সপ্তক-Saaptak 🌿
前往频道在 Telegram
অব্যক্ত লিখাগুলোর সুপ্ত প্রতিভা শেয়ার করো সপ্তকের সাথে।লেখা মানসম্মত হলে অবশ্যই চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে। 🌼 ✅লেখা পাঠানোর ঠিকানাঃ 1. @rajin_the_boss ☘️ 2. @MaxRab ☘️ ✅ ভয়েস পেজ : https://t.me/+38acMoVDu2hlNDg1 ✅মিম পেজ: t.me/castaway_memes2020
显示更多1 368
订阅者
+224 小时
+27 天
无数据30 天
帖子存档
1 368
Repost from Max Rab
এক অর্বাচীনের লেখা পড়লাম। এই মূর্খ জানে না, আজ পর্যন্ত উপমহাদেশের অনেক মুসলিমই মহাভারত, রামায়ণ নিয়ে কাজ করেছেন।
1. আব্দুল কাদির বাদুয়ানি মহাভারতের ফারসি অনুবাদ করেন।
2. মুহাম্মদ ইকবাল তাঁর কবিতায় বহুবার ভারতীয় পুরাণ ও মহাভারতের চরিত্রের উল্লেখ করেছেন।
3. কাজী নজরুল ইসলামের কথা নতুন করে বলার কিছু দেখছি না।
4. বি আর চোপড়ার মহাভারতের সংলাপ লিখেছিলেন রাহি মাসুম রেজা।
5. বি আর চোপড়ার মহাভারতে যিনি অর্জুনের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তাঁর নাম ফিরোজ খান।
6. স্টার প্লাস মহাভারতে যিনি অর্জুনের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তাঁর নাম শাহীর শেখ।
7. বলিউড স্টার আমির খান নিজে একবার পরিচালক হিসেবে মহাভারতের গল্প দিয়ে সিনেমা বানানোর অভিপ্রায় প্রকাশ করেছিলেন।
8. আমি নিজে রামায়ণ ও মহাভারত নিয়ে লেখালেখি করি। চ্যানেলের সার্চ বক্সে গিয়ে সার্চ করলেই বেরিয়ে আসবে।
এখন, প্রশ্ন হলো মুসলিমরা কি রামায়ণ মহাভারতকে নিজের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ধরে নিতে বাধ্য? উত্তর হচ্ছে, না। পরিচয় একরৈখিক নয়। একজন মানুষের ধর্মীয় পরিচয়, ভাষাগত পরিচয়, জাতীয় পরিচয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় সব সময় একইভাবে সংজ্ঞায়িত হয় না। তবে কোনো মুসলমান চাইলে, মহাভারত-রামায়ণকে অন্তরে লালন করতেই পারে। এতেও দোষের কিছু নেই। আমি নিজে মহাভারত ও রামায়ণের চর্চা করি। এতে আমি আমার নিজ ধর্ম থেকে বিচ্যুত হয়ে যাইনি।
ঠিক একইভাবে, কেউ আরব্য বা পাশ্চাত্যের কালচার মনে প্রাণে গ্রহণ করলেও তাকে দোষ দেওয়ার কিছু নেই। আমরা কেউই ধুতি পাঞ্জাবি পরে অফিস আদালতে যাই না। শার্ট প্যান্ট পরেই যেতে হয়।
Max Rab
1 368
Repost from Max Rab
ক্রিস্টোফার নোলান ওডিসি সিনেমা বানালেও কোন মুসলমান মহাভারত নিয়ে সিনেমা বানানো দূরের কথা সে এটা পড়তেই চায় না! বিষয়টা উত্তরাধিকারীত্বের। বিষয়টা সংস্কৃতির। পুরো ইউরোপ তো বটেই পশ্চিমের গর্ব হচ্ছে হোমার। তার রচিত ইলিয়াড ও ওডিসি। নোলান খ্রিস্টান। খ্রিস্টান ঐতিহ্য হচ্ছে পৌত্তলিকতা বিরোধী। পুরো ইউরোপ কিভাবে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার হলো কিভাবে আইন করে গ্রীক মন্দিরগুলো বন্ধ করা হয়েছিল, জিউস এ্যাপলোর পূজা বন্ধ করা হয়েছিল সে ইতিহাস মাথায় রেখে আমরা দেখি ইউরোপের কাছে হোমার ও তার সাহিত্যই তাদের পূর্ব পুরুষদের কীর্তি। আর এই পুরো ভারতবর্ষ, ভারতীয় উপমহাদেশের মহান সাহিত্য হচ্ছে মহাভারত, রামায়ন। এটাকে নিয়ে গর্ব করা ও উত্তরাধিকার হিসেবে নিজেকে দায়িত্ব দিতে হলে আগে নিজের অরিজিন হিসেবে এই ভূখন্ডকে মানতে হবে।
রবীন্দ্রনাথরা হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ব্রাহ্ম নামের এক নতুন ধর্ম অনুসরণ করতেন। এটি ছিল খ্রিস্টান ধর্ম প্রভাবিত ভারতীয় কালচারে মোড়ানো একটি ধর্ম। রবীন্দ্রনাথ কালী দেবীকে বলি দেয়ার বিরুদ্ধে তাঁর ঘোর বিরোধীতা ও ক্ষোভ তাঁর নাটকে স্থান দিয়েছিলেন। তিনিই মহাভারত থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁর কাব্যে কচ ও দেবযানীকে নিজের ন্যারেটিভে লিখেছিলেন। চিত্রাঙ্গদাকেও মহাভারত থেকে নিয়েছিলেন। তীব্র হিন্দু ধর্ম বিদ্বেষ থেকেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত খ্রিস্টান হয়েছিলেন। তিনিও রামায়ন থেকেই নিয়েছিলেন তার কাব্যের রসদ। তিনিও ন্যারেটিভ তাঁর মত করে নিয়েছিলেন। মধুসূদন মহাভারত থেকেও চরিত্র নিয়ে মহাকাব্য নাটক লিখেছেন। কিন্তু মীর মোশাররফ হোসেন তার কাব্য রচনা করতে কারবালার নবী দৌহিত্রকে বেছে নিলেন। এতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু প্রশ্ন জাগতেই পারে আরবের মরুভূমিকে বেছে নেয়ার কারণটি ছিল এ জন্য যে তিনি মুসলমান এবং এটা ভালো বুঝবেন। বাকীরা হিন্দু ব্যাকগ্রাউন্ডের তাই মহাভারত রামায়ন ভালো বুঝবেন? এটা মেনে নিলে কিন্তু ভারতীয় মহাদেশের মুসলমানদের নিজ জাতি সংস্কৃতির উত্তরাধিকার মানা যাচ্ছে না। তাহলে কি ভূমিপুত্র তাদেরই ধরতে হচ্ছে যারা এই ভূখন্ডের অমুসলিম তারাই? প্রশ্নটা মুসলমানদের কাছে।
ইরানীদের কাছে পারস্য সাহিত্য তাদের পূর্ব পুরুষদের কীর্তি হিসেবে তারা লালন করে। পুরো ইউরোপ-পশ্চিমা বিশ্ব গ্রীক রোমান সাহিত্য ও পুরানকে তাদের পরিচয় মনে করে। মিশরদের ইতিহাস হচ্ছে ফারাওদের ইতিহাস- আরবদের নয়। তাহলে এই অঞ্চলের মুসলমানদের ইতিহাস কি? সোহরাব রুস্তম তো পারস্যদের। কারবালা আরবদের। এই অঞ্চলের মুসলমানদের পরিচয় তাহলে কি হবে? যারা খুব আর্য বিরোধী, খুব একটা প্রলেতারিয়েত প্রেমি, সাবঅল্টার্ন কচলায় তারা কি বেহুলা লখিন্দরকে তাদের পরিচয় বলবে? কোনদিন বলেছে?
মহাভারত রামায়নকে সাহিত্য হিসেবে এটাকে হিন্দু বর্ণবাদ ও কুসংস্কার হিসেবে হেয় করতে প্ররোচিত করেছিল এদেশের বামপন্থীরা। কারণ তাদের নবী রসূলদের বাসও চীন রাশিয়াতে!
-সুষুপ্ত পাঠক
৩১ জুলাই, ২০২৬
1 368
Repost from Max Rab
আর্জেন্তিনা হারায় আমার খুশি হওয়ার কোনো কারণ নেই। কিন্তু একটা বিষয়ে খুশি যে, ঐ টীমের টক্সিক ফ্যানবেজের মুখ বন্ধ করা গেছে। কাল ফেসবুকে স্প্যামিং করেছি ঐ টক্সিক লোকগুলোর জন্য। আর খেলায় হারলে স্ল্যাজিং, ট্রোলিং এইসব থাকবেই। যে জিতবে সে প্রশংসা পাবে আর যে হারবে সে তিরস্কৃত হবে। পরাজয় কেউ সেলিব্রেট করে না। করতে পারে না। পর্তুগাল হারায় আর্জেন্তিনার ফ্যানরা যা করছিল তা যেমন আমাদের বুকে তিরের মতো এসে বিঁধছিল, কালকের হারের পরও আমরা তির ছুঁড়েছি আর জায়গা মতোই লেগেছিল।
শেষমেশ এই কথাই বলবো, Justice has been delivered and football won...
1 368
Repost from Max Rab
ইনস্টাগ্রামে রস ডাফারের পোস্ট থেকে জানতে পারলাম গতকাল স্ট্র্যাঞ্জার থিংস রীলিজের বছর দশেক পেরিয়ে গেছে। একটা দীর্ঘ সময় ধরে স্ট্র্যাঞ্জার থিংস আমার সামনে ঘোরাফরা করছিল। কোনো মুভি বা সিরিজ খুঁজতে যে কোনো ওয়েবসাইটে ঢুকলে সামনে সাজেশন চলে আসতো। কিন্তু আমি ইগনোর করে যাচ্ছিলাম। ট্রেলার দেখে ভালো লাগেনি প্রথমটায়, সত্যি বলতে। কয়েকটা বাচ্চা মিলে এদিক ওদিক ছুটোছুটি করবে আর রহস্য সমাধান করে বেড়াবে, এসব জিনিসপাতি দেখার ইচ্ছা হয়নি তখন। অন্তত ট্রেলার দেখে তো আমার এমনটাই মনে হয়েছিল।
একবার আমার লাইফে ভীষণ ট্র্যাজেডি চলছিলো। তখন ভালো সিনেমা বা সিরিজ দেখতে চাইছিলাম। কিন্তু মানসিক অবস্থা এমন ছিল যে, তখন আমার কোনো গুরুগম্ভীর বা হাইলি ইন্টেলেকচুয়াল নোলান টাইপ স্টাফ দেখতে মোটেও ইচ্ছে হচ্ছিল না। তাই ভেবে ভেবে শেষমেশ স্ট্র্যাঞ্জার থিংস দেখবো বলে সিদ্ধান্ত নিলাম। আর সেই সিদ্ধান্ত আমার ওপর টনিকের মতো কাজ করেছিলো।
তখনও সিজন ফোর বেরোয়নি। আমি সিজন ওয়ান দেখতে শুরু করলাম। আমার চরিত্রগুলোকে ভালো লাগতে শুরু করলো। তারপর সিজন টু শুরু করলাম। দেখে নিলাম একটানা। তারপর সিজন থ্রি। সেটাও একটানা দেখে নিলাম। দুদিনে তিনটে সিজনই দেখে নিয়েছিলাম। সিরিজটার প্রত্যেকটা ক্যারেক্টারকে ভালোবেসে ফেললাম। মনে হতে থাকলো, এরা আমার নিজেরই লোক। ডাফার ব্রাদার্স এতো সুন্দর করে ক্যারেক্টারগুলো লিখেছে আর পুরো গল্পের প্রেজেন্টেশন এতো আকর্ষণীয় ছিল যে শেষ না করে স্ক্রিন থেকে চোখ সরানো দায় হয়ে গিয়েছিল।
আমি কোনো যুক্তি তর্ক ছাড়াই এতকাল যাবৎ এই সিরিজকে আমার দেখা মোস্ট এন্টারটেইনিং সিরিজ হিসেবে মেনে নিয়েছিলাম। ঐ যে কিছু লোক জিজ্ঞেস করে না যে, তোমার যদি আগের সব স্মৃতি হারিয়ে যায় তাহলে তুমি কোন সিরিজ আবার দেখতে চাইবে? আমি নির্দ্বিধায় স্ট্র্যাঞ্জার থিংসের কথাই বলবো। তবে একটু ভাবতে বসলাম যে, এক্সাক্টলি কী কী আছে ঐ সিরিজটায় যার জন্য এটা আমার এতো প্রিয় হয়ে উঠলো?
প্রথম কথা হচ্ছে, প্রত্যেকটা ক্যারেক্টার নিজেদের ভয়েস পেয়েছে। মাইক, ডাস্টিন, লুকাস, উইল, ইলেভেন থেকে শুরু করে ন্যান্সি, স্টিভ, জোনাথন, জয়েস সবাই। জিম হপারের ভয়েসও বাদ যায়নি। মানে সবাই। প্রত্যেকের মনস্তত্ত্ব ও ভাবনা থেকে একেকজনের ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট খুব প্রিসাইজলি ডাফার ব্রাদার্স দেখানোর চেষ্টা করেছেন এবং সফলও হয়েছেন৷ একেবারে পারফেক্ট কামিং অফ এইজ জঁরের ক্যাটাগরিতে পড়ে। প্রসঙ্গতঃ ইউটিউবে কদিন আগেই এই জঁরের নামটা জানলাম।
সবারই লাইফ স্টোরি, বন্ধু্ত্ব, প্রেম, ট্রমা, বিচ্ছেদ, মৃত্যুর মুখোমুখি চলে যাওয়া তাদের চরিত্রের আলাদা আলাদা একেকটা দিক উন্মোচন করে দেয়। বিশেষ করে, সিজন ওয়ানের সবচেয়ে হেটেড ক্যারেক্টার থেকে স্টিভের একেবারে ফ্যান ফেভারিট হয়ে ওঠার ব্যাপারটা।
আর গল্পটা আদ্যোপান্ত হররও নয়, সাইন্স ফিকশনও নয়। অনেক কিছুর মিশেল আছে এখানে। মিস্ট্রি আছে, কমেডি আছে, এডভেঞ্চার আছে, রোমান্টিক এঙ্গেল, ট্র্যাজেডি আছে। এগুলো ছাড়াও পুরো হকিন্স টাউনের এটমোস্ফিয়ারটা আমার দারুণ লেগেছে। ছোট টাউন। তার মধ্যে ছোট ছোট বাসা। মাইকদের বাইক রাইডিং, স্কুলে যাওয়া, ডাঞ্জন্স এন্ড ড্রাগন্স খেলা, মর্স কোডের ব্যবহার, এডির হেলফায়ার ক্লাব, এসব থেকে শুরু করে তাদের মধ্যে যে একটা ইন্টেন্স ফ্রেন্ডশিপ দেখিয়েছে, যে ফ্রেন্ডশিপের জন্য যারা নিজের জীবনের তোয়াক্কা পর্যন্ত কেউ করেনি, তারপর আপসাইড ডাউনের যে জগৎ, ডেমোগর্গ থেকে ডেমোডগ আর শেষে তো সিজন ফোরে হেনরির আবির্ভাব। আহা! সিজন ফোর গোটা সিরিজের বেস্ট সিজন ছিল আমার মতে।
সিরিজের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর। এই সিরিজে বিভিন্ন মিউজিক এডপ্ট করা হয়েছে সিচুয়েশনের সাথে আর মৌলিক সঙ্গীত তো আছেই। এখনও হুট করে কোনো রীলস বা অন্য কোথাও শুনলে ভাবুক হয়ে যাই। পুরনো দিনগুলো মনে পড়ে আর সিরিজটা আবারও দেখার ইচ্ছে হয়৷ যদিও বেশ কয়েকবার দেখে নেওয়া হয়েছে এর মধ্যে। আবারও দেখতে ইচ্ছে হয়।
আমি সবগুলো ক্যারেক্টারই ভীষণ পছন্দের। কিন্তু আমি সবার উপরে রাখবো ডাস্টিন আর ন্যান্সিকে। ডাস্টিন এমন একটা ক্যারেক্টার যা আমি বাস্তবে হতে চেয়েও হতে পারিনি। আর ন্যান্সির অমন সাহসী, এলিগেন্ট, এমবিশিয়াস, লিডিং ব্যক্তিত্ব আমাকে ভীষণরকম মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে যখন ও স্টিভকে ছেড়ে দিয়ে জোনাথনকে চুজ করেছিল তখন।
আর আমি ডাফার ব্রাদার্সের প্রতি ভীষণরকম ইমপ্রেসড হয়ে গিয়েছিলাম তখন। ইউটিউবে খুঁজে খুঁজে ওদের সব ইন্টারভিউগুলো দেখতে শুরু করে দিয়েছিলাম। আই ওয়াজ লাইক, তোমরা ভাই কীভাবে এমন কিছু লিখতে পেরেছো? তোমাদের তো ভায়া কাল্টিভেট করতেই হচ্ছে। এতো ডিটেইল কীভাবে এরা মাথায় রাখলো ভেবেই অবাক লাগে। একেকটা সিজনের সাথে বাকিগুলো অদ্ভুত নিপুণতার সাথে জুড়ে দিয়েছিল যে কোনো খুঁত ক্বদাচিৎই চোখে পড়ে।
Max Rab
1 368
Repost from Max Rab
+2
Thanks to God that he made such beautiful women. Keira Knightley is one of them.
She is absolutely beautiful. I always admire such effortless beauty.
Despite every pain and suffering, I am glad that I love such women. That I have such great taste in women. Loving women is not a crime of course. God made women to love them, to worship them.
1 368
We all want to be ambiguous, obscure and a bit mysterious so that we can project ourselves as Intelligent.
As we are wired to think that all obscure things are source of great knowledge.
-Allan de botton
1 368
Repost from Max Rab
Some women are so incredibly beautiful that I feel happy just knowing I'm drawn to them. Penelope is one of them....
You know, these kinda girls, I find myself loving them with all my heart, and that love alone fills me with joy.
It makes me feel alive, light, and content. In those moments, I think to myself, this is what life is all about. What more could I possibly ask for? 🧘♂️
1 368
Repost from Max Rab
+2
I’ve found the secret
Of loving you
Always for the first time....
Penelope Cruz ❤️
1 368
Repost from Max Rab
People often say that the ones who stand by you at your lowest are your true friends. I can finally tell who my real friends are and who aren't. If I actually count them, the number is surprisingly small. Well, I'm grateful for those who have stayed by my side.
But honestly, I'm not upset about it at all. That's just reality. It's not even something I've had to force myself to accept. I look at my father. He doesn't really have any friends either. He has us, his family, and a few people he knows through business. Yet he's living a perfectly fulfilling life.
As we go through life, we'll continue to meet new people. Some of them will become acquaintances, some may even grow close to us. Life goes on just fine that way. In fact, I often find people's company more exhausting than enjoyable. I'd much rather spend my time reading books, watching films, or listening to music than hanging out all the time. Being surrounded by art nourishes the mind and keeps the soul at peace.
A lot of people who feel lonely or have no one around become desperate to get into a romantic relationship. I think that's a very unhealthy mindset. Not everyone needs romance to live a meaningful life. There's no point in getting into a relationship simply because everyone else is doing it. It's much better to develop a hobby or cultivate a passion and devote your time to that. That's what I do... I watch movies, for example.
Max Rab
1 368
“বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে
আমরা তখনো বসে,
বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজেছি
ফিকাহ ও হাদীস চষে।
হানাফী, শাফিঈ, মালিকী, হাম্বলীর
তখনো মেটেনি গোল,
এমন সময় আজরাইল আসি
হাঁকিল তলপি তোল।
বাহিরের দিকে মরিয়াছি যত
ভিতরের দিকে তত,
গুণতিতে মোরা বাড়িয়া চলেছি
গরু ছাগলের মতো।”
•—– কাজী নজরুল ইসলাম
1 368
Repost from Max Rab
নাম দেয়া
ভাগ - দুই
আবার যাদের ভালো লাগে না তাদেরও আমরা নাম দিই। একটু বাজে নাম। একটু তিক্ত নাম। কিছু কিছু গালিও মাঝে মাঝে নামে পরিণত হয়। যেমন ধরো - একটা লোক রোজ তোমাকে চড় মেরে চলে যায়। কেনো চড় মারে সে প্রসঙ্গে ভাবার কোনো দরকার নেই। জাস্ট ভাবো, তোমাকে চড় মেরে চলে যায়। তখন তুমি তাকে একটা নাম দিলে। মানে সেটা একটা গালি। সে গালিটা হতে পারে "বোতল"। আমরা ধরে নিচ্ছি বোতল একটা সাংঘাতিক রকমের গালি। অর্থাৎ তুমি তাকে বোতল বলে ডাকছোও আবার গালিও দিচ্ছো।
এই যে নাম দেয়ার ব্যাপারটা, এটা ইমোশন থেকে আসে। ভালোবাসা, স্নেহ, আদর, শ্রদ্ধা, রাগ, ভয় এরকম বিভিন্ন ইমোশনগুলো থেকে একেকজনের প্রতি একেকটা নাম বেরিয়ে আসে। আমরা আমাদের কুকুর বেড়ালেরও একেকটা নাম রাখি।
বেড়ালের দিকে তাকাতে তাকাতেই হয়তো তার আচরণ দেখে তোমার মাথায় নাম চলে এলো, " টম ক্রুজ "। আমি আজকে যত্তোসব weird উদাহরণ দিচ্ছি। মেনে নাও। সব সময় সব কিছু ছন্দবদ্ধভাবে চলে না। চলবেও না। আমি নিজের নাম ছাড়াও অনেক কিছুর অনেক রকম নাম দিই।
অভিনেতা সজলের নাম দিয়েছিলাম "বৃহস্পতিবার"। নাটকে অভিনয় করে যে ছেলেটা। সেই ছোটোবেলায় দিয়েছিলাম। তার নাম জানতাম না তখন। মা প্রতি বৃহস্পতিবার টিভিতে তার নাটক দেখতো। আমি মাকে নায়কের নাম জিজ্ঞেস না করেই নাম দিয়েছিলাম "বৃহস্পতিবার"। আমার ফোনের নাম দিয়েছি " ঊনত্রিশ "। এরকম আরও অনেক কিছুর নাম দিই। সবকিছু বলা যাবে না ; সেগুলোও সিক্রেট থাকুক।
শেষে বলি। নাম ধরে ডেকো। ডাক নামে ডেকো। যাদের নাম ধরে ডাকা যায় তাদের নাম ধরেই ডেকো বা তাদের নাম দিও ভালো ভালো। গুগল ঘাঁটলে দেখবে এসবের বিশেষ বিশেষ কারণ ও গুরুত্ব আছে। প্রেম ডট কমের "ডাক নামে ডেকো"- র এপিসোডটা শুনে অব্দি নাম দেয়া নিয়ে একটা কিছু লিখতে ইচ্ছে করছিলো। তাই ভাবলাম লিখেই ফেলি। বিশ-তিরিশ বছর পর বা আরও বেঁচে থাকলে তখন দেখবো এসব লেখা - কী কী লিখতাম এক সময়।
©® Max Rab
1 368
Repost from Max Rab
নাম দেয়া
ভাগ-এক
আমার অনেকগুলো নাম আছে। একেকজন একেক নামে ডাকে, ডাকতো। আমার নানাজি আমাকে এক নাম দিয়েছেন, বাবা এক নাম দিয়েছেন, মা এক নাম দিয়েছেন - এভাবে একেকজন একেক নাম দিয়ে দিয়ে আমার অনেকগুলো নাম হয়ে গেছে। আমি নিজেও আমাকে নাম দিয়েছি। ম্যাক্সিমিলিয়ানো অ্যাবারক্রম্বি র্যাব। আবার শর্ট করে সেটাকে রেখেছি ম্যাক্স র্যাব বা এম এ র্যাব।
আমি নিজেকে ঐসব নামেই ডাকি। হুঁ হুঁ বাওয়া, নিজেকেও ডাকতে হয় সময়ে সময়ে। যারা নিজের নাম দেয় তারা জানে। আমাকে আর কে কে কী কী নামে ডাকে তা বলবো না। ওগুলো সিক্রেট।
তবে স্কুলে আমার নাম কী লেখানো হবে সেটা নিয়ে বেশ ঝামেলা হয়েছিলো বাড়িতে। সেটা আলাদা একটা গল্প। আমাকে এখন যে নামে সবাই চেনে সেটা বাবাই দিয়েছে। স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটিতে লোকজন সেই নামেই ডাকে। সাথে বংশের নামও জুড়ে দেয়া আছে। আমরা এমনটা করি। পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই হোক বা না থেকেই হোক বা হতে পারে "আমরা বংশে অমুক বা তমুক, দেখো" এরকম দেখানোর জন্যও আমরা বংশগত পদবী নিজেদের নামে রাখি।
আর যার যেটা নাম তার সেই নাম ধরে ডাকলে সে খুশিই হয়। তাই সবাইকে নাম ধরে ডাকা ভালো। আমাদের দেশের মানুষজন অবশ্য আত্মীয়তা করতে ভালোবাসে বেশি। বয়স্ক কেউ দেখলে চাচা, কাকা, আঙ্কেল ; একটু বয়স কম হলে ভাইয়া ইত্যাদি ডেকে ডেকে একটা সম্পর্ক গোছের করে ফেলে। নাম ধরে ডাকা কিন্তু বারণ। শিষ্টাচার, ভদ্রতা ইত্যাদি। তাই আমরা সম্পর্কের নাম ধরে ডাকি।
কিছু কিছু সম্পর্কের নাম ধরে ডাকলে কেমন যেনো দূরত্ব বেড়ে যায় খানিক। এক জায়গায় পড়েছিলাম, বন্ধুদের নাম ধরে ডাকা যায় বলেই তাদের সাথে দূরত্ব কম আমাদের। আমি আমার বন্ধুদের বা চেনাজানা সমবয়সীদের কখনও কখনও স্যার, ম্যাডাম, বস, হিরো, বড়ো ভাই এসব নামেও ডেকে থাকি। একটা ছেলেকে একবার দেখে আমার ভেতর থেকে "গন্ডার" নামটা বেরিয়ে এসেছিলো। তাকে তো সেই নামে তার সামনে গিয়ে ডাকা যায় না। তাই তার নাম মনে মনে দিয়েছিলাম গন্ডার বা সিমিলার একটা স্ল্যাং আর সামনে গিয়ে বলতাম, " তুমি একটা পাক্কা গন্ডার ব্রো, অনেস্টলি। কী বডি বানিয়েছো, বস! " সে জিম টিম করতো আরকি।
এভাবে টিচারদেরও নাম দেয় লোকে। কারো কারো উচ্চারিত বিশেষ শব্দই তাদের নাম হয়ে যায়। যেমন এক স্যার একটা বিশেষ Tone - এ "No" বলতো। ছেলেরা সেই স্যারের নামই দিয়ে দিয়েছিলো "No". ঐরকম ভঙ্গি করে ইমিটেট ও করতো। আরেক স্যার জুলোজি পড়াতো। হাইড্রার অধ্যায় পড়ানোর সময় এক স্টুডেন্টকে বকেছিলো খুব। সে স্যারের ওপর ক্ষেপে গিয়ে স্যারের নাম হাইড্রা রেখে দেয়ার পর থেকে স্টুডেন্টরা তাঁকে হাইড্রা নামেই ডাকতো। আড়ালেই বলা বাহুল্য; এসব নামে তো আর সামনে গিয়ে ডাকা যায় না।
আমরা আমাদের কাছের মানুষদেরও নাম দিই। যাদের ভালো লাগে তাদের নাম দিই। মিষ্টি নাম, আদুরে নাম। কেউ কেউ আমাদের থাকে - যাদের আমরা বিশেষ বিশেষ নাম দিই বটে কিন্তু সবার সামনে ডাকি না। একান্তে সেসব নামে ডাকি।
রোমান্টিক রিলেশনশিপের কথাই ধরা যাক। ধরো, শরৎ হৈমন্তীকে একটা নাম দিলো। সে সেই নামেই ডাকবে তাকে। সেই নামটা যে বিশেষ কোনো অর্থবহ হতে হবে তার কোনো মানে নেই। হতে পারে তার নাম দিলো "টেবিল" । কেউ জীবনে কারো নাম কখনও টেবিল দিয়েছে কিনা আমি জানি না।
আচ্ছা, শোনাে। আরও যদি বলি, কোনো একটা বিশেষ মুহূর্তে বিশেষ সাউন্ড করা থেকেও একেকটা নামের জন্ম হতে পারে। অআ, কখ ; যা খুশি। ঐ যেমনটা বললাম - অর্থবহ হওয়াটা আবশ্যক নয়। আমরা বাংলাদেশি বলে আমাদের মুখ থেকে Honey, Sweetheart এগুলো আসে না৷ এর বদলে শিশুর ইংরেজি, লাইফের উর্দু/হিন্দু এগুলো আসতে পারে অবশ্য। সে আসুক। তাতে কী। ডাকলেই হলো। কিন্তু শরতের মা তার বাবাকে নামও দেন না, ডাকেন ও না। " 'ও গো', 'হ্যাঁ গো', 'শুনছো', 'শরৎ তোর বাবাকে বলতো এদিকে একটু আসতে' " বলে চালিয়ে যান। এগুলোই ডাক বা সম্বোধন।
কেউ কেউ অমুকের বাবা, তমুকের বাবা নামেও ডাকেন। এই ডাকটা অবশ্য গ্রামের দিকে গেলে শোনা যায় বা যেতো। বরের নাম মুখে নিলে পাপ হয় এই কথাটা এখনকার মেয়েরাও মেনে চলে দেখে আশ্চর্য হই মাঝে মাঝে। অবশ্য মেয়েদের থেকে ছেলেদের বয়সের যে পরিমাণ গ্যাপ থাকে, সে অনুযায়ী বরদের নাম ধরে ডাকলে বেয়াদবিই হবে। এই যুক্তিটা এখানে খাটানো যেতে পারে।
বৈবাহিক সম্পর্ক এক আর রোমান্টিক সম্পর্ক আরেক। সব বৈবাহিক সম্পর্কই যে রোমান্টিক হবে তার কোনো মানে নেই। হয়ও না। এভাবে গবেষণা করলে তখন বের করা যাবে এক্ষেত্রে নামকরণ কেনো করা হয় না বা কেনো হয় অথবা এর সার্থকতা কী।
©® Max Rab
1 368
Repost from Max Rab
যখন সে মারা গিয়েছিল তখন লিখেছিলাম এটা। খুব খারাপ লাগছিল। কিন্তু পরেই মনে হয়েছে, পর সাথে তো আবারও দেখা হবে। আমিও যখন মরবো, চোখ খুলে দেখবো ও আর তার দলবল আমার জন্য দাঁড়িয়ে আছে পরলোকের দোরগোড়ায়। আমি ছুট্টে গিয়ে হতভাগাকে কোলে তুলে নেবো। আর বাকিদেরও। সবাইকেই। তারপর একসাথে এই সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে সামনের দিকে হাঁটা দেবো।
1 368
Repost from Max Rab
কখনো কখনো খুব রাতে বাইরে গিয়ে দাঁড়ালে এমন একটা শরীর মন শীতল করে দেওয়া হাওয়া বইতে থাকে, যে মনে হয় ওখানেই বিছানা পেতে ঘুমিয়ে পড়ি। কিন্তু আজকের রাতটা অমন নয়। আজকের আবহাওয়া গুমোট। চারিদিকে কুয়াশার আস্তরণ নেই। গায়ে শিরশিরানি নেই। গরম এসেই পড়ল তাহলে। আকাশে দু একটা তারা দেখা যাচ্ছে। এছাড়া বাকিটা কালো রঙের ছায়ায় মোড়া। চাঁদকে দেখা যাচ্ছে না। একটা তারাকে একটু উজ্জ্বল মনে হল। এটাই কি তবে হ্যামিলন? হতে পারে। আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। যদ্দিন আমার সাথে ছিল - তদ্দিন কত অভিমান, কত রাগ, কত ভালবাসাবাসির পাট চলেছে। এখন চুকে গেছে সব। বেশিক্ষণ হয়নি। ঘন্টা দেড়েক হল। আর কেউ খিদে পেলে পায়ে পিঠ ঘষবে না। খাওয়ার সময় ডাকাডাকি করবে না। খাতা ছিঁড়ে ফেলবে না। জুতোয় আঁচড় কাটবে না। সোফায়, ফ্রীজে, চুলোর পাশে দলা পাকিয়ে শুয়ে থাকবে না। রোদ পোহানোর জন্য বারান্দার পাঁচিলের ওপর উঠে বসবে না। খুব শীত পড়লে লেপের নিচে এসে ঘুমোবে না। বাইরে বেরোলে গেটের সামনে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে থাকবে না। ছাদে গেলে পায়ে পায়ে দৌড়ে যাবে না। তেলাপোকা নিয়ে খেলা করবে না। কিছুই হবে না আর।
ভাবতেই অবাক লাগে, মুহূর্তের মধ্যে একটা প্রাণ কেমন করে যেন আলোকবর্ষ দূরে চলে যায়।
অবশ্য, এটাই নিয়ম। হয়ে আসছে সেই কবে থেকেই। আজকেও ব্যতিক্রম হয়নি। ভবিষ্যতেও হবে না। আমার কী আর করার এখানে। চেয়ে থাকব। দেখব। ওতেই হবে।
©® Max Rab
1 368
Repost from Max Rab
আড্ডা গল্প ১৫
সিরাজঃ হাই টেস্টোস্টেরন সমৃদ্ধ পুরুষরা কখনও এক নারীতে তৃপ্ত থাকতে পারে না। সমাজের চাপে হয়তো একটা বিয়েই করতে হয়, কিন্তু তারা অন্য অনেক নারীকেই মনে মনে পছন্দ করে এবং গোপনে তাদের সাথে সম্পর্কও রাখতে পারে।
কবীরঃ বাংলা ভাষায় এই ধরনের পুরুষদের লম্পট বলা হয় রে, রাসভনন্দন।
সিরাজঃ চুপ কর। তোরা লো টেস্টোস্টেরনের পুরুষ এসব কী বুঝবি?
রাজুঃ তোর খুব হাই টেস্টোস্টেরন নাকি? কই দেখি, আয় তো। পাঞ্জা লড় আমার সাথে।
সিরাজঃ আমি তোর মতো জিম করি না, ভাই। তোর সাথে পারব কেন?
রাজুঃ ওরে, আমার সোনা রে! পাঞ্জা লড়ার ক্ষমতা নেই আবার নিজেকে হাই টেস্টোস্টেরন ওয়ালা পুরুষ বলে দাবি করছো? বলি এতো নির্লজ্জ কবে থেকে হলি?
সিরাজঃ আমার দাড়ি তোর চেয়ে ঘন। গলার স্বর তোর চেয়ে ভারি। গায়ের লোম তোর চেয়ে বেশি তোর তো বুকে লোমই নেই।
মোহনঃ বনমানুষ কোথাকার!
সিরাজঃ চুপ, এস্ট্রোজেনওয়ালা পুরুষ! তোর তো দাড়িই ওঠে না। তুই ছেলেদের ক্লাবে কী করছিস? মেয়েদের ক্লাবে যা।
কবীরঃ তুই খুব পুরুষ হিসেবে অহংকার করিস তো? কী ছিঁড়েছিস আজ পর্যন্ত জীবনে?
সিরাজঃ বুঝলাম না, ভাই। তোরা নিজেদের পুরুষ বলতে লজ্জা বোধ করিস নাকি? কোথায় আমি পুরুষদের একটা ইতিবাচক দিক নিয়ে কথা বলছি আর তোরা আমাকেই গালাগাল দিচ্ছিস?
ম্যাক্সঃ এন্ড্রু টেটের ভিডিয়ো দেখে এসেছিস নাকি?
সিরাজঃ তুই তো চুপই থাক। আজ জিম করি না বলে রাজুর সাথে পাঞ্জাটা লড়লাম না। কিন্তু এটা তোলা রইলো। শিগগিরই জিম জয়েন করবো। তখন আসিস।
কবীরঃ রাজুর নিশ্চয়ই ভয়ে শুকিয়ে গেছে।
ম্যাক্সঃ সে আর বলতে।
রাজুঃ তোর টেস্টোস্টেরন হাই হলে তুই হারবি না জিতবি সেটা না ভেবেই এখন পাঞ্জা লড়তিস আমার সাথে। তোর তো সেই সাহসই নেই।
সিরাজঃ টেস্টোস্টেরন বেশি থাকা মানেই বুদ্ধিহীন হওয়া নয়। যুদ্ধে পরিকল্পনামাফিক এগোতে হয়। চেঙ্গিস খান, তৈমুর, আওরঙ্গজেব এঁরা আমার আদর্শ।
মোহনঃ চেঙ্গিস খান এঁদের সাথে কী করছে? ও তো মুসলিমও ছিল না।
সিরাজঃ তোর বাপের তাতে কী?
মোহনঃ বাপ তুলে কথা বলছিস কেন? আমি তোর বাপকে নিয়ে কিছু বলেছি? চাইলে অনেক কিছুই বলা যায়।
সিরাজঃ কী বলবি রে, শুয়োর?
মোহনঃ নিজের চোখে দেখেছি তোর বাপ তোদের পাশের বাসার আন্টির সাথে লাইন মারছিল।
সিরাজঃ মাদা....
ম্যাক্সঃ ভাই, ভাই!
কবীরঃ ধর ধর ধর!
©® Max Rab
1 368
Repost from Max Rab
সবাইকে ৯ জিলহজের শুভেচ্ছা। খোদা তা'য়ালা সবার রোজা, নামাজ, দুয়া কবুল করুন। সবার পাপ সমূহ ক্ষমা করে দিন। চলুন, সবাই মিলে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য দুয়া করি। সকলের মঙ্গল কামনা করি। পৃথিবীতে যতো লোকজন অত্যাচারিত হচ্ছেন, নিপীড়িত হচ্ছেন সবার মঙ্গল কামনায় দুয়া করি। পৃথিবী সুন্দর হোক। সকলের হজ ও কুরবানি কবুল হোক। আমীন!
1 368
Repost from Max Rab
মিথ্যে নয়
ঝুরি ঝুরি মিথ্যে বলতে শিখে গেছি এখন। ভাল গল্পকার হতে গেলে নাকি মিথ্যে বলা শিখতে হয়। আগে বলতে পারতাম না। এখন বলি। তোমাকে একটা গল্প বলি। শুনবে?
শোন। ভাব, আমি একটা নদীর তীরে একটা গাছের নিচে বসে আছি। আসলে আমি কিন্তু সেখানে নেই। আমি আছি নিজের ঘরে পড়ার টেবিলের পাশে। চেয়ারে বসে খাতায় গল্প লিখছি। আসলে আমি সেখানেও নেই। আমি হয়তো বাসে কোথাও একটা যেতে যেতে নিজের ঘরে থেকে গল্প লেখার গল্পটা তোমাকে বলছি। এটাও সত্যি নয়। আমি বাসে করে যাচ্ছি না। আমি ক্লাস করছি। স্যার কোন এক প্রসঙ্গে বাসের কথা বলতেই আমার এক বাস জার্নির কথা মনে পড়ল। ক্লাসে আছি কি এখন? না। আমি তো এক্সাম হলে এক্সাম দিচ্ছি। যে প্রশ্নটা এসেছে সেটা স্যার ডিসকাস করেছিল ক্লাসে। বাসের কথা মনে আছে। কিন্তু মূল বিষয়টাই মনে পড়ছে না। আমি কি তাহলে এখন এক্সাম হলে? না তো। আমি তো আমার এক বন্ধুকে এক্সাম খারাপ হওয়ার কথা বলছিলাম। সে রাজশাহী থাকে। তার সাথে দেখা হওয়ার কথা তো আমি সাস্টে বসে একজনকে বলছিলাম। আমি কি সাস্টের ক্যাম্পাসে এখন? না তো। আমি ভেল পুরি খেতে শাহবাগের মোড়ে দাঁড়িয়ে আছি। কোথায় আমি? সেখানেই কি? এটাই শেষ গন্তব্য? ভেল পুরি আম্বরখানায় পাওয়া যায়নি বলে রেগে হেঁটে হেঁটে জিন্দাবাজার পর্যন্ত গিয়েছিলাম গতকাল। নাহ! গতকাল নয়। অনেক কাল আগের কথা। কিন্তু মনে হচ্ছে যেন গতকালকের কথা। ঐ যে কিছু কিছু ব্যাপার এমন থাকে না যে মনে হয় কালকেই যেন ঘটেছে, কিন্তু আসলে অনেক আগেই ঘটে গেছে এমন ঘটনা। গতকালকে কী হয়েছিল তাহলে? রোদ উঠেছিল দুপুরের দিকে। আজকে ওঠেনি। কুয়াশা ছিল সারাদিন। বেশি ঠান্ডা পড়লে কীসের কথা মনে হয়? গরমকালের কথা। আর বেশি গরম পড়লে? শীতের কথা। আমি এখন তাহলে কোথায়? গরমকালে না শীতকালে? শীতকালে? গরমকালে কি তাহলে আমি নেই? আছি? সামনে থাকব না? থাকব? আশা করছ? আর শীতকালে? এখন কোন কাল? গুলিয়ে যাচ্ছে? থাক, থাক। তুমি যদি ফোন করে জিজ্ঞেস কর আমি কোথায়, তাহলে কী বলব? আমি কোথায়? নদীর তীরে? নাকি বাসে? নাকি ক্লাসে? প্রশ্ন বেশি হয়ে যাচ্ছে? আচ্ছা, আচ্ছা। থাক, থাক। যদি বলি, আমি তোমার মনে আছি। চলবে? হ্যাঁ? এটা মিথ্যে নয়।
©® Max Rab
1 368
রহমান সাহেব তার ভুড়ি নিয়ে ভীষণ চিন্তিত। চিন্তা করলে যে ভুড়ি আরও বাড়বে সেই চিন্তা নেই।
উনি হররোজ পাহাড়সমান ভাত গেলার গিল্ট দুটো লেবু কচলিয়ে কমানোর চেষ্টা করেন। উনার ভীষণ রাগ। বাসায় ছেলে, মেয়ে, স্ত্রী কাউকে রাগ দেখিয়ে বের হয়ে গেলে আইস্ক্রিম,চকলেট দিয়ে কমপানসেট করার চেষ্টা করেন। একবার মিস রহমানের সাথে রাগারাগি করে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলেন। এবং ঘন্টাখানেক পর কোত্থেকে এতগুলো আইস্ক্রিম নিয়ে হাজির হলেন। কেউ কারোর সাথে আগ বাড়ায় কোন কথা বলেনা। আইস্ক্রিম এনেছে মানে সে তার ভুল নিয়ে ভেবেছে আর তাই হয়তো মিস রহমানের রাগ-ও গলে গিয়েছে আইস্ক্রিমটি গলে যাবার আগেই। মৌনভাবে মিউচুয়াল করে নিয়েছে দুজনে অর্থাৎ মৌন মিউচুয়ালিটি। খেটে খাওয়া রহমান সাহেবরা চিন্তা করেন তিনি যেন তার এতোসব খাটুনির জন্যে ভালোবাসা পান। তাই হয়তো সমালোচনা সহজে নিতে পারেননা। তিনি তো যথেষ্ট করছেন-ই।
রহমান সাহেব তার ঘরে গিয়ে গান ছেড়ে দেন। ভুলে অর্ণবের একটি গান চালু হয়ে যায়-
'' কী হলে কী ভালো হতো। যা পেয়েছি তাই বা কজন পায়..."
কী হলে কী ভালো হতো- এই চিন্তা মূলত একটি হতাশার দুষ্টচক্র । তিনি এই দুষ্টচক্রে পা দেবেননা। তিনি জানেন তার অত সময় নেই। হঠাৎ ঘরে বিদ্যুৎ চলে গেলে তার অফিসের পেন্ডিং ফাইলগুলো দেখার কথা মাথায় আসে। তিনি বসে পড়েন ফাইল নিয়ে। তার কোথাও আটকে থাকার সময় নেই।
