uz
Feedback

Firibgarlarga uchmang! Telemetrio bunday kanallarni topadi va belgilaydi 👉 Belgini ko‘rmoqchi bo‘lsangiz, obuna bo‘ling 👈

Rida - রিদা

Rida - রিদা

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রচার কর যদি একটি মাত্র আয়াতও হয় 💚 পেইজ লিঙ্ক - https://www.facebook.com/rida048 🔹 টেলিগ্রাম লিঙ্ক - https://t.me/rida048

Ko'proq ko'rsatish
710
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
-17 kun
-330 kun
Postlar arxiv
20250101_092533.jpg2.38 MB

সুবহানআল্লাহ 🌺
সুবহানআল্লাহ 🌺

20250101_092518.jpg2.21 MB

তাহলে তার সালাতই হবে না। 💔
তাহলে তার সালাতই হবে না। 💔

20250101_092502.jpg4.02 MB

ইনশাআল্লাহু বিইযনিল্লাহ ❤️‍🔥
ইনশাআল্লাহু বিইযনিল্লাহ ❤️‍🔥

20250108_100818.jpg4.16 MB

আমাদের সমাজে স্বামী-স্ত্রী ঝগড়ার মুহূর্তে এমন শব্দও বলে ফেলে, যার কারণেও তালাক হয়ে যায়। 💔 বই - তালাক মানবজীবনের এক দুঃস্বপ্ন
আমাদের সমাজে স্বামী-স্ত্রী ঝগড়ার মুহূর্তে এমন শব্দও বলে ফেলে, যার কারণেও তালাক হয়ে যায়। 💔 বই - তালাক মানবজীবনের এক দুঃস্বপ্ন পৃষ্ঠা - ২৪

20250109_205927.jpg2.12 MB

কী কী কথার কারণে তালাক হয়ে যাবে মানুষ এটাই জানে না। ফলে তালাক হয়ে যাওয়ার পরও বহু বছর যাবৎ তারা সংসার করছে। সন্তানাদিও হচ্ছে।
কী কী কথার কারণে তালাক হয়ে যাবে মানুষ এটাই জানে না। ফলে তালাক হয়ে যাওয়ার পরও বহু বছর যাবৎ তারা সংসার করছে। সন্তানাদিও হচ্ছে। অথচ এ অবস্থায় যতদিন স্বামী-স্ত্রী একসাথে বসবাস করবে, ততদিন তাদের যিনার গুনাহ হতে থাকবে। কোনো স্বামীই চায় না তার প্রিয়তমা স্ত্রীর সাথে তার বিচ্ছেদ হয়ে যাক। কিন্তু ঝগড়া তো প্রত্যেক পরিবারের দৈনন্দিন বিষয়। খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হওয়া স্বাভাবিক। আর তখনই শয়তান দুজনের মাঝে খুব বড় একটি কাজ করে বসে, তা হলো, স্বামীর মুখ থেকে সে এমন কথা বের করে বসে, যার দ্বারা স্ত্রী তালাক হয়ে যায়! অথচ স্বামী ঘুণাক্ষরেও টের পেল না। কেউ কেউ তো স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়ে মাসআলা না জানার কারণে পুনরায় বিয়ে করে সংসার করতে থাকে! বই - তালাক মানবজীবনের এক দুঃস্বপ্ন পৃষ্ঠা - ২৩

20250107_194410.jpg2.67 MB

পরিস্থিতি কখনো এমন নাযুক হয়ে যায় যে, মীমাংসা ও সংশোধনের সকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়। কোনোক্রমেই একমতে পৌঁছা সম্ভব হয় না। দাম্পত্য-জী
পরিস্থিতি কখনো এমন নাযুক হয়ে যায় যে, মীমাংসা ও সংশোধনের সকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়। কোনোক্রমেই একমতে পৌঁছা সম্ভব হয় না। দাম্পত্য-জীবন থেকে সাফল্য লাভ হওয়া তো দূরের কথা, একে অপরের চেহারা পর্যন্ত দেখতে চায় না। যতদ্রুত সম্ভব বিচ্ছেদ ঘটালেই তারা হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। এ রকম চূড়ান্ত পর্যায়ে গেলে শরীয়ত স্বামীকে তালাক দেওয়ার এখতিয়ার দিয়েছে। তবে তালাক দেওয়া অত্যন্ত অপছন্দনীয় ও ঘৃণিত কাজ। তারপরও তালাক দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা না থাকলে শরীয়ত-সমর্থিত পদ্ধতি অনুসরণ করে তালাক দেবে। বই - তালাক মানবজীবনের এক দুঃস্বপ্ন পৃষ্ঠা - ২৭,২৮

20250107_194352.jpg3.09 MB

বিয়ের আগে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো বিয়ে ও বিয়ে-পরবর্তী প্রয়োজনীয় মাসাআলা-মাসায়েল জেনে নেয়া। কিন্তু এ বিষয়ে কয়জনই-বা প
বিয়ের আগে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো বিয়ে ও বিয়ে-পরবর্তী প্রয়োজনীয় মাসাআলা-মাসায়েল জেনে নেয়া। কিন্তু এ বিষয়ে কয়জনই-বা প্রস্তুতি নিই আমরা? বিয়ের আগের বিভিন্ন মাসআলা-মাসায়েল, কীভাবে সুন্নাহ অনুসারে বিয়ে করা যাবে, বিয়েতে কী কী কাজ শরীয়ত সমর্থন করে না ইত্যাদি বিষয় তো জানতেই হবে। বই - তালাক মানবজীবনের এক দুঃস্বপ্ন পৃষ্ঠা - ২২

