uz
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Abdullah bin bashir analitikasi

Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 300 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 8 141-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 028-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 300 obunachiga ega bo‘ldi.

23 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni 85 ga, so‘nggi 24 soatda esa 5 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 19.42% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 7.99% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 194 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 903 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 48 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 24 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 300
Obunachilar
+524 soatlar
+357 kunlar
+8530 kunlar
Postlar arxiv
এদেশের কাঠামোগত ইসলাম বিদ্বেষ। পোষ্টটি শেয়ার করুন, আর উপরের মহলে সামর্থ্য থাকলে আওয়াজ তুলুন। https://www.facebook.com/share/p/16NJdC23qk/

আমাদের বাপ-চাচারা হকআই ফালাইয়া দিছে, আর আমরা হেলিকপ্টার। মাথার উপর কিছু উড়লে ফালাইয়া দেওয়াটা আমাগো একধরনের জমিদারী আরকি। #সোম
আমাদের বাপ-চাচারা হকআই ফালাইয়া দিছে, আর আমরা হেলিকপ্টার। মাথার উপর কিছু উড়লে ফালাইয়া দেওয়াটা আমাগো একধরনের জমিদারী আরকি। #সোমাল_বিদ্রোহী

লক্ষ্য লক্ষ্য জনগনকে হত্যা করার পর সুশীল একদম নিষ্পাপ ভাইটি আমার!
লক্ষ্য লক্ষ্য জনগনকে হত্যা করার পর সুশীল একদম নিষ্পাপ ভাইটি আমার!

নির্ভরযোগ্য একটি রিওয়ায়েতে পাওয়া যায় দাজ্জালের আবির্ভাব হবে খুবই রাগান্বিত অবস্থায়। কিন্তু এই রাগার কারণ কী তার স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত এখনো পাইনি। . কিন্তু কথা হলো, একজন ব্যক্তি কেনো এত রাগান্বিত হবে যে, নিজেকে সে আত্মপ্রকাশ করে ফেলবে? অবশ্যই তার কোনো বারা ভাতে ছাই পড়বে। যার কারণে সে আর তা সহ্য করতে না পেরে নিজেই প্রকাশ্যে চলে আসবে। . দাজ্জালের রাগান্বিত হওয়ার স্পষ্ট কারণ তো এখনো নজরে পড়েনি। তবে দুটো ইহতেমাল আমার কাছে মনে হয়েছে। . ১। মুসতাদরাকে হাকেমের একটি রিওয়ায়েত, যা কাশ্মীরী রহিমাহুল্লাহ উল্লেখ করেছেন, এবং শায়খ আব্দুল ফাত্তাহও কোনো কালাম করেনি, দীর্ঘ হাদিসের একটি অংশ হলো, দাজ্জাল পুরো পৃথিবীর উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে ফেলবে তবে হারাম শরীফ ও বাইতুল মাকদিস ব্যাতিত। দেখুন, যে বাইতুল মাকদিস নিয়ে জায়োদের এত স্বপ্ন, সেখানে তারা দাজ্জালের সিংহাসন প্রতিষ্ঠা করবে, সেখানেই দাজ্জালের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হবে না! এর একটা বড় ইঙ্গিত তো এটাই যে, দাজ্জালের আবির্ভাবের পূর্বেই বাইতুল মাকদিসের উপর মুসলমানদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয়ে যাবে। ইমাম মাহদি সংক্রান্ত একটি নির্ভরযোগ্য হাদিসে তো স্পষ্ট আছে, ইমা মাহদি ইলিয়া পর্যন্ত বিজয় করবে, আর ইলিয়া হলো বাইতুল মাকদিস। হতে পারর ইমাম মাহদির এই বিজয় দাজ্জালের আবির্ভাবের আগেই হয়তো। আর এটা ই*হু*দি লবির জন্য কতটা কষ্টের তা স্পষ্ট। যদি ধরে নেন, আগামী ৩০/৪০ বছরের মধ্যে ইহুদিদের হাত থেকে জেরুজালেমে হাত ছাড়া হয়ে যায়, তাহলে তাদেএ কী অবস্থা হবে?! পুরো পৃথিবীর উপর এত এত নিয়ন্ত্রণ থাকার পরেও তাদের হাত থেকে যদি তাদের স্বপ্নের জায়গাই হাত ছাড়া হয়ে যায়, তাহলে কি ভয়ংকর চেতাডাই না দিবো তারা! ২। হাদিসের ভাষ্যমতে ইমাম মাহদির আবির্ভাব হবে একজন খলিফার মৃত্যুর পর খিলাফত সংক্রান্ত পরষ্পর কোন্দল থেকে। যদি হাদিসকে তার জাহিরি অর্থের উপর আমরা ধরি, তাহলে স্পষ্ট ইমাম মাহদির আবির্ভাবের পূর্বেই আল্লাহ তাআলা যমিনে খিলাফত দান করবেন। আর খিলাফত তো আর অল্প কোনো ভুখণ্ড কেন্দ্রিক হবে না, বরং বিশাল ভুখণ্ড জুড়েই হবে। এবং ঐ হাদিসের জাহিরি অর্থে এটাও রয়েছে সে খিলাফতটা মক্কা ও মদিনায় থাকবে। তো, হাদিসের এই সব জাহিরি ইঙ্গিত এটাই। আর কোথাও খিলাফত প্রতিষ্ঠা হওয়ার অর্থই হলো ইহুদিদের এত বছরের স্বপ্ন নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার ভেঙ্গে যাওয়া! তো, এতদিনের হাজারো চক্রান্ত, নরকীয় তাণ্ডব ও মানব হত্যা করে যে নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার প্রতিষ্ঠা করা হলো তা যদি বিশাল ভূখণ্ড জুড়ে ভেঙ্গে যায়, তাহলে কি ভয়ংকর রাগ আসবে, তা স্পষ্টই। . বি.দ্র. হাদিসের ধারাবাহিক আলোচনা একসাথে করলে এটা অনেকটা নিশ্চিতে সাথে বলা যায়, ইমাম মাহদির আবির্ভাব হবে দাজ্জালের পূর্বেই। আর ইমাম মাহদির হাতে পৃথিবী জুড়ে ন্যায়, ইনসাফ ও শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে।

