uz
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Kanalga Telegram’da o‘tish

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Ko'proq ko'rsatish
801
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
Ma'lumot yo'q7 kunlar
-130 kunlar
Postlar arxiv
কীর্তি রেখে গেছেন। তার ধর্মীয় ও একাডেমিক সেবা এবং ধর্মীয় জ্ঞানের প্রচারের জন্য যুগ যুগ মানুষ তাকে স্মরণ করবে।’ প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, ‘মাওলানা রফি উসমানি সারা জীবন ইসলামী শিক্ষার প্রসারে জীবন উৎসর্গ করেছেন। তার ধর্মীয় ও সমাজসেবার অবদান চিরকাল মানুষ স্মরণ করবে। মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের জন্য তিনি যে মেহনত করে গেছেন তা জাতি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করবে’। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান বলেছেন, ফিকহ, হাদিস ও তাফসিরের ক্ষেত্রে মুফতি রফি উসমানির মূল্যবান সেবা প্রদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমি মনে করি, তিনি পৃথিবীর সামনে ইসলামের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরেছেন। সিন্ধুর গভর্নর কামরান তেসোরিও এক শোকবার্তায় বলেন, ‘এটি শুধু পাকিস্তান নয়, ইসলামিক বিশ্বের জন্য একটি বড় ক্ষতি। ধর্মীয় শিক্ষার প্রচারে মুফতি সাহেবের অবদান অতুলনীয়।’ পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মিয়া পারভেজ ও সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলী শাহ তার অবদান তুলে ধরে শোক প্রকাশ করেন। মাওলানা মুফতি রফি উসমানির সাথে আমার একটি ছোট্ট স্মৃতি আছে। আজ থেকে ২০ বছর আগে তিনি বাংলাদেশ সফর করেন এবং চট্টগ্রাম পটিয়া জামিয়া ইসলামিয়ার আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। মাদরাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা হারুন ইসলামাবাদীর অনুরোধে রফি উসমানি সাহেবের উর্দু বক্তৃতা তাৎক্ষণিক অনুবাদ করেছিলাম। উসমানি সাহেব পরে আমাকে বলেন, ‘আমি যদিও বাংলা বুঝি না তবে আপনার দেহভঙ্গি ও বক্তব্যের উচ্ছ্বাস দেখে মনে হলো অনুবাদ যথার্থ হয়েছে। অনুমিত হলো, আমার কথা দিয়ে আপনি নিজেই বক্তব্য রাখছেন’। তার সালাতে জানাজায় সিন্ধু প্রদেশের গভর্নর কামরান তেসোরি, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের আমির মাওলানা ফজলুর রহমান, করাচি জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ নাঈমুর রহমানসহ দেশের শীর্ষ আলেম ও একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। মুফতি রফি উসমানি বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। ১৮ নভেম্বর রোজ জুমাবার তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ইন্তেকালের সময় তার বয়স ছিল ছিয়াশি বছর। আমরা তার মাগফিরাত কামনা করি। লেখক : অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও গবেষক। drkhalid09@gmail.com সূত্রঃ নয়া দিগন্ত

চলে গেলেন মুফতি রফি উসমানি ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন ২৫ ডিসেম্বর ২০২২, ২০:০৭ পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে গেছেন বিশ্ববরেণ্য আলেম, পাকিস্তানের গ্র্যান্ড মুফতি ও করাচি দারুল উলুমের প্রধান পরিচালক মাওলানা মুফতি রফি উসমানি (রহ.)। জীবদ্দশায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তন্মধ্যে কেন্দ্রীয় ওলামা কাউন্সিলের সদস্য, পাকিস্তান ইসলামী নযরিয়াতি কাউন্সিলের সদস্য, সিন্ধু প্রদেশের জাকাত কাউন্সিলের সদস্য, শরিয়াহ আদালত বেঞ্চ ও উচ্চ আদালতের উপদেষ্টা এবং শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া পাকিস্তানের ভাইস প্রেসিডেন্ট। এ ছাড়া তিনি এনইডি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি এবং করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে ভারতের উত্তর প্রদেশের দেওবন্দে জন্মগ্রহণ করেন। বিশ্বখ্যাত মুফাসসিরে কুরআন আল্লামা মুফতি শফি (রহ.) ছিলেন তার বাবা এবং শায়খুল ইসলাম মুফতি তকি উসমানির বড় ভাই। দেশ বিভাগের পর তারা পারিবারিকভাবে করাচিতে থিতু হন। ১৯৬০ খ্রি. দারুল উলুম করাচি থেকে দাওরায়ে হাদিস কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন। একই বছর দারুল উলুম করাচিতেই উচ্চতর ফিকহ ও ফতোয়া বিভাগে গবেষণা করেন। ১৩৭৮ হিজরিতে পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি থেকে ফাজিল ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি সমসাময়িককালের অনেক কীর্তিমান ব্যক্তিদের শিষ্যত্ব, সান্নিধ্য ও ইজাজত লাভে ধন্য হন। মুফতি আজম মুহাম্মদ শফি, মুফতি রশিদ আহমদ লুধিয়ানভি, মাওলানা আকবর আলী সাহারানপুরি, মাওলানা সাহবান মাহমুদ, মাওলানা সালিমুল্লাহ খান, শায়খ হাসান আলমাশশাত (মক্কা মুকাররমা), আল্লামা ইদরিস কান্ধলভি, শাইখুল হাদিস আল্লামা যাকারিয়া কান্ধলভি, আল্লামা কারি তাইয়েব, আল্লামা যফর আহমদ উসমানি প্রমুখ তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। শিক্ষকতার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয় দারুল উলুম করাচিতে। সহিহ মুসলিমসহ দারসে নিজামির গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থাদি তিনি পাঠদান করেন। ১৯৮৬ সালে দারুল উলুমের প্রধান পরিচালক নিযুক্ত হন। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত ছিলেন। বিশ্বের নানা প্রান্তের হাজারো আলেমের শিক্ষক তিনি। এশিয়া ও মধ্য এশিয়ার দেশে দেশে ছড়িয়ে আছেন তার অগুনতি ছাত্র, ভক্ত ও অনুগামী। তিনি শুধু পাকিস্তানেরই নন; বরং গোটা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ একজন গবেষক আলেম ছিলেন। তিনি ছিলেন একাধারে ফকিহ, মুফাসসির ও লব্ধপ্রতিষ্ঠ লেখক। তার রচিত বইয়ের সংখ্যা অন্তত ৩০টি। এগুলো হলো। ১. ফাতাওয়া দারুল উলুম করাচি, ২. ফিকহি রাসায়েল, ৩. দারসে মুসলিম, ৪. হায়াতে মুফতিয়ে আযম, ৫. নাওয়াদিরুল ফিকহ, ৬. মেরে মুরশিদ হযরত আরেফি, ৭. ইসলাহি তাকরিরেঁ, ৮. ফিকাহ মে ইজমা কা মাকাম, ৯. রফিকে হজ, ১০. হজ কে বাদ জিন্দেগি কেইসে গুযারেঁ, ১১. হাজিওঁ কু চান্দ নসিহতেঁ, ১২. ইলমুছ ছিগাহ উর্দু, ১৩. আলামাতে কিয়ামত, ১৪. আম্বিয়া আ: কে সার জমি মে, ১৫. কিতাবাতে হাদিস, ১৬. আওরাত কি সারবরাহি, ১৭. দো কওমি নাযরিয়া, ১৮. ইয়ে তেরে পুর আছরার বন্দে, ১৯. ইউরোপ কে তিন মাআশি নিযাম, ২০. ইসলাম মে গোলামি কা তাছাওয়র, ২১. ইখতিলাফ রহমত, ফিরকাবন্দী হারাম, ২২. মাসলাকে দেওবন্দ, ২৩. ফিতনায়ে ইনকারে হাদিস, ২৪, ইত্তেবায়ে সুন্নাত কি আহাম্মিয়ত, ২৫. মুস্তাহাব্বাত, ২৬. কাম চুরি, আল্লাহ কা এক আযাব, ২৭. তাওবা কি হাকিকত, ২৮. মাহে রামাযান, ২৯. জান্নাত কা আসান রাস্তা, ৩০ তারিখকে দারিচৌঁ ছে। মুফতি রফি উসমানির দৃষ্টিভঙ্গি ছিল বৈশ্বিক। ফিলিস্তিনি, কাশ্মিরি, চেচেন, রোহিঙ্গা ও উঁইঘুর মুসলমানদের মুক্তির পক্ষে তিনি জোরদার বয়ান করে জনমত সংগঠিত করেন। আফগানিস্তানে বৈদেশিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তার ভূমিকা ছিল সব সময় সোচ্চার। ১৯৮০ সালে তিনি সোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে জিহাদে অংশগ্রহণ করেন। আফগানিস্তানে মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তিনি সর্বদা সরব ছিলেন। তিনি সারা জীবন পারস্পরিক ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে মুসলমানদের কালিমা তৈয়েবার পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়াস চালান। তিনি মনে করতেন, ইখতিলাফের মাত্রা যত কমিয়ে আনা যায় তত মঙ্গল। সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফের আমলে সেনা অভিযানের মুখে জামিয়া হাফছাকে নিয়ে সৃষ্ট সঙ্কট নিরসনে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন। তার প্রচেষ্টায় জাতীয় ইস্যুতে বিভিন্ন ঘরানার ও চিন্তাধারার আলেম ওলামাদের নিয়ে বৈঠক করে যৌক্তিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতেন। তিনি দেওবন্দী ঘরানার প্রতিনিধিত্বশীল নেতা হয়েও বেরলভি, জামায়াতে ইসলামী, আহলে হাদিস, শিয়া জাফরি ও মাজারের মুতাওয়াল্লিদের সাথে আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্ক বহাল রেখে চলতেন। তার ঔদার্য ও ওহাদাতে উম্মতের চেতনা তাকে জনপ্রিয় করে তোলে। পাকিস্তানের সরকার, সরকারি দল, বিরোধীদল, প্রশাসনের লোকজন মুফতি রফি উসমানিকে সম্মান ও সমীহের চোখে দেখতেন। তার ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। তিনি বলেন, ‘মুফতি রফি উসমানি ফিকহ, হাদিস ও তাফসির ক্ষেত্রে মূল্যবান

আমার সঙ্গে যারা সম্পর্ক রাখেন, যারা ছবির ব্যবসা করেন, ছবি তোলেন, ভিডিও করেন এরকম কোন লোক আমার খলীফা না। কোন মানুষ এরকম আমার খেলাফতের দাবি করলে সে বেহুদা কথা বলতেছে। আমি আমার আকাবিরের রাস্তার উপরে আছি আলহামদুলিল্লাহ। যে ছবি তোলে, ভিডিও করে ওয়াজ মাহফিলে, বয়ান-বক্তৃতায় যেখানেই, এরকম কোন মানুষ আমার খলীফা না। তার খেলাফত সম্পূর্ণ বাতিল গণ্য হবে। দ্বীন উদ্দেশ্য, দ্বীন মুকাদ্দাম, দ্বীনের আযমত ঊর্ধ্বে। কোন ব্যক্তির চেহারা পূজা করার জন্য আল্লাহ্ আমাদেরকে বানাননি। আল্লাহ্ তো আল্লাহ্পাকের বন্দেগীর জন্য আমাদেরকে বানিয়েছেন। আর আল্লাহর বন্দেগী হলো আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের কথা মানা, হুকুম মানা, হেদায়েত মানা, দিক নির্দেশনা মানা। এক একজন বলে যে, আপনার অমুক খলীফা ছবি তোলে। যে ছবি তোলে সে আমার খলীফা না। যে ভিডিও করে সে আমার খলীফা না। সে নিজের নফসের গোলামিতে লিপ্ত আছে। আকাবিরের রাস্তার উপরে যে নাই আমি তাকে খেলাফত দিয়ে দিয়েছি আগে, কিন্তু সে আমাদের আকাবিরের রাস্তার বিরুদ্ধে লেগেছে তার খেলাফত বিলকুল বাতিল। সে কখনোই আমার খলীফা না। তার ইজাযত বিলকুল বাতিল। খেলাফত কি করবে তরবিয়ত না থাকলে? #KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain

*"প্রতি কথার বিনিময়ে একেক বছরের নফল ইবাদত" #এটা_বলা #ঠিক_না।* প্রশ্ন : তবলীগের বয়ানে একটি কথা খুব বলতে শোনা যায়, তাহল, দ্বীনের প্রতিটি কথা বলা এবং শোনার দ্বারা এক বছরের নফল ইবাদতের সওয়াব হাসিল হয়। উক্ত কথাটির কোন ভিত্তি আছে কি না? উত্তর : আমরা আমাদের সাধ্যানুপাতে খোঁজেও উক্ত কথার কোন বিশুদ্ধ সূত্র খুঁজে পাইনি। তাই উক্ত কথা বলার অনুমতি আমরা প্রদান করতে পারছি না। যারা উক্ত কথাটি বলেন, তাদের দায়িত্ব উক্ত কথাটির বিশুদ্ধ সূত্র উল্লেখ করা। বিশুদ্ধ সূত্র উল্লেখ করা ব্যতিত নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস হিসেবে উপরোক্ত কথাটি বলা কিছুতেই সঙ্গত হবে না। ، ﻋَﻦِ ﺍﻟﻤُﻐِﻴﺮَﺓِ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ، ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: »ﺇِﻥَّ ﻛَﺬِﺑًﺎ ﻋَﻠَﻲَّ ﻟَﻴْﺲَ ﻛَﻜَﺬِﺏٍ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﺣَﺪٍ، ﻣَﻦْ ﻛَﺬَﺏَ ﻋَﻠَﻲَّ ﻣُﺘَﻌَﻤِّﺪًﺍ، ﻓَﻠْﻴَﺘَﺒَﻮَّﺃْ ﻣَﻘْﻌَﺪَﻩُ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨَّﺎﺭِ হযরত মুগীরা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, নিশ্চয় আমার উপর মিথ্যারোপ করা অন্য ব্যক্তির উপর মিথ্যারোপ করার মত নয়। যে ব্যক্তি ইচ্ছেকৃতভাবে আমার নামে মিথ্যা কথা বলে, তার ঠিকানা হবে #জাহান্নাম। [বুখারী, হাদীস নং-১২৯১] #নসিহত দু’ একজন ব্যক্তির ভুল কথার কারণে দাওয়াত ও তাবলীগের মকবুল মেহনতের কোন ক্ষতি হয় না। ব্যক্তির ভুলের কারণে #তাবলীগের মত বিশ্বনন্দিত ও মকবুল মেহনত সম্পর্কে খারাপ ধারণা পোষণ করা যাবে না। মাসায়েল ও হাদীসের তাহকীকের ক্ষেত্রে গবেষক উলামা ও মুহাদ্দিস আলেমদের শরাপন্ন হই। তাহলে ইনশাআল্লাহ ভুল আমল ও ভুল কথা থেকে আমাদের ঈমান ও আমল হিফাযত হবে। (মুফতী লুৎফুর রহমান ফরায়েজী দা.বা. , পরিচালক-তালীমুল ইসলাম) • ────── ✾ ────── • Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* 🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁 https://chat.whatsapp.com/BBOCBTjt0s4GaEUecY4gRM *আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹 *আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹

18-9-2022 Photo charkutub Kendriyo Jame Masjid, Shubhadha South Keranigonj Dhaka তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর ফটো তোলাতুলি থেকে বিরত থাকার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। #KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain

আল্লাহর কাছে অত্যন্ত ঘৃনিত একটি কথা হলঃ ‘একজন আমাকে যুক্তিসঙ্গত কারণেই বলল (اتَّقِ اللَّهَ) আল্লাহকে ভয় করো’ আমি নসিহা হজম করতে না পেরে, অহংকারে ফেটে পড়ে মুখের ওপর বলে দিলাম, ‘আগে নিজে ঠিক হও’। collected

