ch
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

前往频道在 Telegram

🙂🙂🙂

显示更多
1 954
订阅者
-124 小时
-77 天
-1830 天
帖子存档
যৌন সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান পঞ্চভূত পাউডার। তেঁতুল বীজ, শিমুলমুল, অশ্বগন্ধা, আলকুশি ও শতমূল এই পাঁচটি উপাদানে শতভাগ বিশুদ্ধ উপায়ে তৈরি করা ন্যাচারালস পঞ্চভূত পাউডার। ♛♛♛ ⭐দ্রুত বীর্যপাত রোধ করে ⭐যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে ⭐বীর্য ঘন এবং গাঢ় করে ⭐যৌন দুর্বলতায় বিশেষ উপকারী ⭐স্নায়বিক দূর্বলতা রোধ করে ⭐শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে ⭐হস্থমৈথুন জনিত সৃষ্ট সমস্যা সমাধান করে ✅অশ্বগন্ধা চূর্ণ- অশ্বগন্ধা একটি ঔষধি ভেষজ/হার্বস যা সাধারন দূর্বলতা, যৌ'ন দুর্বলতা, মানসিক দুর্বলতা, ক্লান্তি, অবসাদ, শিশু অপুষ্টি, স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা, পীড়ন, কোষকলার ঘাটতি, স্নায়বিক অবসাদ, গ্রন্থিস্ফীতি, অনিদ্রা, দুগ্ধস্বল্পতা, শু'ক্রস্বল্পতায় কার্যকর। ✅শিমুল মূল চূর্ণ- শিমুল মূলের পাউডার একটি ঔষধি ভেষজ/হার্বস যা যৌ'নশক্তি বর্ধক, বী'র্যসৃষ্টি কারক, দেহ মোটা ও তাজা করে, যৌবন ধরে রাখে । দ্রত বী'র্যপাত রোধ করে, মহিলাদের শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর, অতিরিক্ত ঋতুস্রাব, পাতলা পায়খানা, আমাশয়, শু'ক্রতারল্য, স্নায়বিক দূর্বলতা এবং দাঁতের মাড়ি শক্ত করতে অত্যান্ত উপকারী। ✅শতমূল চূর্ণ- শতমূল ( Asparagus) এমন একটি ভেষজ/হার্বস যা সাধারন বলকারক, যৌ'ন শক্তি বর্ধক, শু'ক্র গাঢ় কারক, শু'ক্র সৃষ্টি কারক, পুষ্টি কারক এবং দুগ্ধ বর্ধক । শু'ক্র মেহ, স্নায়বিক দূর্বলতা, মূত্র কৃচ্ছতা, মানসিক দুর্বলতা এবং যৌ'ন দুর্বলতায় বিশেষ উপকারী । ✅আলকুশি পাউডার আলকুশীর প্রধান ব্যবহার বাজীকর ঔষধ হিসেবে । যা অতিমাত্রায় শুক্র সৃষ্টি করে অথবা অশ্বের মত রমণে প্রবৃত্ত করে। আলকুশির বীজ চিনি ও দুধসহ সেদ্ধ করে খেলে বাত রোগের উপশম হয়, শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়, শু'ক্র বৃদ্ধি গাঢ় হয় এবং স্নায়বিক দুর্বলতা দূর করে। ✅তেতুল বীজ চূর্ণ- তেঁতুল বীজ বলকারক, শরীরের দূর্বলতা দূর করে, দ্রুত বী'র্যপাত রোধ করে ও যৌ'নশক্তি বৃদ্ধি করে, বী'র্যের উৎপাদন, শু'ক্রের উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ বন্ধ করে। মহিলাদের জরায়ুর শক্তিবর্ধন করে। ©Monir

"নফল আমলকে ফরযের মত বানিয়ে নাও[১], পাপ করাকে কুফরের মত মনে কর[২],কামনাবাসনাকে বিষের মত গণ্য কর[৩], মানুষের সাথে মেলামেশাকে আগুনের মত মনে কর[৪], আর খাবারকে ওষুধের মত মনে কর[৫]" . ~ ইমাম আল হাফিয আবুল হাসান আলী আয যাইদী [রাহ.] [৬] . . [১) অর্থাৎ নফল আমলকে দৃঢ়তার সাথে কর, যেভাবে ফরয আমল করা হয়, নফলকে ছেড়ে দিও না। যদি নফলকে দৃঢ়তার সাথে আদায় করা যায় তাহলে ইন শা আল্লাহ ফরয ছুটে যাবে না, ২) মানুষ পাপের স্তরভেদ করে ফলে পাপে আক্রান্ত হয়ে যায়। পাপকে স্রষ্টার অবাধ্যতা হিসেবে কুফরজ্ঞান কর, কুফরের মত ভয়ানক মনে কর, তাহলে পাপ থেকে