uk
Feedback
Al Firdaws

Al Firdaws

Відкрити в Telegram

আমাদের সকল প্লাটফর্মে যুক্ত হোন- https://linktr.ee/AlFirdaws01

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу Al Firdaws

Канал Al Firdaws (@alfirdaws02) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 10 742 підписників, посідаючи 17 812 місце в категорії Новини і ЗМІ та 2 146 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 10 742 підписників.

За останніми даними від 22 червня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на 100, а за останні 24 години на 3, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 7.06%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 3.84% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 758 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 413 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 16.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
আমাদের সকল প্লাটফর্মে যুক্ত হোন- https://linktr.ee/AlFirdaws01

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 23 червня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Новини і ЗМІ.

10 742
Підписники
+324 години
+177 днів
+10030 день
Архів дописів
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই ভূমিকম্প হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এতে ক
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই ভূমিকম্প হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এতে কারো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। মার্কিন গবেষণা সংস্থা ইউএসজিএস এর তথ্যমতে, রাত ৯টা ২৮ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে এই ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪.৪। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভূমির ১০ কিলোমিটার গভীরে, ঢাকার পার্শ্ববর্তী নরসিংদীতে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে আমীরুল মু’মিনীন শাইখুল হাদিস হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ পপি চাষ নিষিদ্ধ করার নির্দেশ জারির পর ইমারাতে ইসলামিয়া দেশজুড়ে ব্যাপক মাদকবিরোধী অভিযান শুরু করে। এর ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই আফগানিস্তানে পপি চাষের পরিমাণ নাটকীয়ভাবে হ্রাস পায়। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনেও দেশটিতে পপি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। একই সঙ্গে মাদক উৎপাদন কেন্দ্র ধ্বংস, বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ এবং চোরাচালান নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে মাদক দমনে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং অবৈধ মাদক উৎপাদন সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আফগানিস্তানে মাদক নির্মূলে ইমারাতে ইসলামিয়ার চলমান অভিযানের ধারাবাহিকতায় পাকতিকা প্রদেশে আরও ১২ একর পপি ক্ষেত ধ্বংস করেছে ইমা
আফগানিস্তানে মাদক নির্মূলে ইমারাতে ইসলামিয়ার চলমান অভিযানের ধারাবাহিকতায় পাকতিকা প্রদেশে আরও ১২ একর পপি ক্ষেত ধ্বংস করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া প্রশাসন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের পরও অবৈধ চাষ ও মাদক উৎপাদনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে ইমারাতে ইসলামিয়া। পাকতিকা প্রদেশ পুলিশ কমান্ডের মাদকবিরোধী বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রাদেশিক রাজধানী শারান শহরের দ্বিতীয় নিরাপত্তা অঞ্চলে পরিচালিত অভিযানে প্রায় ১২ একর জমিতে চাষ করা পপি গাছ ধ্বংস করা হয়। অভিযানের সময় পপি চাষের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ কমান্ড আরও জানিয়েছে, মাদক উৎপাদন ও চোরাচালান রোধে পাকতিকা প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর আগেও প্রদেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে পপি খেত উচ্ছেদ এবং মাদকবিরোধী একাধিক অভিযান পরিচালনা করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার মাদকবিরোধী বিভাগ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা করার অভিযোগে সাবিদুল ই
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা করার অভিযোগে সাবিদুল ইসলাম সিয়াম নামে এক কলেজছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সিয়াম আখাউড়া উপজেলার আজমপুর গ্রামের শাহনেওয়াজ মিয়ার ছেলে ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। ২১ জুন রোববার রাতে জেলার সদরের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২২ জুন (সোমবার) দুপুর নাগাদ ওই কলেজছাত্র আখাউড়া থানা হাজতে ছিলো। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার রাতে আখাউড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পলাশ মিয়া ও পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রিফাতুল ইসলাম থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করে ‘সাবিদুল ইসলাম সিয়াম’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে মন্তব্য করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়। এ বিষয়ে আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাবেদ-উল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে একাধিক লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে তার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, দিনটিকে ঘিরে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধ এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থানে ২০০টিরও বেশি বিশেষ পিকেট ও চেকপোস্ট স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি মহানগরের সব প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় পুলিশের নিয়মিত ইউনিটগুলোর পাশাপাশি ডিএমপির বিশেষায়িত ইউনিটগুলোও মাঠে সক্রিয় থাকবে। গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া সাদা পোশাকে স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ও ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স ডিভিশনের (আইএডি) সদস্যরা গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখবে। ডিএমপি সূত্র আরও জানায়, সার্বিক নিরাপত্তা কার্যক্রমে অংশ নিতে ১৮ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তা মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতার আশঙ্কায় রাজধানী ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। জেলাগুলো হলো— ঢাকা
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতার আশঙ্কায় রাজধানী ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। জেলাগুলো হলো— ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ ও চট্টগ্রাম। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত মাঠে থাকবে তারা। সোমবার (২২ জুন) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা লক্ষ্য করায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২২ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানায় সালাহউদ্দিন আহমদ। এদিকে আগামী ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

উল্লেখ্য যে, বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুম ও খুনের সময় জিয়াউল আহসান র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান ছিল। পরে শেখ হাসিনা সরকারের শেষ দিন পর্যন্ত সে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করে। তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মানুষকে গুম, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ রয়েছে। রোববার ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দিতে ইমরুল কায়েস বলেন, ২০১২ সালের প্রথম দিকে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে তিনটি মাইক্রোবাসে করে ১১ জনকে নিয়ে পোস্তগোলা আর্মি ক্যাম্পে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের একটি বোটে তোলা হয়। এ সময় একজন পানিতে ঝাঁপ দিলে জিয়াউল আহসানের নির্দেশে তিনি পানিতে নেমে ওই ব্যক্তিকে ধরে আনেন। পরে রশির সাহায্যে তাদের দুজনকে বোটে তোলা হয়। তিনি বলেন, তখন অন্ধকার থাকায় ওই ব্যক্তিকে চিনতে পারেননি। তার বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ২৬ বছর হবে। পরে বোটটি নদীর মাঝখানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগের মতো সিমেন্টের বস্তা বেঁধে মাথায় গুলি করে ১১ জনকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। ইমরুল কায়েসের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই অভিযানে জিয়াউল আহসান, মেজর নওশাদ, স্কোয়াড্রন লিডার সাইফ, কমান্ডার সোহায়েল এবং এডিজি (অপস) মুজিব অংশ নেয়। অভিযান শেষে তারা লাইনে ফিরে যায়।

রবিবার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাজিরা দিতে আনা হয়েছিল বরখাস্তকৃত সেনাকর্মকর্ত
রবিবার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাজিরা দিতে আনা হয়েছিল বরখাস্তকৃত সেনাকর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে। শতাধিক মানুষকে গুম, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে দায়ের হওয়া এই মামলায় ওই দিন সাক্ষ্য দেন তার একসময়ের দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস। শুনানি শেষে তাকে ট্রাইব্যুনাল থেকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় তাকে হাতকড়া বা ডান্ডাবেড়ি ছাড়াই বেশ হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় ট্রা্ব্যুনাল থেকে বের হতে হতে দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। উল্লেখ্য যে, বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুম ও খুনের সময় জিয়াউল আহসান র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান ছিল। পরে শেখ হাসিনা সরকারের শেষ দিন পর্যন্ত সে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করে। তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মানুষকে গুম, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

পাকিস্তানের ওরাকজাই এজেন্সিতে সন্ত্রাসী এফসি ফোর্সের সামরিক পোস্টে সফল অভিযান চালিয়েছে ই*ত্তেহা!দুল মু@জাহি!দিন পাকিস্তান (আই
পাকিস্তানের ওরাকজাই এজেন্সিতে সন্ত্রাসী এফসি ফোর্সের সামরিক পোস্টে সফল অভিযান চালিয়েছে ই*ত্তেহা!দুল মু@জাহি!দিন পাকিস্তান (আইএমপি)। এতে সন্ত্রাসী বাহিনীতে বিভিন্ন ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। প্রতিরোধ বাহিনী আইএমপি কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, গত ২১শে জুন দুপুর ২টার সময়, ওরাকজাই এজেন্সির আমিশতা এলাকায় একটি সফল অভিযান চালিয়েছেন মু!জাহি@দিন!রা। উক্ত এলাকায় অবস্থিত পাকিস্তানি সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর একটি পোস্ট লক্ষ্য করে মু!জাহি@দ!রা কোয়াডকপ্টার ড্রোন ব্যবহার করে তিনটি শেল নিক্ষেপ করেন। ড্রোন থেকে ফেলা বিস্ফো!রক শেলগুলো সফলভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানে, যার ফলে পোস্টের একটি অংশে আগুন লেগে যায়। একই সময়ে মু!জাহি@দরা বেরেট স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার করে পোস্টে থাকা সন্ত্রাসী সেনা সদস্যদেরকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেন। ফলশ্রুতিতে সন্ত্রাসী বাহিনীতে ব্যাপক হতাহত ও বস্তুগত ক্ষতি হয়।

নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি কবির আহমদ আফগান হাফিযাহুল্লাহ জানান, আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন করা হবে। তিনি বলেন, এই মার্কেট ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে এবং গজনি শহরের বাণিজ্যিক কাঠামোকে নতুন মাত্রা দেবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় কর্মকর্তারা বলেন, বর্তমানে দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক ভাল। গজনি প্রদেশের কেন্দ্রের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলাতেও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গজনির উপ-গভর্নর সরদার মোহাম্মদ মাদানি বলেন, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আরও উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে। গজনি তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান হামিদুল্লাহ নিসার হাফিযাহুল্লাহ বলেন, এ ধরনের প্রকল্প দেশকে অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার দিকে এগিয়ে নিতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও প্রকল্পটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, এটি ব্যবসা সম্প্রসারণ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শহরের বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সহায়ক হবে। ব্যবসায়ী হাফিজুল্লাহ বলেন, এই মার্কেট ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত সুবিধা নিশ্চিত করবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ৪০০ মিটারেরও বেশি দীর্ঘ এবং প্রায় ৩৪ মিটার প্রশস্ত এই ভূগর্ভস্থ মার্কেটটি গজনি শহরের দ্বিতীয় জেলায় ফররুখি চত্বর থেকে কালা-ই-সাবজ চত্বর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে এটি গজনি শহরের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আফগানিস্তানের গজনি প্রদেশে ৩০ কোটি ৯০ লাখ আফগানি ব্যয়ে শহরটির প্রথম ভূগর্ভস্থ মার্কেট নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। দুই তলা বিশিষ্ট
আফগানিস্তানের গজনি প্রদেশে ৩০ কোটি ৯০ লাখ আফগানি ব্যয়ে শহরটির প্রথম ভূগর্ভস্থ মার্কেট নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। দুই তলা বিশিষ্ট নির্মিতব্য এই বাজারের নাম দেওয়া হয়েছে সুলতান মাহমুদ গজনবি বাজার। ৭০০টি দোকান, মসজিদ ও বিভিন্ন আধুনিক সুবিধাসমৃদ্ধ এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং শহরের ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। গজনি প্রদেশের দ্বিতীয় জেলায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, দুই তলাবিশিষ্ট এই ভূগর্ভস্থ মার্কেটে মোট ৭০০টি দোকান থাকবে। পাশাপাশি এখানে একটি মসজিদ, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা সেবা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাও নির্মান করা হবে। প্রকল্পটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গজনির গভর্নর আবু মোহাম্মদ সাবিত হাফিযাহুল্লাহ বলেন, অতীতের তুলনায় এখন বিনিয়োগকারীরা বিদেশে অর্জিত পুঁজি নিজ দেশে বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। তিনি এটিকে দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য ইতিবাচক লক্ষণ বলে উল্লেখ করেন।

আরেক রোহিঙ্গা মো. সালাম বলেন, ‘প্রতি বর্ষায় আমাদের একই দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বৃষ্টির পানি জমে গেলে ঘরে থাকতে কষ্ট হয়। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।' তিনি আরও বলেন, ‘ভারী বৃষ্টিতে ২৫ নম্বর ক্যাম্পের ৫০টির বেশি ঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। এছাড়া শতাধিক ঘরের চারপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা।’

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল ভারী বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে রোহিঙ্গাদের পরিবারের বসতঘ
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল ভারী বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে রোহিঙ্গাদের পরিবারের বসতঘরে পানি ঢুকে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ৫০টির বেশি পরিবার। সোমবার (২২ জুন) টানা বৃষ্টিপাতে টেকনাফের আলীখালী ২৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২১ জুন) থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হলে আলী খালী ২৫ নম্বর ক্যাম্পের বিভিন্ন সড়ক ও নিম্নাঞ্চল পানিতে প্লাবিত হয়। অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের বসতঘরে পানি ঢুকে যাওয়ায় রান্নাবান্না ও দৈনন্দিন জীবনযাপন বিঘ্নিত হচ্ছে। নিচু এলাকায় অবস্থিত রোহিঙ্গাদের বাঁশ, ত্রিপল দিয়ে তৈরি ঝুপড়ি ঘরের চারপাশে পানি জমে গেছে। ক্যাম্পের বাসিন্দা মো. শফিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভারী বৃষ্টিতে ঝুপড়ি ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে গেছে। বিছানা, কাপড়-চোপড় সব ভিজে গেছে। ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে খুব কষ্টে আছি। এখন ঘরের বাহিরে থাকতে হচ্ছে। রোহিঙ্গা নারী কামরুন্নাহার বলেন, ‘রান্না করার জায়গাতেও পানি উঠে গেছে। শুঁকনো খাবার খেয়ে আছি। রাতেও ঘুমাতে পারিনি। বাচ্চাদের নিয়ে কোন রকম আছি।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিল চলাকালে মহাসড়কের বিপরীত দিক থেকে কয়েকজন পুলিশ সদস্য এগিয়ে এলে মিছিলে অংশ নেওয়া কয়েকজন তাঁদের উদ্দেশে উচ্চস্বরে হুমকিমূলক বক্তব্য দেয়। ভিডিওতে তাঁদের বলতে শোনা যায়, 'ওই, একটাও সামনে আসবি না। মাইরা ফালামু, মাইরা ফালামু।' একই সঙ্গে মিছিলকারীরা 'রাজপথ ছাড়ি নাই, শেখ হাসিনার ভয় নাই' এবং 'যুবলীগের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন'-এ ধরনের স্লোগানও দেয়। তবে, এ ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত এক জনকেও আটক করতে পারেনি পুলিশ।

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে গাজীপুর মহানগর যুবলীগের ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত
নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে গাজীপুর মহানগর যুবলীগের ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মিছিল থেকে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে হুমকি দিয়ে স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সকালে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন কলম্বিয়া গার্মেন্টস ও শাকিল এন্টারপ্রাইজ এলাকার সামনে থেকে ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল ব্যানার হাতে মিছিল বের করে। মিছিলটি মহাসড়ক দিয়ে দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। মিছিলে বহন করা ব্যানারে লেখা ছিল, ‘২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল হোক, সার্থক হোক’ এবং ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত অবৈধ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে।’ ব্যানারের নিচে ‘গাজীপুর মহানগর যুবলীগ’ লেখা ছিল। এছাড়া ব্যানারের এক পাশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অন্য পাশে গাজীপুর মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কামরুল আহসান রাসেল সরকারের ছবি দেখা যায়।

শুক্রবার রাতে হাসান রাজকে আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে সমকামিতার কথা স্বীকার করে। তার ও পাশের আরেক মেসের বাসিন্দা আরিয়ানের মোবাইল চেক করে ফেসবুকে ভুয়া আইডি দিয়ে চালানো একাধিক ‘গে গ্রুপের’ (সমকামী অনলাইন গ্রুপ) সন্ধান মেলে। এরপর মেসের ছাত্ররা কৌশলে হাসান ও আরিয়ানকে দিয়ে ওই গ্রুপের অন্য তিন সদস্যদের মেসে আসার অনুরোধ জানায়। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে জিহাদ, বাবু ও কৃষ্ণ মন্ডল তাদের সাথে মিলিত হতে ওই মেসে এলে এলাকাবাসী তাদের হাতেনাতে আটক করে এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেয়। আটক বাবু খান স্বীকারোক্তি দিয়ে জনায়, তার স্ত্রীসহ ২ মেয়ে ও ২ ছেলে রয়েছে। সে দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রের সাথে জড়িত। ফরিদপুরের একটি এইডস ও এসটিডি (যৌনবাহিত রোগ) নিয়ে কাজ করা এনজিওতে রক্ত পরীক্ষা করতে গিয়ে এই সমকামী চক্রের ছেলেদের সাথে তার পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রাজেন্দ্র কলেজের ছাত্র জিহাদও স্বীকারোক্তি দিয়ে জানায়, ফেসবুকে হাসান রাজের সাথে তার পরিচয়। গত এক বছর ধরে সে এই লাইনে আছে। তবে হাসান রাজের সাথে আজই প্রথম সরাসরি দেখা করতে এসে ফেঁসে গেছে। এ সময় সে অনুতপ্ত হয়ে জানায়, 'আসলে এই কাজে জড়ানো আমার উচিত হয় নাই।' খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাবু খান, জিহাদ হোসেন ও কৃষ্ণ মন্ডলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে তিনজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তাদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

ফরিদপুর শহরের একটি ছাত্রাবাসে হিন্দু সন্ন্যাসীসহ ৫ সমকামী যুবককে আটক করেছে সাধারণ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। পরে তাদের মধ্যে ৩ জ
ফরিদপুর শহরের একটি ছাত্রাবাসে হিন্দু সন্ন্যাসীসহ ৫ সমকামী যুবককে আটক করেছে সাধারণ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। পরে তাদের মধ্যে ৩ জনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। তবে পাঁচ জনের মধ্যে দুই ছাত্রকে পুলিশ আসার আগেই মুচলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে গেছে তাদের পরিবার। শনিবার (২০ জুন) বিকালে শহরের কমলাপুর মহল্লার চানমারী এলাকার একটি ছাত্রাবাসে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। আটকরা হল, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র জিহাদ হোসেন (২৮), নিউমার্কেটের দর্জি বাবু খান (৩৮) ও গোয়ালচামটের একটি হিন্দু আশ্রমের সন্নাসী কৃষ্ণ মন্ডল (৩০)। এছাড়া ছাত্রাবাসের বোর্ডার হাসান রাজ ও আরিয়ান নামে মূল অভিযুক্ত অপর দুই ছাত্রকে এলাকাবাসী প্রথমে আটক করলেও পরে তাদের পরিবারের জিম্মায় মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। মেসের বোর্ডার ফাহিম বিশ্বাস ও নাহিদ সাংবাদিকদের জানান, গত ১০ দিন আগে রাজেন্দ্র কলেজের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র হাসান রাজ চানমারীতে তাদের মেসের বোর্ডার হয়ে ওঠে। মেসে ওঠার পর থেকেই তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হচ্ছিল। একপর্যায়ে হাসান রাজ মেসের অন্য এক ছাত্রকেও সমকামিতার কুপ্রস্তাব দেয়। এতে বিষয়টি সবার কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়।

অসংখ্য মানুষকে গুম, খুন ও নির্যাতনের আসামী জিয়াউল আহসানকে রবিবার (২১ জুন) ট্রাইবুনালে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বের করা হয়। ট্রাইবুনাল থেকে বের করার সময় তাকে হাতকড়া বা ডান্ডাবেড়ি ছাড়াই সেখান থেকে বের করা হয়। এ সময় জিয়াউল আহসানকে বেশ হাস্যজ্জ্বল চেহারায় বের হতে দেখা যায়।

গণমাধ্যম সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগীর ছেলে বিদেশে কর্মরত। কয়েক বছর আগে তিনি শ্বশুরবাড়ির পাশেই জমিসহ একটি বাড়ি কিনে দেন। পরে বিদেশে চলে গেলে ওই বাড়িতে তার মা ও স্ত্রী বসবাস করতে থাকেন। অভিযুক্ত শ্রী সজিব তেলি, যে প্রবাসীর শ্যালক, মাঝেমধ্যে ওই বাড়িতে আসা-যাওয়া করত। অভিযোগ অনুযায়ী, শনিবার রাতেও সে ওই বাড়িতে অবস্থান করে। একপর্যায়ে তার বোন ঘুমিয়ে পড়ার পর সে বৃদ্ধা নারীর ওপর যৌন নির্যাতন চালান। এতে ভুক্তভোগী গুরুতরভাবে আহত হন এবং তার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে ভোরের দিকে অভিযুক্ত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর সকালে ভুক্তভোগীর পুত্রবধূ বিষয়টি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে পাশের বাড়ির এক নার্সকে ডাকেন। ওই নার্স প্রাথমিকভাবে রক্তক্ষরণ বন্ধের চেষ্টা করলেও দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা সকাল ৮টার দিকে ওই নারীকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তৈয়বুর রহমান জানান, ‌‘আমরা ওই নারীর পরীক্ষা করেছি। বর্তমানে তার রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে। তার শরীরে রক্ত দেওয়া হচ্ছে।’ এদিকে ঘটনার বিষয়ে ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানায়, ‘ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলেছি। অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে।’

ভোলায় ৬০ বয়সী এক বৃদ্ধাকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২১ জুন) সকালের দিকে ভুক্তভোগী নারীকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভ
ভোলায় ৬০ বয়সী এক বৃদ্ধাকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২১ জুন) সকালের দিকে ভুক্তভোগী নারীকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন প্রতিবেশীরা। এর আগে শনিবার (২০ জুুন) রাতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তের নাম শ্রী সজিব তেলি (২৪)। সে ভোলা পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কালিখোলা এলাকার শ্রী সুমঙ্গল তেলির ছেলে। ভুক্তভোগী সম্পর্কে তার মাউই।