uz
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Kanalga Telegram’da o‘tish

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Ko'proq ko'rsatish
801
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
Ma'lumot yo'q7 kunlar
-130 kunlar
Postlar arxiv
*🍂নাবালেগের হক🍂* হযরত থানবী (রহঃ) ইরশাদ করেন, যদি কোন ব্যক্তির যিম্মায় নাবালেগের কোন হক ওয়াজিব থেকে থাকে তবে তা আদায় করার সহজপদ্ধতি হলো, ঐ নাবালেগকে এমন কোন কিছু তৈরী করে (বা ক্রয় করে) দিয়ে দিবে যা বিশেষভাবে সেই ব্যবহার করবে, যেমন জামা-কাপড়, জুতা ইত্যাদি। হযরত থানবী (রহঃ) বলেন, ছোট ছেলেমেয়েদের জন্য যে জুতা ক্রয় করা হয় বা জামা-কাপড় তৈরী করা হয় সেগুলোর ক্ষেত্রে সতর্কতামূলক এমনটি করা উচিত যে, সেগুলোর মালিক ঐ ছেলে বা মেয়েকে না বানিয়ে নিজের মালিকানায় রেখে দিবে যাতে কোন জুতা বা কাপড় এক বাচ্চার পরনে ছোট হলে তা অন্য বাচ্চাকে ব্যবহার করতে দেয়া যায়। কিন্তু যদি কোন জুতা বা কাপড়ের ক্ষেত্রে কোন একজন ছেলে বা মেয়েকে মালিক বানিয়ে দেয়া হয়, তবে পিতার জন্যও জায়েয নয় সে জামা বা জুতা অন্য কোন ছেলে বা মেয়েকে পরিধান করতে দেয়া। 📖 মাজালিসে হাকীমুল উম্মত ||| পৃষ্ঠাঃ১২৯ ────⊱◈🌼◈⊰──── Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/DFAet3iiqoX8wcQ3X7J7A1

*দস্তরখানে ভিন্ন ভিন্ন প্লেটে খাওয়া কি ইহুদিদের তরিকা?* ‘দস্তরখানে ভিন্ন ভিন্ন প্লেটে খাওয়া ইহুদিদের তরিকা। এটা খেলাফে সুন্নত।’ -মাওলানা মুহাম্মদ সা‘দ দারুল উলুম তার ব্যাপারে যথাযথই বলেছে। (মওলবী মুহাম্মাদ সা‘দ সাহেব ইলমের স্বল্পতার দরুন নিজের চিন্তাধারা ও মতাদর্শ এবং কুরআন ও হাদীসের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে জুমহূর আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের পথ থেকে ক্রমশ সরে যাচ্ছেন; যা নিঃসন্দেহে গোমরাহীর পথ।) নতুন করে ফাতওয়া দিলেন ‘দস্তরখানে ভিন্ন ভিন্ন প্লেটে খাওয়া ইহুদিদের তরিকা। এটা খেলাফে সুন্নত।’ কে বলেছে একথা। আমাদের জানা মতে এমন কথা কেও বলেনি। বলতেও পারেনা। এটা তো কুরআনের অনুমোদিত বিধান। আল্লাহ কুরআনে বলেন, তোমরা একত্রে খাও বা পৃথক-পৃথক তাতেও তোমাদের কোন গুনাহ নেই।–সুরা নূর/৬১, উক্ত আয়াতের ভাষ্য একদম পরিস্কার। বিখ্যাত মুফাসসির হাফেয ইবনে কাছীর রহ. এই আয়াতের তাফসীরে লিখেন, আল্লাহর পক্ষ থেকে অবকাশ দেওয়া হয়েছে একাকী খাওয়ার এবং জামাতের সাথে খাওয়ার। যদিও জামাতের সাথে খাওয়া অধিক উত্তম ও বর্কতপূর্ন। যেমন একজন সাহাবী এসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা খাই, কিন্তু পরিতৃপ্ত হইনা। জবাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সম্ভবতঃ তোমরা পৃথক পৃথক খাও। তারা বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তোমরা একত্রিতভাবে খাও এবং আল্লাহর নাম স্মরণ কর। এতেই তিনি তোমাদের মধ্যে বরকত প্রদান করবেন।–তাফসীরে ইবনে কাসীর ৬/৮৫, (1) আল্লামা মুহাম্মাদ ইবনে জারীর তাবারী রহ.বলেন, আল্লাহ মুসলমানদের থেকে জটিলতা তোলে নিয়েছেন। তারা ইচ্ছা করলে সবাই এক সাথেও ক্ষেতে পারে আবার ইচ্ছা করলে আলাদা পৃথকও ক্ষেতে পারে।– তাফসীরে তাবারী ১২/২৭২, (2) কুরআনের বিধান যদি হয় ইহুদীদের তরীকা তাহলে এরচে’ দুঃখজনক কথা আর কী হতে পারে!!! (1)فهذه رخصة من الله تعالى في أن يأكل الرجل وحده، ومع الجماعة، وإن كان الأكل مع الجماعة أفضل وأبرك، كما رواه الإمام أحمد: حدثنا يزيد بن عبد ربه، حدثنا الوليد بن مسلم، عن وَحْشيّ بن حَرْب، عن أبيه، عن جده؛ أنّ رجلا قال للنبيّ صلى الله عليه وسلم: إنا نأكلُ ولا نشبَع. قال: "فلعلكم تأكلون متفرقين، اجتمعوا على طعامكم، واذكروا اسم الله يُبَاركْ لكم فيه". (2)إن الله وضع الحرج عن المسلمين أن يأكلوا جميعا معا إذا شاءوا، أو أشتاتا متفرّقين إذا أرادوا، মুফতি হাসান মাহমুদ দা: বা: Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/Hi77bAcYyH6H6GydTSetga *আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকা তুহ প্রশ্ন: মোবাইলে অপ্রয়োজনীয় ছবি গুনাহের কাজ এটা জেনে অনেকে আর ছবি তুলেন না। কিন্তু যেগুলো এরআগেই তুলে ফেলেছেন হয়তো পরিবারের সাথে, বেড়াতে গিয়ে, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, নিজের ইচ্ছা ইত্যাদি। এখন কি পূর্বের সব ছবি কেটে দিবে?? মৃত্যু কখন আসে কে জানে অথবা মোবাইল ও যেকোনো সময় চুরি হয়ে যায় তাহলে কি পূর্বের সব কিছু কেটে দিবে???

