uz
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Kanalga Telegram’da o‘tish

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Ko'proq ko'rsatish
801
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
Ma'lumot yo'q7 kunlar
-130 kunlar
Postlar arxiv
ময়মনসিংহ সীরাতুন্নবীর জলসাতে বর্তমান দারুল উলূম দেওবন্দের মুহতামিম (মুফতী আবুল কাসেম নু'মানী দাঃ বাঃ) বলেছিলেন, শাইখুল ইসলাম সাইয়্যেদ হুসাইন আহমাদ মাদানী রহঃ (তৎকালীন) এক বিরাট বড় জলসার মধ্যে (হুঙ্কার দিয়ে) বলেছিলেন............... (১.৩ এমবি) -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ ইসমাঈল কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

prof Hazrat.m4a4.94 KB

প্রেমিক সফলতা ও ব্যর্থতা দেখে না হযরত থানভী রহঃ বলেন, প্রেমিক ব্যক্তি তার কাজের ফল প্রকাশ পেলো কি পেলো না এবং আমল দ্বারা তার কোনো ফায়দা হলো কি হলো না সে দিকে দেখে না। সে তো কেবলই মুহাব্বতের কারণে মাহবুবের খেদমতে লেগে থাকে। তার সফলতা হোক বা না হোক। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৮৪ পৃষ্ঠা ৮১ http://t.me/pathofisla

এক মিনিটে একটি মাসআলা মাসআলা ৩ঃ শুভ্র - গুলশান, ঢাকা ৪০৩৫. প্রশ্ন আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে মাঝে মাঝে মেসে দাবা খেলতাম। একদিন আমার এক বন্ধুর ভাই (যে মাদরাসায় পড়ে) আমাদেরকে দাবা খেলতে দেখে বলল, দাবা খেলা জায়েয নেই। আমারা জানার বিষয় হল, এ ব্যাপারে ইসলামের হুকুম কী? উত্তরঃ দাবা খেলা নাজায়েয। এক বর্ণনায় এসেছে, عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّهُ مَرَّ عَلَى قَوْمٍ يَلْعَبُونَ الشِّطْرَنْجَ فَقَالَ: مَا هَذِهِ التَّمَاثِيلُ الَّتِي أَنْتُمْ لَهَا عَاكِفُونَ؟ لَأَنْ يَمَسَّ جَمْرًا حَتَّى يُطْفَأَ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمَسَّهَا. হযরত আলী রা. একবার দাবা খেলায় রত কিছু মানুষের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তাদের কে বললেন, এই মুর্তিগুলো কী, যাদের সামনে তোমরা বসে  আছো? এগুলো স্পর্শ করার চেয়ে জলন্ত অঙ্গার নির্বাপিত হওয়া পর্যন্ত তাতে হাতে রেখে দেওয়া ভাল। -সুনানে কুবরা, বাইহাকী ১০/২১২ আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা.-কে দাবা খেলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, هُوَ شَرٌّ مِنَ النَّرْدِ সেটা ‘নারদ’ (নামক খেলা) থেকে নিকৃষ্ট। (প্রাগুক্ত) আর নারদ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, مَنْ لَعِبَ بِالنَّرْدِ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ যে নারদ দ্বারা খেলল সে আল্লাহ ও তার রাসূলের নাফরমানি করল। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ৪৯৩৮ মুসলমানদের জন্য এ ধরনের খেলা থেকে বিরত থাকা উচিত । -শরহু মুখতাসারিত তহাবী ৮/৫৪৪; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৮/১৯৪; আলবাহরুর রায়েক ৮/২০৭; আদ্দুররুল মুখতার ৬/৩৯৪ প্রশ্নটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/2253/ মাসিক আল কাউসার মার্চ ২০১৭ ঈসায়ী http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৪) হযরত মিয়াজী নূর মুহাম্মাদ সাহেবের সময়ের মূল্যায়ন হযরত মিয়াজী নূর মুহাম্মাদ রহঃ (যিনি হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজেরে মক্কী রহঃ এর শায়েখ ছিলেন) এর অবস্থা এমন ছিল যে, তিনি কোন কিছু ক্রয় করার জন্য বাজারে যাওয়ার সময় টাকার ব্যাগ হাতেই রাখতেন। আর ক্রয় করার পর টাকা-পয়সা নিজ হাতে গণনা করে দোকানদারকে হাতে দিয়ে বলতেন, তুমি নিজ হাতে টাকা গণে নাও। দোকানদাররা তাই করত। তিনি ভাবতেন, আমি যদি গণতে যাই তাহলে এতে যে সময়টুকু ব্যয় হবে তাতে আমি কয়েকবার 'সুবহানাল্লাহ' পড়তে পারবো। জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ মূলঃ মুফতী তাকী উসমানী দাঃ বাঃ অনুবাদঃ মাওলানা মুহাম্মাদ ওমর ফারুক জামি'আ মাজাহেরুল উলূম, বোর্ডবাজার, গাজীপুর প্রকাশনায়ঃ মাকতাবাতুল আশরাফ http://t.me/pathofisla

মসজিদের একটি বিশেষ আদব। (৪.৭ এমবি) -হযরত প্রফেসর হামীদুর রহমান দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

দাঈ'র দাওয়াতে এখলাসের গুরুত্ব - http://t.me/dinimazlis

মোবাইল ব্যবহার করা প্রসঙ্গে- মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে যারা এটা মনে করে যে, আমি গুনাহ থেকে বাঁচতে পারব না; তার জন্য মাওলানা তাকী উসমানী সাহেব লিখেছেন যে, তার জন্য স্মার্ট ফোন ব্যবহার করা জায়েয নেই। সে যেই হোক না কেন তার জন্য কোনক্রমেই জায়েজ হবে না। কোরআনপাকে আল্লাহ বলেছেন, تلك حدود الله فلا تقربوها নিষিদ্ধ কাজের ধারে কাছেও তোমরা যেওনা। নিজের দ্বীনি কাজের জন্য, জরুরতের জন্য মোবাইল ব্যবহার করা যায়। নষ্টামির জন্য না। হক্কানী ওলামায়ে-দ্বীন ছবি তোলাকে এখন পর্যন্ত না জায়েজ এবং হারাম বলেন। দারুল উলুম দেওবন্দের বর্তমান মুহতামিম মুফতী আবুল কাসেম নোমানী দা: বা:, দারুল উলুম দেওবন্দের বর্তমান শাইখুল হাদীস মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরী দা: বা: কঠিন ভাবে ছবি তোলার প্রতিবাদ করতে থাকেন। -মাজালিসে আকাবির প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন শাইখুল হাদীস মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দা.বা. খতিব, বাইতুল হক জামে মসজিদ ঢালকা নগর, ঢাকা।

বাধ্যতামূলক সাধনার উপরও ছওয়াব হয় হযরত থানভী রহঃ বলেন, রিয়াযত ও মুজাহাদা দুই প্রকার। একটি 'ইখতিয়ারী' বা ঐচ্ছিক। অপরটি 'ইযতিরারী' বা বাধ্যতামূলক। কোনো বান্দার প্রতি আল্লাহ্‌র দয়া হলে তাকে 'ইযতিরারী' মুজাহাদায় আক্রান্ত করে ধৈর্য ধরার তাওফিক দান করেন। যার ফলে তার মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। এক প্রকারের মুজাহাদা হলো স্বেচ্ছায় ভোগ সামগ্রী কমিয়ে দেওয়া। আরেক প্রকার হলো স্বেচ্ছায় ভোগ সামগ্রী কমায়নি, কিন্তু আল্লাহ্ তা'আলা তাকে কোনো বিপদে আক্রান্ত করেছেন- যেমন তার সন্তান মারা গেছে আর সে ধৈর্য ধারণ করেছে- যার ফলে তার মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। নিম্নের আয়াতে এ বিষয়ে আলোচনা রয়েছে। 'এবং আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করবো (কখনো) ভয়-ভীতি দ্বারা, (কখনো) ক্ষুধা দ্বারা এবং (কখনো) জান, মাল ও ফসলহানী দ্বারা।' (সূরা বাকারা, আয়াত-১৫৫) 'ইযতেরারী' মুজাহাদার মধ্যেও পুরস্কার পাওয়া যায়। এর চেয়ে বড়ো পুরস্কার আর কি হতে পারে যে, (আল্লাহ্‌ তা'আলার ইরশাদ) 'এরা সেই সব লোক, যাদের প্রতি তাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে বিশেষ করুণা ও দয়া রয়েছে।' (সূরা বাকারা, আয়াত-১৫৭) কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৯৫৬ পৃষ্ঠা ৪২২ http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব- ৩) হযরত মিয়াঁ সাহেব এবং নেয়ামতের শুকরিয়া আব্বাজানের (হযরত মুফতী শফী রহঃ) একজন বিশিষ্ট ওস্তাদ ছিলেন মিয়াঁ আসগর হুসাইন রহঃ। জন্মগত বুযুর্গ ছিলেন তিনি। তাঁর বুযুর্গী ছিল বিস্ময়কর। আব্বাজান বলেন, একবার সংবাদ পেলাম আমার এ ওস্তাদ অসুস্থ- জ্বরে ভুগছেন। আমি দেখতে গেলাম। গায়ে হাত দিয়ে দেখি, গা যেন পুড়ে যাচ্ছে। তাঁকে খুবই বিপর্যস্ত মনে হচ্ছিলো। আমি সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, হযরত! কেমন বোধ করছেন? তিনি উত্তর দিলেন, আলহামদুলিল্লাহ! আমার চোখগুলো সুস্থ, কানদ্বয়ও রোগমুক্ত। জিহবাটাও কাজ করছে ঠিকমতো। এভাবে তিনি শরীরের প্রতিটি সুস্থ অঙ্গের নাম ধরে-ধরে এর বিনিময়ে 'আলহামদুলিল্লাহ' বললেন। সবশেষে বললেন, শরীরের জ্বরটা শুধু একটু জালাচ্ছে। আল্লাহ্ যেন সুস্থ করে দেন এ দু'আ কর। একেই বলে কৃতজ্ঞ বান্দা। কষ্টে জর্জরিত অবস্থায়ও আল্লাহর নেয়ামতের কথা স্মরণ করে। যে কারণে কঠিন সমস্যার মাঝেও নিজের মাঝে স্বস্তি বোধ করে। এজন্যই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিক্ষা দিয়েছেন, দু'আর পূর্বে আল্লাহ্‌র প্রশংসা করবে। তাঁর কাছে দু'আ করার পূর্বে, নিজের অভাব পূরণের কথা বলার পূর্বে বর্তমান নেয়ামতগুলোর কথা মনে রাখবে এবং এর জন্য তাঁর শোকর আদায় করবে। ইসলাহী খুতুবাত (১০ম খণ্ড) মূলঃ মুফতী তাকী উসমানী দাঃ বাঃ অনুবাদঃ মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী দাঃ বাঃ প্রকাশনায়ঃ দারুল উলূম লাইব্রেরী http://t.me/pathofisla

কারো ব্যস্ততার সময় সালাম দেওয়া ঠিক নয় আদাবঃ কেউ যদি কথাবার্তা কিংবা অন্যকোন কাজে লিপ্ত থাকে তাহলে সালাম দিয়ে কিংবা মুসাফাহার চেষ্টা করে তাঁর কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে না। কারণ ইহা অভদ্রতা এবং প্রয়োজন থাকলে চুপচাপ একদিকে বসে পড়বে। (কামালাতে আশরাফিয়া) জনৈক বিবেকবান ব্যক্তি প্রায়ই আমার (হযরত থানভী রহঃ) কাছে এসে সালাম-মুসাফাহা ব্যতীত বসে পড়ত। একদিন এক ব্যক্তি তাকে বললো, মিয়া! তুমি বড় অভদ্র, সালাম নেই কালাম নেই হঠাৎ করে আসলে আর বসে পড়লে। সে বললো, বরং তুমিই অভদ্র। সালাম দিয়ে তুমি অন্যের কাজে ব্যাঘার সৃষ্টি কর। ফুকাহাগণ এর রহস্য বুঝেছেন বলেই তো এমন মুহূর্তে সালাম দেয়া মাকরূহ বলেছেন। সত্যিই দু'শ্রেণীর লোক বিজ্ঞ উপাধিতে ভূষিত হওয়ার উপযুক্ত। এক হলো সুফিয়ায়ে কিরাম আরেক হলো ফুকাহায়ে কিরাম। আদাবুল মু'আশারাত -হযরত হাকীমুল উম্মত রহঃ http://t.me/pathofisla

আল্লাহ্‌ওয়ালাদের প্রচার বিমুখতা একবার হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ এক মাহফিলে আমন্ত্রিত মেহমান হিসেবে গেলেন। সবাই তো আর হযরতকে চিনতেন না। সেখানে গিয়েই হযরত মাহফিলের স্টেজে উঠে মাইকের সামনে বসে বয়ান করা শুরু করে দিলেন। মাহফিল কর্তৃপক্ষ হযরতের পরিচয়টুকু দেওয়ার জন্য এতোটুকু সুযোগও পেলেন না। আমরা বলাবলি করছিলাম যে, মানুষ হযরতকে চিনবে কিভাবে! ফায়দাঃ সকল আল্লাহ্‌ওয়ালাদের একই হাল। কোন খাঁটি আল্লাহ্‌ওয়ালা কখনো নিজেকে দশের সামনে মেলে ধরতে পছন্দ করেন না। এই ঘটনায় যেটি বুঝা গেলো তা হলো, এখানে মাহফিল কর্তৃপক্ষেরই কর্তব্য ছিল হযরতের পরিচয় সকলের সামনে প্রকাশ করা এবং এর জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত থাকা। আর আল্লাহ্ওয়ালাদের পরিচয় সাধারণ লোকদের সামনে প্রকাশ করলে তারা তাঁদের কথাকে গুরুত্বের সাথে মূল্যায়ন করে থাকে। এখানে এই কথা বলা উদ্দেশ্য না যে, বয়ানের আগে আল্লাহ্‌ওয়ালাদের পরিচয় প্রকাশ করা না হোক বরং উদ্দেশ্য এই বিষয়টি বুঝানো যে, তাঁরা কতোটা প্রচার বিমুখতা পছন্দ করেন। http://t.me/khanqaSN

জীবনে পাঠ করা অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি প্রবন্ধ। পড়তে পড়তে কখন যে চোখ দু'টি অশ্রুসজল হয়ে উঠেছে তা বলতে পারি না.............. (৭৪৫ কেবি) http://t.me/pathofisla

নামায, জিকির ইত্যাদিতে সাধারণ মনোযোগ রাখবে, নিয়মিত আমল করাই বড়ো বিষয় হযরত থানভী রহঃ বলেন, যিকির, নামায ইত্যাদির মধ্যে সাধারণ মনোযোগ যথেষ্ট। মনোযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে বেশী চাপ সৃষ্টি করবে না। অন্যথায় মন-মগজের উপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। বেশী চাপ প্রয়োগ করলে কষ্ট ও পেরেশানী হয়। যার ফলে উপকার বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণ মনোযোগ দ্বারাই ধীরে ধীরে পরিপূর্ণতা চলে আসে। একইভাবে বিশেষ কোনো 'কাইফিয়াত' বা 'হালাত' স্থায়ী হওয়ার জন্যে বেশী চেষ্টা করবে না। তার পিছনেও পড়বে না। সব একসাথে পেতে যাওয়া ক্ষতির কারণ হয়। নিজের কাজ করতে থাকবে। তার যোগ্যতা যতো বৃদ্ধি পেতে থাকবে সে অনুপাতে অন্তরে আধ্যাত্মিক অবস্থা ও উর্দ্ধজাগতিক বিষয় আপনাআপনি আসতে থাকবে। মনকে বিচলিত করবে না। ফলাফলের পিছনে পড়বে না। কাজের মধ্যে লেগে থাকাই বড়ো জিনিস। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৭৬৩ পৃষ্ঠা ৩৫৫ http://t.me/pathofisla

হযরতের প্রথম শায়েখ ছিলেন মাওলানা আতহার আলী রহঃ, দ্বিতীয় শায়েখ ছিলেন মাওলানা আহমাদ আলী খান রহঃ এবং তৃতীয় শায়েখ ছিলেন হযরতওয়ালা করাচী রহঃ।হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ এর তিনজন শায়েখের অভিন্ন প্রথম সবক ছিল। ০১. নাজায়েজ জিনিস দেখা থেকে নজরকে হেফাযত করা ০২. সমস্ত গাইরে মাহরাম মেয়েদের থেকে পর্দা করা। মোবাইল, টিভি, ফটো, পেপার সব জায়গাতেই নাজায়েজ দেখা থেকে নজরকে হেফাযত করা। (২.২ এমবি) -মাওলানা শাহ্ ইসমাঈল কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

পাকিস্তানের এক মহিলার মৃত্যুর ভয়ংকর কারগুজারী যাতে আমাদের জন্য চিন্তার খোরাক রয়েছে। (১.৩ এমবি) -হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী দাঃ বাঃ রেকর্ডিং কোয়ালিটিঃ উচ্চ মধ্যম http://t.me/khanqaSN http://t.me/pathofisla

হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহঃ বলেন, সচরাচর আলেমদেরকে নিষ্কর্মা ও নির্বোধ আখ্যা দেওয়া হয়। তবে যাহারা ওয়াজ নসীহত করিয়া বেড়ায়, তাহাদিগকে কিছু কাজের লোক মনে করা হয়। কিন্তু যাহারা মক্তবে বা মাদরাসায় পড়ায়, বিশেষ করিয়া নিচের শ্রেণীতে পড়ায় তাহাদিগকে একান্তই বোকা, নিরেট বোকা আখ্যা দেওয়া হয়। আমি বলি ইহারা আল্লাহ্‌ তা'আলার খাস লোক। ইহাদের উসিলায় ১৪০০ বছর ধরিয়া ইসলাম নামের ঘড়িটি চালু আছে। (১০.৯ এমবি) -হযরত প্রফেসর হামীদুর রহমান দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

ফটোগ্রাফির ছবি এবং ডিজিটাল ক্যামেরায় বা মোবাইলের ছবির মধ্যে কোন পার্থক্য নাই : - মুফতী মনসূরুল হক দা. বা. প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস, জামিয়া রহমানিয়া, মুহাম্মাদপুর,ঢাকা। বর্তমান যুগে বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে ছবি উঠানোর যে এক অত্যাধুনিক পদ্ধতি তথা ডিজিটাল ক্যামেরা আবিষ্কৃত হয়েছে তাতে যে ছবি তোলা হয় যদি তা স্ক্রিনে ধারণ করে সংরক্ষণ করা হয় চাই কাগজে বা অন্য কিছুর উপর তার প্রিন্ট দেয়া হোক বা না হোক সেটা মূলত ছবিই এবং এতে ছবির সকল উদ্দেশ্য পূর্ণমাত্রায় পুরা হয় সুতরাং আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়ে ডিজিটাল ক্যামেরা বা মোবাইলের ছবির পদ্ধতি যেমনই হোক না কেন তা প্রকৃত ছবি বলেই গণ্য হয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বর্ণনা অনুযায়ী হারাম হবে । কোনো কোনো আলেম এটাকে জায়িয বলতে চেয়েছেন কারণ বাহ্যিকভাবে এটা ছবি মনে হয় না । কিন্তু লক্ষ্য উদ্দেশ্যের দিক দিয়ে এটা ছবিই, কাজেই একে জায়িয বলার কোন অবকাশ নেই। (বুখারী হা.নং ৫৯৫০, উমদাতুল ক্বারী ১৫/১২৪, জাদীদ ফিকহী মাসাইল ১/৩৫০, আহাম মাসাইল জিনমে ইবতেলায়ে আম খ.১পৃ. ২০৩,২০১,২/২৬২) হাফছবি বানানোর বিধানঃ শুধু চেহারা বা মাথা সহকারে উপরের অর্ধাংশের ছবি বিনা প্রয়োজনে আঁকা কিংবা তোলা নাজায়িয ও হারাম। হযরত আবু হুরাইরা রাযি. বলেন, মাথার প্রতিকৃতির নাম হলো ছবি, আর যাতে মাথা নেই তা ছবি নয়। (শরহু মাআনিল আছার, খ.২পৃ.৩৩৯ নাসায়ী হা.৫৩৬৫ সহীহ ইবনে হিব্বান হা.৫৮৫৩ শরহুস সিয়ারিল কাবীর,সারাখছী খ.৪ পৃ.২১৯ ফাতহুল বারী খ.১০ পৃ.৪৭০) প্রয়োজনের সময় ছবি তোলার বিধানঃ পূর্বোল্লিখিত আলোচনার দ্বারা স্পষ্টভাবে বুঝা গেল যে, বিনা প্রয়োজনে কোনো প্রাণীর ছবি উঠানো সম্পূর্ণ হারাম চাই সেটা সম্পূর্ণ ছবি হোক কিংবা হাফ ছবি হোক, তবে বিশেষ কোন প্রয়োজনের কথা ভিন্ন, যেমন: শরয়ী কোন জরুরত বা জীবনোপকরণের নিহায়াত প্রয়োজনে বহির বিশ্বে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বা হজ্ব উমরার উদ্দেশ্যে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বাধ্য হয়ে পাসপোর্টের জন্য কিংবা ভিসার জন্য কিংবা ন্যাশনাল পরিচয়পত্র সংগ্রহের জন্য ছবি তোলা বা এমন বিশেষ কোন মুহূর্তে ছবি উঠানো যেখানে মানুষের মুখমণ্ডল সনাক্ত করা আবশ্যকীয় হয় এ ধরনের একান্ত কোন প্রয়োজনে ছবি তোলার অবকাশ আছে। কেননা ফুকাহায়ে কিরাম একান্ত প্রয়োজনের ক্ষেত্রে হারাম হওয়ার বিধানটি শিথিলভাবে বিবেচনা করেছেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা হা.২৭১৭ শরহুস সিয়ারিল কাবীর খ. ৪পৃ.২১৮ তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম, তাকি উসমানী ৪/১৬৪) http://t.me/dinimazlis