uz
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Abdullah bin bashir analitikasi

Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 301 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 8 113-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 033-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 301 obunachiga ega bo‘ldi.

26 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni 62 ga, so‘nggi 24 soatda esa -2 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 19.37% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 8.09% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 188 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 914 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 46 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 27 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 301
Obunachilar
-224 soatlar
+47 kunlar
+6230 kunlar
Postlar arxiv
শরীয়া অনুযায়ী ভুখন্ড পরিচালনা করে খারেজিদের যেখানে জামাতে সাহাবার শ্রেষ্ঠ জামাত খোলাফায়ে রাশেদীনের অন্যতম হযরত আলী রা. ও খাইরুল কুরুনের খলিফাগণ সন্তুষ্টি করতে পারেনি, সেই খারেজিদের উত্তরসূরিদের তালেবানরা কীভাবে সন্তুষ্ট করবে!? কস্মিনকালেও সম্ভব না। তবে এখানে একটি কথা আছে, তালেবানদের কাছে উম্মতের প্রত্যাশা অনেক বেশি, তাই সেই প্রত্যাশার জায়গা থেকে কেউ যদি তাদের কোনো পদক্ষেপে কিছুটা আক্ষেপ করে তাহলে সেটা ভিন্ন বিষয়। তবে কোনটা আক্ষেপের সমালোচনা আর কোনটা বিদ্বেষের সমালোচনা সেটা ব্যক্তির শব্দচয়ন ও সার্বিক কার্যক্রমেই স্পষ্ট হয়ে যায়।

দুনিয়ার কোনো মানুষের হাসি এত সুন্দর হতে পারে!! জানি এই অনুভূতি কী ভক্তি থেকে না বাস্তবতা থেকে! এমন চেহারার একজন মানুষ যিনি উম্মাহকে গোমরাহ করে গেছেন কেমনে বিশ্বাস করি! হাদিসে তো আছে,  ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি হলো যাকে দেখলে আল্লাহর কথা স্মরণ হয়।’ কারো যদি এই চেহারা আর হাসি দেখেও আল্লাহর কথা মনে না হয় তাহলে আর কোন চেহারা দেখে মনে হবে!!?

সম্ভবত দুইদিন আগেই আমেরিকার পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারকা জানানো নয়, আমেরিকা আগে কী হয়েছে তা নিয়ে ভাবছে না, সামনে সম্পর্ক দুই দেশের আরো ভালো হবে। এথেকে আমেরিকার সাথে আওয়ামীলীগ সরকারের সম্পর্ক বেড়েছে আগের সব ঠিক হয়ে গেছে বলে যখন সবাই উল্লাসে মেতে উঠলো ঠিক তখনই আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি নিউজ মিডিয়া বাংলাদেশের র‍্যাব নিয়ে ডকুমেন্টারি প্রকাশ করে খেলে দিলো। https://youtu.be/kjgBccv8DP0?si=ZHhu-5JW5UktiF_Q

Repost from Hasan
ইমারতের একটা প্রতিনিধিদল রাইসিরা জানাযায় যাওয়ার ব্যাপারটা সমর্থনযোগ্য না, যেমনিভাবে আমরা তাদের খেলাধুলার সমর্থন করিনা। তালিবরা সাহাবাদের জামাত না, তাদের ভুল বিচ্যূতি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। শোকবার্তা পলিটিক্যাল স্ট্রাটেজি পর্যন্ত ঠিকাছে কিন্তু জানাযায় অংশগ্রহণ করা আমাদের কাছে সমর্থিত না। পৃথিবীতে সাহাবাদের পর কোন খেলাফতই ত্রুটি এবং ভুল বিচ্যূতি থেকে মুক্ত ছিলো না। কিন্তু বর্তমান পৃথিবীতে তালিবরাই একমাত্র, যারা পরিপূর্ণভাবে শরিয়াহ বাস্তবায়ন করেছে। কিন্তু তাদের এই বিচ্যূতির সুযোগ নিয়ে যারা খারেজি মতবাদ চিন্তাধারা প্রচার করে, তারাই হলো আলী রাদিআল্লাহু আনহুর সময়কা খা***জিদের আদর্শিক উত্তরসুরী। আলী রাদিআল্লাহু সময় নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছিলেন, উসমান হত্যাকারীদের শাস্তির জন্য আগে নিজের শাসন মজবুত করে ধীর গতিতে আগাতে চাচ্ছিলেন, কিন্তু খা**জিদের তাড়াহুড়ো প্রবণতা এবং তাদের বিপজ্জনক মানসিকতা উম্মতকে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে ফলে মুসলমানদের মধ্যেই তারা সংঘর্ষ বাঁধিয়েছে তারা। ইমারত মানদণ্ড হতে পারবে না, তবে মানদণ্ডের মতো হওয়ার চেষ্টা করে, ইমারত হচ্ছে আমাদের দৃষ্টান্ত, আর সাহাবাদের যুগে হলো মানদণ্ড। ফেতনাবাজ দল আজো আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আমাদের দায়িত্ব উম্মতকে সতর্ক করা এবং যতটা সম্ভব ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা। ইমারত তার ভুল‌ বিচ্যূতি নিয়েই তারা খা*দের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোন সন্দেহ ছাড়াই। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা কখনো উম্মাহর উপকার করে নাই, বরং তারা সবসময়ই ধর্মীয় অস্থিরতা এবং ফেতনার কারণ হয়েছে। اللهم ارنا الحق حقا وارزقنا اتباعه وارنا الباطل باطلا وارزقنا اجتنابه “ হে আল্লাহ! আপনি আমাদের হক'কে হক হিসেবে চেনার এবং তার অনুসারণের তৌফিক দান করুন, এবং বাতিলকে বাতিল হিসেবে জানার এবং তা থেকে বিরত থাকার তৌফিক দান করুন।”

আলহামদুলিল্লাহ, জিহাদ বিষয়ে বিষয়ে আমি একজন মুতাদিল আলিম। আমি জিহাদ মহব্বতকারী একজন আলিম। কারণ একই সাথে আমি পাকিস্তানের টিটিপির বিষয়ে মুফতি তাকি উসমানি দা.বা.-এর ফতোয়াকে সঠিক মনে করি—টিটিপিকে বিদ্রোহী মনে করে তাদের হত্যা করা বৈধ মনে করি, আবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে নাপাক আর্মিও মনে করি। টিটিপি কর্তৃক নাপাক বাহিনিকে হত্যা করলে আমি খুশি হই এবং তা প্রচার করি। আমি আল কায়েদাকে আই এসের মত খারেজি মনে করি আবার আশশাবাবের বিভিন্ন আক্রমনকে উচ্ছাসের সাথে প্রকাশ করি। আল কায়েদার বিভিন্ন শাখা কর্তৃক বিভিন্ন ভিডিওকে প্রচার করি এবং তা দেখার জন্য উম্মতকে আহবান করি। যারা সাতহি জ্ঞানের অধিকারী তারাই শুধু এটাকে দুমুখী আর বাটপারি বলবে আর যাদের গভির ইলমের সাথে অনেক সম্পর্ক আছে তারাই বুঝবে আমার ইতিদালি অবস্থান। আলহামদুলিল্লাহ।

আলহামদুলিল্লাহ, জিহাদ বিষয়ে আমি একজন মুতাদিল আলিম।

সজলের মত জামাতের ছেলেগুলো কখনোই বুঝবে না ইরাক, সিরিয়া,ইয়ামেন আর ফিলিস্তিনের লক্ষ লক্ষ আহলুস সুন্নাহের মানুষের উপর শিয়া কর্তৃক অত্যাচারের বাস্তবতা। জামাতের অন্যতম বড় বিচ্যুতি আমার কাছে এটাও মনে হয়, এদের কাছে হাজারো ইসলাম বিরোধি কাজ হোক বাকি শাসক যদি একটু উন্নতি করে, একটু ইসলামি ফ্লেভার লাগিয়ে ফেলে তাহলে বাস, এ শাসকের এ শাসকের সাত খুন মাফ। এত বড় কর্মঠ একটি জামাত অথচ আকিদার মাসআলায় এরা কতটা মিসকিন!

এমনো তো হতে পারে রাইসি তাদের বারোতম ইমামের গুহায় গেছে, তাদের ইমাম দাজ্জালকে দ্রুত বের হয়ে আসার জন্য আহবান করতে।🤣

"জি*হা*দে আফ*গানিস্তান" শিরোনামে আজ একটি বইয়ের সন্ধান পেলাম। বইটি লেখেছেন মুফতি নুর মুহাম্মদ সাহেব, যিনি দারুল উলুম ওনা ওজিরিস্তানের মুহতামিম। বইটির শুরুতে পাকিস্তান ও আফগানের বিখ্যাত সব আলেমদের প্রশংসাবাণী উল্লেখ রয়েছে। মুফতি নুর মুহাম্মদ সাহেব ওজারিস্তানসহ ঐ অঞ্চলের অন্যতম বিখ্যাত ও গ্রহণযোগ্য আলেম হিসেবে প্রসিদ্ধ। উনি ইলমি ময়দানে যেমন বিখ্যাত মানুষ তেমনি রাশিয়াদের আক্রমণের সময় ইসলাম ও আফগান রক্ষায় সশস্ত্র অংশগ্রহণও করেছেন। বইটির সন্ধান পাই মূলত বর্তমান পাকিস্তানের অন্যতম একজন কর্মঠ ও গ্রহণযোগ্য আলেম মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেবের একটি বইতে, যেখানে মুসলিম গোয়েন্দা হত্যার একটি ইখতিলাফ নিয়ে আলোচনার প্রক্কালে সর্বশেষ সমাধান হিসেবে নূর মুহাম্মদ সাহেবের হাওয়ালা উল্লেখ করেন ও টিকাতে বইটির নাম দেন। যাইহোক এতগুলো কথা বলার মাকসাদ হলো বইটার সূচি ও কিছু আলোচনা দেখে আমি তব্দা খেয়ে বসে আছি! উনি সে সময় যে মাসআলাগুলো লেখে গেছেন ও যে বিষয়গুলোকে জি*হা*দের জন্য ক্ষতিকারক ও শ্ত্রুপক্ষের অপপ্রচার হিসেবে চিহ্নিত করে গেছেন সে মাসআলাগুলোকে এখন আমাদের একদল নির্ভরযোগ্য আলেম 'জমহুর আলেমের মত' হিসেবে নিজেদের বইতে উল্লেখ করছে এবং সে বই অনেক বড় আলেমদের তত্ত্ববধানে প্রকাশিতও হচ্ছে! হায় আল্লাহ! যাইহোক, বিভিন্ন উস্তাদদের আদেশে আমি সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না, আপনারা উপরে উল্লেখ করা বইটি পড়বেন ইনশাআল্লাহ। বাস, এতটুকুই কথা।

বইটির নাম "জিহাদে আফগানিস্তান"। বইটি লেখেছেন মুফতি নুর মুহাম্মদ সাহেব, যিনি দারুল উলুম ওনা ওজিরিস্তানের মুহতামিম। বইটির শুরুতে পাকিস্তান ও আফগানের বিখ্যাত সব আলেমদের প্রশংসাবাণী উল্লেখ রয়েছে। মুফতি নুর মুহাম্মদ সাহেব ওজারিস্তানসহ ঐ অঞ্চলের অন্যতম বিখ্যাত ও গ্রহণযোগ্য আলেম হিসেবে প্রসিদ্ধ। উনি ইলমি ময়দানে যেমন বিখ্যাত মানুষ তেমনি, রাশিয়াদের আক্রমণের সময় ইসলাম ও আফগান রক্ষায় সশস্ত্র অংশগ্রহণও করেছেন।

আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কত বছর তা*লে*বানদের সাথে? সে বললো, দশ বছর হবেই। আমি কাবুলেরই সন্তান। সেখানের একটি স্কুলে পড়তাম। জিজ্ঞাসা করলাম, কাজের শুরুতে আলেমরা কী তা*লে*বানদের বিরোধিতা করতো না? বললো, আরে আমি যে মসজিদে সিক্রেট এজেণ্ট ছিলাম, সেখানের ইমামও তা*লেবা*নদের বিরোধী ছিলো। এমন প্রচুর ছিলো। আবার আলহামদুলিল্লাহ একদল আলেম তাদের সাধ্যমতো প্রকাশ্যে গোপনে বিভিন্নভাবে আমাদের সমর্থন করে গেছে। আমাদের স্কুলে ডেমোক্রেসিকে ভালো দৃষ্টিতে পড়ানো হতো। আমাদের পরিক্ষাতেও প্রশ্ন এসেছে ডিমোক্রসি কী সে সম্পর্কে।আমি লেখে দিয়েছি এটা একটি কু*ফরি শাসন। আমি হেসে দিলাম, বললাম, নাম্বার কাটেনি? সে মুসকি হাসি দিয়ে বললো, শুধু নাম্বারই কেটেছে, আর কিছুই করতে পারেনি! বললাম, এই শিক্ষাব্যবস্থা কী এখন তা*লে*বানরা পরিবর্তন করছে না? ‘শিক্ষাব্যবস্থা পরিবর্তন করছে না, বাকি কারিকুলাম পূর্ণ পরিবর্তন করছে’। উত্তরে বললো। আমাদের দেশের অবস্থা জিজ্ঞাসা করল, বললাম হিন্দুত্ববাদীদের আগ্রাসনের কথা, কীভাবে সব জায়গায় এরা বসে গেছে!? হেসে দিয়ে বললো,.... জন্য দাঁড়িয়ে যান দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে। বেশ অবাক হলাম, আমি যতই সমস্যার কথা বলি তার একটাই সমাধান তার কাছে...। যেনো এটা করলেই সকল সমস্যাএ সমাধান একবারেই করা সম্ভব। সবকিছুতেই তাদের সে নববি শিক্ষা। আমাদের তো শুনতেই ভয় কাপ উঠে। কথা শেষে উঠে দাঁড়ালাম। বললো, আফগান জাতি বহু কোরবানি দিয়ে আজকে এখানে এসেছে, এমনও ঘর আছে যেখানে বারো-তেরোজন পুরুষ নিহত হয়েছে। আপনারাও কোরবানি করার ফিকির করেন, আমরা বিশ বছরে যা পেরেছি আপনারা আরো দ্রুত পারবেন। আরে জি*হা-দের যে মজা তা এই হারামেও আপনি পাবেন না। দেখেন, প্রতি বছর কত মানুষ শুধু অসুস্থতাই মারা যায়? তার দশ পার্সেণ্টও যদি জি*হা*দের ময়দানে মারা যেতো তাহলে আজকের পৃথিবীর চিত্র ভিন্ন থাকতো।... আমার পুরো শরীরে ভয়ের একটা কাপুনি উঠে গেলো! .... এরপর আর কিছুই মনে নেই।...

