1 997
Obunachilar
+224 soatlar
+47 kunlar
+230 kunlar
Postlar arxiv
1 997
গতসপ্তাহে 'ব্রেইন ডেথ' নিয়া অতি সামান্য একটা তথ্য পড়েছিলাম। আমার ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, এক্স, সাবস্টেক একাউন্টে মেডিকেল রিলেটেড প্রচুর তথ্য আসে যেগুলো মেইনস্ট্রিম মেডিকেলে বলা হয়না বা স্বীকার করা হয়না!
গতসপ্তাহে জেনেছিলাম ১৯৬৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের Harvard Medical School–এর একটি বিশেষ কমিটি সর্বপ্রথম 'ব্রেইন ডেথ' শব্দটা চালু করে।
Brain death হলো একটি আইনগত ও দার্শনিক সংজ্ঞা, জৈবিক মৃত্যু (biological death) নয়।
মানে, রোগীকে “মৃত” ঘোষণা করা হয় এমন এক সংজ্ঞার ভিত্তিতে
যেখানে পুরো শরীর মৃত কিনা—সেটা প্রমাণ করা হয় না।
এটা করা হয় মুলত, কারো অঙ্গ ব্যবহার করার জন্য তাকে ব্রেইন ডেড ঘোষনা করতে হবে। তাহলে তার শরীর থেকে অঙ্গ হার্ভেস্ট করা যাবে। কিছু সুবিধাবাধী লোক রোগীর আত্মীয়স্বজনকে ব্রেইন ডেথ বলে ক্লিনিক্যালি ডেথ ঘোষনা করে দ্রত অঙ্গ নিতে চায়!
ডা এলান শিউম্যান নামে একজন পেডিয়াট্রিক নিউরোলজিস্ট ব্রেইন ডেথ কে কে মৃত বলতে নারাজ ছিলেন। উনি বিশ্বাস করতেন এসব ব্রেইন ডেথ রোগীও একটা সময় সুস্থ হতে পারেন।
উনি তাই বইতে অনেক ডকুমেন্টেড কেসস্টাডি, বহু peer-reviewed কেস তুলে ধরেছেন যেখানে তথাকথিত brain-dead রোগীর শরীরে—
হৃদপিণ্ড নিজে নিজে চলছে
হরমোন নিঃসরণ হচ্ছে (ADH, cortisol ইত্যাদি)
শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ আছে
সংক্রমণে জ্বর হচ্ছে
ক্ষত শুকাচ্ছে
শিশু-কিশোরদের উচ্চতা ও ওজন বাড়ছে
এমনকি কয়েকজন নারী গর্ভধারণ করে সন্তান জন্ম দিয়েছেন (ventilator-support এ)
এগুলো মৃত দেহে হয় না। এগুলো জীবিত, সমন্বিত (integrated) জীবের বৈশিষ্ট্য।
ডাক্তার এলানের মতে ব্রেইন ডেথ মানে whole brain function loss-এর একটি ক্লিনিকাল অনুমান।
তবে যদি সত্যিকার অর্থে পুরো brain irreversibly ধ্বংস হয় তাহলে ভিন্ন কথা!
আর যদি “brain death” আসলে সত্যিকারের irreversible death না হয় তাহলেই বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে।
যদিও বুলেটের আঘাতে ব্রেইনের অপরিবর্তনীয় ক্ষতিই হয়ে থাকে! সেক্ষেত্রে রোগীর চেতনা ফিরে আসবেনা, ভেন্টিলেটর ছাড়া বাচবেনা। কিন্তু শরীর কিছুদিন/মাস জীবিত অবস্থায় টিকে থাকতে পারে!
1 997
"মেন্টাল হেল্প নিতে কার কাছে যাবো—সাইকিয়াট্রিস্ট না সাইকোলজিস্ট? এই দুইয়ের পার্থক্যই বা কী?"
কনফিউশনটা খুব কমন। অথচ মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এর সঠিক উত্তর জেনে রাখাটা ভীষণভাবে জরুরি।
🔹সাইকিয়াট্রিস্ট (Psychiatrist) মূলত মেডিকেল ডাক্তার। তাঁরা প্রথমে এমবিবিএস ডিগ্রী অর্জন করেন। এরপর মানসিক রোগ নিয়ে MD/ FCPS/MRCPsych/ MCPS/MPhil/PhD ইত্যাদি বিশেষায়িত হন। যেমন, কেউ গাইনোকলজি, কেউ মেডিসিন কেউ কার্ডিওলজি ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হন তেমন। রেজিস্টার্ড ডাক্তার হিসেবে তাঁরা ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা দেন। মানসিক সমস্যার পিছনে দায়ী শারীরবৃত্তীয় বা জৈবিক কারণগুলোকে ওষুধের মাধ্যমে মোকাবিলা করে সিম্পটমগুলো নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করেন। তারা ওষুধের চিকিৎসার পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত সময়ের সাইকোথেরাপি, হাসপাতালে ভর্তি রোগীর ক্ষেত্রে প্রয়োজন সাপেক্ষে হিপনোথেরাপি, ইলেকট্রোকনভালসিভ থেরাপি ইত্যাদি দিয়ে থাকেন।
🔹সাইকোলজিস্ট (Psychologist) মনোবিজ্ঞান (Psychology) বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেন। এরপর সুপারভাইজড ওয়ার্ক করার পরই তারা সাইকোলজিস্ট হিসেবে প্রফেশনালি স্বতন্ত্র কাজ করতে পারেন।
একজন সাইকোলজিস্ট ওষুধ দেন না, বরং কথা বলার মাধ্যমে কাউন্সেলিং করেন এবং সাইকোথেরাপির মাধ্যমে মনের ভেতর থেকে মানসিক সমস্যার শিকড়কে উপড়ে পরিষ্কার করে ফেলার চেষ্টা করেন।
কখন কার শরণাপন্ন হবেন?
• যদি আপনি মানসিক চাপ, সম্পর্কের জটিলতা, সিদ্ধান্তহীনতা, আত্মবিশ্বাসের অভাব বা অতীতের মানসিক আঘাত নিয়ে ভুগে থাকেন, তাহলে শুরুতেই সাইকোলজিস্টের শরণাপন্ন হওয়া ভালো।
• যদি অতিরিক্ত দু:শ্চিন্তা, ঘুমের সমস্যা, তীব্র হতাশা, আত্মহত্যার চিন্তা, অহেতুক সন্দেহের বশে কোন দৃঢ় বিশ্বাস লালন করা, ওসিডি বা শুচিবায়ু , ঘন ঘন প্যানিক অ্যাটাক, কানে গায়েবী আওয়াজ শোনা, অতিরিক্ত রাগ মারামারি ভাংচুর করা, নিজেকে আঘাত বা অন্যকে আঘাত করার প্রবণতা, অতিরিক্ত খুশি থাকা, অতিরিক্ত কথা বলা বা দান সদকা করা, মদ বা মাদকাসক্ত হওয়া, শিশু কিশোরদের ক্ষেত্রে অটিজম অতিচঞ্চল বা অমনোযোগী, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিতার মত লক্ষণ দেখা দেওয়া—
যেগুলো শুধুমাত্র কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে কমানো যায় না, অথবা রোগী কোনো কথা বুঝতে পারার অবস্থাতেই নেই, তখন অবশ্যই সাইকিয়াট্রিস্ট এর হেল্প নিতে হবে।
• অনেক ক্ষেত্রে সাইকিয়াট্রিস্ট ও সাইকোলজিস্ট একসাথে একটি টিম হিসেবে কাজ করেন—একজন ওষুধ দেন, আরেকজন কাউন্সেলিং এবং সাইকোথেরাপি দেন। এতে রোগী পরিপূর্ণ সেবা পান। যেমন, ডিপ্রেশন ওসিডি ইত্যাদি রোগে ওষুধের মাধ্যমে সিম্পটমগুলো নিয়ন্ত্রণে আনার পর কাউন্সেলিং ও থেরাপি রোগীকে সহজ ও স্বাভাবিক চিন্তাধারায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এতে সেরে ওঠার সম্ভাবনা যেমন বাড়ে, পরবর্তীতে সমস্যা ফিরে আসার আশঙ্কাও তেমন কমে।
আমাদের শারীরিক রোগের মতো মানসিক রোগেরও চিকিৎসা প্রয়োজন। মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া দুর্বলতা নয়, বরং নিজেকে ভালো রাখতে ট্রিটমেন্ট সিক করা একজন শক্তিশালী মানুষের বৈশিষ্ট্য।
ইয়াশফীনে দক্ষ সাইকিয়াট্রিস্ট এবং সাইকোলজিস্ট উভয়ই রয়েছেন আপনার পাশে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে এবং বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন এখনই।
#yashfeen_psych
1 997
খুব নিরিবিলি একটা জায়গায় বসুন , যেখানে শব্দ কম, আপনাকে বিরক্ত করার মত কেউ নাই, ফোন সাইলেন্ট করুন।
.
