ar
Feedback
Mohammad Abid Azam

Mohammad Abid Azam

الذهاب إلى القناة على Telegram

লোক || ডায়েরি || অতিসাধারণ .

إظهار المزيد
لم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
656
المشتركون
+224 ساعات
+167 أيام
+14530 أيام
عدد المنشورات

جاري تحميل البيانات...

التفاعلات
التعليقات
نجوم تيليجرام
أفضل المنشورات حسب

جاري تحميل البيانات...

تحليل النشر
المشاركات
ديناميات المشاهدات
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি মানুষকে সৎকাজে আহ্বান করে সে তাদের সৎকাজের সওয়াব লাভ করবে। এতে সৎকাজ করা লোকদের সওয়াবের ভাগ কম হবেনা। যে ব্যক্তি মানুষকে অসৎকাজে আহ্বান করে সে তাদের অসৎকাজের গোনাহ লাভ করবে। এতে অসৎকাজ করা লোকদের গোনাহের ভাগ কম হবেনা। বই: ফাযায়েলে আমাল পৃ. ১২ সংকলক: শায়খ আব্দুল হামীদ আল ফাইযী
156208سجّل الدخول لعرض التحليلات
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে মুমিন অন্য মুমিনের কোনো দুঃখ কষ্ট দূর করবে আল্লাহ তার কোনো দুঃখ কষ্ট দূর করে দিবেন। যে মুসলিম অন্য মুসলিমের দোষ গোপন করবে আল্লাহ তার দোষ গোপন রাখবেন। যে ঋণগ্রস্থকে ছাড় দিবে আল্লাহ তাকে ছাড় দিবেন। বই: ফাযায়েলে আমাল পৃ. ৮ সংকলক: শায়খ আব্দুল হামীদ আল ফাইযী
178204سجّل الدخول لعرض التحليلات
(শর্টনোট) বই: ইস্তেগফার (Al Istighfaar) লেখা: ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ রহ. ● রাসূলুল্লাহ ﷺ উম্মতের কাছে এমন একটি ইস্তেগফারের সন্ধান রেখে গিয়েছেন যা দিনে ও রাতে পাঠ করলে ঐ দিন অথবা রাতে মৃত্যু হলে আল্লাহ তাকে মাফ করে দিবেন। এটি সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার নামে পরিচিত। (দ্রষ্টব্য: সহিহ বুখারী ৬৩০৬) ● এরপর ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ রহ. বলেছেন, বান্দা হয় আল্লাহর রহমতে আচ্ছাদিত থাকেন অথবা গোনাহে লিপ্ত থাকেন। তাই রহমতের জন্য শুকরিয়া অথবা গোনাহের জন্য ইস্তেগফার করা দরকার। অর্থাৎ, সর্বাবস্থায় বান্দাকে শুকরিয়া ও ইস্তেগফারের মাঝে থাকতে হবে। ● এরপর কুরআনুল কারীমের অনেকগুলো আয়াত ও রাসূলুল্লাহর ﷺ হাদিস উল্লেখ করেছেন। যেখানে মুমিনের জন্য ইস্তেগফারের গুরুত্ব ও ফজিলত আলোচনা করেছেন। ● নিষ্পাপ হওয়া স্বত্তেও আল্লাহ রাসূল মুহাম্মাদ ﷺ দৈনিক ইস্তেগফার করতেন। ● সালাফদের আমলে দেখা যায়, তারা শেষ রাতে তাহাজ্জুদের পাশাপাশি ইস্তেগফারের আমল করতেন। ● প্রতিটি কাজের পরে রাসূলুল্লাহ ﷺ ইস্তেগফার করতেন। বিশেষত, হাদিসে বাহনে আরোহণ করার পর রাসূলুল্লাহর ﷺ ইস্তেগফারের বর্ণনা এসেছে। ● শয়তান বলেছে, আমি মানুষকে গোনাহ দ্বারা ধ্বংস করি আর মানুষ আমাকে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও ইস্তেগফার দ্বারা