটা পাঞ্জাবি, এক জোড়া জুতা - ব্যস! বছর যায়, বছর আসে - বাবার পরার ঐ শার্ট প্রত্যেক ইদেই নতুন হয়। জুতাখানা কয়শো বার সেলাই হয়- তা বাবাই বলতে পারে না।
***অথচ আমরা কিনা নিজেদের স্বার্থের কথা ভেবে বাবা-মায়ের কষ্টকে পরোয়া না করে চলে যায় অন্য কারো সাথে?
এমন সন্তানকে এরপরেও হয়তো বাবা-মা মেনে নেন কারণ তারা আমাদের বাবা-মা.।
****আমাদের বাবা-মা আমাদের কাছে কখনো টাকা পয়সা চান না, তারা চান আমরা যেন সুখে থাকি। অথচ আমরা আমাদের সুখের কথা ভেবে বাবা-মা কে ভুলে যায়?
*** মেয়েটা এসএসসি পরীক্ষার্থী। মেধাবী। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মা কে বলেছে, " মা আমি স্কুলে যাচ্ছি। " স্কুলে এসে স্যারকে বললো," স্যার, আমার ছুটি লাগবে। দাদার বাড়ি যাবো।"
মা জানে মেয়ে স্কুলে, স্কুলের স্যার জানে ছাত্রী দাদার বাড়ি। আসলে মেয়ে কোনো এক ছেলের সাথে পালিয়ে রেস্টুরেন্টে একটু রোমাঞ্চ করতে এসেছে।
পরে মা গিয়ে আবার মেয়েকে ধরে আনে রেস্টুরেন্ট থেকে।
**কী একটা অবস্থা। সমাজ থেকে আত্মসম্মান, মান-মর্যাদা, নীতি-নৈতিকতার যে সুস্থ ও স্বাভাবিক ধারা ছিলো সেটা যেন ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে।
*আমাদের নতুন নতুন অভিভাবকরা এটাও জানে না," ছেলে- মেয়েরা কখন কোথায় কোন স্যারের কাছে পড়ছে?"
***বর্তমানের বাবা-মায়ের দরকার শুধু একটা জিপিএ ফাইভ। এটা পেলেই তারা সন্তুষ্ট। এর মাঝে সন্তানকে যে কিচ্ছু শেখাতে হয়, তারা তাও জানে না।
*** ছেলেমেয়েরা মোবাইল ব্যবহার করে। মোবাইল ব্যবহার হয়তো কিছু কাজে জরুরী। কিন্তু সবসময় নয়। আপনার ছেলে বা মেয়ে মোবাইলে কী করছে, কার সাথে কথা বলছে, কাকে মেসেজ করছে সেটা মাঝে মাঝে চেক করে দেখেছেন? দেখলে হয়তো অবাক হয়ে অজ্ঞান হয়ে যাবেন।
বাবা-মায়ের কষ্ট কোনো সন্তানই বুঝে না।
** করণীয় কী: বর্তমানে সমাজ ব্যবস্থা এমন এক পর্যায়ে চলে গেছে চাইলেও আর আগের অবস্থায় যাওয়া সম্ভব নয়।
তাই অভিভাবকদেরও একটু স্পাই বা গোয়েন্দাদের মতো হওয়া উচিত।
**আপনার সন্তান স্কুলে নিয়মিত যাচ্ছে কিনা- খবর নিন। সপ্তাহে ২-৩ দিন স্কুলের স্যারদের ফোন করে খবর নিন, সে স্কুলে আছে কিনা?
**প্রাইভেটের কথা বলে বেরিয়ে যাওয়ার পর আসলে সেখানে গেছে কিনা- খবর নিয়ে দেখেছেন? খবর নিয়ে দেখেন। হয়তো প্রাইভেটের নামে আপনার মেয়ে বা ছেলে রেস্টুরেন্টে বসে অন্য বিষয়ের উপর কোর্স করছে?
**২-৩ দিন পরপর স্কুল ও প্রাইভেটের স্যারের কাছে ফোন করুন।
**যত কম মোবাইল ব্যবহার করতে পারেন, তত ভালো হবে।
১৮ বা ২০ বছরের আগে মোবাইল দেওয়া উচিত না।
*কোনো কিছু চাওয়া মাত্র দিবেন না। হয়তো আপনার কাছে প্রচুর টাকা, আপনার ছেলে বা মেয়ে চাইলেই আপনি দিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু এতে তার ভবিষ্যৎ কে কতটা নষ্ট করছেন- তা হয়তো আপনি ভাবতে পারছেন না।
* ছেলেমেয়েদের কাছে বেশি কঠিন না হয়ে বন্ধু হওয়ার চেষ্টা করুন।*
1 996
মানসিক হতাশাগ্রস্ত সন্তানকে কিভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব? ব্যবস্থাপত্র কি হবে?