বিয়ে নবায়নের পদ্ধতি কামালাতে আশরাফিয়া থেকে মালফূয নং ১৭৫ হযরত থানভী রহঃ বলেন, ইমান নবায়নের জন্যে শুধুমাত্র দু'-চারজন লোকের সামনে জোরে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ' বলা এবং নিজের ভুলের জন্যে অনুতাপ প্রকাশ করা যথেষ্ট। আর বিয়ে নবায়নের জন্যে সবার সামনে ঘোষণা দেওয়ারও প্রয়োজন নেই, খুতবারও প্রয়োজন নেই, কাজীরও প্রয়োজন নেই এবং পাঁচ কালেমা পড়ারও প্রয়োজন নেই। বরং ঘরোয়া কোনো বৈঠকে দু'জন লোকের সামনে 'ইজাব-কবুল' করলেই হয়ে যাবে। http://t.me/pathofisla

উত্তরায় এক অ্যাপার্টমেন্টের ১০ তলা থেকে লাফিয়ে মরেছে এক তরুণী। মরার আগে চিরকূট লিখে গেছে বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ। শ্লীলতাহানির অভিযোগ। ইসলাম তো আরও উচ্চাদর্শের জায়গা, বাংলাদেশের বিশেক বছর আগের যে সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ ছিলো সেখানে পিতা ও সন্তানের সম্পর্ক ছিলো নিরাপদ দূরত্ব, সম্মান ও সমীহবোধের। সম্পর্কের মাঝে একটা আড় ছিলো। সেটা ভাঙ্গার জন্য শুয়োরের পালেরা উঠেপড়ে লাগলো, বিজ্ঞাপনে দেখালো, একটি মাসের বিশেষ সময়ের প্রয়োজনে নিত্যপণ্যটি বাবারা কিনে আনাটা সম্পর্কের দূরত্ব ঘোঁচায়। মানসিক দূরত্ব দূর করে কাছে আনে। নাটক, সিনেমা, পত্রিকাতেও বিষয়গুলো যথেষ্ট নমনীয় হিসেবে প্রচার হয়েছে। যে বাঁধ শরীয়ত আর স্বাভাবিক মূল্যবোধ স্থাপন করেছিলো সেটা ভাঙ্গার ফলে যা ঘটছে সেটা আপনারা দেখছেন। শরীয়ত বলে সন্তান ও পিতা বিনা প্রয়োজনে নির্জনে এক রুমে অবস্থান করবে না। নিষেধাজ্ঞা আছে। ছি, ছি, বাবা এমন হতে পারে নাকি। বাবাকে নিয়ে আপনার সন্দেহ করেন ছি ছি! না। সন্দেহ করি না, সতর্কতা বজায় রাখি। সতর্কতাঃ বজায় রাখতে গিয়ে আমরা আদর্শ বাবা হই। আর আপনারা সম্পর্কের আড় ভাঙতে গিয়ে রেপিস্ট হন। আপনি আপনার সন্তানের 'ধর্ষক' হবেন নাকি 'রক্ষক' হবেন, সেটা ঠিক করার দায় আপনার। collected Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♦♦♦ https://chat.whatsapp.com/DFAet3iiqoX8wcQ3X7J7A1 *আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹 *আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹

প্রাণীর ছবি তোলা বিলকুল হারাম। সবটাই লানত এবং সবটাই গুনাহে কবিরা। -মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. খতিব, বাইতুল হক জামে মসজিদ, ঢালকা নগর, ঢাকা।

*প্রাণীর ডিজিটাল ছবির হুকুম কি?* মুফতী ইউসুফ লুধিয়ানভী শহীদ রহ. টিভি ও ভিডিও ফিল্মের ক্যামেরা দিয়ে যেই ছবি তোলা হয়, আপাতদৃষ্টিতে যদিও তা দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু তা ভেতরে অবশ্যই সংরক্ষিত আছে। এগুলোকে টিভিতে দেখা যাবে, দেখানোও যাবে। একে অবশ্যই তাসবীর (ii) বা ছবির বিধান থেকে বের করা যাবে না। বড়জোর এতটুকু বলা যেতে পারে যে, হাত দিয়ে ছবি তৈরির প্রাচীন রীতির পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক। উন্নতি ছবি তোলার একটি সূক্ষ্ম পদ্ধতি আবিস্কার করেছে। কিন্তু ইসলামী শরীয়ত যখন ছবিকে হারাম অভিহিত করেছে, তখন ছবি তোলার যেরকম পদ্ধতিই আবিষ্কৃত হোক না কেনো, সেই ছবি অবশ্যই হারাম হবে। আমার অভিমত হলো, হাত দিয়ে বানানো ছবির তুলনায় ভিডিও ফিল্ম ও টিভিতে অনিষ্টতা ও জঘন্যতার পরিমাণ অনেক বেশি। টিভি ও ভিডিও ক্যাসেটের মাধ্যমে আজ প্রতিটি ঘর সিনেমা হল হয়ে গেছে ...। আজ বুঝে আসছে যে, ছবির বিরুদ্ধে ইসলামী শরীয়ত কেনো এতো কঠোর? কেনো শরীয়ত ছবি তোলাকে হারাম বলেছে? ছবি তৈরিকারীকে কেনো অভিশপ্ত ও কিয়ামতের দিন সবচে' বেশি দ-প্রাপ্ত বলেছে? টিভির মাধ্যমে ওঠে আসা নির্লজ্জতা ও অশ্লীলতার এই সর্বগ্রাসী সয়লাবকে জায়েয ও হালাল অভিহিত করার কোনো সুযোগই নেই । বাকি থাকলো একটি কথা। অনেকে বলে বেড়ায় যে, টিভি কিছুটা হলেও তো উপকার রয়েছে। আরে ভাই! মদ, শূকর, সূদ ও জুয়ায় কি কিছুটা উপকার নেই? কিন্তু কুরআনুল কারীম তো এই সমস্ত উপকারীতার ওপর এভাবে রেখা টেনে দিয়েছে, gallone saj; [আর এ দু'টির লাভের চে' গুনাহের পরিমাণ বড়]। অনেককে এই যুক্তি দিতেও শোনা যায় যে, ভিডিও ফিল্ম ও টিভির মাধ্যমে ইসলাম প্রচারের কাজ করা হচ্ছে। আমাদের এলাকায় টিভিতে ইসলামী প্রোগ্রাম সম্প্রচারিত হয়। তাদের কাছে বিনয়ের সাথে আমার জিজ্ঞাসা যে, এই দ্বীনি প্রোগ্রামগুলো দেখে কয়জন অমুসলিম ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নিয়েছেন? কয়জন বেনামাযী নামাযী হয়েছেন? কয়জন গুনাহগার তাওবা করে সাচ্চা মুসলমান হয়ে গেছেন? এগুলো স্রেফ ধোকা। অশ্লীলতার এই যন্ত্রটি আদ্যোপান্ত সত্তাগত নাপাক, এটি অভিশপ্ত। এটির নির্মাতা দুনিয়া ও আখেরাতে অভিশপ্ত। এধরণের ইসলাম প্রচার আমাদের কোন কাজে আসবে? বরং টিভির এই দ্বীনি প্রোগ্রাম বিভ্রান্তি ছড়ানোর একটি স্বতন্ত্র মাধ্যম। শি’আ, মির্যায়ী, ধর্মত্যাগী, কমিউনিস্ট এবং অপরিপক্ত ইলমধারী লোকেরা এই দ্বীনি প্রোগ্রামগুলোর জন্যে টিভিতে যায়। মুখের ওপর সত্য-মিথ্য, কাচা-পাকা যাই উঠে আসে, উগড়ে দেয়। তাদের মুখে লাগাম লাগানোর মতো কেউ নেই। তাদের কথাগুলোর কোনটি সত্য আর কোনটি মিথ্যা? তা নির্ণয় করারও কেউ নেই। এখন বলুন, এতে কি ইসলামের প্রচার হচ্ছে, না কি ইসলামের সৌন্দর্য বিমোহিত চেহারাকে বিকৃত করা হচ্ছে? বাকি থাকলো একটি কথা যে, অমুক অমুক লোক এ কথা বলেছে, এ কাজ করেছে । এটি আমাদের জন্যে জায়েয হওয়ার প্রমাণ হতে পারে না । মহান আল্লাহই সর্বজ্ঞানী । - মুহাম্মাদ ইউসুফ [আল্লাহ তাঁকে ক্ষমার চাদরে জড়িয়ে নিন] ২০/১১/১৪০৬ মূল: মুফতি ইহসানুল্লাহ শায়েখ "ডিজিটাল ছবি ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া সম্পর্কে ইসলামের বিধান" অনুবাদ: আব্দুল্লাহ আল ফারুক Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♦♦♦ https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z *আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹 *আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹

আজ সোমবার ০২ মুহাররম ১৪৪৪ হিজরী ১৭ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ ১ আগস্ট ২০২২ ঈসায়ী ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি রসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে তাঁকে বলল, ‘আল্লাহ ও আপনার ইচ্ছা।’ তিনি বললেন, তুমি কি আমাকে আল্লাহর সাথে শরীক (ও সমকক্ষ) করে ফেললে? বল, একমাত্র আল্লাহরই ইচ্ছা। -বুখারীর আদাব ৭৮৩, নাসাঈর কুবরা, ১০৮২৫, বাইহাক্বী ৫৬০৩, ত্বাবারানী ১২৮২৯ সনদ সহীহ আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন alokitojibon.ga

ইউটিউবে দ্বীন শেখার দরকার নেই। যার গন্ডারের চামড়ার মতো অনুভূতিহীন নাক আছে , সেই কেবল ময়লার ভাগাড়ের মধ্যে বসে খানা খেতে পারে।

রুমে লোক না থাকলেও বাতিল জ্বলে ও ফ্যান ঘোরে। পোস্ট অপারেটিভ কক্ষ, কেবিন ব্লক, লাইব্রেরি, থেকে শুরু করে সবগুলো ওয়ার্ডের সামনের বারান্দা, করিডর ও সিঁড়িতে রাতদিন অপ্রয়োজনে বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে। হাসপাতালের আনসার সদস্য সাহাবুদ্দিন, রেজাউল করিম, প্রশান্ত ও বেশ কয়েকজন চিকিৎসক-নার্সের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, লাইট-ফ্যান ওয়ার্ড মাস্টার দেখে। এ ব্যাপারে কথা বলতে পঙ্গু হাসপাতালের পরিচালকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘুরে সেখানেও প্রায় সবখানে দিনের বেলায় লাইট-ফ্যান চলতে দেখা যায়। একাধিক রোগীর স্বজন যুগান্তরকে বলেন, ওয়ার্ডগুলোতে ফ্যানের দরকার হলেও দিনের আলোতে বারান্দা ও কক্ষে লাইটের দরকার পড়ে না। কিন্তু বিনা কারণে অনেক লাইট-ফ্যান চললেও দেখার কেউ নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. বেলাল হোসেন যুগান্তরকে বলেন, কোনো কোনো হাসপাতালের কিছু জায়গায় দিনের বেলাতেও লাইট না জ্বালালে অন্ধকার থাকে, যেখানে আলোর প্রয়োজন হয়। অনেক সময় করিডর, বারান্দা, প্যাথলজি ল্যাব, ব্লাডব্যাংকের সামনে রোগীর স্বজনরা লাইট-ফ্যান ব্যবহার করেন। অপ্রয়োজনে অপচয়, ঠিক নয়। একজন সুনাগরিকের গুণাবলিও এটা নয়। প্রধানমন্ত্রী অপচয় বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছেন। ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষসহ সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। অপচয় রোধে পরিচালকদের সঙ্গে কথা বলা ও খোঁজ নেওয়া হবে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, হাসপাতালের কাজ জরুরি সেবা দেওয়া। সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকায় বিদ্যুৎ-পানি অপরিহার্য, এর বিকল্প নেই। তবে সদিচ্ছা থাকলে সেখানেও সঞ্চয় করা যায়। এজন্য নজরদারি থাকতে হবে। কর্তৃপক্ষের কাছে এ ধরনের আচরণ সবাই আশা করে। না হলে সরকারি নির্দেশ অমান্য হচ্ছে। সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা সরকারের নির্দেশ বা নীতিমালা অমান্য করেন এটা নতুন দৃষ্টান্ত নয়। ফলে যারা মানছেন না তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা গেলে অপচয় বন্ধ হবে।

সরকারি হাসপাতালে সরেজমিন দিনরাত ২৪ ঘণ্টাই চলে লাইট ফ্যান বিদ্যুৎ অপচয় বন্ধের নির্দেশ উপেক্ষিত * করিডরে কেউ নেই অথচ ঘুরছে ফ্যান, জ্বলছে বাতি জাহিদ হাসান ২৬ জুলাই ২০২২, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ দেশে বিদ্যুতের অপচয় কমাতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে। সব সরকারি দপ্তরে বিদ্যুতের ২৫ শতাংশ ব্যবহার হ্রাস এবং জ্বালানি খাতের বাজেট বরাদ্দের ২০ শতাংশ কম ব্যবহারের জন্য পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এ অবস্থায় অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজন ছাড়াই দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা সপ্তাহের পর সপ্তাহ চলছে ফ্যান-লাইট। এতে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণের বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনার পরও এ অপচয় বন্ধ হচ্ছে না। গত এক সপ্তাহ সরেজমিন রাজধানীর একাধিক সরকারি হাসপাতাল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। কোনো প্রয়োজন নেই এরপরও দিনের আলোর মধ্যেই বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বলছে। ফ্যান, শীতাতপ যন্ত্র (এসি) ও পানির অপচয় হতে দেখা গেছে। মাসের পর মাস ধরে কর্তৃপক্ষের নাকের ডগায় এভাবে অপচয় হলেও তা রোধে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা যুগান্তরকে বলছেন, রোগীদের প্রয়োজনে সব চিকিৎসাকেন্দ্রে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিতের দরকার আছে। তবে দেশব্যাপী লোডশেডিংয়ে যখন জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা, তখন প্রয়োজন ছাড়াই বিদ্যুতের অপচয় আরও ভোগান্তি বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে চরম সংকটকালে বিদ্যুৎ ব্যবহারে হাসপাতালসহ সবখানে নজরদারি বাড়াতে হবে। অপচয় রোধে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ রোগীর স্বজনদের সচেতন হতে হবে। গত বুধবার দুপুরে রোদের আলো ঝলমল করছিল, ঠিক তখন কলেজ গেটের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল হাসপাতালের জরুরি ও আন্তঃবিভাগ লেখা সাইনবোর্ড ও অনুসন্ধান কক্ষসহ বহির্বিভাগে অন্তত শতাধিক পাওয়ারে ২০টা লাইট জ্বলতে দেখা গেছে। জরুরি বিভাগ থেকে শুরু করে নিচতলার মেডিসিন ভর্তি ওয়ার্ড পর্যন্ত ১০টার বেশি লাইট ও ফ্যান চলছিল। হাসপাতালের বিদ্যুৎ সংযোগে কোম্পানির এলইডি ডিজিটাল দোকান চালানো হচ্ছে। শুধু তাই নয়, নিচতলার ক্যান্টিনের সাইনবোর্ডও এলইডি করা হয়েছে। বহির্বিভাগের দ্বিতীয়তলার হেড নেক সার্জারি, রিউমাটোলজি, রেসপিরেটরি মেডিসিন, চক্ষু, বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের বারান্দা এবং করিডরে কোনো মানুষজন না থাকলেও অন্তত ৪০টি লাইট ও ১০টির মতো ফ্যান চলছিল। অব্যবহৃত আইসিইউ কক্ষ ও সংস্কারাধীন ওয়ার্ডে বিনা প্রয়োজনে বাতি জ্বলছিল। এভাবে পুরো হাসপাতালের বারান্দা, করিডর, সিঁড়ি ও বন্ধ কক্ষে দিনের স্পষ্ট আলোতে প্রয়োজন ছাড়া প্রায় ২০০ লাইট ও ৫০টির মতো ফ্যান চলতে দেখা গেছে। পাশের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটেও বিদ্যুৎ অপচয় দেখা যায়। জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট ও মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে শুধু ভেতরেই নয়, তারা প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ অপচয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে। দুই হাসপাতালের মাঝের ফাঁকা জায়গায় ১৪টি ভাসমান খাবার ও মুদি দোকানে গোপনে হাসপাতালের লাইন থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। সেখানেও দিন-রাতে একাধিক ফ্যান ও লাইট চালানো হচ্ছে। একইভাবে শিশু মেলা থেকে শুরু করে শিশু হাসপাতাল, পঙ্গু হাসপাতাল ও জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সামনে গড়ে ওঠা খাবার হোটেল, ফার্মেসি, সার্জিক্যাল দোকান, রাজনৈতিক অফিস ও জুতা-স্যান্ডেলের দোকানসহ দুই শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। সেখানে রাস্তার বৈদ্যুতিক লাইন থেকে অবৈধভাবে সংযোগ নেওয়া হয়েছে। দুপুরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের সি-ব্লকে ঢুকতে ও নিচতলার লিফটের সামনে দুটি বাতি জ্বলতে দেখা যায়। দ্বিতীয়তলার হিস্টোপ্যাথলোজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি ব্ল্যাড স্যাম্পল কালেকশন বুথের সামনে লোকজন না থাকলেও একাধিক লাইট ও ফ্যান চলতে দেখা যায়। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য তরিকুল যুগান্তরকে বলেন, প্রতিদিনই তো ফ্যান-লাইট চলে। এ ব্যাপারে কেউ প্রশ্ন করে না। অথচ সূত্র জানায়, শিশু হাসপাতালের এ, বি ও সি ব্লক মিলে প্রায় ২৩ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। তবে হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর আলম যুগান্তরকে বলেন, বিদ্যুতের অপচয় রোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরই তিনি প্রত্যেক বিভাগের চিকিৎসক, নার্স ওয়ার্ড মাস্টার, ওয়ার্ডবয় আনসার সদস্যদের নির্দেশ দিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন। নিজেও তদারকি করছেন। নজরদারি বাড়াতে সবাইকে সচেতন করতে আজ থেকে আরও কড়াকড়ি করা হবে। জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (পঙ্গু হাসপাতাল) ভরদুপুরের স্পস্ট আলোতে বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বিভাগে লাইট-ফ্যান চলতে দেখা যায়। এর মধ্যে অনুসন্ধান কক্ষ, জরুরি বিভাগ, জরুরি অপারেশন থিয়েটার কমপ্লেক্স, এক্স-রে, সিটিস্ক্যান, এমআরআই, আল্ট্রাসনোগ্রাম, প্যাথলজি, ব্লাডব্যাংক, ব্রেস সেন্টার, ফিজিওথেরাপি বিভাগ অন্যতম। এছাড়া পরিচালক অফিস, একাডেমিক অফিস, রেন্ট কালেক্টর কক্ষ, স্টাফ ক্যান্টিন ফিজিও থেরাপি ক্লাস রুম ইসিজি

হজে সেলফি প্রবণতা : নষ্ট করছে ইবাদতের মাহাত্ম্য নয়া দিগন্ত অনলাইন ০৪ জুলাই ২০২২, ১৭:৪৮ বর্তমানে মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে এই সেলফি তোলার প্রবণতা - প্রতীকী ছবি হজ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর মহাসম্মেলন। প্রতি বছর জিলহজ্জ মাসে পৃথিবীর সকল প্রান্ত থেকে আগত মুসলিম মিল্লাত ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক।’ এই ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে খানায়ে কা‘বায় সমবেত হন। হজ ও কোরবানিতে মূলত আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইবরাহীম আ:-এর স্মৃতির নির্দশনসমূহ ও তার পরিবারের চরম আত্মত্যাগেরই স্মরণ করা হয়। এর পেছনে রয়েছে এক মর্মস্পর্শী মহৎ ইতিহাস। আল্লাহ তা‘আলার সন্তুষ্টি অর্জনই হজের অন্যতম উদ্দেশ্য। লোক দেখানো যেকোনো ধরনের কার্যক্রমই ইবাদত-বন্দেগির চেতনাকে বিনষ্ট করে দেয়। তবে বর্তমানে হজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও মহান ইবাদতে গিয়েও মোবাইল ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করে সেলফি তথা নিজেদের ছবি তোলায় ব্যস্ত হচ্ছেন অনেক হজযাত্রী। ইহরাম বাঁধার স্থান (মিকাত) থেকে শুরু করে বিমানে, ইহরামে, বায়তুল্লাহ তাওয়াফে, জমজমের পানি পানে, সাফা-মারওয়া সায়িতে, আরাফাতের ময়দানে, মিনার কঙ্কর নিক্ষেপে এমনকি মাথামুণ্ডনেও সেলফি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের হিড়িক চলছে। সেলফি তোলার মূল উদ্দেশ্যই হলো আত্মপ্রদর্শন। যাকে শরিয়তের ভাষায় ‘রিয়া’ বলা হয়। হজের মতো ইবাদতে এহেন হীন কাজের পরিণতি হতে পারে খুবই ভয়াবহ। হাদিসে এসেছে, ‘সামান্যতম রিয়াও (লোক দেখানো আমল) শিরক।’ (সুনান ইবনে মাজাহ : ৩৯৮৯) অন্য হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি লোক দেখানো ইবাদত করে, আল্লাহ এর বিনিময়ে তার লোক দেখানো উদ্দেশ্য প্রকাশ করে দেবেন।’ (সহীহ বুখারী: ৬৪৯৯) বর্তমানে মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়া এই সেলফি তোলা ও ভিডিও করা বিশ্বনবীর (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদিসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। যেখানে মানুষ শুধু আল্লাহকে পেতেই যায়, সেখানে লাইক-কমেন্ট পেতে মরিয়া হওয়া অত্যন্ত গর্হিত কাজ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, ‘পূর্ব ও পশ্চিম দিকে তোমাদের মুখ ফেরানোতে কোনো পুণ্য নেই; পুণ্যবান তো সে-ই, যে আল্লাহর ওপর ঈমান এনেছে, ঈমান এনেছে শেষ দিবসের ওপর এবং সব ফেরেশতা, কিতাবসমূহ ও নবীগণের ওপর।’ (সূরা বাকারা: ১৭৭) এ আয়াতে গভীর শিক্ষা রয়েছে প্রত্যেক ঈমানদারের জন্য। খুব সচেতন থাকতে হবে—ইবাদত যেন শুধু অঙ্গভঙ্গিতে রূপান্তরিত না হয়। প্রতিটি আমলই যেন শুধু আল্লাহর জন্য হয়। মানুষকে দেখানোর কোনো প্রবণতা থাকবে না সেখানে। কারণ আল্লাহ আমাদের অন্তর দেখেন। সেজন্যই মহান রাব্বুল আলামিন ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না তার (কোরবানির প্রাণীর) গোশত ও রক্ত; বরং পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।’ (সূরা হজ : ৩৭) অতএব, হজের সময় হাজিদের সেলফি তোলা থেকে বিরত থাকাই আবশ্যক। তাই হজে যাওয়ার আগে নিয়তকে বিশুদ্ধ করতে হবে। তা না হলে সেলফির মতো অযথা কাজ থেকে বাঁচা যাবে না, কোনো প্রতিফলও পাওয়া যাবে না। মক্কা-মদিনায় শুধু ঘুরে আসা হবে। এছাড়া মনে রাখতে হবে বাইতুল্লাহ জিয়ারত বা হজ মূলত আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইবরাহীম আ:-এর স্মৃতির নির্দশনসমূহ ও তার পরিবারের চরম আত্মত্যাগেরই স্মরণ। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে তাঁর সন্তুষ্টির জন্য হজের মহাসম্মেলনে অংগ্রহণ ও একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্যই কোরবানি করার তাওফীক দান করুন। আমীন! http://t.me/pathofisla

খতমে বুখারীর জলসা হচ্ছে, আর লোকেরা ছবি তুলছে, ভিডিও করছে। কিছু লোক বলে, এর দ্বারা ইউরোপ-আমেরিকা, সারাবিশ্বে ইসলাম প্রচার হয়। যদি কোন সুন্দর চেহারার হুজুরের ছবি দেখলে ইসলামের প্রসার ঘটে তাহলে তো সব নবী-রাসূলদের ছবি, কমপক্ষে প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া ছাল্লাম এর ছবিটা সংরক্ষণ করার দরকার ছিল। আমরা তাঁর ছবি দেখিয়ে দেখিয়ে ইসলাম প্রচার করতে পারতাম যে, দেখুন! কত সুন্দর আমাদের রাসুল! তো লোকেরা এর দ্বারা ইসলাম কবুল করতো। কমপক্ষে বিশিষ্ট কিছু সাহাবীদের ছবি থাকতো। তাদেরকে দেখিয়ে দেখিয়ে আমরা ইসলাম প্রচার করতাম। সেটা তো হয়নি। *ইসলাম এত সুন্দর যে, মানুষ ইসলামওয়ালা জিন্দেগী দেখলেই প্রভাবিত হয়। আমাদের খেয়াল, আমাদের নফসের গোলামি দেখলে কেউ খুশি হবে না। বরং ইসলামের সৌন্দর্য এরকম যে, সারা পৃথিবীকে ইসলাম প্রভাবিত করেছে।* *ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার জন্য শ্রেষ্ঠ তরিকা হলো, পূর্ণ ইসলাম নিজের মধ্যে আনা এবং পূর্ণ ইসলামওয়ালা জিন্দেগী নিয়ে চলা।* 5-6-2022 Photo, Madrasatul Huda, Patwarigali, Purbo Bashabo, Dhaka -মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. ঢালকা নগর, ঢাকা

মহিলাদের উপর গনহারে কোরবানী ওয়াজিব কিন্ত মহিলারা এ ক্ষেত্রে চরম উদাসীন।

মুহাম্মাদ সাজ্জাদুল্লাহ, এলিফ্যান্ট রোড ঢাকা। 978 নং উত্তর: বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলের ভিডিও করা ও ছবি তোলা সংক্রান্ত। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd