ar
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

الذهاب إلى القناة على Telegram

إظهار المزيد
لم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
1 217
المشتركون
+524 ساعات
+277 أيام
+4230 أيام
أرشيف المشاركات
অনলাইনে আমার চারপাশটা ভরা ছিল বইপড়ুয়ায়। হঠাৎ করে সবকিছু কেমন জানি বদলে গেল। প্রকাশকরা আগের মতো বই আনছেন না। পাঠকরা কেনার সামর
অনলাইনে আমার চারপাশটা ভরা ছিল বইপড়ুয়ায়। হঠাৎ করে সবকিছু কেমন জানি বদলে গেল। প্রকাশকরা আগের মতো বই আনছেন না। পাঠকরা কেনার সামর্থ্য হারিয়ে ফেলেছেন। অনেকেই দায়িত্ব ও সংসারের ব্যস্ততায় এদিকে সময় দেওয়ার ফুরসতই পাচ্ছে না। নতুন পাঠকও তৈরি হচ্ছে না। সব মিলিয়ে হযবরল অবস্থা। ফয়সল সোহান ভাই কিংবা দিলশাদ মাহমুদ মাহদী ভাইয়ের সাথে বই নিয়ে আলাপসালাপ মিস করি। মিস করি তানভীর রাজ ভাইয়ের বই থেকে আত্মশুদ্ধি, চিন্তাজাগানিয়া কোটেশন নির্বাচন। এগুলো এবারের উমেদের অফার থেকে গোলাম সারওয়ার মাসুদ ভাইয়ের সংগ্রহ।

photo content

কথাটা কত বাস্তব, তা নিজেদের জীবনে একটু চিন্তা করলেই বুঝে আসে... দাওরার বছর ছিলাম ১৪০+। ভেবেছিলাম আমরা তো ছেলে। ইনশাআল্লাহ দেখ
কথাটা কত বাস্তব, তা নিজেদের জীবনে একটু চিন্তা করলেই বুঝে আসে... দাওরার বছর ছিলাম ১৪০+। ভেবেছিলাম আমরা তো ছেলে। ইনশাআল্লাহ দেখাসাক্ষাৎ হবেই। মেয়েদের জীবন হলে ভিন্নকথা। কিন্তু বাস্তবতা কী? শেষ পরীক্ষার পর ১৪০+ জনের মধ্যে ৪০ জনের সাথে একবারের জন্য দেখা হয়েছে কি না, ইয়াদ নেই। নাম তো বেশিরভাগেরই ভুলে গেছি। অনেকের চেহারাও... আর জীবনেও হয়তো দেখাসাক্ষাৎ হবে না অনেকেরই সাথে। এ গেল ক্লাসমেটের হিসাব। জীবনের বেশ কয়েকটা স্টেপে অনেকেরই সাথে ক্লোজ সম্পর্ক ছিল। খুব বেশি মানুষের সাথে সম্পর্ক নেই আমার। তবে, যাদের সাথে সম্পর্ক হয়েছে, একেবারে গলায় গলায় সম্পর্ক। যে স্টেপে যার সাথেই সম্পর্ক হয়েছে, আমাদের একজনকে দিয়ে অন্যরা ধারণা করতে পারত অন্যজন কই আছে। ছাত্রজীবনে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল উবায়দুল্লাহ, আল আমীন, মারুফ, মুশাহিদ, হাসানের সাথে। আরও কয়েকজনের সাথে ভালো সম্পর্ক ছিল। আল আমীনের সাথে দেশে থেকেও লাস্ট ৫-৬ বছরে কোনো দেখাসাক্ষাৎ হলো না। অথচ সে আমাদের সামনের বাড়িরই লোক। মুশাহিদও কর্মের টানে কই যেন... কর্মজীবনে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হলো মুফতী আশরাফ ভাইয়ের সাথে। অথচ লাস্ট ২ বছরে উনার সাথেও কই আর দেখাসাক্ষাৎ হলো... জীবন বড় অদ্ভুত!

উন্দাল কোনানো? পাঁচভাই, পানসি অবশ্যই ভালো রেস্টুরেন্ট। নিরিবিলির দিক থেকে ভালো লাগত ভোজনবাড়ি। অবশ্য এখন ভোজনবাড়িরই নাম পরিবর্
উন্দাল কোনানো? পাঁচভাই, পানসি অবশ্যই ভালো রেস্টুরেন্ট। নিরিবিলির দিক থেকে ভালো লাগত ভোজনবাড়ি। অবশ্য এখন ভোজনবাড়িরই নাম পরিবর্তন হয়ে গেছে। পরিচয় দিয়েন। দেখা হবে ইনশাআল্লাহ।

photo content

photo content

photo content

এটা মাকতাবাতুল আযহারও ছেপেছে। ওদেরটাই নিন।
এটা মাকতাবাতুল আযহারও ছেপেছে। ওদেরটাই নিন।

photo content

ভুল। আই লাভ কুরআন দোস্ত জানেমান আই লাভ ইউ
ভুল। আই লাভ কুরআন দোস্ত জানেমান আই লাভ ইউ

photo content

photo content

photo content

সিরাতে মুস্তাকিমের উপর যারা চলছে তারা দৌড়ে পথ পাড় করুক বা লেংড়িয়ে লেংড়িয়ে পথ পাড় করুক, দ্রুত গতিতে চলুক বা ধীরে চলুক, তারা মনজিলে মাকসুদে পৌঁছাবেই ইনশাআল্লাহ। বাহাউদ্দিন নকশবন্দী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-কে কেউ একজন জিজ্ঞেস করলো যে, হযরত, আপনার কোনো কেরামত আছে? উত্তরে তিনি বলেন যে, এটা কি কোনো কম কেরামত যে আমি গুনাহগার বান্দা জমিনে হেঁটে বেড়াচ্ছি অথচ জমিন আমাকে আস্ত গিলে ফেলছে না। -কামরুজ্জামান ইলাহাবাদী (দামাত বারাকাতুহুম) খলিফা, শাহ ওয়াসিউল্লাহ রহিমাহুল্লাহ

ফাতাহ ইবনু শুখরুফ বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু খুবাইক আল আন্তাকি একদিন আমাকে বলেন, হে খুরাসানি! মাত্র চারটি বিষয় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, আর কিছু নয়। চোখ, জিহ্বা, অন্তর ও প্রবৃত্তি। চোখ দিয়ে হারাম কোনো কিছুর দিকে তাকাবে না। জিহ্বা দিয়ে এমন কোনো কিছু বলবে না, যা তোমার অন্তরে নেই। অন্তরে কোনো মুসলিমের প্রতি কোনো ধরনের ঘৃণা-বিদ্বেষ লালন করবে না। আর প্রবৃত্তি যেন তোমাকে কোনো মন্দ কাজের দিকে টেনে নিয়ে না যায়। যদি তোমার মধ্যে এই চারটি বৈশিষ্ট্য না থাকে, তাহলে মাথায় ছাই নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতে থাকো, তাহলেই চিকিৎসা হয়ে যাবে। [শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা : ১৩৬]

আল্লাহর ভয়ে কাঁদতে পারা একটা নেয়ামত। বিশেষ করে দুআর সময়। কুরআন পড়ার সময়। সবাই তখন কাঁদতে পারে না। . অন্তর যখন পাথর হয়ে যায়, দুনিয়ার মোহে অন্ধ হয়ে যায়, পরকালকে সে আর অনুভব করতে পারে না। নিজের অপরাধবোধ আর জাগে না। ফলে তার চোখে পানিও আসে না। . জাহান্নামের উত্তপ্ত আগুন তাওবার প্লাবনই নেভাতে পারে। আর এই প্লাবন চোখের পানি দিয়েই শুরু হয়। © মহিউদ্দিন রূপম

