ar
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

الذهاب إلى القناة على Telegram

إظهار المزيد
لم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
1 099
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
+227 أيام
+2630 أيام
أرشيف المشاركات
কোনটা পড়ব, নবিজির স. কোন জীবনীটা ভালো—এই প্রশ্নটা প্রায়ই শুনি। একেক সময় একেকজনকে একেক বইয়ের কথা বলি। আসলে প্রশ্নকর্তার অবস্থা বুঝে বলি, তার আগ্রহটা কোন দিকে সেটা ভেবে জানাই। কিন্তু যে-কথাটা মুখ ফুটে তাকে বলতে পারি না, সেটা আজ বলছি। আমার মনে হয়, কোন জীবনীটা ভালো, কোনটা পড়ব—তার আগে নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত, আমি নবিজীবনী কেন খুঁজছি। তার ধারাবাহিক জীবনী জানতে? তিনি কেমন ছিলেন সেটা জানতে? তার মোজেযা বা অলৌকিক ঘটনাবলি জানতে? নাকি আরও গভীর কিছু? জটিল মনে হচ্ছে? আরেকটু সহজ করি। নবীজিকে জানার মোটাদাগে ৫ ধরনের বই আছে। বাংলাভাষী প্রাইমেরি স্টেজের পাঠকদের উদ্দেশ্যে ধরনগুলো বলছি। অধমের পরামর্শও থাকছে। এক. নবিজির স. ধারাবাহিক জীবনী। এটাকে বলে ‘সিরাত’। একসময় বলা হতো ‘মাগাজি’ বা ‘সিয়ার’। নবিজির স. জন্মপূর্ব সময়, জন্ম ও বংশ পরিচয়, বেড়ে ওঠা, বিয়ে, নবুয়ত, মক্কাত্যাগ, মদিনা, সন্ধি, যুদ্ধ, মক্কা বিজয়—এরকমভাবে যেগুলো লেখা। যদি এসব জানা আপনার উদ্দেশ্য হয়ে থাকে, তাহলে আপনি পড়তে পারেন নীচের যে-কোনওটি — ১. সফিউর রহমান মোবারকপুরির লেখা ‘আর রাহিকুল মাখতুম’। মীযান হারুন (দারুল হুদা কুতুবখানা) অথবা কাজী আবুল কালাম সিদ্দিকের (আয-যিহান পাবলিকেশন) অনুবাদ পড়তে পারেন। ২. আবুল হাসান আলি নদভির লেখা ‘নবীয়ে রহমত’। বাংলায় সম্ভবত একটা অনুবাদই আছে (মাকতাবাতুল হেরা)। ৩. মওলানা আবুল কালাম আজাদের লেখা ‘রসুলের রহমত’। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অনুবাদ। ৪. মাজিদ আলী খানের লেখা ‘মুহাম্মাদ দ্যা ফাইনাল মেসেঞ্জার’। গার্ডিয়ান এর একটা অনুবাদ নতুন প্রকাশ পেয়েছে। ‘শেষ নবী’ নামে ইফার একটা অনুবাদও আছে। উপরের সবগুলো বিদেশি লেখকদের লেখা। আপনি যদি বাংলাভাষায় লেখা বাংলাদেশি কারও নবিজীবনী স. খোঁজেন, তাহলে শুধু একটা গ্রন্থের কথা বলব—শাইখুল হাদিস মাওলানা মুহম্মদ তোফাজ্জল হোসাইনের লেখা ‘হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (স) সমকালীন পরিবেশ ও জীবন’ (ইসলমিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ)। বইটা কি এখন পাওয়া যায়? দুই. ব্যক্তি নবি সম্পর্কিত বই। মানে, নবিজি যেমন ছিলেন। এটাকে বলে ‘শামায়েল’। এটা আবার দুই রকমের হয়। প্রথমতঃ মানে নবিজি দেখতে কেমন। নবিজির হাঁটাচলা কেমন, তাঁর হাসি কেমন, কান্না কেমন, তাঁর দৈহিক গঠন আকৃতি কী ধরনের, তার চুলের ধরন, হাত-পায়ের গড়ন কেমন, তার ঘামের গন্ধ, তার খাওয়া-ঘুম ইত্যাদি। এই প্রকারে তার আত্মীয় ও পরিবারবর্গের ইতিহাসও অনেক লেখক নিয়ে আসেন। মানে একান্ত মানুষ ও ব্যক্তি মুহাম্মাদ স.। *তিরমিজি শরিফের লেখক ইমাম তিরমিজির লেখা ‘শামায়েলে তিরমিজি’ এ-বিষয়ক বিখ্যাত গ্রন্থ। বাংলায় মুফতী তাওহীদুল ইসলামের অনুবাদটা (আশরাফিয়া বুক হাউস) নিতে পারেন। দ্বিতীয়তঃ শামায়েল গ্রন্থকারকগণ প্রথম দিকে কেবল নবীজির দৈহিক বৈশিষ্ট্য দিয়ে নবিজির প্রকৃতি তুলে ধরার চেষ্টা করতেন। পরবর্তী সময়ে আরও বিস্তৃতি আকারে তাঁর ইবাদত-বন্দেগি, বিনয়-কোমলতা—এভাবে ব্যক্তিজীবনের অন্যান্য দিক তুলে ধরা হতে থাকে। তার নামাজ, তাকওয়া, আখলাক থেকে নিয়ে মানুষের সঙ্গে কিংবা স্রষ্টার সঙ্গে তার আচরণ কেমন ছিল, সেসবের সঙ্কলন থাকে এখানে। দুইটা দিককেই অন্তর্ভুক্ত করেছে, এরকম ২টা বইয়ের কথা বলব— ১. সালেহ আহমদ শামীর লেখা ‘মিন মায়িনিশ শামায়িল’। ‘ব্যক্তি ও নবী’ নামে আকিক পাবলিকেশন্স থেকে অনুবাদ এসেছে। ২. আদিল সালাহির লেখা ‘মুহাম্মাদ : ম্যান অ্যান্ড প্রফেট’। বাংলাটা আবু জাফরের অনুবাদে ‘মানুষ ও রসুল মুহাম্মাদ’ নামে খোশরোজ কিতাব মহল এনেছে। শুধু দ্বিতীয় প্রকারে যারা আগ্রহী, তাদের জন্য বলব ২টা বইয়ের নাম— ১. রাগিব সারজানির লেখা ‘উসওয়াতুল লিল আলামিন’। একই নামে শামীম আহমাদ অনুবাদ করেছেন (মাকতাবাতুল হাসান) এবং ‘নবীজি : যার আদর্শে বিমোহিত পৃথিবী’ নামে আরেকটি অনুবাদ বের করেছে মুহাম্মদ পাবলিকেশন। যেটা খুশি নিতে পারেন। ২. সালেহ আল মুনাজ্জিদের লেখা ‘কাইফা আমালাহুম’। বাংলায় ‘যেমন ছিলেন তিনি’ নামে রুহামা পাবলিকেশন এটি ২ খণ্ডে প্রকাশ করেছে। তিন. নবিজির মুজিযা সম্পর্কি বই। মুজিযা মানে অলৌকিক ঘটনাবলি। এই জনরা একসময় বেশ পপুলার ছিল। এটাকে ‘দালায়িলুন নবি’ ক্যাটাগরিতে আনা হয়। ২টা বইয়ের নাম বলি— ১. জালালুদ্দিন সুয়ুতির লেখা ‘খাসায়েসুল কুবরা’। মাওলানা মুহিউদ্দীন খান এটার বাংলা অনুবাদ করেছেন (মদিনা পাবলিকেশান্স)। ২. মাওলানা হাবীবুর রহমানের লেখা ‘লামিয়াতুল মুজিজাত’। লেখক দেওবন্দের অধ্যক্ষ ছিলেন। কওমি মাদরাসায় এই বইটি পাঠ্য। কাব্যকারে লেখা নবিজির ১০০ মুজিযা এখানে সন্নিবেশিত হয়েছে। মাকতাবাতুল ফাতাহ, ইসলামিয়া কুতুবখানা, আল কাউসার প্রকাশনী এর বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করেছে। চার. বিষয়ভিত্তিক জীবনালেখ্য।

