uz
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Kanalga Telegram’da o‘tish

🙂🙂🙂

Ko'proq ko'rsatish
1 996
Obunachilar
+124 soatlar
+37 kunlar
+430 kunlar
Postlar arxiv
নিশ্চয়ই মুসলিম, ইয়াহুদী, খৃষ্টান এবং সাবেঈন সম্প্রদায়, (এদের মধ্যে) যারা আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং ভাল কাজ করে, তাদের জন্য তাদের রবের নিকট পুরস্কার রয়েছে, তাদের কোন প্রকার ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবেনা। আল-কোরআন (২:৬২) Indeed, those who believed and those who were Jews or Christians or Sabeans [before Prophet Muhammad] - those [among them] who believed in Allah and the Last Day and did righteousness - will have their reward with their Lord, and no fear will there be concerning them, nor will they grieve. Al Quran (2:62) اِنَّ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ الَّذِیۡنَ هَادُوۡا وَ النَّصٰرٰی وَ الصّٰبِئِیۡنَ مَنۡ اٰمَنَ بِاللّٰهِ وَ الۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ وَ عَمِلَ صَالِحًا فَلَهُمۡ اَجۡرُهُمۡ عِنۡدَ رَبِّهِمۡ ۪ۚ وَ لَا خَوۡفٌ عَلَیۡهِمۡ وَ لَا هُمۡ یَحۡزَنُوۡنَ.

আসুন জেনে নিই ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার নামকরণের ইতিহাসঃ ★গেন্ডারিয়া ইংরেজি শব্দ Grand Area থেকে এসেছে, এখানে আগেরদিনের অভিজাত ধনী ব্যাক্তিগন থাকত। ★ভুতের গলিঃ এখানে বৃটিশ একজন লোক থাকতেন নাম ছিল Mr. boot, তার নাম থেকে বুটের গলি, পরবর্তীকালে ভুতের গলি নাম হয়েছে। ★মহাখালিঃ মহা কালী নামের এক মন্দীরের নাম থেকে হয়েছে বর্তমানের মহাখালী। ★ইন্দিরা রোডঃ এককালে এ এলাকায় "দ্বিজদাস বাবু" নামে এক বিত্তশালী ব্যক্তির বাসাস্থান, অট্টলিকার পাশের সড়কটি নিজেই নির্মাণ করে বড় কন্যা "ইন্দিরা" নামেই নামকরণ। ★পিলখানাঃ ইংরেজ শাসনামলে প্রচুর হাতি ব্যবহার করা হোতো । বন্য হাতিকে পোষ মানানো হোতো যেসব জায়গায়, তাকে বলা হোতো পিলখানা । বর্তমান "পিলখানা" ছিলো সর্ববৃহৎ। ★এলিফ্যানট রোডঃ পিলখানা হতে হাতিগুলোকে নিয়ে যাওয়া হতো "হাতির ঝিল"এ গোসল করাতে, তারপর "রমনা পার্ক"এ রোঁদ পোহাতো । সন্ধ্যের আগেই হাতির দল পিলখানায় চলে আসতো । যাতায়াতের রাস্তাটির নামকরণ সেই কারণে এলিফ্যান্ট রোড। পথের মাঝে ছোট্ট একটি কাঠের পুল ছিলো, যার নামকরণ হোলো "হাতির পুল"। ★কাকরাইলঃ🏇 ঊনিশ শতকের শেষ দশকে ঢাকার কমিশনার ছিলেন মিঃ ককরেল । নতুন শহর তৈরী করে নামকরণ হোলো "কাকরাইল"। ★রমনা পার্কঃ🤼 অত্র এলাকায় বিশাল ধনী রম নাথ বাবু মন্দির তৈরী করেছিলো "রমনা কালী মন্দির" । মন্দির সংলগ্ন ছিলো ফুলের বাগান আর খেলাধুলার পার্ক । পরবর্তীতে সৃষ্টি হয় "রমনা পার্ক"। ★গোপীবাগঃ গোপীনাগ নামক এক ধনী ব্যবসায়ী ছিলেন । নিজ খরচে "গোপীনাথ জিউর মন্দির" তৈরী করেন । পাশেই ছিলো হাজারো ফুলের বাগান "গোপীবাগ"। ★টিকাটুলিঃ হুক্কার প্রচলন ছিলো। হুক্কার টিকার কারখানা ছিলো যেথায় সেটাই "টিকাটুলি"। ★তোপখানাঃ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর গোলন্দাজ বাহিনীর অবস্থান ছিল এখানে। ★পুরানা পল্টন, নয়া পল্টনঃ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর ঢাকাস্থ সেনানিবাসে এক প্ল্যাটুন সেনাবাহিনী ছিল, প্ল্যাটুন থেকে নামকরন হয় পল্টন। পরবর্তীতে আগাখানিরা এই পল্টনকে দুইভাগে ভাগ করেন, নয়া পল্টন ছিল আবাসিক এলাকা আর পুরানো পল্টন ছিল বানিজ্যিক এলাকা । ★বায়তুল মোকারম নামঃ ১৯৫০-৬০ দিকে প্রেসিডেন্ট আয়ুবের সরকারের পরিকল্পনা পুরানো ঢাকা- নতুন ঢাকার যোগাযোগ রাস্তার । তাতে আগাখানীদের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আবাসিক বাড়িঘর চলে যায় । আগাখানীদের নেতা আব্দুল লতিফ বাওয়ানী (বাওয়ানী জুট মিলের মালিক) সরকারকে প্রস্তাব দিলো, তারা নিজ খরচে এশিয়ার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মসজিদ তৈরী করবে । এটা একটা বিরাট পুকুর ছিল "পল্টন পুকুর", এই পুকুরে একসময় ব্রিটিশ সৈন্যরা গোসল কোরতো । ১৯৬৮ সনে মসজিদ ও মার্কেট প্রতিষ্ঠিত হয় । ★ধানমন্ডিঃ এখানে এককালে বড় একটি হাট বোসতো । হাটটি ধান ও অন্যান্য শস্য বিক্রির জন্য বিখ্যাত ছিল। ★পরীবাগঃ পরীবানু নামে নবাব আহসানউল্লাহর এক মেয়ে ছিল । সম্ভবত পরীবানুর নামে এখানে একটি বড় বাগান করেছিলেন আহসানউল্লাহ । পাগলাপুলঃ ১৭ শতকে এখানে একটি নদী ছিল, নাম – পাগলা । মীর জুমলা নদীর উপর সুন্দর একটি পুল তৈরি করেছিলেন । অনেকেই সেই দৃষ্টিনন্দন পুল দেখতে আসত । সেখান থেকেই জায়গার নাম "পাগলাপুল"। ★ফার্মগেটঃ কৃষি উন্নয়ন, কৃষি ও পশুপালন গবেষণার জন্য বৃটিশ সরকার এখানে একটি ফার্ম বা খামার তৈরি করেছিল । সেই ফার্মের প্রধান ফটক বা গেট থেকে এলাকার নাম হোলো ফার্মগেট। ★শ্যামলীঃ ১৯৫৭ সালে সমাজকর্মী আব্দুল গণি হায়দারসহ বেশ কিছু ব্যক্তি এ এলাকায় বাড়ি করেন । এখানে যেহেতু প্রচুর গাছপালা ছিল তাই সবাই মিলে আলোচনা করে এলাকার নাম রাখেন শ্যামলী। ★সূত্রাপুরঃ কাঠের কাজ যারা করতেন তাদের বলা হত সূত্রধর । এ এলাকায় এককালে অনেক শূত্রধর পরিবারের বসবাস ছিলো । সেই থেকেই জায়গার নাম হোলো সূত্রাপুর। ©️

