4 879
Obunachilar
-524 soatlar
-117 kunlar
-2530 kunlar
Postlar arxiv
4 879
❝রমজানের ক্বদরের রাতে যেমনিভাবে দুআ কবুল হয়, ঠিক তেমনি শুক্রবারের সূর্যাস্তের পূর্বক্ষণেও দুআ কবুল হয়।❞
✎ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহি.)
▧ [সূত্র : যাদুল মাআ'দ, ১/৩৯৮]
#Zahrah
4 879
রাসূল (ﷺ) বলেছেন — ❝জুমআর দিন তোমরা মিসওয়াক কর, গোসল কর ও সুগন্ধি লাগাও।❞
▧ মিশকাত হা/১৩৯৮, (‘ছালাত’ অধ্যায় : ৪)
❝বোনরাও সুগন্ধি লাগাতে পারবেন তবে ঘরে মাহরামের সামনে ইন শা আল্লাহ্❞#Zahrah
4 879
اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ✩
✦ উচ্চারণঃ আল্লহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ
✦ অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উপর আপনার রহমত ও শান্তি প্রেরণ করুন।
#Zahrah
4 879
বহুল কাঙ্খিত বরকতময় আর একটি জুমু'আহ আলহামদুলিল্লাহ... সুন্নাহময় হয়ে উঠুক প্রতিটি প্রাণ ইন শা আল্লাহ্ ⚘
✦ সূরা কাহাফ তিলাওয়াত
✦ অধিক পরিমাণে দুরূদ
✦ অধিক পরিমাণে ইস্তেগফার
✦ অধিক পরিমাণে দু'আ
✦ সাধ্যমত সাদাকা ইন শা আল্লাহ্
صَــــــــــــــــلَّی اللهُ عَلَيْـــــــــهِ وَ سَـــــــــــلَّمَ
#Zahrah
4 879
নিরাপদ বা প্রশান্ত অন্তর কী?ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেছেন, ❝নিরাপদ অন্তর (ক্বলবে সালীম) হলো সেই অন্তর যা শিরক, ঘৃণা, বিদ্বেষ, হিংসা, কৃপণতা, অহংকার এবং দুনিয়াপ্রীতি ও নেতৃত্বের মোহ থেকে মুক্ত।❞ ▧ আল-জওয়াব আল-কাফী, পৃ: ২১ ◍ সংগৃহীত #Zahrah
4 879
❑ গিবতের ভয়াবহতা এবং শাস্তির ব্যাপারে কুরআন ও হাদিসে বারবার সতর্ক করা হয়েছে। আসুন সেগুলো জানি এবং মেনে চলি।একদিন সাহাবি আমর ইবনুল আস (রা.) এবং তাঁর সাথীরা একসাথে কোথাও যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁরা একটি মৃত গাধা দেখতে পান, যেটি মরে পঁচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। আমর (রা.) গাধাটির দিকে ইশারা করে তাঁদের বলেন, ❛কোনো মুসলিম ভাইয়ের মাংস খাওয়ার চেয়ে এই গাধাটির মাংস খেয়ে পেট ভরা তোমাদের জন্য উত্তম।❜ [ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ, আল-মুসান্নাফ: ২৪৯৫০; বর্ণনাটির সনদ সহিহ] মূলত তিনি "গিবতের ভয়াবহতা" বুঝিয়েছেন। কুরআন মাজিদে গিবত করাকে "মৃত ভাইয়ের মাংস খাওয়ার" সাথে তুলনা করা হয়েছে। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন— وَلَا یَغۡتَبۡ بَّعۡضُکُمۡ بَعۡضًا ؕ اَیُحِبُّ اَحَدُکُمۡ اَنۡ یَّاۡکُلَ لَحۡمَ اَخِیۡهِ مَیۡتًا فَکَرِهۡتُمُوۡهُ ❝তোমরা একে অন্যের গিবত করবে না। তোমাদের কেউ কি নিজেদের মৃত ভাইয়ের মাংস খেতে পছন্দ করবে?❞ [সুরা আল হুজুরাত ১২] নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন — ❝মিরাজের রাতে আমি এমন এক সম্প্রদায়ের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলাম, যাদের নখগুলো তামার তৈরি আর তা দিয়ে তারা অনবরত তাদের মুখমণ্ডলে ও বুকে আঁচ*ড় মারছিলো। আমি বললাম, হে জিবরিল! এরা কারা?’’ তিনি বললেন, ‘‘এরা সেসব লোক, যারা মানুষের গোশত খেতো (গিবত করতো) এবং তাদের মানসম্মানে আঘা*ত হানতো।❞ [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ৪৮৭৮; হাদিসটি সহিহ] নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন — ❝অন্যায়ভাবে কোনো মুসলিমের মানসম্মানে হস্তক্ষেপ করা বৃহৎ সুদের অন্তর্ভুক্ত।❞ [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ৪৮৭৬; হাদিসটি সহিহ] রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন — ❝যদি কেউ (গিবত, গালি বা অপমান করে) কারো মর্যাদা নষ্ট করে অথবা অন্য কোনোভাবে কারো প্রতি জুলুম করে থাকে, তবে সে যেন কিয়ামতের পূর্বে আজই তার থেকে মুক্তি নিয়ে নেয়। কারণ সেই দিন কোনো দিনার-দিরহাম (অর্থের বিনিময়) থাকবে না। যদি তার নেক আমল থাকে, তবে তার জুলুমের পরিমাণ অনুসারে নেক আমল নিয়ে নেওয়া হবে (এবং মজলুমকে এর দ্বারা বদলা দেওয়া হবে)। আর যদি তার নেক আমল না থাকে, তবে তার সাথির (যার অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে) পাপ নিয়ে তার কাঁধে চাপানো হবে।❞ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ২৪৪৯] একদিন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবিদের প্রশ্ন করলেন, ❝তোমরা কি জানো, দেউলিয়া (নিঃস্ব) কে?’’ তাঁরা বললেন, ‘আমাদের মধ্যে দেউলিয়া হচ্ছে সেই ব্যক্তি, যার দিরহামও নেই, কোনো সম্পদও নেই।’ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘আমার উম্মাতের মধ্যে সেই ব্যক্তি হচ্ছে (প্রকৃত) দেউলিয়া, যে কিয়ামতের দিন (বহু) নামাজ, রোজা, জাকাত নিয়ে উপস্থিত হবে এবং এর সাথে (দুনিয়াতে) সে কাউকে গালি দিয়েছে, কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে, কারো সম্পদ আত্মসাৎ করেছে, কারো রক্ত প্রবাহিত (হত্যা) করেছে, কাউকে মারধর করেছে (সেসব অপরাধও নিয়ে আসবে)। সে তখন বসবে এবং তার নেক আমল হতে অমুক ব্যক্তি কিছু নিয়ে যাবে, তমুক ব্যক্তি কিছু নিয়ে যাবে। এভাবে সম্পূর্ণ বদলা (বিনিময়) নেওয়ার আগেই তার নেক আমল নিঃশেষ হয়ে গেলে তাদের গুনাহসমূহ তার উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। তারপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।❞ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৬৪৭৩] আপনি দুনিয়াতে তার মান-সম্মান যতটুকু নষ্ট করবেন, তার চেয়ে অনেক বেশি খেসারত দিতে হবে আখিরাতে। কারণ আখিরাতে কেবল নেকির মাধ্যমে বিনিময় হবে। আবু বাকরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুটি কবর অতিক্রম করার সময় বলেন, নিশ্চয়ই এই দুই কবরবাসীকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে এবং তাদেরকে কোনো কঠিন অপরাধের জন্য শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না। এদের একজনকে পেশাবের (অসতর্কতার) কারণে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে এবং অপরজনকে গিবত করার কারণে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। [ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ৩৪৯: হাদিসটি হাসান সহিহ] ❑ স*র্ব*না*শা গিবত (দ্বিতীয় পর্ব) ❑ প্রথম পর্ব প্রথম পর্বে বিস্তারিতভাবে গিবতের পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে। ◍ সংগৃহীত #Zahrah