-----
বিভিন্ন কারনে সন্তান ডিপ্রেশনে বা হতাশায় নিজ্জমিত হতে পারে। বাবা-মা’র অগোচরে সন্তান পর্নোগ্রাফি, মাদকদ্রব্য বা ভিডিও গেইম-এ আসক্ত হয়ে পড়তে পারে।
একবার যদি সন্তান বেশীর মাত্রার ডিপ্রেশনে (Clinical depression) পতিত হয় সেখান থেকে সহজে মুক্তি মিলে না। পিতামাতাকে এই কঠিন বাস্তবতা মাথা রাখতে হবে।
দীর্ঘদিন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকালীন সময়ে বেশ কিছু ডিপ্রেশনে ভোগা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দেখেছি, তাদেরকে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে অনুরোধ করেছি।
হতাশায় নিমজ্জিত মানুষকে নিরপেক্ষ মানুষের সহযোগিতা ছাড়া পরিবারের লোকজন তাকে সচারাচর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আনতে পারে না । এজন্য মনোরোগ বিশেষজ্ঞের অধীনে কাউন্সিলিং নিতে হবে। শুরুতে সন্তানরা যেতে চাইবে না, কিন্তু তাকে বুঝাতে হবে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পরামর্শ দিবেন যা বাস্তবায়নে পরিবারের সবার সহযোগিতা দরকার পড়ে।
সন্তানের মানসিক অবস্থা উন্নয়নে আরো বিকল্প কিছু যেতে পারে।
ছেলে সন্তান হলে তাকে ধর্ম-কর্মে উদ্বুদ্ধ করতে চেষ্টা করা। হতাশাগ্রস্ত মানুষরা নিজের স্থানে (বাসা বা হোস্টেল) অবস্থান করে ধর্ম-কর্ম বা গঠনমূলক কোন সামাজিক কাজে জড়িত হতে আগ্রহ পায় না যা অভিজ্ঞতায় দেখেছি। অবস্থার উন্নতি ঘটাতে হলে থার্ড পার্টি প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ছেলে সন্তানকে তাবলীগের কাজে জড়িত করা।
প্রসংগত, মাদকাসক্ত কাউকে পূর্নবাসন করতে যে পদ্ধতি অনুসরণ (অনেক গবেষণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত) করা হয় সেই একই পদ্ধতি তাবলীগে মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয় যদিও তাবলীগে প্রচলিত সিস্টেম অনেক আগে থেকেই চলে আসছে।
তাবলীগে মাধ্যমে বাসা ছেড়ে নির্দিষ্ট সময় (যেমন ৪০ দিন) ব্যয় করলে জীবন সম্পর্কে, জীবনের মিনিং সম্পর্কে অনুধাবন করা যায়। একাধারে অনেকদিন কাটালে সেই অনুভূতি স্থিতিশীল হতে দেখা যায়।
তাছাড়া তাবলীগে গিয়ে অনেক শারীরিক পরিশ্রমও করতে হয়, অনেক কষ্ট করতে হয়। পূর্বাসনের ক্ষেত্রে বার বার একই থেরাপি চালু রাখা হয়। তাবলীগের ক্ষেত্রে কেউ বাসায় ফিরে আসলেও তাকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট কিছু কাজ করতে হয়, মানুষের সাথে দাওয়াত দেয়ার জন্য মিশতে হয়, প্রতি সপ্তাহের কাজ রয়েছে এবং প্রতি মাসে আবার কয়েকদিন তাবলীগে কাটানো হয়।
যারা এগুলোর সাথে লেগে থাকে তারা শুধু স্বাভাবিক লাইফে ফিরে না, তারা অনেক দায়িত্বশীল হতে পারে। নিজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি তাবলীগে গিয়ে অনেক মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে।
#সন্তান_প্রতিপালনে_এ_যুগের_চ্যালেঞ্জ
#sorowar_parenting
1 996
মাইয়া সন্তানের বাপ হইয়া পড়ছি বিপদে। মাইয়াকে এক্সট্রা শিক্ষা দিতে হবে। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে— পুরুষ তোমার শ ত্রু না। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে পুরুষবিদ্বেষ মানেই নারীবাদ না। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে পুরুষের ওই শক্ত শক্ত পেশির ভেতরে লুকিয়ে আছে এক মমতা কাতর মানুষ, যাকে ভালোবাসা দিয়ে পোষ মানানো যায়।
মাইয়াকে আরও বোঝাইতে হবে— স্বনির্ভরতা মানে অর্থনৈতিক মুক্তি। স্বনির্ভরতা মানে হাতা কাটা ব্লাউজ আর বড় টিপ না। স্বনির্ভরতা মানে নিজের কামাই নিজে খাওয়া।
মাইয়াকে বোঝাইতে হবে— মানুষের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কম্প্রোমাইজ। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে সংসার মানে সেক্রিফাইস ও কম্প্রোমাইজ। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে যে— সংসার টিকাইয়া রাখতে পারাও একটা গুণ। ডিভোর্স একটা অস্থায়ী ফ্যাশন। এই ফ্যাশনের ফাঁদ থেকে মাইয়াকে বাঁচাইতে হবে।
মাইয়াকে 'ডিপ্রেশন' নামের আধুনিক ফ্যাশন থেকেও দূরে রাখতে হবে। মোটিভেশন স্পিকারদের খপ্পড় থেকে মেয়েকে সুরক্ষা দিতে হবে।
মাইয়াকে বুড়া কবিদের সঙ্গে চ্যাটিংয়ের ক্ষতি সম্পর্কে বোঝাইতে হবে। মাইয়ার বাপ হিসেবে আমার অনেক দায়িত্ব, অনেক। আমার মেয়ে পিঠ বের করে তথাকথিত 'সাহসী নারী' হওয়ার আগেই ওকে 'সাহস'—এর আসল সংজ্ঞা শিখাইতে হবে। মাইয়াকে এমনভাবে বড় করে তুলব যাতে পয়সা ইনকামের জন্য ক্যামেরার সামনে ওর বুক ও রান বের করে রাখা না লাগে। আমি চাই আমার মেয়ের শুধু মস্তিষ্কটাই লোকে দেখুক, ওর বুক, রান ও পিঠ নয়।
© শিবলী আহমেদ
متاح الآن! بحث تيليغرام 2025 — أهم رؤى العام 