সিরাত পড়তে গিয়ে কিছু প্রশ্ন মনের মধ্যে ঘুরপাক খায়। এমন প্রবাদসম বিষয় সেসব যে, কাউকে কখনো প্রশ্নই করা হয়নি। লজ্জায় পড়েও হতে পারে, অথবা নিজের মত করে সেসবের কল্পনা করতে পারার কারণেও হতে পারে, অথবা ওইসব হলো নবীদের ব্যাপার-স্যাপার ভেবেও হতে পারে। ধরুন প্রশ্ন করা হলো, খন্দকের যুদ্ধে নবীজি যে ক্ষুধায় পেটে পাথর বেঁধেছেন, কিভাবে বাঁধলেন? পাথর বাঁধলে কী হয়? অথবা আরও আগের কথা ধরুন, ২৫ বছরে নবীজির বিয়ে হলো তারপরে ৪০ বছরে নবুয়ত—এই ১৫ টা বছর তার কিভাবে কাটল? অথবা বিয়েটা যে হলো, খাদিজার সাথে, তার সঙ্গে প্রথম পরিচয়টা কী করে ঘটল, বিয়েটা পাকাপোক্ত হলো কী করে, কোন ভাষায় খাদিজা তাকে প্রস্তাবটি দিয়েছিলেন? কিংবা আরও একটু আগে যাই। চাচার সঙ্গে সিরিয়ায় যাওয়ার পথে ওই যে বাহিরা পাদ্রীর সঙ্গে দেখা হলো, তিনি বললেন, তাকে নিয়ে যাও ফিরে যাও, ইহুদিরা দেখলে হত্যা করে ফেলবে। চাচা ভয়ে ফিরে এলেন। তাহলে সেই সিরিয়াতে আবার তিনি কিভাবে খাদিজার পণ্য নিয়ে গেলেন? মাজিদ মাজিদির 'মেসেঞ্জার অব গড'- দেখলাম, জন্মপূর্ব থেকে শুরু করে পুরো কিশোরকালটা ইহুদিরা নবীজিকে তন্ন তন্ন করে খুঁজেছে। কেন? অথবা প্রশ্ন করা হলো, হিরাক্লিয়াস কে আসলে? কিংবা জানতে চাওয়া হলো, বাবা মারা যাওয়ার কারণে নবীজির দাদা আব্দুল মুত্তালিব তার অভিভাবক হলেন, তারপর হলেন তার চাচা আবু তালিব। তো তারা না হয় বাইরে মাথার ছাতা হয়ে খরচ সামলেছেন শক্তি যুগিয়েছেন, কিন্তু আব্দুল মুত্তালিবের ঘরে নিশ্চয়ই তাঁর স্ত্রী অর্থাৎ নবীজির দাদী ছিলেন, আবু তালিবের সহধর্মিনী অর্থাৎ নবীজির চাচী ছিলেন। তারা কারা? নবীর জীবনের সঙ্গে তাদের কি কোনও যোগসূত্রই নেই? অথবা আব্দুল মুত্তালিব কী করে মুত্তালিবের গোলাম পরিচয়ে বেড়ে উঠলেন, নেতা হলেন কেমনে? অথবা হুদায়বিয়ার সন্ধিতে কেন বনু-খুজাআ মুসলিমদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলো? অথবা একদলকে হাবশায় পাঠিয়ে মদিনাতেই কেন নবীজি হিজরত করলেন, সেখানে জাগতিক শক্তিগুলো কিভাবে তাকে সহযোগিতা করেছে? অথবা... আচ্ছা, থাক... আমার মাঝেমধ্যে এইসব প্রশ্ন জাগে। টুক টুক করে খুঁজতে খুঁজতে একটু আধটু উত্তর পাই। যেমন আবদুল হামিদ তহমাজের লেখা একটা অনুবাদ বই পড়ছি, নবীপত্নী মহীয়সী খাদিজা—অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়েছি। খুঁজছি নিরন্তর... ©