তোমাকে পিছনে টেনে নিবে না। বরং প্রত্যেকটা সুন্দর দিনে তোমাকে সামনের দিকে টেনে নিবে। ©Find My Advocate

স্টুডেন্ট লাইফে এই ১০টা কাজ করা যাবে না.. ১. ফেল করা যাবে না: সাবজেক্ট পছন্দ হোক বা না হোক। ভার্সিটি ভালো লাগুক বা না লাগুক, ফেল করা যাবে না। অন্য সাবজেক্টে পড়ার ইচ্ছা থাকলে, সেটা অনলাইনে শিখো। অন্য কিছু করার খায়েশ হলে, নিজে নিজে চেষ্টা করো। এখনকার দিনে এমন কিছু নাই যেটা ইন্টারনেট থেকে শিখা যায় না। সো, এইগুলাকে আজাইরা অজুহাত বানিয়ে ফেল করা যাবে না। জাস্ট ক্লাসগুলাতে যতক্ষণ থাকবা, মনোযোগ দিয়ে শুনবা আর পরীক্ষার সময়টায় একটু সিরিয়াস থাকবা। তাহলেই আর যাই করো ফেল করবা না। . ২. অতিরিক্ত ইমোশনাল হওয়া যাবে না চ্যাঁকা খাও, ব্যাঁকা হও। ধোঁকা খাও, বোকা হও। ক্রাশের প্রেম, ক্রাশের বিয়ে --যেটাই হোক। টেক ইট ইজি। কোন কিছুতেই লিমিটের বাইরে ইমোশনাল হওয়া যাবে না। লাইফে ইনজাস্টিসের শিকার তোমাকে হতেই হবে। কেউ চাইলেই যেমন তোমাকে ভালোবাসতে পারে আবার চাইলেই তোমাকে ছেড়েও যেতে পারে। সেটা তার অধিকার, তার বিবেচনা, তার লাইফ। তোমার লাইফ হচ্ছে-- রিলেশন এর বিষয়ে আবেগটা লিমিটের মধ্যে রাখা। কারণ, লাইফে রিলেশনের দরকার আছে। কিন্তু রিলেশন, লাইফের চাইতে বড় কিছু না। . ৩. বাজে অভ্যাসে এডিক্টেড হওয়া যাবে না লাইফটাকে লাইনে রাখার যদি দুইটা রাস্তা থাকে। তাহলে বেলাইনে যাওয়ার ২০টা রাস্তা আছে। ইন্টারনেট আছে। আশেপাশের দুস্টু ফ্রেন্ড আছে। ফেইক প্রোফাইলে থেকে রোমান্টিক ম্যাসেজের গন্ধ আছে। টিভিতে খেলা আছে। রুমে তাস আছে। তাই কোন কিছুতে হারিয়ে যাওয়ার আগে দেখো- জিনিসটা কি। বুঝো- how much is too much. মোটামুটি ধরে রাখবা- ইন্টারনেটে ৩০% এনজয় করবা আর ৭০% সময় কাজে লাগাবা। . ৪. আজাইরা স্ট্রেস নেয়া যাবে না শখ করে স্ট্রেস নেয়ার একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে। এই যেমন ধরো- পাশ করলে আমাকে কে চাকরি দিবে? বাবা-মা আর ফ্যামিলির হাল কেমনে ধরবে। আমি তো ওদের মতো না। -- এই সব নিয়ে আজাইরা টেনশন করার যাবে না। ইনফ্যাক্ট, লাইফে কখনোই এমন কিছু নিয়ে চিন্তা করতে যাবে না, যেটা নিয়ে তুমি এই মুহূর্তে কিছু করতে পারতেছো না। শুধুমাত্র-- কিছু করতে পারলে, চিন্তা বাদ দিয়ে সেটা করো। নচেৎ তোমার যেটা করা উচিত সেটা করো। মাগার, বসে বসে টেনশন করবা না। . ৫. অতীতের গ্লোরী নিয়ে বসে থাকবে না তুমি আগে কি ছিলে। স্কুল কলেজে কি উল্টায় ফেলছিলা-- সেটা এখন আর কেউ গোনায় ধরবে না। কয় বছর গ্যাপ দিছো। কয়টা ভুল ডিসিশন নিছো--সেগুলা নিয়েও কারো আসবে যাবে না। সো, সেগুলা