4 879
اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ✩
✦ উচ্চারণঃ আল্লহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ
✦ অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উপর আপনার রহমত ও শান্তি প্রেরণ করুন।
#Zahrah
4 879
হযরত আবুদ দারদা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন—
❝যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে রক্ষা পাবে।❞ .... ❪সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮০৯❫
#Zahrah
4 879
বহুল কাঙ্খিত বরকতময় আর একটি জুম'আহ আলহামদুলিল্লাহ... সুন্নাহময় হয়ে উঠুক প্রতিটি প্রাণ ইন শা আল্লাহ্ ⚘
✦ সূরা কাহাফ তিলাওয়াত
✦ অধিক পরিমাণে দুরূদ
✦ অধিক পরিমাণে ইস্তেগফার
✦ অধিক পরিমাণে দু'আ
✦ সাধ্যমত সাদাকা ইন শা আল্লাহ্
صَــــــــــــــــلَّی اللهُ عَلَيْـــــــــهِ وَ سَـــــــــــلَّمَ
#Zahrah
4 879
❝নিশ্চয়ই কোনো যুবক যখন বেড়ে ওঠে, তখন সে যদি আলিমদের মজলিসে বসাকে প্রাধান্য দেয়, তবে সে (গোমরাহী ও ফিতনা থেকে) নিরাপত্তা পাওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছায়। আর সে যদি তাদের (আলিমদের) ছাড়া অন্য কারো দিকে ঝুঁকে পড়ে, তবে সে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়।❞
✎ ইমাম আমর বিন ক্বাইস [রাহ.]
✎ ইমাম ইবনু বাত্তাহ (রাহ.), আল ইবানাতুল কুবরা, হা: ৪৫]
◍ সংগৃহীত
#Zahrah
4 879
অধিকাংশ মানুষ গিবতের সংজ্ঞা জানে না। তারা অপবাদকে গিবত মনে করে। অথচ গিবত আর অপবাদ দুটো ভিন্ন জিনিস। না জানার কারণে প্রকৃত গিবতের গুনাহকে আর গুনাহই মনে হচ্ছে না। আজ আমরা গিবতের পরিচয় জানবো, ইনশাআল্লাহ।
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ❝তোমরা কি জান, গিবত কী?’’ তারা (সাহাবিগণ) বলেন, ‘‘আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভালো জানেন।’’ তিনি বলেন, ‘‘(গিবত হলো) তোমার (ঈমানদার) ভাইয়ের সম্পর্কে এমন কিছু বলা, যা সে অপছন্দ করে।’’ তাঁকে প্রশ্ন করা হলো, ‘‘আমি যা বলছি, তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে পাওয়া যায়, তাহলে কী মনে করেন?’’ তখন নবিজি বলেন, ‘‘তুমি তার ব্যাপারে যা বলছো তা যদি তার মধ্যে (আসলেই) পাওয়া যায়, তাহলেই তুমি তার গিবত করলে। আর যদি তা তার মধ্যে সেটি না পাওয়া যায়, তাহলে তো তুমি তার প্রতি অপবাদ আরোপ করলে!❞ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৬৪৮৭]
তাহলে আমরা বুঝতে পারলাম, কারও মধ্যে দোষ-ত্রুটি থাকলে, সেটি অন্যের কাছে বললে গিবত হবে। আমরা এমন কথা কখনও বলবো না যে, ‘‘অমুক তো আসলেই এমন, তাহলে এটা বললে গিবত হবে কেন?’’ কারণ গিবত মানেই হলো, অন্যের মধ্যে প্রকৃতপক্ষে বিদ্যমান কোনো ত্রুটি প্রকাশ করা।
ধরুন, কারও পোশাক আপনার পছন্দ হয়নি। তখন অন্যের কাছে বললেন, ‘‘অমুকের পোশাকটা বস্তির লোকদের পোশাকের মতো!’’ এটা নিশ্চিতভাবেই গিবত হবে। ইমাম নববির মতে, কারও চরিত্র, পোশাক, দ্বীনদারি, দুনিয়াদারি কিংবা কারও শারীরিক গঠন নিয়ে সমালোচনা করলেও গিবত হবে।
গিবত শুধু কথার দ্বারাই নয়, লিখনীর মাধ্যমে হতে পারে। এমনকি হাত-পা, মাথা বা মুখের ইশারা-ইঙ্গিতের দ্বারাও গিবত হতে পারে। [ইমাম নববি, আল-আযকার, পৃষ্ঠা: ৫৩৪]
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সাফিয়্যাহ (রা.)-কে বিয়ে করে ঘরে আনেন, তখন আয়িশা (রা.)-কে বলেন নববধুকে দেখে আসতে। আয়িশা (রা.) নারীসুলভ ঈর্ষা থেকে মন্তব্য করেন, ‘সাফিয়্যাহ তো এই ধরনের মহিলা!’ বর্ণনাকারী বলেন, আয়িশা (রা.) হাত দিয়ে ইশারা করে সাফিয়্যাহর খাটো হওয়ার বিষয়টি বলছিলেন। তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তুমি এমন কথা বলেছো, যেটিকে কোনো সাগরের পানির সাথে মেশানো হলে, সেটি (সাগরের পানিকে) দূষিত করে দেবে!’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ২৫০২; ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ৪৯৯৪; হাদিসটি সহিহ]
এবার নিজেরাই চিন্তা করে দেখি, কতভাবে আমরা গিবতে লিপ্ত হই! আসল কথা হলো, আমরা গিবত কী, সেটাই ভালোভাবে জানি না। এজন্যই মূলত আজকের এই লেখা। সামনে গিবত প্রসঙ্গে আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু লেখা আসবে, ইনশাআল্লাহ।
❑ সর্বনাশা গিবত (প্রথম পর্ব)
◍ সংগৃহীত
#Zahrah
4 879
আবু বাকরের [রা.] লাশ ঢেকে দেবার পর আলী [রা.] সেখানে প্রবেশ করে বললেন, ❛আল্লাহর সাথে যারা স্বীয় আমলনামা নিয়ে সাক্ষাৎ করবে তাঁদের মাঝে এই আবৃত ব্যক্তির চেয়ে অন্য কারও আমলনামা আমার নিকট অধিক প্রিয় নয়❜।
✎ ইমাম যাহাবী (রাহ.), তারিখুল ইসলাম: ৩/১২০]
◍ সংগৃহীত
#Zahrah
4 879
একবার শখ করে একটা বিড়ালছানা পুষেছিলাম। যত্নের কমতি রাখিনি। আমার মায়ার ঘরের বাসিন্দা হয়ে সে আমার হাতের ওপরেই মারা গেল।
একটা কবুতরছানাও পুষেছিলাম। ঘুমাতে যাওয়ার সময় আমার ওড়না দিয়ে নরম বাসা বানিয়ে তাকে আমার মাথার পাশেই রাখতাম। একটু পরপর চোখ মেলে তার পশমি শরীরটা খুঁজতাম, দেখতাম ঠিকঠাক আছে কি না। সে উড়তেও শিখেছিল। নাম ধরে ডাকলেই আমার হাতে এসে বসত। পড়াশোনা নষ্ট হবে ভেবে আমার অজান্তেই তাকে অন্যত্র দিয়ে দেওয়া হলো। অনেক কেঁদেছিলাম, কিন্তু আফসোস ছাড়া কিছু করার সাধ্য ছিল না।
তারপর একদিন একটা মুরগিছানার প্রেমে পড়লাম। সে আমার পদধ্বনি অনুসরণ করে হাঁটত, আমার কোলে ঘুমাত, আমার হাতে খেত। হুট করেই সেও মারা গেল।
কত মানুষের জন্যও মায়া করলাম, মায়ার বশে কত কী করলাম। নিজেকে পোড়ালাম, অশ্রুতে ভাসালাম। কত ইচ্ছার বিসর্জনও দিলাম। অথচ সবাই যেন আমাকে ছেড়ে যাওয়ার মধ্যেই তাদের সন্তুষ্টি খুঁজে পায়।
এক রাতে বেদনার দহন দমন করতে না পেরে হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বলছিলাম, “আমি তো সবার জন্য সর্বোচ্চটাই করি, বুঝেও বোকা হই। তবুও কেন কেউ আমার শেষ পর্যন্ত থাকে না?”
নানু খানিকটা দূর থেকে বলল, “দোষা মানুষের একলা থাকাই ভালো। তুই তো জানোসই তুই দোষা, তাইলে একলা থাকতে পারোস না?”
সেদিন পুরো রাত নির্বিকার তাকিয়ে ছিলাম জ্বলজ্বলে তারাদের দিকে। তারপর থেকে আমি একাই থাকি।
না, আর কোনো বিড়াল, কবুতর, পশুপাখি বা মানুষ কারও প্রেমেই পড়ি না। মায়ার দুয়ারে বিবেকের তালা ঝুলিয়েছি। কেউ সঙ্গ আশা করলেও আমি তার সান্নিধ্য এড়িয়ে চলি।
শেষমেশ প্রতিটি দুঃখের পর আমিও হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি, দোষা মানুষের একলা থাকাই ভালো।
After losing everything I loved, I finally learned that some hearts are meant to carry love, not to keep it.
- উম্মুল আরওয়াহ্
#Zahrah
4 879
আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফ্ফাল (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ নম্র, তিনি নম্রতা পছন্দ করেন। তিনি নম্র স্বভাবের লোককে যা দান করেন তা কঠিন স্বভাবের লোককে দান করেন না।
▧ সুনানে আবু দাউদ ৪৮০৭
#Zahrah
4 879
"প্রতি মাসে স্ত্রীকে কিছু হাত খরচ দিবে এবং পরে ঐ টাকার কোনো হিসাব নিবেনা।
জিজ্ঞাসাও করবে না কোথায় খরচ করেছে।
আল্লাহ তাআলা যার যতটুকু সামর্থ্য দিয়েছেন সেই হিসাবে স্ত্রীর জন্য একটা মাসিক পরিমান নির্ধারণ করে নেবে। আর তাকে বলে দিবে তোমার যে কাজে ইচ্ছা খরচ কর।আমি এ ব্যাপারে কোনো হিসাব চাইব না। ”
(কথাগুলো মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহ. কামালাতে আশরাফিয়া কিতাবে লিখেছেন।)
এই মাসিক পকেট খরচ স্ত্রীর হক।
কারন সে ঘরে থাকে,উপার্জন করতে পারেনা।
যখন ভাই বোন আসে তাদেরকে কিছু হাদিয়া দিতে মন চাইতে পারে।
যদি স্ত্রীর নিকট কিছুই না থাকে তবে সে কোথা থেকে দেবে? তারও মন চাইতে পারে মাঝেমাঝে স্বামীকে কিছু দিতে বা গোপনে কিছু পরিমান সাদাকা করতে।
সে আপনার জীবনসঙ্গীনি।
আপনার দরজার বাইরে যেতে পারেনা।
সে জীবন ভরে আপনার সঙ্গ দিচ্ছে,তার সুখ শান্তি আবেগ অনুরাগের খেয়াল রাখা আপনার কর্তব্য।
- মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন
সংগৃহীত.
#Zahrah
4 879
তুমি যদি জানতে চাও কার অন্তরে কী আছে, তবে তার জিহ্বার গতিবিধির দিকে লক্ষ্য করো। প্রকৃতপক্ষে জিহ্বা অন্তরের কথাই প্রকাশ করে দেয়, ব্যক্তির ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায়।
✎ ইমাম ইবনুল কায়্যিম (রহ.)
▧ আদ-দা' ওয়া আদ-দা'ওয়া
◍ সংগৃহীত
#Zahrah
4 879
তুমি যদি জানতে চাও কার অন্তরে কী আছে, তবে তার জিহ্বার গতিবিধির দিকে লক্ষ্য করো। প্রকৃতপক্ষে জিহ্বা অন্তরের কথাই প্রকাশ করে দেয়, ব্যক্তির ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায়।
✎ ইমাম ইবনুল কায়্যিম (রহ.)
▧ আদ-দা' ওয়া আদ-দা'ওয়া
#Zahrah
4 879
❝রমজানের ক্বদরের রাতে যেমনিভাবে দুআ কবুল হয়, ঠিক তেমনি শুক্রবারের সূর্যাস্তের পূর্বক্ষণেও দুআ কবুল হয়।❞
✎ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহি.)
▧ [সূত্র : যাদুল মাআ'দ, ১/৩৯৮]
#Zahrah
Endi mavjud! Telegram Tadqiqoti 2025 — yilning asosiy insaytlari 