ধ্বংস করে। (দ্রষ্টব্য: কিতাবুদ্ব দোয়া; তাবারানি) "ইস্তেগফার" বইটি মূলত ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ রহ. এর বিখ্যাত কর্ম মাজমাউল মাজমুউল ফাতাওয়া এর ইস্তেগফার সংক্রান্ত অংশের একটি স্বতন্ত্র সংকলন যা ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত বই Al Istighfaar (Asking Forgiveness) এর অনুবাদ। #bookbytesbyabid
198303سجّل الدخول لعرض التحليلات
ইমাম ইবনে তাইমিয়্যা রাহি. বলেন, বান্দা সবসময় আল্লাহর রহমতে আচ্ছাদিত থাকে অথবা গোনাহে লিপ্ত থাকে। ফলে, তার উচিত হলো রহমতের জন্য শুকরিয়া আদায় করা অথবা গোনাহের জন্য ইস্তেগফার করা। এজন্য বান্দার জন্য শুকরিয়া আদায় অথবা ইস্তেগফার করা উভয়ই দরকার। বই: ইস্তেগফার (মূল: Al Istighfaar)
179206سجّل الدخول لعرض التحليلات
আশরাফ আলী থানভী রহ., যাকারিয়া কান্ধলভী রহ. যুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী রহ., আনিসুর রহমান আশরাফী হাফি., উমায়ের কোববাদী নকশবন্দী হাফি., মুস্তাকুন্নবী কাসেমী হাফি., আবদুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ হাফি. এনাদের লেখা, বয়ানের প্রতি ঋণী। নফসের উপর লাগাম লাগানোর জন্য নিরবে নিবৃত্তে এনাদের লেখা আর বয়ান আমারে খুউব সাহায্য করেছে। ভাইদের কারো যদি মনে হয়, নিজের আত্মশুদ্ধির প্রয়োজন - এই মানুষগুলোর লেখা, বয়ান বেশ কাজে দিবে। আরো অনেকেই আছেন, আমি এনাদেরগুলো বেশি শুনি। আরেকজন আছেন, আমাদের এক বড় ভাই। আল্লাহ এই মানুষগুলোর উপর দয়া ও অনুগ্রহ বর্ষণ করুন।
1000سجّل الدخول لعرض التحليلات
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ইলমের মর্যাদা ইবাদাতের থেকে উচ্চতর। শ্রেষ্ঠ দ্বীন হলো পরহেজগারী। ব্যাখা: পরহেজগারী মানে হলো বেঁচে থাকা। গোনাহ ও অপছন্দনীয় কাজ থেকে বেঁচে থাকাই হলো পরহেজগারী। বই: ফাযায়েলে আমাল পৃ. ৮ সংকলক: শায়খ আব্দুল হামীদ আল ফাইযী
204103سجّل الدخول لعرض التحليلات
রিযিকের জন্য (কর্মসংস্থান/চাকরি/ব্যবসা) আমল: ● কবিরা গুনাহ ত্যাগ করা। ● বিগত সব গুনাহ থেকে তাওবা করা। ● প্রতিদিন ইস্তেগফার করা। ● পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতে আদায় করা। ● সর্বদা ওযুর সাথে থাকা ও মুখে যিকির রাখা। ● প্রতিদিন কুরআনুল কারীম তেলাওয়াত করা। ● নজরের হেফাজত করা, মুখের হেফাজত করা, লজ্জাস্থানের হেফাজত করা। ● শেষ রাত্রিতে তাহাজ্জুদের পর রিযিকের জন্য দুআ করা। ● আব্বা-আম্মার সেবা করা, তাদের কথা শোনা। ● সময় নষ্ট না করা। হয় কাজের চেষ্টা করা, পড়াশুনা করা নতুবা আমল করা। ● সবর করা, আল্লাহ সবার জন্য রিযিক রেখেছেন। ● নফল রোযা রাখা ও সামর্থ্য অনুসারে সদকা করা (৫ টাকাও সদকা) এবং মানুষের সাথে উত্তম আচরণ করা। ● আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক রাখা, অপরের জন্য দোয়া করা। দ্রষ্টব্য: সুরা ত্বলাক (২,৩); সুরা নূহ (১০,১১,১২); আবু দাউদ (১৫২০); বাইহাকী (৬৩৬); বুখারী (৫৯৮৩); তিরমিযী (২৬৪৫); সুরা সাবা (৩৯); বুখারী (২৮৯৬); ইবনে মাযাহ (৪১০৭); সুরা মু'মিন (৬০); আহমাদ (৬৫৭২) লেখাটি মূলত শায়খ আলী হাসান তৈয়বের ছোট্ট প্রবন্ধের মূলকথা থেকে শর্টনোট করেছি। এই প্রবন্ধের নজরে সানী (সম্পাদনা) করেছেন শায়খ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া সাহেব।
1 0423808سجّل الدخول لعرض التحليلات
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল্লাহ যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। বই: ফাযায়েলে আমাল পৃ. ৮ সংকলক: শায়খ আব্দুল হামীদ আল ফাইযী
215307سجّل الدخول لعرض التحليلات
মাওলানা সাহেব ছাত্রদের বলছেন, নামাজের খুশু-খুযু বাড়ানোর একটি উপায় হচ্ছে নতুন সূরা তিলাওয়াত করা। আমাদের সবারই কয়েকটা সূরা বেশি পড়া হয়। নামাজে বারবার এগুলো পড়ার ফলে মুখ দিতে অটোমেটিক আসতে থাকে। এজন্য নতুন সূরা পড়তে গেলে তখন মনোযোগ দিয়ে পড়তে হয়। .
2514010سجّل الدخول لعرض التحليلات
সেপ্টেম্বর মাসে শেয়ার করা কিছু লেখা যেগুলো থেকে উপকৃত হতে পারবেন (ইন শা আল্লাহ) ১ https://t.me/abidmohammad2/528 ২ https://t.me/abidmohammad2/532 ৩ https://t.me/abidmohammad2/539 ৪ https://t.me/abidmohammad2/544 ৫ https://t.me/abidmohammad2/554 ৬ https://t.me/abidmohammad2/557 ৭ https://t.me/abidmohammad2/560 ৮ https://t.me/abidmohammad2/571 ৯ https://t.me/abidmohammad2/572 ১০ https://t.me/abidmohammad2/574 ১১ https://t.me/abidmohammad2/575 ১২ https://t.me/abidmohammad2/578 ১৩ https://t.me/abidmohammad2/579 ১৪ https://t.me/abidmohammad2/581 ১৫ https://t.me/abidmohammad2/587 ১৬ https://t.me/abidmohammad2/594 ১৭ https://t.me/abidmohammad2/595 ১৮ https://t.me/abidmohammad2/597 ১৯ https://t.me/abidmohammad2/599 ২০ https://t.me/abidmohammad2/608 ২১ https://t.me/abidmohammad2/611 ২২ https://t.me/abidmohammad2/612 ২৩ https://t.me/abidmohammad2/615 ২৪ https://t.me/abidmohammad2/616 @abidmohammad2
251503سجّل الدخول لعرض التحليلات
একদিন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, তোমরা গোপন শিরক থেকে সাবধান হও! উপস্থিত সাহাবীরা জানতে চাইলেন, হে আল্লাহর রাসূল! গোপন শিরক কি? রাসূলুল্লাহ ﷺ উত্তর দিলেন, মানুষ নামাযরত অবস্থায় তার নামাযকে সুন্দরভাবে আদায় করতে থাকে কারণ অন্যকেউ তাকে দেখছে। এটি হলো গোপন শিরক। ব্যাখা: ইবাদাতের মাঝে মানুষকে শরিক করা হলো। তাই এটি শিরক, গোপন শিরক। বই: ফাযায়েলে আমাল পৃ. ৬ সংকলক: শায়খ আব্দুল হামীদ আল ফাইযী
211305سجّل الدخول لعرض التحليلات
আবু দারদা রাযি. বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, দুনিয়া ও দুনিয়ার ভেতর থাকা সমস্ত কিছু অভিশপ্ত শুধুমাত্র ঐ আমল ব্যতীত যা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা হয়। বই: ফাযায়েলে আমাল পৃ. ৫ সংকলক: শায়খ আব্দুল হামীদ আল ফাইযী
252209سجّل الدخول لعرض التحليلات
মানুষের সাথে খাবার খাওয়ার সময় করণীয় — . ১৷ প্রথমত, খাবার পাওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো না করা। মেজবানকে খাবার পরিবেশনের সময় দেয়া। বিয়ে ও অন্যান্য অনুষ্ঠানে এধরনের ধৈর্য্য আজকাল দেখা যায়না। পরিবেশনকারীর উপর অনেকে রেগে যান। . ২৷ খাবার পরিবেশনের সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার নিজের পাত্রে (প্লেট/থালা) না নেয়া। এটি দেখতেও খারাপ লাগে আর পরে অপচয় হবার সম্ভবনা থাকে। যতটুকু লাগবে ততটুকু নিবে। প্রয়োজনে পরে আবার চেয়ে নিবে। . ৩| হাপুসহুপুস করে খাবেনা। অর্থাত, অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো করে খাবেনা। অন্যদের খাবার সুযোগ দিবে। হাদিসে এসেছে – . রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাথীর অনুমতি ছাড়া একসাথে দুটি করে খেজুর মুখে দিতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম) . ৪৷ কাজ ও আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়ে যাবার পর বিনাদরকারে সেখানে অতিরিক্ত সময় অবস্থান করবে না। হাদিসে এসেছে – . মেহমানের জন্য মেজবানের নিকটে এতো সময় থাকা বৈধ নয় যে মেজবান বিরক্ত হয়ে যান। (বুখারী ও মুসলিম) . ৫৷ মজলিশে খাবার সময় নিজের খাওয়া শেষ হয়ে গেলে অন্যদের প্রতি খেয়াল রেখে হাত না সরিয়ে ফেলা। এতে অনেকে লজ্জাবশত দ্রুত খাওয়া শেষ করে ফেলেন। হাদিসে এসেছে – . মানুষের সাথে খাওয়ার সময় নিজের শেষ হয়ে গেলেও হাত গুটিয়ে নিবেনা। কারণ এতে অন্যরা লজ্জা পেয়ে হাত গুটিয়ে নিবে অথচ তাদের হয়তো আরো খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। (ইবনে মাজাহ) . ৬৷ খাবার শেষে হাত ধোঁয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকবে। অনেকের অভ্যাস হলো তারা খাবারের পাত্রে হাত ধুঁয়ে ফেলেন। বরং নির্ধারিত স্থানে হাত ধুঁতে হবে। . ৭৷ ময়লা রাখার জন্য আলাদা পাত্র থাকা স্বত্তেও দসতরখান নোংরা করা যাবেনা। . ৮৷ খাবারের সময় সাধারণ কথা বলা যায়। তবে খাবারের মজলিশকে এমন আড্ডার মজলিশে পরিণত করা যাবেনা যে অন্যদের অসুবিধা হয়। . ১০৷ খাবার খাওয়ার পর মেজবানের দোষ, খাবারের দোষ, পরিবেশনকারীর দোষ বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। মেজবানের কাছে শুকরিয়া জানানো উত্তম। .
261409سجّل الدخول لعرض التحليلات
আমাদের সমাজে ছেলেদের প্রাইভেসীর কোনো বালাই নাই। একেতো বাঙালী সমাজে প্রাইভেসী জিনিসটাই উপেক্ষিত। যে যখন তখন যার তার রুমে চলে আসছে। যার তার ফোন ধরছে। যার তার ব্যক্তিগত সীমা ভেঙে দিচ্ছে। তারপর ব্যক্তি যদি হয় ছেলে, তাও অবিবাহিত, তখন তো কথাই নেই। মা বোন যখন তখন চলে আসতেছে রুমে। আচ্ছা এখন এতটুকু শুনে তো অনেকে বলবে, ছেলে মানুষের রুমে হঠাত চলে আসলে সমস্যা কি? সত্যিই? ঘুমের সময় বা সকালে ছেলেদের রুমে চলে আসাটা বিব্রতকর। টিনেজ তো ফেলে চলে এসেছি কবেই, তবুও এটা এখনো বিরক্তিকর লাগে। তখন বাসায় আত্মীয় থাকলে এই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতো। অন্তত কপাল ভালো ছিল। আম্মা আর বোনদের বুদ্ধিশুদ্ধি ছিলো। আমার এক কাজিন (বেচারা) একবার এই বিষয়ে কষ্ট শেয়ার করেছিলো। বেচারা বড় হয়েছে, তার মা এটা বুঝেই না। রাত নাই সবার নাই ধুম করে দরজা খুলে রুমে চলে আসছেন। সে তখন হয়তো ঘুমাচ্ছে। আবার দরজা বন্ধ করার উপায় নেই। আন্টি নাকি রাগ করে। জিনিসগুলো এমন যে বর্ণনাও করা যাচ্ছেনা। সোজা কথা, ছেলেদেরও বিব্রত লাগে। হুটহাট রুমে ঢোকার আগে নক করুন, সালাম দিন, পারমিশন নিন। আর আমাদের বাঙালী বাবা-মা’র তো সেন্স মাশাআল্লাহ! ছেলে অসময়ে গোসল করেছে, তিনি কোথায় বুঝে চুপচাপ চলে যাবেন। তা-না, একদম মুখের উপর প্রশ্ন। কিরে তুই এখন গোসল করছিস কেনো? আরেহ! আপনি জানেন না কেনো করতে পারে? প্রশ্ন করছেন কেন! ঘরে ছেলে থাকলে একটু ওদের মতো থাকতে দিন। অন্তত ওর রুমে যখন তখন প্রবেশ করবেননা। আর বোকার মতো এসব বিব্রতকর প্রশ্ন করবেন না।
3001014سجّل الدخول لعرض التحليلات
The High Conflict Couple https://t.me/mohammadabidazam/643
308000سجّل الدخول لعرض التحليلات
হযরত আশরাফ আলী থানভী রহ. এর মজলিশে একবার এক গ্রাম্য লোক এসেছিলেন। ঐ লোক হযরতকে কিছু কথা বলার সময় অসুন্দর কিছু শব্দ বলে ফেলে। তখন মজলিশে উপস্থিত একজন ঐ লোককে সতর্ক করেন। আশরাফ আলী রহ. তখন ঐ সতর্ককারী লোককে বলেন, তাকে তার কথা বলতে দাও। আমার মজলিশকে ফেরাউনের মজলিশ বানিওনা। সে যদি বেআদবী করে, আমার মুখ আছে, আমি চাইলে বাধা দিব। এরপর ঐ লোককে বললেন, তুমি স্বাধীনভাবে তোমার কথা বলো। বই: আদাবুল মুআশারাত পৃ. ২৩ লেখক: হযরত আশরাফ আলী থানভী রহ.