সব ট্র্যাশ বিনে ফেলে দিয়ে-- সামনের দিকে তাকাও। আজকের অবস্থা যতই গুবলেট মার্কা হোক না কেন--আজকে এই মহুর্ত থেকে কি করতে পারো সেটাতে ফোকাসে করো। . ৫. ফ্রেন্ড বা ভার্সিটি লাইফ থেকে আলাদা হওয়া যাবে না স্টুডেন্ট লাইফটা ১০০% মাস্তির হবে না। আবার কাঠ খোট্টা সিরিয়াসও হবে না। বরং সেমিস্টার গ্যাপে ৮০% মাস্তি আর ২০% স্কিল ডেভেলপমেন্ট। আর পরীক্ষা চলে আসলে ৮০% স্টাডি আর ২০% রিলাক্স। এই ব্যালেন্স স্টাইলে চিন্তা করলে--ভার্সিটি লাইফের ফানও হবে আবার ফিউচারও লাইনে থাকবে। . ৬. টিটকারি এর রেসপন্স করা যাবে না ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় কিছু ফাজিল ফ্রেন্ড তোমাকে টিটকারি বা বুলিয়িং করতে পারে। সেক্ষেত্রে পারলে ইগনোর করো। তুমি রেসপন্স করলে খেপে গেলে তারা মজা পেয়ে আরো বেশি করবে। তাই রেসপন্স না করার চেষ্টা করো। তবে সীমার বাইরে চলে গেলে তখন-- ফ্যাকাল্টি বা পুলিশের কারো কাছে যেতে হবে। ফ্রেন্ড বা ক্লাসমেট হিসেবে সব কিছুতে পার পেয়ে যাবে না। . ৭. কোন কিছুতেই ভালো না, এমন করা যাবে না হয় তুমি পড়ালেখায় ভালো হবে। নচেৎ অন্য কিছুতে ভালো হবে। তবে এইটা আবার বইলো না যে- তুমি কিছু না করতে ভালো। তাইলে তো আর হবে না, ব্রো। লাইফের ৪-৫ বছর কাটিয়ে দিবা অন্তত একটা কিছু নিবা না। তাইলেতো হবে না। সো, পড়ালেখা সিরিয়াসলি করতে পারলে সেটাতে ফাটিয়ে দাও। নচেৎ এক্সটা স্কিল বা কো-কারিকুলার এক্টিভিটিস করে উল্টে ফেলো। এটলিস্ট কিছু একটা করো। . ৮. মামা-খালু থেকে দূরে যাওয়া যাবে না পাশ করার পর শ্বশুর আব্বার অপশন না থাকলে- তোমার সিনিয়র ভাইয়া আপুরা, যারা তোমার পাশ করার আগেই চাকরি পেয়ে যাবে। তাদের সাথে স্পেশাল খাতির রাখবে। যাতে ওদের কাছ থেকে ইন্টারভিউ টিপস এবং ওদের কানেকশন দিয়ে তুমি চাকরি পেয়ে যেতে পারো। . ৯. যা ইনকাম করো সব খরচ করে ফেলা যাবে না স্টুডেন্ট লাইফে ইনকাম কম। তবে এই কম ইনকামও শেষ করে ফেলা যাবে না। মিনিমাম ২০% আলাদা একটা ব্যাংক একাউন্টে জমিয়ে রাখো। যেটার খবর তুমি ছাড়া কেউ জানবে না। পাশ করার পরে বা কঠিন সময়ে এই অল্প কিছু টাকা যে কি পরিমান মেন্টাল সাপোর্ট দিবে- চিন্তাও করতে পারবে না। . ১০. মন খারাপ করতে পারো হতাশ হয়ো না লাইফে অনেক কিছুতেই মন খারাপ হতে পারবে। কিন্তু একদিনের মন খারাপ পরের দিনে টেনে নেওয়া যাবে না। বরং কোনদিন খুব বেশি মন খারাপ হলে, গোসল করে সব মন খারাপ ধুয়ে ফেলবা। দরকার হলে সব মন খারাপ বাথরুমের কমোডে ফ্লাশ করে দিবা। কারণ তোমার লাইফের প্রত্যেকটা দিন হবে এক একটা ফ্রেশ দিন। যেখানে আগের দিনের হতাশা, মন খারাপ

