uz
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Kanalga Telegram’da o‘tish

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Ko'proq ko'rsatish
801
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
Ma'lumot yo'q7 kun
-130 kun
Postlar arxiv
আমাদের এই চ্যানেলে রূমীয়ে যামানা কুতুবে আলম শাইখুল আরব ওয়াল আজম আরেফবিল্লাহ্ হযরত আক্বদাস মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ এর সুযোগ্য খলিফা গুমনাম বুজুর্গ আরেফবিল্লাহ্ মুহিউস সুন্নাহ্ শাইখুল হাদীছ আলহাজ্ব হাফেয হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ সাঈদ নূর ছাহেব দাঃ বাঃ পীর ছাহেব মানিকগঞ্জ এর মূল্যবান বয়ান এবং মালফূয আপলোড দেওয়া হয়। নিয়মিত পোস্ট পেতে নিচের লিঙ্কে জয়েন দিন⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️ t.me/khanqaSN

উপরের আপলোড দেওয়া স্টিকার সম্পর্কে কিছু কথা। (১.২ এমবি) -হযরত মুফতী শাহ্ নূরুল আমিন দাঃ বাঃ খলিফাঃ হযরতওয়ালা করাচী রহঃ http://t.me/pathofisla

নিজের ইসলাহী মুরুব্বীকে মনের বিরুদ্ধে হলেও নিজের দিলের হালাত জানানো। যে সিলসিলায় হালাত জানা জানি নাই, সেই সিলসিলা যত ভালো সিলসিলাই হোক সেখানে (প্রকৃত) সফলতা নাই। হযরত মাওলানা শাহ্ আশরাফ আলী থানভী রহঃ এর "তারবিয়াতুস সালিক" কিতাব সম্পর্কে কিছু কথা। (১.৮ এমবি) -হযরত মুফতী শাহ্ নূরুল আমিন দাঃ বাঃ খলিফাঃ হযরতওয়ালা করাচী রহঃ http://t.me/pathofisla

বাংলাদেশে কি পরিমাণ এনজিও কাজ করছে তার কিছু ফিরিস্তি। সেবার আড়ালে রোহিঙ্গা মুসলমানদের কিভাবে খ্রীস্টান বানানো হচ্ছে নয়া দিগন্তের (২৫ জানুয়ারী ২০১৮ নয়া দিগন্তের শেষ পৃষ্ঠা) বরাত দিয়ে তার সংক্ষিপ্ত কারগুজারী। (১.৫ এমবি) -মুফতী মাহমুদুল হাসান গনবী দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

দা'ওয়াতুল হক্বের অনুসরণে পবিত্র কুরআনুল কারীম থেকে তিলাওয়াত। (১.৪ এমবি) http://t.me/pathofisla

মুহিউস সুন্নাহ হযরত শাহ্ আবরারুল হক্ব রহঃ কুরআন তিলাওয়াতের পূর্বে ফায়দা ও আদব এভাবে শিক্ষা দিতেন- পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের বিশেষ তিনটি ফায়দা ও বিশেষ দুইটি আদব। ফায়দা তিনটি এই- ১। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করলে দিলের জং তথা গুনাহের কালিমা মুছে যায়। ২। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করলে অন্তরে আল্লাহ পাকের মুহাব্বত বাড়ে। ৩। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করলে প্রতিটি আয়াতে দশটি করে নেকী পাওয়া যায়, না বুঝে পড়লেও। যারা বলে না বুঝে পড়লে কোন ফায়দা নেই তাদের কথা ঠিক নয়। আদব দুইটি এই- ১। শ্রবণকারী মনে মনে এই ধ্যান করবে যে, এখানে মহান আল্লাহ পাকের শাহী কালাম তিলাওয়াত হচ্ছে, তাই অত্যন্ত ভক্তি মহব্বত ও আযমতের সাথে শ্রবণ করা অপরিহার্য। ২। তিলাওয়াতকারী মনে মনে এই ধ্যান করবে যে, আল্লাহ পাক হুকুম দিচ্ছে -পড়! দেখি কেমন পড়তে পারো? তাই আল্লাহ পাককে শুনানোর তিলাওয়াত করবে। মালফূয ৬০ মালফূযাতে মুজাদ্দিদে দ্বীন হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ খলিফাঃ হযরতওয়ালা হারদুঈ রহঃ দা'ওয়াতুল হক্বের তত্ত্বাবধানে তিলাওয়াত শুরু করার আগে এভাবেই বিশেষ তিনটি ফায়দা ও দুইটি আদব বলার পরে তিলাওয়াতের ব্যাপারে তাগিদ দেওয়া হয়। নিচে দা'ওয়াতুল হক্বের অনুসরণে পবিত্র কুরআনুল কারিম থেকে একজন তালিবে ইলমের তিলাওয়াত আপলোড দেওয়া হল। আসলে আপনাদেরকে তিলাওয়াত শোনান মূল উদ্দেশ্য না মূল উদ্দেশ্য হল আমরাও যেন তিলাওয়াতের আগে এভাবে নিজেদেরকে প্রস্তুত করে নিতে পারি যেন পবিত্র কুরআনের তিলাওয়াতের সময় কুরআনের আযমত (মহত্ত্ব, বড়ত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব) আমার দিলে থাকে। http://t.me/pathofisla

