uz
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Kanalga Telegram’da o‘tish

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 analitikasi

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 15 451 obunachidan iborat bo'lib, Siyosat toifasida 3 630-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 1 469-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 15 451 obunachiga ega bo‘ldi.

24 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni -209 ga, so‘nggi 24 soatda esa 0 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 11.69% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 3.25% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 1 808 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 503 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 32 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 25 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Siyosat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

15 451
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
-647 kunlar
-20930 kunlar
Postlar arxiv
আমীরে জামায়াত বলেছেন কেরু চিনি কলের কথা, বিএনপির ছাপড়িরা বুঝে নিছে মদের কোম্পানি। আসলে ওরা যেটা খায় সেটাই বুঝবে, ভাল চিন্তা ক
আমীরে জামায়াত বলেছেন কেরু চিনি কলের কথা, বিএনপির ছাপড়িরা বুঝে নিছে মদের কোম্পানি। আসলে ওরা যেটা খায় সেটাই বুঝবে, ভাল চিন্তা করার সময় তাদের কই? ওদের মাথায় থাকবে ম'দ, গা'ঞ্জা, চুরি, চাঁদাবাজি, ভোট চুরি, মেয়েদের নিয়ে বাজে কথা, খুন হামলা এরা তো চিনি কলকে মদের কারখানা মনে করবেই।

আমরা ভুলিনি....ভুলবো না।
আমরা ভুলিনি....ভুলবো না।

ফেসবুকে অমানুষদের বুনো উল্লাস
ফেসবুকে অমানুষদের বুনো উল্লাস

ভিডিওতে স্পষ্ট যে পুলিশ আর আর্মি শুধুমাত্র থানা আমিরকে প্রোটোকল দিয়ে সেফ এক্সিট দিতে চেয়েছে কিন্তু একজন থানা আমীর তার কর্মীদের পশুদের সামনে ফেলে কিভাবে একা চলে যায় যেখানে সারাদেশে বিএনপি হামলা করছে? বিএনপির সমর্থকদের এর কী বলবো! একটা কথাই বলি দলকানা হয়েন না আগে মানুষ হন পরে বিএনপির একজন সমর্থক হন কাটছাঁট ভিডিও প্রচার করে আপনারা খুনকে জাস্টিফাই করতে চাচ্ছেন।

শহীদ ওসমান হাদি গুলি খাওয়ার পরেও বিএনপির সকলে ঢালাওভাবে প্রচার করে যে নির্বাচনে জেতার জন্যই ওসমান হাদি গুলি খায় ইচ্ছা করে!
শহীদ ওসমান হাদি গুলি খাওয়ার পরেও বিএনপির সকলে ঢালাওভাবে প্রচার করে যে নির্বাচনে জেতার জন্যই ওসমান হাদি গুলি খায় ইচ্ছা করে! এদের আর লীগের মধ্যে কোনই পার্থক্য নেই

