uz
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Kanalga Telegram’da o‘tish

🙂🙂🙂

Ko'proq ko'rsatish
1 996
Obunachilar
+124 soatlar
+37 kunlar
+430 kunlar
Postlar arxiv
একবার নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর স্নেহধন্য শিষ্য মুআয রা. এর হাত ধরে বললেন, 'মুআয, তোমাকে আমি খুব খুউব ভালোবাসি!' নবীজি শুধু 'উহিব্বুকা- তোমাকে ভালোবাসি' বলেন নি। বলেছেন, 'ইন্নি লাউহিব্বুকা- খুব খুউব ভালোবাসি।' ভালোবাসা কতোটা প্রগাঢ় হলে এভাবে গভীর মমতামাখা শব্দে তা প্রকাশ করা যায়! এই কথা শুনে কেমন হয়েছিল মুআয রা. হৃদয়ের স্পন্দন? হাদীসটা পড়ার সময় নিজেকে বারবার প্রশ্ন করেছি। হৃদয়ের সবটুকু অনুভূতি ঢেলে দিয়ে অনুভব করতে চেয়েছি তাঁর সেসময়ের খুশিটুকু। তিনি প্রতিউত্তরে বললেন, 'আমিও আপনাকে ভালোবাসি হে আল্লাহর রাসুল!' তারপর নবীজি তাকে একটা দুআ শিক্ষা দিলেন। বললেন, 'প্রত্যেক নামাজের পর এই দুআটা পড়তে ভুলবে না। তা হল, اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِك وَحُسْنِ عِبَادَتِك [ আল্লাহুম্মা আইন্নি আলা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা ] অর্থাৎ- হে আমার প্রভু, তোমাকে স্মরণ করার, তোমার কৃতজ্ঞতা আদায় করার ও সুন্দরভাবে তোমার ইবাদাত করার ক্ষেত্রে আমাকে সাহায্য করো। (তিরমিযি নবীজি একটা দুআ শিক্ষা দিবেন নিজের শিষ্যকে। এর জন্য কতো সুন্দর সম্বোধনে ভালোবাসার পরশ বুলিয়ে তার হৃদয়-মন বিগলিত করে পুরোটা মনোযোগ নিজের দিকে আকৃষ্ট করে নিলেন। তারপর সেই দুআটা শিক্ষা দিলেন। নববী শিক্ষা বলেই হয়তো তাতে এতো মধুরতার দেখা পাই। হাদীসটা পড়ার পর থেকে বারবারই মুআয রা. এর উপর ঈর্ষা হচ্ছে। আমি যদি প্রিয় নবীর মুবারক যবানে এমন মনোহরা প্রেমময় বাক্য শুনার সৌভাগ্য অর্জন করতাম তবে এর বিনিময়ে জগতের সকল ভালোবাসাকে তুচ্ছ জ্ঞান করতাম। আমাকেও যদি নবীজি এমন ভালোবাসতেন! [ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে সুনানে আবু দাউদে (১৫৩২), সুনানে নাসায়ীতে (১৩০৩), মুসনাদে আহমাদে (২২১১৯) সনদ সহীহ।]