বাঁচতে পারবে। ৩) কামনাবাসনাকে বিষের মত মনে করতে হবে, বিষ পানে যেভাবে মৃত্যু হয় কামনাবাসনাও এভাবে রুহানী মৃত্যুর কারণ হয়। তাই বিষ থেকে যেভাবে বেঁচে থাক কামনাবাসনার চাহিদা থেকেও সেভাবেই বাঁচতে হবে। ৪) আগুনের স্ফুলিঙ্গ যেভাবে কাপড়ে বা ঘরে লাগলে সব কিছু পুড়ে যায় মানুষের সাথে মেলামেশাও তেমনি, এটা হাজারো পাপের অনুঘটক। কিন্তু আমাদের জীবনে আগুনের প্রয়োজন আছে। আমরা যতটা আগুন দরকার ততটা চুলায় ব্যবহার করি এর বেশি নয়। একইভাবে মানুষের সাথে মেলামেশাকেও সীমিত করতে হবে যেন গুনাহের স্ফুলিঙ্গ আখিরাতকে বরবাদ করতে না পারে। ৫) মানুষ শখ করে বিপুল পরিমাণ ওষুধ খায় না, যতটা দরকার ততটা খায়। মানব জীবনে খাদ্যের অবস্থানও তাই। আমাদের খাওয়ার জন্য দুনিয়ায় পাঠানো হয়নি, ইবাদাতের জন্য পাঠানো হয়েছে। এর মাঝে শরীর সুস্থ রাখতে যতটা খাওয়া দরকার কোনো প্রকার অপচয় ব্যতীত ততটা হালাল খাদ্য গ্রহণকে জায়েয করা হয়েছে। তাই খাদ্যও এ পরিমাণ গ্রহণ কর যতটা তোমার দরকার। (১-৫ পর্যন্ত টীকা, আমার লেখা); ৬) ইমাম তাজুদ্দীন সুবকী (রাহ), তাবাকাতুশ শাফিঈয়্যাতিল কুবরা: ৫/১৩৫] || উস্তাদ মানযুরুল কারিম হাফিঃ

কেমন আছেন আপনি? আসলেই কেমন আছেন আপনি ? নিজের যত্ন নিচ্ছেন? নিজেকে ভালোবাসছেন? নিজের ভালো লাগাগুলোকে ভুলে যাচ্ছেন না তো? নিজের স্বপ্নগুলোকে অযত্নে ফেলে রেখে হারিয়ে যাচ্ছেন কি নিজের কাছ থেকে? নিজেই নিজের কঠোর সমালোচক হয়ে যাচ্ছেন না তো? নিজের কাছের ভালোবাসার সম্পর্কগুলোকে যত্নে আগলে রাখতে গিয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলছেন না তো? একটু থামুন। এই ব্যস্ত পৃথিবীতে অন্যদের যত্ন নেয়ার পাশাপাশি আপনাকেও আপনার নিজের প্রতি সহনশীল হতে হবে। নিজের যত্ন নিন, নিজেকে অল্প করে ভালোবাসতে শিখুন।নিজের ভালো লাগাগুলোর যত্ন নিন। এটা জরুরী।

আমার হাজবেন্ড আজকে হঠাৎ এসে বলতেসে,"জানো হিন্দুদের একটা চক্র আছে না মুসলিম মেয়েদেরকে রিলেশনের ফাঁদে ফেলে ফিজিক্যাল রিলেশন পর্যন্ত টেনে নেয়,তারপর মেয়েটা প্রেগন্যান্ট হয়ে গেলে সরে পড়ে!এই চক্রটা অনেকদিন আগে থেকেই এক্সিস্ট করে,ইভেন অনেক কাছের চেনা হিন্দু ছেলেরাই এতে জড়িত!" আমি জিজ্ঞেস করলাম, "হঠাৎ এই কথা বলছেন কেনো?" – "আমরা যখন পাইওনিয়ারে ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি একটা মেয়ে আসতো পর্দা করে।পুরা ফার্স্ট ইয়ারে সেই মেয়ের চেহারা কেউ দেখে নাই। অনিরুদ্ধ নামের এক ছেলের সাথে সেই মেয়ের ভালো বন্ধুত্ব ছিলো। সেকেন্ড ইয়ারে একদিন দেখি সে শুধু হিজাব পড়ে কলেজে আসতে শুরু করসে।তারপর শুনি অনিরুদ্ধের সাথে নাকি প্রেম করে। তখন তো জাহেল ছিলাম,তাই ফ্রেন্ডসার্কেলও তেমনই ছিলো।বন্ধুরা আলোচনা করতাম এতো হ্যান্ডসাম বড়ভাইদের রেখে এই হিন্দু পোলার সাথে প্রেম করে কেন ও? আস্তে আস্তে সে বোরকা ছাড়লো,কয়দিন ঢিলাঢালা সালোয়ার কামিজ পড়লো!তারপর সেকেন্ড ইয়ারের মাঝখানে দেখি সেই মেয়ে হাতার মাঝখানে কাটা এমন জামা পড়া শুরু করছে। কয়দিন পরে অনিরুদ্ধের রুমমেট জাহিদের কাছ থেকে আমরা জানতে পারি,তারা দুইজন ওদের হোস্টেলে একরুমে মাঝে মাঝে সময় কাটায়।