চোখ বন্ধ করুন, শরীরকে রিলাক্স করে দিন , আপনার জীবনের আনন্দময় ও সুন্দর ঘটনা কল্পনার চোখে দেখুন। তৃপ্তি সহকারে দেখুন , যতক্ষণ ভালো লাগে। এবার মনে মনে বলুন " আমি আমাকে ভালোবাসি "। কমপক্ষে ২০ বার। চোখ খুলুন।
.
প্রতিদিন একবার করে প্র্যাকটিস করুন। আমাদের জীবনের আনন্দের, উচ্ছ্বাসের ,সুখের ও উপভোগের জন্য নিজেকে ভালোবাসার বিকল্প নাই। আজ থেকে নিজের আনন্দময় সময় গুলো উপভোগ করুন , নিজেকে ভালবাসুন।
1 997
📞 ফোনে কথা বলে পরামর্শ নিতে চাইলে , প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত 01712859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলতে পারবেন।
অথবা
📱 WhatsApp-এ পরামর্শ নিতে পারবেন ।
👉 01712-859950 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ আছে । আপনার বয়স, ঠিকানা, পেশা ও সমস্যা বিস্তারিত লিখে পাঠান, আপনার জন্য পরামর্শ দিয়ে দেবো । ভয়েস মেসেজ দিবেন না ।
⚠ সতর্কতা: কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে!
✅ আমাদের মোবাইল নাম্বার:
01972859950,
01712859950
এই নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন।
1 997
বিয়ে করার আগে আমাদের পরিষ্কার ধারণা করে নিতে হবে স্বাভাবিক যৌনক্রিয়া কাকে বলে।
যৌন ব্যাপারটা যদিও একেক জনের বেলায় একেক রকম হয়, তবু মোটামুটি ভাবে ধরে নেয়া যায়,
১) প্রথম প্রয়োজন দরকারের সময় লিঙ্গোদ্রেক হওয়া,
২) দ্বিতীয় যোনিপথে লিঙ্গের প্রবেশ,
৩) তৃতীয় এই অবস্থায় স্থায় লিঙ্গের কাঠিন্য না হারানো, এবং
৪) চতুর্থ সঙ্গিনীকে তৃপ্তি দেয়ার পক্ষে যথেষ্ট সময় বীর্যপাত না ঘটিয়ে কাজ চালু রাখা।
এই কয়টি প্রয়োজন পূরণ করতে পারলে যে-কোন পুরুষকে স্বাভাবিক বলা যায়।
কিন্তু শেষোক্ত প্রয়োজনের প্রশ্নে নানা রকম তারতম্য দেখা যায়। সঠিক কোন সময় নির্দেশ করা যায় না। কারণ যোনিপথে লিঙ্গ প্রবেশের আগে যদি সঙ্গিনীকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় যথেষ্ট পরিমাণে উত্তেজিত করে নেয়া যায় তাহলে খুব অল্প সময়ে চরমানন্দ দেয়া সম্ভব, কিন্তু ভগাঙ্কুর ও ভগাধার-লঘুকে যদি যথেষ্ট পরিমাণ খাতির যত্ন না করেই সঙ্গম শুরু করা যায় তাহলে তার চরমানন্দ লাভে প্রচুর বিলম্ব হতে পারে। তাই সময়টা সুনির্দিষ্ট ভাবে নির্দেশ করা সম্ভব নয়।
তবে মোটামুটি ভাবে পঞ্চাশ থেকে একশো বার আগু পিছু করা বা অন্য ভাষায় পাঁচ থেকে দশ মিনিট লিঙ্গ চালনা করতে পারাকে স্বাভাবিক বলা যায়।
কারও কারও ধারণা, দিনে দুইবার বা তিনবার বা আরও বেশি যে যত বার সঙ্গম করতে পারে সে তত বড় বীর। আবার কেউ কেউ খনার বচন আউড়ায়-মাসে এক বছরে বারো, তার কম যে যত পারো।
আধুনিক বিজ্ঞানীরা অনেক গবেষণার পর সিদ্ধান্তে পৌঁছেচেন, কারও জন্যে দিনে বা সপ্তাহে কতবার সঙ্গম করা স্বাভাবিক সেটা নির্ভর করে তার স্বাস্থ্য, পেশা, ব্যক্তিগত রুচি, সঙ্গিনীর প্রতি আকর্ষণ, বয়স ইত্যাদি নানান ব্যাপারের উপর। কাজেই যার যার স্বাভাবিক নিয়ম তার নিজেকেই আবিষ্কার করে নিতে হবে।
তবে এটুকু বলা যায়, সপ্তাহে দুই থেকে বারো বার পর্যন্ত সঙ্গম স্বাভাবিক। কোন কোন সপ্তাহে এর কম বা বেশিকে যদিও অস্বাভাবিক বলা ঠিক হবে না, তবে মোটামুটি ভাবে আমরা এটাকেই স্বাভাবিকতার মানদণ্ড হিসাবে গ্রহণ করতে পারি।
আর একটা ব্যাপার হচ্ছে একবার বীর্যপাত ঘটে যাবার পর আবার লিঙ্গোদ্রেক হতে কতক্ষণ সময় লাগা উচিত এ নিয়ে অনেক মতভেদ দেখা যায়। কার কত তাড়াতাড়ি দাঁড়ায় সে নিয়ে নানান রকম গাল-গল্প মেরে নিজের বীরত্ব প্রকাশ করতে চায় পুরুষ একে অপরের কাছে।
কেউ বলে এক ঘণ্টায় সে চার বার সঙ্গম করতে পারে, অপর জন বলে সে পারে সাত বার। ভাগ্য ভাল, কেউ বিশবার বলে না, কারণ তাহলে আবার সে অকাল বীর্যপাতের দলে পড়ে যাবে।।
আসলে একবার বীর্যপাতের পর আবার লিঙ্গোদ্রেক ব্যাপারটাও এক একজনের বেলায় এক এক রকম।
দুই মাস পূর্ণ বিরতির পর একজন চল্লিশ বছরের কম বয়স্ক পুরুষের প্রথম স্খলনের পাঁচ মিনিটের মধ্যে আবার লিঙ্গোদ্রেক হতে পারে। আবার যে লোক প্রতি রাতেই নিয়মিত সঙ্গম চর্চা করছে, তার বেলায় দ্বিতীয় উদ্রেক আধ ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় নিতে পারে।
কার কত আগে লিঙ্গোদ্রেক হয় সেটা এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার নয়, কারণ সবাই জানে, প্রথমটাই আসল, দ্বিতীয় বা তৃতীয় বারে প্রথম বারের মত আনন্দ হয় না। আর প্রথম বারেই যদি সঙ্গিনীকে তৃপ্তি দেয়া যায় তাহলে আর দ্বিতীয়, তৃতীয় বারের বড় একটা প্রয়োজন পড়ে না।
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
Gov. Registered Ayurvedic, Unani & Homoeopathic Physician, Ayurved Tirtha .
