uz
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Abdullah bin bashir analitikasi

Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 299 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 8 134-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 025-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 299 obunachiga ega bo‘ldi.

24 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni 81 ga, so‘nggi 24 soatda esa 4 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 19.46% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 8.31% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 199 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 939 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 48 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 25 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 299
Obunachilar
+424 soatlar
+317 kunlar
+8130 kunlar
Postlar arxiv
কাফেরদেরকে সম্মান প্রদর্শন করার বিধা ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম বহিঃপ্রকাশ হলো শ্রদ্ধা-ভক্তি প্রদর্শন করা। কারও প্রতি ভালোবাসা
কাফেরদেরকে সম্মান প্রদর্শন করার বিধা ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম বহিঃপ্রকাশ হলো শ্রদ্ধা-ভক্তি প্রদর্শন করা। কারও প্রতি ভালোবাসা যখন হৃদয়ে প্রোথিত হয়ে যায়, তখন তার প্রতি শ্রদ্ধা-ভক্তি বাড়তে থাকে, যে ভক্তি-শ্রদ্ধার উৎস হলো ভালোবাসা ও অগাধ আস্থা। পাশাপাশি ভক্তি- শ্রদ্ধার কারণে ভালোবাসায় আরও শক্তি সঞ্চারিত হয়। আর এক-দুজনের মাঝে এ জাতীয় শ্রদ্ধা-ভক্তির সম্পর্ক দেখে অন্য মুসলমানরাও কাফেরদের প্রতি ঝুঁকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যার কারণে ইসলামের দৃষ্টিতে কাফেরকে সম্মান প্রদর্শন করাও মৌলিকভাবে নাজায়েজ। আল্লামা ইবনে নুজাইম রহিমাহুল্লাহ লিখেছেন, ولا يبدأ الذي بسلام إلا لحاجة ولا يزاد في الجواب على وعليك، وتكره مصافحته، ويحرم تعظيمه الأشباه والنظائر ص ٠٨٢، الفن الثالث، أحكام الذمي) জিম্মিকে আগে সালাম দেবে না এবং সে সালাম দিলে উত্তরের ক্ষেত্রে শুধু 'ওয়া আলাইকা' (অর্থাৎ, তোমার প্রতিও অনুরূপ) এতটুকুর বেশি বলবে না। তবে জরুরত হলে আগে সালাম দিতে পারবে। তার সাথে মুসাফাহা করা মাকরুহ। আর তাকে শ্রদ্ধা জানানো হারাম। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক : মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ : আব্দুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

আওয়ামী আর বিএনপির একেকটা ভূমিদস্যুদের সামনে রেখে হাজার হাজার ওলামা-তলাবার সামনে মাথার তাজ ওলামায়ে কেরাম দেদারসে প্রশংসা করে যায়, ‘ব্যক্তিগতভাবে উনাকে আমি জানি, উনি ভালো মানুষ’ বলে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে তখন মনে চায় মাথা আর মাথার তাজ দুটোই কেটে ফেলি! . আমার ছাত্র জামানার সবচেয়ে কষ্টকর আর একজন তালেবে ইলম হিসেবে লাঞ্চনাদায়ক সময় ছিলো হাইয়া বোর্ডের মুলা ধরানো স্বীকৃতির পর হাদিসের মসনদে বসে ‘গাইরাতবান’ আলেমদের আপার ও আওয়ামীলীগের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হওয়ার দিনগুলো! . দুঃখের কথাগুলো এজন্য স্মরণ হচ্ছে, এই তো আর কিছুদিন, ‘মাথার তাজ’ কিছু মানুষের শুরু হবে বিএনপির তোষামোদি আর ফাজায়েল বলা! . এই উম্মতের সবচেয়ে বড় পরিক্ষা হলো উম্মতের আলেমদের এমন ভয়ংকর পরিণতি! হাইয়ার মুলো ধরানো স্বীকৃতির পর সেদিনের সময়গুলো আমার জন্য কতটা কষ্টের ছিলো তা কখনো আমি বুঝাতে পারবো না! কার সাথে আওয়ামী অমুক আর তমুকের সাথে সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি, দরসে বড় বড় কিছু মানুষদের চলতো সেগুলো বর্ণনার প্রতিযোগিতা! এদের বড় একটি অংশই আগামীর দিনে বিএনপির ব্যাপারে সে কাজগুলোই করবে, আর আমরা চুপচাপ তা দেখে যাবো! সেই চিহ্নিত লোকগুলোই দরসের মসনদ থেকে হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, সব দখল করে রাখবে! আর আমাদের বদ কিসমতি হলো আমাদের এই লোকদের নেতৃত্বে থাকতে হবে!

যাদের মানসিক অবস্থা শক্তিশালী তারাই পড়েন। বাকিরা এড়িয়ে যান। https://www.facebook.com/share/p/1AFfEdYWo6/

শাতেমে রাসুল বিষয়ে এই লেখাটি পড়তে পারেন। এরপর আপনারা যা ভালো মনে করুন, দেখুন। https://t.me/abdullahbinbashir/283

বই মেলা চলতেছে, আমার যে একটা অনূদিত বই বাজারে আছে, ভুলেই গেছি অনেকটা! বইটা কী পড়েছেন আপনারা? আপাতত বইমেলার কোনো স্টলে পাবেন ন
বই মেলা চলতেছে, আমার যে একটা অনূদিত বই বাজারে আছে, ভুলেই গেছি অনেকটা! বইটা কী পড়েছেন আপনারা? আপাতত বইমেলার কোনো স্টলে পাবেন না, তবে যেকোনো অনলাইন শপে পেয়ে যাবেন।

ইমাম জাসসাসের ইবারত। এখানে আরেকটা বিষয় লক্ষনীয়, ইমাম আবু হানীফার একটা মাওকিফ জাসসাস রহিমাহুল্লাহ এনেছেন, কারো থেকে যদি কুফর প
+1
ইমাম জাসসাসের ইবারত। এখানে আরেকটা বিষয় লক্ষনীয়, ইমাম আবু হানীফার একটা মাওকিফ জাসসাস রহিমাহুল্লাহ এনেছেন, কারো থেকে যদি কুফর প্রকাশের সাথে যমীনে ফিতনা সৃষ্টি হয় এমন অন্যায়ও প্রকাশ হয় তাহলে এমন মু র তা দের তাওবা কবুল হবে না। এনসের আলোকে বর্তমান সময়ের বিভিন্ন শাতেম ও মুর তা দ গুলোর বিধান কী হবে বলে মনে হয়?

