ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 334 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 907 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 062 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 334 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 27 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 77، وفي آخر 24 ساعة بمقدار 8، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 15.13‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.64‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 716 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 640 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 35.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 28 أغسطس, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 334
المشتركون
+824 ساعات
+337 أيام
+7730 أيام
أرشيف المشاركات
আল্লাহ বইটিকে আমার নাজাতের উসিলা বানাক। . এখন পর্যন্ত বইটির মাধ্যমে অনেক মুরব্বিদের দোয়া আমার কপালে জুটেছে। আল্লাহ আমার ব্যাপ
আল্লাহ বইটিকে আমার নাজাতের উসিলা বানাক। . এখন পর্যন্ত বইটির মাধ্যমে অনেক মুরব্বিদের দোয়া আমার কপালে জুটেছে। আল্লাহ আমার ব্যাপারে করা তাদের সেই দোয়াগুলো কবুল করুন।

ফ্যাসিস্ট ফেরআউনের কবল থেকে মুক্তি পেয়ে ওপারে গিয়ে বনি ইসরাইলও মুসা আলাইহিস সালামকে বলেছিল, 'হে মুসা! তাদের যেমন উপাস্য আছে আমাদের জন্যও তেমনি উপাস্য নির্ধারিত করে দিন'। [সুরা আল আরাফ - ১৩৮] ঠিক যেভাবে বাঙ্গালী হুজুরেরা বলেন, 'তাদের যেমন বৈশাখ আছে আমাদের জন্যও তেমন বৈশাখ নির্ধারণ করে দিন।' মহিউদ্দিন কাসেমী ভাই

আমার বন্ধু মফিজের নতুন এক বন্ধু জুটেছে আবুল নামের। ইদানীং তার সাথেই বন্ধু মফিজের বেশ সখ্যতা। মফিজের সেই বন্ধু বাংলাদেশের ইসলামি মডার্ন লিবারেল ডেমোক্রেসি একটি দলের সক্রিয় কর্মী। বন্ধু মফিজ গতকাল আমার সাথে দেখা করাতে নিয়ে আসলো আবুলকে। আমার ব্যাপারে আবুলকে কী বলেছে মফিজ তা তো জানি না। কিন্তু সাক্ষাতের কিছুক্ষণ পরেই আবুল ভাই খুবই উচ্ছাসের সাথে তার মডার্ন লিবারেল ডেমোক্রেটিক ইসলামি দলের বিভিন্ন কার্যক্রম ও সফলতার গল্প আমাকে শুনাতে লাগলো। এর মধ্যে পহেলা বৈশাখকে শিরকমুক্তভাবে পালন করে তার দল যে মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে, তা অত্যন্ত আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে তুলে ধরলো। এরপর আমার দিকে একটি তেরাইচ্ছা হাসি দিয়ে বললো, আমাদের দল যেটা ১০/২০ বছর আগে বুঝে এদেশের হুজুর-মোল্লারা তা ১০/২০ বছর পরে বুঝে। আবুল ভাইয়ের কথাটা শুনে আমি লাজুক একটি হাসি দিয়ে বললাম, জি ভাই, এটা আপনি একটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট বলেছেন। আমারও বহুদিনের পর্যবেক্ষণ তাই। লিবারেল ডেমোক্রেটিক মডার্ণ ইসলামি দল যে গোমরাহিতে ১০/২০ বছর আগেই পতিত হয় সেই পর্যায়ের গোমরাহ হতে এদেশের হুজুরদের ১০/২০ বছর সময় লাগে। কথাটি বলতেই আবুল ভাইয়ের চেহারায় কাল বৈশাখি ঝড়ের আগে যে কালো মেঘ তা ভেসে উঠলো। আর বন্ধু মফিজের চেহারায় শরীরে ফোসকা ফেলে দেয় এমন তীব্র রোদের ঝলক! প্রাণের বন্ধু মফিজ আমার দিকে কট্মট করে তাকিয়ে কী জানি একটা গালির মত বলতে বলতে উঠে চলে গেলো! বুঝলাম না আমার ভুলটা কী ছিলো এখানে! আমি তো বন্ধু মফিজের লিবারেল ডেমোক্রেটিক মডার্ণ ইসলামি দলের লোকটির কথাকে সমর্থন করলাম!

