Work for Jannah
前往频道在 Telegram
কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবে না[সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪] Join our page :- https://m.facebook.com/WorkforJannahofficial/
显示更多1 914
订阅者
+224 小时
+27 天
+230 天
数据加载中...
吸引订阅者
九月 '26
九月 '26
+2
在0个频道中
八月 '26
+28
在0个频道中
Get PRO
七月 '26
+38
在0个频道中
Get PRO
六月 '26
+26
在0个频道中
Get PRO
五月 '26
+28
在0个频道中
Get PRO
四月 '26
+32
在0个频道中
Get PRO
三月 '26
+15
在0个频道中
Get PRO
二月 '26
+14
在0个频道中
Get PRO
一月 '26
+16
在0个频道中
Get PRO
十二月 '25
+12
在0个频道中
Get PRO
十一月 '25
+17
在0个频道中
Get PRO
十月 '25
+30
在0个频道中
Get PRO
九月 '25
+11
在0个频道中
Get PRO
八月 '25
+24
在0个频道中
Get PRO
七月 '25
+12
在0个频道中
Get PRO
六月 '25
+25
在0个频道中
Get PRO
五月 '25
+22
在1个频道中
Get PRO
四月 '25
+13
在1个频道中
Get PRO
三月 '25
+51
在1个频道中
Get PRO
二月 '25
+44
在0个频道中
Get PRO
一月 '25
+65
在1个频道中
Get PRO
十二月 '24
+89
在0个频道中
Get PRO
十一月 '24
+76
在1个频道中
Get PRO
十月 '24
+101
在0个频道中
Get PRO
九月 '24
+56
在0个频道中
Get PRO
八月 '24
+74
在2个频道中
Get PRO
七月 '24
+48
在1个频道中
Get PRO
六月 '24
+57
在1个频道中
Get PRO
五月 '24
+52
在1个频道中
Get PRO
四月 '24
+46
在0个频道中
Get PRO
三月 '24
+112
在2个频道中
Get PRO
二月 '24
+538
在1个频道中
Get PRO
一月 '24
+48
在1个频道中
Get PRO
十二月 '23
+54
在0个频道中
Get PRO
十一月 '23
+25
在0个频道中
Get PRO
十月 '23
+33
在0个频道中
Get PRO
九月 '23
+95
在0个频道中
Get PRO
八月 '23
+102
在0个频道中
Get PRO
七月 '23
+30
在0个频道中
Get PRO
六月 '23
+42
在0个频道中
Get PRO
五月 '23
+84
在0个频道中
Get PRO
四月 '23
+150
在0个频道中
Get PRO
三月 '23
+64
在0个频道中
Get PRO
二月 '23
+21
在0个频道中
Get PRO
一月 '23
+36
在0个频道中
Get PRO
十二月 '22
+32
在0个频道中
Get PRO
十一月 '22
+22
在0个频道中
Get PRO
十月 '22
+39
在0个频道中
Get PRO
九月 '22
+19
在0个频道中
Get PRO
八月 '22
+39
在0个频道中
Get PRO
七月 '22
+60
在0个频道中
Get PRO
六月 '22
+24
在0个频道中
Get PRO
五月 '22
+121
在0个频道中
Get PRO
四月 '22
+132
在0个频道中
Get PRO
三月 '22
+328
在0个频道中
| 日期 | 订阅者增长 | 提及 | 频道 | |
| 02 九月 | 0 | |||
| 01 九月 | +2 |
频道帖子
"শয়তান যখন আপনাকে দিয়ে কোনো গুনাহ করায়, তখন সে আপনার ইমান কেড়ে নেওয়ার চেয়ে বেশি আপনার 'তওবা করার সাহস' কেড়ে নিতে চায়। সে আপনার কানে ফিসফিস করে বলে—'তুমি এতই নোংরা যে আল্লাহ তোমাকে আর ক্ষমা করবেন না।' মনে রাখবেন, আপনার গুনাহ যদি হয় সমুদ্রের সমান, আল্লাহর দয়া তবে সেই আকাশের চেয়েও বিশাল। তওবা করতে লজ্জা পাওয়া মানে শয়তানের কাছে আত্মসমর্পণ করা।"
© নোমান আলী খান
| 2 | "নিশ্চয় মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই। কাজেই তোমরা তোমাদের ভাইদের মধ্যে আপোষ- মীমাংসা করে দাও। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, আশা করা যায় তোমরা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হবে।" (সূরা হুজুরাত, ১০) | 98 |
| 3 | হিংসা বা ঈর্ষা আপনার হৃদয়ের সব নূর শুষে নেয়। যখনই আপনি কারো ভালো কিছু দেখবেন, সাথে সাথে তার জন্য দুআ করুন 'বারাকাল্লাহু ফিক' (আল্লাহ তোমার বরকত দিন)। যখন আপনি অন্যের সুখে আনন্দিত হবেন, আল্লাহ আপনার নিজের জীবনে এমন সব খুশির দরজা খুলে দেবেন যা আপনি কল্পনাও করেননি।
© নোমান আলী খান | 133 |
| 4 | "কোনো মুমিনের জন্য নিজেকে অপমানিত করা সমীচীন নয়।"
সাহাবিগণ আরজ করলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! মানুষ কীভাবে নিজেকে অপমানিত করে?"