Counselor – Child, Parent, Couple , Family & Relationships Counseling
PG Certificate in Disability, Autism & Inclusive Education – University of Dhaka
Training in CBT for Depression – Department of Clinical Psychology, University of Dhaka
Training in Therapeutic Counselling – Department of Clinical Psychology,University of Dhaka
PGD in Applied Psychology – Western State University, California, USA (Currently Enrolled)
B.Ed, M.Ed
BA (Hons), MA – Jahangirnagar University
🟩 যেসব পেশাগত সেবা প্রদান করা হয়:
★ প্রাপ্তবয়স্কদের যৌন সমস্যা ও শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য ও সম্পর্ক বিষয়ক পরামর্শ।
★ শিশুর আচরণগত সমস্যা (Behavioral Issues) ও চাইল্ড কাউন্সেলিং
★ প্যারেন্ট কাউন্সেলিং (Parenting Guidance & Support)
★ কাপল কাউন্সেলিং ও ম্যারিটাল ইস্যু ম্যানেজমেন্ট
★ কিশোর-কিশোরীর বয়ঃসন্ধিকালীন সমস্যা ও যৌনশিক্ষা পরামর্শ
★ স্ট্রেস, ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি ম্যানেজমেন্ট (CBT-ভিত্তিক গাইডেন্স)
★শিশুদের শেখার সমস্যা (Learning Difficulty), ADHD, Autism–সম্পর্কিত অভিভাবক নির্দেশনা
★বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ইনক্লুসিভ এডুকেশন ও বিহেভিয়ার ম্যানেজমেন্ট গাইডেন্স
★ প্রাকৃতিক চিকিৎসা ও হোমিও/ইউনানী/আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা।
1 997
বিয়ে এমন এক যাত্রা, যেখানে শুধু দুটি মানুষ হাত ধরে না—দুটি নিয়তি এক পথে হাঁটা শুরু করে। আর সেই পথ আলোকিত হয় তখনই, যখন ঘরের ভিতরে থাকে জ্ঞান, বিনয় আর আল্লাহর ভয়।
তাই আমি সবসময় একটা কথাই বলি—জীবনসঙ্গী নির্বাচন হৃদয়ের আবেগে নয়, আত্মার বোধে করতে হয়। এমন নারীকেই বিয়ে করুন যিনি জ্ঞানকে ধারণ করেন; কারণ জ্ঞানী নারী কখনো ঘর ভাঙে না—সে ঘর গড়ে। তার কথায় থাকে নরমত্ব, আচরণে থাকে পরিপক্বতা, আর সংকটে থাকে দিকনির্দেশনা।
আর যদি এমন কাউকে না পান—তাহলে খুঁজুন এমন নারী, যিনি জ্ঞানকে ভালোবাসেন। যে শেখার আগ্রহ রাখে, যে নিজের ভুল বুঝে সংশোধনে প্রস্তুত—তার সাথে জীবন যেমনই শুরু হোক, শেষটা হয় শান্তির দিকেই।
কিন্তু যদি সেখানেও কাউকে না পান—তাহলে অন্তত এমন নারীকে বেছে নিন, যিনি আপনাকে জ্ঞান অর্জনে ঠেকাবেন না, বরং আপনার সাথে পথ চলতে চাইবেন। কারণ দাম্পত্য শুধু বাসা ভাগাভাগি নয়—এটা আল্লাহর দিকে একসাথে এগোনোর রোমাঞ্চকর যাত্রা।
যে ঘরে জ্ঞান, তাকওয়া আর পরস্পরের সহায়তা থাকে—সেই ঘরে ঝগড়া নয়, রহমত নেমে আসে। সেই ঘরেই দুনিয়ার অশান্তির মাঝেও মানুষ জান্নাতের স্বাদ পায়।
মুল — শায়খ উমর বিন হাফিজ হাফিযাহুল্লাহ
অনুবাদ ও সংকলন — ইকরাম হোসাইন
#Ekramcreation
1 997
(বিঃদ্রঃ স্কিনশটটা একটা বড় ফার্টিলিটি গ্রুপ থেকে আমার নিজের নেওয়া। দীর্ঘদিন যাবত এসব বিষয়ে নজরদারি করছি।)
1 997
এখন আসেন যদি পুরুষের শুক্রাণু না থাকে, Azoospermia থাকে এবং এটা যদি রিপিটেড অর্থাৎ কয়েকবার টেস্টের পর কনফার্ম হয় যে, অবশ্যই আপনার Azoospermia এবং একটি শুক্রাণুও নেই এবং সেটা হচ্ছে Non obstructive Azoospermia মানে হচ্ছে আপনার কোন শুক্রাণু তৈরি হচ্ছে না। কারণ আপনারা জানেন যে Obstructive Azoospermia এর ক্ষেত্রে আমরা ivf করে আপনার নিজের বেবিটাই দিতে পারি এবং দিচ্ছি। এখন যদি আপনার Non Obstructive Azoospermia হয় কোন শুক্রাণু তৈরিই হচ্ছে না, সেক্ষেত্রে আপনি কি করবেন? সেক্ষেত্রে আপনি ডোনারের কাছ থেকে শুক্রাণুটা ধার করবেন অন্য কারো কাছ থেকে, সেটাই ডোনার। সেই শুক্রাণুটা দিয়ে আমরা কিন্তু ivf না করেও করতে পারি, মানে iui করতে পারি। অর্থাৎ একজনের কাছ থেকে শুক্রাণু নিয়ে আমরা আরেকজনের ওয়াইফের জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করবো iui পদ্ধতির মাধ্যমে। আর যদি ivf করি তাহলে আমরা আরেকজনের শুক্রাণুটা নিয়ে ডিম্বাণু এবং শুক্রাণু মিলন করবো ল্যাবের মধ্যে এবং তার ফলশ্রুতিতে যে বাচ্চাটা তৈরি হবে সেই বাচ্চাটা আমরা প্রতিস্থাপিত করবো ওয়াইফের গর্ভে। তো এই ক্ষেত্রে যেটা হচ্ছে যে, যেকোনো একটি শুক্রাণু বা ডিম্বাণু আমরা অন্য একজন তৃতীয় ব্যক্তির কাছ থেকে নিচ্ছি এবং এটাই হচ্ছে ডোনার। তো সেই ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে, আমাদের ল'তে সুস্পষ্টভাবে কোথাও সেভাবে নেই এবং আমাদের ইসলামিক কান্ট্রি সেই হিসেবে আমি যতটুকু জানি এই জিনিসটা সঠিকভাবে বোধহয় করা যায় না। আমার জানার ভুল থাকতে পারে আপনারা আমার চেয়ে ভালো জানেন হয়তো তবে নীতিগত দিক থেকে আমার মনে হয় এর থেকে একটা দত্তক নেওয়াটাও ভালো। যদিও এটা আমার মতামত, আপনার ভিন্নমত থাকতেই পারে।