সে ব্যক্তি বড়ই ভাগ্যবান, আল্লাহ তাআলা যার ভাগ্যে আলেম, বিজ্ঞ ও সূক্ষ্মদর্শী কোনো রুহানী চিকিৎসকের সাক্ষাৎ ঘটিয়েছেন-যিনি তাকে সতর্ক ও সজাগ করেন। তার চারিত্রিক দুর্বলতা ও গোপন রোগ সম্পর্কে অবহিত করতে থাকেন। রোগ থেকে মুক্তির উপায় বলে দেন। তখন তার পথ চলা সহজতর হয়ে ওঠে। পথ হারানোর ভয় কম থাকে। এমনকি ধীরে ধীরে চিকিৎসকের ভালো গুণাবলি ও বৈশিষ্ট্যতার মাঝে স্থানান্তরিত হতে থাকে। মুর্শিদের আল্লাহভীতি, মুহাসাবা থেকে সে নিজেও শিক্ষা গ্রহণ করে নিতে পারে। অতীত-যুগে এই ধরনের আল্লাহওয়ালার সোহবত ও সান্নিধ্যই ছিল রুহের চিকিৎসার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকরী পদ্ধতি। বড় বড় আলেম ও বিদগ্ধ ব্যক্তিও এ ধরনের মুখলিস ও আল্লাহওয়ালা ব্যক্তির অনুসন্ধানে লেগে থাকতেন। তাদের সান্নিধ্যে সময় দিতেন। নিজের থেকে জ্ঞান ও মর্যাদায় কম হলেও তারা এতে ভ্রুক্ষেপ করতেন না। কেননা, তাদের সোহবত ও সান্নিধ্যে এমন সব জিনিস লাভ হতো, যা অভ্যন্তরীণ পরিশুদ্ধি ও সংশোধনের ক্ষেত্রে ছিল খুবই কার্যকরী। যেগুলো তাদের নফসের কুমন্ত্রণা ও শয়তানের চক্রান্ত থেকে বেঁচে থাকার উপায় হিসেবে বিবেচিত হতো। -সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. [ইসলামী জীবনের রূপরেখা : ২৫৭]

ভদ্রতা ও শিষ্টাচার ব্যতিরেকে শুধু মেধা কার্যসিদ্ধির জন্য যথেষ্ট নয়। হাজারো মেধাবী কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। অত্যধিক মেধা কখনো কেখনো বিপথগামিতার কারণ হয়; বরং মেধার বড়াই কখনো কখনো মেধাবীকে পথভ্রষ্ট করে তোলে। ইতিহাস অধ্যয়নে জানা যায়—অধিকাংশ ভ্রান্ত দলের প্রতিষ্ঠাতা তুখোড় মেধাবী ছিলেন। ধারণা বা অনুমিত হয়—যৌবনে তাদের দ্বারা এরূপ কিছু ভুল হয়েছিল, যার প্রতিদান হিসেবে তারা এই শাস্তির সম্মুখীন হয়েছে। কাজেই কুরআন-সুন্নাহ ও শরীয়তের প্রতি সমীহবোধ, শিক্ষক ও বড়দের প্রতি শিষ্টারচারকে সবকিছুর উপর স্থান দিতে হবে। এসব ছাড়া কিছুই অর্জিত হবে না। -সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ.

হযরত দাউদ আলাইহিস সালাম স্বীয় পুত্রকে উপদেশ দিয়েছিলেন, হে বৎস, বাঘের পেছন পেছন হেঁটো, তবুও কখনো কোনো নারীর পেছনে যেয়ো না। কেননা, বাঘ ফিরে এলে হয়তো তুমি প্রাণ হারাবে। কিন্তু নারী ফিরে এলে তোমার ঈমান হরণ করে নেবে। জনৈক জ্ঞানী ব্যক্তি বলেছেন, ভদ্র নারীদের ব্যাপারে সতর্ক থেকো, আর মন্দদের থেকে দূরত্ব বজায় রেখো। [এখন যৌবন যার : ১৩১]

মানুষ বুযুর্গদের কাছে এ জন্যই যায় এবং অবস্থান করে, যেন প্রত্যেক কাজ সাওয়াবের আশা নিয়ে করার অবস্থা তৈরি হয়। আর এটাই ইহতিসাব, যে কাজই করুক না কেন, সাওয়াবের নিয়তে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় করবে। এর মাধ্যমে সাধারণ কাজও ইবাদত হয়ে যাবে। সাধারণ মানুষ এবং বুযুর্গদের মাঝে পার্থক্য এটিই যে, বুযুর্গরা যে কোনো কাজ করেন, চাই তা প্রাকৃতিক বিষয়সমূহের অন্তর্ভুক্ত হোক, যেমন খাওয়া-দাওয়া, ঘুমানো ও জাগ্রত হওয়া, হাসা ও কথা বলা, কারও সাথে কোনো আচরণ করা—সবকিছুতে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের প্রেরণা কার্যকর থাকে। -সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. [মাজালিসে হাসানাহ : ২/১৭৫]