পহেলা বৈশাখ নিয়ে এই আলাপটা শুনতে ও প্রচার করতে পারেন। https://youtu.be/11-ieJnKcS8?si=Z0ASiqYo0zGKpkO3

চরমোনাইয়ের ভাইদের কাছে জানার একদিকে বৈশাক পালন নিয়ে চরমোনাই পীর সাহেবের কড়া বয়ান! আরেকদিকে মাঠপর্যায়ের চরমোনাই কর্মীদের বৈশাখ পালন! কোনটা চরমোনাইয়ের আসল রূপ? . জামাতের ভাইদের কাছে জানার সেকুলার রাষ্ট্র যে সকল উৎসব পালন করতে বলে, যে সকল কাজ করার জন্য পলিসি মেকিং করে, যেমন পহেলা বৈশাখ, শহিদ মিনারে ফুল, নারী পুরুষের সংমিশ্রণ ইত্যাদি, তার কোনটা জামাতের ভাইরা শুধু ইসলাম নাজায়েয বলে দেখে দৃঢ়ভাবে তা থেকে বেচে আছে?

দারুল হারব কখন দারুল ইসলামে রূপান্তর হবে? বাদায়িউস সানায়ে গ্রন্থে উল্লেখ আছে, لا خلاف بين أصحابنا في أن دار الكفر تصير دار إسلام بظهور أحكام الإسلام فيها. আমাদের ইমামদের মধ্যে এ-ব্যাপারে কোনো মতপার্থক্য নেই যে, দারুল কুফরে যখন ইসলামের বিধান প্রবল হয়ে যায়, তখন তা দারুল ইসলামে পরিণত হয়ে যায়। ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়াতে রয়েছে, اعلم أن دار الحرب تصير دار الإسلام بشرط واحد وهو إظهار حكم الإسلام فيها. জেনে রেখো, দারুল হারব কেবল একটা শর্তের কারণে দারুল ইসলামে বদলে যায় আর তা হলো, সেই ভূখণ্ডে ইসলামের বিধান প্রবল হয়ে যাওয়া। আল্লামা সারাখসি রাহ. (মৃত্যু: ৪৮৩ হি.) তাঁর মাবসূত গ্রন্থে লিখেছেন, إن الإمام إذا فتح بلدة وصيرها دار الإسلام بإجراء أحكام الإسلام فيها فإنه يجوز له أن يقسم الغنائم فيها. নিঃসন্দেহে ইমাম যখন কোনো শহর বিজয় করেন এবং সেখানে ইসলামের হুকুম জারি করে তাকে দারুল ইসলাম বানিয়ে নেন, তখন তাদের জন্য জায়িজ আছে, সেখানে তারা গনিমতের মাল বণ্টন করবে। এগুলো প্রাচীন ফকিহদের সংজ্ঞা। সম্প্রতি কুয়েত থেকে ফিকহ বিশ্বকোষ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দারুল ইসলামের সংজ্ঞায় মাবসুত, কাশশাফুল কিনা, ইনসাফ, আল মুদাওয়ানাতুল কুবরার সূত্রে সংক্ষিপ্তভাবে কেবল এতটুকু বলা হয়েছে, دار الإسلام هي كل بقعة تكون فيها أحكام الإسلام ظاهرة. দারুল ইসলাম হলো প্রত্যেক ওই ভূমি, যেখানে ইসলামি বিধিবিধান বিজয়ী থাকে। বই: আধুনিক যুগে জিহাদ মূল্য: ১৯৮৳ (২৫%) ছাড়ে

photo content

দারুন নাদওয়া, আবু জাহেল, আবু লাহাব, উতবা, শাইবা সবগুলোর মর্ম ঠিক আগের মতই আছে। শুধু শাব্দিক নামে সময়ের আবর্তনে কিছু পরিবর্তন হয়েছে! এতেই আমরা ধোকাগ্রস্থ হয়েছি। দারুন নাদওয়ার আবু জাহেলদেরকে নিজেদের নেতা মেনে নিচ্ছি, দীন রক্ষার রক্ষাকবচ মনে করছি! তো, কীভাবে আমরা অধপতন থেকে উদ্ধার হবো!

সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভি রহিমাহুল্লাহ গ্রীক সভ্যতার তিনটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন: ১. যা কিছু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য তাতে বি
সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভি রহিমাহুল্লাহ গ্রীক সভ্যতার তিনটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন: ১. যা কিছু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য তাতে বিশ্বাস এবং যা কিছু ইন্দ্রিয়াতীত তাতে অবিশ্বাস ও সংশয়। ২. ধার্মিকতা ও আধ্যাত্মিকতায় নিরাসক্তি এবং পার্থিব জীবন ও ভোগবিলাসে অতি আসক্তি। ৩. উগ্র জাতীয়তাবাদী মানসিকতা। এরপর তিনি লেখেন, 'গ্রীক সভ্যতার এই যে বিভিন্ন মৌলিক উপাদান, এগুলোকে আমরা যদি এক শব্দে প্রকাশ করতে চাই তাহলে "বস্তুবাদিতা" হলো সবচেয়ে যথার্থ শব্দ এবং এটাই হচ্ছে গ্রীক সভ্যতার মূল পরিচয়। বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ৩৬০৳ (২৫%) ছাড়ে

পাকিস্তান যা ৭০ বছরে পারে নাই আফগানি মোল্লারা তা চার বছরেই করে দেখিয়েছি। . তাকী উসমানী সাহেবরা ১৫ বছরের মত আদলতে লড়ে সুদের বি
পাকিস্তান যা ৭০ বছরে পারে নাই আফগানি মোল্লারা তা চার বছরেই করে দেখিয়েছি। . তাকী উসমানী সাহেবরা ১৫ বছরের মত আদলতে লড়ে সুদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক রায় এনেছিলো যা একদিনের জন্যও পাকিস্তানে কার্যকর হয়নি! . শরীয়া প্রতিষ্ঠার সঠিক পদ্ধতি কোনটা এটা যদি এরপরও স্পষ্ট না হয় তাহলে এর চেয়ে আফসোস আর কী আছে!

ইসলামি খিলাফত শুধু একটি রাজনৈতিক কাঠামো নয়; এটি এক পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যা কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্র
ইসলামি খিলাফত শুধু একটি রাজনৈতিক কাঠামো নয়; এটি এক পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যা কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করে। খিলাফত ন্যায়, ভ্রাতৃত্ব ও মানবকল্যাণের ভিত্তিতে সমাজ গড়ে তোলে। আজকের পৃথিবীতে অস্থিরতা, অবিচার, যুদ্ধ ও শোষণের মূল কারণ হলো মানুষকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা। যদি খিলাফত প্রতিষ্ঠিত থাকত, তবে বৈশ্বিক সম্পদ ন্যায্যভাবে বণ্টিত হতো, দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমে যেত, মুসলিম বিশ্বের ঐক্য দৃঢ় হতো এবং মানবতার মাঝে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসত। এই গ্রন্থে খিলাফতের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, মৌলিক নীতিমালা ও সমসাময়িক গুরুত্ব বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি খিলাফত ব্যবস্থার অনুপস্থিতিতে বিশ্ব যে সংকটে পড়েছে, এবং এর পুনঃপ্রতিষ্ঠা হলে কীভাবে মানবসভ্যতা নতুন দিগন্ত পেতে পারে—সেটিও এখানে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সাধারণ পাঠক থেকে শুরু করে গবেষক—সবাইকে খিলাফত ধারণা নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করবে এ বই। বই: ইসলামি খেলাফত লেখক: মাওলানা জাহিদ ইকবাল অনুবাদক: ফাদলুল্লাহ জাবের মূল্য: ৪৮০৳ (২৫%) ছাড়ে