★ শারিরীক স্বাস্থ্যে মনের প্রভাব ★ ★★ মানসিক চাপ- টেনশনে ব্লাড প্রেসার কেমন হয়ে যেতে পারে ধারণা করা যায়না…!! এটা " নীরব ঘাতক" মনে হয়! ★এমনকি একদিনের টেনশনে অনেক কিছু হতে পারে! যেমনটি একদিন হয়েছিল আব্বুর! হঠাৎ টেনশনে প্রেসার বেড়ে ১৮০/১০০ তে উঠে গেছিল। এমনকি কিছুসময়ের জন্য হার্টফেল(ALVF) হয়ে গেছিল! তারপরে আর কোনদিনও প্রেসার বেশী পাইনি। অনেক দিন মাপা হয়েছে বহুবার! ★ গতকাল ওয়ার্ডে একটা রোগী- পাশের বেডের একজনের মৃত্যুতে হঠাৎ টেনশনে প্রেসার বেড়ে গেছে! বমি করছেন! খারাপ লাগছিল! আরেকটু হলে স্ট্রোক হতে পারতো! (হঠাৎ প্রেসার ১৬০ এ উঠছিল!) অথচ তার আগে এবং পরে প্রেসার একদম স্বাভাবিক পেয়েছি!! ★আরেকজন রোগী - কোন একটা কারণে অস্থিরচিত্ত ছিলেন- তার হাই প্রেসার কখনো ছিলনা! কিন্তু… কিছু সময়ের মানসিক চাপে- প্রেসার ১৭০ /১০০ তে উঠে সাময়িক স্ট্রোক হয়ে গেছিল! (কথাবার্তা বন্ধ ছিল কিছুক্ষণ!) পরে প্রেসার চেক করেছি- একদম নিচের দিকে নেমে আছে! ★★ আর দেখেছি- ২৬ বছরের যুবক ছেলে- নাকের অপারেশন করাতে আসছিল! আগে মাঝেমাঝে প্রেসার বেড়ে যেতো!! পরিবারে- মায়ের প্রেসার বেশী! নাকের অপারেশনে হঠাৎ বেশী টেনশনে প্রেসার বেড়ে যায়-- এমনকি স্ট্রোক হয়ে যায় তার! এক হাত পা অবশ হয়ে গেল! ★★ চোখের সামনে প্যারালাইজড জোয়ান ছেলেকে দেখে- মায়ের টেনশন তুঙ্গে!! রাতের ঘুম হারিয়ে গেল! এসব অবস্খা পর্যবেক্ষণ করে- তার প্রেসারটা চেক করে ফেললাম! তাতে আক্কেলগুড়ুম হয়ে যাবার অবস্খা! তার ব্লাডপ্রেসার বেড়ে- ২২০/১২০!! অথচ তেমন কোন লক্ষণ নাই! তাকে নিজথেকে ওষুধ দিলাম। আর মানসিক চাপমুক্ত থাকার কিছু কাউন্সিলিং এর চেষ্টা করলাম! যেন স্ট্রোক না হয়ে যায়…!! প্রেসার বিষয়টার উপর মানসিক স্ট্রেস, টেনশনের এত প্রভাব! জানা ছিলনা কোনদিনও! (ইনশাআল্লাহ্, এমনি ছোট খাটো কিছু গবেষণা করে যাবো আজীবন! ডাক্তার হওয়ার অন্যতম কারণ এটা একটা!) Dr. Maruf, MBBS(RpMC) FCPS training (Internal Medicine) Medical officer, Medicine Department, Rajshahi Medical College Hospital

