এসো সংশোধনের পথে
Kanalga Telegram’da o‘tish
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
Ko'proq ko'rsatish801
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
Ma'lumot yo'q7 kunlar
-130 kunlar
Postlar arxiv
উলামায়ে সালাফের উক্তির আলোকে শবে বরাত
-মাওলানা আবদুল মালেক দাঃ বাঃ
http://t.me/pathofisla
লাইলাতুল বারাআতে বর্জনীয় কাজ সমূহ-
নিয়মিত পোস্ট পেতে join হোন নিচের লিংকে
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
মিজানুর রহমান,
বী-বাড়িয়া।
562 নং উত্তর:
শবে বরাত সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
হযরতওয়ালা ফুলপুরী রহঃ বলেন, আমিত্বের এই ফেরআউনিয়্যাত যে, আমি এই আমি সেই ঐ সময় পর্যন্ত থাকে যতক্ষণ মহান আল্লাহ্র বড়ত্ব তার সামনে না থাকে।
মালফূযাতে ফুলপুরী রহঃ
মালফূয ৩৪
পৃষ্ঠা ৮১
বিঃ দ্রঃ মূল মালফূযটি বেশ বড়। মাঝখান থেকে সামান্য অংশ তুলে ধরা হলো। পুরোটা পড়তে উক্ত কিতাবের ৭৫-৯৩ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য।
http://t.me/pathofisla
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৮)
হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল গণী ফুলপুরী রহঃ (বিশিষ্ট খলিফাঃ হযরত থানভী রহঃ)
ঘটনা নং-১ঃ একবার হযরতওয়ালা ফুলপুরী রহঃ থানাভবনে উপস্থিতির ব্যাপারে হযরত থানভী রহঃ এর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করলে হযরত থানভী রহঃ লিখেনঃ
"আপনার আগমন আমার শত আনন্দের উপলক্ষ্য হোক"।
আরেকবার হযরত থানভী রহঃ লিখলেনঃ
"আপনাকে আমি আমার এখানে আসার ব্যাপারে অনুমতি কি দিব আমি তো বরং আপনার আগমনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছি"।
ঘটনা নং-২ঃ আরেকবার হযরত ফুলপুরী রহঃ পূর্ব অবগতি ব্যতীত থানাভবনে হাজির হলেন। ঐ সময়ে হযরত হাকীমুল উম্মত রহঃ শোয়া অবস্থায় ছিলেন। হযরত ফুলপুরী রহঃ কে দেখে আনন্দের আতিশয্যে কয়েক কদম অগ্রসর হয়ে তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন এবং বললেন- "অপ্রত্যাশিত নেয়ামত"।
আরেকবার উপস্থিতির অনুমতির প্রেক্ষিতে বললেনঃ
"আসুন আসুন এ ঘর তো আপনারই ঘর"।
ঘটনা নং-৩ঃ একবার হযরত শাইখুল হিন্দ মাহমুদ হাসান রহঃ হযরত হাকীমুল উম্মতের রহঃ নিকট পত্র লিখলেনঃ "দারুল উলূম দেওবন্দে পড়ানোর জন্য একজন মানুষ পাঠিয়ে দিন"। এর পরিপ্রেক্ষিতে হযরত থানভী রহঃ হযরত ফুলপুরী রহঃ কে জিজ্ঞেস করলেন, আমি আপনাকে দেওবন্দ মাদরাসার জন্য নির্বাচিত করে পাঠাতে চাই। আপনার কত টাকা বেতন হলে ভাল হয়? প্রতিউত্তরে হযরত ফুলপুরী রহঃ আরয করলেন, হযরত! চনাবুট চাবিয়ে পড়াব। এর উপর হযরত থানভী রহঃ লিখলেন, "আমারও দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, আপনি এমনটিই করবেন"।
মালফূযাতে ফুলপুরী রহঃ