কারামাতিয়াসহ ইমাম জাসসাসের সময়তে যি*ন*দি*কদের ফিতনা যেমন একদিকে মাথাচারা দিয়ে উঠে, অন্যদিকে মুসলিম শাসকদের দ্বীনের ব্যাপারে গাফলতি দেখা যায়, সাথে রাজনৈতিকভাবে যি*ন*দিকরা বেশ শক্তিশালী হয়ে যাওয়া—বিভিন্ন অঞ্চল দখল করে সেখানে নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করে ফেলে!, এতসব পরিস্থিতিতে যি*ন*দিকদের ব্যাপারে ইসলামের যে বিধান সেটা বাস্তবায়ন হচ্ছিলো না, এমন পরিবেশে জাসসাস রহিমাহুল্লাহ লেখেন, //কারামাতিয়াসহ আরো অন্যান্য যে মু*ল*হি*দের জামাত রয়েছে এদের ব্যাপারে আমাদের মাজহাবের ইমামদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য নেই। কেননা এই ফিরকাগুলোর আবির্ভাব উনাদের সময়ের পরে হয়েছে। তাই আমি এদের ব্যাপারে ইসলামের হুকুম স্পষ্ট করতে চাচ্ছি, যাতে ভবিষ্যতে মুসলমানদের এমন শাসক আসবে যার দ্বীনি গাইরাত থাকবে এবং এদের উপর আল্লাহর বিধান বাস্তবায়ন করবেন কারণ, এই মুল*হি*দদের এই খেলতামাশা ও দ্বীনকে মুছে ফেলার প্রচেষ্ঠা করছে। যদিও আমাদের এই যুগে এমন শাসকের অস্তিত্ব বেশ দূরবর্তী! আল্লাহই তার দ্বীনের অবিভাবক ও শরীয়তের সাহায্যকারী।//-শরহে মুখতাসারুত তহাবী ৭/৪৩ . আমি যা বুঝলাম, নব্য ইলহাফি ফিতনার ব্যাপারে সালাফদের বক্তব্য না থাকলে চুপ করে বসে থাকা সময়ের আলেমদের কাজ নয়, বরং কুরআন-সুন্নাহের আলোকে এইসকল ফিতনার ব্যাপারে স্পষ্ট করে বিধানগুলো বকে যাওয়া। বিধান বলার ক্ষেত্রে, বর্তমান সময়ে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব কি না, এতসব চিন্তা করে আসলে লাভ নেই। বরং আমার কাজ দ্বীনকে রক্ষার তাগিদে স্পষ্ট বিধান বলে যাওয়া৷ যেনো দ্বীনের বিধান সংরক্ষিত থাকে, যাতে ইসলাম যখনই বিজয়ী হবে, গাইরাতবান মুসলিম শাসক যখনই আসবে, দ্বীনের বিধান তার সামনে স্পষ্ট থাকে, এবং সে অনুযায়ী সে বাস্তবায়ন করতে পারে।

বৈশ্বিক রাজনীতি সংক্রান্ত সিরিজ আলোচনা . ১ম পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/1B8ZFAEyu4/ . ২য় পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/1BCHmY7bmh/ . ৩য় পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/18aGxJaC1j/ . ৪র্থ পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/1AhrqiZEo5/ . ৫ম পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/1A1JfQibPT/ . ৬ষ্ঠ পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/1BAtuevA1h/ . ৭ম পর্ব- https://www.facebook.com/share/15VeKjv3qv/ . ৮ম পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/19kLDzKrmq/ . ৯ম পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/1Y6qBTFLqs/

রমাদানে প্রবেশ করানোর আগেই আল্লাহ তার বান্দাকে গুনাহ থেকে পবিত্র করে রমাদানে প্রবেশ করাবে, হয়তো এমনই এক গায়েবি ইন্তেজাম হলো লাইলানুম নিন নিসফি শাবান বা শবহে বরাআত। . তাই আজকের রাতে নিজের অতিতের গুনাহের জন্য তাওবা করে রমাদানের আগ পর্যন্ত নিজেকে সকল গুনাহ থেকে মুক্ত রাখবো, এই হিম্মত করি। ইনশাআল্লাহ, দেখবেন, এবার এক ভিন্ন রমাদান কাটাতে পারবো আমরা সকলে।

এই জিনিষ মিস দিয়েন না, আবারো কই।
এই জিনিষ মিস দিয়েন না, আবারো কই।

আলহামদুলিল্লাহ চতুর্থবারের মত 'ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা'-এর সম্পাদনা শেষ হলো। প্রতিবার যখন সম্পাদনা শেষ হয় তখন মনে হয়, আলহামদুল
আলহামদুলিল্লাহ চতুর্থবারের মত 'ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা'-এর সম্পাদনা শেষ হলো। প্রতিবার যখন সম্পাদনা শেষ হয় তখন মনে হয়, আলহামদুলিল্লাহ, কাজটা একটা পর্যায়ে এসে গেছে, এবার বের করে ফেলি! বিভিন্ন কারনে আর হয় না। এরপর যখন পরের বারের সম্পাদনায় বসি তখন অনুভূতি হয় এমন, "ইন্নালিল্লাহ, তখন যদি বের করতাম, মানুষের জুতা খাইতাম! এত এত কাচা ভুল কীভাবে রয়ে গেলো"। . যাইহোক, এখনো জানি না, বইটা কবে আসবে। সকলের কাছে খাসভাবে দোয়া চাই। আল্লাহ যেনো কাজটাকে কবুল করে, এবং যখন প্রকাশ হলে মানুষের ফায়দা হবে, তখন প্রকাশের ব্যবস্থা করে দেয়।

এই গুরুত্বপূর্ণ বইটা আপনারা কোন অজুহাতে সংগ্রহ করেন না?!!
এই গুরুত্বপূর্ণ বইটা আপনারা কোন অজুহাতে সংগ্রহ করেন না?!!

বাংলাদেশের অন্যতম একজন অর্থনীতিবিদ ছিলেন আকবর আলী খান। তার একটি বই আছে 'পরার্থপরতার অর্থনীতি', সে বইয়ে সে বিভিন্ন ধরনের অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা করেছেন, তার মাঝে একটি ছিলো "শুয়রের বাচ্চাদের অর্থনীতি"। যার খোলাসা কথা ছিলো, একদল তো ঘুষ খাইয়া কাজ করে, কিন্তু একদল আছে ঘুষ খাইয়াও কাজ করে না, সেটাই হলো শুয়রের বাচ্চাদের অর্থনীতি। . জুলাই নিয়ে আমি একটা যদি বই লেখি তাহলে এমন একটা শিরোনাম দিবো "শুয়রের বাচ্চাদের রাজনীতি"। লেখার আলোচ্য বিষয় থাকবে, তাওহীদি জনতার রক্ত বেঁচে সরকারি পদ পাইয়া যারা ক্ষমতায় গিয়ে তাওহীদি জনতাকে গালি দেয়, তাদের রাজনীতিই মূলত "শুয়রের বাচ্চাদের রাজনীতি"।

বাশির ইবনুল খাসাসিয়াহ রা. বলেন, 'আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলাম ইসলামের উপর বাইয়াত হওয়ার জন্য।' তিনি আমাকে বাইয়াতের জন্য শর্ত দিলেন, '১. তুমি সাক্ষ্য দিবে আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নাই, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসুল। ২. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বে। ৩. রমাজানে রোজা রাখবে। ৪. যাকাত আদায় করবে। ৫. হজ করবে। ৬. আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করবে।' (শর্ত শুনে) আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! দুটো বিষয় তো আমি পারবো না। যাকাত আমি দিতে পারবো না, কারণ আমি তো মাত্র অল্প কিছু সম্পদেরই মালিক। আর জিহাদ করতেও পারবো না, কারণ যুদ্ধের ময়দান থেকে পালায়ন করলে আল্লাহর আজাবের সম্মুখীন হতে হবে, আমার আশঙ্কা আমি যুদ্ধের ময়দানে যাবো এবং মৃত্যুর ভয় পাবো।' একথা শুনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত নেড়ে বললেন, 'যাকাত আদায় আর জিহাদ না করো তাহলে জান্নাতে কীসের মাধ্যমে প্রবেশ করবে?' আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসুল! (এসব মেনেই) আমি বাইয়াত হবো।' তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সব সবগুলো বিষয়ের উপরই বাইয়াত করিয়ে নিলেন। -শরহে মুখতাসারুল কুদুরি ৭/৭; আসসানুল কুবরা লিল বাইহাকী, হাদিস নং ১৭৭৯৬; মুসতাদাকে হাকেম হাদিস নং ২৪২১

আম্লীক যেমন বাংলাদেশ চায়, তেমন বাংলাদেশে বসবাস করা কি আদৌ পসিবল? আসুন দেখে নিই, আম্লীকের বাংলাদেশ কেমন : ১) আপনি সকালে ঘুম থেকে উঠে পেপার হাতে নিলেন। দেখলেন হাসিনার বন্দনা। হাসিনার খুৎবা শুনে শুরু হলো আপনার দিন। ২) পেপার পড়ে আপনি বাইরে হাঁটতে গেলেন। 'বঙ্গবন্ধু মোড়' থেকে রিকশা নিয়ে 'বঙ্গবন্ধু পার্কে' গেলেন হাঁটতে। সেখানে আধা কিলোমিটার পরপর দেখলেন বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। ৩) আপনি বাসায় ফিরলেন। নাস্তা করবেন। বাসায় নাই গোশত। বউ সামনে আইনা দিলো কাঁঠাল। বউ বলল— প্রধানমন্ত্রী মাংসের বদলে কাঁঠাল খাইতে কইছে। আপনি বিয়ে, মুসলমানি, শ্রাদ্ধ, যেখানেই যাচ্ছেন মাংস নাই, খালি কাঁঠাল আর কাঁঠাল। ৪) যা হোক, নাস্তা খেয়ে টিভি ছাড়লেন। একটু গান-বাজনা শুনে ফ্রেশ হতে চাইছেন আপনি। কিন্তু টিভি খুলেই দেখলেন চলতেছে— বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র— শুঁটকি রপ্তানিতে বঙ্গবন্ধুর অবদান শীর্ষক অনুষ্ঠান। চ্যানেল পাল্টাইলেন। সেখানে চলতেছে— বঙ্গবন্ধুর কারাগারের রোজনামচা পাঠ। আপনি টিভি বন্ধ কইরা বললেন— ধুর ছাতা, টিভিই দেখমু না। যাই, অফিসে যাইগা। ৫) আপনি অফিসে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু ইন্ডাস্ট্রির পাশ দিয়ে, বঙ্গবন্ধু খাল অতিক্রম করে আপনার রিকশা বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এসে দাঁড়ালো। সেখানে সরস্বতি পূজা উপলক্ষে ১২টি মূ'র্তি বানানো হয়েছে। হি'ন্দু-মু'সলিম নির্বিশেষে সবাই পূজায় অংশ নিয়েছে। এই দৃশ্য আপনার খুব ভালো লাগল। আপনি ভাবলেন, কোনো এক রমজানের সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরআন পাঠ ও ইফতার আয়োজন করবেন। কিন্তু রোজার মাসে দেখলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি তাদের ক্যাম্পাসে ইফতার মাহফিল ও কোরআন পাঠ নিষিদ্ধ করে দিয়েছে! ৬) এমন টাইমে আপনার বৃদ্ধা ও ধার্মিক মা ফোন করে বলল— বাবা, আমার জন্য একটা তসবীহ আনিস। আর টাকা থাকলে ফাজায়েলে আমল বইটা কিনে আনিস। আপনি বই বিতান থেকে সেগুলো কিনলেন। কিন্তু রাস্তায় পুলিশ আপনাকে ধরে জ'ঙ্গী বলে থানায় চালান করে দিলো। আপনি আইডি কার্ড দেখিয়ে সেই যাত্রায় বেঁচে ফিরলেন। ফেরার পথে আপনার বন্ধুর সঙ্গে দেখা। ৭) আপনার বন্ধুর হাতে একটি বই। নাম— 'শিশুদের এ.আই শিক্ষা'। তার ছেলে ইউরোপে পড়ে। দেশে বেড়াতে এসেছে। ছেলের জন্য বইটি সে কিনেছে। এটা দেখে আপনারও ইচ্ছা হলো আপনি আপনার ছেলেকে এ.আই শেখাবেন। আপনি বাসায় গেলেন। বাসায় গিয়ে ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলেন— আব্বু, আজ স্কুলে তোমাকে কী কী হোমওয়ার্ক দিয়েছে? ৮) আপনার ছেলের হোমওয়ার্ক : ▪️৭ মার্চের ভাষণটি মুখস্ত লেখো। ▪️১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঘটনাটি আলোকপাত করো। ▪️মেট্রোরেলে শেখ হাসিনার সাফল্য রচনাটি লিখো। (এইবার বলেন, এই রকম একটা বাংলাদেশে ঠিক কতক্ষণ টেকা যায়? ২৪ ঘণ্টা কি কোনো সুস্থ মানুষের পক্ষে এই রকম একটা রেজিমে বাস করা পসিবল?) ©

পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে আরবী, উর্দু আর বাংলায় যে কয়টা বই নেড়েচেড়ে দেখার তাওফিক আমার হয়েছে তার মধ্যে যদি বিশেষ পাঁচটি বইয়ের তালিকা করতে হয় তাহলে এটাকে আমি তিনের মধ্যেই রাখবো। এত গভির থেকে পশ্চিমা সভ্যতাকে লেখক চিহ্নিত করতে পেরেছে, যা আমাকে বেশ অবাক করেছে। . বইটি মূলত পাকিস্তানের এক কুখ্যাত মডার্নিষ্টের খণ্ডণে লেখা। কিন্তু কোনো বইয়ের খণ্ডন করতে গিয়ে খণ্ডনের সাথে পুরো বিষয়ের বাস্তবতা এত সুন্দর করে উপস্থাপন করা যায় তা বেশ অবাক করা। সবেচেয় বেশি আশ্চর্য লেগেছে, লেখকের রেফারেন্স। পশ্চিমের থেকে এত এত রেফারেন্স সে উল্লেখ করেছে যে, আপনি হতবাক হয়ে যাবেন। . পশ্চিমের সাথে ইসলামের মূল দ্বন্দ্বটা আসলে কোথায়, পশ্চিমের সাথে ইসলামের মেলবন্ধনের বাস্তবতা, সাইন্সের পুর বাস্তবতা লেখক এত এত পশ্চিমের রেফারেন্স আর ইসলামের মৌলিক জায়গা থেকে তুলে এনেছেন যে, এই বিষয়ে যাদের কিঞ্চিৎ পড়াশোনা আছে তারা অবাক হয়ে যাবেন। . লেখক একটি বিষয়ে বেশ জোর দিয়েছেন, পশ্চিমের সাথে যারা মেলবন্ধনের স্বপ্নে বিভোর তারা পশ্চিমকে চিনেই নাই। যে পশ্চিমা জ্ঞানতত্ত্ব ইসলামের ওহী, রাসুলের বানীকে জ্ঞানের বৈধ উৎস হিসেবে স্বীকারই করে না, সে পশ্চিমের সাথে ইসলামের মেলবন্ধন কী আদৌ সম্ভব! -পশ্চিম ইসলামের মৌলিক জ্ঞানের উৎসকে জ্ঞানের বৈধ উপকরণই মনে করে না! -পশ্চিম ইসলামের নৈতিকতাকে বর্বর ও সম্পূর্ণ ভুল মনে করে। -পশ্চিমের ভালোমন্দ নির্নয়ের নিজস্ব মাপকাঠি আছে, যেটা স্বীকার করার পর ইসলাম অস্বীকার করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। -পশ্চিমের তৈরি আজ যে সাইন্সের পুরো পৃথিবী গোলাম হয়েছে, সে সাইন্সের মানুষের স্বভাবজাত পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা নয়, বরং নির্দিষ্ট একটি মেটাফিজিকাল ঈমান থেকে তা উৎসারিত হয়েছে। এমন আরো অসং্খ্য বিষয় লেখক দলিল ভিত্তিক ও স্পষ্ট করে উপস্থাপন করেছেন। মোটকথা যারা পশ্চিমকে ইসলামাইজেশনের কাজ করছে তারা হয় দ্বীনের শত্রু অথবা চূড়ান্ত জাহেল। লেখক বেশ জোর দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করেছেন, আজ যারা পশ্চিমের গ ণ তন্ত্রকে ইসলামাইজেশনে লিপ্ত শাব্দিকিকরণ করে তারা চূড়ান্তভাবে ধোকাগ্রস্ত হয়ে বসে আছে! . পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে যাদের কিছুই পড়াশোনা নাই তার এই বই থেকে তেমন উপকৃত হতে পারবেন না, তাই আগে পশ্চিমের ব্যাপারে অন্যান্য মৌলিক বিষয়গুলো জানার চেষ্টা করুন, তারপর এই বইটি হাতে নিন ইনশাআল্লাহ ব্যাপক ফায়দা হবে। . এই বইটি থেকে সবচেয়ে উপকৃত হিতে পারবেন ভার্সিটির ভাইরা। কিন্তু এদেশের ভার্সিটির ভাইরা উর্দু তো পারে না বললেই চলে। মাদরাসার উপরের দিকের তালেবে ইলম ও ভার্সিটির কিছু ভাই যদি গ্রুপ স্ট্যাডির মত করে এই বইটি পড়তে পারেন তাহলে ব্যাপক উপকৃত হবেন ইনশাআল্লাহ।