*একটি #নাজায়েয প্রচলন : চুল বিক্রি করা-* অনেক এলাকায় দেখা যায় ফেরীওয়ালারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে ঘুরে মহিলাদের জমানো চুল ক্রয় করে। আর মহিলারাও অজ্ঞতাবশত চুল বিক্রি করেন। এটি একটি নাজায়েয কাজ, এ থেকে বেঁচে থাকা আবশ্যক। মানুষের কোনো অঙ্গ- প্রত্যঙ্গ, কোনো অংশ বিক্রি করা জায়েয নয়। মানুষকে যেমন আল্লাহ তাআলা সম্মানিত বানিয়েছেন তেমনিভাবে মানুষের সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এমনকি চুল, নখ ইত্যাদি কর্তিত অংশও সম্মানিত এবং এগুলো বিক্রয়যোগ্য কোনো বস্ত্ত নয়। সুতরাং এগুলো বিক্রি করা যাবে না। সম্ভব হলে দাফন করে দেয়া উত্তম। (মুফতী আবদুল মালেক দা: বা:, মাসিক আলকাউসার পত্রিকা) এ লেখাটির লিংক Www.alkawsar.com/article/1134 Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/JnJ0e8jPmFEFGThBoMnnxv

আলহামদুলিল্লাহ রমজান মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। নতুন চাঁদ দেখলে (এই দু'আ) পড়বে اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالأَمْنِ وَالإِيمَانِ ، وَالسَّلاَمَةِ وَالإِسْلاَمِ ، رَبِّي وَرَبُّك اللَّهُ . অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি এ চন্দ্রকে ঈমান ও নিরাপত্তা এবং শান্তি ও ইসলামের সাথে উদিত করুন, (এবং হে চাঁদ!) আমার ও তোমার প্রতিপালক এক আল্লাহ। (তিরমিযী, হাদীস নং-৩৪৬০/ মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-৭৭৬৭) https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla

*নবী (আঃ) গণের বিচ্যুতিও রহমতস্বরূপ* হযরত থানবী (রহঃ) ইরশাদ করেন, মহান আল্লাহ নবী (আঃ)গণকে যে উচ্চ মর্যাদার নৈকট্য দান করেছেন এবং তাদেরকে সকল গুনাহ থেকে নিষ্পাপ করে বানিয়েছেন এটি যেমন আল্লাহ পাকের একটি বিশেষ রহমত ও নেয়ামত। অনুরূপ কোন কোন সময়ে নবী (আঃ)গণ থেকে কোন ব্যাপারে কিছুটা বিচ্যুতি প্রকাশ পাওয়ার যেসব ঘটনা পবিত্র কুরআনে আলোচিত হয়েছে সেগুলোও রহমতস্বরূপ এবং তার মধ্যেও রয়েছে বিশেষ হিকমত ও রহস্য। এমনটি ঘটার একটি বিশেষ ফায়েদা হলো, মানুষ যাতে নবী (আঃ)গণকে খোদা বলে ভাববার সুযোগ না পায়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছোট-খাটো বিচ্যুতি প্রকাশ পাওয়া এবং তার প্রেক্ষিতে আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে সতর্ক করার বিষয়টি আমাদেরকে একথা পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দেয় যে, নবী (আঃ)গণও আল্লাহ পাকের বান্দা ছাড়া অন্য কিছু নন। হযরত হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী (রহঃ) বলতেন, নবী (আঃ)গণের সর্বদা উচ্চ সম্মান ও নৈকট্য বর্ধিতই হতে থাকে। যেসব বিষয়কে তাদের বিচ্যুতি বলে প্রকাশ করা হয় শেষ ফলাফলে সেগুলোও তাদের মর্যাদা বৃদ্ধির কারণ হয়ে যায়। কেননা তাঁরা সে ব্যাপারে অবগত হওয়ার পর খুব রোনাজারী (কান্নাকাটি) এবং ইস্তিগফার করে থাকেন। 📖 মাজালিসে হাকীমুল উম্মত ||| পৃষ্ঠাঃ১২০ Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/DFAet3iiqoX8wcQ3X7J7A1

14-3-2023 Photo Mongolbar Bad Asar Tarbiyati Majlis, Baitul Haq Jame Masjid, Dhalkanagar, Dhaka তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর- মঙ্গলবার বাদ আসর সাপ্তাহিক তরবিয়তী মজলিসে ফটো তোলা থেকে বিরত থাকার বিষয়ে বলেন, জিব্রিলে আমীন বলেন যে, ছবি রাখা যাবে না, সমস্ত নবী-রাসূলদের যিনি শ্রেষ্ঠ তিনি বলেন, ছবি রাখা যাবে না। এখন আমরা নতুন যমানা আবিষ্কার করেছি যে, ইসলামের সেবা আর ইসলামের আওয়াজ পৃথিবীতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ছবি রাখতে হবে। ভাই! ছবি কেন রাখতে হবে? এটা বুঝলাম না। ছবি কি জন্য রাখতে হবে? আওয়াজ পৌঁছায়ে দেন। সারা দুনিয়ার মুসলমানরা রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লামকে দেখে নাই তারা কি আল্লাহর রাসূলকে মানে না! দেখি নাই মানবো কেমনে? এটা বলে কেউ? এটা শুধুই একটা বাহানা মাত্র, একটা একদমই বিভ্রান্তি যে, ছবি দিয়ে ইসলাম প্রচার করতে হবে। যারা এ সকল করছেন কোনভাবেই এটা ঠিক হচ্ছে না, সম্পূর্ণ ভুল কাজ। আল্লাহ তাআলা ছবির প্রতি আমাদের অন্তরে ঘৃণা পয়দা করে দেন। #KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain

লেসানে হাকিমুল উম্মত আরেফ বিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ আব্দুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দা.বা. এর বিশিষ্ট খলীফা হযরত মাওলানা জহিরুল ইসলাম সাহেব দা.বা. এর গুরুত্বপূর্ণ বয়ান। বিষয়বস্তুঃ ছবি তোলা ভিডিও করা এবং আল্লাহওয়ালাদের সোহবতের গুরুত্ব।

