ar
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

الذهاب إلى القناة على Telegram

إظهار المزيد
لم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
1 217
المشتركون
+324 ساعات
+297 أيام
+4230 أيام
أرشيف المشاركات
photo content

স্মারকগ্রন্থ হচ্ছে, যাকে নিয়ে লেখা, তার জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে তার সমকালীন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের লেখার সংকলন।
স্মারকগ্রন্থ হচ্ছে, যাকে নিয়ে লেখা, তার জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে তার সমকালীন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের লেখার সংকলন।

আহা! 💔
আহা! 💔

photo content

photo content

photo content

তুমি যদি জানতে যে আমি আসলেই কেমন, তাহলে তুমি আমাকে সালাম দিতে না। -আবুল ওয়াক্ত সিজযী রহ.

আল্লাহ পাক মেহেরবাণী করে তাঁর সাত্তার নামের উসিলায় আমার পাপগুলো ঢেকে না রেখে আমার অন্তরের কদর্যতা প্রকাশ করে দিলে, মানুষ হয়তো থুতু দিতেও ঘৃণা করতো। কেবলমাত্র এই একটা নেয়ামতের কথাও যদি চিন্তা করি, এর শুকরিয়া আদায় না করতে পারার জন্য আমার লক্ষ কোটি বার ইস্তেগফার করা উচিত। আল্লাহুম্মাগফিরলি। لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ

তাজবীদের মশকের ক্ষেত্রে লজ্জা বা অস্বস্তি ইয়াকুবকে কখনো পেছনে ফেলতে পারেনি। যখনই বলেছি, তাশাহহুদ শোনাও। সাথে সাথে মিষ্টি হাসি দিয়ে শুরু করেছে। ভরা রাস্তায় আমরা হাঁটতাম। একবার আমি এক আয়াত বলতাম, সেটা আবার ও অনুকরণ করত। আগ্রহ ছিল। আখিরাতের ভয় ছিল। মনোযোগ দিয়ে শিখত। প্রথম দিকে একবার ও পারিবারিক চাপে লম্বা দাড়ি কেটে ফেলল। খুব লজ্জিত হলো। কিন্তু কিছু করার ছিল না। সমস্যা হয়েছিল আমার ভেতরে। কী অসহনীয় কষ্ট আমি এতে পেয়েছি, তা কেউ জানবে না, বুঝবে না। ইচ্ছে হতো এ পৃথিবীটা ধরে একটা ঝাঁকুনি দিয়ে সব তছনছ করে ফেলি। কিন্তু আমি তো কাউকে বাধ্য করতে পারি না। অনেকগুলো দিন এভাবেই গেল। নামাজ পড়তাম একসাথে। তালীম করতাম। কিন্তু আমি ওর চেহারার দিকে তাকাতাম না। ও কি সেটা বুঝত? কে জানে! পরিবারে দ্বীনী পরিবেশ তেমন ছিল না। ও চেষ্টা করত ঘরে নিয়মিত তালীম করতে। সব সময় পারত না। কিছুটা অসচ্ছলতাও কখনো ছিল। কিন্তু ছেলেটার আত্মসম্মানবোধ ছিল প্রচণ্ড। কারও কাছে মাথা নত করেনি। যেকোনো দ্বীনী কাজে ডাকলে আর কেউ আসুক না আসুক, ইয়াকুব রেডি থাকত। গাফলতের কারণে সে জয়েন করেনি এমন কমই হতো। সে ছিল আমার সবচেয়ে অনুগত আর সবচেয়ে কোরবানীওয়ালা সঙ্গী। কথা না শোনার ব্যাপারটা ছিল না তার মাঝে। অনেক দিন থেকেই শুনছিলাম ওর কিডনির অবস্থা খারাপ। একদিন দেখে এলাম। অসুস্থ হলেও হাসিখুশি ছেলে। দুআ চাইল। আমরাও দুআ চাইলাম। লকডাউনের মাঝে এক বিকেলে ওর বাবা কল করে বলল, ইয়াকুব তো মারা গেছে। পরিবেশটা তখন এমনিতেই জটিল ছিল। কেউ মারা যাওয়াও তখন পাপের মতো। আমরা গেলাম। পুরো পরিবার আগের কয়েকটা দিন বিভিন্ন হাসপাতালে ছোটাছুটি করেছে। করোনার ভেতর এই কাজটাই বোধহয় সবচেয়ে ঝামেলার ছিল। পরিবারের মানুষগুলো ছিল উদ্ভ্রান্ত। কিছু বুঝে উঠতে পারছে না, কী করবে এখন। জীবনের প্রথম বোধহয় কাউকে সান্ত্বনা দিলাম। কাকা, আপনি বসে বিশ্রাম নিন, সব আমরা দেখছি। আমার বাবার মৃত্যুর সকালটার বিভীষিকা আমার স্মরণ হলো। মনে হলো এই পরিবারটা এখন তেমনই এক অবস্থায় আছে। পার্থক্য হলো আমি হারিয়েছিলাম পিতা। আর এই পিতা হারিয়েছেন তার কনিষ্ঠ পুত্র। এটা আরও বেশি কঠিন। আগের রাতে যে ইয়াকুব হাসপাতালে দীর্ঘসময় চেয়ারে বসে ইবাদত করেছে। দুআ করেছে। পরদিন বিকেলে আল্লাহর মেহমান হয়ে গেছে। নিজেরা গোসল দিলাম ওকে। জানাজা দিয়ে কবরের গভীরে রেখে এলাম। কবরে নেমে ওকে নামানোর সাথে ওর আবাসটাও দেখে এলাম। সে এক অপরিচিত অনুভূতি। সব বিষয়ে প্রিয় ইয়াকুবের চেয়ে আমি সিনিয়র ছিলাম। কিন্তু কবরের যাত্রায় সে এগিয়ে গেছে। মালাকুল মউত আ. কে সে দেখেছে। মুনকার-নাকীরের সাথেও সাক্ষাৎ হয়ে গেছে। অনেক ভয়ের পথ সে পেরিয়ে গেছে, যা আমার এখনো বাকি। খুশি লাগে এটা ভেবে যে, ইয়াকুব দাড়ি নিয়েই কবরে গিয়েছে। রহিমাহুল্লাহু তাআলা। © মুহাম্মদ হোসাইন ১১-০২-২০২১