ফিকহের তালেবে ইলমদের জন্য বিশাল এক তোহফা আসতেছে উস্তাদে মুহতারাম আব্দুস সামাদ সাহেবের পক্ষ থেকে! ফিকহের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল তা
ফিকহের তালেবে ইলমদের জন্য বিশাল এক তোহফা আসতেছে উস্তাদে মুহতারাম আব্দুস সামাদ সাহেবের পক্ষ থেকে! ফিকহের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল তালেবে ইলমের জন্যই বইটি সংগ্রহ করা জরুরি মনে করি!

পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে এখন পর্যন্ত আরবী, উর্দু ও বাংলাতে যে কয়টি কাজ পড়ার আমার তাওফিক হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম সেরা কাজ হলো এই বইটি। যারা পশ্চিমা সভ্যতাকে একদম গোড়া থেকে বুঝতে চান তাদের জন্য এই বইটি অত্যান্ত জরুরি। ইনশাআল্লাহ, সময় করে বইটি নিয়ে লেখবো। যারা উর্দু জানেন তারা অবশ্যই এই বইটিকে নিজেদের মোতালায় রাখতে পারেন। বইটির আলোচনা একটু উচ্চ মানের। তাই আগে পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে কিছু পড়া না থাকলে এটা বুঝা কষ্টকর হবে। আর যারা আগে কিছু পড়েছেনও তাদের জন্যও সবচেয়ে ভালো হয়, এই বইটি যদি মাদরাসার তালেবে ইলম ও ভার্সিটির ভাইরা গ্রুপ করে পড়তে পারেন। কারণ প্রচুর ইংরেজি টার্ম যেমন আছে, তেমনি রয়েছে ইসলামি টার্মও।

মাওলানা আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের বইয়ের ব্যাপারে আমার স্পষ্ট ঘোষণা ছিলো, আমার উস্তাদের নিষেধের কারণে আমি বইটির খণ্ডন লেখা বন্ধ করেছি। নচেৎ, যতটুকু খণ্ডন করেছি তার থেকেও আরো অনেক বেশি আপত্তি রয়েছে আমার বইয়ের উপর। এবং সেগুলোর কিছু তো যা লেখেছি সেগুলোর তুলনায় আরো ভয়ংকর। কিন্তু হুজুরের কিছু কাছের মানুষরা আমার নামে কিছু অসত্য প্রচার করে বেড়াচ্ছে, 'ফেসবুকের একটা ছেলে এক দুটো শাখাগত (?) বিষয়ে কিছু আপত্তি করেছে, এতটুকুই। সেগুলোর জবাবও দেওয়া হয়ে গেছে।' দেখুন, এসকল মিথ্যাচার আসলে কোনো ফায়দা নেই। এগুলো বলে কিছু বই বিক্রি বেশি করা যাবে, তবে এগুলোর দ্বারা উল্লেখযোগ্য কোনো ফায়দা পাবেন না! বরং যাদের সামনে রেখে এগুলো বলছেন তারা যখন আমাদের কাছে এসে জিজ্ঞাসা করে বাস্তবতা জানতে পারছে, ঐ সকল ছাত্রদের কাছে আপনারাই ছোট হচ্ছেন! আল্লাহ ক্ষমা করুক মিথ্যুক সাব্যস্ত হচ্ছেন! আমি আমার উস্তাদের আদেশের কারণে চুপ হয়েছি। আমাকে মুখ খুলতে বাধ্য করবেন না। যে সকল কারগুজারী আমাদের কাছে আসছে, আপনাদের ছাত্ররাই যার অনেকগুলো নিয়ে আসছে, সেগুলো বললে আপনাদের ব্যক্তিত্ব নষ্ট হবে, যা এই ভুখণ্ডের মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না। আমি তেমন ভালো কেউ না, আমার নামে ভালো কিছু আপনারা বলেন সেটাও আমার দরকার নাই, কিন্তু মিথ্যাচার কইরেন না আল্লাহর ওয়াস্তে! . সাবের সাহেবের একান্তই আরেকজন কাছের মানুষ দরসে বসে ছাত্রদের সামনে আমাদেরকে তুচ্ছভরে বলেছেন, 'তাদের সামর্থ থাকলে তারা বই আকারে খণ্ডন নিয়ে আসুক। ওলামায়ে কেরাম পড়ে দেখুক কোনটা ভুল কোনটা সঠিক। ফেসবুকের লেখা কে পড়ে?' এই বিষয়ে শুধু এতটুকু বলি, আমাদের করা খণ্ডনগুলো কী আপনারা সৎসাহস নিয়ে পড়েন! নিজেরাও পড়েন না, অন্যান্য মুরব্বিরাও যেনো না পড়ে সে ব্যবস্থাও তো করে থাকেন! এগুলোও তো আমরা বেশ নির্ভরযোগ্য সূত্রে পেয়ে থাকি! যাইহোক, তারপরও যেহেতু আপনাদের দিলের তামান্না তাই জানিয়ে রাখা মুনাসেব মনে করছি, মাওলানা আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের বইয়ের বিকৃতিগুলো নিয়ে বিস্তৃত একটি কাজ আসছে। ইসলামি সিয়াসাতের মৌলিক বিষয়সহ সাবের সাহেবের 'রাষ্ট্র-রাজনীতি' বইয়ের মৌলিক বিষয়গুলোর খণ্ডনে প্রায় এক হাজার পৃষ্ঠাব্যাপি তিন খণ্ডে হবে এই কাজটি। খুব দ্রুতই বইটির প্রথম খণ্ড আসবে ইনশাআল্লাহ। আর বইটি লেখতেছেন মারকাজুস সাহওয়ার শিক্ষাসচিব মাওলানা আবরার সিদ্দিকী হাফিজাহুল্লাহ। আল্লাহ কাজটিকে কবুল করে নিন এবং দ্রুত বের করার তাওফিক দান করুন। আশা করি, বই আকারে খণ্ডন লেখার যে তামান্না আপনাদের সেটাও এই বইয়ের মাধ্যমে পূরণ হবে। এবং আশা রাখি আপনারা সেটা পড়বেন ইনশাআল্লাহ।

দল থেকে যখন দীনের তাকাজা বড়! আল্লাহু আকবার! এই যুগে এমন উদাহরণ কেউ দেখাতে পারবে! অথচ এই জামাতকে নিয়ে.... আল্লাহ নিন্দুকদের হে
দল থেকে যখন দীনের তাকাজা বড়! আল্লাহু আকবার! এই যুগে এমন উদাহরণ কেউ দেখাতে পারবে! অথচ এই জামাতকে নিয়ে.... আল্লাহ নিন্দুকদের হেদায়েত দিক।