ar
Feedback
Work for Jannah

Work for Jannah

الذهاب إلى القناة على Telegram

কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবে না[সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪] Join our page :- https://m.facebook.com/WorkforJannahofficial/

إظهار المزيد
1 905
المشتركون
-124 ساعات
+27 أيام
-830 أيام

جاري تحميل البيانات...

سحابة العلامات
لا توجد بيانات
هل تواجه مشاكل؟ يرجى تحديث الصفحة أو الاتصال بمدير الدعم الخاص بنا.
الإشارات الواردة والصادرة
---
---
---
---
---
---
جذب المشتركين
يونيو '26
يونيو '26
+13
في 0 قنوات
مايو '26
+28
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '26
+32
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '26
+15
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '26
+14
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '26
+16
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '25
+12
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '25
+17
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '25
+30
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '25
+11
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '25
+24
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '25
+12
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '25
+25
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '25
+22
في 1 قنوات
Get PRO
أبريل '25
+13
في 1 قنوات
Get PRO
مارس '25
+51
في 1 قنوات
Get PRO
فبراير '25
+44
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '25
+65
في 1 قنوات
Get PRO
ديسمبر '24
+89
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '24
+76
في 1 قنوات
Get PRO
أكتوبر '24
+101
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '24
+56
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '24
+74
في 2 قنوات
Get PRO
يوليو '24
+48
في 1 قنوات
Get PRO
يونيو '24
+57
في 1 قنوات
Get PRO
مايو '24
+52
في 1 قنوات
Get PRO
أبريل '24
+46
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '24
+112
في 2 قنوات
Get PRO
فبراير '24
+538
في 1 قنوات
Get PRO
يناير '24
+48
في 1 قنوات
Get PRO
ديسمبر '23
+54
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '23
+25
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '23
+33
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '23
+95
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '23
+102
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '23
+30
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '23
+42
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '23
+84
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '23
+150
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '23
+64
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '23
+21
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '23
+36
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '22
+32
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '22
+22
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '22
+39
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '22
+19
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '22
+39
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '22
+60
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '22
+24
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '22
+121
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '22
+132
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '22
+328
في 0 قنوات
التاريخ
نمو المشتركين
الإشارات
القنوات
17 يونيو0
16 يونيو+1
15 يونيو0
14 يونيو0
13 يونيو0
12 يونيو+3
11 يونيو+2
10 يونيو+1
09 يونيو0
08 يونيو0
07 يونيو+1
06 يونيو+1
05 يونيو+2
04 يونيو+2
03 يونيو0
02 يونيو0
01 يونيو0
منشورات القناة
লেখক ইফতেখার সিফাতের লিখিত স্ক্রিপ্টের উপরে বানানো নিচের ভিডিওটি ফুটবল বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে অন্তত একবার দেখুন!