জ্বিন যাদুতে আক্রান্ত পেশেন্টদের ক্ষেত্রে স্বপ্নে সাপ দেখার বিষয়টি খুবই কমন। পেশেন্টভেদে স্বপ্নে বিভিন্ন সুরতের প্রাণী দেখে থাকে। মূলত শরীরে প্রবেশকৃত জ্বিন শাইত্বন স্বপ্নে তার সুরত জানান দেয় কিংবা জানান দিতে বাধ্য হয়। অভিজ্ঞতার আলোকে গবেষণায় নিম্নোক্ত কিছু বিষয় পাওয়া গেছে — 🈵 জ্বিন শাইত্বনকে সাপের সুরতে দেখতে পাওয়ার একটি মৌলিক ব্যাখ্যা হলো সে জাদুর খাদেম এবং অধিকাংশই سحد المدفون তথা পুঁতে রাখা ও سحر المرشوش তথা ছিটানো জাদুর খাদেম হয়ে থাকে। 🈵 সাপকে পায়ের উপর পেঁচিয়ে ঘুরতে দেখার অর্থ হলো হয়তো পেশেন্টকে সে আক্রান্ত করেছে বা শরীর স্পর্শ করেছে। 🈵 যদি দূর থেকে তাকে অনুসরণ করতে দেখে, তবে সে এখনও শরীরের বাইরে এবং প্রবেশের সুযোগের অপেক্ষায় আছে। অর্থাৎ শরীরে প্রবেশের জন্য সুযোগ খুঁজছে। 🈵 সাপের আকারের ক্ষেত্রে দুইটি শব্দ সাধারণত ব্যবহার করা হয়। ثعبان —যা বৃহদাকার, শক্তিশালী, বড় পদমর্যাদার সাহির জ্বিন। এবং حية —যা তুলনামূলক ছোট, নিচু পদমর্যাদার, যাদুর খাদেম। 🈵 যদি ডানা থাকে তবে এটি একটি পাখি জ্বীন, এটি خادم الحمام — যে মূলত বাথরুম/ টয়লেটে অবস্থান করে। 🈵 যদি এটি মাটিতে হাঁটে তবে এটি العمار এর অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ যাদুর উদ্দেশ্যে উক্ত জ্বিন শাইত্বন পেশেন্টের বাড়িতে অবস্থান করে। العمار দ্বারা আরেকটি উদ্দেশ্য হলো, পেশেন্টের শরীরে যাদুর খাদেম জ্বিন তার হুসুন, দুরু'য় তৈরি করেছে। 🈵 প্রচন্ড কালো হলে নির্দেশ করে যে সে একজন ইহুদী, হলুদ হলে খ্রিস্টান, এবং সাদা হলে মুসলমান। তবে শরীরে প্রবেশকৃত জ্বিন মুসলিম হওয়ার অধিক নিকটবর্তী অর্থ হলো দুর্বল চিত্তের তথা মুনাফিক। এমন জ্বিনের ক্ষেত্রে নাসীহার মাধ্যমে ঈমানের দিকে ফেরার আহ্বান করা যেন সে জুলুম থেকে বিরত হয় এবং রোগীর শরীর ছেড়ে চলে যায়। এমন জ্বিন তাড়ানোর ক্ষেত্রে কিছু মশলা জাতীয় দ্রব্যের সমন্বয়ে তৈরিকৃত সাপ্লিমেন্টারী বেশ কার্যকর। তবে সাপ্লিমেন্টারী ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই তা রুকইয়াহ করে নিতে হবে। উক্ত জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত পেশেন্টদের রুকইয়াতে آيات الحية والثعبان প্রভাব সৃষ্টিকারী এবং কার্যকরী হয়ে থাকে। ©Sukoon Care

মৃত ব্যক্তির জন্য দিন-তারিখ নির্দিষ্ট করে দাওয়াতের আয়োজন করা ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা বিদআত ও বর্জনীয়। তবে তিন দিনা চার দিনা ত্রিশা ও চল্লিশার মতো তারিখ নির্ধারণ না করে মৃত ব্যক্তির ঈসালে সাওয়াবের উদ্দেশ্যে গরিব মিসকীনদের খানা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা যাবে। [ফতহুল কদীর: ২/১০২, ইমদাদুল আহকাম: ১/২০৬]

ঈদ হোক ত্যাগ ও আনন্দের সাথে, সুন্নাহর সাথে৷ তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম৷ ঈদ মুবারক৷ 🌙