আরেকদিনের স্বপ্ন... দেখছিলাম, শরীর অনেক খারাপ ছিলো। এশার জামাত আর তারাবি হারামে না গিয়ে হোটেলেই পড়ে ফেলার কথা ভাবছিলাম। কিন্তু আল্লাহ এমন পবিত্র স্থানে আসার তাওফিক দিয়েছে তার না-শোকরি যেন না হয় তাই হিম্মত করে বের হলাম। সাথে ইহরামের কাপড়ও নিলাম যদি শরীর সাড়া দেয় তাহলে তাওয়াফ করেই আসবো। জাবালে ওমরের কাছাকাছি আসতেই দেখি দুজন আফগানি নামাজের জন্য হেটে যাচ্ছে। এক জনের পাগড়ি আর অপরজনের আফগানি টুপি দেখেই আলাদা করে চিনা যায় তাদের পরিচয়। সাথে তাদের দেহ কাঠামো আর চলার ভঙ্গি আরেকটি পরিচয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে এরা তা*লে*বান! পিছু নিলাম, আজ এদের সাথেই নামাজ পড়বো। বহু ভীড় ঠেলে আমি তাদের পিছনেই রইলাম। এক জায়গায় ফরজ পড়ার পর পুলিশ উঠিয়ে দিলো সেটা রাস্তা ছিলো তাই। আবার তাদের পিছনে চলা শুরু। লিফট দিয়ে উঠে তৃতীয় তলায় একটু ফাকাঁ পেয়ে তারা দাঁড়িয়ে গেলো আমি হতাশ মনে একটু সামনে যেতেই খেয়াল করলাম তাদের দুজনের পিছনে একজন দাঁড়ানো পরিমাণ জায়গা আছে। নিয়ত বেধে ফেলার আগেই বললাম, আমি পিছনে যেতে চাই, হেসে জায়গা দিলো। পুরো নামাজ শেষ না করেই তারা উঠে যায় কি না এমন একটা উৎকন্ঠা ছিলো ভিতরে। কারণ এখানে দশ রাকাত তারাবিহ হয়, আবার বিতরও হানাফিদের থেকে ভিন্ন। দেখলাম, ওরা পুরো নামাজই পড়লো, এবং শেষ করে বসলো। আমি দুরুদুরু মনে সালাম দিলাম, এত কষ্টের পর যদি শুনি, এরা আরবি বা উর্দু কিছুই পারে না তাহলে তো আশা শেষ! সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, উর্দু ইয়া আরবি, প্রথমজন কোনোটাই জানে না বলে মাথা নেড়ে দ্বিতীয়জনের দিকে তাকালো, সে মুচকি হেসে বললো, উর্দু খুবই অল্প বুঝি। আমি মনে মনে আল্লাহর শোকর আদায় করে এগিয়ে গেলাম আরেকটু। বেশি কথা বলার সুযোগ হবে কি না তাই আমি বাংলাদেশি পরিচয় দিয়েই কথা শুরু করলাম, ‘আল্লাহ আপনাদের যে নেয়ামত দিয়েছে দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমদেরও তা দেয়’। সে বললো, অবশ্যই! আল্লাহ পুরো দুনিয়ার সকল ভুখণ্ডে ইসলামি নেজাম কায়েম করার তাওফিক দান করুক। তার কথা শুনে দিলটা ভরে উঠলো, আলহামদুলিল্লাহ, সে শুধু আফগান নিয়েই না, পুরো দুনিয়া নিয়ে ফিকির করে। প্রকৃত মু*জা*হিদের এমনই হওয়া উচিত। একটু খটকা ছিলো, সে সাধারণ আফগানি না তা*লে*বানও! জিজ্ঞাসা করবো কি না ভেবে পাচ্ছিলাম না, কারণ নিরাপত্তা জনিত কোনো সমস্যা হয় কি না!? তাও সাহস করে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি তা*লে*বান? সাথির দিকে তাকিয়ে হেসে বললো, হাঁ, আমি তা*লে*বা*ন। কাবুল বিজয়ের দিন আমি সেখানেই ছিলাম। আমি তার হাত ধরে চুমু খেলাম। সে একদম অপ্রস্তুত হয়ে হাত সরিয়ে নিতে চাইলো, পারলো না। এই প্রথম কোনো তা*লে*বা*নের সাথে আমার সাক্ষাত, দীর্ঘ পাঁচ বছর যাদের বিজয়ের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছি, যাদের বিজয়ের খুশিতে সাথীদের মিষ্টি আর বিরিয়ানি খাইয়েছি, আজ তাদের দুজন সদস্যের সামনে বসে আছি, কথা বলছি! আলহামদুলিল্লাহ! সেদিনের দেখা সে স্বাদ আজও অনুভব করি। আফগানিস্তানের বিভিন্ন হালত জিজ্ঞেস করলাম। এক পর্যায়ে পাঞ্জেশিরের বর্তমান অবস্থা জিজ্ঞাসা করলে সে অবাক হলো। আমি সেখানের বিভিন্ন প্রদেশের হালতের ব্যাপারেও খোঁজ রাখি যেনে খুশি হলো। বললো, প্রথমে কিছু সমস্যা ছিলো। এখন ওদের কোনো জামাত আর সেখানে সক্রিয় নেই, সব ঠিক হয়ে গেছে। তবে আই *এ*স খারেজিদের কিছুটা সমস্যা চলছে। আমি সুযোগ বুঝে জিজ্ঞাসা করলাম, আমাদের দেশের অনেকেই এটা বলে, তা*লে*বান আর কা*য়ে*দা সম্পূর্ণ ভিন্ন জামাত। তারা বিরোধি। সে অবাক হয়ে বললো, কখনোই না। তারা আমাদের সাথি। পাশে বসা তা*লে*বান বললো সিয়াসি কিছু পার্থক্য রয়েছে। এছাড়া আমরা একটাই জামাত। আমি এবার আসল প্রশ্ন করলাম, টি*টি*পি কী আপনাদের সাথী? সে সাথির দিকে তাকিয়ে হেসে আমাকে জিজ্ঞাসা করলো, আপনি টি*টি*পিকে কীভাবে দেখেন? বললাম, আমি দুনিয়ার সকল মু*জা*হি*দকেই ভালোবাসি, যাদের অস্ত্র কু*ফ*ফারদের দিকে দেওয়া তাদের জন্যই আমার দোয়া। মাশাআল্লাহ, বহুত আচ্ছা বলে জানালো, আসলে তারা আমাদেরই একটি জামাত। আমাদের বহুত সাথী, আফগান জি*হা*দ শেষ করে এখন সেখানে কাজ করছে। আমরা সম্পূর্ণ এক জামাত, আমাদের উদ্দেশ্য একই। রাজনৈতিক কিছু বক্তব্য আমরা দিতে বাধ্য হই। কিন্তু তা কখনোই সত্য নয়। আর মিডিয়ার কথা কখনোই বিশ্বাস করবেন না। এটা বলেই সে মোবাইল বের করে কয়েকটা ছবি বের করলো, আমাকে দেখিয়ে বললো, আমাদের সাথী, সে শহিদ হয়েছে পাক সেনাদের সাথে যুদ্ধ করে। আমাদের এখন রোখ ঐদিকেই। বললাম, পাকিস্তানের একদল আলেম তো তো টি*টিপির বহু বিরোধিতা করছে, এটাকে কীভাবে দেখেন? সে আফসোস করে বললো, এটা খুবই দুঃখজনক, সেখানে অনেক বেশি বিরোধিতার শিকার তারা। তবে আল্লাহ ভরসা ঠিক হয়ে যাবে। জিজ্ঞাসা করলাম, তাকি সাহেব কিছুদিন আগে এক সাক্ষাতকারে বললো, টি*টি*পির সাথে আপনাদের কোনো সম্পর্ক নেই। দুইজনই হেসে দিলো। বললো, তাকী সাহেব অনেক বড় আলেম, কিন্তু... সে আর কথা আগালো না। আমিও জিজ্ঞাসা করিনি, বুঝে নিয়েছি সে কী বলতে চায়।