325104سجّل الدخول لعرض التحليلات
বাচ্চাদের হাতে টাকা না দেওয়া হাইস্কুলে উঠার আগ পর্যন্ত বাইরের খাবার কখনোই ঐভাবে খাইনি। ফলে বাসা থেকে কোনও টাকাই পাইনি। নগদ টাকা চোখে দেখতাম কিন্তু হাতে ধরার সুযোগ হতোনা। . এরপর হাইস্কুলে উঠে নিজেকে মস্ত বড় ভেবে বসলাম। সকালে কোচিং শেষে আধা ঘন্টার মাঝে স্কুল, আব্বু এবার নিশ্চয় খাবারের জন্য টাকা দিবেন। . লাভ হলোনা। আব্বু হোটেলে বলে রাখলেন, প্রতিদিন খাবার খাই। স্কুলে যাই, আসি। টিফিনেও একই অবস্থা। নগদ টাকা ধরার সুযোগ নেই। . ঈদে-উপলক্ষে সালামী পেতাম। একহাতে সালামী আসতো, অন্য হাতে সেটা আম্মুর কাছে। ঐ টাকা আর পাইনি কখনো। আবদার করলে জিনিস কিনে দিতো কিন্তু টাকা দিতোনা। . কলেজে উঠে যাবার পরেও আমার চুল কাটার জন্য পর্যন্ত টাকা দিতেননা আব্বু! নাপিতের দোকানে নিয়ে গিয়ে বসিয়ে দিতেন। . আমি স্বাধীনভাবে হাতে টাকা পেতে শুরু করেছি ভার্সিটিতে ওঠে আর ততদিনে আমার বুঝ চলে এসেছে। ফলে টাকা পেয়ে সেটা খিয়ানত আর করা হয়না। . এটাকে কি ধরনের প্যারেন্টিং বলে জানিনা, শুধু জানি এটা সঠিক কাজ ছিল। . বাচ্চাদের হাতে টাকা দিলে নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকে। আমার এক ছাত্র ছিল (টিউশন) বাসা থেকে কেঁদে-কেটে টাকা নিতো। গোল্লায় গিয়েছে। কাজিনদের যে কজন ছোট থেকে নগদ টাকা হাতে পেয়েছে অধিকাংশই অন্যদের মতো হতে পারেনি। একেবারে বখে না গেলেও অন্যদের থেকে অবস্থা খারাপ। . মনে আছে, কলেজে কয়েকমাস নানুর বাসায় ছিলাম। যাতায়াত সুবিধার জন্য সেখানে থাকাকালীন আব্বু কিছু টাকা দিতেন রিকশাভাড়াবাবদ, পুরো মাসে আমি ১০০ টাকাও বেহুদা খরচ করতাম না। ছোটবেলার অভ্যাস রয়ে গিয়েছিল। . আম্মুর মুখে শুনেছি, নানাভাই একই ধরনের কাজ করতেন। আম্মুকে নাকি চিরকুট দিতেন সাক্ষর করে, সেটা দিয়ে স্কুলে দোকান থেকে আম্মু টিফিন খেতেন। নগদ টাকা কখনোই পেতেন না। . বাবা-মা’র এসব করতে বেশ বেগ পোহাতে হয়। তবুও এটা করা ছাড়া উপায় নেই
326409سجّل الدخول لعرض التحليلات
বাবা ও বড় ভাইদের কিছু দায়িত্ব ১| প্রথমত, মেয়ে বা বোনের ঘরে প্রবেশের আদবগুলো অনুসরণ করতে হবে। বিস্তারিত https://t.me/abidmohammad2/597 ২| অনেক সময় নিজের বোনকে স্নেহবশত "ছোট" হিসাবে দেখতে থাকি এবং সে যে এখন যথেষ্ট বড় হয়েছে সেটা আমরা বুঝতে পারিনা। এমন অবস্থায় নিজের আবেগের উপরে দ্বীনের হুকুমকে রাখতে হবে। এখনকার সময়ে ১০ থেকে ১২ বছর বয়সেই মেয়েদের বয়সন্ধি শুরু হয়। এসময় থেকেই তাকে আলাদা কক্ষ দিতে হবে। সেখানে ভাই, বাবা প্রবেশের আগে অনুমতি নিবে। যখন তখন অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করবেনা। ৩| বোনেরা বড় হলে ঘরে ছেলে বন্ধুদের আনা যাবেনা। যদি গেস্টরুমে বসার ব্যবস্থা থাকে তখনই কেবল আনা যেতে পারে। মূলকথা, তার পরদার ক্ষতি যেনো না হয়। ঘরে