ru
Feedback
Mohammad Abid Azam

Mohammad Abid Azam

Открыть в Telegram

লোক || ডায়েরি || অতিসাধারণ .

Больше
Страна не указанаКатегория не указана
659
Подписчики
+124 часа
+97 дней
+14630 дней
Архив постов
মানুষের সাথে খাবার খাওয়ার সময় করণীয় — . ১৷ প্রথমত, খাবার পাওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো না করা। মেজবানকে খাবার পরিবেশনের সময় দেয়া। বিয়ে ও অন্যান্য অনুষ্ঠানে এধরনের ধৈর্য্য আজকাল দেখা যায়না। পরিবেশনকারীর উপর অনেকে রেগে যান। . ২৷ খাবার পরিবেশনের সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার নিজের পাত্রে (প্লেট/থালা) না নেয়া। এটি দেখতেও খারাপ লাগে আর পরে অপচয় হবার সম্ভবনা থাকে। যতটুকু লাগবে ততটুকু নিবে। প্রয়োজনে পরে আবার চেয়ে নিবে। . ৩| হাপুসহুপুস করে খাবেনা। অর্থাত, অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো করে খাবেনা। অন্যদের খাবার সুযোগ দিবে। হাদিসে এসেছে – . রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাথীর অনুমতি ছাড়া একসাথে দুটি করে খেজুর মুখে দিতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম) . ৪৷ কাজ ও আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়ে যাবার পর বিনাদরকারে সেখানে অতিরিক্ত সময় অবস্থান করবে না। হাদিসে এসেছে – . মেহমানের জন্য মেজবানের নিকটে এতো সময় থাকা বৈধ নয় যে মেজবান বিরক্ত হয়ে যান। (বুখারী ও মুসলিম) . ৫৷ মজলিশে খাবার সময় নিজের খাওয়া শেষ হয়ে গেলে অন্যদের প্রতি খেয়াল রেখে হাত না সরিয়ে ফেলা। এতে অনেকে লজ্জাবশত দ্রুত খাওয়া শেষ করে ফেলেন। হাদিসে এসেছে – . মানুষের সাথে খাওয়ার সময় নিজের শেষ হয়ে গেলেও হাত গুটিয়ে নিবেনা। কারণ এতে অন্যরা লজ্জা পেয়ে হাত গুটিয়ে নিবে অথচ তাদের হয়তো আরো খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। (ইবনে মাজাহ) . ৬৷ খাবার শেষে হাত ধোঁয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকবে। অনেকের অভ্যাস হলো তারা খাবারের পাত্রে হাত ধুঁয়ে ফেলেন। বরং নির্ধারিত স্থানে হাত ধুঁতে হবে। . ৭৷ ময়লা রাখার জন্য আলাদা পাত্র থাকা স্বত্তেও দসতরখান নোংরা করা যাবেনা। . ৮৷ খাবারের সময় সাধারণ কথা বলা যায়। তবে খাবারের মজলিশকে এমন আড্ডার মজলিশে পরিণত করা যাবেনা যে অন্যদের অসুবিধা হয়। . ১০৷ খাবার খাওয়ার পর মেজবানের দোষ, খাবারের দোষ, পরিবেশনকারীর দোষ বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। মেজবানের কাছে শুকরিয়া জানানো উত্তম। .