দরদি মালির কথা শুনো।
দরদি মালির কথা শুনো।

একজন মানুষ এক বা একাধিক জি*হা*দে লিপ্ত দলকে মহব্বত করে আর নির্দিষ্ট একটি দলকে গোমরাহ ভাবে তাদের বিভিন্ন অপকর্মের কারনে বা নির্ভরযোগ্য আলেমদের ফতোয়ার কারনে। কিন্তু কোনো একজন আলেমের সোহবতে গেলে এতদিনের হক জানা জামাতগুলোর ব্যাপারে সংশয় তৈরি হয়, সে জামাতগুলোর কাজগুলো দেখলে বিরক্ত লাগে, আর এতদিনের জানা সে বাতিল দলকে হক হক লাগে, বা তারা যে ভুল সে বিষয়ে একটা সংশয়ে পড়ে তাহলে এখানে এই মানুষের ক্ষেত্রে মূল সমস্যা কোনটা ? একজন আলেমের সোহবতে গেলে নির্দিষ্ট একটি জি*হা*দের শিরোনামের দল ছাড়া দুনিয়ার সকল দলকে গোমরাহ আর কোনো কোনো দলকে তো কা*ফে*র মনে হয় আর সেই আলেম যদি কসম করেও বলে তিনি সে নির্দিষ্ট জামাতের সাপোর্টার না, তাহলে আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে মিথ্যুক ছাড়া আর কিছুই মনে করি না, এবার তিনি যেই হোক

দরসে পড়ানোর উপযোগী অত্যান্ত চমৎকার একটি কিতাব! . উলুমুল কুরআন বিষয়ে এত চমৎকার একটি কাজের এবার সন্ধান পেলাম যে সংগ্রহ করার পর থেকে যতই পড়ছি শুধু মুগ্ধ আর অবাক হচ্ছি, একটি শাস্ত্রের প্রথম পর্যায়ের কিতাব যা সিলেবাসভুক্ত হবে তা আসলে কীভাবে তৈরি করা লাগে এই কিতাবটি এর একটি উৎকৃষ্ট নমুনা। আর শুধু আফসোস লাগছে, ইশ প্রতিটি শাস্ত্রের একটি পাঠ্য বই যদি এভাবে লেখা হতো! . এই কিতাবটি নিয়ে আমি যত প্রশংসা করবো আমার দৃষ্টিতে ততই তা কম হবে। এমন অসাধারণ বইটির সন্ধান যে ভাই দিয়েছেন আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুক। উলুমুল কুরআন বিষয়ে আরবের অত্যন্ত সুপরিচিত ব্যক্তি ড. মুসায়েদ তাইয়ার সাহেবের তত্ত্বাবধানে কাজটি করা হয়েছে (উনার উলুমুল হাদিস বিষয়ে আরো অনেক কাজ রয়েছে যা এক কথায় চোখ বন্ধ করে সংগ্রহ করার মত)। . কিতাবটি কতটা সুন্দর একটু উদাহরণ দিয়ে বলি, প্রথমে একটি অধ্যায়ের শিরোনাম দেয়া হয়েছে, এরপর সেই অধ্যায়ে মোট কয়টি আলোচনা আছে সেগুলোর শিরোনাম উল্লেখ করে, নীচে আরেকটি তালিকা দেয়া হয়েছে, এই অধ্যায় পড়ার দ্বারা ছাত্রদের কী কী বিষয় অর্জন হবে বা অর্জন হওয়া উচিত। এরপর একেকটি শিরোনামের আলোচনাকে একদম সহজ ভাষায় উল্লেখ করে প্রতিটি আলোচনার শেষে চক দিয়ে পুরো আলোচনার খোলাসা বের করা হয়েছে। এভাবে যখন পুরো অধ্যায়ের সবগুলো আলোচনা শেষ হয়েছে সেখানে আবার খোলাসা কালাম উল্লেখ করা হয়েছে যাতে পুরো অধ্যায় এক পৃষ্ঠার মাঝে হল হয়ে যায়! . কুরআনের তরজমা পড়ান বা উলুমুল কুরআনের কোনো কিতাব পড়ান সে সকল উস্তাদদের কাছে আবেদন থাকবে বইটি সংগ্রহ করবেন । এবং ছাত্রদের চাইলে অল্প অল্প দরসে পড়াতে পারেন। আমি কয়েকজন সাথী ভাইদের সাথে বিষয়টা বলেছি, তারা তাদের মাদরাসায় শুরু করেছেন এবং অত্যন্ত উপকৃত হচ্ছেন। আলহামদুলিল্লাহ।