চলাফেরায় কষ্ট যেনো না হয়। বড় ভাই হিসাবে এটা আমাদের দায়িত্ব। ৪| অনেক সময় বাসায় মেহমান আসেন। এসময় মেয়েদের চলাচলে সাময়িক অসুবিধা হয়। ভাই হিসাবে এটি লক্ষ্য রাখতে হবে। যথাসাধ্য তাদের অসুবিধা কম করার চেষ্টা করতে হবে। মেয়েদের বাবাকে এবিষয়ে আন্তরিক হতে হবে। ৫| নতুন বাসা করার সময়, অথবা যারা ভাড়া থাকে তারা বাসা নেবার সময় মেয়েদের কাপড়চোপড় শোকানোর ব্যবস্থার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। মেয়ের রুমের পাশে বেলকনি থাকলে সুবিধা হয়। পোশাকের ক্ষেত্রে মেয়েদের একটু অতিরিক্ত প্রাইভেসী লাগে। ভাই, বাবা এটা যতটুকু সম্ভব খেয়াল করবেন। পরিবারের পুরুষ সদস্য অনেক সময় এগুলো বুঝেনা। সে ক্ষেত্রে মা তাদের এটা বোঝাবেন। ৬| কোথাও বেড়াতে গেলে বড় ভাইয়ের (এবং পিতা) দায়িত্ব হলো তার বোন সেখানে পরদার পরিবেশ পাচ্ছে কিনা খোঁজ করা। বোনের কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে সেটা কিনে এনে দেয়া। অনেক আত্মীয়ের বাসায় পরদার কমতি থাকতে পারে। সম্ভব হলে, এমন বাসায় বোনকে না নিয়ে যাওয়া। গেলেও লম্বা সময় না থাকা। মাকে এবিষয়ে বিশেষ সচেতন থাকতে হবে। ৭| ঘরে মেয়ে থাকলে বাবা-ভাইকে চলাফেরায় সতর্ক হতে হয়। আমরা যারা পুরুষ তাদের জন্য বাইরে যাওয়া সহজ। মেয়েদের জন্য ঘরটাই মূল জায়গা। এখানেই তারা থাকেন। এজন্য ঘরে চলাফেরায় সতর্ক থাকা, তাদের আরামবোধ করানো। দরজা জানালায় পরদা লাগানো। বেলকনিতে বারান্দায় পাতলা জর্জেট কাপড়ের আড়াল ব্যবহার করা যেতে পারে। দূর থেকে এটার ভেতরে দেখা যায়না। ৮| কোথাও ঘুরাতে নিয়ে গেলে বাবা-ভাই মেয়েদের পেছনে থাকতে চেষ্টা করবেন। তাদের রেখে আগে হেঁটে চলে যাবেন না। মেয়েদের হাঁটার গতি ধীর, নিজেও ধীরে হাঁটতে হবে। যেহেতু তাদের অনেক সময় রাস্তা পারাপারে ভয় হয়, তাই লোক বুঝে পাশে থেকে পার করিয়ে নিন। এছাড়াও সন্ধ্যার পর একা বাসায় ফেরত পাঠাবেন না। দিনকাল ভালোনা। চেষ্টা করবেন নিজের সাথে নিয়ে আসতে। ৯| ছোট বাচ্চা মেয়েদের ছোট থেকেই হিজাব বা উড়না রাখার জন্য উৎসাহিত করুন। আপনি তো পুরুষ, আপনি জানেন এটার প্রয়োজন আছে। মেয়েদের অনেককে পুরুষের খতরনাক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা করতে পারেনা। পরিবারের বাবা-ভাই এবিষয়ে তাগিদ রাখবে। সে টিনেজে চলে এলে (বালেগ) নিকাব করানো শুরু করুন। দূরে একা পাঠাবেন না। (স্বামী তার স্ত্রীর জন্য একই বিষয়গুলো নিজেদের মতো রক্ষা করবে।)
1 1151804سجّل الدخول لعرض التحليلات
গাজায় একটি মেডিক্যাল সেন্টার খোলার জন্য অর্থ সংগ্রহ চলছে। দান, সাদাকাহ পাঠানোর ঠিকানা: বিকাশঃ 01924439809 নগদঃ 01875419308 (সেন্ড মানি/ ক্যাশইন) * রেফারেন্স প্রয়োজন নেই * কল করবেন না * ব্যাঙ্কে টাকা পাঠাতে: @bfccontactbot মেসেজ।
54102سجّل الدخول لعرض التحليلات