খু'নের ঘটনা জাস্টিফাই করতে বাজারে নতুন বয়ান আমদানি করছে জাতীয়তাবাদী বটফোর্সের সদস্যরা৷ যে বিএনপি নেতারা নাকি বুঝানোর পরেও জামায়াতের প্রার্থী স্থান ত্যাগ করে নাই, তাই এই খু'নের ঘটনা। সংক্ষেপে একটু রেট্রোস্পেক্ট করি। বিকেলে ইশতেহার পাঠের প্রোগ্রাম ছিলো। বিএনপির লোকজন দেরি করে আসায় সামনের দিকের চেয়ারে বসতে পারে নাই। দেরি করে এসে চেয়ারে বসে থাকা জামায়াত কর্মীদের তুলে দিয়ে নিজেরা বসতে চাওয়ায় সংঘ'র্ষের সূত্রপাত হয়৷ এখানে একধাপ হা'তাহাতির পর বিএনপি বের হয়ে পাশের ঝিনাইগাতী বাজারে অবস্থান নেয়। এরমধ্যে আগুনে ঘি ঢালে "ফাহমী গোলন্দাজ সোহেল" নামের এক লোকের ফেসবুকে স্ট্যাটাস, যে "জামায়াতের বাদলকে পেলে জ'বাই করা হবে"। এখন সমস্যা হচ্ছে জামায়াত প্রার্থীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী শ্রীবরদী উপজেলার নেতাকর্মীরাও ছিলেন। তাদেরকে নিজ এলাকায় ফিরতে হলে ঝিনাইগাতী বাজার হয়েই যেতে হবে (যেখানে অ'স্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থান নিয়েছে বিএনপি)। অথবা যেতে হবে পুরো গ্রাম ঘুরে। এমন অবস্থায় ইউএনও এবং বিএনপির কয়েকজন নেতা জামায়াতের প্রার্থীকে অফার করে যে প্রশাসনের সহায়তায় তাকে প্রটোকল দিয়ে বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হবে। তখন জামায়াতের প্রার্থী এভাবে যেতে অস্বীকার করে এবং বলে যে সে তার কর্মীদের ফেলে একা এভাবে যাবে না, প্রয়োজনে তার কর্মীদেরও প্রোটকল দিয়ে পৌঁছে দেয়া হোক। এই নিয়ে জামায়াতের সাথে দর কষাকষি চলে বিএনপি নেতা ও ইউএনওর। (এই মুহুর্তের কথাবার্তার ভিডিও-ই রেফারেন্স দিচ্ছে বটফোর্স)। আর বিএনপি কর্মীরাও জেদ ধরে তারা জামায়াতকে যেতে দেবে না এই রাস্তা দিয়ে। জামায়াত প্রার্থীও তার অবস্থানে অনড় সে একা তার কর্মীদের ফেলে প্রটোকল নিয়ে পালাবে না৷ প্রশাসন যদি সং'ঘাতের আশংকা করে তাহলে তার কর্মীদেরও প্রোটকল দিয়ে রাস্তা পার করে দিক। নইলে তারা নিজেরাই যাবে নিজেদের মতো করে। সং'ঘাত হলে তার কিছু করার নেই। সে নেতাকর্মীদের অরক্ষিত রেখে একা যাবে না। শেষমেশ প্রশাসন জামায়াত কর্মীদের প্রটোকল না দেয়ায় তারা নিজেদের মতো করে বাজারের মধ্য দিয়ে যাওয়া শুরু করলে বিএনপি অ'স্ত্রশস্ত্র নিয়ে হা'মলা চালায়। এবং রেজাউলকে কু'পিয়ে খু'ন করে। এই হচ্ছে ঘটনা। এখন জাতীয়তাবাদী বটফোর্স এই নির্মম খু'নের ঘটনারে জাস্টিফিকেশান দেয়ার জন্য দোষ চাপাচ্ছে জামায়াতের প্রার্থী বাদলের ওপরে। বলতেছে উনি জেদ ধরে বাজারের রাস্তা দিয়ে যেতে চেয়েছেন এজন্যই এই খু'নের ঘটনা ঘটেছে। দোষ জামায়াতের প্রার্থী বাদলের। মানে ওদের চাওয়া হচ্ছে জামায়াতের প্রার্থী বাদল তার নেতাকর্মীদের অরক্ষিত ফেলে নিজে প্রোটোকল নিয়ে চলে যাবেন! অথবা নেতাকর্মীদের নিয়ে মূল রাস্তা বাদ দিয়ে পুরো গ্রাম ঘুরে বাড়ি যাবেন। যাতে করে তারা প্রচার করতে পারে যে বাদল ভয় পেয়ে পালিয়ে গেছে। (নির্বাচনের মাঠে এসব প্রচারণা জনগণের মাঝে অনেক নেগেটিভ প্রভাব ফেলে। যে নেতা নিজেই ভয়ে পালিয়ে যায় কর্মীদের ফেলে, তারে কি ভোট দিব! এরকম) অথবা বাজারের মধ্যের রাস্তাটা বিএনপির বাপ-দাদার সম্পত্তি। ওই রাস্তা দিয়ে গেলে তারা জামায়াত প্রার্থীকে জ'বাই করবে৷ এইটা করা তাদের রাইট। আর অথর্ব ইউএনও আইসা বিএনপি নেতাদের সাথে মিলে জামায়াতের নেতারে বুঝায় যে আপনি প্রটোকল নিয়ে পালিয়ে যান অথবা গ্রাম ঘুরে যান লোকজন নিয়ে৷ কিন্তু হা'মলার উদ্দেশ্যে অ'স্ত্রশস্ত্র নিয়ে বসে থাকা বিএনপির স'ন্ত্রাসীদের সরাতে পারে না রাস্তা থেকে। কারণ ইউএনও ও মেনে নিসে যে রাস্তাটা বিএনপির বাপ-দাদাদের ই সম্পত্তি হয়তো। কতটা নির্লজ্জ জাস্টিফিকেশান চিন্তা করেন। জামায়াত প্রার্থী তার কর্মীদের অনিরাপদ রেখে স্থান ত্যাগ করে নাই এজন্য হাম'লা চালানো জায়েজ, খু'ন করা জায়েজ!

বিএনপিকে কেনো আমরা আওয়ামীলীগের ক্লোন বলি তা এসব পোস্ট ফেসবুকে সামনে আসলেই বোঝা যায়। যাক এরা এদের কর্মফল ভোগ করবে অমানুষকে ত
বিএনপিকে কেনো আমরা আওয়ামীলীগের ক্লোন বলি তা এসব পোস্ট ফেসবুকে সামনে আসলেই বোঝা যায়। যাক এরা এদের কর্মফল ভোগ করবে অমানুষকে তো আর ঠেলে মানুষ করা যায়না! যেমন ছাত্রলীগকে জুলাই আন্দোলনে তাদের গণহত্যার কথা স্বীকার করানো যায়না। এরাও একই মেন্টালিটির

🔸রিল‍্যাক্স মুডে যিনি উপরের চেয়ারে নিশ্চিন্তে বসে আছেন তিনি ছাত্র শিবিরের সভাপতি। 🔸আর চেহারায় আতঙ্কের ছাপ নিয়ে যিনি পা’য়ে
🔸রিল‍্যাক্স মুডে যিনি উপরের চেয়ারে নিশ্চিন্তে বসে আছেন তিনি ছাত্র শিবিরের সভাপতি। 🔸আর চেহারায় আতঙ্কের ছাপ নিয়ে যিনি পা’য়ের পাশে বসতেও ভয় পাচ্ছেন তিনি হলেন ছাত্রদল সভাপতি !

আওয়ামীলীগ ভার্শন টু
আওয়ামীলীগ ভার্শন টু

Plan! প্লানের প্রথম ধাপ শুরু।
Plan! প্লানের প্রথম ধাপ শুরু।

খুনি আর স্বৈরাচার মিলেমিশে একাকার চাঁদাবাজ আর স্বৈরাচার মিলেমিশে একাকার শেরপুরের শ্রীবর্দি উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারি শহীদ হাফেজ রেজাউল করিমকে শহীদ করার প্রতিবাদে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে ঢাবি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ।

জামায়াত নেতা খু'নের প্রতিবাদে উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় —

তারেকিয়া কুকুর বাহিনী

শেরপুরে বিএনপির হামলায় সেনাসদস্য সহ প্রায় শতাধিক জামায়াতের নেতাকর্মী আহত হয়।

মানুষটার গলা, কানের নিচে কো'পাতে কো'পাতে মে'রেই ফেললো!
মানুষটার গলা, কানের নিচে কো'পাতে কো'পাতে মে'রেই ফেললো!

তারেক জিয়ার অনেক গুণ ৫ আগষ্ট হতে এপর্যন্ত ২২৭ জন খুন!

বাংলাদেশকে চিরবিদায় জানালেন বিএনপির সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত মাওলানা রেজাউল করিম।
বাংলাদেশকে চিরবিদায় জানালেন বিএনপির সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত মাওলানা রেজাউল করিম।

শেরপুর-৩ আসনে বিএনপির হামলায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইল
শেরপুর-৩ আসনে বিএনপির হামলায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)

নিউজের হেডলাইনে লিখছে 'Prodigal Son.’ ডিকশনারিতে বা গুগল ট্রান্সলেট করে এটার অর্থ দেখেন, যদি বুঝতে না পারেন।
নিউজের হেডলাইনে লিখছে 'Prodigal Son.’ ডিকশনারিতে বা গুগল ট্রান্সলেট করে এটার অর্থ দেখেন, যদি বুঝতে না পারেন।

NTV তারেক জিয়ার বক্তব্য পিন পোস্ট করে রাখছে! এভাবেই চলছে মিডিয়ার পক্ষপাতিত্ব আর ১১ দলীয় জোটের বিরুদ্ধে মিডিয়া সন্ত্রাস। স
NTV তারেক জিয়ার বক্তব্য পিন পোস্ট করে রাখছে! এভাবেই চলছে মিডিয়ার পক্ষপাতিত্ব আর ১১ দলীয় জোটের বিরুদ্ধে মিডিয়া সন্ত্রাস। সরকার ও কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা।