uz
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Kanalga Telegram’da o‘tish

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 analitikasi

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 15 518 obunachidan iborat bo'lib, Siyosat toifasida 3 614-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 1 451-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 15 518 obunachiga ega bo‘ldi.

18 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni -215 ga, so‘nggi 24 soatda esa -7 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 11.33% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 3.72% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 1 759 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 577 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 35 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 19 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Siyosat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

15 518
Obunachilar
-724 soatlar
-557 kunlar
-21530 kunlar
Postlar arxiv
আমি এটা পার্সোনালি বিশ্বাস করিনা ঢাকা -১৭ তে তারেক জিয়া কোন ক্যাম্পেইন ই করিনাই ঢাকার মানুষ এত আহাম্মক না যে ভোট না চাইতে গি
আমি এটা পার্সোনালি বিশ্বাস করিনা ঢাকা -১৭ তে তারেক জিয়া কোন ক্যাম্পেইন ই করিনাই ঢাকার মানুষ এত আহাম্মক না যে ভোট না চাইতে গিয়েও তারা ভোট দিয়ে দিবে। অন্য দিকে জামাতের প্রার্থী দারে ডারে ঘুরেছেন

পিন্ড থাকবে এইটা
পিন্ড থাকবে এইটা

পিরোজপুর-২ তে দেলোয়ার হোসেন সাইদির ছেলেকে মাত্র ৭০ ভোটে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। খুলনাতে মিয়া গোলাম পরোয়ারকে মাত্র ২০০০ ভোটে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। জামাত ৫০০০ এর কম ভোটে হেরেছে এমন আসনের সংখ্যা ৫৩ টি। মূলত এই ৫৩ টি আসনে কারচুপি করে হারানো হয়েছে জামাতকে। জামায়াত জোট প্রকৃত পক্ষে ১৩৫ টি আসনে জিতেছে। কিন্তু ডিপ স্টেট সংখ্যা কমিয়ে ৭০-৮০ টি দিতে চাচ্ছে।

মিডিয়া কু। আজীবন বাংলাদেশের সব মিডিয়া বয়কট করলাম কোন মিডিয়ার নিউজ দেখবনা এরা সারাজীবন দাসই থেকে যাবে

গুজব কেনো বেশি খায় তার একটা উদাহরণ: জামাতের যে নারী কর্মীদের মারলো বিএনপি এই মারার জাস্টিফিকেশন হিসেবে বিএনপি উঠায়ছিল তারা নাকি বিকাশ আর NID নাম্বার নিচ্ছিল আর এটাও মানুষ সমানে খাইছে কোন প্রমাণ ছাড়া কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া এ ছড়িয়েছিল যা স্টেজড ছিল অর্থাৎ বানানো নাটক।

সো আমরা নির্বাচন উপলক্ষে যাদের আসল রূপ চিনলাম: আর্মি বাদে সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইজিলি নিয়ন্ত্রণ করা যায়, নির্দিষ্ট সংখ্যক আলেমদের, লীগ পুনর্বাসন + লীগ নিষিদ্ধে বাধা দেওয়া বিএনপি আর আমাদের দেশপ্রেমিক মিডিয়া যাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছে দাসত্ব আর দেশের মানুষের কথা কী বলবো থার্ডক্লাস দেশের মানুষ গুজব খায় বেশি। ড্যাটস ওল আই হ্যাভ টু সে

আরেকটা কথা মিডিয়া যে হারে প্ল্যান বাস্তবায়নের করেছে তাতে সারাদেশের মানুষ ধরেই নিছে যে বিএনপি জিতে গেছে তাই ১১ দল আন্দোলনে গেলে জনসমর্থন না পাওয়ার চান্স বেশি কারণ সবাই তো আর ডিপ ইন খবর বুঝে না দেশের ৮০% মানুষ মিডিয়াকেই খায় চোখ বন্ধ করে!

১১ দল সর্বোচ্চ সরকারকে চাপ দিয়ে ভোট আবার গণনার জন্য বলতে পারে কিছু আসনে টিভিতে লাইভ টেলিকাস্ট করে।

যারা বলছেন ১১ দলকে আন্দোলন করতে তারা ঘুমের ঘোরে আছেন বাস্তবতার সাথে এই ডিসিশন সামঞ্জস্যপূর্ণ হবেনা!

সো শুরু হয়ে গেলো আমাদের থার্ডক্লাস দেশের আসল স্বাধীনতার দিন! এখন আর কোন ধর্ষণ খুন চাঁদাবাজি হলে তার নিউজ পাওয়া যাবেনা বললেই চলে। আর সোশ্যাল মিডিয়া এ বাকস্বাধীনতা? তারেক না জিতেও তার আগেই মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করাইতে পারছে আর এর পরে এখন তো আরও সহজ হবে বাকস্বাধীনতা জায়গামতো ঢুকিয়ে দেওয়ার।

Mother of Ducks রুমিন ফারহানা প্রমাণ করে দিলেন যে তার কোনো দল লাগেনা।
Mother of Ducks রুমিন ফারহানা প্রমাণ করে দিলেন যে তার কোনো দল লাগেনা।

এহ কি পীর ডা তে 🤬
এহ কি পীর ডা তে 🤬

আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে ধন্যবাদ। যাদের কারণে তুমি উপদেষ্টা হতে পেরেছিলে তার তোমার জানাযায় অংশগ্রহণ করবেনা।

ইম্পর্টেন্ট পড়তে পারেন: "আজকের নির্বাচনটা স্রেফ কোনো ভোট ছিল না; এটা ছিল এস্টাবলিশমেন্টের একটা হাই-লেভেল ‘ট্যাকটিক্যাল মাস্টারক্লাস’। দিনশেষে যা হয়েছে, তাকে স্রেফ 'রিগিং' বললে ছোট করা হবে; এটা ছিল নিখুঁত এক কগনিটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং। ডীপ স্টেট, সিভিল ও মিলিটারি প্রশাসন আর এলিটদের এই ট্রিনিটি এবার খেলাটা সাজিয়েছিল একদম ভিন্ন ছকে। তারা ভোট কাস্টিং-এর ওপর কোনো সরাসরি ঝুঁকিই নেয়নি, কারণ সরাসরি বুথ দখল মানেই গণবিক্ষোভের রিস্ক। এই ‘ম্যাস রিস্ক অ্যাভারশন’ থেকে বাঁচতে তারা বেছে নিয়েছিল ‘স্ট্র্যাটেজিক ক্যামোফ্লেজ’ বা এক ধরনের ছদ্মবেশ। খেয়াল করে দেখুন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করে আবার সেদিনই তা প্রত্যাহার করা হলো। এটা কোনো প্রশাসনিক ভুল ছিল না; এটা ছিল একটা সুচিন্তিত ‘সাইকোলজিক্যাল প্রিম্পশন’। একদিকে তারা জনগণকে বোঝাতে চাইল যে প্রশাসন জনমতের তোয়াক্কা করে, আর অন্যদিকে বিরোধী জোটের সকল মনোযোগ কাস্টিং-এর ওপর আটকে রেখে তাদের মানসিকভাবে নির্ভার করে দিল। এস্টাবলিশমেন্ট এখানে শতভাগ সফল। দিনের আলোতে প্রশাসনের এই তথাকথিত ‘নিরপেক্ষতা’ দেখে সবাই যখন প্রশংসায় পঞ্চমুখ, তখনই মঞ্চস্থ হয়েছে তাদের আসল নাটক। যখন রাত গভীর হলো এবং মানুষ প্রশাসনের ওপর আস্থা রেখে ঘরে ফিরলো, তখনই শুরু হলো ‘অপারেশন কাউন্টিং’। যাকে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ভাষায় বলা যায় ‘ইনফরমেশন ব্ল্যাকআউট’। সেনাবাহিনী সন্ধার পর হুদাই যখন উৎসুক জনতার ওপর লাঠিচার্জ করে রাস্তা পরিষ্কার করছিল, তখন তাদের ভাবটা ছিল— ভোট তো শেষ, এখন বাইরে কেন? অথচ আসল উদ্দেশ্য ছিল কাউন্টিং টেবিলকে পাবলিক স্ক্রুটিনির বাইরে নিয়ে যাওয়া। পাবলিককে ফেস করার ঝামেলা এড়িয়ে রাতের আঁধারে প্রশাসনিক টেবিলে বসে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করাটা ছিল তাদের জন্য সবচেয়ে ‘সেফ অ্যান্ড ক্লিন’ মেথড। এর মাধ্যমে তারা সুকৌশলে বিরোধী শিবিরে একটা ‘পারসেপশন ডিসরাপশন’ তৈরি করেছে। কিছু হেভিওয়েট প্রার্থীকে হঠাৎ বিজয়ী দেখিয়ে বিরোধীদের এমন এক সিদ্ধান্তহীনতায় ফেলা হয়েছে যে তারা এখন বুঝতেই পারছে না আন্দোলন করবে নাকি ফলাফল মেনে নেবে। অন্যদিকে ‘ফেইট একম্পলি’—অর্থাৎ সিভিল ও মিলিটারি ব্যুরোক্রেসির সামনে আগেই একজন ‘পূর্বনির্ধারিত বিজয়ী’ নিশ্চিত করে দেওয়া, যাতে পুরো সিস্টেম কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই নিউ রিয়েলিটিকে মেনে নেয় এবং করণীয় কাজ সম্পন্ন করে। আর এখনো কিছু আসন অমিমাংসিত রাখা হয়েছে? ওটা স্রেফ একটা ‘মূলা’ ঝুলিয়ে রাখা, যাতে বিরোধী পক্ষ চূড়ান্ত কোনো বিদ্রোহে না গিয়ে শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত সমঝোতার আশায় বসে থাকে। পুরো ডেমোক্রেটিক প্রসেসটাকে কীভাবে স্রেফ একটা ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ এক্সারসাইজ’-এ নামিয়ে আনা যায়, আজকের রাত তার এক ধ্রুপদী উদাহরণ হয়ে থাকবে।" Saiful Islam

জামাত যদি রাষ্ট্রযন্ত্রে ঢুকে আমাদের লীগপন্থী এজেন্সি আর আমলাদের চেঞ্জ না করতে পারে তাহলে এর পরের নির্বাচনেও তাদের জেতার কোন চান্স নেই।

ডিশ লাইন কেটে দিবেন তো?
Anonymous voting

আশাকরি জামাত এই ছেলেটাকে সেভ করে রাখবে হি হেজ গাটস টু সে দা ট্রুথ