photo content

photo content
+1

ইদানী তিনটা গজল ভালো লাগে। ভাবায়ও। তন্মধ্যে এটা একটা।

photo content

হ্যাঁ, নিতে পারেন এটা।
হ্যাঁ, নিতে পারেন এটা।

মাশা-আল্লাহ। আল্লাহ বরকত দিন।
মাশা-আল্লাহ। আল্লাহ বরকত দিন।

দুআর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য এটিও যে, তা একই সঙ্গে ইবাদত আবার কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জনের নিশ্চিত ও শক্তিশালী মাধ্যম। দুআ কবুলের শর্তাবলির অনুপস্থিতি বা কমতির কারণে প্রার্থনাকারীর কোনো সীমাবদ্ধতা থাকলে ভিন্ন কথা নতুবা আল্লাহর পক্ষ থেকে দুআ কবুলের এবং দুআকে স্বাগত জানানোর যে ওয়াদা তিনি করে রেখেছেন তাতে কোনোরূপ ব্যত্যয় ঘটে না। বরং সর্বদা ওয়াদার চেয়ে বেশিই স্বাগত জানানো হয়। দুআই একমাত্র ইবাদত যাতে খালেস দুনিয়াবী প্রয়োজনকেও শামিল করার অনুমতি আছে। -মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক হাফি. [দরসে দুআ : ৬]

দুআর বদৌলতে ঈমান ও ইখলাস, ইলম ও আমল, আখলাক-চরিত্র ও চিন্তা-চেতনা প্রভৃতি দ্বীন-দুনিয়ার সর্ববিষয়ে সব দিক থেকে বান্দার জীবনে খায়ের-বরকত ও কল্যাণের ধারা বর্ষিত হতে থাকে। কিন্তু এই সার্বিক কল্যাণ তখনই লাভ করা সম্ভব হবে, যখন পূর্ণ ইয়াকীনের সঙ্গে দুআর শব্দমালার অন্তর্নিহিত গভীর ভাব ও মর্ম এবং আবেদন ও তাৎপর্য মনে জাগরূক রেখে একনিষ্ঠ চিত্তে হৃদয় মন দিয়ে আল্লাহর কাছে দুআ করা হবে। এর জন্যে দুআর শব্দমালা সঠিকভাবে উচ্চারণ করা এবং উত্তমরূপে হিফয করা যেমন জরুরি, তেমনি দুআর অর্থমর্ম বোঝাও জরুরি। -মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক হাফি. [দরসে দুআ : ৮]

দুআর স্বাদ যাদের নসীব হয়েছে, যারা দুআর গূঢ়-রহস্য অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছেন তাদের শানই আলাদা। তাদের ঘটনা পড়লেও ঈমান তাজা হয়। আমাদের উস্তায শায়েখ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহ. স্ব-সময়ের বড় মুহাদ্দিস ও ফকীহ শায়েখ আহমদ ইবনে আবী গালেব ইবনুত তাল্লায়াহ (৫৪৮ হি.)-এর একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন। একজন লোক তাঁর কাছে এসে আরয করে, আমাকে আর্থিক সহযোগিতা করার জন্যে অমুক মালদারের কাছে একটি সুপারিশনামা লিখে দিন। শায়েখ জবাবে বললেন, তুমি আমার সঙ্গে এস। আমরা দু রাকাত নামায পড়ে আল্লাহর কাছে চাই। আমার পক্ষে এ সম্ভব নয় যে, আমি খোলা দরজা ছেড়ে বন্ধ দরজার দ্বারস্থ হব। -রিসালাতুল মুসতারশিদীন ৮২ (টীকা) শায়েখ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহ. সেখানে শিক্ষণীয় আরো একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন। আবদুর রহমান ইবনে ইবরাহীম আলফিহরী বলেন, এক ব্যক্তি তার কোনো প্রয়োজন সমাধার লক্ষ্যে একজন আমীরের কাছে যায়। আমীরের দরবারে পৌছে দেখে, তিনি সিজদায় পড়ে আল্লাহ তাআলাকে ডাকছেন। তখন লোকটি বলে ওঠে, এই ব্যক্তি নিজেই তো অন্যের মুখাপেক্ষী, তাহলে আমি তার মুখাপেক্ষী হই কীভাবে? আমি সেই দরবারে কেন প্রয়োজন পেশ করি না, প্রয়োজন পূরণ হতে যেখানে সময় লাগে না? এ কথা বলে লোকটি চলে যায়। লোকটির কথা আমীর শুনতে পান। সিজদা থেকে মাথা তুলে তিনি লোকটিকে তার কাছে নিয়ে আসতে বলেন। লোকটিকে হাজির করা হলে তিনি তাকে দশ হাজার দিরহাম দান করেন। এরপর বলেন, এই দিরহাম আপনাকে সেই মহান সত্তা দান করেছেন, আমি যার দরবারে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে দুআ করছিলাম এবং আপনি যার দ্বারস্থ হওয়ার মনস্থ করেছিলেন। -রিসালাতুল মুসতারশিদীন : ৮২ [দরসে দুআ : ৭-৮]

photo content

বিবেকবান ব্যক্তিরা যেন দৃষ্টি নিবদ্ধের ব্যাপারে সতর্ক থাকে। কারণ, নারীরা যতটুকু সৌন্দর্যের অধিকারী, চোখ তার চেয়ে বেশি সৌন্দর্য অনুভব করে। -ইবনে মুফলিহ রহ. [যে রোগে অন্তর মরে : ১৪৭]