হোস্টেলে সিনিয়ার ভাইরা থাকায় তাদের প্রেমে ব্যাকআপ দেয় জাহিদ। আমরা এসব নিয়ে মাথা ঘামাইতাম না। কতমেয়েই তো এমন আছে,এসব ভেবে পাত্তা দেই নাই কখনো।বছরখানেক পর একদিন শুনি অনিরুদ্ধ মেয়েটার সাথে ব্রেকআপ করছে। কলেজের সবাই জানতো রিলেশন চলাকালীন একবার মেয়েটা প্রেগন্যান্টও হয়ে গেসিলো,ফ্রেন্ডদের মাধ্যমে এবোরশন করাইসে। ব্রেকআপের পর অনেক মেন্টাল ব্রেকডাউনের মধ্যে দিয়ে গেসিলো থার্ড ইয়ারটা সেই মেয়ের। ২০১৯ এর দিকে মেয়েটার বিয়ে হয়ে যায়,দেশের বাড়ি রাজশাহীর এক ছেলের সাথে। তারপরে আর কোনো খোঁজ নাই। আজকে হঠাৎ এই কাহিনী মাথায় আসলো আর দুইয়ে দুইয়া চার মিলাইলাম। তখন তো জানতাম না এতকিছু! মুসলিম মেয়েগুলার গাধামির জন্য আরও সহজ হয় ওদের পথ!" আমি এখন পর্যন্ত হতভম্ব হয়ে আছি! [অনিরুদ্ধ আর জাহিদ নামটা ছদ্মনাম।] ©তাহরিমা জাহান তুবা

১৫)স্ত্রীর প্রথম মিলনে রক্তপাত না হলে ভাববেন না যে স্ত্রী সতী না। সুধারনা রাখুন, সতী নারীর বৈশিষ্ট্য তিনটা ১) অক্ষত সতী পর্দা ২) লেবিয়া মেজরা ও মাইনোরা ( যৌনি কপাট) দুই পা ফাকা করে দিলেও যৌনিপথ দেখা যাবে না। ৩) কনিষ্ঠ আঙুল যৌনপথে সহজেই ঢুকবে না,আর ঢুকলেও নারী অনেক ব্যথা পাবে, যে নারী পূর্বেই সহবাস করেছে তার এই তিনটা বৈশিষ্ট্য থাকবে না। ১৬) দেনমোহর কম ধার্য করুন,উত্তম ফাতেমী দেন মোহর,সহবাসের আগেই শোধ দিবেন আর এত কমও দিবেন না যে হাস্যকর দেখায়,আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী দিবেন। ১৭) বিয়ের প্রথম একবছর অবশ্যই স্বামী স্ত্রী একসাথে থাকবেন,যতবেশি পারেন সহবাস করুন,পুষ্টিকর খাবার খান। ১৮) পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে ভালোমত ধারনা রাখুন,নববধু কি সন্তান ধারনের জন্য উপযুক্ত কিনা? ১৯) স্বামী স্ত্রীর হক সম্পর্কে ভালোমত ধারনা রাখুন ইনশাআল্লাহ কাজে দিবে,সংসারে সুখ আসবে। ২০)ছোটখাট বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না,যতই ভালোমত চলুন না কেন পরস্পরের অনেক অমিল থাকবে, আর এটাই স্বাভাবিক এগুলোকে প্রাধান্য দিবেন না। ২১) নিজেদের সহবাসের গোপন কথা অন্য কারও সাথে শেয়ার করবেন না। ২২) হবু স্ত্রীদের আগে থেকে যৌনমিলন সম্পর্কে সঠিকভাবে জানা উচিত, স্বামীরা কি কি পছন্দ করে,এই টিপসগুলো ভালো মেডিকেল জার্নালে পাবেন। আর হবু স্বামীরও যৌনক্রিড়া সম্পর্কে ও জানতে হবে,কিভাবে তার হবু বৌকে বিছানায় হারিয়ে নিজে জিততে পারবেন,, বিছানায় অবশ্যই স্বামীকে জিততে হবে, আর সংসারে হারুন,স্ত্রীর পরামর্শকে ভালোবাসুন। ২৩) বাচ্চা নিতে চাইলে দুইজনে পরিকল্পিতভাবে নিন,আল্লাহর কাছে নেক সন্তানের জন্য দোআ করুন। ২৪) হবু স্বামী স্ত্রীর বায়োডাটা দুইজনেই আগে থেকে ভালোমতো জেনে নিন। ২৫)স্বামীর যৌন পারফর্মেন্স কে বাহবা দিবেন, পাশে থাকবেন, দূর্বলতা কে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না,এটা খুব খারাপ। দোআর দরখাস্ত রইল ডা এস আর খান