Noor-Book.com الميسر في علوم القرآن.pdf20.93 MB

উলুমুল কুরআন বিষয়ে দরসের উপযোগী অত্যান্ত চমৎকার, কতটা চমৎকার তা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে অপারগ। কুরআনের তরজমা বা উলুমুল কুরআন পড়ান এমন যেকোনো উস্তাদ কিতাবটি দেখলেই প্রেমে পড়ে যাবেন৷

"আমার মতে ইসলামী বিশ্বের ইতিহাসে এর চেয়ে বড় দূর্ঘটনা ঘটেনি। বাগদাদ পতন, তা*লে*বান পতন, এবং উসমানি খেলাফত পতন অপেক্ষা এটি বড় দূর্ঘটনা। কারণ, খেলাফত দ্বিতীয়বার প্রতিষ্ঠা হতে পারে, কিন্তু এই উ*সা*মা আর থাকবে না। সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ূবি এবং অন্যান্য মুসলিম সেনাপতির শাহাদাত অপেক্ষাও এটি বড় দূর্ঘটনা। কেননা তাঁদের পরে এমন সেনাপতির জন্ম হয়েছে, যে তাঁদের স্থান দখল করতে পেরেছে। কিন্তু, পুরো ইসলামী বিশ্বে উ*সা*মার মতো সেনাপতি আমি আজও দেখিনি। আল্লাহ উম্মতের এ অবস্থায় তাদের প্রতি রহম করুন।" শহিদ সমিউল হক হ ক কা নী রহ. হায়াতে জাওদানী কে হামেল পৃ.৩০৬ আজকের এই দিনেই নাকি মহান সেই মানুষটি তার রবের সাথে কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছেন।

আমেরিকা সাউদিতে নৌঘাঁটি করার পর উম্মাহের জন্য উঠে এসেছে শায়খ আবু আব্দুল্লাহ, নাইন এলিভেনের পর বিশ্বব্যাপী আমেরিকার অত্যাচারে উঠে এসেছে মুহরাতাম আবু নাওয়ার রহ.সহ আরো অসংখ্য যুবক। আর এখন, গাজায় আমেরিকার নগ্ন হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধ বড় বড় ভার্সিটিগুলোতে শিক্ষার্থীরা ব্যাপক আন্দোলন করছে, আর বাকস্বাধীনতার খোদার আসনে বসা আমেরিকান সরকার সেখানে চালাচ্ছে নির্মম অত্যাচার, সেখান থেকে খুব বেশি না, উম্মাহের একজন শ্রেষ্ঠ সন্তান উঠে আসলেই.... . মুমিন প্রতিটা সমস্যা আর বিপদ থেকেই বের করে মিয়ে আসতে পারে সফলতা আর বিজয়, বরং সংকট যত ঘনীভূত হয় বিজয় ততই বড় হয়ে আসে। কিন্তু কীভাবে হবে, হবে আমার আপনার উম্মাহকে সঠিক পথে রাহনুমায়ি করার মাধ্যমে। উপরের দুই ব্যক্তি সে দুই সংকটে যদি ভিন্ন খাতে পরিচালিত হতো তখন কী হতো? বাস, এভাবে ভাবলেও আমরা চলমান সংকটে আমাদের জন্যে পাথেয় পাবো ইনশাআল্লাহ।

তুর্কীর সুলতান ইসলামিক ইমারাত আফগানিস্তানের সাথে যে কাজ করেছিল, একই কাজ করছে ইসলামি ইমারাত সুমালিয়ার সাথে। দিন শেষে মুজাহিদের
তুর্কীর সুলতান ইসলামিক ইমারাত আফগানিস্তানের সাথে যে কাজ করেছিল, একই কাজ করছে ইসলামি ইমারাত সুমালিয়ার সাথে। দিন শেষে মুজাহিদের বিরুদ্ধে লড়াই করেও, ইমারাত প্রতিষ্ঠার পর বলা হয় তারা নাকি ইমারতকে সাহায্য করেছে। সুলতান সমর্থকরা হল অন্ধ ও বধীর।