তিনি বললেন: "সে এমন কোনো পরীক্ষা বা বিপদের মুখোমুখি হয়, যা সহ্য করার সাধ্য তার নেই।"
[সুনান আত-তিরমিযি, ২২৫৪] | 154 |
| 5 | হারামকে হারাম মনে না করা এবং কেউ হারামের বিপক্ষে কথা বললে তার বিরুদ্ধে ক্ষেপে যাওয়া– এটি আজকের সমাজের এক ভয়ংকর বাস্তবতা। ধীরে ধীরে মানুষের অন্তর থেকে “হালাল-হারাম” এর পার্থক্য মুছে যাচ্ছে, আর তার জায়গায় তৈরি হচ্ছে নিজের ইচ্ছা ও অভ্যাসকে বৈধতা দেওয়ার মানসিকতা।
দুঃখজনকভাবে আজ অনেক নামধারী মুসলমান এমন অবস্থায় পৌঁছে গেছে– তারা হারাম কাজ করছে, অথচ সেটাকে স্বাভাবিক মনে করছে। আর যখন কেউ কুরআন-হাদিসের আলোকে তাদের ভুল ধরিয়ে দেয় বা সতর্ক করে, তখন তার প্রতি বিরক্তি, বিদ্বেষ এবং আক্রমণাত্মক আচরণ প্রদর্শন করে। যেন সত্য বলা ব্যক্তিটিই অপরাধী, আর গুনাহে আপত্তি করাটাই অন্যায়!
এটাই অন্তরের পরিবর্তনের সবচেয়ে ভয়ংকর দিক– যখন গুনাহ স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং হক কথা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তখন মানুষ আর নিজেকে যাচাই করে না; বরং নিজের ভুলকেই যুক্তি দিয়ে বৈধ করার চেষ্টা করে।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেন, “যখন তাদেরকে বলা হয়, তোমরা অনুসরণ কর, যা আল্লাহ নাযিল করেছেন, তখন তারা বলে– না, আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের পথেই চলব।” (সূরা আল-বাকারাহ : ১৭০)
একজন মুসলমানের বৈশিষ্ট্য হলো– সে সত্যকে গ্রহণ করে, এমনকি তা নিজের বিরুদ্ধে গেলেও। কিন্তু যখন সত্যের প্রতি ঘৃণা জন্ম নেয়, তখন বুঝতে হবে– অন্তর ধীরে ধীরে কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
তাই সময় থাকতে নিজের অবস্থাকে যাচাই করা জরুরি– আমি কি সত্যকে ভালোবাসি, নাকি শুধু নিজের ইচ্ছাকেই? কারণ এখানেই লুকিয়ে আছে ঈমানের প্রকৃত পরীক্ষা!