বিবাহের আগে কিভাবে প্রস্তুুতি নিবেন?? পর্ব ১ বিয়ে কে আল্লাহ সহজ করছেন,উৎসাহ দিয়েছেন,বিয়ের ফজিলতের কথা কোরআন হাদিসে অনেক আছে। সুন্দর সুন্নত তরিকার বিয়ে নিসন্দেহে বরকত আর বরকত,এতে কোন সন্দেহ নেই। যে সমাজে বিবাহ করা কঠিন সেই সমাজে যিনা ব্যাভিচার সহজ। যে বিয়েতে খরচ কম, সেই বিয়েতে বরকত বেশি,খুব অল্প টাকায় বিয়ে করা যায়,সাহাবিদের বিয়েতে খুব সামান্যই ব্যয় হতো,কোন কোন সাহাবীর বিয়ের আগে এমন অবস্থা হতো যে কোন টাকা পয়সাই হাতে ছিলনা,তবুও তারা নিজেদের চরিত্রকে হিফাজত করার জন্যে শুধু বিয়ে করেছেন ইবাদত মনে করে ।সঠিক সময়ে যদি যুবক যুবতীদের অভিভাবকরা বিবাহের ব্যবস্হা করে দিতো, এই সমাজ থেকে অনেক যিনা, ব্যভিচার দূর হয়ে যেত। আল্লাহর রাসুল মহানবি হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মানুষ বিয়ে করার সময় চারটি জিনিস প্রাধান্য দেয়, ১) টাকা পয়সা ২) বংশ ৩)সৌন্দর্য ৪)দ্বীনদারিতা আর আল্লাহর রাসুল মহানবী হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা দ্বীনকে প্রাধান্য দাও।এমন নারীকে বিয়ে করো যে অধিক সন্তানের মা হতে পারে। আসলেই যে যুবক মনে মনে সতী বৌ পেতে চায়,তার ও উচিৎ নিজেকে সৎ রাখা।যে সৎ থাকবে আশা করা যায় সেও সতী কুমারী নারীকে বিয়ে করতে পারবে,আল্লাহ সবসময় ভালোদের জন্য ভালোই রাখেন। আসলে সংসার জীবন অনেক জটিল এক রসায়ন, সেই জন্য এই কঠিন বাস্তবতাকে সহজ করে নেওয়ার জন্য দ্বীনদার স্বামী স্ত্রীর বিকল্প কিছু নেই। দ্বীনদার হলে অনেক বিষয় পরস্পরের জন্য মানিয়ে চলা সহজ হয়,যদিও আপেক্ষিকভাবে কঠিন মনে হলেও আল্লাহর জন্য তারা দুইজনই হাসিমুখে সবকষ্ট মেনে নেয়, কেউ কাউকে অন্তত ঠকায় না,আর এদের জন্য ফেরেশতারা অনেক অনেক দোআ করতে থাকেন। আর শয়তানের চ্যালেন্জ থাকে যেভাবেই হোক স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া মারামারি লাগুক,আর এটাই শয়তানের বড় সফলতা।যারা দুনিয়ার চাকচিক্য দেখে বিয়ে করে আসলে তারা মরিচিকার পেছনে ছুটতে থাকে, তাদের পারিবারিক জীবন তেমন একটা সুখের হয়না,নানান সমস্যা লেগেই থাকে, কেউ কাউকে ছাড় দেয়না অবশেষে তালাকের মত অপছন্দনীয় কাজ ঘটিয়ে দেয়। সমাজে,মিডিয়ায় যারা অনেকের কাছে মডেল ছিল,হ্যাপি কাপল, তাদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে ডিভোর্স এ জড়িয়ে যায়। ###টিপস ১) দ্বীন কে প্রাধন্য দিন,যতই কষ্ট হোক,একদিন আপনাদের সফলতা আসবেই।। ২) দ্রুত বিয়ে শাদি করুন,অন্যকেও উৎসাহিত করুন। এটা ভাববেন না অনেক অনেক টাকা কামাই করে তারপর বিয়ে করবেন।তখন শুধু টাকাই থাকবে, যৌবনের মূল্যবান সময় হারিয়ে ব্যস্ত জীবনে পা দিয়ে,রোমান্স করার আর সময় পাবেন না।সংসার গোছাতে গোছাতে বার্ধক্য চলে আসবে। ৩) বিয়েতে অল্প খরচ করুন, মসজিদে বিয়ে করুন,কারও দেখাদেখি, পারিবারিক চাপে বেশি ধারদেনা করে কমিউনিটি সেন্টারে যাবেন না। ৪) মনের মত সঙ্গীনি খুঁজুন,যারে দেখলে আপনার অন্তর শান্তি লাভ করবে,কাছে পেতে মন চাই,এমন কাউকে। ৫) কোন যোগ্যতা সম্পূর্ণ দ্বীনদার পুরুষ কোন রমনীকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে মেয়ের পরিবারের উচিত তার সাথে বিয়ে দেওয়া, এতে বরকত থাকবে। ৬)যাদের