ইরান-হিজ্রাইলের এই যুদ্ধে আমার হিসাবটা সোজা। . আমি চাই এই যুদ্ধে ইরান চূড়ান্ত ক্ষতিগ্রস্ত হোক। তাদের সমস্ত প্রক্সিগুলো শেষ হয়ে যাক। যাতে তারা আগামী কয়েক বছর নিজেদেরকে গোছাতে ও নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের মধ্যেই থাকে। কারণ, এতে সিরিয়া ও ইমারতে ইসলামিয়ার সবচেয়ে নিকৃষ্ট একটি শত্রু ব্যস্ত থাকবে। এবং এই দুটো সুন্নি শক্তি একটি শত্রুর দিক থেকে কিছুটা নিরাপদ থাকবে। . আমি এটাও চাই, ইরানের আত্মমর্যাদা রক্ষায় হোক বা অন্য ভূরাজনৈতিক স্বার্থে হোক, হিজ্রাইলকে কঠিন একটি মাইর দিক, এক উসিলায় ওরা অন্য একটি যুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যস্ত হয়ে যাক। ওদের শক্তি বিভক্ত হয়ে যাক, যাতে ওরা চূড়ান্ত শক্তি নিয়ে ফিলিস৩-এর উপর চরাও আপাতত না হতে পারে। হিজ্রাইল যত বেশি আশপাশের যুদ্ধে জড়াবে ঠিক ততটাই আকসার মুক্তির রাস্তা প্রশস্ত হতে থাকবে। . আমার দুই শত্রু যুদ্ধে জড়িয়ে গেছে, যাদের সাথে নিকট ভবিষ্যতে আমার যুদ্ধ অনিবার্য, সে সময়ে আমি এটাই চাইবো, তারা নিজেদের এই যুদ্ধে কঠিনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হোক। এটাই আমার সহজ মাথার সহজ হিসাব। .

🥹
🥹

বর্তমান পৃথিবীর যুদ্ধের একটা কমন বিষয় কী খেয়াল করেছেন, যুদ্ধের উভয় পক্ষ কোনোনা কোনো জোটের সাথে যুক্ত থাকে। চাই তা অফিসিয়াল হোক বা আনঅফিসিয়াল। এত ব্যয়বহুল যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক কঠিন থেকে কঠিন মারপ্যাঁচ ইত্যাদির কারণে কোনো বৃহত্তর শক্তির সাথে এলাই করেই যুদ্ধের চক ও হিসাব-নিকাশ করা হয়। . এখন যেটা বলতে চাচ্ছি, আল্লাহই ভালো জানেন, শেষ জামানায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে বিশাল মালহামার কথা বলেছেন, সে মালহামার প্রথম অংশে কিন্তু মুসলমানরা রোমানদের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করবে অন্য এক শত্রুর সাথে। যে যুদ্ধের পর যুদ্ধের ক্রেডিট ও কিছু মুসলমানদেরকে রোমানদের হাতে তুলে দেওয়া নিয়ে ক্যাচাল লাগবে, আর সে ক্যাচাল জের ধরেই চূড়ান্ত এক ভয়ংকর যুদ্ধ বেধে যাবে! লাশের উপর দিয়ে উড়ে যাওয়া পাখি মরে যাবে, একশো লোকের একটি গোত্রে মাত্র একজন জীবিত থাকবে! শেষ সময়ের বহু হিসাব-নিকাশ বাহ্যত বুঝা খুবই কঠিন হবে। হাদিসের ভাষ্য থেকে বুঝা যায় সঠিক ঈমানই হবে সে সময়ের সঠিক পক্ষ বেচে নেওয়ার একমাত্র মাধ্যম। . শেষ জামানা কোনটা তা আল্লাহই ভালো জানেন, তবে আমার ব্যক্তিগত গালেবে জন আমরা পৃথিবীর খুবই শেষ সময়ে অবস্থান করছি। এর সবচেয়ে বড় কারণ, হিজ্রাইলি রাষ্ট্র। একটি সহিহ বর্ণনায় পাওয়া যায়, ই*হু*দিদের সাথে যুদ্ধ হওয়া পর্যন্ত কেয়ামত সংঘটিত হবে না। আর ইতিহাসে লক্ষ্য করে দেখুন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন এই ভবিষ্যৎবানী করেছেন তখন থেকে নিকট অতিত পর্যন্ত ইহুদিরা পুরো পৃথিবীতে লাঞ্চিত ছিলো। অর্থাৎ, ইহুদিরা কখনোই এমন শক্তিশালী হয়নি ইসলামের চৌদ্দশত বছরের ইতিহাসে যে, তাদের সাথে মুসলমানরা যুদ্ধ করবে। কিন্তু বর্তমানে দেখুন, হিজ্রাইল একটি স্বতন্ত্র শক্তিতে রূপান্তর হয়েছে। অনেকে মনে করেন এই শক্তি মূলত আমেরিকা। আমি এটা পূর্ণ মনে করি না, আমেরিকা অবশ্যই হিজ্রাইলের বড় শক্তি। তবে একমাত্র শক্তি না। . যাইহোক, আল্লাহ মুসলমানদের ঈমান, আমল ও ইদাদের মাধ্যমে শক্তি অর্জন করার তাওফিক দান করুন। মু জা হি দিনদের শক্তিশালী করুন, পৃথিবীর সবচেয়ে যোগ্য ও সংশোধিত ব্যক্তিদের জি হা দের কাজে নিয়োজিত করুন। আমীন।