আমার ধারণা ছিলো এগুলো সবাই জানে, কিন্তু কিছুদিন থেকে বিভিন্ন গ্রুপে এই সংক্রান্ত পোস্ট/প্রশ্ন দেখছি, তাই কিছু টিপস শেয়ার করছি জনস্বার্থে। অনেকের প্রশ্ন, মাংস বেশিদিন ফ্রিজে থাকলে গন্ধ হয়ে যায়, কীভাবে রাখলে গন্ধ হবে না। আসলে মাংস গন্ধ হয় যদি সেটা ফ্রিজে রাখার পর ঠাণ্ডা হতে এবং জমতে সময় নেয়। মাংস যদি তাজা থাকা অবস্থায় আপনি জমিয়ে ফেলতে পারেন তাহলে জমার পর যতদিনই থাকুক স্বাদের হেরফের খুব একটা হয় না। সেজন্য আপনাকে যা করতে হবে– ১. মাংস আনার পরপরই ফ্রিজে ঢোকাবেন না, মাংস ঠাণ্ডা হতে দেবেন। ফ্যান ছেড়ে ডাইনিং টেবিলের উপর ছড়িয়ে দিতে পারেন, অথবা বাসায় এসি থাকলে এসি রুমের ফ্লোরে কিছু বিছিয়ে মাংস ছড়িয়ে রাখুন, এসিটা ছেড়ে দিন, ধীরে ধীরে যত সময় লাগুক মাংস গোছান, বিলি করুন, কোনও সমস্যা হবে না। ২. মাংস ধোবেন না, তাজা মাংসটা শুকালেই রক্তটা জমাট বেঁধে যাবে, যদি পানি লাগান তাহলে জমাটটা ছেড়ে দেবে এবং মাংস থেকে রক্ত ছাড়তেই থাকবে। অনেকে বলেন রক্তসহ রাখব? আপনি কি মাংস থেকে রক্ত আলাদা করতে পারবেন? পুরো মাংসের মধ্যেই তো রক্ত, মাংস তো ধুয়ে ধুয়ে সাদা করে ফেলতে হবে তাহলে! ৩. মাংসের গায়ে লেগে থাকা রক্ত হালাল, শুধু মাত্র জবেহের সময় ছিটকে বের হওয়া রক্ত হারাম। তাই আপনি যদি পরিষ্কার জায়গায় মাংস কাটেন আর না ধুয়েই রান্না করেন তাতেও কোনও সমস্যা নেই, তাই ফ্রিজে রাখার আগে ধোয়ার ব্যাপারে চিন্তা করার একেবারেই প্রয়োজন নেই। ৪. একসাথে ডিপে ভরে ফেলবেন না, ডিপের ক্যাপাসিটির এক-তৃতীয়াংশ মাংস রেখে দিন শুরুতেই। ফ্রিজের দরজা বারে বারে খুলবেন না, অন্য মাংস গোছাতে থাকুন, রান্নার কাজ সেরে নিন, এক-দুই ঘণ্টা পর আগেরগুলো ভালোমতো ঠান্ডা হয়ে গেলে আরেক তৃতীয়াংশ রাখুন। ফ্রিজে স্পেস থাকলে প্রতি সারি মাংসের মাঝে ফাঁকা রাখার চেষ্টা করবেন যেন ঠাণ্ডাটা চলাচল করতে পারে। তাহলে মাংস জমবে দ্রুত। ৫. ফ্রিজ কোনও অবস্থাতেই এতটা ঠেসে ভরবেন না যে দরজা ঠিকমতো না লাগে। কোনওক্রমে যদি সামান্য ফাঁকও থেকে যায়, মাংস জমতে অনেক বেশি সময় লাগবে আর স্বাদও নষ্ট হয়ে যাবে। সাথে ফ্রিজও নষ্ট হতে পারে। ৬. এটা শুরুতে দেওয়া দরকার ছিল। ঈদের আগেই কিছু ভালো কোয়ালিটির পলিব্যাগ কিনে রাখবেন, পলিব্যাগ ভালো হলে এবং সুন্দর সারিবদ্ধ ভাবে রাখলে মাংস জমার পর বের করতে কষ্ট হবে না। বারে বারে ফ্রিজ বন্ধ করে খোঁচাখুঁচি করতে হবেনা। ৭. কলিজা থেকে রক্ত ছাড়ে বেশি, কলিজা রাখতে চাইলে পলিতে না রেখে বক্সে করে রাখবেন। আপাতত এই পর্যন্তই, আরও কিছু মনে পডলে অ্যাড করে দেব ইনশাআল্লাহ। ______ কুরবানির মাংস সংরক্ষণ টিপস জুবাইদা ফারজানা #রৌদ্রময়ী