এই জিনিসটা আমার বলার কারণ হচ্ছে, আমি যখন একটা ভিডিও দিই ভিডিওর নিচে অনেকে কমেন্ট করেন ivf ডোনার, শুক্রাণু ডোনারই বেশি পাওয়া যায় আমাদের দেশে, ডিম্বাণু দিচ্ছে এরকম মেয়ে আসলে খুবই কম পাওয়া যায় যতটুকু আমার স্বল্পজ্ঞানে জানা রয়েছে। এই ধরনের কেসগুলি আসলে আমি ডিল করি না। আমি আপনাদের যদি কোন সম্ভাবনা থাকে বিন্দুমাত্র সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাই iui, ivf এর মাধ্যমে, আমরা আপনার নিজের বাচ্চা দেওয়ার চেষ্টা করি।❞
এই হচ্ছে ডাক্তার ম্যাডামের বক্তব্য। একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবেন তার বক্তব্যের মাঝে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ডোনারের মাধ্যমে চিকিৎসা না করলেও বাকিরা যারা করছেন বা করেন তাদের বিষয়ে তার কোন আপত্তি নেই। আবার আমাদের দেশে যে প্রচুর পরিমাণে স্পার্ম ডোনার পাওয়া যাচ্ছে, পাশাপাশি সীমিত সংখ্যক এগ ডোনার (ডিম্বাণু) পাওয়া গেছে সেটাও তিনি জানেন। তাহলে ভেবে দেখুন এগুলো যদি বাংলাদেশে না-ই হতো তাহলে নিশ্চয়ই এত কনফিডেন্সের সহিত ঢামেকের গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কথাগুলো বলতেন না। যাহোক সর্বশেষ ম্যাডাম যে কথাটি বলেছেন এভাবে বাচ্চা না নিয়ে একটা বাচ্চা দত্তক নেওয়াটা ভালো। তিনি একজন হিন্দু হয়েও যেটা উপলব্ধি করতে পেরেছেন সেটা আমাদের মুসলমান অনেক দম্পতি উপলব্ধি করতে পারেননি।
গত দুদিন আগে এই সম্পর্কে আমি যে পোস্ট করেছিলাম সেই পোস্টের নিচে একটা মেয়ে কমেন্ট করেছিল, স্বামী দেখতে অসুন্দর বলে স্বামীকে না জানিয়ে পরপুরুষের বীর্য নিয়ে বাচ্চা নিয়েছেন তার পরিচিত এক মহিলা এবং সেই বাচ্চাকে স্বামীর সন্তানের পরিচয়ে বড় করছেন (নাউজুবিল্লাহি মিন জালিক)। এখানে সেই মহিলার স্বামী সন্তান জন্মদানে অক্ষম ছিলেন না বরং দেখতে অসুন্দর ছিলেন।
দুই দিনের দুনিয়ার জন্য মানুষ কীভাবে তাদের চিরস্থায়ী আখিরাতকে বরবাদ করছে চোখের সামনে এগুলো দেখে শিহরিত আমি। এখন যে যেনার কতপ্রকার আধুনিক সংস্করণ বের হয়েছে তা এসব না দেখলে কখনো বুঝতেই পারতাম না। মানুষ এখন আর যেনাকে যেনা মনে করে না বরং যেনাকে নিজেদের অর্জন মনে করে গর্ব করে।
মনে রাখবেন, স্বাভাবিকভাবেই যদি স্বামী-স্ত্রীর গর্ভধারণ সম্ভব না হয় তাহলে চিকিৎসার মাধ্যমে স্বামীর স্পার্ম এবং স্ত্রীর এগ নিয়ে আইভিএফ করার অনুমোদন শরীয়তে জায়েজ। এর বাইরে পরপুরুষ কিংবা পরনারীর থেকে স্পার্ম কিংবা এগ নিয়ে সন্তান নেওয়া নাজায়েজ, হারাম।
এবার আরেকটা বিষয়ে আসি, অনেকে আবার আমার এই পোস্ট দেখে কমেন্টে বলবেন এগুলো গুজব, ভুয়া! তাদেরকে বলি এই বিষয়টার সত্যতা আমি ঢাকার একটা প্রাইভেট ফার্টিলিটি সেন্টারের কম্পাউন্ডারের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি। সেই সেন্টারে এলিট শ্রেণীর জন্য টাকার বিনিময়ে সারোগেসি করার সিস্টেমও রয়েছে। আপনারাও গোপনে যাচাই-বাছাই করে দেখতে পারেন।
আমি একটা কথা ভেবে অবাক হই, নিজের বৈধ গর্ভের সন্তান পর্যন্ত নিজের বাবা-মায়ের সেবা করে না, দেখাশোনা করে না, বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসে, সেখানে নিঃসন্তান এই দম্পতিগুলো আরেকজনের অবৈধ সন্তান গর্ভে ধারণ করতে চায় কী বুঝে?
যাই হোক, আল্লাহ আমাদের সবাইকে এসব নিকৃষ্ট হারাম থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুক। আল্লাহর ফায়সালার প্রতি সন্তুষ্ট থাকার তাওফিক দান করুক। মুসলিম উম্মাহকে এসব জঘন্য, নিকৃষ্ট হারাম থেকে হেফাজত করুক। আমীন।
1 997
স্বেচ্ছায় জারজ সন্তান জন্মানোর নোংরা প্রতিযোগিতা এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা
দুনিয়াতে জারজ সন্তান কীভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এটা তার একটা নমুনা মাত্র। বর্তমান জেনারেশনে বন্ধ্যাত্ব বেড়েই চলেছে, এর পিছনে সবচেয়ে বেশি দায়ী হচ্ছে দেরিতে বিয়ে করা, এরপর রয়েছে অনিয়ন্ত্রিত লাইফস্টাইল, অতিরিক্ত রাত জাগা, ডিভাইস ব্যবহার করা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস। পাশাপাশি বিবাহবহির্ভূতভাবে গর্ভপাত, বিয়ের পরে জন্মনিরোধক পিল বা ইনজেকশন ব্যবহার সহ আরো অনেক বিষয় রয়েছে।
