Mohammad Abid Azam
الذهاب إلى القناة على Telegram
লোক || ডায়েরি || অতিসাধারণ .
إظهار المزيدلم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
656
المشتركون
+224 ساعات
+167 أيام
+14530 أيام
أرشيف المشاركات
বাচ্চাদের হাতে টাকা না দেওয়া
হাইস্কুলে উঠার আগ পর্যন্ত বাইরের খাবার কখনোই ঐভাবে খাইনি। ফলে বাসা থেকে কোনও টাকাই পাইনি। নগদ টাকা চোখে দেখতাম কিন্তু হাতে ধরার সুযোগ হতোনা।
.
এরপর হাইস্কুলে উঠে নিজেকে মস্ত বড় ভেবে বসলাম। সকালে কোচিং শেষে আধা ঘন্টার মাঝে স্কুল, আব্বু এবার নিশ্চয় খাবারের জন্য টাকা দিবেন।
.
লাভ হলোনা। আব্বু হোটেলে বলে রাখলেন, প্রতিদিন খাবার খাই। স্কুলে যাই, আসি। টিফিনেও একই অবস্থা। নগদ টাকা ধরার সুযোগ নেই।
.
ঈদে-উপলক্ষে সালামী পেতাম। একহাতে সালামী আসতো, অন্য হাতে সেটা আম্মুর কাছে। ঐ টাকা আর পাইনি কখনো। আবদার করলে জিনিস কিনে দিতো কিন্তু টাকা দিতোনা।
.
কলেজে উঠে যাবার পরেও আমার চুল কাটার জন্য পর্যন্ত টাকা দিতেননা আব্বু! নাপিতের দোকানে নিয়ে গিয়ে বসিয়ে দিতেন।
.
আমি স্বাধীনভাবে হাতে টাকা পেতে শুরু করেছি ভার্সিটিতে ওঠে আর ততদিনে আমার বুঝ চলে এসেছে। ফলে টাকা পেয়ে সেটা খিয়ানত আর করা হয়না।
.
এটাকে কি ধরনের প্যারেন্টিং বলে জানিনা, শুধু জানি এটা সঠিক কাজ ছিল।
.
বাচ্চাদের হাতে টাকা দিলে নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকে। আমার এক ছাত্র ছিল (টিউশন) বাসা থেকে কেঁদে-কেটে টাকা নিতো। গোল্লায় গিয়েছে। কাজিনদের যে কজন ছোট থেকে নগদ টাকা হাতে পেয়েছে অধিকাংশই অন্যদের মতো হতে পারেনি। একেবারে বখে না গেলেও অন্যদের থেকে অবস্থা খারাপ।
.
মনে আছে, কলেজে কয়েকমাস নানুর বাসায় ছিলাম। যাতায়াত সুবিধার জন্য সেখানে থাকাকালীন আব্বু কিছু টাকা দিতেন রিকশাভাড়াবাবদ, পুরো মাসে আমি ১০০ টাকাও বেহুদা খরচ করতাম না। ছোটবেলার অভ্যাস রয়ে গিয়েছিল।
.
আম্মুর মুখে শুনেছি, নানাভাই একই ধরনের কাজ করতেন। আম্মুকে নাকি চিরকুট দিতেন সাক্ষর করে, সেটা দিয়ে স্কুলে দোকান থেকে আম্মু টিফিন খেতেন। নগদ টাকা কখনোই পেতেন না।
.
বাবা-মা’র এসব করতে বেশ বেগ পোহাতে হয়। তবুও এটা করা ছাড়া উপায় নেই
বাবা ও বড় ভাইদের কিছু দায়িত্ব
১| প্রথমত, মেয়ে বা বোনের ঘরে প্রবেশের আদবগুলো অনুসরণ করতে হবে।
বিস্তারিত
https://t.me/abidmohammad2/597
২| অনেক সময় নিজের বোনকে স্নেহবশত "ছোট" হিসাবে দেখতে থাকি এবং সে যে এখন যথেষ্ট বড় হয়েছে সেটা আমরা বুঝতে পারিনা। এমন অবস্থায় নিজের আবেগের উপরে দ্বীনের হুকুমকে রাখতে হবে। এখনকার সময়ে ১০ থেকে ১২ বছর বয়সেই মেয়েদের বয়সন্ধি শুরু হয়। এসময় থেকেই তাকে আলাদা কক্ষ দিতে হবে। সেখানে ভাই, বাবা প্রবেশের আগে অনুমতি নিবে। যখন তখন অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করবেনা।
৩| বোনেরা বড় হলে ঘরে ছেলে বন্ধুদের আনা যাবেনা। যদি গেস্টরুমে বসার ব্যবস্থা থাকে তখনই কেবল আনা যেতে পারে। মূলকথা, তার পরদার ক্ষতি যেনো না হয়। ঘরে চলাফেরায় কষ্ট যেনো না হয়। বড় ভাই হিসাবে এটা আমাদের দায়িত্ব।
৪| অনেক সময় বাসায় মেহমান আসেন। এসময় মেয়েদের চলাচলে সাময়িক অসুবিধা হয়। ভাই হিসাবে এটি লক্ষ্য রাখতে হবে। যথাসাধ্য তাদের অসুবিধা কম করার চেষ্টা করতে হবে। মেয়েদের বাবাকে এবিষয়ে আন্তরিক হতে হবে।
৫| নতুন বাসা করার সময়, অথবা যারা ভাড়া থাকে তারা বাসা নেবার সময় মেয়েদের কাপড়চোপড় শোকানোর ব্যবস্থার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। মেয়ের রুমের পাশে বেলকনি থাকলে সুবিধা হয়। পোশাকের ক্ষেত্রে মেয়েদের একটু অতিরিক্ত প্রাইভেসী লাগে। ভাই, বাবা এটা যতটুকু সম্ভব খেয়াল করবেন। পরিবারের পুরুষ সদস্য অনেক সময় এগুলো বুঝেনা। সে ক্ষেত্রে মা তাদের এটা বোঝাবেন।
৬| কোথাও বেড়াতে গেলে বড় ভাইয়ের (এবং পিতা) দায়িত্ব হলো তার বোন সেখানে পরদার পরিবেশ পাচ্ছে কিনা খোঁজ করা। বোনের কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে সেটা কিনে এনে দেয়া। অনেক আত্মীয়ের বাসায় পরদার কমতি থাকতে পারে। সম্ভব হলে, এমন বাসায় বোনকে না নিয়ে যাওয়া। গেলেও লম্বা সময় না থাকা। মাকে এবিষয়ে বিশেষ সচেতন থাকতে হবে।
৭| ঘরে মেয়ে থাকলে বাবা-ভাইকে চলাফেরায় সতর্ক হতে হয়। আমরা যারা পুরুষ তাদের জন্য বাইরে যাওয়া সহজ। মেয়েদের জন্য ঘরটাই মূল জায়গা। এখানেই তারা থাকেন। এজন্য ঘরে চলাফেরায় সতর্ক থাকা, তাদের আরামবোধ করানো। দরজা জানালায় পরদা লাগানো। বেলকনিতে বারান্দায় পাতলা জর্জেট কাপড়ের আড়াল ব্যবহার করা যেতে পারে। দূর থেকে এটার ভেতরে দেখা যায়না।
৮| কোথাও ঘুরাতে নিয়ে গেলে বাবা-ভাই মেয়েদের পেছনে থাকতে চেষ্টা করবেন। তাদের রেখে আগে হেঁটে চলে যাবেন না। মেয়েদের হাঁটার গতি ধীর, নিজেও ধীরে হাঁটতে হবে। যেহেতু তাদের অনেক সময় রাস্তা পারাপারে ভয় হয়, তাই লোক বুঝে পাশে থেকে পার করিয়ে নিন। এছাড়াও সন্ধ্যার পর একা বাসায় ফেরত পাঠাবেন না। দিনকাল ভালোনা। চেষ্টা করবেন নিজের সাথে নিয়ে আসতে।
৯| ছোট বাচ্চা মেয়েদের ছোট থেকেই হিজাব বা উড়না রাখার জন্য উৎসাহিত করুন। আপনি তো পুরুষ, আপনি জানেন এটার প্রয়োজন আছে। মেয়েদের অনেককে পুরুষের খতরনাক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা করতে পারেনা। পরিবারের বাবা-ভাই এবিষয়ে তাগিদ রাখবে। সে টিনেজে চলে এলে (বালেগ) নিকাব করানো শুরু করুন। দূরে একা পাঠাবেন না।
(স্বামী তার স্ত্রীর জন্য একই বিষয়গুলো নিজেদের মতো রক্ষা করবে।)
Repost from Brothers for Crescent
গাজায় একটি মেডিক্যাল সেন্টার খোলার জন্য অর্থ সংগ্রহ চলছে।
দান, সাদাকাহ পাঠানোর ঠিকানা:
বিকাশঃ
01924439809
নগদঃ 01875419308
(সেন্ড মানি/ ক্যাশইন)
* রেফারেন্স প্রয়োজন নেই
* কল করবেন না
* ব্যাঙ্কে টাকা পাঠাতে: @bfccontactbot মেসেজ।কখনো কখনো বান্দা প্রচুর দুআ করতে থাকে। কান্না করে, শেষ রাতে জায়নামাযকে আপন করে ফেলে।
.
দিনের পর দিন এটা চলতে থাকে কিন্তু দুআ আর কবুল হতে দেখেনা।
.
অনেক দিন পর কোনো এক মসিবতে, কোনো এক প্রয়োজনে, অনেক গুরুতর সময়ে সে হঠাৎই সাহায্য পায়।
.
কখনো বান্দার উপর আসতে থাকা বিপদ কেটে যায়। কোনো সমস্যা আসার আগেই সমাধান হয়ে যায়।
.
কখনো বাহ্যিক দিকের কোনো পরিবর্তন না হলেও অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন আসে। বান্দা বুঝতে পারেনা।
.
আল্লাহ দুআ কবুল করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুস্পষ্ট বক্তব্য আছে। বান্দা যখন হালাল কিছু চায় এবং দুআ কবুল হবার বিষয়ে তাড়াহুড়ো না করে - তখন সেই দুআ কবুল করা হয়।
.
হে আমার রব! আপনি আমাদের জন্য কল্যাণের ফয়সালা করুন।
Repost from N/a
সংকলন: চিঠি নিও নয়নতারা
ধরণ: কবিতা ও চিঠি (কল্পিত)
লেখা: মুহাম্মাদ আবিদ আজম
Repost from N/a
ফেমিনিজমের বিপরীতে নারীবিদ্বেষ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।
নানান বিষয়ে Be The Real Man, Sigma Boys, Alpha Male ইত্যাদি গ্রুপে মেয়েদের উপর ক্ষোভ ঝাড়ছে কিশোর ছেলেরা। নানান ভুল পারসেপশন তৈরি হচ্ছে।
কিশোর এক আধপরিচিত ছেলে ঐদিন বলছে, ভাই ** এর বেশি বয়সের মেয়েদের তো এই সমস্যা ঐ সমস্যা।
এগুলো সমস্যা। এইসব গ্রুপে মেয়েদের উপর আধিপত্য চালানোর প্রতি উস্কানি দেয়া হয়। অনেক ছেলের মগজ নষ্ট হচ্ছে। এরা বাস্তব জীবনে সংসার চালাতে পারবেনা। ভায়োলেন্ট হয়ে উঠতে পারে।
ফেমিনিজমের প্রতিক্রিয়ায় নতুন বিষ তৈরি হয়েছে। যদিও এই বিষ ভিন্ন নামে আগেও ছিল।
The rose is admired for its beauty, but respected for its thorns.
- Mohmand Afghan
সে যেটাতে লাথি দিচ্ছে সেটা ফুটবল না,
সেটা সারা দুনিয়া।
#GazaGenocide #PALESTINE
Repost from N/a
“ইসলাম নারীদের প্রতি অপ্রয়োজনীয় কঠোর আচরণ নিষিদ্ধ করেছে। আমরা দেখেছি, মানুষ তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাদের নারীদের ওপর নির্যাতন করে, বকাবকি করে, মারধর করে। তাদের অপমান করার মাধ্যমে নিজেরাই তাদের মুখখারাপ ও নির্লজ্জ করে তোলে। এরপর নারীদের মধ্যে বিদ্রোহ দেখা দেয় এবং তারা অবাধ্য হতে শুরু করে ও যেমন ব্যবহার পায় তেমনই প্রতিদান দেয়। তাহলে এর কারণ কে? পুরুষরা এর কারণ। কারণ তারা যদি এমন আচরণ না করত, তাহলে তাদের মধ্যে এ ধরনের বিদ্রোহ সৃষ্টি হতো না।”
[শায়খুল আরব ওয়াল আজম, সাইয়্যিদ বদিউদ্দীন শাহ রাশিদি (রহিমাহুল্লাহ), ইসলাম মেঁ আওরাত কা মাকাম, পৃ. ৪৮]
নিজের মনে রাখার জন্য অনেক কিছু লিখি এটাও ওরকম একটা লেখা
https://t.me/abidmohammad2/173
وجَعَلَ بَيْنَكُم مَوَدَّةً وَرَحْمَةً
আর আল্লাহ তোমাদের স্বামী-স্ত্রীগণের মধ্যে তৈরি করে দিয়েছেন মাওয়াদ্দাহ ও রহমাহ।
(সূরা রুম:২১)
আল্লাহ স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মাঝের ব্যাপারটাকে দুটো শব্দ দিয়ে চিত্রিত করেছেন। সেগুলো হলো: মাওয়াদ্দাহ ও রহমাহ (রহমত)।
১. মাওয়াদ্দাহ মানে হলো ক্লান্তিহীন ভালোবাসা। এখানে সময়ের সাথে ভালোবাসা (মোহাব্বাত) ক্লান্ত হয়না। চাওয়া-পাওয়ার কমতি-অমিল ভালোবাসাকে ক্লান্ত করতে পারেনা। ভালোবাসার মাঝে দেয়াল তৈরি হয়না। অনুভূতির স্রোতে স্থবিরতা আসবেনা।
২. রাহমাহ (রহমত) মানে দয়া, মায়া, সহানুভূতি, ক্ষমা, অনুগ্রহ। কষ্টে পাশে থাকা, অবহেলা না করা। দুর্বলতা (শারীরিক, আর্থিক, শিক্ষাগত, সৌন্দর্য, কর্মক্ষমতা ইত্যাদি) থাকলে সেটাকে আগলে নেয়া, সাপোর্ট করা।
আল্লাহ কথা দিচ্ছেন, স্বামী-স্ত্রীর মাঝে এদুটো অসাধারণ গুণ দিয়ে দিবেন।
তবে এর আগে ও পরে কিছু কাজ আছে যেগুলো নিশ্চিত করা হলেই আল্লাহর এই কথার আওতাধীন হওয়া যাবে।
কুরআনের অন্যান্য আয়াত ও আল্লাহর রাসূলের ﷺ হাদীসগুলোতে সেই কাজগুলো বলা হয়েছে।
১০. ঘরে প্রবেশের অনুমতি নেবার জন্য সোজা দরজার সামনে দাঁড়ানো যাবেনা। এতে ভেতরে নজর চলেই যায়। তখন আর পরদা রক্ষা হয়না।
১১. পুরুষ মেহমান শুধুমাত্র গেস্টরুম ছাড়া অন্য দিকে যাবেনা। নারী মেহমান ঘরের সব রুমে যাবেনা। বরং তাকে যেখানে বসানো হয়েছে সেখানে থাকবে। অনেকের বদঅভ্যাস হলো, ঘুরে ঘুরে প্রতিটি রুম দেখতে থাকে। অত্যন্ত নিকট আত্মীয় না হলে এমন করা ঠিকনা। এতে মেজবান বিব্রত হয়।
১২. ৭ বছরের বড় ছেলে সাথে নিয়ে মহিলাদের অন্দরমহলে প্রবেশ করা যাবেনা। বিশেষত, ১০ বছর হলে কঠোর হতে হবে।
ঘরে প্রবেশের আদব ও শিষ্টাচার
১. ঘরে প্রবেশের পূর্বে দূর থেকে আওয়াজ করে সালাম দিবে। এরপর আরেকটু নিকটে এসে পুরুষরা উচ্চস্বরে এবং নারীরা নিম্নস্বরে ভেতরে আসার অনুমতি চাইবে। ঘরের ভেতর থেকে অনুমতি না আসা পর্যন্ত প্রবেশ করবেনা।
২. একই ঘরের বিভিন্ন কক্ষে যাতায়াতের সময়েও অনুমতি নিতে হবে। হুটহাট অপরের রুমে যখন তখন প্রবেশ করা যাবেনা। বিশেষত ছেলেরা নিজের বোনের রুমে ঢোকার আগে দূর থেকে সালাম দিবে এবং অনুমতি চাইবে। আমাদের বোনেরা রুমে যথেষ্ট সতর্ক থাকবেন।
৩. পিতামাতার কক্ষে যখন তখন হুট করে ঢুকা যাবেনা। তারাও স্বামী-স্ত্রী, তাদের নিজস্ব সময় আছে। দূর থেকে শব্দ করে সালাম ও অনুমতি শেষে রুমে যাবে।
৪. ঘরে গাইরে মাহরাম থাকলে সেই রুমে যাওয়া যাবেনা। মেহমান থাকলে অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে।
৫. বাবা-মা নিজের বালেগ (প্রাপ্তবয়স্ক) ছেলে মেয়েদের রুমে প্রবেশের আগে সালাম ও অনুমতি নিবেন। বালেগ ব্যক্তির সতর দেখে ফেলা গোনাহ। তাই সতর্ক থাকবেন। তারা আপনার সন্তান হলেও তাদের লজ্জা আছে, ইজ্জতবোধ আছে।
৬. বিশেষ করে বিবাহিত ছেলের রুমে যখন তখন ঢোকা যাবেনা। আপনার পুত্রবধু ও পুত্র স্বামী-স্ত্রী, তাদের নিজস্ব সময় আছে। দম্পতির কক্ষে প্রবেশের আগে অবশ্যই শব্দ করে অনুমতি নিতে হবে। তারা অনুমতি দেবার আগে প্রবেশ করা যাবেনা।
৭. ছোটবেলা থেকে বাচ্চাদের অভ্যাস করতে হবে তারা যেনো অন্যের রুমে এবং বাসায় ঢোকার আগে সালাম ও অনুমতি নিয়ে নেয়। ছোট থেকে প্রাইভেসি শেখাতে হবে।
৮. মেহমান হিসাবে কোথাও বেড়াতে গেলে আপনার জন্য মেজবান (যার ঘরে আপনি গিয়েছেন) যে কক্ষ বরাদ্দ করেছে সেখানে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। এই কক্ষ ঐ কক্ষে যাতায়াত করে মেজবানকে বিব্রত করা যাবেনা।
৯. বিয়ের পর বাপের বাড়ি মেয়েদের জন্য নিজের বাড়ি নয়। বাস্তবতা মেনে চলতে হবে। ভাইদের কক্ষে আসার আগে ভাই-ভাবীর অনুমতি নিতে হবে। নিজের জন্য বরাদ্দ করা কক্ষের বাইরে যখন তখন চলাচল করা যাবেনা।
চলবে............ /:
আমাদের দৈনন্দিন জীবনের চলাফেরা, উঠাবসা, কথাবার্তা, কাজকর্মে কিভাবে আদব ও শিষ্টাচার রক্ষা করতে হবে — এই বিষয়ের উপর কোনো বই পড়া হয়েছে?
তাওবার আদাব
১. গুনাহ হয়ে গেলে সাথে সাথে তাওবা করে ফেলবে। তাওবার আগে তিনটি করণীয় আছে—
ক. গুনাহটা সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করবে।
খ. কৃতকর্মের কারণে অন্তরে গভীর অনুতাপ, অনুশোচনা জাগিয়ে তুলবে।
গ. ভবিষ্যতে আর কখনো গুনাহটা করব না, এই মর্মে অবিচল সংকল্প করবে।
উল্লেখ্য: গুনাহটা যদি হুকুকুল্লাহ সম্পর্কিত হয়, উপরোক্ত তিনটি কাজের পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় খেয়াল রাখবে। অতীতে যদি ফরজ-ওয়াজিব পড়ে থাকে, সেগুলো আদায় করার সাথে সাথে হবে। অতীত জীবনে নামাজ, রোজা, যাকাত, হজ, কুরবানি, কাফফারা ইত্যাদি বাকি থাকলে, সেগুলো কাযা আদায় করা শুরু করে দিবে।
উল্লেখ্য: গুনাহটা যদি বান্দার হক সম্পর্কিত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে মাফ চেয়ে নিবে। লেনদেন সম্পর্কিত হলে, আদায় করে দিবে। গীবত, ঠাট্টা-বিদ্রূপ, অবজ্ঞামূলক আচরণ করলে, মৌখিক মাফ চেয়ে নিবে।
২. তাওবা করতে মোটেও বিলম্ব করবে না। গুনাহ করার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাওবা করে আল্লাহর কাছ থেকে গুনাহ মাফ করিয়ে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
৩. তাওবা করাকে অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। রাতে শোয়ার আগে সারাদিনের কৃতকর্মের জন্য তাওবা করে নিবে। সারাদিনের গুনাহের কথা হিসাব করে নেকআমল করে নিবে।
৪. তাওবার পর নিজের চালচলন বদলে ফেলবে। অতীতের পাপগুলোকে বর্তমানের ইবাদত-বন্দেগী দিয়ে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করবে।
৫. কোনো ব্যক্তি অতীতের গুনাহ থেকে তাওবা করলে, তাকে অতীত নিয়ে খোঁচা দিবে না।
৬. তাওবাকারী খেয়াল রাখবে, গুনাহটা যদি লোকজনের জানা না থাকে, তাহলে সেটা মানুষের কাছে না বলা, শুধু আল্লাহর কাছেই গুনাহের স্বীকারোক্তি দেয়া। যে গুনাহ আল্লাহ গোপন রেখেছেন, বান্দার সেটাকে ফাঁস করা উচিত নয়।
৭. তাওবা করার পর আবার গুনাহ হয়ে গেলে, আবার তাওবা করে নিবে। যতবার গুনাহ হবে, ততবারই তাওবা করবে। তাওবা করতে পিছুপা হবে না।
৮. তাওবা করে কী হবে, গুনাহ তো আবার হবে—এই ভেবে তাওবা পিছিয়ে দিবে না। এখন গুনাহ করেনি, পরে একসাথে তাওবা করে নিব—এমন বিপদজনক চিন্তা মোটেও মাথায় স্থান দিবে না।
৯. আমার এত গুনাহ, তাওবা করলেও আল্লাহ মাফ করবেন না, ঘুনাক্ষরেও এমন কুফরি চিন্তাকে প্রশ্রয় দিবে না। আমি যত গুনাহই করি, আল্লাহ তাআলার ক্ষমার পরিধিকে সেটা ছাড়িয়ে যেতে পারবে না। এখন, এই মুহূর্তে তাওবা করব—আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি।
বই: আখলাক শিষ্টাচার
লেখক: শায়খ মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
একজন দ্বীন মানার চেষ্টা করতেছে মানে এটা না, সে একদিন সকালে উঠে সব বদকাজ ছেড়ে ফেরেশতা হয়ে যাবে।
এভাবে হয়না, মানুষের পরিবর্তন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটা ধীর ও ধারাবাহিক ব্যাপার। সে ধীরে ধীরে নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করে।
হ্যাঁ, কিছু হারাম বিষয় থাকে যেগুলোকে সে একদম "না" এর ভেতর ফেলে দেয় তবে এরকম অনেক কিছুও থাকে যেগুলো পরিবর্তন করতে কখনো মাস, কখনো বছর লেগে যায়।
কখনো দেখা যায় নতুন কোনো সমস্যা সামনে এসেছে। আবার পরিবর্তনের প্রয়োজন আসে।
এভাবেই একজন মানুষ তার ঈমানী আপ-ডাউন ফেস করে। তার দ্বীন মানার কম-বেশ হয়।
ইস্তেগফার, অনুতাপ, তাওবা, আবার ইস্তেগফার, আবার অনুতাপ, আবার তাওবা — ঈমানের নবায়নের পথ। এই পথকে সবসময় আঁকড়ে ধরে রাখতে হয়।
এখানে একজন বান্দার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু পয়েন্ট আছে।
১. গোনাহকে সে গোনাহ হিসাবে স্বীকার করে এবং এর জন্য তার ভেতর অনুতাপ আসে।
২. সে রবের ফরজ বিধানগুলোর বিষয়ে অবহেলা করা শুরু করেনা। বিশেষত, সালাত হচ্ছে ফিরে আসার জন্য একটা শক্ত হাতিয়ার।
৩. সে শয়তানের ফাঁদে আটকে না পরে বরং তাওবাহ ও অন্যান্য নেককাজ করতে থাকে।
রাসূলুল্লাহর পর পৃথিবীতে কোনো মানুষ আসেননি যার কোনো গোনাহ নাই।
𝗭𝘂𝗺𝘀𝗼 𝗔𝗺𝗮𝗶𝗲𝘃, 𝘁𝗵𝗲 𝗹𝗲𝗴𝗲𝗻𝗱𝗮𝗿𝘆 𝗖𝗵𝗲𝗰𝗵𝗲𝗻 𝗠𝘂𝗷𝗮𝗵𝗶𝗱, 𝘄𝗮𝘀 𝗮𝘀𝘀𝗮𝘀𝘀𝗶𝗻𝗮𝘁𝗲𝗱 𝗲𝗮𝗿𝗹𝗶𝗲𝗿 𝘁𝗼𝗱𝗮𝘆 𝗶𝗻 𝗨𝗸𝗿𝗮𝗶𝗻𝗲.
He fought Russia in both Chechen wars, later fought alongside Syrians against Russian forces and then went to Ukraine to fight the Russian invasion.
May Allah have mercy on his soul.
নবীজির (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর চাচা আবু তালিব এর প্রকৃত নাম কি ছিল?