🛑 দরকারী পোষ্ট 🩺🩺🩺 🩺ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হলো ই-টিকেটিং সেবা। এখন থেকে ঘরে বসেই শুধু মোবাইল নাম্বার দিয়ে খুব
🛑 দরকারী পোষ্ট 🩺🩺🩺 🩺ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হলো ই-টিকেটিং সেবা। এখন থেকে ঘরে বসেই শুধু মোবাইল নাম্বার দিয়ে খুব সহজেই আগামী ৭ দিনের যে কোনো দিনের জন্য যেকোনো ডিপার্টমেন্টে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২ টার মধ্যে ৩টি টাইম স্লটে টিকেট বুকিং দিতে পারবেন। এতে করে হাসপাতালে এসে টিকেটের জন্য লাইন ধরার অসহ্য ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলবে। দুপুরে আসলে ১টার পরে টিকেট নাই এই ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলবে। 🩺টিকেটের পেমেন্ট এর জন্য বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ ৭ টি মোবাইল ব্যাংকিং ও ৫ ব্যাংকের কার্ড দিয়ে পেমেন্ট দেওয়ার সুযোগ আছে। Dr. ABM Masudur Rahman (Follow❤️) #DMC

যৌন সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান পঞ্চভূত পাউডার। তেঁতুল বীজ, শিমুলমুল, অশ্বগন্ধা, আলকুশি ও শতমূল এই পাঁচটি উপাদানে শতভাগ বিশুদ্ধ উপায়ে তৈরি করা ন্যাচারালস পঞ্চভূত পাউডার। ♛♛♛ ⭐দ্রুত বীর্যপাত রোধ করে ⭐যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে ⭐বীর্য ঘন এবং গাঢ় করে ⭐যৌন দুর্বলতায় বিশেষ উপকারী ⭐স্নায়বিক দূর্বলতা রোধ করে ⭐শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে ⭐হস্থমৈথুন জনিত সৃষ্ট সমস্যা সমাধান করে ✅অশ্বগন্ধা চূর্ণ- অশ্বগন্ধা একটি ঔষধি ভেষজ/হার্বস যা সাধারন দূর্বলতা, যৌ'ন দুর্বলতা, মানসিক দুর্বলতা, ক্লান্তি, অবসাদ, শিশু অপুষ্টি, স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা, পীড়ন, কোষকলার ঘাটতি, স্নায়বিক অবসাদ, গ্রন্থিস্ফীতি, অনিদ্রা, দুগ্ধস্বল্পতা, শু'ক্রস্বল্পতায় কার্যকর। ✅শিমুল মূল চূর্ণ- শিমুল মূলের পাউডার একটি ঔষধি ভেষজ/হার্বস যা যৌ'নশক্তি বর্ধক, বী'র্যসৃষ্টি কারক, দেহ মোটা ও তাজা করে, যৌবন ধরে রাখে । দ্রত বী'র্যপাত রোধ করে, মহিলাদের শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর, অতিরিক্ত ঋতুস্রাব, পাতলা পায়খানা, আমাশয়, শু'ক্রতারল্য, স্নায়বিক দূর্বলতা এবং দাঁতের মাড়ি শক্ত করতে অত্যান্ত উপকারী। ✅শতমূল চূর্ণ- শতমূল ( Asparagus) এমন একটি ভেষজ/হার্বস যা সাধারন বলকারক, যৌ'ন শক্তি বর্ধক, শু'ক্র গাঢ় কারক, শু'ক্র সৃষ্টি কারক, পুষ্টি কারক এবং দুগ্ধ বর্ধক । শু'ক্র মেহ, স্নায়বিক দূর্বলতা, মূত্র কৃচ্ছতা, মানসিক দুর্বলতা এবং যৌ'ন দুর্বলতায় বিশেষ উপকারী । ✅আলকুশি পাউডার আলকুশীর প্রধান ব্যবহার বাজীকর ঔষধ হিসেবে । যা অতিমাত্রায় শুক্র সৃষ্টি করে অথবা অশ্বের মত রমণে প্রবৃত্ত করে। আলকুশির বীজ চিনি ও দুধসহ সেদ্ধ করে খেলে বাত রোগের উপশম হয়, শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়, শু'ক্র বৃদ্ধি গাঢ় হয় এবং স্নায়বিক দুর্বলতা দূর করে। ✅তেতুল বীজ চূর্ণ- তেঁতুল বীজ বলকারক, শরীরের দূর্বলতা দূর করে, দ্রুত বী'র্যপাত রোধ করে ও যৌ'নশক্তি বৃদ্ধি করে, বী'র্যের উৎপাদন, শু'ক্রের উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ বন্ধ করে। মহিলাদের জরায়ুর শক্তিবর্ধন করে। ©Monir