তাবলিগে যাওয়ার আগে প্রতিবার দুইটা বিষয় খেয়াল রাখতাম: বেডিং যেন একটা হয় আর পছন্দের বই যেন সঙ্গে থাকে। তো সেবার শ্যামনগর যাওয়ার সময় দুইটা বই সঙ্গে নিলাম। এক. হুমায়ুন আহমেদের প্রথম পাঁচটি উপন্যাসের সঙ্কলন। দুই. আর রাহিকুল মাখতুম। পড়ার সময় খুব একটা পাওয়া যায় না। তা ছাড়া রমজান মাস তো, দিন কেমনে কেমনে যে ফুরিয়ে যায়, টের পাই না। তবু ঠিক ঠিক দুইটা টাইম বের করে ফেললাম। বাদ মাগরিব আর বাদ ফজর বয়ানের পর। কাউসার ভাই’র কথা মনে পড়ে। চারুকলার ছাত্র ছিলেন। হুট করে তাবলিগে এসেছেন। খুবই আড্ডাপ্রিয় আবার একই সঙ্গে পরহেজগার মানুষ। একটু পর পর এসে কুরআনের দুটি আয়াত শিখে যান, আর সারাক্ষণ আবৃত্তি করতে থাকেন। এভাবে সেই চল্লিশ দিনে তিনি পুরো সুরা ইয়াসিন আর আর-রহমান মুখস্ত করেছেন। কিন্তু আড্ডা তো লাগবে। আমি অবসরে একটু লিখতে বা পড়তে নিলে তার গা জ্বালা করত। চারপাশে ঘুরে ঘুরে তিনি খুঁজে বের করতেন আকর্ষণের প্লেস। ওয়াপদার পুকুর থেকে কলসি ভরে খাবার পানি নেয় এখনও, কোথায় একটা সরকারি পাঠাগার আছে পেপার পড়ার ইত্যাদি। একদিন মাগরিবের পর বই নিয়ে বসেছি, কী করণে সেদিন মনটা খুব ভার, তিনি টানতে টানতে নিয়ে গেলেন ‘কফি হাউজ’ নামের একটা দোকানে। আক্ষরিক অর্থে মান্না দে’র গানের মতো লম্বা বেঞ্চিতে বসে আড্ডা জমে উঠল। এলাকার তাবলিগপ্রিয় মাদরাসার ও কলেজ শিক্ষার্থীরাও যোগ দিলেন। এমন হলো যে, আমাদের জামাতের রোখ যে মসজিদেই হোক, মাগরিবের পরে সবাই এসে কফি হাউজে হাজির। সারাদিনের ক্লান্তি, দমবন্ধ ভাপ গল গল করে বেরিয়ে আসত কারগুজারি হয়ে। সম্পর্কটা এতদূর গিয়েছে যে, বিদায়ের আগের দিন এলাকার সমবয়সীরা আমাদের ফেয়ার ওয়েল দিলেন। পানীয় হয়ে আসল মোজো, তখনও নতুন, ২ লিটারের বোতলের ছিপি খুলতে গিয়ে শ্যাম্পেনের ক্যান খোলার মতো ফস ফস করে দুই লিটার পানীয়র উত্থান মোস্তাফিজ ভাইকে গোসল করিয়ে দিল। আর-রাহিকুল মাখতুম (The Sealed Nectar)। মানে সহজে বললে ছিপিআঁটা সুধা। একটা বেহেশতি পানীয়, যার গায়ে অরিজিনাল লেবেল লাগানো এবং ছিপি এখনও খোলা হয় নি। এমন নাম কীভাবে একটা নবীজীবনীর হয়, সেটা তখনও ভালো বুঝি না। মীযান হারুনের অনুবাদ, দারুল হুদার, এক রকম ঝোঁকের বশেই বইটা সঙ্গে নিয়েছিলাম। নবীজীবনী পড়ার স্বাদ একটু আধটু পাওয়া শুরু করেছি মাত্র। আমার ভালো ঘুম হতো না। তো বাড়ির একজন তাবিজ-কবজ দেওয়া হুজুর বলেছিলেন, কোনও বুজুর্গের জীবনী পড়তে পড়তে যেন ঘুমাই। তো চিন্তা করলাম, নবীজির সা. চেয়ে বড় বুজুর্গ আর কে? তার জীবনীই পড়ি। সেই হিসেবে সিরাতে খতামুল আম্বিয়ার উর্দু ভার্সনটা সঙ্গে রাখতাম। পড়তে মজা লাগত। ঘুমও হতো। কিন্তু রাহিক পড়া শুরু করার পর মনে হলো, নবীজীবনের ধারণা একেবারে বদলে গেলো। বুকের ভেতরটা নড়ে উঠল। মনে পড়ে, শ্যামনগর থানা মসজিদের দোতলায় গভীর মনোযোগে পড়ছি। পাশে কাউসার ভাই তাড়া দিচ্ছেন, শায়েখ, চলেন, সবাই বসে আছে। আমি তখন তন্ময়। অন্ধকার যুগের বর্ণনার ফাঁকে ফাঁকে কোরআনের আয়াত দেখে হতবাক। তখনও তো ওহি আসে নাই, কোরআন নাজিল হয় নাই। কিন্তু লেখার ভঙ্গিতে মনে হলো, আগেই নাজিল হয়ে গেছে। আল্লাহর এলেমে যে সবই আছে এবং সেই দিকে ইঙ্গিত করে পরে কী সুনিপুণ চিহ্ন উল্লেখ করেছেন নবির কাছে তিনি, একেবারে হতভম্ব হয়ে গেলাম। কাউসার ভাই দেখেন যে, বই রেখে আমি উপরে দিকে তাকিয়ে আছি। পুরো বইটা আমাকে কফি হাউজের আড্ডার মতো তৃপ্তি দিচ্ছিল। একটা থ্রিলারের মতো রোমাঞ্চ অনুভব করছিলাম। রমজানে ঘুমের সময় কম। কিন্তু বনু কুরাইজার ঘটনাটা না জেনে ঘুমাতে পারছিলাম না। কেবল শরহে জামি শেষ করেছি, ফিকহের এখতেলাফ ছাড়া লেখাপড়ায় আর কোনও সাসপেনশন তো পাই নাই। কিন্তু রাহিকের ভাঁজে ভাঁজে হাদিসগুলো মনে হলো দীপশিখার মতো জ্বলে জ্বলে উঠছে। আয়াতগুলো মনে হতো, ঠিক ঠিক মর্মসহ বুঝতে পারছি। অনুবাদ পড়ছি, নাকি আরবি, ভাষার আড়াল কাজই করছিল না। তাবলিগের সেই দিনগুলোতে হুমায়ুনের বই থেকে নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগার, অচিনপুর, নির্বাসনের মতো মাতাল করা মধ্যবিত্ত বাঙালির গল্প পড়েছি ঠিকই, কিন্তু রাহিক পাঠের অভিজ্ঞতা ছিল অনন্য। হুমায়ুন যেন শীতের রৌদ্রতপ্ত দুপুরের মতো কাঁটা কাঁটা তাপ, আর রাহিক ছিল দিনভর খুসুসি গাশতে ক্লান্ত হয়ে ফিরতি পথে পাওয়া ঠাণ্ডা লেবুর শরবত। খাব্বাবের ত্যাগ, মুয়াজ ইবনে জাবালের কাহিনি, আবু জান্দালের শেকল ছেঁড়া আকুতি, সঙ্গীদের প্রতি মহানবির সা. নিবেদন আমাকে এত কাঁদিয়েছে যে, প্রতিটা অধ্যায় পাঠের পরে মনে হতো পবিত্র দেহমন আরও পবিত্র হচ্ছে। কান্না বেশি পেলে বই রেখে দুই হাত তুলে মোনাজাতের ভান করতাম, যেন কাউকে চোখের পানির কৈফিয়ত দিতে না হয়। আমি মীযান হারুনের আর কোনও বই পড়ি নাই। কোনও অনুবাদও না। কিন্তু রাহিকের অনুবাদ তিনি ছাড়া আর কাউকে ভাবতেও পারি না। এরপর ছোট্ট জীবনে আরও অন্ততঃ হাজারখানে নবীজীবনী বা তাঁর জীবন বিশ্লেষণ পড়েছি,। বিশ্বব্যাপী সিরাত রজাপথের কত শত গলিঘুপচি ঘেঁটেছি, কিন্তু আর-রাহিকুল মাখতুম আমার কাছে আজও ক্লান্ত পথের পাশের আলো ঝলমলে কফি হাউজ। ©