2
"যদি আপনি স্বীয় নফসের মাঝে গাফলত খুঁজে পান, তাহলে কবরস্থানে যান। নফসকে মনে করিয়ে দিন যে, সফরের সময় খুব শীঘ্রই এসে যাবে।" — ইমাম ইবনুল জাওযী (রহ.) [সাইদুল খাতির, পৃ. ৫১৩]
204
3
"আল্লাহ মৌমাছিকে ওহী (নির্দেশ) পাঠিয়ে পাহাড় ও গাছে ঘর বানাতে বলেছেন। একটি ক্ষুদ্র পতঙ্গ যদি আল্লাহর নির্দেশ মেনে সুশৃঙ্খল সমাজ আর মধু তৈরি করতে পারে, তবে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে আপনার কাজ আরও কত উন্নত হওয়া উচিত ছিল! আপনার উপস্থিতি যেন সমাজের জন্য মধুর মতো মিষ্টি হয়, হুল ফোটানোর মতো যন্ত্রণাদায়ক নয়।" © নোমান আলী খান
274
4
"নিজের সুখ বা নেয়ামত সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রদর্শন করা আপনার জীবনের 'বরকত' বা কল্যাণ কমিয়ে দিতে পারে। সব মানুষের নজর আপনার জন্য কল্যাণকর নয়। আপনার জীবনের সবচেয়ে দামী মুহূর্তগুলো কেবল আপনার এবং আপনার রবের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন। গোপনীয়তা আপনার মানসিক শান্তি ও আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য একটি ঢাল স্বরূপ।" © নোমান আলী খান
358
5
তোমরা শ্রমিককে তার ঘাম শুকানোর পূর্বেই তার পারিশ্রমিক দিয়ে দিবে।
তোমরা শ্রমিককে তার ঘাম শুকানোর পূর্বেই তার পারিশ্রমিক দিয়ে দিবে।
0
6
প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়-তুফানের সময় নবীজী সা. কি দোআ করতেন? . ■ সহীহ হাদীসে এসেছে, একবার মদীনায় এক সপ্তাহ একাধারে প্রবল বৃষ্টিপাত হল। অবিরাম বৃষ্টির সমূহ ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে সাহাবীগণ প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহর দরবারে দুআ করার জন্য অনুরোধ করেন। তখন নবীজী এভাবে দুআ করেন, اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا ولَا عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ علَى الآكَامِ والظِّرَابِ، وبُطُونِ الأوْدِيَةِ، ومَنَابِتِ الشَّجَرِ নবীজীর দুআর ফলে মুহূর্তে মদীনার আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। -সহীহ বুখারী, হাদীস : ১০১৪ ■ এমনিভাবে ঝড়-তুফানের সময় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুআ করতেন, اللهم اني اسئلك خير ما آمرت به وأوعوذبك من شر ما آمرت به আর বাতাস কমে বৃষ্টি নেমে এলে তাঁর চেহারা উজ্জ্বল দেখাত। তখন তিনি আল্লাহর ‘হামদ’ করতেন, বলতেন, এটি ‘রহমত’। আরও বলতেন, اللهم صيبا نافعا -ফাতহুল বারী ২/৬০৪, ৬০৮ . ■ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষতার যুগেও বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, ভূমিকম্প প্রভৃতি আসমানী বালা-মুসীবতের হাতে মানুষ কত অসহায়! কয়েক ঘন্টার ঝড়, কয়েক মিনিটের ভূমিকম্প কীভাবে জনপদের পর জনপদ মিসমার করে দেয়! প্রযুক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত করে দিচ্ছে আমাদের দুর্দশার চিত্র, কিন্তু দুর্দশা থেকে মুক্তি দিতে পারছে কি? আমাদের চিন্তাশক্তি আচ্ছন্ন না হয়ে থাকলে এই দুর্যোগপূর্ণ দিনগুলি পৃথিবীর শেষ দিবসের কথা অবশ্যই স্মরণ করিয়ে দিবে। শত শত মানুষের মৃত্যুও স্মরণ করিয়ে দিবে এমন এক অমোঘ সত্য, যা প্রত্যেকেরই জীবনে আসবে।
0
7
যখন উঠে দাঁড়ালেন, পুরো স্টেশন তখন কাঁদছে... বাবা মানেই আকাশের সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত এক ঢাল! . ভৈরব ট্রেন স্টেশনে ট্রেনে উঠত
যখন উঠে দাঁড়ালেন, পুরো স্টেশন তখন কাঁদছে... বাবা মানেই আকাশের সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত এক ঢাল! . ভৈরব ট্রেন স্টেশনে ট্রেনে উঠতে গিয়ে হঠাৎ পড়ে গেল দুই বছরের শিশুটি। ট্রেন আর প্ল্যাটফর্মের মাঝের সেই সরু অন্ধকারে। বাঁশি বেজে উঠল। ট্রেন ছাড়বে। একটুও না ভেবে লাফ দিলেন বাবা। ছেলেকে বুকে চেপে শুয়ে পড়লেন। ট্রেনের চাকা তখন মাথার কয়েক ইঞ্চি ওপর দিয়ে যাচ্ছে। তবু বাবার বুক থেকে সরেনি ছেলেটার মুখ। চারপাশের মানুষ নিঃশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে। . ট্রেন চলে গেলো। চারিদিকে বিস্ফারিত চোখগুলো অপলক তাকিয়ে আছে, আতংক আশংকায় সবাই নিস্তব্ধ। হঠাৎ বুকের মাঝে আগলে রাখা ছেলেকে নিয়ে উঠে দাঁড়ালেন বাবা। মানুষ ছুটে গেলো তার দিকে। যখন তিনি উঠে দাঁড়ালেন, পুরো স্টেশন তখন কাঁদছে। . বাবা মানেই ঢাল। বাবা মানেই ভিন্ন জীবনের স্বাদ। বাবা কাছে থাকুক, আর দূরে থাকুক, আকাশে বিস্তৃত মহীরুহের মত আগলে রাখেন সন্তানদের। বাবারা এমনই। নি:শব্দে কাজ করেন, নিরবে কাঁদেন, সন্তানদের জন্য। পৃথিবীর সকল বাবা নিরাপদে থাকুক, সন্তানদের ছায়া হয়ে, আর যারা নাই, তারা জান্নাতের বাগিছায় ঘুরে বেড়াক, সেই দুয়া করছি। . এই একটা ছবি কোটি কোটি বাবাদের প্রতিচ্ছবি।
0
8
"মৃ*ত্যুর স্মরণ পাপাচার থেকে বাঁচিয়ে রাখে, কঠোর হৃদয় কোমল করে, হাসি-তামাশা মিটিয়ে দেয় এবং দুনিয়ায় আপতিত সকল বিপদ-আপদ তুচ্ছ করে তোলে।" — ইমাম কুরতুবি (রহ.) [আত তাযকিরাহ, পৃ. ১৩৩]
0
9
"জাহান্নামবাসী ও জান্নাতবাসীরা সমান নয়; জান্নাতবাসীরাই সফলকাম।" (সূরা আল-হাশর, ২০)
0
10
তোমাদের কেউ দুঃখ কষ্টে পতিত হবার কারণে যেন মৃত্যু কামনা না করে। যদি কিছু করতেই চায় তাহলে সে যেন বলে: "হে আল্লাহ! আমাকে জীবিত রাখুন, যতদিন আমার জন্য বেঁচে থাকা কল্যাণকর হয় এবং আমাকে মৃত্যু দিন, যখন আমার জন্য মরে যাওয়া কল্যাণকর হয়।" [সহীহ বুখারী, ৫৬৭১]
0
11
"আমি যখন মৃত্যুকে স্মরণ করি, তখন দুনিয়ার সবকিছু আমার কাছে হালকা মনে হয়!" — ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহ.)
0
12
‘হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী, আপনার রহমতের মাধ্যমে আমি সাহায্য প্রার্থনা করছি।’ [সুনান আত-তিরমিজি, ৩৫২৪]
0
13
এমন ভয়াবহ কিছু দেখার পরে অসম্ভব অস্থির লাগে। সহ্য করা কঠিন। দৃশ্যগুলো যতবার দেখি,‌ মনে হয় আমি নিজেও ওই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। চোখের সামনে ভেসে উঠলে মনে হয় যে ব্যথাটা ওই ছোট্ট শিশুটা পেয়েছে, অথবা সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষগুলো যে ব্যথাটুকু পাচ্ছে, ওই ব্যাথার একটা ঝলক আমার শরীরের মধ্য দিয়েও বয়ে যাচ্ছে এমনটাই আমি টের পাচ্ছি। ইউটিউবে দেখলাম বাস থেকে ডুবে যাওয়া লাশগুলো উদ্ধার করছে একটার পর একটা। সেই দৃশ্য দেখে আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। আল্লাহ যেন প্রত্যেকের জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। আল্লাহ সবার জন্য সহজ করে দেন। এত অনিশ্চিত আমার দেশের মানুষের জীবন? মরতে তো সবাইকে হবেই, কিন্তু এভাবে কেন? একসময় ভেবেছিলাম এত ভয়ঙ্কর ভয়ংকর একেকটা দৃশ্য, ঘটনা বীভৎসতা, কষ্ট দেখতে দেখতে আমি হয়তো অনুভূতিহীন, একেবারে numb একটা পাথর হয়ে যাব ‌। মনে হচ্ছিল, সব সেনসেশোন হারিয়ে ফেলবো, desensitization এর চরমে চলে যাব। আজকে আমার চোখ দিয়ে যখন পানি পড়লো মনে হল, আচ্ছা আমার হৃদয়টা এখনো পাথর হয়ে যায়নি! Desensitization এর চূড়ান্তে যেতে চাই না। চাই অন্তরটা জীবিত থাকুক। আমি খুবই গভীরভাবে বিশ্বাস করি, সবকিছুতেই আল্লাহর হিকমত আছে। আল্লাহ যেটা জানেন, আমরা তো সেটা জানি না। সবচেয়ে ভালো জানেন তিনি কার জন্য মৃত্যুটা কখন লেখা আছে। আল্লাহ সবচেয়ে ভালো জানেন কখন তাঁর বান্দাদের তাঁর কাছে ফেরার সময় হয়ে আসে। সকল ঘটনার উপর আল্লাহর অথোরিটি অস্বীকার করার উপায় নেই। আল্লাহর ধার্য করা তাকদীর এবং আল্লাহর অথোরিটি অস্বীকার করে নিজের জন্য বিপর্যয় ডাকবো না। মনে হয়, অসাড় হয়ে বসে না থেকে আরো ঝাড়া দিয়ে কত কাজ করা দরকার! আজকে বেঁচে আছি, ৫ মিনিট পরে বেঁচে থাকব কিনা জানিনা। মৃত্যু তো সবার জন্যই অপেক্ষা করছে। কারো কারো মৃত্যু অনেক সুন্দর হবে, কারো কারো মৃত্যুর মাধ্যমে সে চিরসুখের জীবনে প্রবেশ করবে ইনশাআল্লাহ। আর কারো কারো মৃত্যুর পরে উল্টোটা হবে। সারা জীবন কষ্ট করার পরেও মৃত্যুর পরেও আবার কষ্ট কেন করব? আজীবনের জন্য রিমাইন্ডার গুলো পাওয়ার পরেও আমরা কেন গাফিলতিতে ফিরে যাই? কেন যেই কথাগুলো আল্লাহ সব সময় কুরআনে বলে এসেছেন যে, পরীক্ষা নেওয়া হবে আমাদের সকলের, সেগুলো নিজের চোখে দেখার পরে আর মনটা মানতে চায় না? কেন ভুলে যাই আমাদের দুর্ভোগ গুলোর মধ্যে নিজেদের হাতের কামাই আছে সামষ্টিকভাবে? কেন এত মায়া লাগে অচেনা অজানা মানুষগুলোর জন্য? কেন এত কষ্ট হয়? এত যে কষ্ট হয়? উত্তরটা হয়তো এখন দিতে পারছি না। তবে উত্তরটা আমার ভেতরেই কোথাও আছে। উত্তরটা আপনার ভেতরেও আছে। © শারিন সফি অদ্রিতা
0
14
لا يوجد نص...
0
15
জীবন তো মাগরিবের আযান আর ইকামাতের মধ্যকার সময়ের মতোই—সংক্ষিপ্ত। —আরিফ আজাদ।
0
16
"কষ্টদায়ক জিনিস রাস্তা থেকে সরানো হচ্ছে সাদকাহ।" [সহীহ বুখারী, ২৯৮৯]
0
17
হাড়ের জোড়ের সুরক্ষা নিজে নিজেই ,? এই ছবিতে আপনি কার্টিলেজ দেখতে পারেন। কার্টিলেজ জোড়গুলোকে এভাবে সুরক্ষা দেয় যে, এটি তার ভিতরে প্রচুর পরিমাণে পানি সঞ্চয় করে রাখে, যা একটি ঘন, জেলের মতো পদার্থে উপস্থিত থাকে। এই পদার্থে প্রাকৃতিক অণুসমূহ থাকে যা পানিকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে এবং তাকে সেখানেই ধরে রাখে। যখন জোড়ের উপর ওজন পড়ে, তখন কার্টিলেজের ভিতরে থাকা পানি ছড়িয়ে পড়ে এবং চাপকে নরম করে দেয়। এভাবে হাড়গুলো একে অপরের সাথে সরাসরি ধাক্কা খায় না এবং চলাচল মসৃণ ও আরামদায়ক থাকে। যখন চাপ বাড়ে, তখন পানিতে ভরপুর এই স্তর তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং চাপা পড়া থেকে বাঁচায়। যেইমাত্র চাপ কমে, পানি আবার নিজের জায়গায় ফিরে আসে এবং কার্টিলেজ তার আসল আকার ফিরে পায়। সামান্য চাপা পড়ে এবং তৎক্ষণাৎ পুনরুদ্ধার হয়ে যাওয়ার এই ক্ষমতাই কার্টিলেজকে দৈনন্দিন কাজকর্মে একটি চমৎকার শক অ্যাবজর্বার বানিয়ে তোলে। এই পুরো ব্যবস্থার ভিতরে শক্তিশালী কোলাজেন ফাইবার থাকে যা কার্টিলেজকে সাপোর্ট দেয়। এই ফাইবারগুলো টিস্যুকে অতিরিক্ত টানা থেকে বাধা দেয়, কিন্তু এতটা নমনীয়তা অবশ্যই দেয় যাতে প্রাকৃতিক চলাচল সম্ভব হয়। পানি ধরে রাখার গঠন এবং শক্তিশালী কোলাজেনের জাল একসাথে কাজ করে হাঁটা, দৌড়ানো এবং শরীরে ওজন দেওয়া প্রতিটি কাজের সময় জোড়গুলোকে সুরক্ষা দেয়। এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হতে পারে না, বরং এর পিছনে এক মহান ডিজাইনারের অস্তিত্ব রয়েছে! আর তিনি আমার আপনার মহান প্রতিপালক। © রিকাউল এস কে
0
18
لا يوجد نص...
0
19
​অর্থাৎ, কুরআনের প্রতিটি ক্ষেত্রে 'লাদুন' বা 'মিল্লাদুনকা' শব্দটি এসেছে কোনো বড় ফিতনা বা সংকট থেকে উত্তরণের অপ্রতিরোধ্য ঐশ্বরিক সমাধান হিসেবে। ​কেন সূরা কাহাফই শেষ জামানার রক্ষাকবচ? শেষ জামানার সবচেয়ে বড় ফিতনা হলো দাজ্জাল। দাজ্জালের ফিতনা হবে মূলত 'শুবুহাত' (সংশয়) এবং 'শাহাওয়াত' (প্রবৃত্তি) এর এক চরম মিশ্রণ। সে অলৌকিক ক্ষমতা দেখিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবে। আসহাবে কাহাফ যেমন তাদের সময়ের ফিতনা থেকে বাঁচতে গুহায় আশ্রয় নিয়ে আল্লাহর কাছে 'মিল্লাদুনকা রাহমাহ' চেয়েছিলেন, শেষ জামানায় মুমিনদেরও তেমনি জাগতিক উপায়-উপকরণের বাইরে আল্লাহর বিশেষ রহমত ও 'ইলমে লাদুন্নী'র প্রয়োজন হবে। © নাজমুস সাকিব
0
20
সূরা কাহাফ কেন শেষ জামানার সূরা? একটি সূরার ব্যাখ্যা ব্যাপক ও বিস্তারিত।আমি শুধু একটি দিক নিয়ে আলোচনা করব।তা হল مِن لَّدُنكَ মিল্লাদুন্কা কি কেন কিভাবে? শেষ জামানায় ঘরে ঘরে ফিতনা দিয়ে ভরে থাকবে।এখন ফিতনা অর্থ কি? ফিতনা শব্দটা জটিল এবং বহুমাত্রিক অর্থ বহন করে।আরবি 'ফাতন' (Fatn) মূলধাতু থেকে 'ফিতনা' শব্দের উৎপত্তি। এর মূল আক্ষরিক অর্থ হলো 'পুড়িয়ে পরীক্ষা করা'। যেমন: ​স্বর্ণের খাদ যাচাই: প্রাচীন আরবে আগুনের তাপে সোনা গলিয়ে খাঁটি ও ভেজাল আলাদা করাকে 'ফিতনা' বলা হতো। দ্বিতীয়ত ​পরীক্ষা ও কষ্টিপাথর: কোনো জিনিসের গুণমান যাচাই করার জন্য তাকে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন করা। আভিধানিক অন্যান্য অর্থ: বিশৃঙ্খলা, বিচ্যুতি, মোহগ্রস্ত করা, কষ্ট দেওয়া বা দহন। ইসলামী পরিভাষায় 'ফিতনা' শব্দটি কেবল নেতিবাচক অর্থে নয়, বরং বিভিন্ন গভীর অর্থে ব্যবহৃত হয়: ​ক. পরীক্ষা বা আজমাইশ (Trial/Test) ​মানুষের ঈমান ও ধৈর্যের পরীক্ষা। আল্লাহ তায়ালা বলেন: ​"মানুষ কি মনে করে যে, 'আমরা ঈমান এনেছি' বললেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে, আর তাদের ফিতনা (পরীক্ষা) করা হবে না?" (সূরা আনকাবুত: ২) ​খ. শিরক ও কুফর (Disbelief/Polytheism) ​কুরআনের কোনো কোনো স্থানে ফিতনা মানে শিরক বা দ্বীন থেকে বিচ্যুত করা। ​"আর ফিতনা (শিরক/দ্বীন নিয়ে বাড়াবাড়ি) হত্যা অপেক্ষা অধিকতর গুরুতর।" (সূরা বাকারা: ১৯১) ​গ. সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও গৃহযুদ্ধ (Social Discord/Civil War) ​মুসলিম উম্মাহর মধ্যে অনৈক্য, মারামারি বা বিশৃঙ্খলা। বিশেষ করে সাহাবীগণের যুগের পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতাকে 'ফিতনা' বলা হয়। ​ঘ. দুনিয়াবী মোহ (Allurement) ​সম্পদ, সন্তান বা পার্থিব জৌলুস যা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। ​"তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তো কেবল একটি ফিতনা (পরীক্ষা)।" (সূরা তাগাবুন: ১৫) ফিতনার প্রকারভেদ: ​ফিতনা দুই প্রকার। যথা: ​ফিতনাতুশ শুবুহাত (সংশয়জনিত ফিতনা): যা মানুষের আকিদা বা বিশ্বাসে বিভ্রান্তি তৈরি করে (যেমন: বিদআত, নাস্তিকতা)। ​ফিতনাতুশ শাহাওয়াত (প্রবৃত্তিজনিত ফিতনা): যা মানুষের চরিত্র ও নৈতিকতা নষ্ট করে (যেমন: লোভ, জিনা, অবৈধ সম্পদ)। এখন এই ফিতনা থেকে বাচতে হলে ‘'মিল্লাদুনকা’ জানতে হবে। 'লাদুন' (لدن) বা 'মিল্লাদুনকা' শব্দটির ব্যবহার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আল-কুরআনের ভাষাতত্ত্ব (Linguistics) এবং আধ্যাত্মিকতা (Tasawwuf) উভয় ক্ষেত্রেই এর গভীর প্রয়োগ রয়েছে। ​১. ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ (Linguistic Framework) ​আরবি ব্যাকরণে 'মিন' (Min) এবং 'লাদুন' (Ladun) উভয়ই "থেকে" বা "পক্ষ থেকে" অর্থ প্রকাশ করলেও সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে: ​সাধারণ উৎস (Min): কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা ব্যক্তি থেকে কিছু আসা। যেমন: "আমি বাড়ি থেকে এসেছি।" ​বিশেষ ও নিকটবর্তী উৎস (Ladun): এটি আল্লাহর এমন এক 'ব্যক্তিগত' বা 'খাস' ভাণ্ডারকে বোঝায়, যেখানে সাধারণ কোনো মাধ্যম (Means) কাজ করে না। ​গবেষণা সূত্র: ইমাম রাযী তাঁর তাফসীরে কবীর-এ উল্লেখ করেছেন যে, 'লাদুন' শব্দটি 'ইনদা' (Inda - কাছে) শব্দের চেয়েও বেশি নিকটবর্তী ও নিবিড় অর্থ প্রকাশ করে। ​২. কুরআনিক প্রয়োগের শ্রেণিবিন্যাস (Thematic Categorization) ​ এই শব্দটির ব্যবহারকে তিনটি প্রধান থিমে ভাগ করা যায়: ​ক. অলৌকিক রিজিক ও রহমত (Miraculous Provisions) ​যখন জাগতিক সব কারণ (Causal links) বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তখন নবীরা 'লাদুন' ব্যবহার করেছেন। ​যাকারিয়া (আ.): বৃদ্ধ বয়সে সন্তান কামনায় (সূরা মারইয়াম: ৫)। ​আসহাবে কাহাফ: গুহায় সম্পূর্ণ নিরুপায় অবস্থায় রহমত কামনায় (সূরা কাহাফ: ১০)। ​খ. বিশেষ জ্ঞান বা প্রজ্ঞা (Divinely Inspired Knowledge) ​যাকে আমরা 'ইলমে লাদুন্নী' বলি। এটি অর্জিত শিক্ষা নয়, বরং সরাসরি আল্লাহর পক্ষ থেকে ঢেলে দেওয়া জ্ঞান। ​হযরত খিজির (আ.): সূরা কাহাফের ৬৫ নম্বর আয়াতে এটি স্পষ্টভাবে বর্ণিত। ​রাসূলুল্লাহ (সা.): সূরা আন-নিসা (আয়াত: ১১৩) এবং সূরা ইসরা-তে এই বিশেষ অনুগ্রহের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ​গ. রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সাহায্য (Strategic Support) ​রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন মক্কা থেকে হিজরত করছিলেন, তখন তিনি আল্লাহর কাছে বিশেষ শক্তির দোয়া করেছিলেন: ​বনী ইসরাঈল (আয়াত: ৮০): "ওয়া জা'আল লি মিল্লাদুনকা সুলতানান নাসিরা" (এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাকে সাহায্যকারী শক্তি/কর্তৃত্ব দান করুন)। ​আসহাবে কাহাফ যখন ফিতনায় পড়েছিলেন, তারা চেয়েছিলেন 'মিল্লাদুনকা রহমত' (বাঁচবার জন্য)। (সূরা কাহাফ: ১০): ​"রাব্বানা আতিনা মিল্লাদুনকা রাহমাহ..." অর্থ: "হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের আপনার নিজের পক্ষ থেকে রহমত দান করুন..." ​যাকারিয়া (আ.) যখন সন্তানহীনতার ফিতনায় (পরীক্ষায়) ছিলেন, তিনি চেয়েছিলেন 'মিল্লাদুনকা উত্তরাধিকারী' (বংশ রক্ষার জন্য)। "ফাহাব লি মিল্লাদুনকা ওয়ালিইয়া" অর্থ: "সুতরাং আপনি আপনার পক্ষ থেকে আমাকে একজন উত্তরাধিকারী দান করুন।" (সূরা মারইয়াম: ৫)
0