photo content

"নফল আমলকে ফরযের মত বানিয়ে নাও[১], পাপ করাকে কুফরের মত মনে কর[২],কামনাবাসনাকে বিষের মত গণ্য কর[৩], মানুষের সাথে মেলামেশাকে আগুনের মত মনে কর[৪], আর খাবারকে ওষুধের মত মনে কর[৫]" . ~ ইমাম আল হাফিয আবুল হাসান আলী আয যাইদী [রাহ.] [৬] . . [১) অর্থাৎ নফল আমলকে দৃঢ়তার সাথে কর, যেভাবে ফরয আমল করা হয়, নফলকে ছেড়ে দিও না। যদি নফলকে দৃঢ়তার সাথে আদায় করা যায় তাহলে ইন শা আল্লাহ ফরয ছুটে যাবে না, ২) মানুষ পাপের স্তরভেদ করে ফলে পাপে আক্রান্ত হয়ে যায়। পাপকে স্রষ্টার অবাধ্যতা হিসেবে কুফরজ্ঞান কর, কুফরের মত ভয়ানক মনে কর, তাহলে পাপ থেকে বাঁচতে পারবে। ৩) কামনাবাসনাকে বিষের মত মনে করতে হবে, বিষ পানে যেভাবে মৃত্যু হয় কামনাবাসনাও এভাবে রুহানী মৃত্যুর কারণ হয়। তাই বিষ থেকে যেভাবে বেঁচে থাক কামনাবাসনার চাহিদা থেকেও সেভাবেই বাঁচতে হবে। ৪) আগুনের স্ফুলিঙ্গ যেভাবে কাপড়ে বা ঘরে লাগলে সব কিছু পুড়ে যায় মানুষের সাথে মেলামেশাও তেমনি, এটা হাজারো পাপের অনুঘটক। কিন্তু আমাদের জীবনে আগুনের প্রয়োজন আছে। আমরা যতটা আগুন দরকার ততটা চুলায় ব্যবহার করি এর বেশি নয়। একইভাবে মানুষের সাথে মেলামেশাকেও সীমিত করতে হবে যেন গুনাহের স্ফুলিঙ্গ আখিরাতকে বরবাদ করতে না পারে। ৫) মানুষ শখ করে বিপুল পরিমাণ ওষুধ খায় না, যতটা দরকার ততটা খায়। মানব জীবনে খাদ্যের অবস্থানও তাই। আমাদের খাওয়ার জন্য দুনিয়ায় পাঠানো হয়নি, ইবাদাতের জন্য পাঠানো হয়েছে। এর মাঝে শরীর সুস্থ রাখতে যতটা খাওয়া দরকার কোনো প্রকার অপচয় ব্যতীত ততটা হালাল খাদ্য গ্রহণকে জায়েয করা হয়েছে। তাই খাদ্যও এ পরিমাণ গ্রহণ কর যতটা তোমার দরকার। (১-৫ পর্যন্ত টীকা, আমার লেখা); ৬) ইমাম তাজুদ্দীন সুবকী (রাহ), তাবাকাতুশ শাফিঈয়্যাতিল কুবরা: ৫/১৩৫] || উস্তাদ মানযুরুল কারিম হাফিঃ

কেমন আছেন আপনি? আসলেই কেমন আছেন আপনি ? নিজের যত্ন নিচ্ছেন? নিজেকে ভালোবাসছেন? নিজের ভালো লাগাগুলোকে ভুলে যাচ্ছেন না তো? নিজের স্বপ্নগুলোকে অযত্নে ফেলে রেখে হারিয়ে যাচ্ছেন কি নিজের কাছ থেকে? নিজেই নিজের কঠোর সমালোচক হয়ে যাচ্ছেন না তো? নিজের কাছের ভালোবাসার সম্পর্কগুলোকে যত্নে আগলে রাখতে গিয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলছেন না তো? একটু থামুন। এই ব্যস্ত পৃথিবীতে অন্যদের যত্ন নেয়ার পাশাপাশি আপনাকেও আপনার নিজের প্রতি সহনশীল হতে হবে। নিজের যত্ন নিন, নিজেকে অল্প করে ভালোবাসতে শিখুন।নিজের ভালো লাগাগুলোর যত্ন নিন। এটা জরুরী।