© মাহমুদুল হাছান | 187 |
| 6 | রাসূল ﷺ এর সন্তানদের পরিচয় | 165 |
| 7 | "কেউ যদি বিপদে পড়ে এবং কমপক্ষে ৩দিন সেটা নিজের মধ্যে গোপন রাখতে পারে, কাউকে না জানায়, আল্লাহ তাআলা তাঁর দয়াস্বরূপ এর উত্তম প্রতিদান দেবেন।"
— তাবেয়ী হাসান বাসরি (রহ.)
[আল-মারাদ ওয়াল কাফফারাত, ২২৯] | 182 |
| 8 | জীবনে অন্তত একবার হলেও প্রিয়নবী (সা.)-এর একটি জীবনীগ্রন্থ পড়ুন। | 196 |
| 9 | ১. আল্লাহ আমাদেরকে এমন কোনো পরীক্ষার সম্মুখীন করেন না, যা সহ্য করার শক্তি তিনি আমাদের দেননি।
২. আমরা কখনোই একা নই; আমাদের আল্লাহ প্রতি মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে কাছে অবস্থান করছেন।
৩. পেছনে যা কিছু হারিয়ে গেছে বা পাওয়া হয়নি, তার পেছনে নিশ্চয়ই কোনো গভীর ও সুদূরপ্রসারী কল্যাণ লুকিয়ে ছিল।
৪. জীবন ঘিরে যতই জটিলতা আসুক না কেন, সৃষ্টিকর্তার অসীম দয়া ও শক্তির কাছে তা অতি নগণ্য।
৫. আঁধার যত গভীর হয়, ভোরের আলো তত কাছে আসে। যেকোনো সংকটের সাথেই লুকিয়ে থাকে উত্তরণের পথ।
৬. হৃদয় যতই চূর্ণ-বিচূর্ণ হোক, পরম করুণাময় আমাদেরকে নতুন করে সুন্দরভাবে পুনর্গঠন করার ক্ষমতা রাখেন।
৭. আমাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত ও নিরাপদ, কারণ আমাদের জীবনের ছোট থেকে বড় প্রতিটি বিষয় মহামহিমের হাতে ন্যস্ত।
৮. তাঁর দরবারে মনের আকুতি জানালেই হৃদয়ের গহীনে এক অলৌকিক শীতলতা অনুভব করি।
৯. আজকের দিনটিতে সব সংশয় সরিয়ে কেবল এক আল্লাহর ওপরই নিজের সমস্ত ভরসা রাখলাম।
১০. যেকোনো দুঃখ বা বেদনার ভেতরেই এক ধরনের আত্মিক আত্মতৃপ্তি ও পরিশুদ্ধি লুকিয়ে থাকে।
১১. যা আমার ভাগ্য নির্দিষ্ট, জগতের কোনো শক্তিই তা আমার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে নিতে পারবে না।
১২. আল্লাহকে স্মরণের মাধ্যমেই অস্থির আত্মা তার সত্যিকারের ঠিকানা ও স্থিরতা খুঁজে পায়।
১৩. নিজের সর্বাত্মক প্রচেষ্টাটুকু উৎসর্গ করে ফলাফলের চিন্তা মহান আল্লাহর ওপর সঁপে দেওয়াই আসল বিচক্ষণতা।
১৪. অতীত থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত যার অশেষ কৃপায় টিকে আছি, তিনি সামনেও আমাকে একা ছেড়ে দেবেন না।
১৫. বিশ্বাস রাখি, এই সাময়িক জীবনের সব দুঃখ একদিন মুছে যাবে। পরকালে আল্লাহ তা'আলার সান্নিধ্য লাভই হবে আমাদের সমস্ত কষ্টের চূড়ান্ত সান্ত্বনা।
....
প্রতিদিন নিজের জন্য রিমাইন্ডার।
© ডা. মারুফ রায়হান খান | 238 |
| 10 | দাড়ি রাখার কি কোনো বয়সসীমা আছে? | 325 |
| 11 | মাটির উপর যতটা ভালে কাজ করবেন, মাটির নিচে ততটা ভালো থাকবেন।
—আরিফ আজাদ। | 430 |
| 12 | বদ নজর!
