ch
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

前往频道在 Telegram

🙂🙂🙂

显示更多
1 995
订阅者
-124 小时
+17
+530
帖子存档
# *ফেসবুকে কাউকে এড়িয়ে যাওয়ার ৫ কৌশল* নিত্যদিনের জীবনে একটি বড় জায়গা করে নিয়েছে ফেসবুক। আমরা কোথায় যাচ্ছি, কী করছি, কী খাচ্ছি– এমনকি কার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কেমন, অনেকের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এ তথ্যও পাওয়া যায়। তবে ফেসবুকের বিভিন্ন তথ্য নিয়ন্ত্রণ করার উপায় আছে। এই ৫টি কৌশল মেনে চললে ব্যক্তিগত অনেক গোপনীয়তা রক্ষা করা যায়। ১. পোস্টের প্রাইভেসি নির্ধারণ প্রতিটি পোস্টের আলাদা করে প্রাইভেসি নির্ধারণ করা যায়। ফেসবুকে মোট ৫ ধরনের প্রাইভেসি অপশন আছে– পাবলিক, ফ্রেন্ডস, ফ্রেন্ডস এক্সেপ্ট, ওনলি মি ও কাস্টম। 'পাবলিক' প্রাইভেসিতে বন্ধু তালিকার বাইরের মানুষজনও পোস্টটি দেখতে পারেন, 'ফ্রেন্ডস' প্রাইভেসিতে শুধু বন্ধু তালিকার লোকজন পোস্ট দেখতে পারেন। 'ফ্রেন্ডস এক্সেপ্ট' প্রাইভেসিতে বন্ধু তালিকায় থাকলেও তারা পোস্ট দেখতে পারবেন না। 'ওনলি মি' প্রাইভেসিতে শুধু পোস্ট প্রদানকারী এবং 'কাস্টম' অপশনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু লোককে উদ্দেশ করে পোস্ট দেওয়া যায়। শুধু আলাদা পোস্ট নয়, প্রোফাইলে থাকা যেকোনো তথ্য যেমন ইমেইল অ্যাড্রেস, ফোন নাম্বার, ঠিকানা, পড়াশোনা বা পেশা সংক্রান্ত তথ্য, জন্ম তারিখ ইত্যাদি বিষয়েও বিভিন্ন প্রাইভেসি বাছাই করে দেওয়া যায়। ২. প্রোফাইল সার্চ লিমিট ব্যক্তিজীবন বা কর্মজীবনে আমরা এমন অনেককেই চিনি, যাদের কাছে আমাদের ফেসবুক প্রোফাইল সম্পর্কে কোনো তথ্য শেয়ার করতে চাই না। এমনকি আমাদের যে ফেসবুক প্রোফাইল আছে, সে বিষয়টিও তাদের জানতে দিতে চাই না। কিন্তু সৌজন্যের খাতিরে তাদেরকে মুখের উপর কিছু বলাও যায় না। এমন পরিস্থিতিতে করণীয় হচ্ছে, আগে থেকেই প্রোফাইলের 'সার্চ লিমিট' ঠিক করে নেওয়া। কেননা ফোন নাম্বার থাকলেই সাধারণত 'পিপল ইউ মে নো' তালিকায় ফেসবুক প্রোফাইল চলে আসার একটা সম্ভাবনা থাকে। প্রোফাইলের নাম অনুসন্ধান সীমাবদ্ধ করার জন্য সেটিংসে গিয়ে 'অডিয়েন্স অ্যান্ড ভিজিবিলিটি' অপশনে নিজের সুবিধা মতো পরিবর্তন করে নিতে হবে। ৩. ম্যাসেজিং প্রাইভেসি নির্ধারণ অযাচিত বার্তা পেতে কেউই চায় না। তা সে সামনাসামনিই হোক বা ডিজিটাল পর্দার আড়াল থেকে কোনো সামাজিক মাধ্যমের ইনবক্সে। তাই ম্যাসেজিং প্রাইভেসি সীমাবদ্ধ করে দেওয়াটা এক্ষেত্রে খুবই দরকারি। কাউকে ব্লক না করেও তার বার্তাটি ম্যাসেজ রিকোয়েস্টে রেখে দেওয়ার মাধ্যমে এড়িয়ে যাওয়া যায়। এছাড়া ম্যাসেজ আর্কাইভ করে দেওয়াও সাময়িক কার্যকর একটি কৌশল। ৪. আনফ্রেন্ড করা বন্ধু তালিকায় অনেকেই থাকেন, যাদের সেখানে থাকাটা একসময় আর আরামদায়ক মনে হয় না। সেক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে তাদেরকে বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া, কেননা অন্যের জন্য বারবার নিজের পোস্টের প্রাইভেসি 'কাস্টম' বা 'ফ্রেন্ডস এক্সেপ্ট'-এ দেওয়াটা স্বাচ্ছন্দ্যের নাই হতে পারে। সম্পর্ক বিগড়ে যাবার ভয় না থাকলে বা সে বিষয়ে খুব একটা পরোয়া না করলে আনফ্রেন্ড করার মাধ্যমে নিজের ফেসবুককে সীমাবদ্ধ ও সুরক্ষিত রাখা যায়। তবে সেক্ষেত্রে পোস্ট প্রাইভেসি 'ফ্রেন্ডস' রাখাটাই সমীচীন। ৫. ব্লক বা রেস্ট্রিক্ট করা আনফ্রেন্ডের চূড়ান্ত পর্যায় বলা যায় ফেসবুকে কাউকে ব্লক বা রেস্ট্রিক্ট করে দেওয়াকে। দুই ধরনের ব্লক করা সম্ভব। প্রথমত, শুধু ম্যাসেজে ব্লক এবং দ্বিতীয়ত, সম্পূর্ণভাবে ফেসবুক প্রোফাইল ব্লক করে দেওয়া। ম্যাসেজে ব্লক করলেও যে কেউ প্রোফাইলের প্রাইভেসি অনুযায়ী কমেন্ট ও রিঅ্যাকশন প্রদান করতে পারবেন। তবে কাউকে ব্লক করলে সাধারণত তিনি বুঝতে পারেন। এ বিষয়টি এড়াতে চাইলে প্রোফাইল রেস্ট্রিক্ট করে দেওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ম্যাসেজ পাঠালেও সেটি এসে পৌঁছাবে না। Source: The Daily Star

কোন কারণ বশতঃ রাজা জীবনসিংহ তাঁহার সমস্ত সৈন্য উত্তরদিকে প্রেরণ করেন। বৈরাটের রাজা পৃথ্বীরাজ চৌহান সেই সংবাদ পেয়ে জীবনসিংহকে আক্রমণ করেন এবং তাঁহাকে যুদ্ধে নিহত করিয়া ইন্দ্রপ্রস্থে রাজত্ব করেন এবং তাঁর বংশ ৫ পুরুষ, ৮৬ বৎসর ০ মাস ২০ দিন রাজত্ব করেছেন। ১। পৃথ্বী রাজ = ১২-০২-১৯ ২। অভয়পাল = ১৪-০৫-১৭ ৩। দুর্জ্জব পাল = ১১-০৪-১৪ ৪। উদয়পাল = ১১-০৭-০৩ ৫। যশপাল = ৩৬-০৪-২৭ ১২৪৯ সালে গজনীর দুর্গ হতে সুলতান শাহাবুদ্দিন ঘোরী যশপালকে আক্রমণ করে তাঁকে প্রয়োগের দুর্গে বন্ধী করে- অতঃপর সুলতান শাহাবুদ্দিন ইদ্রপ্রস্থে (দিল্লীতে) রাজত্ব করিতে আরম্ভ করে। তাঁর বংশ ৫৩ বৎসর, ১ মাস ও ১৭ দিন রাজত্ব করেছে। ইন্দ্রপ্রস্ত তথা আর্যাবর্তের সকল রাজাদের ধারাবাহিক পরিচিতি ও রাজত্ব কালের পরিচয় প্রথম বারের মতো তুলে ধরেছিলেন মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী জী। মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী এই তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন রাজপুতনার অন্তর্গত উদয়পুর মেদার রাজ্যের রাজধানী, চিতোরগড়ের শ্রিনাথদ্বার হতে প্রকাশিত ও বিদ্যার্থী সম্মিলিত হরিশ্চন্দ্র চন্দ্রিকা এবং মোহঞ্চন্দ্রিকা নামক পাক্ষিক পত্রিকা হতে। উক্ত পত্রিকাদ্বয়ের সম্পাদক মহাশয় ১৭৮২ বিক্রমাব্দে লিখিত একখানি গ্রন্থ তাহার কোন বন্ধুর নিকট হতে প্রাপ্ত হয়ে তা থেকে সংগ্রহ করে প্রচলিত ১৯৩৯ সালে মুদ্রন করেন। ▪️সংগৃহীত।

ভারত বর্ষের প্রায় ৪ হাজার বছরের রাজত্ব ------------------------------ মহাভারতে উল্লেখিত কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পরবর্তী রাজাদের তালিকাঃ ইন্দ্রপ্রস্থের শেষ রাজা যশপাল। যুধিষ্ঠির থেকে যশপাল পর্যন্ত ১২৪ জন রাজা রাজত্ব করেছিলেন মোট ৪,১৭৫ বছর ৯ মাস ১৪ দিন। এরই মধ্যে রাজা যুধিষ্ঠির প্রভৃতি আনুমানিক ৩০ পুরুষ ১৭৭০ বছর ১১ মাস ১০ দিন রাজত্ব করে। ০১। রাজা যুধিষ্ঠির = ৩৬ বছর ৯ মাস ১৪ দিন। ০২। রাজা পরীক্ষিত = ৬০ বছর ৮ মাস ২৫ দিন। ০৩। রাজা জনমেজয় = ৮৪ বছর ৭ মাস ২৩ দিন। ০৪। রাজা অশ্বমেধ = ৮২ বছর ৮ মাস ৩২ দিন। ০৫। দ্বিতীয় রাম = ৮৮ বছর ২ মাস ৮ দিন। ০৬। ছত্রমল = ৮১ বছর ১১ মাস ২৭ দিন। ০৭। চিত্ররথ = ৭৫ বছর ৩ মাস ১৮ দিন। ০৮। দুষ্টশৈল্য = ৭৫ বছর ১০ মাস ২৪ দিন। ০৯। রাজাউগ্র সেন = ৭৮ বছর ৭ মাস ২১ দিন। ১০। শূরসেন = ৭৮ বছর ৭ মাস ২১ দিন। ১১। ভুবনপতি = ৬৯ বছর ৫ মাস ৫ দিন। ১২। রণজিৎ = ৬৫ বছর ১০ মাস ৪ দিন। ১৩। ঋক্ষক = ৬৪ বছর ৭ মাস ৪ দিন। ১৪। সুখদেব = ৬২-০-২৪ ১৫। নরহরিদেব = ৫১-১০-০২ ১৬। সুচিরথ = ৪২-১১-০২ ১৭। শূরসেন (২য়) = ৫৮-১০-০৮ ১৮। পর্বতসেন = ৫৫-০৮-১০ ১৯। মেধাবী = ৫২-১০-১০ ২০। সোনচীর = ৫০-০৮-২১ ২১। ভীমদেব = ৪৭-০৯-২০ ২২। নৃহরিদেব = ৪৫-১১-২৩ ২৩। পূর্ণমল = ৪৪-০৮-০৭ ২৪। করদবী = ৮৮-১০-০৮ ২৫। অলংমিক = ৫০-১১-০৮ ২৬। উদয়পাল = ৩৮-০৯-০ ২৭। দুবনমল = ৪০-১০-২৬ ২৮। দমাত = ৩২-০-০ ২৯। ভীমপাল = ৫৮-০৫-০৮ ৩০। ক্ষেমক = ৪৮-১১-২১ পাণ্ডু বংশের রাজত্ব এখানেই শেষ হয়ে যায়। রাজা ক্ষেমকের প্রধান মন্ত্রী বিশ্রবা ক্ষেমক রাজাকে নিহত করে সিংহাসন অধিকার করে ও পরবর্তীতে তাঁর ১৪ পুরুষ ৫০০ বছর ৩ মাস ১৭ দিন রাজত্ব করে। ১। বিশ্রবা = ১৭-০৩-২৯ ২। পুরসেনী = ৪২-০৮-২১ ৩। বীরসেনী = ৫২-১০-০৭ ৪। ফবঙ্গশায়ী = ৪৭-০৮-২৩ ৫। হরিজিৎ = ৩৫-০৯-১৭ ৬। পরমসেনী = ৪৪-০২-২৩ ৭। সুখপাতাল = ৩০-০২-২১ ৮। কদ্রুত = ৪২-০৯-২৪ ৯। সজ্জ = ৩২-০২-১৪ ১০। ফমরচূড় = ২৭-০৩-১৬ ১১। অমীপাল = ২২-১১-২৫ ১২। দশরথ = ২৫-০৪-১২ ১৩। বীরসাল = ৩১-০৮-১১ ১৪। বীরসালসেন = ৪১-০০-১৪ রাজা বীরসাল সেনের প্রধান মন্ত্রী বীরমহা প্রধান তাঁহাকে হত্যা করে রাজ্যাধিকার করে। তাঁর বংশ ১৬ পুরুষ ৪৪৫ বৎসর ৫ মাস ৩ দিন রাজত্ব করে। ১। রাজা বীরমহা = ৩৫-১০-০৮ ২। অজিত সিংহ = ২৭-০৭-১৯ ৩। সর্বদত্ত = ২৮-০৩-১০ ৪। ভুবনপতি = ১৫-০৪-১০ ৫। বীরসেন (প্রথম) = ২১-০২-১৩ ৬। মহীপাল = ৪০-০৮-০৭ ৭। শত্রুশাল = ২৬-০৪-০৩ ৮। সঙ্গরাজ = ১৭-০২-১০ ৯। তেজপাল = ২৮-১১-১০ ১০। মানিক চাঁদ = ৩৭-০৭-২১ ১১। কামসেনী = ৪২-০৫-১০ ১২। শত্রুমর্দন = ০৮-১১-১৩ ১৩। জীবনলোক = ২৮-০৯-১৭ ১৪। হরিরাও = ২৬-১০-২৯ ১৫। বীরসেন (২য়) = ৩৫-০২-২০ ১৬। আদিত্যকেতু = ২৩-১১-১৩ প্রয়োগের রাজা ‘ধন্ধব’ মগধদেশের রাজা আদিত্য কেতুকে হত্যা করে রাজ্যাধিকার করে। তাঁহার বংশ ৯ পুরুষ, ৩৭৪ বছর ১১ মাস ২৬ দিন রাজত্ব করে। ১। রাজা ধন্ধর = ৪২-০৭-২৪ ২। মহর্ষি = ৪১-০২-২৯ ৩। সনরচ্চী = ৫০-১০-১৯ ৪। মহাযুদ্ধ = ২০-০৩-০৮ ৫। দূরনাথ = ২৮-০৫-২৫ ৬। জীবনরাজ = ৪৫-০২-০৫ ৭। রুদ্রসেন = ৪৭-০৪-২৮ ৮। অরীলক = ৫২-১০-০৮ ৯। রাজপাল = ৩৬-০০-০০ সামন্ত মহান পাল রাজা রাজপালকে হত্যা করে রাজ্যাধিকার করে। সামন্ত মহান পালের ১ পুরুষ ১৪ বছর রাজত্ব করেছেন ও তাঁর কোন বৃদ্ধি নেই। এরপর রাজা বিক্রমাদিত্য অবন্তিকা (উজ্জায়নী) হইতে আক্রমণ চালাইয়া রাজা মহানপালকে হত্যা করে রাজ্যাধীকার করেন। তাঁহার বংশ ১ পুরুষ ৩৯ বছর রাজত্ব করেন। তাঁহারও কোন বৃদ্ধি নাই। শালিবাহনের মন্ত্রী সমুদ্রপাল, যোগীপৈঠনের রাজা বিক্রমাদিত্যকে হত্যা করে রাজ্যাধিকার করেন এবং তাঁহার বংশ ১৬ পুরুষ, ৩৭২ বছর, ৪ মাস ২৭ দিন রাজত্ব করেন। ১। সমুদ্রপাল = ৫৪-০২-২০ ২। চন্দ্রপাল = ৩৬-০৫-০৪ ৩। সাহায়পাল = ১১-০৪-১১ ৪। দেবপাল = ২৭-০১-১৭ ৫। নরসিংহপাল = ১৮-০০-২০ ৬। সামপাল = ২৭-০১-১৭ ৭। রঘুপাল = ২২-০৩-২৫ ৮। গোবিন্দপাল = ২৭-০১-১৭ ৯। অমৃতপাল = ৩৬-১০-১৩ ১০। বলীপাল = ১৩-০৮-০৪ ১১। মহীপাল = ১৩-০৮-০৪ রাজা মহাবাহু রাজ্য পরিত্যাগ করিয়া তপস্যার্থে বনে গমন করেন। ইহা শুনিয়া বঙ্গ দেশের রাজা আধীসেন ইন্দ্রপ্রস্থে আসিয়া নিজে রাজত্ব করেন। তাঁর বংশ ১২ পুরুষ, ১৫১ বৎসর ১১ মাস ২ দিন রাজত্ব করে। ১। রাজা আধীসেন = ১৮-০৫-২১ ২। বিলাবলসেন = ১২-০৪-০২ ৩। কেশবসেন = ১৫-০৭-১২ ৪। মাধবসেন = ১২-০৪-০২ ৫। ময়ূরসেন = ২০-১১-২৭ ৬। ভীমসেন = ০৫-১০-০৯ ৭। কল্যানসেন = ০৪-০৮-২১ ৮। হরিসেন = ১২-০০-২৫ ৯। ক্ষেমসেন = ০৮-১১-১৫ ১০। নারায়ণসেন = ০২-০২-২৯ ১১। লক্ষ্মীসেন = ২৬-১০-০০ ১২। দামোদর সেন = ১১-০৫-১৯ রাজা দামোদরসেন তাঁর পাত্রমিত্রদিগকে অনেক কষ্ট দিতেন। এই নিমিত্ত তাঁর জনৈক পাত্রমিত্র দীপ্তসিংহ সৈন্য সংগ্রহ করিয়া তাঁহার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ও তাঁকে যুদ্ধে নিহত করে স্বয়ং রাজত্ব করেন এবং তাঁহার বংশ ৬ পুরুষ, ১০৭ বৎসর ৬ মাস ২ দিন রাজত্ব করে। ১। দীপসিংহ = ১৭-০১-১৬ ২। রাজসিংহ = ১৪-০৫-০০ ৩। রণসিংহ = ০৯-০৮-১১ ৪। নরসিংহ = ১৩-০২-২৯ ৬। জীবনসিংহ = ০৮-০০-০১

ভারতে যাওয়ার পরে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে আপনার করণীয়। আমি নিজে এই সমস্যার শিকার হয়েছি। সমাধান খুব সহজ একটু পরিশ্রম করা লাগে। প্রথম ধাপ: প্রথমেই আপনি ভারতের যেই হোটেলে অবস্থান করছেন আপনার পুরো বিষয়টি খুলে বলবেন তারা একটি লেটার দিবে যেখানে আপনার পাসপোর্ট এর নাম্বার আপনি যে এই হোটেলে আছেন তার প্রমাণ পত্র সহ আপনাকে একটি লেটার হাতে দিবে। দ্বিতীয় ধাপ : আপনি ভারতের আছেন সেই এরিয়ার সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে একটি সাধারণ জিডি করতে হবে। অবশ্যই আপনার পাসপোর্টের এবং আপনার ভিসার একটি করে কপি সেখানে লাগবে। তৃতীয় ধাপ : জিডি করার পরে সেখানকার পুলিশ কর্মকর্তারা আপনাকে জানিয়ে দিবে পরবর্তীতে আপনার লোকেশন হচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস। বাংলাদেশ দূতাবাসে যাওয়ার সময় আপনার একটি পাসপোর্ট কপি একটি ভিসার কপি এবং আপনার দুই কপি ছবি এবং সাথে ইন্ডিয়ান রুপিতে দুই হাজার রুপি বা এর কিছু বেশি রুপি আপনার লাগবে। সেখানে তারা আপনার আবেদনটি গ্রহণ করবে এবং আপনাকে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করার জন্য বলবে। এ সময়কালে আপনার পাসপোর্ট যে হারিয়েছে এই বিষয়টি তারা বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন এবং পাসপোর্ট অফিসে কন্টাক করে জানিয়ে দিবে। অতঃপর আপনার হাতে একটি লেটার ধরিয়ে দিবে। লেটারটিতে আপনার যাবতীয় পরিচয় পত্র কলকাতার এবং ইন্ডিয়ার সমস্ত কিছু উল্লেখ থাকবে এবং এই লেটারটি নিয়ে আপনার একটি কম্পিউটারের দোকানে যেতে হবে। তৃতীয় ধাপ : লেটারটি নিয়ে কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে আপনাকে এফ আর ও অফিসের উদ্দেশ্যে একটি অনলাইন আবেদন করতে হবে। এ আবেদনে আপনাকে উল্লেখ করতে হবে আপনি কেন পাসপোর্ট রিনিউ না করে আপনি ইমারজেন্সি বাংলাদেশে যেতে যাচ্ছেন এবং কতদিনের ভিতরে যেতে যাচ্ছেন। চতুর্থ ধাপ : অনলাইন আবেদন পেপারটি সংগ্রহ করে আপনাকে এফ আর ও অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে এবং সেই অফিসে আপনার একটি সাধারণ জিজ্ঞাসাবাদ হবে।কিভাবে পাসপোর্ট হারালো আপনি কেন ইন্ডিয়া এসেছিলেন। (ভুল করেও বলবেন না আমি কোন দালালের চক্রান্তে পড়েছি বা আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য এদেশে আসছিলাম এখন দালাল আমার সাথে দুই নাম্বারি করতেছে। সে ক্ষেত্রে তারা তাদের দেশের মানুষকে বেশি প্রাধান্য দিবে) পঞ্চম ধাপ : এপার অফিস থেকে আপনার জিজ্ঞাসাবাদ এবং আপনার অনলাইন আবেদনটি সংগ্রহ করে তারা একটি সময় নির্ধারণ করে দিবে সেই সময় আপনি আপনার জিমেইলে এক্সিট পারমিট পেয়ে যাবেন। এবং সেখানে উল্লেখ থাকবে যে এই কয়েক দিনের ভেতরে তোমার ইন্ডিয়া ছেড়ে বাংলাদেশে চলে যেতে হবে। আপনি জিমেইলে মেসেজ পাওয়ার পরে দেখবেন সেখানে একটি ছবি আসছে সেটি হচ্ছে আপনার এক্সিট পারমিট। ষষ্ঠ ধাপ : এক্সিট পারমিট পাওয়ার পরেও শান্তি নেই আপনি যেভাবেই যান বাসে করে অথবা বিমানে করে। প্রত্যেকটা ধাপে ধাপে আপনাকে প্রশ্ন করা হবে। কেন পাসপোর্ট হারালেন কেন এসেছিলেন ইন্ডিয়া। ( তবে এফ আরো অফিসের এক্সিট পারমিট পেয়ে গেলে আর পরবর্তীতে কোন সমস্যা হবে না -( শুধু বুদ্ধিমত্তার সাথে তাদের প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে পারলেই হবে) সপ্তম ধাপ : ইন্ডিয়া থেকে আপনার জিডি করার কাগজটা সাথে নিয়ে আসবেন অবশ্যই। সেই জিডির কাগজটি নিয়ে আপনার এলাকার সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে আরো একটি জিডি করবেন সেই জিডির কাগজটি নিয়ে পরবর্তীতে আপনার নতুন করে পাসপোর্ট রিইস্যু করে নেবেন। সংগৃহীত ( রিজু আহম্মেদ) 🤍

#ব্রেকিং_নিউজ ইতালিতে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি এবং এসএসসি ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।
+2
#ব্রেকিং_নিউজ ইতালিতে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি এবং এসএসসি ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।

প্রশ্ন:-মেয়েদের কি স্বপ্নদোষ হয় ? যদি হয় সেটা কিভাবে তারা বুঝবে এবং এই ক্ষেত্রে শরীয়তের হুকুম কি ? উত্তর: হ্যা পুরুষের ন্যায় মহিলাদেরও স্বপ্নদোষ হয় । যাহা উম্মে সালমা (রা:) কর্তৃক বর্নিত সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমানিত । ইমাম বুখারী (রহ:) সহ অনেক মুহাদ্দিসিনে কিরামগন তাদের কিতাবে ইহা উল্লেখ করেছেন । তন্মধ্যে বুখারী শরীফের হাদিসটি নিম্নে প্রদত্ত হোলো: হযরত উম্মে সালমা (রা:) থেকে বর্নিত , তিনি বলেন " একবার হযরত উম্মে সুলাইম বিনতে মিলহান (রা:) নবী করিম (সা:) এর দরবারে উপস্হিত হলেন । অত:পর বললেন হে আল্লাহর রসুল (সা:) সত্যের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা সংকোচ বোধ করেন না । মহিলাদের যখন পুরুষদের মতো স্বপ্নে স্বপ্নদোষ হতে দেখে , তবে কি তাদের ওপর গোসল ফরজ ? প্রতিউত্তরে রসুল (সা:) বললেন হ্যা যখন সে তরল পদার্থ বা পানি দেখে , তখন যেন সে গোসল করে নেয় । হযরত উম্মে সালমা (রা:) বলেন , আমি তাকে বললাম "উম্মে সুলাইম আপনি তো নারী জাতিকে অপমান করলেন । " সুতরাং উক্ত হাদিস দ্বারা বুঝা গেলো পুরুষের ন্যায় মহিলাদেরও স্বপ্নদোষ হয় । মহিলাদের স্বপ্নদোষ জানার উপায় হোলো দুটি যেটা ইমাম নববী (রহ:) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন : ১) যখন মহিলার বীর্যের গন্ধ পুরুষের বীর্যের গন্ধের ন্যায় হবে । ২) বীর্যপাতের সময় আনন্দ উপভোগ করা । এবং বীর্যপাতের পর যৌন চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়া । এদুটি উপায় থেকে কোনো একটি উপায় পাওয়া গেলে সকল ফুকাহায়ে কিরাম একমত যে তার ওপর গোসল ফরজ। তথ্যসূত্র : ১। বুখারী শরীফ ( ১ম খন্ড - ৯৩ পৃষ্ঠা , ২৮২ নং হাদিস ) ২। তিরমিজী শরীফ ( ১ম খন্ড - ২০৯ পৃষ্ঠা , ১২২ নং হাদিস ) ৩। মুসনাদে আহমদ ( ৬ম খন্ড - ৩৭৬ পৃষ্ঠা , ২৭১১৪ নং হাদিস ) ৪। মুসান্নাফে ইবনে আব্দুর রাজ্জাক ( ১ম খন্ড - ২৮৪ পৃষ্ঠা , ১০৯৬ নং হাদিস ) ৫। মুসলিম শরীফ ( ১ম খন্ড - ২৫০ পৃষ্ঠা , ৩১০ নং হাদিস ) ৬। বাদাউসসানায়ে ( ১ম খন্ড - ২৭৬ পৃষ্ঠা ) ৭। ফতোয়ায়ে শামী ( ১ম খন্ড - ৫৯ পৃষ্ঠা ) ৮। শরহে মুসলিম ( ৮ম খন্ড - ২১৪ পৃষ্ঠা )