ইরানের ব্যাপারে আমাদের অবস্থান কী? বিষয়টি স্পষ্ট করা জরুরি। অন্যথায় ভুল বার্তা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা সুস্পষ্টভাবে জানি যে, ইরান অন্যান্য মুসলিম দেশের মতো ইসলামকে ধারণ করে না। বা তারা আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের অনুসারী নয়। ক্ষেত্রবিশেষে তারা "কাফে.র"। বিশেষত ১২ ইমামের আকীদার অনুসারী, কুরআনকে বিকৃত বিশ্বাসী, আয়শা রা. -কে অপবাদদানকারী, আলী রা. -কে নবী বিশ্বাসী ইত্যাদি শিয়ারা কাফে.র। সুতরাং অন্যান্য জালিম মুসলিম রাষ্ট্রের প্রতি আমাদের যতটুকু ক্ষোভ, তারচেয়ে বেশি ক্ষোভ ইরানের প্রতি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। অপরদিকে তারা সিরিয়াতে যেই গণহট্যা চালিয়েছে, সেটা এখন পর্যন্ত মুসলিম গণহট্যার সবচেয়ে বড় সংখ্যা বললে ভুল হবে না। এজন্য স্বাভাবিকভাবেই আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের অনুসারী মুসলমানদের অন্তরে ইরান এবং তাদের প্রক্সিগুলোর প্রতি একটা বিদ্বেষ জমে আছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমরা ইরানকে স্বতন্ত্রভাবে সমর্থন করতে পারি না। কিন্তু ইরান যদি ইজরা.য়েলের সাথে যুদ্ধে জড়ায়, বা ইজরা.য়েল যদি ইরানের উপর হাম.লা চালায়, তাহলে আমরা কোন পক্ষ নিব? উত্তর সহজ। এক্ষেত্রে অবশ্যই আমরা চাইবো ইরান বিজয়ী হোক, আর ইজ.রায়েল ধ্বংস হোক। এই চাওয়া বা সমর্থন আকীদাগত অবস্থান থেকে নয়, বরং রাজনৈতিক অবস্থান থেকে। সুতরাং রাজনৈতিক অবস্থান থেকে ইজরা.য়েলের বিরুদ্ধে আমরা ইরানের সমর্থক। যেমনিভাবে রোম-পারস্য যুদ্ধে মুসলমানরা রোমানদের সমর্থক ছিল রাজনৈতিক স্বার্থে। কেন রাজনৈতিক কারণে ইরানকে সমর্থন করা জরুরি? এর উত্তর গা.জার দিকে তাকালেই স্পষ্ট। কারণ ইরানের পতন হয়ে সেখানে যদি মেরিকা বা ইজরা.য়েলের সরাসরি শাসন প্রতিষ্ঠা হয়, তাহলে প্রথম আক্রান্ত হবে ইমারতে ইসলামি। এরপর পাকিস্তানও শান্তিতে থাকবে না। আরও নানান হিসাব আছে। সুতরাং ইজ.রায়েল-মেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমরা ইরানকে সমর্থন করি। কিন্তু এর মানে এটা নয় যে, ইরানের প্রতি দিলের ভালবাসা তৈরি করতে হবে, তাদেরকে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে বড় ত্রাণকর্তা মনে করতে হবে, তাদেরকে আল-আকসার ত্রাণকর্তা মনে করতে হবে, শিয়াইজমের প্রতি দরদী হতে হবে। অবশ্যই প্রশ্ন আসতে পারে, তাহলে এখন আমরা ইরানকে নিয়ে ট্রোল করছি কেন? বা এই মুহূর্তে তাদের সমালোচনা করছি কেন? এর কারণ নানাবিধ। একে তো ঐসব অপরিপক্কদেরকে সচেতন করার জন্য, যারা মনে করতো ইরানের কত-শত সক্ষমতা রয়েছে। অপরদিকে ইরান যুগ যুগ ধরে নিজেদেরকে আকসার ত্রাণকর্তা দাবি করে সিরিয়া, লেবানন, ইরাক, ইয়ামান সহ বহু দেশে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের উপর গণহট্যা চালিয়েছে। তারা আল আকসা, ফিলি.স্তিন, কুদস এবং গা.জার পক্ষে গরম গরম বয়ান দিয়ে পুরো বিশ্ব থেকে সিম্প্যাথি আদায় করে নিয়েছে। সুতরাং তাদের সমালোচনা করে কেবল তাদের ফাঁকা বুলির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হচ্ছে, যা দিয়ে তারা মুসলিম গণহট্যাকে বৈধ করার চেষ্টা করেছিল। আমরা ইজরা.য়েলের ধ্বংস চাই। সেটা যার মাধ্যমেই হোক তাদের প্রতি আমাদের রাজনৈতিক সমর্থন থাকবে।

হিজ্রাইলের ইরানে আক্রমনের ফলে পুরো বিশ্বে বিশেষত মুসলিম বিশ্বে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতিটা হয়েছে, তা হলো, হিজ্রাইল ও মোসাদের একটা ভীতি ছড়িয়ে যাবে—তাদের বিরুদ্ধে কেউ গেলেই সে শেষ! . হা*মা*সের প্রতিরোধের সামনে হিজ্রাইল ও।মোসাদের পুরো মিথটা পৃথিবীর সামনে ধ্বসে পড়েছিলো। পুরো পৃথিবীর সামনে মোসাদের শক্তির যে গালগল্প ছিলো তা একটা গোপন হাসির খোরাক হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু ইরানের এমন কেন্দ্রীয় পর্যায়েরব লোকদের এত সহজে আক্রমনের ফলে মোসাদের সেই বানানো ভয় অনেকের কাছে আবারো পোক্ত হয়ে যাবে। বিশেষত আরবের মুনাফিক গোষ্ঠী সম্ভবত ভয়ে সামনে আমেরিকা ও হিজ্রাইলকে আরো বেশি করে কর দিতে রাজি হয়ে যাবে! . ইরান মুসলিম বিশ্বে এই বড় ক্ষতিটা করে গেলো!

মধ্য প্রাচ্যের সুপার পাওয়ার ইরান এখন হিজ্রাইলকে কিছু করা মানি পুরো পশ্চিমের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়া, আমার বন্ধু মফিজের একটি নির্মোহ গবেষণা। . গোলান ভূমিতে বারবার হিজ্রাইলের আক্রমণের পরেও কয়েকদশক ধরে যুদ্ধ আক্রান্ত সিরিয়া পালটা প্রতিক্রিয়া না দেখানো মানি হলো জুলানি আমেরিকার দালাল, বন্ধুর আরেকটি নির্ভেজাল গবেষণা। . লাভিউ বন্ধু।

ইরান না থাকলে মধ্যপ্রাচ্য পুরোটা হিজ্রাইলের দখলে চলে যাবে, বলে গবেষণা করতে থাকা আমার বন্ধু মফিজ। অন্যদিকে ইরানি জুজুর ভয় দেখিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যেকে আগেই দখল করে ফেলা আমেরিকা।

হিজ্রাইল ও আব্বো আমেরিকার অনুমতি পাইলে ইরান বড়ধরনের পালটা আক্রমণ করবে। সুতরাং যার কাছে যা আছে তা নিয়ে স্ক্রিনের সামনে বসে যান, আর যুদ্ধের মজা দেখতে থাকেন। .

শাতেমে রাসুলের ইস্যু আসলে একটা কথা ব্যাপকভাবে শোনা যায়, ‘হানাফি মাজহাবেই শুধু শাতেমের তাওবা কবুল হবে, অন্য তিন মাজহাবে শাতেমের তাওবা কবুল হবে না।’ এই কথাটি সঠিক নয়। শাফেয়ী মাজহাবেরও ফতোয়া হলো শাতেমের তাওবা কবুল হবে। হাম্বলি মাজহাবের এক বক্তব্যও হলো শাতেমের তাওবা কবুল হবে। এবং এটার উপর অনেক মুতাকাদ্দিমিন হাম্বলি আলেমের ফতোয়াও আছে। শুধু মালেকি মাজহাবের একক বক্তব্য হলো শাতেমের কোনো তাওবা নাই। . সুতরাং শাতেমের তাওবা কবুল হবে এটা হানাফিদের একার মত নয়, এটাই জমহুর আলেমদের মত। . আমরা আবেগে যেনো মাসআলাকেই পরিবর্তন করে না ফেলি। . এখানে মনে রাখা দরকার, শাতেমে রাসুল প্রমাণিত হওয়ার যেমন নির্দিষ্ট প্রসেস আছে, তেমনি তাওবারও নির্দিষ্ট প্রসেস আছে। যেকোনো মাফ চাওয়াই তাওবা নয়, এটা মাথায় রাখতে হবে।

চতুর্দিকে আবারো নবী অবমাননার ঘটনা ঘটছে। এটা নতুন নয়। মুসলিম পরিচয় দেয়া ছেলেরা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মর্যাদা সঠিকভাবে বুঝতেছে না, বা বিদ্বেষী হয়ে যাচ্ছে, এটা মূলত একটা শিক্ষাব্যবস্থার আবশ্যকীয় ফলাফল। যতদিন এই শিক্ষাব্যবস্থা মুসলিমদের উপর বিজয়ী থাকবে ততদিন এই তীব্র সংকট থেকে মুসলমানরা বের হয়ে আসতে পারবে না। . শাতেমদের বিধানের আলোচনার পাশাপাশি হুব্বে রাসুলের আলোচনাও এখন খুবই জোরেশোরে উঠানো দরকার। সিরাতে রাসুলের আলোচনা খুব হওয়া দরকার। এই সংক্রান্ত পূর্বের যাদের যত পোষ্ট, ভিডিও ইত্যাদি যাই আছে সেগুলো আবারো পূনরায় করা দরকার। . প্রকাশনীগুলো সিরাতের বইগুলো স্বল্প মূল্যে বিক্রির উদ্যোগ নিন। সিরাতের বইগুলোতে বড় ডিসকাউন্ট দিন। . পাঠচক্রের ভাইরা আপাতত অন্যান্য পাঠচক্র রেখে সিরাতের পাঠচক্র শুরুর ঘোষণা দিন। . সিরাত বিষয়ক পডকাস্ট করুন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জাত ও সত্তা নিয়ে, কেনো রাসুলের ভালোবাসা আমাদের ঈমানের অংশ, কেনো এই মহান মানুশকে ভালোবাসতে পারা আমাদের নিজের জন্যোই সৌভাগ্যের, এটা নিয়ে তুমুল আলোচনা করুন। .

১. মুহাম্মদ ইবনে মাসলামা রা. যখন শাতেম কা'বকে হত্যা করে সকলকে নিয়ে ফিরে আসলেন তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের দূর থেকে দেখেই বললেন, أفْلَحَتِ الوُجُوهُ এদের চেহারাগুলো সফলতার।-ফাতহুল বারী ৭/৩৪০ পূর্বসুরিরা যেভাবে সফল হয়েছিলো উত্তরসূরীরাও আজ সেভাবেই সফল হলো। ২. শাতেম আর রাসুলের দুশমনকে হত্যা করতে সাহাবীরা প্রতিযোগিতা করতেন। কা'ব ইবনে আশরাফের হত্যায় অংশগ্রহণ কারী সকল সাহাবী ছিলেন আউস গোত্রের। তখন খাযরাজ গোত্রের সাহাবাগণ ঈর্ষায় পরে গেল। এবং তাঁরা কোনো শাতেম আর খোদাদ্রোহীদের হত্যা করে দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা লাভের জন্যে উদগ্রীব হয়ে গেলো। এবং খুঁজতে লাগলো রাসুলের দুশমন কে আছে? অনেক আলোচনা-পর্যালোচনা করে ঠিক করলো—কা'বের মত বড় পাপিষ্ট আরেকজন আছেন সে হলো—আবু রাফে'। তাকে হত্যা করার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে খাযরাজ গোত্রের সাহাবায়ে কেরাম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে হাজির হলেন। এবং রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের অনুমতি দিলেন।- ফাতহুল বারী ৭/৩৪২। ৩. আবু রাফেকে হত্যা করে আসার সময় সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে আতিক রা. অন্ধকারের কারণে সিঁড়ি থেকে পরে পায়ের নলি ভেঙ্গে যায়৷ আব্দুল্লাহ ইবনে আতীক রা. বলেন, ‘সকালে হত্যার পুরো ঘটনা যখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শুনানো হচ্ছিলো তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমার পা বিছিয়ে দেও। আমি পা বিছিয়ে দিলে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে তাঁর মুবারক হাত বুলিয়ে দেন। আমার পা তখন এমনভাবে ভালো হয়ে গেলো যে মনে হতে লাগলো এই পায়ে কখনো কোনো সমস্যাই ছিলো না। -সহিহুল বুখারী বর্ণনা নং ৪০৩৯ শাতেমদের হত্যাকারীদের সাথে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবেই আচরণ করতেন৷ এবং একজন মুমিনের জন্যে এটাই হলো এমন বীরদের সাথে আচরণের আদর্শ। ৪. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শাতেমদের হত্যাকারী মহাবীরদের যে বিচার ব্যবস্থা দোষী সাব্যস্ত করে হত্যার রায় দেয় তা আর যাইহোক ইসলাম অন্তত নয়। এবং এমন ব্যক্তিরা মুমিন কিনা তা ওলামায়ে কেরামকে যাচাই করে দেখতে হবে। ৫. শাতেম হত্যাকারী বীরদের যারা বুঝে বা না বুঝে ‘উগ্রবাদী’, ‘উগ্রপন্থী’, ‘চাপাতি মুজাহিদ’সহ বিভিন্ন উপাধি দিয়েছে তাদের হিদায়েতের দোয়া করা উচিত।

এনসিপিকে যারা এখনো বিশ্বাস করেন তারা কচু গাছের সাথে ফাসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করেন পিও
এনসিপিকে যারা এখনো বিশ্বাস করেন তারা কচু গাছের সাথে ফাসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করেন পিও

শাতেমে রাসুল নিয়ে নিজের ইলম বৃদ্ধি করুন ভাই। লেখাটি পড়ুন (পূর্বে পড়া না থাকলে) এবং যাদের কাছে মাসআলাগুলো অস্পষ্ট তাদের কাছে পৌঁছিয়ে দিন।

যে শরীয়াহ শাসন চায়না, তাকে শরীয়াহ শাসনের আন্ডারে আনতে চাওয়াটা এক্সট্রিমিজম আর ফান্ডামেন্টালিজম। তবে যে শরীয়াহ শাসন চায়, তাকে ডেমোক্রেসির আন্ডারে আনা, তার উপর সেক্যুলারিজম, লিবারেলিজম চাপিয়ে দেওয়াটা এক্সট্রিমিজম বা ফান্ডামেন্টালিজম না। এটা হলো এনলাইটমেন্ট। -সাদা চামড়ার পাচাটা বাঙ্গু। ©সাকিব ভাই, কুয়েট

খাইরুল কুরুনের খলিফাদের থেকেও এরদোয়ান ভালো শাসক! কল্পনা করা যায় ভাই!
খাইরুল কুরুনের খলিফাদের থেকেও এরদোয়ান ভালো শাসক! কল্পনা করা যায় ভাই!

সোমালিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী শাবাব সেখানকার রাজধানীকে কার্যত অবরোধ করে রেখেছে। অনেকটা অসহায় অবস্থায় আছে স্থানীয় সরকার। বাহিরের সাহায্য ছাড়া বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাত থেকে সোমালিয়াকে রক্ষা প্রায় অসম্ভব। ঠিক এই মুহুর্তে মোগাদিশুর সরকারকে সাহায্যের জন্য যারপরনাই চেষ্টা করে যাচ্ছে এরদোয়ান। মোগাদিশুতে গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য নতুন তিনটি অত্যান্ত শক্তিশালী যুদ্ধ বিমান পাঠিয়েছে তুরস্ক। . ইসলামী গণতন্ত্র রক্ষায় তুরস্কের এই মহান খেদমত ইতিহাসে বরনীয় হয়ে থাকবে। সাথে, আমেরিকা, আফ্রিকান ইউনিয়ন, পার্শ্ববর্তী খ্রিস্টান দেশ ইথিওপিয়া, সকলেই ইসলামি গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে যে ত্যাগ দিচ্ছে তা ইতিহাস কখনোই ভুলবে না। . পার্শ্ববর্তী ফিলিস৩-এ যুদ্ধবিমান না পাঠালেও মোগাদিশুতে নিয়মিত অস্ত্র ও সেনা সরবরাহ করছে তুরস্ক, শুধু শুধু মুর্খের মত এইধরনের প্রশ্ন করবেন না। এটাও জিজ্ঞাসা করবেন না, ফিলিস৩-এর পক্ষে সবচেয়ে সোচ্চার তুরস্ক কেনো হিজ্রাইলের সাথে শীর্ষ বানিজ্যে অবস্থান করছে। এগুলো বুঝতে হলে দুনিয়া সম্পর্কে আরো অনেক জ্ঞান অর্জন করা জরুরি। জিওপলিটিক্সের উপর ডাবল মাস্টার্স ছাড়া এটা বুঝা প্রায় অসম্ভব।