আমার হাজবেন্ড আজকে হঠাৎ এসে বলতেসে,"জানো হিন্দুদের একটা চক্র আছে না মুসলিম মেয়েদেরকে রিলেশনের ফাঁদে ফেলে ফিজিক্যাল রিলেশন পর্যন্ত টেনে নেয়,তারপর মেয়েটা প্রেগন্যান্ট হয়ে গেলে সরে পড়ে!এই চক্রটা অনেকদিন আগে থেকেই এক্সিস্ট করে,ইভেন অনেক কাছের চেনা হিন্দু ছেলেরাই এতে জড়িত!" আমি জিজ্ঞেস করলাম, "হঠাৎ এই কথা বলছেন কেনো?" – "আমরা যখন পাইওনিয়ারে ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি একটা মেয়ে আসতো পর্দা করে।পুরা ফার্স্ট ইয়ারে সেই মেয়ের চেহারা কেউ দেখে নাই। অনিরুদ্ধ নামের এক ছেলের সাথে সেই মেয়ের ভালো বন্ধুত্ব ছিলো। সেকেন্ড ইয়ারে একদিন দেখি সে শুধু হিজাব পড়ে কলেজে আসতে শুরু করসে।তারপর শুনি অনিরুদ্ধের সাথে নাকি প্রেম করে। তখন তো জাহেল ছিলাম,তাই ফ্রেন্ডসার্কেলও তেমনই ছিলো।বন্ধুরা আলোচনা করতাম এতো হ্যান্ডসাম বড়ভাইদের রেখে এই হিন্দু পোলার সাথে প্রেম করে কেন ও? আস্তে আস্তে সে বোরকা ছাড়লো,কয়দিন ঢিলাঢালা সালোয়ার কামিজ পড়লো!তারপর সেকেন্ড ইয়ারের মাঝখানে দেখি সেই মেয়ে হাতার মাঝখানে কাটা এমন জামা পড়া শুরু করছে। কয়দিন পরে অনিরুদ্ধের রুমমেট জাহিদের কাছ থেকে আমরা জানতে পারি,তারা দুইজন ওদের হোস্টেলে একরুমে মাঝে মাঝে সময় কাটায়।হোস্টেলে সিনিয়ার ভাইরা থাকায় তাদের প্রেমে ব্যাকআপ দেয় জাহিদ। আমরা এসব নিয়ে মাথা ঘামাইতাম না। কতমেয়েই তো এমন আছে,এসব ভেবে পাত্তা দেই নাই কখনো।বছরখানেক পর একদিন শুনি অনিরুদ্ধ মেয়েটার সাথে ব্রেকআপ করছে। কলেজের সবাই জানতো রিলেশন চলাকালীন একবার মেয়েটা প্রেগন্যান্টও হয়ে গেসিলো,ফ্রেন্ডদের মাধ্যমে এবোরশন করাইসে। ব্রেকআপের পর অনেক মেন্টাল ব্রেকডাউনের মধ্যে দিয়ে গেসিলো থার্ড ইয়ারটা সেই মেয়ের। ২০১৯ এর দিকে মেয়েটার বিয়ে হয়ে যায়,দেশের বাড়ি রাজশাহীর এক ছেলের সাথে। তারপরে আর কোনো খোঁজ নাই। আজকে হঠাৎ এই কাহিনী মাথায় আসলো আর দুইয়ে দুইয়া চার মিলাইলাম। তখন তো জানতাম না এতকিছু! মুসলিম মেয়েগুলার গাধামির জন্য আরও সহজ হয় ওদের পথ!" আমি এখন পর্যন্ত হতভম্ব হয়ে আছি! [অনিরুদ্ধ আর জাহিদ নামটা ছদ্মনাম।] ©তাহরিমা জাহান তুবা

১৫)স্ত্রীর প্রথম মিলনে রক্তপাত না হলে ভাববেন না যে স্ত্রী সতী না। সুধারনা রাখুন, সতী নারীর বৈশিষ্ট্য তিনটা ১) অক্ষত সতী পর্দা ২) লেবিয়া মেজরা ও মাইনোরা ( যৌনি কপাট) দুই পা ফাকা করে দিলেও যৌনিপথ দেখা যাবে না। ৩) কনিষ্ঠ আঙুল যৌনপথে সহজেই ঢুকবে না,আর ঢুকলেও নারী অনেক ব্যথা পাবে, যে নারী পূর্বেই সহবাস করেছে তার এই তিনটা বৈশিষ্ট্য থাকবে না। ১৬) দেনমোহর কম ধার্য করুন,উত্তম ফাতেমী দেন মোহর,সহবাসের আগেই শোধ দিবেন আর এত কমও দিবেন না যে হাস্যকর দেখায়,আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী দিবেন। ১৭) বিয়ের প্রথম একবছর অবশ্যই স্বামী স্ত্রী একসাথে থাকবেন,যতবেশি পারেন সহবাস করুন,পুষ্টিকর খাবার খান। ১৮) পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে ভালোমত ধারনা রাখুন,নববধু কি সন্তান ধারনের জন্য উপযুক্ত কিনা? ১৯) স্বামী স্ত্রীর হক সম্পর্কে ভালোমত ধারনা রাখুন ইনশাআল্লাহ কাজে দিবে,সংসারে সুখ আসবে। ২০)ছোটখাট বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না,যতই ভালোমত চলুন না কেন পরস্পরের অনেক অমিল থাকবে, আর এটাই স্বাভাবিক এগুলোকে প্রাধান্য দিবেন না। ২১) নিজেদের সহবাসের গোপন কথা অন্য কারও সাথে শেয়ার করবেন না। ২২) হবু স্ত্রীদের আগে থেকে যৌনমিলন সম্পর্কে সঠিকভাবে জানা উচিত, স্বামীরা কি কি পছন্দ করে,এই টিপসগুলো ভালো মেডিকেল জার্নালে পাবেন। আর হবু স্বামীরও যৌনক্রিড়া সম্পর্কে ও জানতে হবে,কিভাবে তার হবু বৌকে বিছানায় হারিয়ে নিজে জিততে পারবেন,, বিছানায় অবশ্যই স্বামীকে জিততে হবে, আর সংসারে হারুন,স্ত্রীর পরামর্শকে ভালোবাসুন। ২৩) বাচ্চা নিতে চাইলে দুইজনে পরিকল্পিতভাবে নিন,আল্লাহর কাছে নেক সন্তানের জন্য দোআ করুন। ২৪) হবু স্বামী স্ত্রীর বায়োডাটা দুইজনেই আগে থেকে ভালোমতো জেনে নিন। ২৫)স্বামীর যৌন পারফর্মেন্স কে বাহবা দিবেন, পাশে থাকবেন, দূর্বলতা কে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না,এটা খুব খারাপ। দোআর দরখাস্ত রইল ডা এস আর খান

বিবাহের আগে কিভাবে প্রস্তুুতি নিবেন?? পর্ব ১ বিয়ে কে আল্লাহ সহজ করছেন,উৎসাহ দিয়েছেন,বিয়ের ফজিলতের কথা কোরআন হাদিসে অনেক আছে। সুন্দর সুন্নত তরিকার বিয়ে নিসন্দেহে বরকত আর বরকত,এতে কোন সন্দেহ নেই। যে সমাজে বিবাহ করা কঠিন সেই সমাজে যিনা ব্যাভিচার সহজ। যে বিয়েতে খরচ কম, সেই বিয়েতে বরকত বেশি,খুব অল্প টাকায় বিয়ে করা যায়,সাহাবিদের বিয়েতে খুব সামান্যই ব্যয় হতো,কোন কোন সাহাবীর বিয়ের আগে এমন অবস্থা হতো যে কোন টাকা পয়সাই হাতে ছিলনা,তবুও তারা নিজেদের চরিত্রকে হিফাজত করার জন্যে শুধু বিয়ে করেছেন ইবাদত মনে করে ।সঠিক সময়ে যদি যুবক যুবতীদের অভিভাবকরা বিবাহের ব্যবস্হা করে দিতো, এই সমাজ থেকে অনেক যিনা, ব্যভিচার দূর হয়ে যেত। আল্লাহর রাসুল মহানবি হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মানুষ বিয়ে করার সময় চারটি জিনিস প্রাধান্য দেয়, ১) টাকা পয়সা ২) বংশ ৩)সৌন্দর্য ৪)দ্বীনদারিতা আর আল্লাহর রাসুল মহানবী হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা দ্বীনকে প্রাধান্য দাও।এমন নারীকে বিয়ে করো যে অধিক সন্তানের মা হতে পারে। আসলেই যে যুবক মনে মনে সতী বৌ পেতে চায়,তার ও উচিৎ নিজেকে সৎ রাখা।যে সৎ থাকবে আশা করা যায় সেও সতী কুমারী নারীকে বিয়ে করতে পারবে,আল্লাহ সবসময় ভালোদের জন্য ভালোই রাখেন। আসলে সংসার জীবন অনেক জটিল এক রসায়ন, সেই জন্য এই কঠিন বাস্তবতাকে সহজ করে নেওয়ার জন্য দ্বীনদার স্বামী স্ত্রীর বিকল্প কিছু নেই। দ্বীনদার হলে অনেক বিষয় পরস্পরের জন্য মানিয়ে চলা সহজ হয়,যদিও আপেক্ষিকভাবে কঠিন মনে হলেও আল্লাহর জন্য তারা দুইজনই হাসিমুখে সবকষ্ট মেনে নেয়, কেউ কাউকে অন্তত ঠকায় না,আর এদের জন্য ফেরেশতারা অনেক অনেক দোআ করতে থাকেন। আর শয়তানের চ্যালেন্জ থাকে যেভাবেই হোক স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া মারামারি লাগুক,আর এটাই শয়তানের বড় সফলতা।যারা দুনিয়ার চাকচিক্য দেখে বিয়ে করে আসলে তারা মরিচিকার পেছনে ছুটতে থাকে, তাদের পারিবারিক জীবন তেমন একটা সুখের হয়না,নানান সমস্যা লেগেই থাকে, কেউ কাউকে ছাড় দেয়না অবশেষে তালাকের মত অপছন্দনীয় কাজ ঘটিয়ে দেয়। সমাজে,মিডিয়ায় যারা অনেকের কাছে মডেল ছিল,হ্যাপি কাপল, তাদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে ডিভোর্স এ জড়িয়ে যায়। ###টিপস ১) দ্বীন কে প্রাধন্য দিন,যতই কষ্ট হোক,একদিন আপনাদের সফলতা আসবেই।। ২) দ্রুত বিয়ে শাদি করুন,অন্যকেও উৎসাহিত করুন। এটা ভাববেন না অনেক অনেক টাকা কামাই করে তারপর বিয়ে করবেন।তখন শুধু টাকাই থাকবে, যৌবনের মূল্যবান সময় হারিয়ে ব্যস্ত জীবনে পা দিয়ে,রোমান্স করার আর সময় পাবেন না।সংসার গোছাতে গোছাতে বার্ধক্য চলে আসবে। ৩) বিয়েতে অল্প খরচ করুন, মসজিদে বিয়ে করুন,কারও দেখাদেখি, পারিবারিক চাপে বেশি ধারদেনা করে কমিউনিটি সেন্টারে যাবেন না। ৪) মনের মত সঙ্গীনি খুঁজুন,যারে দেখলে আপনার অন্তর শান্তি লাভ করবে,কাছে পেতে মন চাই,এমন কাউকে। ৫) কোন যোগ্যতা সম্পূর্ণ দ্বীনদার পুরুষ কোন রমনীকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে মেয়ের পরিবারের উচিত তার সাথে বিয়ে দেওয়া, এতে বরকত থাকবে। ৬)যাদের খারাপ অভ্যাস আছে ( হস্তমৈথুন, পরকীয়া ইত্যাদি এগুলো থেকে তওবা করুন) নিজেকে বিয়ের আগেই ফিট করে হবু বউয়ের জন্য অপেক্ষা করুন। ৭)জেনে রাখুন,বিয়ের প্রথমদিকে অনেক যুবকের ই লিঙ্গের দৃঢ়তা নিয়ে সমস্যা হয়,এতে ঘাবড়িয়ে যাবেন না,বছর খানিক অপেক্ষা করুন,না হলে চিকিৎসা নিন। ৮) লিঙ্গের সাইজ,ছোট বড়,গোড়া চিকন,মোটা,অন্ডকোষ থলির ঝুলে যাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। ৯) প্রথমদিকে সময় অনেক কম পাবেন,এতে ঘাবড়াবেন না,বৌয়ের ভালোবাসা সহযোগিতা থাকলে ইনশাআল্লাহ আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে,এজন্য যৌন ব্যায়াম,পুষ্টিকর খাবার যেগুলো খেলে যৌন শক্তি বাড়বে ঐগুলা খেতে থাকুন ( ডিমদুধের মিশ্রন + তিনরকম বাদাম, সামান্য মাখন,মধু,কিছু আজোয়া খেজুর) যৌনজ্ঞান না থাকলে আপনার পরিচিত কাছের কোন যৌনবিশেষজ্ঞের কাছে যান যৌন কাউন্সিলিং নিন, যৌনথেরাপি নিন,আশাকরি মেডিসিনের উপর নির্ভরতা কমে যাবে,কনফিডেন্স বেড়ে যাবে। ১০) যৌন অক্ষমতা থাকলে চিকিৎসা করান আর এটা গোপন রেখে বিয়ে করবেন না,এতে বৌয়ের হক নষ্ট হয়,ইসলামে মেয়েদের এই নপুংসক দের তালাক দিতে বলেছে। ১১) এইচআইভি, হেপাটাইটিস বি সি উভয়ই পরীক্ষা করুন,সাথে রক্তের গ্রুপও জেনে নিন। ১২) যদি কিছু টাকা জমানো থাকে নতুন বউকে নিয়ে হানিমুনে ঘুরে আসুন,এতে করে দুইজনে একান্ত সময় কাটাতে পারবেন সম্পর্ক মজবুত হবে।( হানিমুন জরুরি না) অথবা আত্নীয়দের সাথে পরিচয় / বা পরস্পরের জানাশোনা দরকার। ১৩) বিয়ের আগেই হবু বৌ/ স্বামীর জন্য একটা সারপ্রাইজ রেখে দিন,সেটা বাসর রাতে হাদিয়া দিবেন,বাসরঘরটি সুগন্ধি রজনী গন্ধা দিয়ে সাজান,ভালো লাগবে,আর একটু নিরিবিলি পরিবেশ রাখুন। ১৪)আল্লাহর কাছে উত্তম সঙ্গীনির জন্য মন খুলে দোআ করুন।

photo content

"একালের শিক্ষিতা যুবতী মেয়ে সবদিক দিয়েই মুক্ত, স্বাধীন। তাদের গর্ভে যদি কখনও সন্তানের জন্ম হয়, তাহলে তারা নিশ্চয় শিশু সন্তানের মন-মগজে ইসলামী আকীদা-বিশ্বাসের বীজ বপন করবে না। . কেননা তারা নিজেরাই তার প্রতি বিশ্বাসী নয়, তাদের বাস্তব জীবনযাত্রার ওপর ইসলামের একবিন্দু প্রভাব নেই; বরং তারা ইসলামী রীতি ও বিশ্বাসের প্রতি বিদ্বেষী, শত্রু-ভাবাপন্ন। তারা ইসলামকে রীতিমত ঘৃণা করে। . এক্ষণে ইহুদী-খৃষ্টান জগৎ নিশ্চিন্তে বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারে। বিগত দুই শতাব্দী কাল ধরে যে প্রাণপণ চেষ্টা তারা চালিয়েছিল, তা এখনও চালিয়ে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। . মুসলিম দ্বীন প্রচারকারী ও সাধারণ মুসলমানদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য যে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমটা তারা এ যাবত করে এসেছে তার দায়িত্ব এখন পালন করে চলছে মুসলিম পরিবার ও সমাজের সেই মেয়েরা, যারা তাদের শিক্ষা ও চরিত্র পেয়ে মনে-প্রাণে-চরিত্রে খৃষ্টান-ইহুদী হয়ে গেছে। তাদের গর্ভে এখন আর মুসলিম সন্তানের জন্ম হয় না। . তারা হয় খৃষ্টান-ইহুদীদের চক্রান্তে পড়ে সন্তান প্রসব ছেড়েই দিয়েছে, আর নয় কোনো সন্তান প্রসব করলেও তার মন-মগজে ইসলামী আকীদার বীজ তারা বপন করে না। ফলে খৃষ্টান-ইহুদীদের সেই সর্বাত্মক চেষ্টা-প্রচেষ্টা এখন অপ্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।" . ~ উস্তায মুহাম্মাদ কুতুব [রাহ.] . [বিংশ শতাব্দীর জাহিলিয়াত, পৃ: ৩৭৮]