শবে বরাতে ইবাদতের ফযীলত বিষয়ে ঈসা আ. ও বুযুর্গ বৃদ্ধের কাহিনী ১৫ই শাবানের রাত অর্থাৎ ১৪ই শাবান দিবাগত রাতকে ফার্সী, উর্দূ ও বাংলা ভাষায়  শবে বরাত বলা হয়। হাদীস শরীফে এ রাতকে ‘লাইলাতুন নিছফি মিন শাবান’ বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান  হল, এ রাতের ফযীলত সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। সম্মিলিত কোনো রূপ না দিয়ে এবং এই রাত উদ্যাপনের বিশেষ কোনো পন্থা উদ্ভাবন না করে বেশি ইবাদত করাও নির্ভরযোগ্য রেওয়ায়েত দ্বারা প্রমাণিত। এই রাতকে অন্যসব সাধারণ রাতের মত মনে করা এবং এ রাতের ফযীলতের ব্যাপারে যত হাদীস এসেছে তার সবগুলোকে ‘মওযূ’ বা ‘যঈফ’ মনে করা যেমন ভুল তেমনি এ রাতকে শবে কদরের মত বা তার চেয়েও বেশি ফযীলতপূর্ণ মনে করাও ভিত্তিহীন ধারণা। বাড়াবাড়ি ছাড়াছাড়ি কোনোটিই উচিত নয়। যতটুকু ফযীলত প্রমাণিত এ রাতকে ততটুকুই গুরুত্ব দেওয়া উচিত এবং এ কেন্দ্রিক সকল মুনকার রসম-রেওয়াজ পরিহার করা উচিত। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন- মাসিক আলকাউসার-এর শাবান ১৪২৬ হি./ সেপ্টেম্বর ২০০৫ সংখ্যা ‘বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির কবলে শাবান ও শবে বরাত’; শাবান-রমযান ১৪২৯ হি./আগস্ট ২০০৮ সংখ্যা ‘শবে বরাত : কিছু ভ্রান্তি নিরসন’। যাইহোক, এ রাতের ফযীলত বিষয়ে কিছু মানুষের মধ্যে যেমন ছাড়াছাড়ি রয়েছে তেমন বাড়াবাড়িও রয়েছে। আর এ বাড়াবাড়ি থেকেই এ বিষয়ক বিভিন্ন জাল বর্ণনা ও কিচ্ছা-কাহিনী সমাজে ছড়িয়েছে। সেগুলোর একটি হল- একদিন নাকি হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম আল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলেন, আল্লাহ! এ যামানায় আমার চেয়ে বুযুর্গ আর কেউ আছে কি? উত্তরে আল্লাহ বললেন, অবশ্যই; তুমি একটু সামনে অগ্রসর হও। ঈসা আলাইহিস সালাম চলতে লাগলেন। একটু পর প্রকা- এক গোলাকার পাথর দেখে দাঁড়িয়ে গেলেন। গায়েব থেকে আওয়াজ এল- হে ঈসা! তোমার হাতের আছা দ্বারা তাতে আঘাত কর। তিনি আঘাত করলেন। পাথরখ-টি দুই ভাগ হয়ে গেল। ঈসা আলাইহিস সালাম দেখতে পেলেন, তার মধ্যে তাসবীহ হাতে এক যঈফ বৃদ্ধলোক ইবাদাতে মগ্ন; তার সামনে একটি আনার পড়ে আছে...... https://www.alkawsar.com/bn/article/2194/

Photo from Kawsar Habib
Photo from Kawsar Habib

*ডিজিটাল ছবি-* শেষ যমানায় কেয়ামতের আগে দ্বীনের নামে বদদ্বীনিকে দ্বীনের কাজ মনে করা হচ্ছে। যেই মসজিদে জুমার নামাজের ভিডিও করা হয় ঐ মসজিদে যাওয়াই ঠিক না। ওখানে না যাওয়া চাই। কাল কেয়ামতে কমিটির উপরও আল্লাহর পক্ষ থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে যে, তোমার মসজিদে এই কাজ করা হয়েছে। তুমি বন্ধ করোনি কেন? এই যমানায় শুধু ঐ ওলামায়ে-দ্বীনের অনুসরণ করা চাই, যারা দেড় হাজার বছরের পূর্বসূরী ওলামায়ে-দ্বীন কোরআন সুন্নাহর যে ব্যাখ্যা করেছেন, সেই ব্যাখ্যার ফলোয়ার যারা, অনুসারী যারা। আর পূর্বসূরী হক্কানী ওলামায়ে দ্বীনের বিপরীত পথে যারা চলে, তাদের থেকে আমাদের দূরে থাকা চাই। নইলে হকের ওপরে থাকার আমাদের কোন রাস্তা বাকি থাকবে না। #KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain 13.2.2023 Photo, Mesbahul Uloom Madrasa Purbo Lalmohon, Bhola. Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♦♦♦ https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z *আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹 *আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹

১৯২. গুনাহ্গারকে বে-ইজ্জতি করা হারাম হযরতওয়ালা মুফতী সাহেব হুজুর দামাত বারাকাতুহুম বলেন, কেউ কোন গুনাহ বা অন্যায়ের মাঝে থাকলে তাকে ফিরিয়ে আনতে হবে, তার সম্মানহানি করা বে-ইজ্জতি করা হারাম। যেমনটি করেছিলেন শায়েখ আবু আব্দিল্লাহ আন্দালুসির মুরিদানরা, কান্নাকাটি করে চোখের পানি ফেলে তাকে ফিরিয়ে এনেছেন, কিন্তু অপমান অপদস্ত করেন নি। শাইখুল হাদীস মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা