uz
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Kanalga Telegram’da o‘tish

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Ko'proq ko'rsatish
801
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
Ma'lumot yo'q7 kun
-130 kun
Postlar arxiv
📢📢📢📢এ'লান📢📢📢📢📢 গত ২৬ জানুয়ারীতে টাঙ্গাইলের হযরতের বয়ান আপলোড দেওয়া হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল যে, "হযরতওয়ালার বয়ানের শেষে করাচীর হযরতের আরেক প্রখ্যাত খলিফা হযরত মুফতী নূরুল আমিন ছাহেব দাঃ বাঃ তাশরিফ আনেন"। আসলে অনেকদিন আগের কথা তাই ভুলে গিয়েছিলাম। মূলত খুলনার হযরতের বয়ানের শেষে টাঙ্গাইলের হযরত তাশরিফ আনেন। এই বিষয়টি উপরের আপলোড দেওয়া বয়ানের শেষটা শুনলেই বুঝতে পারবেন। এই ভুলের জন্য আমরা লজ্জিত। আর এই বয়ানটি আপলোড দিতে সঙ্গত কারণেই দেরী হওয়াতে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। উল্লেখ্য যে, বয়ানের সাইজ বেশ বড় তবে রেকর্ডিং কোয়ালিটি ভাল। এই বয়ানের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো মালফূয আকারে ছোট ছোট করে আপলোড দেওয়ার ইচ্ছা রইল। http://t.me/pathofisla

রূমীয়ে যামানা কুতুবে আলম আরেফবিল্লাহ্ শাইখুল আরব ওয়াল আজম হযরত আক্বদাস মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ এর সুযোগ্য খলিফা, খুলনা মজলিসে দা'ওয়াতুল হক্বের আমির, খানক্বাহ ইমদাদিয়া আশরাফিয়ার পরিচালক মুফতী শাহ্ মুহাম্মাদ নূরুল আমিন ছাহেব দাঃ বাঃ পীর ছাহেব খুলনা ২০১৭ ঈসায়ীতে খানক্বাহ নূরুল আখতার ওয়াল হিকমাহ্, পূর্ব মিতরা, মানিকগঞ্জ এর তিন দিন ব্যাপী বার্ষিক ইছলাহী ইজতেমার দ্বিতীয় দিন আমন্ত্রিত মেহমান হিসেবে অত্যন্ত গূরুত্বপূর্ণ ইছলাহী নসীহত করেন(১১৪ মিনিট) (১০৫ এমবি) সময়ঃ বাদ মাগরিব। বিঃ দ্রঃ বয়ানটি মোবাইলের মাধ্যমে রেকর্ড করা হয়েছিল তাই সাইজ বড় হয়েছে। তবে রেকর্ডিং কোয়ালিটি বেশ ভালো হয়েছে। https://t.me/pathofisla

ইনশাআল্লাহ আগামী ২০ এবং ২১ ফেব্রুয়ারি দারুল ঊলুম দেওবন্দের সম্মানিত মুহতামিম আল্লামা মুফতী আবুল কাসেম নো'মানী ছাহেব দাঃ বাঃ সহ দেশ-বিদেশের ২৬ জন স্বনামধন্য আহলে হক ঊলামায়ে কেরামের মিলনমেলায় মুখরিত হতে যাচ্ছে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামি'আ ইসলামিয়া লালমাটিয়ার ময়দান। আপনিও আমন্ত্রিত। http://t.me/pathofisla

স্থান-কাল-পাত্র ভেদে সম্বোধনের শিরোনাম ভিন্ন ভিন্ন হয় হযরতওয়ালা মুহিউস সুন্নাহ রহঃ বলেন, হযরত থানভী রহঃ থানা ভবনে ঈদের নামায পড়ালেন। ঈদের খুতবা শেষে ঘোষণা করলেনঃ ঈদের নামাযের পর মুসাফাহা করাকে উলামায়ে কেরাম বিদআত লিখেছেন। ফতোয়া দেয়া তো মুফতী হাযারাতদের কাজ। তবে বেশি পরিমাণে মুসাফাহার দ্বারা আমার কষ্ট হয় (দূর্বলতার কারণে)। পরবর্তীতে আমি (হযরতওয়ালা হরদুঈ রহঃ) হারদুঈয়ের ব্যাপারে হযরতওয়ালা থানভী রহঃ কে জিজ্ঞেস করলাম যে, হযরত! ঈদের নামাযান্তে মুসাফাহা থামানোর জন্য আমার শিরোনাম কেমন হওয়া উচিত? ইরশাদ করলেনঃ আপনার ওখানে (হারদুঈয়ে) "বিদআত" শব্দটি কঠিন হয়ে যাবে। বরং আপনার এখানে সমীচীন হল এভাবে বলা- "এটা সুন্নাত নয়"। এ শিরোনামটি নরম। প্রত্যেক স্থানের অবস্থা অনুযায়ী সম্বোধনের শিরোনাম হওয়া উচিত। যাই হোক, এসব ব্যাপারে নিজ মুরুব্বীদের সাথে পরামর্শ করতে থাকবে। অন্যায় কাজের ব্যাপারে আপত্তি তো অবশ্যই করবে কিন্তু তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করবে না। শিরোনাম যেন কঠিন না হয়। এসব বিষয় আল্লাহওয়ালা বুযুর্গানে দ্বীনের সংশ্রব ব্যতীত শুধু ইলম দ্বারা বুঝে আসে না। আলহামদুলিল্লাহ! আমাদের এখানে উপযুক্ত শিরোনামে বারবার অন্যায় কাজের ব্যাপারে বলতে বলতে এখন হারদুঈয়ের ঈদগাহেও এ রেওয়াজ বলতে গেলে পরিত্যক্ত হয়ে গেছে। মাজালিসে আবরার থেকে মালফূয নং ১৬৭ পৃষ্ঠা ১৬০ http://t.me/pathofisla

দিলের ভিতর ওয়াসওয়াসা আসা ইমানের আলামত। ওয়াসওয়াসা আসার কারণ ও প্রতিকার(১.৬ এমবি) -শাইখুল হাদীছ আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী ছাহেব দাঃ বাঃ http://t.me/khanqaSN

ছবি তোলা গুণাহের কাজ (১১৫ কেবি) -আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল মাতিন বিন হুছাইন ছাহেব দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

বেলা গেল সন্ধ্যা হলো, কাজ তো বাকি রইলো।এক বুড়িমার এই কথা শুনে দারোগার জীবন পাল্টে যায়। শ্রেষ্ঠ নসীহত হলো, নিজেকে সর্বদা কবরবাসী মনে করা। মুমিন বান্দার এই পৃথিবীর একেকটা মুহূর্ত অনেক দামি। দুনিয়ার জীবন হলো আখেরাতকে সাজানোর জন্য। আখেরাতে গিয়ে সেটা উপভোগ করা হবে।এজন্য বান্দা এই দুনিয়াতে যতটা প্রস্তুতি নিবে, যতটা সে মেহনত করবে, ত্যাগ স্বীকার করবে তত বেশি তার আখেরাত কামিয়াব হবে। এজন্য এখানে গাফেল থাকার কোনো সুযোগ নেই। t.me/qaumiboyan