20250105_212124.jpg2.64 MB

photo content

মৌলিকভাবে তালাক তিন প্রকার।
১. তালাকে রজয়ী। ২. তালাকে বায়েন। ৩. তালাকে মুগাল্লাযা।
তালাকে রজয়ী : তালাকের সুস্পষ্ট শব্দের মাধ্যমে স্ত্রীকে এক বা দুই তালাক দিলে তালাকে রজয়ী পতিত হয়। এ ক্ষেত্রে স্বামী চাইলে স্ত্রীর ইদ্দতের মধ্যেই তাকে ফিরিয়ে নিতে পারবে। ফিরিয়ে নেয়ার পদ্ধতি হচ্ছে, ইদ্দতের ভেতর স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত ব্যক্ত করা। যেমন: এ কথা বলা যে, তোমাকে স্ত্রীরূপে গ্রহণ করলাম। এ কথা বলার দ্বারাই তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক পুনর্বহাল হয়ে যাবে। অথবা কোনো কিছু না বলেই যদি তার সাথে স্ত্রীসুলভ আচরণ করে, তাহলেও ফিরিয়ে নিয়েছে বলে ধরা হবে। তবে মুখে বলে ফিরিয়ে নেয়া উত্তম। এ ক্ষেত্রে দুজন পুরুষ কিংবা একজন পুরুষ ও দুজন নারীকে সাক্ষী রাখা ভালো। যাতে পরবর্তী সময় ভুল ধারণা সৃষ্টি না হয় এবং স্ত্রী যেন অস্বীকার করতে না পারে। আর যদি স্বামী ইদ্দতের ভেতরে (ঋতুমতী মহিলার জন্য তিনটি ঋতুস্রাব অতিবাহিত হওয়া পর্যন্ত। আর অন্তঃসত্ত্বা মহিলার জন্য সন্তান প্রসব পর্যন্ত) স্ত্রীকে ফিরিয়ে না নেয়, তবে ইদ্দত শেষ হওয়ার সাথে সাথে তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে আবার ঘর-সংসার করতে চাইলে নতুন মোহর ধার্য করে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে নতুন করে বিবাহ করতে হবে। তালাকে বায়েন: বায়েন শব্দের অর্থ হচ্ছে ছিন্ন হওয়া। যে তালাক প্রদান করলে স্বামী-স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়, তাকে বায়েন তালাক বলে। এ ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে সুষ্ঠুরূপে পুনরায় দাম্পত্য-জীবন গড়তে চাইলে পুনরায় মোহর ধার্য করে কমপক্ষে দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। এতে করে তারা একে অপরের জন্য হালাল হয়ে যাবে। স্বামী যদি তালাকের উদ্দেশ্যে তালাকের অস্পষ্ট শব্দ উচ্চারণ করে, যেমন : তুমি বাপের বাড়ি চলে যাও, ঘর থেকে বের হয়ে যাও ইত্যাদি, তাহলে তালাকে বায়েন পতিত হবে। অনুরূপভাবে তালাক শব্দের সাথে যদি কোনো প্রকার অতিরিক্ততা বা কঠোরতার গুণ যুক্ত করা হয়, তাহলেও তালাকে বায়েন হয়। যেমন: কেউ বলল, তোমার প্রতি তালাকে বায়েন কিংবা তোমাকে অকাট্য তালাক, সবচেয়ে কঠিন তালাক ইত্যাদি। এসব শব্দ বলে তিন তালাক উদ্দেশ্য নিলে তিন তালাকই পতিত হবে। অন্যথায় এক তালাকে বায়েন হবে। আরও উল্লেখ্য যে, এটিই যদি প্রথম বা দ্বিতীয় তালাক হয়ে থাকে, তাহলে পর্যায়ক্রমে ভবিষ্যতে দুই বা এক তালাক দিলেই স্ত্রী সম্পূর্ণরূপে হারাম হয়ে যাবে। তখন আর বিবাহ দোহরানোরও কোনো সুযোগ থাকবে না। তালাকে মুগাল্লাযা : মুগাল্লাযা শব্দের অর্থ কঠিন, কঠোর। এ প্রকারের তালাক পূর্বের দুই প্রকারের তালাকের চেয়ে কঠিন। কারণ এ ক্ষেত্রে বিয়ে দোহরিয়ে ওই মহিলার সাথে ঘর-সংসার করা যায় না। স্বামী স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেই তা তালাকে মুগাল্লাযায় পরিণত হয়। চাই তা একসাথে দেয়া হোক অথবা আলাদা আলাদা দেয়া হোক-তিন তালাক হয়ে গেলে স্ত্রী স্বামীর জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে। বই - তালাক মানবজীবনের এক দুঃস্বপ্ন পৃষ্ঠা - ৩৯,৪০

20250101_092424.jpg2.36 MB

আল্লাহুম্মাগফিরলি
আল্লাহুম্মাগফিরলি

20241216_202349.jpg4.05 MB