আমাদের সমাজে ছেলেদের প্রাইভেসীর কোনো বালাই নাই। একেতো বাঙালী সমাজে প্রাইভেসী জিনিসটাই উপেক্ষিত। যে যখন তখন যার তার রুমে চলে আসছে। যার তার ফোন ধরছে। যার তার ব্যক্তিগত সীমা ভেঙে দিচ্ছে। তারপর ব্যক্তি যদি হয় ছেলে, তাও অবিবাহিত, তখন তো কথাই নেই। মা বোন যখন তখন চলে আসতেছে রুমে। আচ্ছা এখন এতটুকু শুনে তো অনেকে বলবে, ছেলে মানুষের রুমে হঠাত চলে আসলে সমস্যা কি? সত্যিই? ঘুমের সময় বা সকালে ছেলেদের রুমে চলে আসাটা বিব্রতকর। টিনেজ তো ফেলে চলে এসেছি কবেই, তবুও এটা এখনো বিরক্তিকর লাগে। তখন বাসায় আত্মীয় থাকলে এই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতো। অন্তত কপাল ভালো ছিল। আম্মা আর বোনদের বুদ্ধিশুদ্ধি ছিলো। আমার এক কাজিন (বেচারা) একবার এই বিষয়ে কষ্ট শেয়ার করেছিলো। বেচারা বড় হয়েছে, তার মা এটা বুঝেই না। রাত নাই সবার নাই ধুম করে দরজা খুলে রুমে চলে আসছেন। সে তখন হয়তো ঘুমাচ্ছে। আবার দরজা বন্ধ করার উপায় নেই। আন্টি নাকি রাগ করে। জিনিসগুলো এমন যে বর্ণনাও করা যাচ্ছেনা। সোজা কথা, ছেলেদেরও বিব্রত লাগে। হুটহাট রুমে ঢোকার আগে নক করুন, সালাম দিন, পারমিশন নিন। আর আমাদের বাঙালী বাবা-মা’র তো সেন্স মাশাআল্লাহ! ছেলে অসময়ে গোসল করেছে, তিনি কোথায় বুঝে চুপচাপ চলে যাবেন। তা-না, একদম মুখের উপর প্রশ্ন। কিরে তুই এখন গোসল করছিস কেনো? আরেহ! আপনি জানেন না কেনো করতে পারে? প্রশ্ন করছেন কেন! ঘরে ছেলে থাকলে একটু ওদের মতো থাকতে দিন। অন্তত ওর রুমে যখন তখন প্রবেশ করবেননা। আর বোকার মতো এসব বিব্রতকর প্রশ্ন করবেন না।

The High Conflict Couple https://t.me/mohammadabidazam/643

হযরত আশরাফ আলী থানভী রহ. এর মজলিশে একবার এক গ্রাম্য লোক এসেছিলেন। ঐ লোক হযরতকে কিছু কথা বলার সময় অসুন্দর কিছু শব্দ বলে ফেলে। তখন মজলিশে উপস্থিত একজন ঐ লোককে সতর্ক করেন। আশরাফ আলী রহ. তখন ঐ সতর্ককারী লোককে বলেন, তাকে তার কথা বলতে দাও। আমার মজলিশকে ফেরাউনের মজলিশ বানিওনা। সে যদি বেআদবী করে, আমার মুখ আছে, আমি চাইলে বাধা দিব। এরপর ঐ লোককে বললেন, তুমি স্বাধীনভাবে তোমার কথা বলো। বই: আদাবুল মুআশারাত পৃ. ২৩ লেখক: হযরত আশরাফ আলী থানভী রহ.

বাচ্চাদের হাতে টাকা না দেওয়া হাইস্কুলে উঠার আগ পর্যন্ত বাইরের খাবার কখনোই ঐভাবে খাইনি। ফলে বাসা থেকে কোনও টাকাই পাইনি। নগদ টাকা চোখে দেখতাম কিন্তু হাতে ধরার সুযোগ হতোনা। . এরপর হাইস্কুলে উঠে নিজেকে মস্ত বড় ভেবে বসলাম। সকালে কোচিং শেষে আধা ঘন্টার মাঝে স্কুল, আব্বু এবার নিশ্চয় খাবারের জন্য টাকা দিবেন। . লাভ হলোনা। আব্বু হোটেলে বলে রাখলেন, প্রতিদিন খাবার খাই। স্কুলে যাই, আসি। টিফিনেও একই অবস্থা। নগদ টাকা ধরার সুযোগ নেই। . ঈদে-উপলক্ষে সালামী পেতাম। একহাতে সালামী আসতো, অন্য হাতে সেটা আম্মুর কাছে। ঐ টাকা আর পাইনি কখনো। আবদার করলে জিনিস কিনে দিতো কিন্তু টাকা দিতোনা। . কলেজে উঠে যাবার পরেও আমার চুল কাটার জন্য পর্যন্ত টাকা দিতেননা আব্বু! নাপিতের দোকানে নিয়ে গিয়ে বসিয়ে দিতেন। . আমি স্বাধীনভাবে হাতে টাকা পেতে শুরু করেছি ভার্সিটিতে ওঠে আর ততদিনে আমার বুঝ চলে এসেছে। ফলে টাকা পেয়ে সেটা খিয়ানত আর করা হয়না। . এটাকে কি ধরনের প্যারেন্টিং বলে জানিনা, শুধু জানি এটা সঠিক কাজ ছিল। . বাচ্চাদের হাতে টাকা দিলে নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকে। আমার এক ছাত্র ছিল (টিউশন) বাসা থেকে কেঁদে-কেটে টাকা নিতো। গোল্লায় গিয়েছে। কাজিনদের যে কজন ছোট থেকে নগদ টাকা হাতে পেয়েছে অধিকাংশই অন্যদের মতো হতে পারেনি। একেবারে বখে না গেলেও অন্যদের থেকে অবস্থা খারাপ। . মনে আছে, কলেজে কয়েকমাস নানুর বাসায় ছিলাম। যাতায়াত সুবিধার জন্য সেখানে থাকাকালীন আব্বু কিছু টাকা দিতেন রিকশাভাড়াবাবদ, পুরো মাসে আমি ১০০ টাকাও বেহুদা খরচ করতাম না। ছোটবেলার অভ্যাস রয়ে গিয়েছিল। . আম্মুর মুখে শুনেছি, নানাভাই একই ধরনের কাজ করতেন। আম্মুকে নাকি চিরকুট দিতেন সাক্ষর করে, সেটা দিয়ে স্কুলে দোকান থেকে আম্মু টিফিন খেতেন। নগদ টাকা কখনোই পেতেন না। . বাবা-মা’র এসব করতে বেশ বেগ পোহাতে হয়। তবুও এটা করা ছাড়া উপায় নেই

বাবা ও বড় ভাইদের কিছু দায়িত্ব ১| প্রথমত, মেয়ে বা বোনের ঘরে প্রবেশের আদবগুলো অনুসরণ করতে হবে। বিস্তারিত https://t.me/abidmohammad2/597 ২| অনেক সময় নিজের বোনকে স্নেহবশত "ছোট" হিসাবে দেখতে থাকি এবং সে যে এখন যথেষ্ট বড় হয়েছে সেটা আমরা বুঝতে পারিনা। এমন অবস্থায় নিজের আবেগের উপরে দ্বীনের হুকুমকে রাখতে হবে। এখনকার সময়ে ১০ থেকে ১২ বছর বয়সেই মেয়েদের বয়সন্ধি শুরু হয়। এসময় থেকেই তাকে আলাদা কক্ষ দিতে হবে। সেখানে ভাই, বাবা প্রবেশের আগে অনুমতি নিবে। যখন তখন অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করবেনা। ৩| বোনেরা বড় হলে ঘরে ছেলে বন্ধুদের আনা যাবেনা। যদি গেস্টরুমে বসার ব্যবস্থা থাকে তখনই কেবল আনা যেতে পারে। মূলকথা, তার পরদার ক্ষতি যেনো না হয়। ঘরে চলাফেরায় কষ্ট যেনো না হয়। বড় ভাই হিসাবে এটা আমাদের দায়িত্ব। ৪| অনেক সময় বাসায় মেহমান আসেন। এসময় মেয়েদের চলাচলে সাময়িক অসুবিধা হয়। ভাই হিসাবে এটি লক্ষ্য রাখতে হবে। যথাসাধ্য তাদের অসুবিধা কম করার চেষ্টা করতে হবে। মেয়েদের বাবাকে এবিষয়ে আন্তরিক হতে হবে। ৫| নতুন বাসা করার সময়, অথবা যারা ভাড়া থাকে তারা বাসা নেবার সময় মেয়েদের কাপড়চোপড় শোকানোর ব্যবস্থার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। মেয়ের রুমের পাশে বেলকনি থাকলে সুবিধা হয়। পোশাকের ক্ষেত্রে মেয়েদের একটু অতিরিক্ত প্রাইভেসী লাগে। ভাই, বাবা এটা যতটুকু সম্ভব খেয়াল করবেন। পরিবারের পুরুষ সদস্য অনেক সময় এগুলো বুঝেনা। সে ক্ষেত্রে মা তাদের এটা বোঝাবেন। ৬| কোথাও বেড়াতে গেলে বড় ভাইয়ের (এবং পিতা) দায়িত্ব হলো তার বোন সেখানে পরদার পরিবেশ পাচ্ছে কিনা খোঁজ করা। বোনের কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে সেটা কিনে এনে দেয়া। অনেক আত্মীয়ের বাসায় পরদার কমতি থাকতে পারে। সম্ভব হলে, এমন বাসায় বোনকে না নিয়ে যাওয়া। গেলেও লম্বা সময় না থাকা। মাকে এবিষয়ে বিশেষ সচেতন থাকতে হবে। ৭| ঘরে মেয়ে থাকলে বাবা-ভাইকে চলাফেরায় সতর্ক হতে হয়। আমরা যারা পুরুষ তাদের জন্য বাইরে যাওয়া সহজ। মেয়েদের জন্য ঘরটাই মূল জায়গা। এখানেই তারা থাকেন। এজন্য ঘরে চলাফেরায় সতর্ক থাকা, তাদের আরামবোধ করানো। দরজা জানালায় পরদা লাগানো। বেলকনিতে বারান্দায় পাতলা জর্জেট কাপড়ের আড়াল ব্যবহার করা যেতে পারে। দূর থেকে এটার ভেতরে দেখা যায়না। ৮| কোথাও ঘুরাতে নিয়ে গেলে বাবা-ভাই মেয়েদের পেছনে থাকতে চেষ্টা করবেন। তাদের রেখে আগে হেঁটে চলে যাবেন না। মেয়েদের হাঁটার গতি ধীর, নিজেও ধীরে হাঁটতে হবে। যেহেতু তাদের অনেক সময় রাস্তা পারাপারে ভয় হয়, তাই লোক বুঝে পাশে থেকে পার করিয়ে নিন। এছাড়াও সন্ধ্যার পর একা বাসায় ফেরত পাঠাবেন না। দিনকাল ভালোনা। চেষ্টা করবেন নিজের সাথে নিয়ে আসতে। ৯| ছোট বাচ্চা মেয়েদের ছোট থেকেই হিজাব বা উড়না রাখার জন্য উৎসাহিত করুন। আপনি তো পুরুষ, আপনি জানেন এটার প্রয়োজন আছে। মেয়েদের অনেককে পুরুষের খতরনাক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা করতে পারেনা। পরিবারের বাবা-ভাই এবিষয়ে তাগিদ রাখবে। সে টিনেজে চলে এলে (বালেগ) নিকাব করানো শুরু করুন। দূরে একা পাঠাবেন না। (স্বামী তার স্ত্রীর জন্য একই বিষয়গুলো নিজেদের মতো রক্ষা করবে।)

গাজায় একটি মেডিক্যাল সেন্টার খোলার জন্য অর্থ সংগ্রহ চলছে। দান, সাদাকাহ পাঠানোর ঠিকানা: বিকাশঃ 01924439809 নগদঃ 01875419308 (সেন্ড মানি/ ক্যাশইন) * রেফারেন্স প্রয়োজন নেই * কল করবেন না * ব্যাঙ্কে টাকা পাঠাতে: @bfccontactbot মেসেজ।

কখনো কখনো বান্দা প্রচুর দুআ করতে থাকে। কান্না করে, শেষ রাতে জায়নামাযকে আপন করে ফেলে। . দিনের পর দিন এটা চলতে থাকে কিন্তু দুআ
কখনো কখনো বান্দা প্রচুর দুআ করতে থাকে। কান্না করে, শেষ রাতে জায়নামাযকে আপন করে ফেলে। . দিনের পর দিন এটা চলতে থাকে কিন্তু দুআ আর কবুল হতে দেখেনা। . অনেক দিন পর কোনো এক মসিবতে, কোনো এক প্রয়োজনে, অনেক গুরুতর সময়ে সে হঠাৎই সাহায্য পায়। . কখনো বান্দার উপর আসতে থাকা বিপদ কেটে যায়। কোনো সমস্যা আসার আগেই সমাধান হয়ে যায়। . কখনো বাহ্যিক দিকের কোনো পরিবর্তন না হলেও অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন আসে। বান্দা বুঝতে পারেনা। . আল্লাহ দুআ কবুল করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুস্পষ্ট বক্তব্য আছে। বান্দা যখন হালাল কিছু চায় এবং দুআ কবুল হবার বিষয়ে তাড়াহুড়ো না করে - তখন সেই দুআ কবুল করা হয়। . হে আমার রব! আপনি আমাদের জন্য কল্যাণের ফয়সালা করুন।

Repost from N/a
সংকলন: চিঠি নিও নয়নতারা ধরণ: কবিতা ও চিঠি (কল্পিত) লেখা: মুহাম্মাদ আবিদ আজম

Repost from N/a
ফেমিনিজমের বিপরীতে নারীবিদ্বেষ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। নানান বিষয়ে Be The Real Man, Sigma Boys, Alpha Male ইত্যাদি গ্রুপে মেয়
ফেমিনিজমের বিপরীতে নারীবিদ্বেষ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। নানান বিষয়ে Be The Real Man, Sigma Boys, Alpha Male ইত্যাদি গ্রুপে মেয়েদের উপর ক্ষোভ ঝাড়ছে কিশোর ছেলেরা। নানান ভুল পারসেপশন তৈরি হচ্ছে। কিশোর এক আধপরিচিত ছেলে ঐদিন বলছে, ভাই ** এর বেশি বয়সের মেয়েদের তো এই সমস্যা ঐ সমস্যা। এগুলো সমস্যা। এইসব গ্রুপে মেয়েদের উপর আধিপত্য চালানোর প্রতি উস্কানি দেয়া হয়। অনেক ছেলের মগজ নষ্ট হচ্ছে। এরা বাস্তব জীবনে সংসার চালাতে পারবেনা। ভায়োলেন্ট হয়ে উঠতে পারে। ফেমিনিজমের প্রতিক্রিয়ায় নতুন বিষ তৈরি হয়েছে। যদিও এই বিষ ভিন্ন নামে আগেও ছিল।

The rose is admired for its beauty, but respected for its thorns. - Mohmand Afghan
The rose is admired for its beauty, but respected for its thorns. - Mohmand Afghan

সে যেটাতে লাথি দিচ্ছে সেটা ফুটবল না, সেটা সারা দুনিয়া। #GazaGenocide #PALESTINE
সে যেটাতে লাথি দিচ্ছে সেটা ফুটবল না, সেটা সারা দুনিয়া। #GazaGenocide #PALESTINE

হে আল্লাহ! আপনি তাদের সম্মানিত করুন।
হে আল্লাহ! আপনি তাদের সম্মানিত করুন।

Repost from N/a
“ইসলাম নারীদের প্রতি অপ্রয়োজনীয় কঠোর আচরণ নিষিদ্ধ করেছে। আমরা দেখেছি, মানুষ তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাদের নারীদের ওপর নির্যাতন করে, বকাবকি করে, মারধর করে। তাদের অপমান করার মাধ্যমে নিজেরাই তাদের মুখখারাপ ও নির্লজ্জ করে তোলে। এরপর নারীদের মধ্যে বিদ্রোহ দেখা দেয় এবং তারা অবাধ্য হতে শুরু করে ও যেমন ব্যবহার পায় তেমনই প্রতিদান দেয়। তাহলে এর কারণ কে? পুরুষরা এর কারণ। কারণ তারা যদি এমন আচরণ না করত, তাহলে তাদের মধ্যে এ ধরনের বিদ্রোহ সৃষ্টি হতো না।” [শায়খুল আরব ওয়াল আজম, সাইয়্যিদ বদিউদ্দীন শাহ রাশিদি (রহিমাহুল্লাহ), ইসলাম মেঁ আওরাত কা মাকাম, পৃ. ৪৮]

নজর
নজর

নিজের মনে রাখার জন্য অনেক কিছু লিখি এটাও ওরকম একটা লেখা https://t.me/abidmohammad2/173

وجَعَلَ بَيْنَكُم مَوَدَّةً وَرَحْمَةً আর আল্লাহ তোমাদের স্বামী-স্ত্রীগণের মধ্যে তৈরি করে দিয়েছেন মাওয়াদ্দাহ ও রহমাহ। (সূরা রুম:২১) আল্লাহ স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মাঝের ব্যাপারটাকে দুটো শব্দ দিয়ে চিত্রিত করেছেন। সেগুলো হলো: মাওয়াদ্দাহ ও রহমাহ (রহমত)। ১. মাওয়াদ্দাহ মানে হলো ক্লান্তিহীন ভালোবাসা। এখানে সময়ের সাথে ভালোবাসা (মোহাব্বাত) ক্লান্ত হয়না। চাওয়া-পাওয়ার কমতি-অমিল ভালোবাসাকে ক্লান্ত করতে পারেনা। ভালোবাসার মাঝে দেয়াল তৈরি হয়না। অনুভূতির স্রোতে স্থবিরতা আসবেনা। ২. রাহমাহ (রহমত) মানে দয়া, মায়া, সহানুভূতি, ক্ষমা, অনুগ্রহ। কষ্টে পাশে থাকা, অবহেলা না করা। দুর্বলতা (শারীরিক, আর্থিক, শিক্ষাগত, সৌন্দর্য, কর্মক্ষমতা ইত্যাদি) থাকলে সেটাকে আগলে নেয়া, সাপোর্ট করা। আল্লাহ কথা দিচ্ছেন, স্বামী-স্ত্রীর মাঝে এদুটো অসাধারণ গুণ দিয়ে দিবেন। তবে এর আগে ও পরে কিছু কাজ আছে যেগুলো নিশ্চিত করা হলেই আল্লাহর এই কথার আওতাধীন হওয়া যাবে। কুরআনের অন্যান্য আয়াত ও আল্লাহর রাসূলের ﷺ হাদীসগুলোতে সেই কাজগুলো বলা হয়েছে।

১০. ঘরে প্রবেশের অনুমতি নেবার জন্য সোজা দরজার সামনে দাঁড়ানো যাবেনা। এতে ভেতরে নজর চলেই যায়। তখন আর পরদা রক্ষা হয়না। ১১. পুরুষ মেহমান শুধুমাত্র গেস্টরুম ছাড়া অন্য দিকে যাবেনা। নারী মেহমান ঘরের সব রুমে যাবেনা। বরং তাকে যেখানে বসানো হয়েছে সেখানে থাকবে। অনেকের বদঅভ্যাস হলো, ঘুরে ঘুরে প্রতিটি রুম দেখতে থাকে। অত্যন্ত নিকট আত্মীয় না হলে এমন করা ঠিকনা। এতে মেজবান বিব্রত হয়। ১২. ৭ বছরের বড় ছেলে সাথে নিয়ে মহিলাদের অন্দরমহলে প্রবেশ করা যাবেনা। বিশেষত, ১০ বছর হলে কঠোর হতে হবে।