© Mokhter Ahmed | 819 |
| 13 | দুনিয়াতে মোবাইলের ভার বহন করা অনেক সহজ হলেও আখেরাতে এর দায়ভার বহন করা অনেক কঠিন হতে পারে।
© Ahamadullah | 494 |
| 14 | "আল্লাহ যদি কাউকে নেককার স্ত্রী না দেন, তাহলে বদকার স্ত্রীর সাথে মানিয়ে চলতে গিয়ে ব্যক্তি তার দ্বীনদারির একটা অংশই হারিয়ে ফেলে। এটা স্বচক্ষে দেখা এবং অভিজ্ঞতালব্ধ ব্যাপার।"
— আবু বকর ইবনুল আরাবী (রহি.)
[আহকামুল কুরআন, ১/৫৩৬] | 534 |
| 15 | আলহামদুলিল্লাহ।
আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
লাইন্সেস ফিরে পেয়েছে।
শুভবুদ্ধির পরিচয় দেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ। | 521 |
| 16 | বাচ্চাদের জন্য মেরিলের যে পেস্টটা কিনি নিয়মিত, সেটাতে নাকি মাইক্রো-প্লাস্টিক পাওয়া গেছে। কেনাকাটা করার সময় সবসময় দেশীয় ব্র্যান্ডের জিনিসটাই কেনার চেষ্টা করি। দেশের ব্যবসাগুলোকে টিকিয়ে রাখা, দেশের টাকা দেশে রেখে দেশীয় অর্থনীতিকে সহায়তা করার চিন্তাভাবনা থেকেই।
আমাদের আসলে হাত-পা-ই বাঁধা৷ বিদেশী ভালো কোম্পানিগুলো সব জায়োদের দখলে৷ আমার টাকায় আমার উপরে খড়গহস্ত হওয়ার বন্দোবস্ত। দেশীয় কোম্পানিগুলো সোয়ার উপর আরও সোয়া সের। ওরা অস্ত্র দিয়ে মারবে না আমাকে, মাইক্রো-প্লাস্টিক খাইয়ে, ভেজাল খাইয়ে, ফরমালিন, রঙ আর দুনিয়ার সমস্ত অখাদ্য খাইয়ে মৃত্যুর দুয়ারে ঠেলে দিবে।
© আরিফ আজাদ | 520 |
| 17 | শাইখ হাবীব কাজিম আস-সাক্কাফ বলেন,
“পবিত্র কুরআনে বারবার দেখা যায়— যখনই কোনো নারী বা নারীদের সম্বোধন করা হয়েছে, আল্লাহ প্রথমেই তাদের হৃদয়কে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছেন: ‘দুঃখ করো না, উদ্বিগ্ন হয়ো না, শোক করো না, মন খারাপ করো না।’”
হযরত মূসা (আ.)-এর মাকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহর সান্ত্বনামূলক বাণী,
وَلَا تَخَافِي وَلَا تَحْزَنِي
উচ্চারণ: ওয়া লা তাকাফী ওয়া লা তাহযানী।
অর্থ: "ভয় করো না এবং দুঃখও করো না।" (সূরা আল-কাসাস, ৭) | 419 |
| 18 | "দুনিয়ার প্রতি অনাসক্ত হও, আল্লাহ তোমাকে ভালোবাসবেন। আর মানুষের হাতে যা আছে তার প্রতি অনাসক্ত হও, মানুষ তোমাকে ভালোবাসবে।" (সুনান ইবন মাজাহ, ৪১০২) | 407 |
| 19 | এমপি গাজি নজরুল ইসলামের ঘটনায় বিয়ের ব্যাপারটা যে বানোয়াট এবং মিথ্যা, দুটো জিনিস জানার পর সেটা বোঝা খুবই সহজ ছিল।
প্রথমটা হলো মেয়েটার বয়স এবং দ্বিতীয়টা হলো—এমপি নিজে মেয়েটার জন্য চাকরির সুপারিশ করেছিলেন।
বয়সের ব্যাপারটা বলি। আপনি একজন প্রায় ষাটোর্ধ্ব বয়সের বৃদ্ধলোক। আপনি যখন দ্বিতীয় বিয়ের চিন্তা করবেন, বাংলাদেশের সমাজ, সামাজিক বাস্তবতা এবং প্রেক্ষিত চিন্তা করে আপনি এমন বয়সের কাউকেই বাছাই করবেন যে একেবারে আটপৌরে তরুণী নয়। কারণ, একজন তরুণী, যে সদ্য তার যৌবনে প্রবেশ করেছে, সে একটা নির্দিষ্ট সময় অবধি স্বামীকে কাছে পাবে—এটা তো ধর্তব্য।
কিন্তু, আপনার বয়স ষাট পার হয়ে গেছে, অথচ আপনি যাকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করছেন তার বয়স আঠারোও হলো না (মেয়ের স্কুলের সার্টিফিকেট অনুযায়ী)—দেশের আইনপ্রণেতা, তিনবারের সংসদ সদস্য এসব নাহয় বাদই দিলাম, সাধারণ চিন্তায় এটাকে কীভাবে বোঝা হবে?