মানুষ অন্তরে যা-কিছুই গোপন রাখে, আল্লাহ তাআলা চেহারার অবয়বে কিংবা মুখের ভাষায় তা প্রকাশ করে দেন। -উসমান ইবনে আফফান রা.

রাহনুমা প্রকাশনী বেশ ভালো অফার দিচ্ছে এই মাসে। তাদের অনেকগুলো দারুণ দারুণ কাজ আছে। সেখান থেকে কিছু বইয়ের নাম দিচ্ছি, যেগুলো চ
রাহনুমা প্রকাশনী বেশ ভালো অফার দিচ্ছে এই মাসে। তাদের অনেকগুলো দারুণ দারুণ কাজ আছে। সেখান থেকে কিছু বইয়ের নাম দিচ্ছি, যেগুলো চাইলে আপনি সংগ্রহ করতে পারেন। তাফসীরে উসমানী ১-৩ নূরের পর্বত থেকে সবুজ গম্বুজ কিশোরদের প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাম্মদ দি গ্রেটেস্ট সুখময় জীবনের সন্ধানে নবীজি সা. কেমন ছিলেন সাহাবায়ে কেরামের ঈমানদীপ্ত জীবন ১-২ তাবেঈদের ঈমানদীপ্ত জীবন দুনিয়াবিমুখ শত মনীষী সীরাতে আমিরে মুয়াবিয়া আকাবিরে উলামায়ে দেওবন্দ : জীবন ও অবদান ফিরে এসো নীড়ে হিসনে হাসিন সফরে হিজায ইসলামী জীবনের রূপরেখা ঈমান ও বস্তুবাদের সংঘাত দৈনন্দিন জীবনে ইসলামের বিধান দশ লেখক দশ জীবন কুরআনের বর্ণনায় শয়তান : পরিচয় ও পরিত্রাণ (আন্ডাররেটেড বই) বড় যদি হতে চাও প্রিয় লেখক প্রিয় বই মুসলিম নারীদের বীরত্বগাথা ইতিহাসের কান্না কুরআন অনুধাবন : মূলনীতি ও নির্দেশনা (একাধিক প্রকাশনী ছেপেছে) মরণজয়ী মহীয়সী সীরাতে আয়েশা ফাতেমাতুয যাহরা গল্পে আঁকা মহীয়সী আমিনা দেশে বিদেশে সমাজ সংশোধনের দিকনির্দেশনা নারী সাহাবীদের ঈমানদীপ্ত জীবন গল্পে আঁকা মহীয়সী খাদিজা মৃত্যুশয্যায় শয়তানের ধোঁকা আল্লাহর পরিচয়

photo content

photo content

photo content

photo content

ফেইসবুকে একটা সময় অনেক ভাই-ই সুন্দর সুন্দর ধর্মীয় লেখা লেখতেন। কেউ ছিলেন লেখক। কেউবা দাঈ। আস্তে আস্তে প্রায় সবাই হারিয়ে গেলেন। কেউ এক্সপোজ হলেন। কেউ নিজেকে গুটিয়ে নিলেন। কেউবা পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে চাপায় এখন আর আগের মতো অবসর, ফুরসত পান না। অনেকেরই নাম মনে নেই। তবে ভীষণ মিস করি আবদুল্লাহ আল মাসউদ ভাইকে, ইমরান রাইহান ভাইকে (যদিও টেলিগ্রামে ভালোই একটিভ, আগের সেই ধাঁচটা নেই), সাজিদ ইসলাম ভাই, মহিউদ্দিন রূপম ভাই, আব্দুল্লাহ মজুমদার ভাইসহ অনেককেই। রানিং সময়ে আম্মারুল হক ভাই দারুণ লিখছেন। ১৬/১৭ সালের দিকে পাঠক হলাম। সেই সময় অনেকেই প্রচুর পড়তেন। রিভিউ লেখতেন। সেই সময়ের তুমুল পাঠক সবাই হারিয়ে গেছেন। হারাননি, গুটিয়ে নিয়েছেন নিজেকে। কেউ পারিবারিক/সাংসারিক ব্যস্ততায় ব্যস্ত। কেউ ক্যারিয়ার গড়ায়। সেই পাঠকদের ভিড়ে শুধু রাশেদ ভাই প্রকাশনায় জড়িত থাকায় এখনো পাঠ চালিয়ে যাচ্ছেন। টুকটাক লেখালেখিও করছেন। নিজেও হারানোর তালিকায় এসে গেছি। যদিও এখনো অনলাইন ছাড়তে পারিনি। সবারই একটা জায়গা মিল। সাংসারিক/পারিবারিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ভেতরে অশান্তি, অস্থিরতা, ব্যস্ততায় সময় না পাওয়া। মাঝে মাঝে ভাবি, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সমস্যা আগেকার যুগেও ছিল। প্রত্যেক যুগের মানুষ ভাবত তারাই সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে জঞ্জালপূর্ণ সময় কাটাচ্ছে। পারিবারিক ব্যস্ততা, পেরেশানিতে ডুবে গেছে। এতকিছু সত্ত্বেও সালাফ-আকাবিরগণ কীভাবে নিজেদের ইলম অন্বেষণ ও লেখালেখিতে মশগুল রাখলেন। বেশি দূরের না, আদীব হুযুর, হেমায়েত উদ্দীন সাহেব, যাইনুল আবিদীন সাহেবরা কীভাবে এত দারুণ দারুণ, ক্লাসিক বইটই লিখলেন!

পেজ ডিলিট করব না। দীর্ঘদিন থেকে চালাচ্ছি তো, একটা মায়া জন্মে গেছে। নিয়ত আর এখলাছের প্রচুর ঘাটতি আছে। তবে, কোনোভাবে পেজটা হাতছ
পেজ ডিলিট করব না। দীর্ঘদিন থেকে চালাচ্ছি তো, একটা মায়া জন্মে গেছে। নিয়ত আর এখলাছের প্রচুর ঘাটতি আছে। তবে, কোনোভাবে পেজটা হাতছাড়া হয়ে গেলে খুশিই হব। অনলাইন থেকে দূরে যাওয়াটা আরও সহজ হবে। যেভাবে একেবারে দূরে চলে গেছেন সাজিদ ইসলাম ভাইসহ আরও অনেকেই।

photo content

🟩 ভালো বই এমন এক সঙ্গী, যা অমঙ্গল, অকল্যাণ ও ক্ষতির দিকে তোমাকে প্রলোভন দেখায় না। এটা এমন এক বন্ধু যা তোমাকে বিরক্ত করে না। এটা এমন এক প্রতিবেশি, যে তোমার ক্ষতি করে না। এটা এমন এক অপরিচিত ব্যক্তি যে তোষামোদ করে তোমার থেকে কোনো সুবিধা বাগিয়ে নিতে চায় না। এটা ছলনা ও মিথ্যার মাধ্যমে তোমাকে প্রতারণা করে না। বই তোমার অনুভূতিকে শক্তিশালী ও মেধাকে তীক্ষ্ণ করে। 🟩 বই-পুস্তক অধ্যয়ন করে যদি সঠিকরূপে উপকৃত হতে চাও, তবে অনেক বিষয় একসাথে পড়ে মস্তিষ্ককে বিক্ষিপ্ত করো না। বরং প্রথমে সুন্দর একটি রুটিন তৈরি করে নাও। অতঃপর সে অনুযায়ী সামনে অগ্রসর হও। যদিও তা পরিমাণে অল্প হয়। 🟩 বই পড়ার সুযোগ যিনি পান, তিনিই সৌভাগ্যবান। কারণ, পৃথিবীর বাগান থেকে তিনি ফল সংগ্রহ করেন এবং জগতের বিস্ময়াবলি অবলোকন করেন। কালের গন্ডি পেরিয়ে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ান। 🟩 মানুষের সর্বোত্তম সঙ্গী বই। তাই বই, জ্ঞান ও জ্ঞানীকে স্থায়ী বন্ধুরূপে গ্রহণ করো। 🟩 সেসব বই-পুস্তক পাঠ করো না, যা উৎকণ্ঠা ও ব্যাকুলতা নৈরাশ্য ও অস্থিরতা সৃষ্টি করে। 🟩 তোমার ঘরের গ্রন্থাগারটি তোমার জন্য সবুজ-শ্যামল বাগিচা স্বরূপ। তুমি সেখানে, বিজ্ঞ-প্রাজ্ঞ, জ্ঞানী-গুণী আলেম-উলামা, কবি-সাহিত্যিকদের সঙ্গে বিচরণ করো। 🟩 সব সময় বই সাথে রেখো। সময়ের সংরক্ষণ ও অবসরকে কাজে লাগাতে বইয়ের বিকল্প নেই। 🟩 পাঠের কিছু উপকারিতা হলো, এতে জবান খোলে, জ্ঞান বৃদ্ধি পায়, অন্তর পরিষ্কার হয়, দুশ্চিন্তা দূর হয়। 🟩 দালান-কোঠা ও ধন-ঐশ্বর্য থেকে সেই বই উত্তম, যা দ্বারা বোধশক্তি শাণিত হয়, হৃদয়ে আনন্দ জাগে, নফসে শক্তি সঞ্চার হয়; যা বক্ষকে করে উন্মুক্ত ও চিন্তা-চেতনাকে করে পরিচ্ছন্ন। 🟩 ধর্মদ্রোহীদের বই-পুস্তক পড়ো না। তাদের বই-পুস্তকে সেই সব ময়লা-আবর্জনা ও নোংরামি থাকে, যা অন্তরকে কলুষিত করে; এমন বিষ থাকে, যা আত্মাকে হত্যা করে ফেলে। এসবের চিকিৎসা হচ্ছে ইলমে ওহী; যার দ্বারা আত্মা সুস্থতা লাভ করে। 🟩 ইতিহাস পড়ো। ইতিহাসের বিস্ময়কর বিষয়গুলো নিয়ে ভাবো। তার দূর্লভ-দুষ্প্রাপ্য বিষয় নিয়ে গবেষণা করো। উপভোগ করো ও উপকৃত হও ইতিহাসের ঘটনাবলি ও বৃত্তান্ত থেকে। -আয়েয আল কারনী বই : তুমিও পারবে। হুদহুদ প্রকাশন

পাঠকের উদ্দেশে পাঁচটি পরামর্শ! রাবী' আস সামলালী। বিদগ্ধ একজন আরব লেখক। চমৎকার উপস্থাপনায় তিনি পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বই-পাঠ, বই-সংগ্রহ প্রভৃতি বিষয়ে তাঁর পরামর্শগুলো খুবই ফলপ্রসূ মনে হয়। এ সম্বন্ধে তিনি একাধিক বইও রচনা করেছেন। এখানে বিক্ষিপ্ত পাঁচটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো: ১. দৈনিক যদি আপনি মাত্র দুই পৃষ্ঠা করে পড়তে থাকেন, তাহলে বছর শেষে আপনার পাঠের পরিধি সাত শ পৃষ্ঠা হয়ে গেল। চিন্তা করে দেখুন! দৈনিক যদি মাত্র দশ পৃষ্ঠা করে পাঠ করেন, তাহলে এর পরিমাণ কেমন হবে? ২. প্রকৃত পাঠাভ্যাস হলো, আপনি বইটি এমন আগ্রহ, আকর্ষণ ও মনোযোগ দিয়ে পড়বেন যেন আপনি কোনো বিপদ থেকে নিজের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসছেন। ৩. আমরা বইপত্র সংগ্রহ করি; না ঘর সাজানোর জন্য কিংবা গর্ববোধ করবার জন্য। বরং বই সংগ্রহ করি নিজেদেরকে এই দোষ থেকে বের করে আনবার জন্য, 'আর মানুষ তো অজ্ঞ এবং অত্যাচারী'। ৪. প্রবীণদের বই পড়বার আগে নবীনদের বই পড়তে শুরু কোরো না; যাতে ভালো-মন্দ এবং শুদ্ধ-অশুদ্ধ যাচাই-বাছাই করবার যোগ্যতা তৈরি হয়। ৫. অধিক বই সংগ্রহ করা কখনো আপনার জন্য পেরেশানি এবং মনোযোগহীনতার কারণ হয়ে যেতে পারে। সেজন্য নির্দিষ্ট পরিমাণে বই সংগ্রহ করুন। প্রথমে নিজের পাঠাগারে বিদ্যমান বইগুলো দিয়েই পাঠ শুরু করুন। ভালো করে ২০টি বই পাঠ করা ১০০টি বই সংগ্রহ করবার চেয়েও উত্তম; যেগুলো আপনি হয়তো একনজর দেখবারই সুযোগ পাবেন না! . বই : ইলম চয়নিকা (২) লেখক : মাহফুয আহমদ

কোনোটা পড়েছেন?
+3
কোনোটা পড়েছেন?

photo content

আল্লাহকে পাওয়ার সহজ উপায় . আল্লাহর ভয় অর্জন করতে পারলে বান্দার জীবনে তাকওয়া, আল্লাহর সাহায্যকামনা এবং নিচু আশা-এগুলোও এসে যায়। এই দিকে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হবে-এই ঈমান দৃঢ় হলে যুহদও এসে যায়। এভাবে আল্লাহর মারেফত থেকে আসে মহব্বত, ভয় ও আশা। . অল্পেতুষ্টি থেকে আসে আল্লাহর ফয়সালার প্রতি সন্তুষ্টি। যিকির থেকে আসে অন্তরের জীবন। তাকদিরের বিশ্বাস থেকে আসে তাওয়াক্কুল। সর্বদা আল্লাহর নাম ও সিফাতের প্রতি দৃষ্টি রাখলে তৈরি হয় মারেফত। . তাকওয়া থেকে যুহদও তৈরি হয়। তওবা ও সর্বদা যিকিরে তৈরি হয় মহব্বত। আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্টি থাকলে শোকরও আসবে। বান্দার সংকল্প দৃঢ় হলে এবং সবর থাকলে সকল হাল ও মাকাম সৃষ্টি হয়। ইখলাস ও সত্যবাদিতা-একটি অপরটিকে তৈরি করে। . মারেফতে চরিত্র তৈরি হয়। ফিকিরে আসে সংকল্প। মুরাকাবার কারণে সময় কাজে লাগানোর গুরুত্ব, লজ্জা, ভয় ও আল্লাহমুখিতা সৃষ্টি হয়। নফসকে তুচ্ছ ও নির্জীব করলে অন্তর হয় জীবন্ত ও মর্যাদাবান। . যে ব্যক্তি নিজের আসল অবস্থা অনুধাবন করতে পারে এবং তা নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকে, আল্লাহর প্রতি তার লজ্জা কাজ করে; তখন প্রাপ্ত নেয়ামতকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মনে হয়, আর নিজের আমল অঢেল হলেও কম মনে হয়। . অন্তর ও জবান থেকে আত্মগর্ব মিটিয়ে দিলে এবং ঠিকঠাক অন্তজ্ঞান অর্জন করলে ঈমান সুদৃঢ় হবে। আর সঠিক অন্তজ্ঞান অর্জিত হয় আল্লাহ তাআলার নিদর্শনাবলি যথাযথ পর্যবেক্ষণ করলে। . ভাবছেন, এত কিছু মনে রাখবো কীভাবে? তাহলে এ সবগুলোর চাবিকাঠি মনে রাখুন। মাত্র দুটি বিষয় সবগুলোর চাবিকাঠি- -এক-অন্তরকে দুনিয়ার ঠিকানা থেকে স্থানান্তর করে আখেরাতের ঠিকানায় স্থিত করা। . -দুই-এরপর পূর্ণ মনোযোগের সাথে কুরআনের বক্তব্যগুলো এবং সেগুলোর ব্যাখ্যা উদ্‌ঘাটন ও অনুধাবনে মগ্ন হওয়া। কুরআনের প্রত্যেক আয়াত থেকে নিজের ভাগ গ্রহণ করা। প্রতিটি আয়াতকে নিজের অন্তরের রোগের ওপর প্রয়োগ করা। . এটাই আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছার সংক্ষিপ্ত ও সহজ পথ। এ পথ নিরাপদ। এতে ভয়-শঙ্কা নেই, ক্ষুধা-তৃষ্ণা নেই। অন্যান্য পথের মতো বিপদাপদ নেই। এ পথের যাত্রীদের হেফাজত করে আল্লাহর নিয়োজিত ফেরেশতারা। আর এই পথের গুরত্ব কেবল সে-ই বুঝতে পারবে, যে অন্য সব পথের ঝুঁকি, শঙ্কা ও ওত পেতে থাকা ডাকাতদের ব্যাপারে অবগত আছে। . ‘সংক্ষিপ্ত মাদারিজুস সালিকীন’ বই থেকে নেয়া...

photo content

photo content