ঘরে প্রবেশের আদব ও শিষ্টাচার ১. ঘরে প্রবেশের পূর্বে দূর থেকে আওয়াজ করে সালাম দিবে। এরপর আরেকটু নিকটে এসে পুরুষরা উচ্চস্বরে এবং নারীরা নিম্নস্বরে ভেতরে আসার অনুমতি চাইবে। ঘরের ভেতর থেকে অনুমতি না আসা পর্যন্ত প্রবেশ করবেনা। ২. একই ঘরের বিভিন্ন কক্ষে যাতায়াতের সময়েও অনুমতি নিতে হবে। হুটহাট অপরের রুমে যখন তখন প্রবেশ করা যাবেনা। বিশেষত ছেলেরা নিজের বোনের রুমে ঢোকার আগে দূর থেকে সালাম দিবে এবং অনুমতি চাইবে। আমাদের বোনেরা রুমে যথেষ্ট সতর্ক থাকবেন। ৩. পিতামাতার কক্ষে যখন তখন হুট করে ঢুকা যাবেনা। তারাও স্বামী-স্ত্রী, তাদের নিজস্ব সময় আছে। দূর থেকে শব্দ করে সালাম ও অনুমতি শেষে রুমে যাবে। ৪. ঘরে গাইরে মাহরাম থাকলে সেই রুমে যাওয়া যাবেনা। মেহমান থাকলে অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে। ৫. বাবা-মা নিজের বালেগ (প্রাপ্তবয়স্ক) ছেলে মেয়েদের রুমে প্রবেশের আগে সালাম ও অনুমতি নিবেন। বালেগ ব্যক্তির সতর দেখে ফেলা গোনাহ। তাই সতর্ক থাকবেন। তারা আপনার সন্তান হলেও তাদের লজ্জা আছে, ইজ্জতবোধ আছে। ৬. বিশেষ করে বিবাহিত ছেলের রুমে যখন তখন ঢোকা যাবেনা। আপনার পুত্রবধু ও পুত্র স্বামী-স্ত্রী, তাদের নিজস্ব সময় আছে। দম্পতির কক্ষে প্রবেশের আগে অবশ্যই শব্দ করে অনুমতি নিতে হবে। তারা অনুমতি দেবার আগে প্রবেশ করা যাবেনা। ৭. ছোটবেলা থেকে বাচ্চাদের অভ্যাস করতে হবে তারা যেনো অন্যের রুমে এবং বাসায় ঢোকার আগে সালাম ও অনুমতি নিয়ে নেয়। ছোট থেকে প্রাইভেসি শেখাতে হবে। ৮. মেহমান হিসাবে কোথাও বেড়াতে গেলে আপনার জন্য মেজবান (যার ঘরে আপনি গিয়েছেন) যে কক্ষ বরাদ্দ করেছে সেখানে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। এই কক্ষ ঐ কক্ষে যাতায়াত করে মেজবানকে বিব্রত করা যাবেনা। ৯. বিয়ের পর বাপের বাড়ি মেয়েদের জন্য নিজের বাড়ি নয়। বাস্তবতা মেনে চলতে হবে। ভাইদের কক্ষে আসার আগে ভাই-ভাবীর অনুমতি নিতে হবে। নিজের জন্য বরাদ্দ করা কক্ষের বাইরে যখন তখন চলাচল করা যাবেনা। চলবে............ /:

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের চলাফেরা, উঠাবসা, কথাবার্তা, কাজকর্মে কিভাবে আদব ও শিষ্টাচার রক্ষা করতে হবে — এই বিষয়ের উপর কোনো বই পড়া হয়েছে?
Anonymous voting