হ্যাঁ, সমাজে এরকম কিছু ঘটনা আমরা দেখি। কিন্তু, এসব ঘটনাকে আমরা কি স্বাভাবিক চোখে দেখি বা দেখা উচিত? সদ্য কৈশোর পার করে যৌবনে পা রাখা একটা মেয়ে। তার স্বামী প্রায় ষাটোর্ধ্ব বয়সের একজন, যিনি আর সাকুল্যে হয়তো বাঁচবেন ১০ থেকে ১৫ বছর। এরমধ্যে উনি শারীরিকভাবে সক্ষমই বা থাকবেন কতোদিন?
তারপর মেয়েটার কী হবে?
ঠিক এই কারণেই এখানে বয়সের একটা ‘ম্যাচিং’ লাগে। কাছাকাছি বয়সের না হোক, অন্তত চল্লিশোর্ধ্ব বয়সের কাউকে, হতে পারে বিধবা অথবা বিয়েই হলো না এমন কাউকে চিন্তা করাটাই যুক্তিযুক্ত।
দয়া করে এখানে কেউ আল্লাহর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং আম্মাজান আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার উদাহরণ টানবেন না। সেই ঘটনা সম্পূর্ণ আলাদা৷
দ্বিতীয়ত, বায়োডাটায় ‘জোর সুপারিশ’।
মেয়েটা যদি এমপি সাহেবের বিয়ে করা বউই হবে, তিনি কেন তাকে চাকুরিতে পাঠাবেন? মানে, এমপি সাহেবের ঘরে কী এমন আর্থিক দুরাবস্থা যে, বউকে বাইরে চাকরি করাতে হবে? এই চাকরি করে যে পয়সা মেয়েটা উপার্জন করবে, সেই পরিমাণ টাকা তো এমপি তার ডান হাত বাম হাতের চামচদের পেছনেই খরচ করার কথা।
একজন এমপি নিজের বউকে চাকরিতে পাঠাবে, তা-ও এমন জায়গায় যেখানে তাকেই সুপারিশ করে চাকরিটা পাইয়ে দিতে হচ্ছে, এটা তো তার মানইজ্জতের জন্যেই লজ্জাজনক।
এই দুটো ব্যাপার দেখেই আমি বুঝেছিলাম যে, ঘটনাটা ঝামেলাপূর্ণ।
তিনি এখানে অনেকগুলো অপরাধ করেছেন।
প্রথম অপরাধ হলো, তিনি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। ‘জোর সুপারিশ’ করে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনে তিনি একটা কিশোরী মেয়েকে তার সাথে অনৈতিক কাজ করতে বাধ্য করেছেন।
দ্বিতীয় অপরাধ হলো, এই পুরো ব্যাপারটাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তিনি অনেক প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন।
রাষ্ট্রীয়ভাবে উনার কী শাস্তি হবে আমি জানি না। দলগতভাবেও উনাকে কী শাস্তি জামায়াতে ইসলাম প্রদান করবে তা-ও অনুমান করতে পারছি না। তবে এই ধরণের অনৈতিক, অসামাজিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সংসদে রাখা হলে সংসদের ভাবগাম্ভীর্য নষ্ট হবে বলে মনে করি। বিশেষ করে, তিনি যে দলটার পক্ষ থেকে এমপি হয়ে এসেছেন, সেই দলটা যেহেতু ধর্ম এবং নৈতিকতার ছবক সামনে রেখে রাজনীতি করে, এই ঘটনার পর এই এমপিকে সংসদে ধর্মীয় দলের প্রতিনিধি দলের মাঝে রাখা তাদের নিজেদের জন্যেই মানহানিকর। | 426 |
