uz
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Kanalga Telegram’da o‘tish

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 analitikasi

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 15 316 obunachidan iborat bo'lib, Siyosat toifasida 3 650-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 1 493-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 15 316 obunachiga ega bo‘ldi.

10 Iyul, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni -263 ga, so‘nggi 24 soatda esa -11 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 10.56% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 4.02% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 1 618 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 616 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 39 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 11 Iyul, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Siyosat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

15 316
Obunachilar
-1124 soatlar
-647 kunlar
-26330 kunlar
Postlar arxiv
এতদিন বিনা টিকেটে নাটক দেখছি।
এতদিন বিনা টিকেটে নাটক দেখছি।

একবার ভেবে দেখেন অবস্থাটা! জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট করেছিলেন তাদেরই নেতা। আজকের প্রেক্ষাপটও বিভিন্ন দিক বিবেচনায় সেসময়কার ম
একবার ভেবে দেখেন অবস্থাটা! জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট করেছিলেন তাদেরই নেতা। আজকের প্রেক্ষাপটও বিভিন্ন দিক বিবেচনায় সেসময়কার মতই। অথচ, মুনা"ফিক নাকি জামায়া"ত। আর তারা সবাই মুমিন। #হ্যা #হ্যাঁ আপনরা সবাই শেয়ার করার সময় #হ্যাঁ এবং #হ্যা এই দুইটাই ব্যবহার করবেন প্লিজ। এটা ক্যাম্পেইনের অংশ।

‘জুলাই সনদকে’ ইসলাম ধর্মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হিসেবে দেখানোর ধর্মীয় কার্ড কে চাললো? সাবেক ছাত্রদল কর্মী/নেতা এডভোকেট হাবিবুর রহম
‘জুলাই সনদকে’ ইসলাম ধর্মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হিসেবে দেখানোর ধর্মীয় কার্ড কে চাললো? সাবেক ছাত্রদল কর্মী/নেতা এডভোকেট হাবিবুর রহমান অথচ, বিএনপি এই পয়েন্টে ‘নোট অফ ডিসেন্ট’ দেয়নি!

দেশ প্রেমিক বিএনপি, দেশ বিরোধী যে সব ষড়যন্ত্রের উপর নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল তা একটু পড়েন - এই জাতিকে বোকা ভাবা বন্ধ করুন ১)PSC যেন স্বাধীন হয় → চাকরিতে দলীয় ক্যাডার ঢোকানো যাবে না। → বিএনপি চায় না. ❌ ২)দুদক যেন স্বাধীন হয়→ দুর্নীতি করলে শাস্তি পাবে। → বিএনপি চায় না. ❌ ৩)মানবাধিকার কমিশন, CAG যেন স্বাধীন হয় → রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দলের খেলনা হবে না। → বিএনপি চায় না. ❌ ৪)প্রধানমন্ত্রী আর দলনেতা আলাদা হোক→ এক ব্যক্তির হাতে সব ক্ষমতা থাকবে না। → বিএনপি চায় না. ❌ ৫)প্রধান বিচারপতি হবেন সিনিয়র মোস্ট বিচারপতি → লবিং বা দলীয় চাপে বিচারপতি নিয়োগ হবে না। → বিএনপি চায় না. ❌ ৬)উচ্চকক্ষে মহিলা আসনে জনগণের প্রতিনিধি হোক → না, তারা চায় শুধু দলের বিশ্বস্ত মানুষ। → বিএনপি চায় না. ❌ সব মিলিয়ে এক কথায়: বিএনপি যেসব জিনিসে “না” বলেছে, সেগুলোই আসলে স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার আর দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রের ভিত্তি কিন্তু তারা চায় পুরনো ব্যবস্থা—যেখানে দলের ইচ্ছাই আইন।

নগদে পল্টি! কি মধুর ধর্ম ব্যবসা! রাতভর "না" ভোটের ক্যাম্পেইন চালিয়ে হ্যাঁ ভোটের ধাওয়া খেয়ে লজ্জায় পল্টি দিয়ে দিল দলটি। এখন আব
+1
নগদে পল্টি! কি মধুর ধর্ম ব্যবসা! রাতভর "না" ভোটের ক্যাম্পেইন চালিয়ে হ্যাঁ ভোটের ধাওয়া খেয়ে লজ্জায় পল্টি দিয়ে দিল দলটি। এখন আবার নতুন স্টীকার প্রচার করছে ধর্ম ব্যবসা জোড়া লাগিয়ে। "না" এর পাশে ধর্ম ব্যবসা লাগিয়ে দিয়েছে।রাতভর দলটির শীর্ষ নেতা ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শুধু "না" শব্দের প্রচারণা ছিল।আল্লাহর উপর আস্থা বিশ্বাস এই শব্দ উল্লেখ ছিলনা। অথচ প্রস্তাবনায় ধর্মীয় বিশ্বাস ও স্বাধীনতার কথা উল্লেখ আছে স্পষ্ট।

জুলাই সনদের গণভোটে 'না' ভোটের ব্যাপারে জনগণকে উদ্ধুদ্ধ করতে যারা এখন মূলনীতির প্রশ্ন এনে ধর্মকার্ড খেলছে, তাদের মনে রাখা উচিত - অভ্যুত্থানপূর্ব বাংলাদেশে খুনি হাসিনার চেয়ে বেশি ধর্মকার্ড কেউ খেলতে পারে নাই। মদিনা সনদ থেকে শুরু করে কওমী জননী - she left no stone unturned. ফলে মৌলিক সংস্কারের প্রশ্নে আর পুরোনো ধর্মকার্ড খেলে কোনো লাভ হবে না। রিয়ালিটি মাইনে নেন!

শুধু এইটুকু মাথায় রাইখেন দল দু'টির প্রধান নেতারা বাংলাদেশের বাইরে দু'টি দেশে অবস্থান করছেন।
শুধু এইটুকু মাথায় রাইখেন দল দু'টির প্রধান নেতারা বাংলাদেশের বাইরে দু'টি দেশে অবস্থান করছেন।

দল থেকে "না" দিল। তাই আমিও না। কিন্তু কেন না দিচ্ছে তা সে জানেনা৷ আবার - অমুক ভাই দিছে তাই আমিও দিছি😀 ভয়ংকর রাজনীতি 😀

• জুলাই সনদের প্রতি হ্যাঁ বলো — ~ কারণ এই সনদই পরিবর্তনের রূপরেখা। • জুলাই বিপ্লবের পক্ষে হ্যাঁ বলো — ~ কারণ এই বিপ্লবই অন্যায়, দমন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধের নাম। • সংস্কার ও রাষ্ট্রীয় পুনর্গঠনের জন্য হ্যাঁ বলো — ~ যাতে রাষ্ট্র নাগরিকের হয়, গোষ্ঠীর নয়। • গণহ`ত্যার বিচারে হ্যাঁ বলো — ~ কারণ বিচারহীনতা নয়, ন্যায়বিচারই হবে বাংলার ভিত্তি।

জুলাই সনদকে হ্যা বলুন
জুলাই সনদকে হ্যা বলুন

জামাউ বউকে: আজকে এটুর জন্য দাও! বউ : না! আজকে হবে না! না! না! না!
জামাউ বউকে: আজকে এটুর জন্য দাও! বউ : না! আজকে হবে না! না! না! না!

গনভোটে দিয়ে যারা বৈধতা পেয়ে ছিলেন বৈধতা নিয়ে ছিলেন তারা আজ গনভোটকে না বলে গনহারে পোস্ট দিচ্ছেন! তার মানে কি দাঁড়ায় তা কি এক
+2
গনভোটে দিয়ে যারা বৈধতা পেয়ে ছিলেন বৈধতা নিয়ে ছিলেন তারা আজ গনভোটকে না বলে গনহারে পোস্ট দিচ্ছেন! তার মানে কি দাঁড়ায় তা কি একবারও ভেবেছেন? আজকে যারা “না” লিখে জুলাই সনদকে অনিশ্চিয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন তারা নিজের দলের রাজনৈতিক ইতিহাসটা একবার হলেও পড়ুন। হ‍্যা ! জাতীয় নির্বাচনের আগে গনভোট হতেই হবে।

কিসের কি ঐকমত্য কমিশন! আসল ঐক্য তো 'না' তে।
কিসের কি ঐকমত্য কমিশন! আসল ঐক্য তো 'না' তে।

বাংলাদেশের পক্ষে হউক "হ্যা"
বাংলাদেশের পক্ষে হউক "হ্যা"

ওরা গনভোটকে “না” লিখে মৌমাছির বাসায় ঢিল ছুঁড়েছে ! এখন বুঝবে কত ধানে কত চাউল !

ছাত্রদল ইতিমধ্যে গণভোটে সবাইকে "না" ভোট দেয়ার আহবান জানিয়েছে। হয়তো আগামীকাল বিএনপি অফিসিয়ালি "না" এর পক্ষ নিবে। জাতি গাদ্দারদ
+3
ছাত্রদল ইতিমধ্যে গণভোটে সবাইকে "না" ভোট দেয়ার আহবান জানিয়েছে। হয়তো আগামীকাল বিএনপি অফিসিয়ালি "না" এর পক্ষ নিবে। জাতি গাদ্দারদেরকে চিনে নিবে, যারা সংস্কারের বিরোধিতা করছে এবং রাষ্ট্র সংস্কারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে। বিএনপি ৩১ দফা সংস্কারের নামে যে সার্কাস করতেছে, এটাও প্রমাণিত। কারণ তাদের ৩১ দফার অধিকাংশই ঐক্যমত কমিশনের সংস্কার প্রস্তাবনায় আছে। কিন্তু সেগুলোকেও বিএনপি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে। দিনশেষে তারাও পতিত আওয়ামীলীগের মতো মাফিয়াতন্ত্র, পরিবারতন্ত্রই চায়। কিন্তু জাতি কি চায়, তা একবার চব্বিশে দেখিয়েছে, ছাব্বিশেও আবার দেখাবে। ও হ্যাঁ, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন না হওয়ার জন্য বিএনপি সকল বন্দোবস্ত করবে এটাও ধীরে ধীরে পরিষ্কার হচ্ছে। - সাইফুল ইসলাম

বীজ ইন্ডিয়ান, মৃত্যু হউক ইন্ডিয়াতেই।
বীজ ইন্ডিয়ান, মৃত্যু হউক ইন্ডিয়াতেই।