মালফূযাতঃ হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল গণী ফুলপুরী রহঃ
গ্রন্থনাঃ হযরতওয়ালা করাচী রহঃ
তরজমাঃ মাওলানা হাসান সিদ্দীকুর রহমান
প্রকাশনায়ঃ মাকতাবাতুল আশরাফ
প্রকাশকালঃ মার্চ ২০১৪
পৃষ্ঠা ১৯-২০
বিঃ দ্রঃ অনুবাদক নিজে পাঠকদের সুবিধার প্রতি খেয়াল করে 'বাযমে আশরাফ কে চেরাগ' এবং 'মারিফাতে ইলাহিয়্যাহ' গ্রন্থদ্বয় থেকে অতি সংক্ষিপ্তাকারে হযরতের জীবনী তুলে ধরেছেন যা এই কিতাবের শুরুতেই সংযোজন করা হয়েছে কিন্তু মূল কিতাবে তা নেই।
http://t.me/pathofisla
পেরেশানীর মুহূর্তে করণীয়
হযরতওয়ালা মুহিউস সুন্নাহ রহঃ বলেন, আল্লামা আবদুল ওয়াহহাব শা'রানী রহঃ লিখেছেনঃ যখন কোন পেরেশানী আসবে তখন নিজের আমলের ব্যাপারে চিন্তা করবে যে, আমার আমল তো আরো বেশী পেরেশানী ও মুসীবতের উপযুক্ত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ মহান আল্লাহ্র রহমত যে, তিনি অল্পতেই ছেড়ে দিয়েছেন।
মাজালিসে আবরার
গ্রন্থনায়ঃ হযরতওয়ালা করাচী রহঃ
মালফূয ২৮৯
পৃষ্ঠা ২০৫
http://t.me/pathofisla
শরী‘আতের দৃষ্টিতে লাইলাতুল বারা‘আত-
- বিশিষ্ট মুফতী মনসূরুল হক দা.বা.
প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস,
জামিয়া রহমানিয়া,মুহাম্মাদপুর,ঢাকা।
লাইলাতুল বারা‘আতের ফযীলত নির্ভরযোগ্য হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। সম্মিলিত কোন রূপ না দিয়ে এবং এ রাত উদযাপনের বিশেষ কোন পন্থা উদ্ভাবন না করে শক্তি ও সামর্থ্য অনুযায়ী বেশী বেশী ইবাদত করাও নির্ভরযোগ্য রেওয়ায়েত দ্বারা প্রমাণিত। এখানে লাইলাতুল বারা‘আতের ফযীলত ও করণীয় বিষয়ের কিছু হাদীস যথাযথ উদ্ধৃতি ও সনদের নির্ভরযোগ্যতা সহ উল্লেখ করা হলো।
প্রথম হাদীসঃ
হযরত মু‘আয ইবনে জাবাল রাযি. বলেন. নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন আল্লাহ তা‘আলা ১৫ই শা‘বানের রাতে সৃষ্টির দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত আর সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহীহ ইবনে হিব্বান-৫৬৬৫, সিলসিলাতুল আহাদীছিস সহীহাহ-৩/৩১৫)
দ্বিতীয় হাদীসঃ
হযরত আ‘লা ইবনুল হারেস থেকে বর্ণিত, হযরত আয়েশা রাযি. বলেন, রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাযে দাঁড়ান এবং এত দীর্ঘ সিজদা করেন যে, আমার ধারণা হলো তিনি হয়তো মৃত্যুবরণ করেছেন, আমি তখন উঠে তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলী নাড়া দিলাম, তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলী নড়ল। যখন তিনি সিজদা থেকে উঠলেন এবং নামায শেষ করলেন, তখন আমাকে লক্ষ করে বললেন, হে আয়েশা/হুমাইরা! তোমার কি এ আশংকা হয়েছে যে, আল্লাহর রাসূল তোমার হক নষ্ট করবেন? আমি উত্তরে বললাম, না; ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনার দীর্ঘ সিজদা থেকে আমার আশংকা হয়েছিল, আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কিনা? নবীজী জিজ্ঞাসা করলেন. তুমি কি জানো এটা কোন রাত? আমি বললাম. আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। রাসূল তখন ইরশাদ করলেন, এটা অর্ধ শা‘বানের রাত। আল্লাহ তা‘আলা এ রাতে বান্দার প্রতি মনোযোগ দেন এবং ক্ষমাপ্রার্থীদের ক্ষমা করেন ও অনুগ্রহপ্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন। আর বিদ্বেষপোষণকারীদের ছেড়ে দেন তাদের অবস্থাতেই। (শু‘আবুল ঈমান-হাদীস নং- ৩৬৩৫)
তৃতীয় হাদীসঃ
একদা হযরত আয়েশা রাযি. হুযুর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে না পেয়ে খুঁজতে বের হলেন। তাকে জান্নাতুল বাকীতে পেলেন- তখন হুযুর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন ১৪ই শা‘বান দিবাগত রাতে আল্লাহ তা‘আলা প্রথম আকাশে অবতরণ করেন এবং ‘বনূ কালব’ গোত্রের পালিত ছাগল পালের শরীরের পশমের চেয়েও অধিক সংখ্যক বান্দাকে তিনি ক্ষমা করে দেন। (তিরমিযী শরীফ-হাঃ নং ৭৩৯, ইবনে মাযাহ- হাঃ নং ১৩৮৫)
চতুর্থ হাদীসঃ
হযরত আলী ইবনে আবী তালেব রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন অর্ধ শা‘বানের রাত যখন আসে তখন তোমরা এ রাত্রি ইবাদত বন্দেগীতে কাটাও এবং দিনের বেলা রোযা রাখ। কেননা এ রাতের সূর্যাস্তের পর আল্লাহ তা‘আলা প্রথম আসমানে আসেন এবং বলেন, কোন ক্ষমা প্রার্থী আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করব। আছে কি কোন রিযিক প্রার্থী? আমি তাকে রিযিক দিব। এভাবে সুবহে সাদিক পর্যন্ত আল্লাহ তা‘আলা মানুষের প্রয়োজনের কথা বলে তাকে ডাকতে থাকেন। (সুনানে ইবনে মাজাহ-১৩৮৪, শু’আবুল ঈমান-৩৮২৩-২২)
মাত্র কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করা হলো। আরো বহু হাদীস কিতাবে বর্ণিত আছে। উল্লেখিত হাদীস সমূহের সনদ বিষয়ক আলোচনাঃ
১ম হাদীসের সনদ সহীহ, এ জন্য ইমাম ইবনে হিব্বান একে কিতাবুস সহীহ-এ বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুনযিরী, ইবনে রজব, কাস্তাল্লানী, যুরকাবী, নুরুদ্দীন হাইসামী এবং অন্যান্য হাদীস বিশারদ এ হাদীসটিকে আমলযোগ্য সহীহ বলেছেন। (দেখুন! তারগীব তারহীব ২/১১৮, ৩/৪৫৯ লাত্বাইফুল মা‘আরিফ ১৫১-৩, মাজমা‘উয যাওয়ায়েদ ৮/৬৫, শারহুল সাওয়াহিব-১০/৫৬১)
বর্তমানে আহলে হাদীস ভাইদের প্রসিদ্ধ শাইখ নাসীরুদ্দীন আলবানী রহ. সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহাহ ৩/১৩৫-১৩৯-এ এই হাদীসের সমর্থনে আরো আটটি হাদীস উল্লেখ করার পর লেখেন, ‘এ সব রেওয়ায়েতের মাধ্যমে এ হাদীসটি নিঃসন্দেহে সহীহ প্রমাণিত হয়।’ এরপর শাইখ আলবানী রহ. ঐ সব লোকের বক্তব্য খণ্ডন করেন, যারা কোনধরনের খোঁজ-খবর ছাড়াই বলে দেন যে লাইলাতুল বরা‘আতের ব্যাপারে কোন সহীহ হাদীস নেই। তদ্রূপ শাইখ আব্দুর রহমান মুবারকপূরী তুহফাতুল আহওয়াজী -২/৫৩-এ লাইলাতুল বারা‘আতের হাদীসকে আমলযোগ্য প্রমাণিত করেন।
