ch
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

前往频道在 Telegram

显示更多
未指定国家未指定类别
1 099
订阅者
无数据24 小时
+227
+2630
帖子存档
জেনারেল পড়ুয়াদের জন্য অবশ্যপাঠ্য দুটি বই। যাদের দ্বীনের বুঝ নেই, তাদের এই দুটি বই হাদিয়া দিতে পারেন।
জেনারেল পড়ুয়াদের জন্য অবশ্যপাঠ্য দুটি বই। যাদের দ্বীনের বুঝ নেই, তাদের এই দুটি বই হাদিয়া দিতে পারেন।

সত্যকথা হলো, আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে দুআ করতেই জানি না। যে ব্যক্তি দুআ করতে পারে, দুনিয়া ও আখেরাতে তার জন্য সফলতা নিশ্চিত। আল্লাহ তাআলা যদি দুআ করার যোগ্যতা দান করেন, দুআ করার গুরুত্ব উপলব্ধি করার তাওফীক দান করেন, দুআ করার আগ্রহ দান করেন এবং সর্বোপরি দুআ করার তাওফীক দান করেন তাহলে বুঝে নিন—সবকিছু অর্জন হয়ে গেছে। হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত দুআগুলোর একটি সংকলন প্রস্তুত করেছেন। সেটি মূলত 'আল-হিযবুল আযম' এর খোলাসা। আর 'আল হিযবুল আযম' হলো মোল্লা আলী কারী রহ.-এর রচনা ও সংকলন। তাতে তিনি কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত দুআগুলো জমা করেছেন। সেটি বেশ লম্বা এবং বিস্তৃত। যা আমাদের মতো দুর্বল মানুষের জন্য সংক্ষিপ্ত করা প্রয়োজন। তাই হযরত থানভী রহ. 'মুনাজাতে মাকবুল' নামে দুআর একটি সংক্ষিপ্ত সংকলন প্রস্তুত করেছেন। সেখানে উল্লেখকৃত দুআসমূহকে তিনি সাত ভাগে ভাগ করেছেন। প্রত্যেক ভাগের নাম দিয়েছেন 'মানযিল'। এরপর সপ্তাহের সাত দিনের জন্য একটি একটি করে মানযিল নির্ধারণ করেছেন। যেমন, শনিবারের মানযিল, রবিবারের মানযিল, সোমবারের মানযিল—এভাবে। তবে তার অর্থ এটা নয় যে, নির্ধারিত মানযিলের দুআগুলোর সাথে ওই দিনের বিশেষ কোনো সম্পর্ক আছে। বরং উদ্দেশ্য হলো, এক সপ্তাহে যেন এই সবগুলো দুআ করা হয়। আমরা তো দুআ করতেই জানি না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি আমাদের জীবন কুরবান হোক, তিনি আমাদেরকে শিখিয়ে দিয়েছেন—কীভাবে আল্লাহর কাছে চাইতে হবে এবং কী কী জিনিস চাইতে হবে? শিখিয়ে দিয়েছেন—কোন শব্দে এবং কোন বাক্যে চাইতে হবে? 'মুনাজাতে মাকবুল' মূলত এসবেরই সংকলন। যাইহোক, এর প্রথম মানযিলে তিনি ওই সকল দুআ জমা করেছেন যেগুলো কুরআন মাজীদে অবতীর্ণ হয়েছে। এরপর ওই সকল দুআ জমা করেছেন যেগুলো হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে। এগুলোর প্রতিটি দুআ এমন, যার একটি কবুল হয়ে গেলেও পুরো যিন্দেগী কামিয়াব হয়ে যাবে। -মুফতী তাকী উসমানী দা. বা. [কুরআনী দুআসমূহের ব্যাখ্যা : ১/৫৩, মাকতাবাতুল আশরাফ]

দুআ এমন জিনিস, যদি আপনি দুনিয়াবী উদ্দেশ্যেও দুআ করেন—যেমন বললেন, হে আল্লাহ! আমাকে একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিন। আমার রিযিকে বরকত দান করুন। আমাকে সমৃদ্ধ ও প্রশস্ত রিযিক দান করুন। আমাকে সুস্থতা দান করুন। আমার পরিবার পরিজনকে সুস্থতা দান করুন। এই সবগুলো দুনিয়াবী প্রয়োজন। এই দুনিয়াবী প্রয়োজন পূরণের দুআ করাও ইবাদত ও সাওয়াবের কাজ। ওই মহান দয়ালু রবের দরবার তো এমন যে, তিনি আমাদেরকে ডেকে বলেন—আসো, এবং আমার কাছে চাও। বান্দা যখন চাওয়ার জন্য তার দরবারে উপস্থিত হয়, তখন বলেন—তুমি যা-কিছু চাচ্ছ সেগুলো তো আমি তোমাকে পরে দেব। তার আগে তুমি যে আমার কাছে এসেছ এবং চেয়েছ, সেজন্য এখনই তোমার জন্য সাওয়াব ও নেকী লিখে দিচ্ছি। এমনকি তুমি যত চাইবে তত সাওয়াব ও নেকী দেব। এটা তোমার দুআ ও প্রার্থনার নগদ পুরস্কার। এমন উদার দয়ালু আর কে আছে, যিনি শুধু এতটুকুর জন্য পুরস্কার দেন যে, আপনি তার কাছে চাইতে গিয়েছেন! মূলত দুআর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার সাথে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং তার সাথে সম্পর্ক বাড়ে। অতএব দুআকে সাধারণ বিষয় মনে করবেন না। - মুফতী তাকী উসমানী হাফি. [কুরআনী দুআসমূহের ব্যাখ্যা : ১/৩৯, মাকতাবাতুল আশরাফ]

তিনটাই পছন্দের বই।
+1
তিনটাই পছন্দের বই।

এই বইয়ের তিনটা অনুবাদ আসতে চলেছে। মাকতাবাতুল আশরাফ, হেরা ও নাশাত থেকে... কিয়া বাত হে!
এই বইয়ের তিনটা অনুবাদ আসতে চলেছে। মাকতাবাতুল আশরাফ, হেরা ও নাশাত থেকে... কিয়া বাত হে!

আজকাল তো আমাদের তালিবে ইলম ভাইদের থেকে এ ধারণাও হারিয়ে যাচ্ছে যে, আদবও একটা শেখার বিষয়। অথচ সালাফে সালেহীনের অবস্থা ছিল, তাঁর
আজকাল তো আমাদের তালিবে ইলম ভাইদের থেকে এ ধারণাও হারিয়ে যাচ্ছে যে, আদবও একটা শেখার বিষয়। অথচ সালাফে সালেহীনের অবস্থা ছিল, তাঁরা ইলমের আগে আদব শিখতেন এবং শিখাতেন। ইমাম ইবনে সিরীন (রহ.) বলেন, তারা ইলম যেমন শিক্ষা করতেন তেমনি জীবনাচারও শিক্ষা করতেন। ইমাম মালেক (রহ.) বলেন, আমার আম্মা আমাকে পাগড়ি পরিয়ে ইমাম রাবিয়াতুর রায় (রহ.)-এর নিকট পাঠাতেন এবং বলতেন তাঁর ইলমের আগে তাঁর আদবগুলো শিখে নাও। ইমাম আবু হানীফা (রহ.)-এর ব্যাপারে এ কথা খুবই প্রসিদ্ধ যে, তাঁর চলাফেরা আগমন প্রস্থান সবকিছুইতে তার আকলের বহিঃপ্রকাশ ঘটত। [তালিবানে ইলম : পথ ও পাথেয়, ১৪১]

এ বছর বেশকিছু দারুণ বই আসবে মনে হচ্ছে। বেছে বেছে, নিজের জন্য জরুরি ও প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহ করুন। ভালো ভালো বই ভালো করে বারবার প
এ বছর বেশকিছু দারুণ বই আসবে মনে হচ্ছে। বেছে বেছে, নিজের জন্য জরুরি ও প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহ করুন। ভালো ভালো বই ভালো করে বারবার পড়ুন। যাকগে, টাকা জমান। বইটা অবশ্যই সংগ্রহ করুন। কালকে শর্ট পিডিএফ পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। আপাতত চাইলে আপনি বইটার প্রচারে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

একটা সময় ছনের ঘর ছিল। তারপর এলো টিনের ঘর। এখন তো বিল্ডিং আর বিল্ডিং... তালেরতল গিয়েছিলাম এক ক্লাসমেটের জন্য পাত্রীর খোঁজখবর ন
একটা সময় ছনের ঘর ছিল। তারপর এলো টিনের ঘর। এখন তো বিল্ডিং আর বিল্ডিং... তালেরতল গিয়েছিলাম এক ক্লাসমেটের জন্য পাত্রীর খোঁজখবর নিতে। ১৯ সালের দিকে। পাত্র নিজেও ছিল। যেতে রাত প্রায় ৮/৯ টা। পাত্রীর বাড়ির একটু আগে এক ঘরের সামনে যেতেই বৃষ্টির হানা। যে ছেলেকে পাত্রীর বাড়ির রাস্তা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, সে-ই ওই পাশের বাড়ির ঘরে নিয়ে গেল বৃষ্টির কারণে। মাটি আর টিনের সংমিশ্রণ। বৃষ্টির টাপুরটুপুর। পাত্র নিজেই পাত্রীর ব্যাপারে ঘরওয়ালী থেকে তথ্য নিচ্ছিল। ঘরওয়ালী ভাবছিল পাত্র বোধহয় আমি। একসময় বৃষ্টি থামল। আমরা পাত্রীর বাড়ি দেখে চলে এলাম। পাশের বাড়ির ওরা কলা আর কী দিয়ে যেন আতিথেয়তা করেছিল ভুলে গেছি। তাদের সেদিনের আতিথেয়তায় যে আন্তরিকতা ছিল, এটা অনেক নিকটাত্মীয়ের বাড়িতেও আজ অনুপস্থিত। ছবির ঘরটা দেখার পর পুরোনো স্মৃতি...

কসদুস সাবীল পরকালের ভালোবাসা হায়াতুল মুসলিমীন জাযাউল আমাল
কসদুস সাবীল পরকালের ভালোবাসা হায়াতুল মুসলিমীন জাযাউল আমাল