আরব দরবেশের জামাতের দ্বিতীয় আমীর ডা. মুসলমানদের ব্যাপারে কীভাবে চিন্তা করতেন তা এই ভিডিওতে আশা করি স্পষ্ট হবে।

এরদোয়ানের মেয়ে বা নাতনী টাতনী থাকলে আমার মত এই পাওয়ারফুল লোকের সাথে বিবাহ দেওয়া যেতে পারে। যতই হোক সে তো আহলে কিতাবই! আর দলিল
এরদোয়ানের মেয়ে বা নাতনী টাতনী থাকলে আমার মত এই পাওয়ারফুল লোকের সাথে বিবাহ দেওয়া যেতে পারে। যতই হোক সে তো আহলে কিতাবই! আর দলিলের জন্য মডারেট মোল্লাগুলো তো আছেই! সমস্যা নেই ব্রো! নির্লজ্জ বেহায়া মুনাফিক কোথাকার!

উগান্ডা একটি খ্রিস্টান প্রধান দেশ। সংবিধানিকভাবে যদিও তারা সেকুলার। উকান্ডার সেনাপ্রধান তুরষ্কের কাছে এক বিলিয়ন ডলার ও তুরষ্কের সবচেয়ে সুন্দরী নারী ছেয়েছে। এই খবর আজ দেশী ও আন্তর্জাতিক নিউজে ভাইরাল। . এখন প্রশ্ন তুরষ্কের কাছে কেন এমন দাবী করলো উগাণ্ডা? মূলত এই উগান্ডার খ্রিস্টান সেনাবাহিনী নিয়মিত সোমালিয়ায় মুসলিম হট্যায় নিয়জিত। সেখানে যেনো কোনোভাবেই শরীয়া প্রতিষ্ঠা না হয় সে জন্য তারা কাজ করে যাচ্ছে। আর তুরষ্ক হলো সোমালিয়ায় শাবাবের বিরুদ্ধে একধরনের উগান্ডার জোট সঙ্গি। উগান্ডা আফ্রিকান ইউনিয়নের পক্ষ হয়ে সরাসরি সামরিক লড়াই করছে আর তুরষ্ক সোমালিয়ার সেনাবাহিনীকে ট্রেনিং দিয়ে শাবাবের বিরুদ্ধে লড়ছে। . তুরষ্ক সোমালিয়ায় ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি সোমালিয়ার ইসলাম বিরোধি দালাল সরকারকে শক্তিশালী করার নামে সেখানে রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোতে বেশ ইনভেষ্ট করেছে। ইনভেষ্ট যে করেছে তার থেকে বড় এই ইনভেষ্ট করে তুরষ্ক রীতিমতো সোমালিয়ার অর্থনীতিকে চুষে খাচ্ছে। শুধু সোমালিয়ার বন্দরে তুরষ্ক ইনভেষ্ট করে বন্দরের আয়ের ৪৫% অফিসিয়াল নিজেরা নিয়ে যায়। আর আনঅফিসিয়াল আরো বেশি! পুরো পৃথিবীতে বন্দর লিজে এটা একদম বিরল। . এখন বিষয় হলো সোমালিয়ায় ইসলামি শাসন ঠেকানোর জন্য সবাই মাইর খাচ্ছে কিন্তু তুরষ্ক মাইর খেলেও এখান থেকে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে ও হচ্ছে। তা দেখেই উগান্ডার সেনাপ্রধান ১ বিলিয়ন ডলার ও সবচেয়ে সুন্দরী নারী দাবী করেছে! . মুজা হি দ দের হত্যার জন্য তুর্কি সেনাবাহিনী যাদের পক্ষ নিচ্ছে তারা আজকে তুর্কিদের কাছে তাদের নারী প্রকাশ্যে চাচ্ছে! মুসলিমদের ইতিহাসের এক নির্লজ্জ অধ্যায় হয়ে থাকবে এটি।

উপরের নসিহতটা যেমন জরুরি তার থেকেও বেশী জরুরি নীচের প্যারাটি! . সাহিত্যিক ফাহদ বিন আসকারের "আন নাতিকুল আখরাস" কিতাব থেকে
উপরের নসিহতটা যেমন জরুরি তার থেকেও বেশী জরুরি নীচের প্যারাটি! . সাহিত্যিক ফাহদ বিন আসকারের "আন নাতিকুল আখরাস" কিতাব থেকে

ইউটিউবে এই চ্যানেলের ভিডিওগুলো দেখতে পারেন। বানুরীটাউনের ফারেগ এই সিনিয়র মজলুম আলেমে দীনকে আমরা অনেকেই চিনি না! https://youtube.com/@amardeenmedia?si=z2GY2FI0ZPtAmF2h

আফগানি ফুটপাত বনাম বাংলাদেশি ফুটপাত; দুই দেশের দুই আচরণ! . আজ দেখলাম আফগানে আমিরুল মুমিন ফুটপাত সংক্রান্ত নতুন আদেশ জারী করেছে। ফরমানটির একটি অংশ পড়ে এটা একদম স্পষ্ট হলাম যে, ফরমানটি ফুটপাতে ব্যবসা করা গরিব বান্ধব যেমন হয়েছে তেমনি রাষ্ট্রের জন্য সুশৃঙ্খলাও সঠিকভাবে কার্যকর হবে। ফুটপাতের ব্যবসার মৌলিক যে সমস্যা জনগণের পোহাতে হয় যেমন ভেজাল পন্য, পণ্য বিক্রির জন্য মাইকের মাধ্যমে মানুষকে কষ্ট দেওয়া, জায়গায় বেজায়গায় দোকান দিয়ে ফেলা, রাস্তাঘাটকে অপরিচ্ছন্ন করে ফেলা ইত্যাদি। এই সবগুলো বিষয়কে সঠিকভাবে সমাধান ছিলো উক্ত ফরমানে! . আমিরুল মুমিনের নির্দেশনায় দেশের সকল পৌর কর্তৃপক্ষকে ফুটপাতে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নগর পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ, কার্যক্রমের সীমানা চিহ্নিত করা প্রত্যেক বিক্রেতার জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ এসকল ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণ এবং বিনামূল্যে পরিচয়পত্র বিতরণের বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পেয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, একটি পূর্ণাঙ্গ তথ্যভান্ডার তৈরি করে ফুটপাতে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পরিচয়, তাদের ব্যবসার ধরন এবং কর্মস্থলের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি রোধে নিয়মিত তদারকি করাও পৌর কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে হকারদেরও নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলা, অবৈধ পণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকা, নিজ নিজ স্থানে শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং ক্রেতা আকর্ষণে উচ্চ শব্দ তথা লাউড স্পিকার ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। . বাংলাদেশে বেশকিছুদিন ধরে ফুটপাত উচ্ছেদ কার্যক্রম চলছে। ফুটপাত ঢাকার বসবাসকারী মানুষের জন্য বেশ সমস্যা তৈরি করে এটা যেমন বাস্তব, তেমন বাস্তব হলো এই ফুটপাত এত বেশি হওয়ার পিছনে এদেশের রাজনীবিদদের দায় সবচেয়ে বেশি। আর এখন কোনোরকম পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই ফুটপাত তুলে দেওয়া হচ্ছে! কয়দিন পরে ফুটপাত আবার ফিরে আসবে ক্ষমতাসীনদের দখলকে মজবুত করতে এটা অনেক বিশ্লেষকদের ধারণা, সেদিকে আপাতত না তাকিয়ে এতটুকু বলা যায়, পরিকল্পনাহীণ এভাবে ফুটপাত উঠিয়ে দেওয়াতে শত শত পরিবারের ক্ষতি হয়েছে! দেশে এমনেই চলছে অর্থনৈতিক সংকট সেখানে এভাবে এত এত পরিবারকে একদম বেকার করে দেওয়াটা কতটা ভয়ংকর সেটা তো একদম অনুমেয়।

Repost from Al Firdaws
স্থানীয়রা জানান, বিগত আওয়ামী লীগ আমলে হিন্দুদের চাপে এখানে গরু জবাই ও গোশত বিক্রি করতে দেওয়া হয়নি। কিছু প্রভাবশালীদের মদদে এখনো সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার ওসি আব্দুল্লাহিল জামান দাবি করে, থানায় অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে বাজারের একটি মার্কেট মালিক নিজেই এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলার কথা বিবেচনা করে গরুর গোশত বিক্রি না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। তবে এই বক্তব্য অস্বীকার করে মার্কেট মালিক আজিজুল হক সাংবাদিকদের জানায়, 'আমি থানায় গিয়ে দেখি লোকে-লোকারণ্য। ওসি সাহেব আসতে দেরি করছেন। এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আরো একজন আসবেন তারপর বৈঠক বসবে। এরপর উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম রসুল রাজা আসেন। একপর্যায়ে একপক্ষের কথা শুনে ওসির টেবিল চাপড়ে তিনি বলেন, পূর্বে ওই বাজারে গরুর গোশত বিক্রি হয়নি, এখনো হবে না। এটা আমাদের বিএনপির সিদ্ধান্ত, তারেক জিয়ার সিদ্ধান্ত।' এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম রসুল রাজা বলেছে, 'না। ওখানে কথা হয়েছে তারেক রহমানের দল বিএনপি ক্ষমতায় আছে। আমরা কোনোভাবেই হিন্দু মুসলমানের মধ্যে দাঙ্গা হতে দেব না। সবার সম্মতিক্রমে ওখানে গরুর গোশত বিক্রয় বন্ধ রাখা হয়েছে।' এলাকার মুসলিমরা জানান, হিন্দুরা যদি বাজার সংলগ্ন মন্দিরে বাঁধাহীনভাবে পাঠা বলি দিয়ে খেতে পারে, তাহলে আমরা মুসলিম হয়ে মসজিদের পাশে জবাই করা গরুর গোশত কিনে খেতে পারব না কেন? স্থানীয়দের দাবি, বাজারে গরুর গোশত বিক্রি বন্ধ থাকায় মুসলিম সম্প্রদায়ের ভোক্তারা ভোগান্তিতে পড়ছেন। আশপাশে কোনো বিকল্প দোকান না থাকায় তাদের কয়েক কিলোমিটার দূরের বাজারে গিয়ে গোশত কিনতে হচ্ছে। এখানে গরু জবাই হলে তারা সহজে গোশত কিনে খেতে পারবেন।

Repost from Al Firdaws
এটি যেন বাংলাদেশ নয় ভারতের কোন রামরাজ্য! কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় একটি এলাকার বাজারে এমনই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাটির
এটি যেন বাংলাদেশ নয় ভারতের কোন রামরাজ্য! কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় একটি এলাকার বাজারে এমনই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাটির ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ডাকনীরপাট বাজারে হিন্দুদের চাপ ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ট্রেড লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ীদের গরুর গোশত বিক্রি করতে দেওয়া হচ্ছে না। উপজেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ডাকনীরপাট বাজার অবস্থিত। এলাকাটিতে ৫ হাজার জনগনের মধ্যে ৪ হাজারই মুসলিম। তারপরও বর্তমানে পুলিশ ও বিএনপি নেতাদের নির্দেশে গরু জবাই নিষিদ্ধ রয়েছে। গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাজারের দুই গোশত ব্যবসায়ীকে নাগেশ্বরী থানায় ডেকে নিয়ে গরুর গোশত বিক্রি না করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

মডার্নিজম ও মডার্নিজমের প্রবক্তাদের ব্যপারে সংক্ষিপ্ত শব্দে কী চমৎকার উসুলি আলোচনা!
মডার্নিজম ও মডার্নিজমের প্রবক্তাদের ব্যপারে সংক্ষিপ্ত শব্দে কী চমৎকার উসুলি আলোচনা!