☑️☑️কখন মিথ্যা বলা যায়☑️☑️☑️ অবশ্য শরীয়তসম্মত প্রয়োজনের তাকীদে কোন কোন অবস্থায় মিথ্যার আশ্রয় লওয়ার অনুমতিও আছে। যেখানে সত্যকথা বলিলে কোন গুণাহের কাজে পড়িতে হয়, অথবা এমন কোন ক্ষতি হওয়ার প্রবল আশংকা থাকে, যাহা মিথ্যার ক্ষতির তুলনায় অতি বড়; এমন স্থলে মিথ্যার আশ্রয় গ্রহণ করিলে গুণাহ হইবে না। দুঃখের বিষয়, অজ্ঞ লোকেরা নিজেদের মনগড়া আবশ্যকতাকে প্রকৃত আবশ্যকতা মনে করিয়া যেখানে-সেখানে মিথ্যা বলিতে দ্বিধাবোধ করে না। অথচ আমরা বলিয়াছি যে, প্রাণ ওষ্ঠাগত হইলে যেমন হারাম জিনিস খাইয়া প্রাণ বাঁচান যায়, তেমন কোন বিশেষ বিপদে পতিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা হইলেই মিথ্যা কথা বলা চলে। যে যে ব্যাপারে মিথ্যা বলা জায়েয, সে সমস্ত স্থলেও খোলাখুলিভাবে মিথ্যা কথা না বলিয়া কথাটি ঘুরাইয়া ফিরাইয়া চাপা দেওয়ার উপায় অবলম্বন করিবে। কারণ, জায়েয স্থলে মিথ্যা বলিতে বলিতে মিথ্যার অভ্যাস হইয়া গেলে, হয়ত শেষে না-জায়েয জায়গায়ও মিথ্যা কথার অভিলাষ জন্মিতে পারে। বিঃ দ্রঃ উক্ত প্রবন্ধের মাঝখান থেকে নেওয়া। বাকিটুকু জানতে পাঠ করুনঃ তাবলীগে-দ্বীন হযরত ইমাম গাযালী রহঃ পৃষ্ঠা ৬২ প্রকাশকঃ এমদাদিয়া লাইব্রেরী চকবাজার, ঢাকা গায়ে মুদ্রিত মূল্যঃ ১৩০ ৳ http://t.me/pathofisla

মানুষকে কষ্ট দেওয়ার বিভিন্ন সুরত (ধরণ)(২ এমবি) -শাইখুল হাদীছ আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী ছাহেব দাঃ বাঃ http://t.me/khanqaSN

🌧 বৃষ্টি হওয়ার সময় পড়বে🌧🌧 اَللّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا. অর্থঃ হে আল্লাহ! (এ বৃষ্টিকে) কল্যাণকর, বরকতপূর্ণ এবং উপকারী বানিয়ে দিন। (ইবনে মাজাহ হাদীস নং-৩৮৮৯/ আবু দাউদ হাদীস নং-৫০৯৯) মাসনূন দু'আ ও দুরূদ হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব ছাহেব দাঃ বাঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla

গোশতের রক্ত কাপড়ে লাগলে কি হুকুম - প্রশ্ন: কিছুদিন আগে আমি বাজার থেকে গরুর গোশত কিনি। আসার সময় মসজিদে গিয়ে যোহরের নামায আদায় করি। পরে দেখি, কাপড়ের নিম্নাংশে গোশতের ব্যাগ থেকে কিছু রক্ত লেগে আছে। জানতে চাই, আমার ঐ নামায কি আদায় হয়েছে? উত্তর: যবাইয়ের সময় বের হওয়া প্রবাহিত রক্ত নাপাক, কিন্তু গোশতের রক্ত নাপাক নয়। সুতরাং প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে কাপড়ে যদি গোশতের রক্তই লেগে থাকে তাহলে তা নাপাক হয়নি এবং আদায়কৃত নামায সহীহ হয়েছে। ফাতাওয়া খানিয়া ১/১৫; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১০১; আলবাহরুর রায়েক ১/২২৯; আদ্দুররুল মুখতার ১/৩১৯; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১/৪৩১ (মাসিক আলকাউসার ; ডিসেম্বর ২০১৪) http://t.me/dinimazlis

ঢাকার বড় কাটারা মাদরাসায় শিক্ষকতাকালীন একটি ঘটনা (১.৯ এমবি) -শাইখুল হাদীছ আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী ছাহেব দাঃ বাঃ http://t.me/khanqaSN

দ্বীনী মাহফিলের ক্ষেত্রে একটি বর্জনীয় কাজ (১.৩ এমবি) -শাইখুল হাদীছ আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী ছাহেব দাঃ বাঃ http://t.me/khanqaSN

🔥🔥সূদী টাকার হুকুম🔥🔥🔥 যারা শরয়ী বিধান না জানার কারণে শরীয়ত বিরোধী পন্থায় লেন-দেন করার কারণে কিছু সূদী টাকা তার মালিকানায় চলে এসেছে কিংবা ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শরী‘আতের বিধি-বিধানের পাবন্দি ছিলনা। কিন্তু এখন সে তাওবা করে সূদ থেকে মুক্তি পেতে চাচ্ছে, তারা সাওয়াবের নিয়ত ছাড়া ঐ টাকা ফকীর-মিসকিন অথবা কোন কল্যাণকর কাজে ব্যয় করে দিবে। (ফিকহী মাকালাত ৩/২২) হালাল কামাই হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব ছাহেব দাঃ বাঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi

(মোবাইলের মাধ্যমে) মানুষের, অন্য কোন প্রণীর ছবি তোলা, সেলফি তোলা এবং ভিডিও করা যে একটি মারাত্নক বড় কবীরা গুণাহ এই অনূভুতিটুকুও বহু মুসলমানের অন্তর থেকে বের হয়ে গেছে। আয় আল্লাহ্‌! আমাদেরকে ধ্বংস করবেন না। আয় আল্লাহ্‌! আমাদের উপর রহম করুন যেন আমরা গুণাহকে গুণাহ মনে করতে পারি এবং তা থেকে পরহেজ থাকতে পারি। http://t.me/pathofisla

হালঃ এই নরাধমের অনেক দিনের মরয সুন্দরীদের প্রতি তাকিয়ে থাকার আকাঙ্খা। ইতিপূর্বে এটা একটু একটু করে বৃদ্ধিই পাচ্ছিল। কিন্তু আল্লাহর মেহেরবানি হুযূরের বরকতে এখন সেটা অনেক কমে গেছে। এরূপ ক্ষেত্রে দৃষ্টিকে সরিয়ে নেই কিন্তু মাঝে মাঝেই নফ্স গালেব হয়ে যায়। কিন্তু তাৎক্ষণাত সাবধান হয়ে যাই এবং তওবা, ইস্তিগফার পড়ে নেই। এক্ষেত্রে আমার ধারণায় মূল রোগ এই যে, আমার ভেতরে এমন একটি আকাঙ্খা লুকানো আছে যে, সুন্দরী মহিলারা আমাকে দেখুক, আমার প্রতি তাদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হোক। এজন্য নফ্স চায় যে, আমি যেন এমন পথ দিয়ে চলাফেরা করি যে পথে সুন্দরী মহিলারা আমাকে দেখতে পাবে। নফ্সের চালবাজী বুঝতে পেরে বেশিরভাগ সময় আমি ঐ রূপ পথ পরিহার করে চলি। কিন্তু অবাধ্য নফ্স কখনো প্রবল হয়ে উঠে এবং সেই পথে নিয়ে যেতে চায়। হযরত থানভী রহঃ এর বিশ্লেষণঃ এখতিয়ারী (যেসকল বিষয় নিজের ইচ্ছাধীন) বিষয়ের এলাজ (চিকিৎসা) হিম্মত, সাহস ও সংকল্প ছাড়া কী হতে পারে? অবশ্য ঐ হিম্মত ও সাহসকে বলবান করতে নিজের উপর কোনো জরিমানা নির্ধারণ করে নেওয়া ভালো। যখনই এরকম হয়ে যাবে একশ রাকা'আত নফল (নামায) পড়ে নেবেন। তারবিয়াতুস সালিক ১ম খন্ড পৃষ্ঠা ৩০০ http://t.me/pathofisla

জনৈক মুরীদ লিখেনঃ হুজুর! লোকদের অনুরোধে আমি লম্বা সূরা দ্বারা নামায পড়াই। আমার পড়াও চমৎকার। তাই কোন কোন সময় মনে বেশ আনন্দ লাগে, ক্বুরআন তো আমি ভালই পড়ি। তবে চিন্তা করি- এটা নিছক আল্লাহর দান, এতে আমার কোন কৃতিত্ব নেই। এখন প্রশ্ন হল- এসলাহে নফস তথা আত্নশুদ্ধির জন্য আমার এ ধারণা বিশুদ্ধ কিনা? জবাবে হযরত থানভী রহঃ লিখেন--- মাসনূন সূরাগুলোর মধ্য থেকে সবচাইতে ছোট সূরা দিয়ে নামায পড়াও। এটা হল তোমার আমলী এসলাহ। মনে রাখা দরকার নফসী এসলাহ এ ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়, চাই কর্মগত সংশোধন। মুজাদ্দিদে মিল্লাত থেকে পৃষ্ঠা ১১০ http://t.me/pathofisla

জুতা ধরার আদবও শিখতে হয়- http://t.me/dinimazlis