ar
Feedback
Al Firdaws

Al Firdaws

الذهاب إلى القناة على Telegram

আমাদের সকল প্লাটফর্মে যুক্ত হোন- https://linktr.ee/AlFirdaws01

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Al Firdaws

تُعد قناة Al Firdaws (@alfirdaws02) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 10 937 مشتركاً، محتلاً المرتبة 17 285 في فئة الأخبار والوسائط والمرتبة 2 145 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 10 937 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 26 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار -12، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -5، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 5.37‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 3.49‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 587 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 382 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 10.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
আমাদের সকল প্লাটফর্মে যুক্ত হোন- https://linktr.ee/AlFirdaws01

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 27 أغسطس, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الأخبار والوسائط.

10 937
المشتركون
-524 ساعات
+87 أيام
-1230 أيام
أرشيف المشاركات
সকল নিয়ম-কানুনের মধ্যে বিয়ে সংক্রান্ত নির্দেশনাটিকে ইসলাম ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া দেশের প্রচলিত আইনে মেয়েদের ১৮ বছর হলে বিয়েতে কোন বাঁধা নেই। সেক্ষেত্রে হলি ক্রস কলেজের ১৮ পেরোনো কোন ছাত্রীর বিয়ে করার ক্ষেত্রে অযাচিত নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি দেশের প্রচলিত আইনের সাথেও সাংঘর্ষিক অবস্থান তৈরী করছে। বিষয়টিকে ব্যক্তি অধিকারের সাথেও সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য যে, হলি ক্রস কলেজটি খ্রিস্টান মিশনারিদের পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ১৯৫০ সালে এটি ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। রোমান ক্যাথলিক চার্চের 'পবিত্র ক্রুশ সংঘ' নামক একটি খ্রিস্টান সন্ন্যাসী সংঘ দ্বারা পরিচালিত হয়।

বিবাহিত শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন না করার নির্দেশ দিয়েছে রাজধানীর হলি ক্রস কলেজ। শুধু তাই নয়, কলেজে পড়াশোনার
বিবাহিত শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন না করার নির্দেশ দিয়েছে রাজধানীর হলি ক্রস কলেজ। শুধু তাই নয়, কলেজে পড়াশোনার সময় কোনো শিক্ষার্থী বিয়ে করলে তার ভর্তি বাতিল করে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে এসব শর্ত উল্লেখ করেছে হলি ক্রস কলেজ। ভর্তির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, "বিবাহিতদের আবেদন করার প্রয়োজন নাই। সেশন চলাকালীন সময়ে কারও বিয়ে হলে তাকে টি.সি. দেওয়া হবে।" এছাড়া নিয়মিত ও ব্যবহারিক ক্লাসে উপস্থিতি, কলেজ নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান, শরীরচর্চা এবং সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কলেজে মোবাইল ফোন আনা ও ব্যবহারও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব বিষয়ে কারও আপত্তি থাকলে আবেদন না করার কথাও বলা হয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু ভর্তি সংক্রান্ত প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম-কানুন বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

সকল নিয়ম-কানুনের মধ্যে বিয়ে সংক্রান্ত নির্দেশনাটিকে ইসলাম ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া দেশের প্রচলিত আইনে মেয়েদের ১৮ বছর হলে বিয়েতে কোন বাঁধা নেই। সেক্ষেত্রে হলি ক্রস কলেজের ১৮ পেরোনো কোন ছাত্রীর বিয়ে করার ক্ষেত্রে অযাচিত নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি দেশের প্রচলিত আইনের সাথেও সাংঘর্ষিক অবস্থান তৈরী করছে। বিষয়টিকে ব্যক্তি অধিকারের সাথেও সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য যে, হলি ক্রস কলেজটি খ্রিস্টান মিশনারিদের পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ১৯৫০ সালে এটি ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। রোমান ক্যাথলিক চার্চের 'পবিত্র ক্রুশ সংঘ' নামক একটি খ্রিস্টান সন্ন্যাসী সংঘ দ্বারা পরিচালিত হয়।

আল ফিরদাউস বুলেটিন || ৪র্থ সপ্তাহ, আগস্ট ২০২৬
আল ফিরদাউস বুলেটিন || ৪র্থ সপ্তাহ, আগস্ট ২০২৬

আল ফিরদাউস বুলেটিন || ৪র্থ সপ্তাহ, আগস্ট ২০২৬
আল ফিরদাউস বুলেটিন || ৪র্থ সপ্তাহ, আগস্ট ২০২৬

মাইদান ওয়ারদাক, বাদাখশান ও কুন্দুজে নতুন হাসপাতাল নির্মাণের এই উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্য অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং জনগণের জন্য চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আফগানিস্তানের স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে ইমারাতে ইসলামিয়া নতুন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মাইদান ওয়ারদাক
আফগানিস্তানের স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে ইমারাতে ইসলামিয়া নতুন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মাইদান ওয়ারদাক, বাদাখশান ও কুন্দুজ প্রদেশে তিনটি নতুন জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে ক্রয় কমিশন। ২০ কোটি ৮০ লাখ আফগানি ব্যয়ে নির্মিতব্য এসব হাসপাতাল সম্পূর্ণভাবে ইমারাতে ইসলামিয়ার জাতীয় বাজেট থেকে অর্থায়ন করা হবে। অর্থনৈতিক বিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, ক্রয় কমিশনের বৈঠকে তিন প্রদেশে নতুন হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এর আওতায় মাইদান ওয়ারদাকের চাক জেলায়, বাদাখশানের শাগনান জেলায় এবং কুন্দুজের কালা-ই-জাল জেলায় হাসপাতালগুলো নির্মাণ করা হবে। অনুমোদিত হাসপাতালগুলো স্থানীয় জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় সাধারণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় নির্মাণ করা হবে। এসব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান চালু হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা নিজ নিজ অঞ্চলে আরও সহজে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

প্রকল্পটির সুফল ইতোমধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনেও প্রতিফলিত হয়েছে। একটি এলাকার প্রতিনিধি সাইয়েদ হাসান জানান, আগে তাদের এলাকায় সপ্তাহে মাত্র একবার পানি সরবরাহ করা হতো। নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে সেই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হয়েছে এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি এসেছে। কাবুলের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও নগর সম্প্রসারণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পানি সরবরাহ অবকাঠামো সম্প্রসারণে ইমারাতে ইসলামিয়ার এ ধরনের উদ্যোগ রাজধানীর নাগরিক সেবাকে আরও শক্তিশালী করছে। একই সঙ্গে পানি বিতরণের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন নতুন এলাকা সরবরাহ ব্যবস্থার আওতায় আসায় রাজধানীর মানুষের সুপেয় পানির সুবিধা আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে।

কাবুলের নগরবাসীর সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে ইমারাতে ইসলামিয়া সরকারের অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগিয়েছে। রাজধানীর মাই
কাবুলের নগরবাসীর সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে ইমারাতে ইসলামিয়া সরকারের অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগিয়েছে। রাজধানীর মাইওয়ান্দ সড়ক থেকে ইবনে সিনা হাসপাতাল পর্যন্ত নতুন পানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক উদ্বোধন করা হয়েছে। ২ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি আফগানি ব্যয়ে নির্মিত প্রকল্পটির মাধ্যমে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিয়মিত পানি সরবরাহের আওতায় আসবেন। রাষ্ট্রীয় নগর পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন সংস্থার উদ্যোগে বাস্তবায়িত প্রকল্পটি ইউনিসেফের আর্থিক সহযোগিতায় নির্মাণ করা হয়েছে। নতুন এই পানি সরবরাহ নেটওয়ার্কের ফলে কাবুলের সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের পানি সরবরাহের সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। রাজধানীতে পানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ধারাবাহিকতায় কাবুলে দৈনিক পানি বিতরণের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে রাজধানীতে দৈনিক পানি বিতরণের পরিমাণ ৩৫ হাজার ঘনমিটার থেকে বেড়ে ৪২ হাজার ঘনমিটারে পৌঁছেছে।

হামিদুল্লাহ হাবিবি হাফিযাহুল্লাহ বলেন, এ খাতে বেসরকারি উদ্যোক্তারা উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ইমারাতে ইসলামিয়াও এ খাতের সঙ্গে সহযোগিতা করছে। শিল্পের বিকাশে কিছু ক্ষেত্রে কর কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। তিনি আফগান বিনিয়োগকারীদের নির্মাণসামগ্রীর উৎপাদন খাতে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান। নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনে দেশের এই অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়েছে নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোও। তারা মনে করেন, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সামগ্রীর মান ও নির্ধারিত মানদণ্ড নিশ্চিত করা গেলে এগুলো আমদানিকৃত পণ্যের কার্যকর বিকল্প হিসেবে আরও ব্যাপকভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান ইদ্রিস সাফি বলেন, নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের ক্ষেত্রে মান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই দেশীয় উৎপাদিত সামগ্রীকে এমন মানসম্পন্ন হতে হবে, যাতে তা আমদানিকৃত পণ্যের ভালো বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। দেশীয় নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনে এই অগ্রগতি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বাণিজ্যপথের পরিবর্তন এবং পরিবহন ব্যয়ের কারণে আমদানিকৃত নির্মাণসামগ্রীর দামে বিভিন্ন প্রভাব পড়েছে। ফলে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি আফগানিস্তানের নির্মাণ ও শিল্প খাতকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার পথও প্রশস্ত করছে।

দেশীয় শিল্পের বিকাশ ও আমদানি-নির্ভরতা কমানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে আফগানিস্তান। আফগানিস্তান চেম্বার অব কমা
দেশীয় শিল্পের বিকাশ ও আমদানি-নির্ভরতা কমানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে আফগানিস্তান। আফগানিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, নির্মাণ খাতের ১০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রীর উৎপাদনে দেশ এখন স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের শিল্প সক্ষমতা যেমন শক্তিশালী হচ্ছে, তেমনি নির্মাণ খাতেও দেশীয় উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আফগানিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের অবকাঠামো ও নির্মাণবিষয়ক কমিটির প্রধান হামিদুল্লাহ হাবিবি হাফিযাহুল্লাহ জানান, দেশের বেসরকারি খাত নির্মাণসামগ্রীর স্থানীয় উৎপাদন সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে অন্যান্য নির্মাণসামগ্রীর উৎপাদনেও স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে চলছে। বর্তমানে আফগানিস্তানে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত নির্মাণসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে—রড, ইস্পাতের বিম, শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত রং, ভবনের বাইরের আবরণে ব্যবহৃত পাথর, অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্যবর্ধক পাথর, দরজা-জানালা, বৈদ্যুতিক তার, মোজাইক টাইলস, ইট ও জিপসাম।

পরদিন বাসিন্দারা পুলিশ ও পৌর করপোরেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন। তবে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাননি বলে অভিযোগ তাদের। এর পরদিন কলোনির রাস্তাগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বাসিন্দারা জানান, দূষিত নদীর পানি ব্যবহারের কারণে কয়েকটি শিশু জ্বর, মাথাব্যথা ও চর্মরোগে আক্রান্ত হয়েছে। ঘাটের কাদাযুক্ত ও পিচ্ছিল সিঁড়িতে পড়ে অনেকে গুরুতর আহত হয়েছেন। বয়স্ক ব্যক্তি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ তাদেরও গোসলসহ দৈনন্দিন কাজে নদীর পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়া মুসল্লিরাও অজু করতে পারছেন না। রাস্তার বাতি বন্ধ করে দেওয়ায় শিশুদের ঝুঁকি আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। ১৫ বছর বয়সী স্কুলছাত্রী ইসা খাতুন বলেন, পানির সংকটের কারণে তিনি স্কুলে যেতে পারছেন না। পরীক্ষার সময় এই সংকট শুরু হওয়ায় তার পড়াশোনায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এমনকি কলোনিতে থাকা স্কুলটিতেও পানির সংযোগ দেওয়া হয়নি। ইসা আরও বলেন, ‘রাস্তাগুলোর বাতি বন্ধ করে দেওয়া কলোনির নারীদের জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করেছে।’ জাহানারা বিবি নামে এক বাসিন্দা বলেন, ‘ছোট শিশুদেরও হাত-মুখ ধুতে ঘাটে যেতে হচ্ছে। অনেক শিশু গঙ্গায় পড়ে গেছে, কেউ কেউ অল্পের জন্য ডুবে যাওয়ার হাত থেকে বেঁচেছে। যারা সাঁতার জানে না, তাদেরও বাধ্য হয়ে নদীতে গোসল করতে হচ্ছে।’ ৬০ বছর ধরে জ্যোতিনগর কলোনিতে বসবাসকারী সরস্বতী বিশ্বাস জানায়, ‘দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের দরিদ্র মানুষ নানা সমস্যায় একসঙ্গে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু এমন সংকট আমাদের জন্য একেবারেই নতুন।’ সে আরও অভিযোগ করেছে, ‘বিজেপি হিন্দু-মুসলিমের রাজনীতি করে শুধু দরিদ্র মানুষকে হয়রানি করছে।’ দীর্ঘদিনের পানির সংকটে বস্তির প্রতিটি বাসিন্দাই সমস্যায় পড়েছেন বলেও জানায় সে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে মুসলিমবিরোধী অবস্থান প্রকাশ করেছে বিজেপির হিন্দুত্ববাদী বিধায়ক ঋতেশ তিওয়ারি। অভিযোগ রয়েছে, সে বলেছিল, যারা তাকে ভোট দেননি, ওই সংখ্যালঘুদের জন্য সে কাজ করবে না। এর আগে দলের একটি অনুষ্ঠানে এই বস্তির মানুষকে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী বলেছিল ঋতেশ তিওয়ারি। সংখ্যালঘু মুসলিমদের জন্য সে কাজ করবে না— তার এমন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। এখন তার সেই কথাই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা। বস্তির বাসিন্দারা উচ্ছেদ অভিযান নিয়েও আশঙ্কায় রয়েছেন। তাদের অভিযোগ, স্থানীয় হিন্দুত্ববাদী বিজেপি কর্মীরা উচ্ছেদের হুমকি দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিজয়ের পর হকার ও বস্তিবাসীদের উচ্ছেদের ঘটনা বেড়েছে বলেও অভিযোগ তাদের। সাংবাদিক ও কলাম লেখক অর্ক ভাদুড়ি বলেছে, ‘জ্যোতিনগর কলোনির বাসিন্দাদের সঙ্গে যা ঘটছে, তা ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্য লজ্জাজনক। এটি সংবিধানবিরোধী। শুধু মুসলিম হওয়ার কারণে তাদের এমন অকল্পনীয় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। কলকাতার নাগরিক সমাজের সমালোচনা করে সে বলেছে, ‘কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক সমাজ এখনো রাস্তায় নামেনি—এটি আমাদের সবার জন্য লজ্জার। এর মধ্য দিয়ে আমাদের মধ্যে থাকা ইসলামবিদ্বেষেরই প্রকাশ ঘটছে।’

কলকাতার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জ্যোতিনগর কলোনিতে প্রায় এক মাস ধরে পানির সরবরাহ বন্ধ রেখেছে হিন্দু্ত্ববাদী সরকার। ফলে পানি সংকটে
কলকাতার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জ্যোতিনগর কলোনিতে প্রায় এক মাস ধরে পানির সরবরাহ বন্ধ রেখেছে হিন্দু্ত্ববাদী সরকার। ফলে পানি সংকটে পড়েছে কয়েকশ মুসলিম পরিবার। দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে বাধ্য হয়ে তারা গঙ্গার পানি ব্যবহার করছেন। ফলশ্রুতিতে তাদেরকে নানা ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে। কলোনিতে ছয়টি পানির কল রয়েছে। ২৯ জুলাই থেকে সব কটি কলেই পানির সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাদের কলগুলো শুকিয়ে থাকলেও একই সড়কের হিন্দু অধ্যুষিত কলোনিগুলোর পানির কল সচল রয়েছে। জ্যোতিনগর কলোনি কলকাতা পৌর কর্পোরেশনের (কেএমসি) ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাশীপুর এলাকায় অবস্থিত। প্রায় ৬০ বছর ধরে এখানে প্রায় ৫ হাজার মানুষ বসবাস করছেন। অধিকাংশ বাসিন্দাই মুসলিম। অল্পসংখ্যক হিন্দু পরিবারও এখানে রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এলাকাটি ‘মোল্লাপাড়া’ বা মুসলিম কলোনি নামে পরিচিত। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ২৭ জুলাই কেএমসির কর্মীরা কলোনির পানির পাইপলাইন মেরামত করতে এসেছিল। ২৯ জুলাই পর্যন্ত মেরামতের কাজ চলে এবং সেদিন বাসিন্দারা পানি পান। কিন্তু ওই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ তারা দেখতে পান, পানির সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে তিব্বত সীমান্ত পার হয়ে ‘ভোটে কোশী’ নদীর বুক চিরে প্রচণ্ড গতিতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এই প্লাবনের সৃষ্টি হয়। এতে সীমান্তবর্তী রসুয়া, ধাদিং এবং নুয়াকোট জেলা মারাত্মকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে, ভেসে গেছে অবকাঠামো, তলিয়ে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। ত্রাণকর্মীদের মতে, প্রলয়ংকরী এই বন্যায় বহু জনবসতি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ এবং প্রলয়ংকারী আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬০ জনে পৌঁছেছে। নেপাল প
নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ এবং প্রলয়ংকারী আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬০ জনে পৌঁছেছে। নেপাল পুলিশ এখন পর্যন্ত ১৫৭টি মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বানের পানিতে কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া জীবিতদের উদ্ধার এবং মৃতদেহ বের করে আনতে উদ্ধারকর্মীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২৬ আগস্ট, বুধবার রাতে নেপালের পুলিশ জানায়, তারা তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার পর ১৫৭টি মরদেহ উদ্ধার করেছে। পুলিশ মারা যাওয়া ১৫৭ জনের বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে একটি হালনাগাদ বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে তিব্বত সীমান্ত পার হয়ে ‘ভোটে কোশী’ নদীর বুক চিরে প্রচণ্ড গতিতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এই প্লাবনের সৃষ্টি হয়। এতে সীমান্তবর্তী রসুয়া, ধাদিং এবং নুয়াকোট জেলা মারাত্মকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে, ভেসে গেছে অবকাঠামো, তলিয়ে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। ত্রাণকর্মীদের মতে, প্রলয়ংকরী এই বন্যায় বহু জনবসতি পুরোপুরি ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গেছে। হঠাৎ নেমে আসা এই দুর্যোগে নিখোঁজের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। নেপাল পুলিশের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ মোট পর্যটকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭৯ জনে।

বালখ প্রদেশের ঐতিহাসিক স্থাপনা মাজার শরিফের পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার কাজ শুরু ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের বালখ প্রদেশের রাজধানী মাজার-ই-শরীফের ঐতিহাসিক মাজার শরিফের পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। একটি দাতব্য সংস্থার অর্থায়নে ৪ কোটি আফগানি ব্যয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে এবং আগামী দুই বছরের মধ্যে তা সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব শায়েখ সাজিদুর রহমান হাফিযাহুল্লাহ-এর কড়া হুশিয়ারি।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা সংবিধান রক্ষা ও সংরক্ষণের শপথ নেয়। কিন্তু সংবিধানের কোনো বিধান যদি কুরআন, হাদিস, আকিদা ও ইসলামী শরিয়াহর মৌলিক নীতির সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তাহলে তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। শরিয়াহবিরোধী আইনের শুধু প্রতিবাদ করলেই হবে না, সেগুলো পরিবর্তন বা বাতিলের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বক্তব্যের একটি বড় অংশজুড়ে তিনি কাদিয়ানি সম্প্রদায়ের আকিদাগত অবস্থান নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান, তারা নিজেদের মুসলিম দাবি করে নামাজ ও জাকাত আদায়ের কথা বলে। তাদের উপাসনালয়েও ইসলামী নানা নিদর্শন দেখা যায়। কিন্তু তাদের আকিদা ও বিশ্বাসের সঙ্গে মূলধারার ইসলামী আকিদার মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি কাদিয়ানিদের ‘প্রতারক, বেইমান ও দাজ্জাল’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীতে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের অনুসারী মানুষ রয়েছেন এবং তারা নিজ নিজ ধর্মীয় পরিচয়ে পরিচিত। তবে কাদিয়ানিদের বিশ্বাস ও আকিদা নিয়ে মুসলিম সমাজে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা শাব্বির আহমাদ রশিদ হাফিযাহুল্লাহ। এতে হেফাজতে ইসলামের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা ও বিপুলসংখ্যক তৌহিদী জনতা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ বলেছেন, কুরআন ও হাদিসের পরিপন্থী কোনো আইন সংবিধানে থাকলে
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ বলেছেন, কুরআন ও হাদিসের পরিপন্থী কোনো আইন সংবিধানে থাকলে তা স্বাভাবিকভাবেই বাতিল বলে গণ্য হবে। শরিয়া বিরোধী কোনো আইনকে মেনে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হেফাজতে ইসলাম আয়োজিত শানে রেসালত সম্মেলনে তিনি এইসব কথা বলেন। সম্মেলনে রাসূল (ﷺ)-এর পবিত্র জীবনী, আদর্শ ও ইসলামী শরিয়াহর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। মাওলানা আব্দুল মালেক বলেন, আইন প্রণেতারা পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ থেকে আইন ও বিধান গ্রহণ করতে পারে। তবে দেশীয় ব্যবস্থাপনার কোনো আইনকে ইসলামী শরিয়ার সমতুল্য মনে করার সুযোগ নেই। ভুলবশত এমন কোনো আইন প্রণয়ন ও সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকলে, যা কুরআন-হাদিসের সুস্পষ্ট নির্দেশনার পরিপন্থী, তা সংশোধন বা বাতিল করতে হবে।