| 20 | গোটা দুনিয়ার প্রচুর প্রো-প্যালেস্টাইন অ্যাক্টিভিস্টদের ফলো করি টুইটার এবং ফেইসবুকে। তাদের সবাইকেই দেখলাম, গত রাতের ফাইনাল ম্যাচে স্পেনকে সমর্থন করেছে এবং স্পেনের বিজয়ে আনন্দোৎসব করেছে।
এমন নয় যে তারা ক্রীড়াপ্রেমী।
এমন নয় যে তারা সত্যিকার স্পেন সমর্থক।
তারা এটা করেছে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে। এবারের বিশ্বকাপকে ঘিরে প্রচুর রাজনীতি করেছে জাYo কমিউনিটি। বিশ্বকাপের শুরুতে বেশকিছু খেলোয়াড় আর রেফারিকে আমেরিকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি সিকিউরিটি ইস্যু দেখিয়ে।
আর, একদিকে ছিল স্পেন সরকার আর খেলোয়াড়দের জাYo বিরোধি এবং প্রো-প্যালেস্টাইন মুখী স্ট্যান্ড, অন্যদিকে শয়তানিয়াহু ও আর্জেন্টিনা সরকারের ছিল জাYo মুখী স্ট্যান্ড। শয়তানিয়াহু তো সরাসরিই সমর্থন জানিয়েছিল আর্জেন্টিনাকে এবং সেই সমর্থন নিছক ক্রীড়াপ্রেমের জায়গা থেকে নয়, রাজনৈতিক জায়গা থেকে।
আজ যদি আর্জেন্টিনা জিতে যেতো, শয়তানিয়াহুর দেশে নিশ্চয় আনন্দ মিছিল হতো। তাদের রাজনীতিটা সফল হতো। শয়তানিয়াহুর অনেক পলিটিক্যাল ন্যারেটিভ প্রাণ পেত।
কিন্তু জিতল স্পেন। আমি দেখলাম, দুনিয়ার প্রায় সকল প্রো-প্যালেস্টাইন অ্যাক্টিভিস্টেরা আনন্দিত। স্রেফ ক্রীড়া জয়ের আনন্দ না, শয়তানিয়াহুর পলিটিক্যাল ন্যারেটিভ ভেঙেচুরে পড়ায় তারা আনন্দিত। স্পেনের খেলোয়াড়েরা প্যালেস্টাইনের পতাকা গায়ে জড়াল, স্পেনের রাস্তায় রাস্তায় স্প্যানিশরা চিৎকার করে বলতে লাগল—ফ্রি ফ্রি প্যালেস্টাইন।
দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কাছেই এইসব ফুটবল আর ক্রিকেট এখনও অরাজনৈতিক, বিনোদন আর অবসর উদযাপনের ঘটনা হয়ত। কিন্তু এইসব ক্রীড়ার ক্রীড়নক যারা, তাদের রয়েছে নিজস্ব রাজনৈতিক স্ট্যান্ড। ফলে, আজ হোক আর কাল হোক, এসব জায়গাও রাজনৈতির মধ্যে বিলীন হতে বাধ্য। ইনফ্যাক্ট, গোটা দুনিয়াটাই সেভাবে রি-শেইপড হবে।
আমি বলছি না যে, যারা আর্জেন্টিনা সমর্থন করেন তারা Jayoনীজম কেও সমর্থন করেন। অধিকাংশই খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরেই রাখেন। যে বাস্তবতায় দুনিয়া ঢুকে যাচ্ছে, সেই বাস্তবতার কথাটাই বললাম কেবল। | 367 |