অহেতুক কাউকে কষ্ট না দিই- http://t.me/dinimazlis

কুরআনুল কারীমের তাযিম সম্পর্কে মুহিউস সুন্নাহ হযরত মাওলানা শাহ্ আবরারুল হক্ব রহঃ ইরশাদ করেনঃ অনেক মাদরাসা-মসজিদ পরিদর্শন করতে গিয়ে অবাক হয়েছি এবং দুঃখ পেয়েছি। কাফিয়া, শরহেজামী যে কামরায় পড়ানো হয় সেখানে কার্পেট বিছানো দেখেছি। কিন্তু পবিত্র কুরআন যে কামরায় পড়ানো হয় সেখানে পুরোনো ছেঁড়া-ফাটা চাটাই বিছানো রয়েছে। আমি কর্তৃপক্ষকে ভারাক্রান্ত- মনে এর কারণ জিজ্ঞেস করেছি, পবিত্র কুরআনের প্রতি এই বৈষম্যমূলক আচরণ কেন? কিন্তু কোথাও সঠিক উত্তর পাইনি। (এজন্য যেখানে সরাসরি কুরআন পড়ান হয় সেখানকার সব সামানপত্র সাধ্যানুযায়ী উন্নত হওয়া চাই।-সংকলক) মালফূয ৬৫ মালফূযাতে মুজাদ্দিদে দ্বীন হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

অধিক কথা বলার এলাজ (চিকিৎসা) হালঃ সঙ্গী-সাথী, মুরুব্বী ও প্রিয়জনদের সঙ্গে একত্রে বসলে বেশিরভাগ সময় ফুযূল (অহেতুক) কথা বলা হয়ে যায়। স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ ও একাগ্রতার যে ত্রুটি ও ঘাটতি, মনে হয় সবই অধিক কথনের কুফল। হুযূর! মেহেরবানী করে এমন পদ্ধতি বাতাবেন যেন এই মরয থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হতে পারি এবং অনিবার্য ও জরুরি কথা ছাড়া যেন অন্য কোনো কথা মুখ দিয়ে না বলি। হযরত থানভী রহঃ উক্ত হালাতের নিম্নোক্ত জবাব দেনঃ অধিক কথা বলা রোগের এলাজ এই যে, নিজের নফসের বিরুদ্ধে কোনো একটি শাস্তি নির্ধারণ করে নেবেন। যেমন যখনই ফুযূল কথা বলা হয়ে যাবে এক আনা অথবা দুই আনা (এটা অনেক বছর আগের কথা, বর্তমানে এর পরিমাণটা আরো বেশি হবে) অথবা দুই রাকাত অথবা চার রাকাত, যা নফসের জন্য অতি সহজ না হয় আবার সাধ্যের বাইরে অতি কঠিনও না হয়, এমন কোনো কিছু নিজের জন্য বাধ্যতামূলক করে নেবেন। ইনশাআল্লাহ্! খুব দ্রুত এই মরয থেকে মুক্ত হয়ে যাবেন। তারবিয়াতুস সালিক ১ম খণ্ড, ৩১১ পৃষ্ঠা http://t.me/pathofisla

আজকে আমি ক্বুরআনুল কারীম তিলাওয়াত করেছি তো ? http://t.me/pathofisla

একটি গুণাহই মানুষকে জাহান্নামে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট (যদি সেই গুণাহের জন্য তওবা না করা হয়)। (৬৬১ কেবি) -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী দাঃ বাঃ http://t.me/khanqaSN

মুহাম্মাদ কাওছার, মোমেনশাহী। 427 নং উত্তর: বয়ান ভিডিও করা সংক্রান্ত- (যেসকল বক্তা বয়ান ভিডিও করতে নিষেধ করে না তাদের ব্যাপারে যেমন ধারণা রাখা চাই)। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd http://t.me/pathofisla

জিজ্ঞাসাঃ সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব না হওয়া সত্ত্বেও সিজদায়ে সাহু করলে, নামাযের কোন ক্ষতি হবে কি না? জবাবঃ নামাযের ভিতর সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব না হওয়া সত্ত্বেও যদি কেউ খামাখা ইচ্ছাকৃতভাবে সিজদায়ে সাহু করে, তাহলে তার নামায মাকরূহে তাহরীমী হবে। তবে যদি কেউ এ ধারণার উপর সিজদায়ে সাহু করে যে, তার উপর সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হয়েছে অথচ বাস্তবে এরূপ ভুলের কারণে সিজদা ওয়াজিব হয় না, তাহলে তার নামায মাকরূহ হবে না। বরং মনের সন্দেহ দূরিভূত করতে এমতাবস্থায় সিজদায়ে সাহু করাটাই উত্তম। (ফাতাওয়া শামী, ১ঃ৫৯৯) ফাতাওয়ায়ে রাহমানিয়া ১ম খণ্ড, ৩০৮ পৃষ্ঠা -হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ প্রধান মুফতীঃ জামি'আ রাহমানিয়া, মুহাম্মাদপুর, ঢাকা http://t.me/pathofisla

আলহামদুলিল্লাহ পবিত্র রজব মাসের 🌙 চাঁদ দেখা গিয়েছে। রজব মাস শুরু হলে এই দু‘আ পড়া সুন্নাত اَللّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِى رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَان অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে রজব ও শা‘বান মাসের বরকত দান করুন এবং রমাযান পর্যন্ত আমাদের হায়াতকে দীর্ঘ করুন। (বাইহাকী ফী দাওয়াতিল কাবীর, খ. ২, পৃষ্ঠা-১৪২, হাদীস নং-৫২৯) http://t.me/pathofisla

মসজিদে প্রানীর ছবি সম্পর্কে - http://t.me/dinimazlis

ছাত্র জীবনে ইসলাহের গুরুত্ব হযরত সদর ছাহেব হুজুর রহঃ (হযরত শামসুল হক্ব ফরিদপুরী রহঃ) ইলমে জাহের বা দরসী ইলম অর্জনের জন্য ৮ থেকে ৯ বছর মেহনত করেছেন কিন্তু ইসলাহের জন্য হযরত থানভী রহঃ এর দরবারে ২২ বছরে ২২ চিল্লা দিয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, তিনি যখন কাফিয়া পড়েছেন তখন কাফিয়া থেকে মেশকাত পর্যন্ত পড়তে ৪ বছর লেগেছে। এই ৪ বছরের ছাত্র জীবনে তিনি কোনো দিন ছবক কামাই দেননি, সামনের পড়া মুতালাআ না করে কোন দিন ছবকে যাননি, কখনোই তাকরার বাদ দেননি, কোন জাহেরী-বাতেনী গুণাহে লিপ্ত হননি। এভাবেই তিনি জাহেরী ও কিতাবী ইলমের কাবেল হয়েছেন, যা সর্বজন স্বীকৃত। এই ৪ বছরে তিনি আল্লাহ্‌র দরবারে কবুল হওয়ার জন্য হযরত থানভী রহঃ এর দরবারে সাহারানপুর থেকে থানাভবন প্রায় ৩৫ মাইল দুরত্ব পায়ে হেঁটে মোট আনুমানিক ২০৮ বার গমন করেছেন। ছাত্র জীবনে কোন সাময়িক বা সাপ্তাহিক ছুটিতে তিনি শায়েখের দরবারে যাওয়া ও নফসের গোপন দোষের হালাত জানানো বাদ দেননি।এভাবেই দারুল উলূম দেওবন্দে দাওরায়ে হাদিস পড়াকালীন পদব্রেজে (পায়ে হেঁটে) ১৮ মাইল পথ অতিক্রম করে হযরত থানভী রহঃ এর দরবারে যাওয়া ছাড়েননি। এরপর কর্মজীবনেও তিনি ইসলাহের নিমিত্তে হযরত থানভী রহঃ এর দরবারে বহুবার চিল্লাকাশী করেছেন। আজ তিনি দুনিয়াতে নাই, কিন্তু সকলের অন্তরেই অমর হয়ে আছেন। তাই আমরা আশা করি, আমাদের ছাত্র-উস্তাদ সকলেই কাবেল হওয়ার মেহনতের সাথে সাথে মকবুল হওয়ার মেহনত করে ইলমী নাফীর অধিকারী হতে সচেষ্ট হোক। ইনশাআল্লাহ অতি শীঘ্রই হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ এর এই পর্চাটি আপলোড দেওয়া হবে। http://t.me/pathofisla

মাদ্রাসার নামের সাথে "এতীমখানা" যুক্ত করা মাদ্রাসা কায়েম করার মাকসাদের ওপর আঘাত করা। আমাদের বড়রা দ্বীনকে হামেশা বুলন্দ রেখেছেন, মাথার উপরে রেখেছেন। দুনিয়াকে হামেশা তারা নিচে রেখেছেন। http://t.me/qaumimalfuzat

🌿ফটো তোলার ব্যাপারে হযরতওয়ালা হারদুঈ রহঃ এর কঠোরতা🌿🌿 মুহিউস সুন্নাহ হযরত মাওলানা শাহ্ আবরারুল হক্ব রহঃ ইরশাদ করেনঃ আমি এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, সেখানে গোপনে কৌশলে আমার ফটো তুলে নেয়। তারা ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করে এবং ফটো তুলেনি বলে জানায়। তারা বলে বিচ্ছুরিত আলো ক্যামেরার নয় বরং বিদ্যুৎ বিভ্রাটের। কিন্তু আমি ধমক দিয়ে ক্যামেরাটি হস্তগত করি এবং বলি আমার সম্মুখে নেগেটিভ ধ্বংস করতে হবে, অন্যথায় এখনিই আমি এখান থেকে বিদায় নেব আর কোনদিন এ বাড়িতে কদম রাখবো না। আমার এই কঠোর ভূমিকায় তাদের দেমাগ ঠিক হয় এবং তারা আমার সামনেই ঐ নেগেটিভ ধ্বংস করে ফেলে। যেহেতু আমরা গুনাহের ব্যাপারে নমনীয় ভাব পোষণ করি তাই আজ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গুনাহের ভয়ানক স্রোত বয়ে চলেছে। আমাদের মধ্যে গুনাহ প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তার অনুভূতি বিলুপ্ত হয়ে পড়েছে। চায়ের কাপে মাছি পড়তে পারে না, ঘরে সাপ-বিচ্ছু প্রবেশ করতে দেয়া হয় না, কিন্তু চোখের সামনে ঈমান-আমল ধ্বংসকারী সাপ-বিচ্ছু পেটের ভিতরে প্রবেশ করে সবকিছু ধ্বংস করছে অথচ আমরা নির্বিকার। মালফূয ৭৪ মালফূযাতে মুজাদ্দিদে দ্বীন হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

হালঃ হযরতের হিদায়াতের (নির্দেশনার) আলোকে 'তাবলীগে দীন' থেকে আখলাকে যামীমা (নিন্দনীয় চরিত্র) অংশ মুতালাআ করে যাচ্ছি কিন্তু আমার নিজস্ব উপলব্ধিতে মনে হয় ভেতরে অহঙ্কারের ব্যাধি বিদ্যমান, অথচ তালাবাদের (ছাত্রদের) জুতা সোজা করার কাজ নিয়মিত করি, সাক্ষাৎপ্রার্থীদেরকে আগে আগে সালাম করি নিম্ন শ্রেণীর কেউ হোক বা উচ্চ মর্যাদার। হযরত থানভী রহঃ কর্তৃক উপরোক্ত হালতের বিশ্লেষণঃ তাহলে অহঙ্কার নেই। আর আপনার নিজস্ব উপলব্ধিতে অহঙ্কার বিদ্যমান থাকার যে প্রভাব আপনার মনে হয়, তার চাহিদামতো আমল না করলেই সেটাও দূর হয়ে যাবে। আর নির্মূল না হলেও যদি তার বহিঃপ্রকাশ না ঘটে তবে তিরস্কারযোগ্য নয়। তারবিয়াতুস সালিক ১ম খণ্ড, ৩৭৫ পৃষ্ঠা http://t.me/pathofisla