খারাপ অভ্যাস আছে ( হস্তমৈথুন, পরকীয়া ইত্যাদি এগুলো থেকে তওবা করুন) নিজেকে বিয়ের আগেই ফিট করে হবু বউয়ের জন্য অপেক্ষা করুন। ৭)জেনে রাখুন,বিয়ের প্রথমদিকে অনেক যুবকের ই লিঙ্গের দৃঢ়তা নিয়ে সমস্যা হয়,এতে ঘাবড়িয়ে যাবেন না,বছর খানিক অপেক্ষা করুন,না হলে চিকিৎসা নিন। ৮) লিঙ্গের সাইজ,ছোট বড়,গোড়া চিকন,মোটা,অন্ডকোষ থলির ঝুলে যাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। ৯) প্রথমদিকে সময় অনেক কম পাবেন,এতে ঘাবড়াবেন না,বৌয়ের ভালোবাসা সহযোগিতা থাকলে ইনশাআল্লাহ আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে,এজন্য যৌন ব্যায়াম,পুষ্টিকর খাবার যেগুলো খেলে যৌন শক্তি বাড়বে ঐগুলা খেতে থাকুন ( ডিমদুধের মিশ্রন + তিনরকম বাদাম, সামান্য মাখন,মধু,কিছু আজোয়া খেজুর) যৌনজ্ঞান না থাকলে আপনার পরিচিত কাছের কোন যৌনবিশেষজ্ঞের কাছে যান যৌন কাউন্সিলিং নিন, যৌনথেরাপি নিন,আশাকরি মেডিসিনের উপর নির্ভরতা কমে যাবে,কনফিডেন্স বেড়ে যাবে। ১০) যৌন অক্ষমতা থাকলে চিকিৎসা করান আর এটা গোপন রেখে বিয়ে করবেন না,এতে বৌয়ের হক নষ্ট হয়,ইসলামে মেয়েদের এই নপুংসক দের তালাক দিতে বলেছে। ১১) এইচআইভি, হেপাটাইটিস বি সি উভয়ই পরীক্ষা করুন,সাথে রক্তের গ্রুপও জেনে নিন। ১২) যদি কিছু টাকা জমানো থাকে নতুন বউকে নিয়ে হানিমুনে ঘুরে আসুন,এতে করে দুইজনে একান্ত সময় কাটাতে পারবেন সম্পর্ক মজবুত হবে।( হানিমুন জরুরি না) অথবা আত্নীয়দের সাথে পরিচয় / বা পরস্পরের জানাশোনা দরকার। ১৩) বিয়ের আগেই হবু বৌ/ স্বামীর জন্য একটা সারপ্রাইজ রেখে দিন,সেটা বাসর রাতে হাদিয়া দিবেন,বাসরঘরটি সুগন্ধি রজনী গন্ধা দিয়ে সাজান,ভালো লাগবে,আর একটু নিরিবিলি পরিবেশ রাখুন। ১৪)আল্লাহর কাছে উত্তম সঙ্গীনির জন্য মন খুলে দোআ করুন।

"একালের শিক্ষিতা যুবতী মেয়ে সবদিক দিয়েই মুক্ত, স্বাধীন। তাদের গর্ভে যদি কখনও সন্তানের জন্ম হয়, তাহলে তারা নিশ্চয় শিশু সন্তানের মন-মগজে ইসলামী আকীদা-বিশ্বাসের বীজ বপন করবে না। . কেননা তারা নিজেরাই তার প্রতি বিশ্বাসী নয়, তাদের বাস্তব জীবনযাত্রার ওপর ইসলামের একবিন্দু প্রভাব নেই; বরং তারা ইসলামী রীতি ও বিশ্বাসের প্রতি বিদ্বেষী, শত্রু-ভাবাপন্ন। তারা ইসলামকে রীতিমত ঘৃণা করে। . এক্ষণে ইহুদী-খৃষ্টান জগৎ নিশ্চিন্তে বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারে। বিগত দুই শতাব্দী কাল ধরে যে প্রাণপণ চেষ্টা তারা চালিয়েছিল, তা এখনও চালিয়ে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। . মুসলিম দ্বীন প্রচারকারী ও সাধারণ মুসলমানদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য যে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমটা তারা এ যাবত করে এসেছে তার দায়িত্ব এখন পালন করে চলছে মুসলিম পরিবার ও সমাজের সেই মেয়েরা, যারা তাদের শিক্ষা ও চরিত্র পেয়ে মনে-প্রাণে-চরিত্রে খৃষ্টান-ইহুদী হয়ে গেছে। তাদের গর্ভে এখন আর মুসলিম সন্তানের জন্ম হয় না। . তারা হয় খৃষ্টান-ইহুদীদের চক্রান্তে পড়ে সন্তান প্রসব ছেড়েই দিয়েছে, আর নয় কোনো সন্তান প্রসব করলেও তার মন-মগজে ইসলামী আকীদার বীজ তারা বপন করে না। ফলে খৃষ্টান-ইহুদীদের সেই সর্বাত্মক চেষ্টা-প্রচেষ্টা এখন অপ্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।" . ~ উস্তায মুহাম্মাদ কুতুব [রাহ.] . [বিংশ শতাব্দীর জাহিলিয়াত, পৃ: ৩৭৮]

❝যে নারী বোরকা পরেও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভাবে, ‘আমাকে দেখতে সুন্দর লাগছে তো! বাইরে গেলে আমাকে ভালো লাগবে তো!’ সে এখনো বেপর্দাই রয়ে গেল!❞ ~ তানজীল আরেফীন আদনান

মেয়েদের ডিভোর্স দেওয়ার নিয়ম! Adv Md Oliur Rahman Croydon, UK অনেক মেয়েদের কাছ থেকে ইনবক্স পাই, ডিভোর্স দেওয়ার নিয়ম এবং কাবিননামা পূণরায় তোলার বিষয়ে।আমি কাউকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করছি না।আমি সবসময় Negotiation পক্ষে মতামত দেই। কেউ ডিভোর্স দেওয়ার কথা জিজ্ঞেস করলে আমি কারণ টা জানতে চাই।আমি বুঝতে চাই, মানুষ এক ছাদের নিচে দীর্ঘদিন ধরে থেকে কেন একজন আরেকজন কে ছাড়তে চায়। সেদিন এক মেয়ে ইনবক্স করেছে। বাবার একমাত্র মেয়ে। ভালোবাসে একজন কে বিয়ে করছে।এখন সেই ছেলে ওনাকে মারধর করে,মুখে বালিশ চেপে ধরে! মানুষ পরিস্থিতির জন্য এরকম আত্নঘাতি সিদ্ধান্ত নেয়। এবার আসি আজকের বিষয়ে। কাবিননামা পূণরায় তোলার নিয়ম : কাবিন নামা হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে যে কাজী অফিসে আপনার বিয়ে হয়ে ছিল সেইখান থেকে নতুন করে কাবিন নামা তুলতে পারবেন। অন্য কোন কাজী অফিস থেকে তা পাবেন না। অপনার প্রয়োজন যতবার হবে নির্ধারিত ফি দিয়ে কাবিন নামা উঠাতে পারবেন। এজন্য বিয়ের সময় ভূয়া কাজী অফিস হতে সাবধান থাকতে হবে। কাজী ফোন নম্বর, নাম ঠিকানা সংগ্রহে রাখুন এবং ভেরিফাই করে নিন। তালাক দেওয়ার নিয়ম : যদি একদম সহজ ভাবে বলি স্ত্রী তার স্বামীকে তিনভাবে তালাক দিতে পারে৷ প্রথমটি হলো কাবিননামার ১৮ নাম্বার কলাম৷ যদি বিয়ের সময় কাবিননামার ১৮ নাম্বার কলামে স্ত্রীকে যদি এই ক্ষমতা দেওয়া হয় সে তার স্বামীকে তালাক দিতে পারবে, তাহলে স্ত্রী এই ক্ষমতা প্রয়োগ করে তালাক দিতে পারবে৷ সব সময় মনে রাখবেন এই ক্ষমতাটি কাবিননামার ১৮ নাম্বার কলামে দেওয়া থাকে৷ দ্বিতীয় পদ্ধিতিটি হলো খুলা তালাক৷ যদি কাবিননামার ১৮ নাম্বার কলামে এই ক্ষমতা স্ত্রীকে দেওয়া না হয়ে থাকে সেই ক্ষেত্রে স্ত্রী তার স্বামীকে খোলা তালাক দিতে পারে৷ খোলা তালাক হলো স্ত্রী তার স্বামীকে নিজ থেকে প্রস্তাব( proposal) দিবে তাকে যেন তালাক দেয়, বিনিময়ে স্ত্রী তার স্বামী থেকে দেনমোহরের টাকা নিবে না বা অন্য কোন কিছু বিনিময়েও খুলা তালাক দেওয়া যায়৷ এই তালাকটি সমঝোতার মাধ্যমে হয়ে থাকে৷ আর তৃতীয় পদ্ধতিটি হলো আদালতের মাধ্যমে তালাক৷ স্ত্রী কোর্টে গিয়ে তালাকের জন্য মামলা করতে পারে৷ ধন্যবাদ।

ইন্টারমিডিয়েটের একাডেমিক কোচিং কিংবা অ্যাডমিশন টেস্টের কোচিংয়ের জন্য যাদের কাছে আপনার মেয়েকে পাঠাচ্ছেন তারা হয়তো আপনার মেয়ের চেয়ে কয়েকবছরের বড়। তারা বুয়েট, ঢাবি, জাবিসহ ভালো ভালো ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট। ‌ আপনার মেয়েকে সফলতার সংজ্ঞা হিসেবে শেখালেন পাবলিকে চান্স পাওয়া, অনেক টাকা ইনকাম করা, ভালো চাকরি করা। আপনার মেয়ে এগুলোর জন্য আইডল হিসেবে যাদেরকে দেখে তারা হচ্ছে এসব “বড়ভাই”। কীভাবে পড়তে হবে, চলতে হবে, জীবনের সিদ্ধান্তগুলো কীভাবে নিতে হবে ওদের থেকেই মেয়েটা এসব গ্রহণ করে। ‌ সাথে আরেকটা জিনিসও গ্রহণ করে, যেটা আপনি জানলেও না জানার মতো করে থাকেন। তাদের জীবনের স্বপ্নের অংশ এসব “ভাইয়াদেরকে” ঘিরে তৈরি হয়। বুয়েটের ছাত্র, ঢাবির ছাত্র শুনলেই আপনার মেয়ে ওদের কাছে শুয়ে পড়ার ব্যাপারেও দ্বিতীয়বার ভাবে না। আপনাদের অনেকের মৌন সম্মতিও থাকতে পারে কারণ তারা খুব ভালোই ইনকাম করে। আপনারা জানেন এরা প্রত্যেকেই যুবক, এদের কাছে পাঠানোর ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে, কতটুকু দুরত্ব বজায় রাখা দরকার তা শেখাতে হবে। ‌ এই “ভাইয়াদের” ব্যাপারে মেয়েরা অফগার্ড থাকার পেছনে সবচেয়ে বড় দায় আপনাদের। আপনারা মেয়েকে শিক্ষা দেন “শিক্ষক পিতার সমতূল্য ”। পিতা কি আর সন্তান সমতূল্য কারো খারাপ চাইবে? চাইবে না। ভালোভাবে গাইডলাইন দেয়ার জন্য ফেসবুক আইডির আদান-প্রদান হবে, ক্লাসের বাইরেও যোগাযোগ করবে। দিনশেষে বলবে তোমার একটা ছবি দাও। আপনার মেয়েটাও দিয়ে দিবে। এরপর সেই মেয়ের ছবি পাওয়া যাবে টেলিগ্রাম গ্রুপে, যেখানে সাধারণত মেয়েদের ন-গ্ন ছবি থাকে। ‌ গতকাল এরকম একটা “ভাইয়াকে” এক কোচিং সেন্টার থেকে বহিষ্কার করা হয়। একাধিক ছাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমনটা ধারণা করা হচ্ছে। কারণ টেলিগ্রাম গ্রুপে একটা মেয়ের ইউনিফর্ম পরা ছবি পাওয়া গেলেও একাধিক মেয়ের পোশাক ছাড়া ছবি পাওয়া গেছে যা তার আইডি থেকে পাঠানো হয়েছে। ‌ হাতে থাকা প্রমাণের ভিত্তিতে এই কথাগুলো বলছি, প্রকৃত সত্য হয়তো প্রশাসনের হস্তক্ষেপেই বের হবে, ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে বের করা যাবে। চিন্ময় সাহা নামের এই “ভাইয়া” অনেক ভালো পড়াতো। তাই এসব দেখেও একদল ছেলে-মেয়ে তাকে বহিষ্কার করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে। ‌ চিন্ময় সাহাকে গতকাল ACS থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর ACS-এর ছাত্র-ছাত্রীদেরকে উদ্দেশ্য করে লিখা হয় যদি তাদের কাউকে হ্যারাস করা হয় কিংবা এই ধরণের বিষয় থাকে তবে কর্তৃপক্ষকে যেন জানানো হয়। তাকে বহিষ্কারের পর এই ধরণের পোস্ট দেয়ার থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় তার অপরাধ এই সংশ্লিষ্ট। ‌ শিকারী একজন হলেও শিকার হয়েছে অনেকজন। আমরা বারবারই এই ধরণের ফ্রিমিক্সিং পরিবেশ, ছেলে-মেয়ের অবাধ মেলামেশার বিরুদ্ধে কথা বলি। আপনারা ভাবেন “এদের সমস্যা কী?” ‌ সমস্যাটা এটাই যে আমরা কথা বলি যখন পচন ধরে, আপনাদের টনক নড়ে যখন দুর্গন্ধ ছড়ায়। সার্টিফিকেটের সামনে আপনাদের মেয়েদের ইজ্জত এতটাই সস্তা হয়ে গেছে যখন তখন আমাদের কথাকে তো অতিরঞ্জিত মনে হবেই! Mayraj Hossain ভাইয়ের সাথে একমত

শিশুর মলদার পরিষ্কার করার সময় আমরা সবসময় wipes কে প্রাধান্য দেই। এতে সুগন্ধি আছে এবং দুই তিনবারে মনে হয় কি যে একদম পরিস্কার হয়ে গেছে। আমাদের মলদ্বারে কিন্তু প্রাকৃতিক একটা তেল থাকে। যা কিনা নিজ থেকেই ওই জায়গার চামড়াকে সংকুচিত বা সম্প্রসারিত করতে সাহায্য করে এবং চামড়ার শুষ্কতা রোধে বেশ কার্যকরী। খুব বেশি বেশি wipes ব্যবহার করে আমরা শিশুর মলদ্বারের ওই তেলটা নষ্ট করে ফেলব না। শিশু যখন বড় হয় এক দেড় বছর পরে এমনিতেই পিছনে হাত দেয়। অনেক সময় কৃমিজনিত কারণে। মাঝে মাঝে এটা কেমন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এখানে স্পর্শ করলে কেমন লাগে সেটা বোঝার জন্য হাত দেয়। আবার অতিরিক্ত wipes বা লিকুইড সাবান ব্যবহার করার ফলে ওই তেলটা নষ্ট হয়ে যায় চামড়া শুষ্ক হয়ে যায়, সে কারণে ওর বেশি চুলকানি হয় সেজন্য হাত দেয়। তাই শিশুকে বেশি পরিষ্কার করতে গিয়ে লিকুইড সাবান বা wipes এর অতিরিক্ত ব্যবহার পরিহার করতে হবে। অনেকেই শিশুকে সারাবছর গরম পানি দিয়ে গোসল করান এটা করা যাবে না, এটা করলে স্কিনের যেই সৌন্দর্য সেটা কিন্তু অনেকাংশেই হারাবে আপনার শিশু। সপ্তাহে একদিন ওর সব ছোট ছোট প্যান্টিগুলো গরম পানি দিয়ে একটু ভিনেগার দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। বাথরুম কিন্তু আমরা হারপিক দিয়ে প্রতিদিন একটু ঝাড়ু দিয়ে টেনে দিব। আর যদি মলদ্বারে চামড়া খুব বেশি শুষ্ক হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে ঘরে বানানো নারকেল তেল আপনি মলদ্বারে একটু করে দিতে পারবেন। কোন সরিষার তেল ব্যবহার করা যাবে না। আর মেয়েদেরকে পরিষ্কার করার নিয়ম হচ্ছে সামনে থেকে পিছনে। পিছন থেকে সামনে আসা যাবেনা। আপনি নিজেকেও ক্লিন করার জন্য যদি খুব বেশি লিকুইড সোপ ইউজ করে থাকেন তাহলে আজই পরিহার করুন। আমাদের জেনিটাল এরিয়া বা প্রাইভেট পার্ট গুলোতে এসেনশিয়াল অয়েল প্রকৃতিগতভাবেই আমাদের বডিতে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভ্যাজাইনাতে আছে অনেক ভালো ব্যাকটেরিয়া। যা কিনা আপনি অতিরিক্ত পরিষ্কার করার কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। যখনই যেখানে যান সুতির প্যান্টি ব্যবহার করবেন। বাইরে থেকে এসে আগে বাইরের কাপড় ছেড়ে নিজেকে ফ্রেশ করে খোলামেলা কাপড় পড়ে থাকবেন। যাতে করে আপনার শরীর এতক্ষণ যে বদ্ধ অবস্থায় ছিল সেটা থেকে একটু নিঃশ্বাস নিতে পারে। আমরা সকালে যে কাপড় পড়লাম সে কাপড় পরে আবার বাইরে গেলাম, বাইরে থেকে এসে আবার রান্না ঘরে ঢুকলাম, রান্না ঘরের সব কাজ সেরে ঠিক ঘুমের আগে কাপড় পাল্টাতে যাই। মনে রাখবেন আপনার ঘামের গন্ধ আপনি পান না কিন্তু পাশের জন ঠিকই পায়। তাই বাচ্চার পাশাপাশি নিজেরও যত্ন নিন! বাচ্চার সারাদিনের খাবারের চার্ট এর জন্য এপইন্টমেন্ট নিতে চাইলে দয়া করে আমাদেরকে ইনবক্স করুন! তবে এপইন্টমেন্টের জন্য অবশ্যই ফিস সংযুক্ত! এডমিন আপনাকে বিস্তারিত বুঝিয়ে বলবেন! #babytimes #babyfood #babycare #babyfoodplan #childcare

এইসব পাত্তাই দেয়না। ©Rabeya Siddiqua Ruby Follow our group & page ➡️ 20 Minute Medical