২য় হাদীসটি ইমাম বাইহাকী রহ. বর্ণনা করার পর সনদের ব্যাপারে বলেছেন, ‘মুরসালুন জায়্যিদুন’ অর্থাৎ, আমলযোগ্য।
৩য় হাদীসটি আমলের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য। সকল রাবী সিক্কাত, সনদের মধ্যে ইনক্বিতা থাকায় ইমাম বুখারী রহ. যয়ীফ বলেছেন। (দেখুন! সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহাহ-৩/৩১৮)
৪র্থ হাদীসটির সনদ যয়ীফ কিন্তু মুহাদ্দিসীনে কিরামের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো- ফাযায়েলের ক্ষেত্রে যয়ীফ হাদীস গ্রহণযোগ্য। দেখুন! (কিতাবুল আযকার-৭, ফাতহুল কাদীর-১/৪৬৭, আল আজবিবাতুল ফাযেলাহ-৫৭)
নিচের লিংকে ঢুকে "ইসলামী যিন্দেগী" এপ download করে "আমালুস সুন্নাহ" বইটি সম্পূর্ন পড়তে পারবেন। App size 10 MB
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
এক মিনিটে একটি মাসআলা
মাসআলা ৪ঃ
আখতার বিন কামাল -মিরপুর, ঢাকা
৪৭৭৭. প্রশ্ন
সম্মানিত মুফতী সাহেব হুজুর! আমাদের জানার বিষয় হল :
১. ‘আল্লাহ’ এই সম্মানিত নামটির পরে আমরা যে ‘তাআলা’ শব্দটি ব্যবহার করি, যেমন ‘আল্লাহ তাআলা’- এই তাআলা ব্যবহার করা কি সহীহ, না শুধু আল্লাহই বলব বা লিখব।
২. আর ‘আল্লাহ’ এই সম্মানিত নামটির পর যে ‘তাআলা’ ব্যবহার করি, এই তাআলার অর্থ কী? আর ‘তাআলা’ যদি না লিখি বা না বলি তবে কি ভুল বা গুনাহ হবে? একজন জ্ঞানী বলেন, আল্লাহ তো আল্লাহই; কেন আবার আল্লাহর নামের সাথে তাআলা ব্যবহার করা। যাক যেটা সঠিক সেটাই আমাদের জানিয়ে উপকৃত করবেন।
উত্তরঃ
‘তাআলা’ অর্থ মহান, শ্রেষ্ঠ ও সুউচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন। ‘আল্লাহ তাআলা’ অর্থ আল্লাহ মহান, আল্লাহ সুউচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন। এটি আল্লাহর পবিত্রতা ও মর্যাদাসূচক শব্দ। যা তার নামের সাথে ব্যবহার হয়ে থাকে।
‘আল্লাহ’র নামের সাথে এভাবে সম্মানসূচক ও গুণবাচক কোনো শব্দ যোগ করে বলা বা লেখা মুস্তাহাব। এটা আদবের অন্তর্ভুক্ত। যেমন আল্লাহ তাআলা, আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা, আল্লাহ আয্যা ওয়া জাল্লা, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইত্যাদি। অবশ্য শুধু ‘আল্লাহ’ বলা বা লিখাও জায়েয।
প্রশ্নটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/2924/
মাসিক আল কাউসার
এপ্রিল-মে ২০১৯
http://t.me/pathofisla
যদি সিডি বা ভিডিওর মাঝে কোন আলেমের বক্তৃতা ধারণ করে কম্পিউটার অথবা টিভির মাধ্যমে শোনা হয় আর স্ক্রিনে সেই আলেমের ছবিও ফুটে ওঠে, তাহলে ইসলামী শরীয়তমতে এর অনুমতি রয়েছে কি?
এ ব্যাপারে আমাদের নিবেদন হলো, ইসলামী শরীয়তে প্রাণীর ছবি হারাম। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, এর উপর অভিশাপ দিয়েছেন। এখন যদি বক্তৃতা শোনার সময় স্ক্রীনের উপর ছবি ফুটে ওঠে তাহলে যেই জিনিসকে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অভিশাপ দিয়েছেন, তা জায়েয হওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
অনেক লোকের ধারণা হলো, এই প্রযুক্তিগুলোকে ভালো উদ্দেশ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। তাদের এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ এগুলোর মাধ্যমে অকল্যাণই ছড়াবে, কল্যাণ ছড়াবে না। কেননা শুধু দ্বীনি তথ্য সরবরাহ করা ইসলামী শরীয়তের উদ্দেশ্য নয়। বরং ইসলাম প্রচারের আসল উদ্দেশ্য হলো, আল্লাহোভিমুখী হওয়া। আল্লাহ্র ভয় জাগ্রত করা। নিজের মানসিকতা পবিত্র করা। চেতনা পরিশুদ্ধ করা। পরকালের চিন্তা উদ্বেলিত করা। এই উদ্দেশ্যগুলো টিভি অথবা গুণাহের অন্যসব যন্ত্র দিয়ে অর্জন করা সম্ভব নয়।
এ কারণে উলামায়ে কেরামের দায়িত্ব হলো, ইসলাম প্রচারের জন্যে তারা শুধু জায়েয পদ্ধতিই গ্রহণ করবেন। একমাত্র এটিই আল্লাহ্র কাছে কবুল হবে। শুধু এর মাধ্যমেই তাঁর কাছে সাওয়াব পাওয়া যাবে। এগুলো ছেড়ে অন্য কোন অবৈধ পদ্ধতি গ্রহণ করা বুদ্ধিমানের পরিচয় হবে না। অন্যের জন্যে নিজের আখেরাত নষ্ট করা চরম নির্বুদ্ধিতা ছাড়া কিছু নয়।
এভাবে সাধারণ মুসলমানদেরও দায়িত্ব হলো, নিজের প্রবৃত্তির আনুগত্যের পরিবর্তে পবিত্র শরীয়তের অনুসরণ করুন। দ্বীন শিখুন শরীয়তের সীমার ভেতরে থেকে। আর এর উপরই আমল করুন। শয়তানী ও রহমানী উভয় নৌকায় পা দেয়া থেকে বিরত থাকুন। এমন নয় যে, হাতের কাছে যখন যেটি পাবেন, সেটিতেই উঠে বসবেন।
প্রত্যেক মুসলমানের জন্যে শুধু এক আল্লাহ্র নির্দেশ পালন করাই দায়িত্ব।
ডিজিটাল ছবি ও ইলেকট্রিক মিডিয়া সম্পর্কে ইসলামের বিধান
পৃষ্ঠা ১১০-১১১
মূলঃ মাওলানা মুফতী ইহসানুল্লাহ শায়েক
মুফতীঃ জামিয়াতুর রশীদ আহসানাবাদ, করাচী, পাকিস্তান
অনুবাদঃ মাওলানা আবদুল্লাহ আল ফারূক
উসতাযুল হাদীছ, দারুল উলূম রামপুরা, ঢাকা
প্রকাশনায়ঃ মাকতাবাতুল আযহার
আদর্শনগর,মধ্যবাড্ডা, ঢাকা
প্রকাশকালঃ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ঈসায়ী
http://t.me/pathofisla
মোবাইলের স্ক্রিনে ছবি সেভ
করে রাখা৷
প্রশ্ন
মোবাইলের স্ক্রিনে পুরুষ বা
মহিলার ছবি সেভ করে রাখার হুকুম
কী?
উত্তর:
স্ক্রিনে ছবি সেভ করে রাখলে
ছবির প্রদর্শনী হয় এবং ছবি খুলে
রাখা হয়। যা রহমতের ফিরিশতার
আগমন থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণ।
এছাড়া শরীয়তে ছবির প্রকাশ ও
প্রদর্শন নিষেধ করা হয়েছে। অতএব,
স্ক্রিনে মানুষ বা কোন প্রাণীর
ছবি সেভ করে রাখা থেকে বিরত
থাকা জরুরি।
আর স্ক্রিনের ছবিটি
যদি কোনো মহিলার হয় তবে
গায়রে মাহরামদের জন্য ছবিটি
দেখা এবং অন্যদের দেখানোর
ভিন্ন গুনাহ হবে। এতে ছবি
প্রদর্শনের গুনাহ ছাড়া পর্দা
লংঘনের গুনাহ হয়। তাই এ থেকে
বিরত থাকা আরো বেশী জরুরি।
-সহীহ বুখারী ২/৮৮০; আলমাদখাল
ইবনুল হাজ ১/২৭৩; বাদায়েউস
সানায়ে ১/৩০৪; ফাতাওয়া
হিন্দিয়া ৫/৩৫৯
- উত্তর প্রদানে
মুফতী মেরাজ তাহসীন দা: বা:
Telegram এ "দ্বীনী মজলিস" চ্যানেলে জয়েনের জন্য টাচ করুন নিচের লিংকে
t.me/dinimazlis
(এ চ্যানেলে মাসিক আলকাউসার পত্রিকাসহ সমকালীন গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী বিষয় পোস্ট করা হয়।)
মুহিউস সুন্নাহ হযরত মাওলানা শাহ্ আবরারুল হক্ব রহঃ ইরশাদ করেনঃ
এক ব্যক্তি আমার দ্বারা রিযিক বৃদ্ধির দু‘আ করিয়ে অযীফা নিয়ে যায়, কিন্তু কোন ফল না হওয়ার কথা জানায়। আমি তাকে বলি, দু’টি ট্রাক সামনা-সামনি পরস্পরে ঠেলাঠেলি করলে কেউ গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে পারে না। অযীফাও চালু গুনাহও চালু উদ্দেশ্য হাসিল হবে কি করে?
মালফূযাতে মুজাদ্দিদে দ্বীন
-মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ
মালফূয ৯৩
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
সুশ্রী বালকদের থেকে সাবধান থাকা। (৮.৯ এমবি)
-আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ ইসমাঈল কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ
http://t.me/pathofisla
আইনুল হক,
ভারত।
557 নং উত্তর:
কাজা নামাজ সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
ইসলাহে নফসের জন্য বই-পুস্তক দেখে দেখে আমল করা যথেষ্ট নয়
জনৈক ব্যক্তি একটি কিতাব থেকে তাওয়াযু বা বিনয় বিষয়ক আলোচনা হুবহু লিখে থানভী রহঃ এর নিকট পাঠান। তিনি জানান সেই কিতাবী বক্তব্যের আলোকে আমি আমল করতে চাই। দয়া করে হুজুর জানাবেন- এটা ঠিক আছে নাকি ভুল। এর জবাব দিয়েছিলেন হযরত থানভী রহঃ নিম্নোক্ত ভাষায়।
বিশ্লেষণঃ মনে রাখবেন চিকিৎসা বিষয়ক বই পুস্তক চিকিৎসকদের জন্য, রোগীদের জন্য নয়। রোগীদের জন্য তো চিকিৎসকের কথাই কিতাব। আপনার মতো বুযুর্গদের দায়িত্ব হল শুধু কিতাব ও বই-পুস্তক দেখে আমল না করা। বরং নিজের অবস্থা কোনো মুসলিহ (সংশোধনকারী পীর) এর কাছে তুলে ধরে তার চিকিৎসা জিজ্ঞাসা করে নেওয়া। অবশ্য মুসলিহ যদি কোনো কিতাব বা বই পড়ার জন্য নির্দেশনা দেন তবে ঐ কিতাব পড়াটা মুসলিহের বক্তব্য শোনার মতোই উপকারী হবে।
তারবিয়াতুস সালিক
-হযরত থানভী রহঃ
১ম খণ্ড, ১৯০ পৃষ্ঠা
http://t.me/pathofisla
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৭)
হাকীমুল উম্মত মাওলানা শাহ্ আশরাফ আলী থানভী রহঃ এর সময়ের মূল্যায়ন
তিনি বলতেনঃ সময়সূচী মেনে চলা বাল্যকাল থেকেই আমার জন্মগত অভ্যাস, যা এখনও যথারীতি সজীব রয়েছে। দ্বীনের যে পরিমাণ খেদমত আল্লাহ্ আমার দ্বারা নিয়েছেন, বলতে গেলে সেটা একমাত্র এরি ফলশ্রুতি এবং এরি বরকতে। এ পর্যায়ে সময়ের একটা মুহূর্ত বেকার নষ্ট হয়ে যাওয়ার ক্ষতি সহ্য করা আমার জন্য বড় কষ্টকর।
একবার আমার সম্মানিত ওস্তাদ শাইখুল হিন্দ হযরত মাওলানা মাহমূদুল হাসান সাহেব দেওবন্দ থেকে থানাভবন তাশরীফ নিয়ে আসেন। তাঁর যথাযথ আদর-আপ্যায়নে কোন প্রকার ত্রুটি করেছি বলে আমার মনে পড়ে না। সাধ্যমত যথাযোগ্য ব্যবস্থা করেছি। রুটিন অনুযায়ী লিখার সময় হলে আমি সবিনয়ে আরয করলামঃ হযরত! আমার লিখার সময় ঘনিয়ে এসেছে। এ সময়ে আমি কিছু লিখে থাকি। অনুগ্রহপূর্বক অনুমতি দিলে কিছুক্ষণ লিখে পুনরায় খেদমতে উপস্থিত হওয়ার ইচ্ছা। তিনি বললেনঃ অবশ্যই লিখবে। আমার কারণে তোমার লিখায় ক্ষতি হোক এটা আমি চাই না।
আমি চলে এলাম। কিন্তু মনে উদাস উদাস ভাব, লিখায় মন বসতেই চায় না। তা সত্ত্বেও ধারাবাহিকতা ছিন্ন হয়ে বরকত ছুটে যাওয়ার আশংকায় বিরতি দেয়া আমি সমীচীন মনে করিনি। সামান্য কিছু লিখেই আমি খেদমতে উপস্থিত হয়ে গেলাম। তিনি অবাক হয়ে বললেনঃ এত শীঘ্র এসে গেলে! আরয করলামঃ হযরত! মাত্র কয়েক লাইন লিখেছি। ধারাবাহিকতা যাতে ব্যাহত না হয়। নিয়ম এতেই পুরা হয়ে গেছে।
'মাআছেরে হাকীমুল উম্মত' এর বাংলা সংস্করণ 'মুজাদ্দিদে মিল্লাত'
মূলঃ আরেফবিল্লাহ ডাঃ মুহাঃ আবদুল হাই রহঃ (হযরত থানভী রহঃ এর বিশিষ্ট খলিফা)
অনুবাদঃ মাওলানা আবু আশরাফ
প্রকাশনায়ঃ এমদাদিয়া লাইব্রেরী
চকবাজারঃ ঢাকা
পৃষ্ঠা ৪১
http://t.me/pathofisla
আমাদের প্রতিটি মা-বোন যদি এমন হতো.........
চমৎকার শিক্ষণীয় সাক্ষাৎকারঃ দাম্পত্য জীবন যেভাবে মধুর হয় (হযরত মাওলানা কাজী মু‘তাসিম বিল্লাহ রাহ.-এর মুহতারামা সহধর্মিণীর সাক্ষাৎকার)
মাসিক আল কাউসার
মে-জুন ২০১৬ ঈসায়ী
http://t.me/pathofisla