নিঃসন্তান দম্পতিরা একটা সন্তানের আশায় হালাল-হারামের কোন পরোয়া করেন না। এই বিষয়ে আমি ইতিপূর্বেও একটা পোস্ট করেছিলাম। তাদেরকে ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে কাউন্সিলিং করতে গেলে উল্টো আপনাকে অপমান-অপদস্থ হতে হবে।
যেহেতু হাসপাতালের মাধ্যমে অন্য পুরুষের বীর্য এবং অন্য মহিলার এগ নিয়ে ভ্রুণ তৈরি করা হয়, তাই অনেকে বিষয়টা খুবই সহজভাবে নিচ্ছেন অথচ এটি জঘন্য পর্যায়ের হারাম। আরেকটা বিষয় হলো অনেকটা গোপনীয়তার সহিত এটা করা হয় ফলে দিন দিন এর পরিমাণ বেড়েই চলেছে।
ভারতের বিভিন্ন ফার্টিলিটি সেন্টার, আইভিএফ সেন্টারে স্বামী বাদে পরপুরুষের স্পার্ম ডোনার বৈধ, একই সাথে নিজ স্ত্রী বাদে অন্য মহিলার এগ নিয়ে ভ্রুণ প্রতিস্থাপনও আইনগতভাবে বৈধ। বাংলাদেশে যদিও আইনগতভাবে এগুলো নিষিদ্ধ তথাপি স্কিনশটের গ্রুপের মাধ্যমে বেশ কয়েকটা ফার্টিলিটি সেন্টারের নাম জানতে পারলাম যেখানে স্বামীর শুক্রাণু বাদে অন্যের শুক্রাণু দিয়ে iui করা হয়, যেহেতু iui করা হয় ডোনার দ্বারা সেহেতু IVF ও ডোনার দ্বারা করা হচ্ছে। এই বিষয়টা অবশ্যই সিক্রেটলি হ্যান্ডেল করা হচ্ছে।
প্রমাণস্বরূপ দুইটি ঘটনা উল্লেখ করছি। যাতে স্পষ্ট ধারণা পাবেন বাংলাদেশেও iui, ivf এর মতো চিকিৎসার মাধ্যমে জারজ সন্তান পয়দা করার কাজগুলো দেদারসে চলছে।
ধানমন্ডি পপুলারের আইভিএফ স্পেশালিষ্ট এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি এবং ইনফার্টিলিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক একজন ডাক্তার ম্যাডাম, একবার তার পেজের একটা পোস্টে ডোনারের মাধ্যমে iui এর কথা লিখেছিলেন। আমি আমার অজ্ঞাতনামা বিকল্প আইডি দিয়ে তার সেই পোস্টে কমেন্ট করেছিলাম, ডোনারের মাধ্যমে কি তাহলে iui করা হয়? প্রশ্নটা তাকে বিব্রত করেছিল। তিনি হয়তো বুঝতেও পারেননি বিষয়টা এভাবেও কেউ চিন্তা করবে! যাই হোক সেই কমেন্ট থেকে তিনি আমাকে ইনবক্স করে জানান, ডোনারের মাধ্যমে iui করা হয় না। তখনকার পর্যন্ত কথা এই পর্যন্ত ছিল।
গত কয়েকদিন আগে আমি সেই ম্যাডামের একটা ভিডিওতে আবারও প্রশ্ন করে জানতে চাই, ডোনারের মাধ্যমে iui, ivf করেন কি? হাজবেন্ড-ওয়াইফের সম্মতি থাকলে? তিনি আমার এই প্রশ্নের একটা ৫ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের একটা রিপ্লাই ভিডিও দেন। সেই ভিভিওতে তিনি যা বলেছেন আমি হুবহু সেটা তুলে ধরছি -
❝আমি বাংলাদেশের একজন আইভিএফ স্পেশালিষ্ট। আমি বাংলাদেশের নিয়মানুযায়ী চিকিৎসা করি, বাংলাদেশের আইন মেনে চিকিৎসা করি এবং আমাকে সেটা করতে হয়। তারপরও হচ্ছে যে, আমার ব্যক্তিগত দিক থেকে কিছু ব্যাপার থাকে সব মিলিয়ে আমি ডোনারের মাধ্যমে iui, ivf করি না। যদিও আমি প্রসেসটা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবহিত আছি। কারণ আমি সব সময় চেষ্টা করি আমার আইন মেনে, আমার ল' মেনে, আমার জ্ঞানটাকে কাজে লাগানোর জন্য। অন্য কে, কী করছে তা আমার দিক থেকে কোন সমস্যা বা কোনধরনের অবলিগেশন নেই। আপনারা আপনাদের পছন্দ মতো চিকিৎসা পদ্ধতি নিতেই পারেন তবে আমি আমার বাংলাদেশের আইনানুযায়ী যতটুকু দেওয়া সম্ভব ততটুকু দিতে চেষ্টা করি।
এখন আসুন জানি, ডোনারের মাধ্যমে যে, iui, ivf করা হয় সেটা আসলে কি জিনিস? ডোনার কিন্তু দুই পক্ষেরই লাগতে পারে। মানে মনে করেন একজন মহিলার ডিম্বাণু সংখ্যা খুবই কম বা ডিম্বাণু নেই তাহলে উনি যখন কনসিভ করতে চাইবেন সেটা আমরা ivf করি বা iui করি, আমি কিন্তু যখন ivf করতে চাইবো যে মহিলার ডিম্বাণু নেই তার ক্ষেত্রে আমি শুধু Ivf ই করতে পারবো। আর ivf করে যে অল্প বয়সী মেয়ের ডিম কোয়ালিটি ভালো আছে, সেই কোয়ালিটির ডিম্বাণু আমি সংগ্রহ করবো এবং তার হাজবেন্ডের শুক্রাণুর সঙ্গে মিলিত করে ফার্টিলাইজেশন করে বাচ্চাটা তৈরি করবো। এরপরে দুটো ঘটনা ঘটতে পারে। একটা হলো, যেই মহিলার ডিম্বাণু নিলাম সেই মহিলার জরায়ুতে প্রতিস্থাপিত করতে পারি অথবা যিনি ওয়াইফ আছেন তার জরায়ুতে প্রতিস্থাপিত করতে পারি সেটা হচ্ছে আবার আরেকটি বিষয়। এখন আমরা যদি হচ্ছে ডোনার ওসাইড মানে হচ্ছে যে মহিলার থেকে আমরা ডিমটা ধার করে থাকি তাহলে আপনাকে অবশ্যই ivf এর মাধ্যমে বাচ্চা কনসিভ করে সেখানে যেতে হবে এবং পরবর্তীতে ভ্রুণটা ওয়াইফের জরায়ুতে দিবেন নাকি অন্য কারো জরায়ুতে প্রতিস্থাপিত করবেন সেটাও ডিপেন্ড করছে ওয়াইফের জরায়ুর উপর ভিত্তি করে।
1 997
আপনি কি জানেন, প্রসব দ্রুত ও সহজ করতে প্রসবব্যথার সময় কি কি করতে হবে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা এসেছে কুরআনে?
আধুনিক বিজ্ঞান যে বিষয় গুলো এখন প্রাক্টিস করতে বলছে সেগুলো চৌদ্দশ বছর আগেই আল্লাহ আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন। সূরা মারইয়ামের ২৫ ও ২৬ নম্বর আয়াতে এসেছে–
২৫. আর তুমি তোমার দিকে খেজুর গাছের কাণ্ড ধরে নাড়া দাও, তাহলে তা তোমার উপর পাকা, টাটকা খেজুর ঝরিয়ে দেবে।
২৬. সুতরাং তুমি খাও, পান করো এবং চোখ জুড়াও। আর যদি তুমি কোনো মানুষকে দেখতে পাও, তবে বলবে, 'আমি দয়াময়ের জন্য রোজা মানত করেছি। কাজেই আজ আমি কিছুতেই কোনো মানুষের সাথে কথা বলব না।'
👉 দেখুন, আল্লাহ এখানে মা মাইয়াম আঃ কে তার প্রসবব্যথার সময় কি বলছেন “তুমি খেজুর গাছের কাণ্ড ধরে নাড়া দাও”। আমরা কুআন থেকেই জেনেছি মারইয়াম আঃ এমন একজন মহীয়সী নারী যাকে ফেরেস্তারা বেহেশত থেকে ফল দিয়ে যেত।
যে আল্লাহ এমনি সময়ে ফেরেশতা দিয়ে কোনো কষ্ট ছাড়াই ফল পাঠাতেন, সেই আল্লাহ কেন প্রসবব্যথার মত এতো কষ্টদায়ক একটা সময়ে নিজে কাণ্ড ধরে ঝাঁকি দিয়ে খেজুর পেড়ে খেতে বলেছেন? আল্লাহ তো চাইলেই তার সামনে খেজুরের দস্তরখান পাঠাতে পারতেন।
এখানেই রয়েছে হিকমাহ। আল্লাহ আসলে মারইয়াম আঃ কে প্রসবব্যাথার এক্টিভ থাকতে বলেছেন। ওই সময় শরীরকে নাড়াতে বলেছেন। মুভমেন্ট করতে বলেছেন।
এখন যখন আমরা প্রাকৃতিক প্রসব নিয়ে কাজ করি, আমরা মায়েদের প্রসবব্যথার সময় এক্টিভ থাকতে বলি। হাটাহাটি করতে বলি, মুভমেন্ট করতে বলি। এর কিন্তু অনেক উপকারিতা রয়েছে। যেমন–
▪️গবেষণায় এসেছে প্রসবব্যথার সময় হাটাহাটি করলে তা ২৮% পর্যন্ত দ্রুত প্রসব ঘটাতে সাহায্য করে। যেসব মায়েরা প্রসবব্যথার সময় হাটাহাটি এবং মুভমেন্ট করে তাদের প্রসব সহজ এবং দ্রুত হয়। তাছাড়া সচল থাকা প্রসবব্যথার প্রাথমিক ধাপকে গড়ে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট পর্যন্ত কমাতে পারে।
▪️রবার্টস, মেন্ডেজ-বাউয়ার এবং উডেল (Roberts, Mendez-Bauer, & Wodell, 1983) সহ অনেক গবেষক দেখিয়েছেন যে, প্রসবব্যথার সময় মুভমেন্ট করলে জরায়ু পেশী আরো দক্ষতার সাথে কাজ করে।
▪️সিমকিন ও আঞ্চেটা (Simkin & Ancheta, 2005) বলেছেন যে, ঘন ঘন পজিশন পরিবর্তন করা শ্রোণিচক্রের হাড়গুলোকে (পেলভিস) নাড়িয়ে শিশুকে প্রসব পথে সঠিক জায়গা খুঁজে পেতে সাহায্য করে।
বিভিন্ন পজিশনে নড়াচড়া ও পরিবর্তন (যেমন হাঁটা, স্কোয়াটিং, চার হাত-পায়ে থাকা) শ্রোণিচক্রের (Pelvis) আকার ও আকৃতি পরিবর্তন করে, যা শিশুকে প্রসব পথে সঠিক অবস্থানে আসতে এবং জায়গা করে নিতে সাহায্য করে।
▪️এমআরআই (MRI) প্রমাণে দেখা গেছে, স্কোয়াটিং বা হাঁটু গেড়ে থাকলে পেলভিসের আউটলেট আরও চওড়া হয়।
▪️ব্যথা উপশম - হাঁটাহাঁটি ও মুভমেন্ট ব্যথার তীব্রতা কম অনুভব করতে সাহায্য করে। এটি একটি কার্যকর প্রাকৃতিক pain coping strategy। এসময় শরীর এন্ডোরফিন (Endorphins) নামক প্রাকৃতিক ব্যথা উপশমকারী হরমোন নিঃসরণ করে।
▪️সক্রিয় থাকলে চিকিৎসা সংক্রান্ত হস্তক্ষেপ, যেমন সিজারিয়ান ডেলিভারি বা যন্ত্রের সাহায্যে প্রসবের (Assisted Birth) প্রয়োজনীয়তা কমে যায়। গবেষণায় সক্রিয় মায়েদের ক্ষেত্রে কম হস্তক্ষেপের হার লক্ষ্য করা গিয়েছে।
▪️মানসিক নিয়ন্ত্রণ ও সন্তুষ্টি - প্রসবের সময় নিজের পছন্দমতো নড়াচড়া ও অবস্থান পরিবর্তনের স্বাধীনতা থাকলে প্রসূতি মায়েরা বেশি নিয়ন্ত্রণ ও আত্মবিশ্বাস অনুভব করেন। এটি সামগ্রিকভাবে প্রসবের অভিজ্ঞতাকে আরও ইতিবাচক করে তোলে। সক্রিয় থাকার মাধ্যমে প্রসূতিরা তাদের প্রসবের অভিজ্ঞতা নিয়ে বেশি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
▪️রক্ত সঞ্চালন ও অক্সিজেন সরবরাহ - সক্রিয়তা রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, যা শিশুর কাছে অক্সিজেনের সরবরাহ বজায় রাখতে সাহায্য করে। শুয়ে থাকলে ধমনীর ওপর চাপ পড়তে পারে, যা শিশুর কাছে অক্সিজেন সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
👉 এখন দ্বিতীয় বিষয়টি খেয়াল করুন। কেউ যদি কোনো গাছের কান্ড ধরে ঝাঁকি দিয়ে ফল পাড়তে চায় তাকে অবশ্যই আপ-রাইট কোনো পজিশনে গাছ ঝাঁকি দিতে হবে। শুয়ে শুয়ে তো আর গাছ ঝাঁকি দিয়ে ফল পাড়া যায় না।
এখানেই আসে প্রসবব্যথার সময় আপ-রাইট পজিশনে থাকার হিকমাহ…………
চলবে…..
(১ম পর্ব)
✍️ রেজওয়ানা রাজ্জাক
সার্টিফাইড চাইল্ডবার্থ এডুকেটর এন্ড দৌলা
#cbe_rejuana_razzak #doula_rejuana_razzak #Pregnancy #motherhood #labor #birth #delivery #Quran #quranquotes #mariam
1 997
ইবন সিনা, দুটি মেষশাবককে আলাদা খাঁচায় রাখেন। দু’টি মেষশাবকের বয়স ও ওজন ছিল সমান, এবং তাদের একই ধরনের খাবার দেওয়া হতো। সব শর্তই ছিল এক। তবে তিনি তৃতীয় খাঁচায় একটি নেকড়ে রাখেন। শুধু একটি মেষশাবক নেকড়েটিকে দেখতে পেত, অন্যটি নয়।
কয়েক মাস পর যে মেষশাবকটি নেকড়েকে দেখত, সেটি হয়ে ওঠে বিরক্ত, অস্থির, ধীরে বেড়ে উঠছিল এবং ওজন হারাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সে মারা যায়। কিন্তু যে মেষশাবকটি নেকড়েকে দেখত না, সেটি শান্ত ছিল, ভালোভাবে বেড়ে ওঠে এবং সুস্থভাবে ওজন বৃদ্ধি পায়।
নেকড়ে মেষশাবকটিকে কিছুই করেনি, তবুও শুধু ভয় ও মানসিক চাপ তার অকাল মৃত্যু ডেকে আনে। আর যে মেষশাবক ভয়মুক্ত ছিল, সে সুস্থভাবে বেঁচে থাকে।
এই পরীক্ষার মাধ্যমে ইবন সিনা মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। অযথা দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগে নিজেকে কষ্ট দেবেন না।
সূত্র: Avicenna, Concerning the Soul, in F. Rahman, Avicenna's Psychology: An English Translation of Kitab Al-Najat.
1 997
+1
ঢাকা শহরে চিকিৎসা করানো অনেক খরচান্ত ব্যাপার।
ডাক্তারের ভিজিট ১,০০০/১,৫০০/২,০০০ টাকা এখন সাধারণ ব্যাপার।
এরপরে আছে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা। সেগুলোর গলাকাটা চার্জ।
তারপর রিপোর্ট দেখাতে গেলে আবার দাও ভিজিট।
এর সাথে আছে হয়রানি, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
যেই ডাক্তারের ভিজিট যতো বেশি, তার কাছে ততো বেশি ভীড়।
বিখ্যাত ডাক্তারের সিরিয়াল পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।
এমনও ডাক্তার আছেন, যার আগামী ছয় মাসের সব স্লট বুক। আজকে সিরিয়াল দিলে ছয় মাস পর দেখানো যাবে।
.
.
.
আমি একটা তাজ্জব হবার মতো খবর দিই আপনাদের:
বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর-পূর্ব গেটে আছে ইসলামিক মিশন ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার।
এখানে বিশেষজ্ঞ এলোপ্যাথি ডাক্তারের ভিজিট ১০ টাকা!
হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের ভিজিট ৫ টাকা!!
এখানে বিভিন্ন টেস্ট করা যায় অন্য যেকোনো জায়গার অর্ধেক দামে!
আর, এখানে সিরিয়াল কিংবা ভীড় নেই!! ডাক্তার আর টেকনিশিয়ানরা মশা-মাছি মারেন।
.
.
.
যাবেন নাকি, ইসলামিক মিশন ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারে চিকিৎসা সেবা নিতে?
1 997
আমিও র'ক্তে-মাং'সে গড়া মানুষ। আমারও শখ-আহ্লাদ রয়েছে। তবে, অন্যদের মতো দামী বাইক কিংবা গাড়ি কেনার শখ আমি রাখি না! আমার সামর্থ্য হলে আমি সাদা রঙের একটি ঘোড়া খরিদ করবো, সাথে দুই মাথা বিশিষ্ট ত'লো'য়া'র (এটা আমার ব্যক্তিগত ইচ্ছা)। অতঃপর ডাক পড়লেই কোনরকম চিন্তা-ভাবনা ছাড়া নেমে পড়বো। শুধু আমিই নই! আমার মত হাজারো রয়েছে, যারা খিলাফতে ইসলামিয়ার স্বপ্ন দেখে।
ইনশা আল্লাহ্, সেইদিন বেশি দূরে নয়।
بسم الله الرحمن الرحيم
وَكَانَ حَقًّا عَلَيْنَا نَصْرُ الْمُؤْمِنِينَ
মুমিনদের সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।
(সূরা আর-রুম, আয়াত: ৪৭)
#khilaafahwillriseagain ☝️
#ibnularabitabib #saiyedtabib
© Ibnul Arabi Tabib
1 997
শারীরিক সম্পর্ক বা সেক্সে একদমই আগ্রহ নেই, সেক্সের সময় লিবিডো কম বা ড্রাইনেস এর সমস্যা, সেক্সের পরে বার্নিং সেনসেশন বা জ্বালাপোড়া হওয়া এখন বিবাহিত মেয়েদের খুব কমন সমস্যা।
আমি অনেক পেশেন্ট পাই যারা এই ধরনের কমপ্লেইন করেন আমাকে। যে আপু আমার তো ডিজায়ার একেবারেই কম, কোনরকম আগ্রহ ফিল করি না। লজ্জায় অনেকে পার্টনারকে বলতে পারেন না এমনকি অনেক সময় পার্টনার বা ডাক্তার কি ভাববে সেই ভয়েও অনেকে এটা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে ভয় এবং লজ্জা দুটোই পেয়ে থাকেন। অনেক খুচিয়ে তাদের থেকে এই সব সমস্যার কথা শুনি৷
আজকে এই ব্যাপার টা নিয়েই কথা বলবো।
Hypoactive sexual desire disorder(HSDD) খুবই কমন একটা সমস্যা যেটা মেয়েদের সেক্স ড্রাইভকে কমিয়ে দেয়। অনেক সময় আমরা শারিরীক অনেক চেইঞ্জের কারনে এটা বুঝতে পারি না। HSDD এর কিছু সিম্পটমস আছে৷ তার মধ্যে কমন সিম্পটমস গুলো আমি অলরেডি উপরে বলেছি৷
১)সেক্সের প্রতি একদমই কম ইন্টারেস্ট থাকা বা ইন্টারেস্ট না থাকা।
২) কোন সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসি কাজ না করা।
৩) নিজে থেকে কখনো ডিজায়ার ফিল না করা।
৪) সেক্সের সময়ে কোন প্লেজার ফিল না করা।
৫) সেক্স ড্রাইভ ধীরে ধীরে কমতে থাকা।
৬) পার্টনারের প্রতি কোন সেক্সুয়াল এট্রাকশন ফিল না করা।
-কেন হয় HSDD??
HSDD অনেক কারনে হতে পারে। এগুলোর মধ্যে -
১) ইনসুলিন রেসিস্টেন্স বা ডায়াবেটিস।
২) থাইরয়েড ইস্যু
৩) আর্থ্রাইটিস
৪) বডিতে এস্ট্রোজেন হরমোন কমে যাওয়া, প্রোল্যাকটিন বেড়ে যাওয়া।
৫) পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম বা পিসিওএস
৬) প্রেগন্যান্সির সময়ের বা ডেলিভারি পরবর্তী হরমোনের পরিবর্তন
৭) কিছু মেডিকেশন( এন্টি ডিপ্রেসেন্ট, হাই ব্লাড প্রেশার এর মেডিসিন)
৮) ফ্যাটিগ বা অতিরিক্ত ওয়ার্কলোড
৯) এনজাইটি, ডিপ্রেশন, লো সেল্ফ এস্টিম
১০) চাইল্ডহুড ট্রমা
১১) পার্টনারকে ভরসা করতে না পারা বা মেন্টাল্লি এটাচড ফিল না করা।
HSDD অনেক সময়ই ফুল্লি কিউরেবল না হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লাইফস্টাইল মোডিফিকেশন করে অনেক বেশি উন্নতি করা যায়। বিশেষ করে যাদের বয়স কম। অনেক পেশেন্ট দের ক্ষেত্রেই দেখেছি তারা লাইফস্টাইল মোডিফিকেশন করে অনেক পজিটিভ চেইঞ্জ পেয়েছেন।
তবে HSDD ট্রীটমেন্ট করার আগে আপনাকে বুঝতে হবে এর পিছনের প্রধান কারনটা আসলে কি। পরবর্তী পোস্টে মেয়েদের সেক্স ড্রাইভ কিভাবে বাড়ানো যায় এটা নিয়ে পোস্ট লিখবো ইনশাআল্লাহ।
Sumya Shila
Nutritionist and Diet Consultant
KGN Medicare Limited, Dhanmondi, Dhaka
1 997
আমি এর আগে কখনও টিপিকাল বিকাশ স্ক্যামে পড়িনি। কিন্তু আজ অল্পের জন্য এক স্ক্যাম থেকে বেঁচে গেলাম। আর স্ক্যাম এর চেয়ে বড় কথা, এই ঘটনাটা আমাকে ভাবতে বাধ্য করেছে আমরা যে সো কল্ড এনক্রিপ্টেড অ্যাপস ব্যবহার করি এবং আমাদের পার্সোনাল বা প্রোফেশনাল জীবন সামাজিক মাধ্যমে যেভাবে শেয়ার করি, সেটা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
গত রাতে একটু তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, তাই আজ প্রায় ৭টার মধ্যেই ঘুম ভেঙে যায়। বিছানায় শুয়েই একটু scroll করছিলাম। হঠাৎ আমার বিজনেস WhatsApp এ একটা নাম্বার থেকে মেসেজ এলো, সঙ্গে একটা কল। নম্বরটা সেভ করা না থাকলেও কলার নেম এ আমার এক Coworker এর নাম ও তার ছবি দেখাচ্ছিল। রিসিভ করে সালাম দিয়েই কল কেটে দিল। ভাবলাম সকাল সকাল হয়তো বিরক্ত করতে চায়নি, তাই কেটে দিয়েছে।
তারপর মেসেজে সেই পরিচিত ব্যক্তির মতো করেই লিখল, "Vai, akta help lagto. Ammu k hospital e admit koraichi, kisu tk lagto bks a." আমি জানতাম যে উনার ammu মাঝে মাঝে অসুস্থ থাকেন। তাই সন্দেহ হয়নি। সরাসরি বললাম বিকাশ নম্বর দিতে এবং কত টাকা পাঠাতে হবে।
সে আরেকটা নম্বর দিল আর বলল ৫০০০ টাকা পাঠাতে। আমি ঠিক পাঠাতে যাব এমন সময় মনে হলো, আমরা তো সব লেনদেন করি ব্যাংকে। বিকাশে নিয়ে হঠাৎ ঝামেলায় গেল কেন এই মানুষটা? তাই WhatsApp এ তাকে কল দিলাম। সে আবার কেটে দিল। বলল, "ভাই, টাকা পাঠান. আমি পরে কথা বলছি." এখানেই শুরু হলো সন্দেহ।
সঙ্গে সঙ্গে Truecaller এ চেক করে দেখি নম্বরটা এবং যেই নম্বরে টাকা পাঠাতে বলেছে সেটাও স্ক্যামারের এর।
এখন মূল কথা হলো, বিকাশ স্ক্যাম তো খুবই প্রচলিত বিষয়। কিন্তু এখানে আমাকে অবাক করেছে কয়েকটা দিক।
১. স্ক্যামার রা এখন আমাদের সোশাল মিডিয়া থেকে ছবি নিয়ে স্ক্যামের কাজে ব্যবহার করছে।
২. তারা আমাদের ফোনের Contact list পর্যন্ত পেয়ে যাচ্ছে, যা সবচেয়ে ভয়ংকর।
৩. তারা যার নামে স্ক্যাম করবে তার ব্যক্তিগত জীবনে কাদের সাথে কেমন সম্পর্ক, কাদের সাথে উঠাবসা সেগুলোউ নজর রাখছে।
হয়তো কিছুদিন পর মানুষ এই স্ক্যাম গুলোকেও শনাক্ত করতে পারবে এবং তখন এই মাদারবোর্ড গুলো আরও নতুন আর আরও ভয়ংকর পদ্ধতি বের করবে।
সবাইকে সাবধানে থাকার অনুরোধ রইল।
1 997
দুনিয়াটা জারজ সন্তানে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে।
একটা সন্তানের আশায় মানুষ হালাল-হারামের পরোয়া করতেসে না। আল্লাহ ﷻ বলেন,
وَ لَا یَاۡتِیۡنَ بِبُہۡتَانٍ یَّفۡتَرِیۡنَہٗ بَیۡنَ اَیۡدِیۡہِنَّ وَ اَرۡجُلِہِنَّ
“(নারীরা) হাত-পায়ের মাঝখান থেকে মিথ্যা অপবাদ রচনা করো না।”
📚 [সূরা মুমতাহিনা (৬০) : আয়াতঃ ১২]
আয়াতটির অর্থ দুটি। তন্মধ্যে একটি হল- অন্যের ঔরসজাত সন্তানকে নিজ স্বামীর সন্তান বলে পরিচয় দেওয়া। জাহেলী যুগে কোন কোন নারী অন্যের সন্তানকে নিয়ে এসে বলত, এ আমার স্বামীর সন্তান অথবা ব্যভিচার করত এবং তাতে যে অবৈধ সন্তানের জন্ম হত, তাকে নিজ স্বামীর সন্তান বলে পরিচয় দিত।
হাদীসের মাঝে এসেছে -
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: "مَا بَعْدَ الشِّرْكِ ذَنْبٌ أَعْظَمُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ أَنْ يَضَعَ الرَّجُلُ نُطْفَتَهُ فِي رَحِمٍ لاَ يَحِلُّ لَهُ."
(المصدر: الورع لابن أبي الدنيا، حديث ضعيف)
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “শিরকের পরে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বড় গুনাহ হচ্ছে এমন কোন জরায়ুতে একফোটা বীর্য ফেলা, যা আল্লাহ তার জন্য হালাল করেননি।”
📚 (আল ওরাআ, ইবনু আবিদ্ দুনিয়া, হাদীস নং-৯৪; শামেলা)
সন্তানের বাবা কে তা একমাত্র স্ত্রীই বলতে পারবে! ইতিপূর্বে আমি কয়েকটা পোস্টের মাধ্যমে বলেছি স্বামী ব্যতীত ডোনারের স্পার্ম নিয়েও iui, ivf, icsi এর মতো চিকিৎসা হচ্ছে এবং এটা সিক্রেট রেখে। গতকাল ইবনে সিনা হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন কমেন্টের মাধ্যমে বললেন, ডোনারের সাথে ডিল করবেন সাবধানে, ডোনারের পরিচয় জানার চেষ্টা করবেন না!
কিছুক্ষণ আগেই স্কিনশটের এই মহিলার সাথে কথা হচ্ছিল, কাউন্সিলিং করছিলাম কেন তিনি সন্তানের জন্য জঘন্য হারামের দিকে যাবেন। বাকিটা স্কিনশটে দেখে নিন। ভারতের মতো এই দেশেও মহামারীর মতো iui, ivf এর আড়ালে এগুলো হচ্ছে।
এগুলো যদি আপনার মনে হয় ফেইক, ভুয়া, বানোয়াট, তাহলে স্কিপ করবেন আমার পোস্ট। প্রয়োজনে আনফলো করবেন, আনফ্রেন্ড করবেন, আই ডোন্ট মাইন্ড।
এক হাদীসে এসেছেঃ
عَنْ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ لَا تَزَالُ أُمَّتِي بِخَيْرٍ مَا لَمْ يَفْشُ فِيهِمْ وَلَدُ الزِّنَا فَإِذَا فَشَا فِيهِمْ وَلَدُ الزِّنَا فَيُوشِكُ أَنْ يَعُمَّهُمُ اللهُ ﷻ بِعِقَابٍ
নবীজী (ﷺ) এর বিবি হযরত মাইমুনা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবীজী (ﷺ) ইরশাদ করেছেন: আমার উম্মত থেকে কল্যাণ বন্ধ হবে না, যতক্ষণ না তাদের মাঝে জারজ সন্তান বেড়ে যায়। যখন তাদের মাঝে জারজ সন্তান বিস্তার লাভ করবে, তখন আল্লাহ ﷻ তাদেরকে ব্যাপক আযাবের সম্মুখীন করবেন।
📚 (মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২৬৮৩০, মু’জামুল কাবীর লিততাবারানী, হাদীস নং-৫৫)
এক আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া ﷻ বলেনঃ
وَ لِمَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهٖ جَنَّتٰنِ ﴿ۚ۴۶﴾
“আর যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্য রয়েছে দু'টি (জান্নাতে) বাগান।”
📚 [সূরা আর-রাহমান (৫৫) : আয়াতঃ ৪৬]
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া ﷻ আমাদের হেফাজত করুন। আমীন।
Endi mavjud! Telegram Tadqiqoti 2025 — yilning asosiy insaytlari 
