এসো সংশোধনের পথে
Kanalga Telegram’da o‘tish
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
Ko'proq ko'rsatish801
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
Ma'lumot yo'q7 kunlar
-130 kunlar
Postlar arxiv
আল্লাহওয়ালাগণ নিজেদের চোখের পানিতে আল্লাহর নৈকট্যের নূরও অনুভব করতে পারেন যা সাত সমুদ্রের পানিতে নেই।
আল্লাহ্ওয়ালাদের সঙ্গে ওঠাবসা চলাফেরা করার ফলে জীবনের যে পরিবর্তন সাধন হয় সেটাই তাঁদের ফয়েয।
মহব্বত ছাড়া কোন এবাদতে রূহ পয়দা হয় না। আর এ মহব্বত আল্লাহ্ওয়ালাদের সোহবত ব্যতীত অর্জন হয় না।
আল্লাহ্ যাকে চান তাকে তাওফীকের রশি দিয়ে নিজের দিকে টানেন।
অাল্লাহর জন্য যাঁরা সর্বদা ছটফট করতে থাকেন তাঁদের যেয়ারতও অনেক বড় ধরনের নেয়মত। ওলী হওয়ার এটা একটা শক্তিশালী বাহন।
যৌবনের বেসামাল ঝড়ের এক্সিডেন্ট থেকে নিরাপদ থাকার রক্ষাকবচ হল আল্লাহ্ওয়ালাদের সোহবত। তাঁরা হেদায়েতের ধ্রবতারা।
শাইখুল উলামা আবদুল মতীন বিন
হুসাইন দা:বা: (ডিসেম্বর ২০১৬)
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/BniZD8fL16N3DEnL8Pz8zK
*আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹
আমি পথ ভুলেছি পূবাল হাওয়া যাওরে মদীনায়
আমার সালাম পৌছে দিও নবীজির
(সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রওজায়...
http://t.me/pathofisla
এই জামানায় বিশেষ করে দুইটা গুনাহ থেকে বাঁচো, তাহলে তুমি আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছে যাবে।
═════✾❖✾═════
হযরত, মুফতি মোহাম্মদ ইয়াহইয়া সাহেব দাঃবাঃ
সংক্ষিপ্ত বয়ান
t.me/sunnahbd
সম্পুর্ন বয়ান
t.me/boyan24
WhatsApp
https://chat.whatsapp.com/CuzhKo4OME72o71H4lnbo2
★প্রিয়জনদের কাছে শেয়ার করে সদকায়ে জারিয়ায় শরিক হোন। জাযাকাল্লাহ★
অহঙ্কারের একটি বিস্ময়কর চিকিৎসা
হযরত থানভী রহঃ বলেন, এক ব্যক্তি 'কিরাণায়' যখন বাইআত হতে আসে, তখন অন্য একজনের হাতে করে মিষ্টি নিয়ে আসে। আমি বুঝতে পারি যে, তার মধ্যে আত্নম্ভরিতা ও অহঙ্কারের জীবাণু আছে।
ঘটনাক্রমে আমাকে কয়েক জায়গায় যেতে হয়। আমি তাকে বলি যে, আমি এখানে অবসর পাইনি, আমাকে ওমুকের ওখানে যেতে হবে, সেখানে গিয়ে হয়তো বাইআত করতে পারবো। সেখানে চলুন। সুতরাং মিষ্টির পাত্র হাতে নিয়ে তিনি আমার সঙ্গে চললেন। সেখানে পৌছেও আমি একই কথা বলি যে, কি বলবো, এখানেও তো অবসর পেলাম না। অমুক জায়গায় চলুন। মোটকথা এভাবে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত মিষ্টির পাত্রসহ বাড়ী বাড়ী তাকে ঘোরালাম এবং ইচ্ছা করে বাজারের পথ হয়ে যাচ্ছিলাম। সে ব্যক্তি হাতে মিষ্টির পাত্র নিয়ে সাথে সাথে ঘুরছিল।
যখন আমি তাকে খুব নাজেহাল করলাম এবং খুব বুঝতে পারলাম যে, হ্যাঁ এখন তার অন্তর থেকে এ জঘন্য জীবাণু বের হয়ে গেছে, তখন মুরীদ করলাম এবং আমার এ আচরণের কারণও তার সামনে তুলে ধরলাম। সুতরাং অহঙ্কারের মতো এতো মারাত্নক ব্যাধি-যা বহু বছরের সাধনা ও মুজাহাদার মাধ্যমেও যায় না- এই ব্যবহারের মাধ্যমে আল্লাহ্র মেহেরবানীতে দুই ঘন্টার মধ্যে চলে যায়।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৭৬০
পৃষ্ঠা ৩৫৩
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
০৯/০৪/১৯ ঈ.
http://t.me/pathofisla
যারা সারাক্ষণ ফেসবুক আর ইউটিউব নিয়ে ব্যস্ত থাকে তারা কুকুরের চেয়েও অধম
অন্ধকার ঘর পোকামাকড়ের বাসা আর অন্ধকার অন্তর আজেবাজে টেনশনের বাসা
রহমান, সামাদ আল্লাহর নাম। এজন্য আবদুর রহমানকে রহমান ভাই বলা, অনুরূপ আবদুস সামাদকে সামাদ ভাই বলা জায়েয নেই।
দ্বীনের প্রতিটি কথা প্রত্যেকেরই অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বলা উচিত।
যারা জনপ্রতিনিধি এবং যাদের কথা দ্রুত অন্যরা অনুৃকরণ করে তদেরকে দ্বীনী কথা খুব সাবধানে বলা জরুরী।
ধর্ম সবই সমান বা বিগত অন্য সকল আসমানী ধর্ম ইসলামের সমান - এরূপ বিশ্বাস করা সম্পূর্ণ কুফরী।
শাইখুল উলামা আবদুল মতীন বিন হুসাইন দা:বা:
30.12.2016 জুমুআর আগের বয়ান
whatsApp এ
মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর বয়ান ও কবিতা নিয়মিত পেতে জয়েন হোন নিচের লিংকে https://chat.whatsapp.com/8KkCAlBGsMcLYUK3eJhs6e
ইংরেজ অপশাসনের কুফল
কিন্তু আমার সরলপ্রাণ আব্বা যখন তাঁর একমাত্র পুত্রকে এসব কথা বোঝাতেন, তখন এ বিষয়টা বোধহয় বিবেচনা করতেন না যে, ইংরেজ চলে গেছে সত্য, কিন্তু ইংরেজের কুশিক্ষায়, পরিচর্যায় ও বিশেষ পরিকল্পনায় ওদের যে বশংবদ শ্রেণীটি সৃষ্টি হয়েছে, এরাই শয়তানের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য যথেষ্ট। শুধু কি তাই? অর্ধশতাব্দীকাল অতিক্রান্ত হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, ইংরেজরা এক'শ নব্বই বছরের অপশাসনে ইসলামী বোধ-বিশ্বাস এবং কৃষ্টি-সভ্যতার যে ক্ষতি করতে পারেনি, ইংরেজের মানস সন্তানেরা তার চাইতে অনেক বেশী সর্বনাশ করে ফেলেছে।
উস্তাদ মাওলানা নূর মুহাম্মাদ আজমীর রহ. মুখে শুনেছিলাম- ইংরেজরা যে পর্যন্ত নিশ্চিন্ত না হয়েছে যে, ওদের অনুপস্থিতিতে (ওদের) অনুচরেরা দক্ষতার সাথে ইসলাম ও মুসলমানদের অনেক বেশী সর্বনাশ করতে সক্ষম হবে, ততদিন এদেশ ছাড়েনি। সুতরাং লড়াই হবে এখন ঘরে ঘরে। ভাইয়ে-ভাইয়ে। এমন কি পিতা-পুত্রে। এক দিকে দ্বীনদার অন্যদিকে দ্বীন থেকে ছিটকে যাওয়া ফাসেক-ফাজের শ্রেণী। একদিকে কুরআন-হাদীসে শিক্ষিত আর একদিকে বস্তুবাদী স্থূল শিক্ষার অভিশাপে বিবেকহারা মানুষ।
পৃথিবীব্যাপীই ইংরেজ শয়তানেরা যে অঞ্চল দিয়ে গেছে, সে দিকটাই একেবারে দুর্গন্ধযুক্ত করে ছেড়েছে। ইংরেজ বা পাশ্চাত্যের অন্যান্য খৃষ্টান সম্রাজ্যবাদীদের অপবিত্র পা যেসব ভূখন্ডে পড়ে নাই, সে এলাকাগুলি এতটা কলুষিত হয়নি।
এহেন পরিস্থিতিতে জীবনের উন্মেষকালেই জীবন সাধনার যে গ্যারাকলে আটকে গিয়েছিলাম, অর্ধশতাব্দীকালের অবিরাম সাধনার পরও তা থেকে বের হয়ে আসার পথ খুঁজে পাচ্ছি না।
ইংরেজ-ফিরিঙ্গিরা এদেশে এসেছিল ক্রুসেড যুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে। প্রায় দু'শ বছরকাল তারা সে প্রতিশোধ প্রাণভরেই নিয়েছে। তারপরও এমন একটা পাকাপোক্ত ব্যবস্থা করে গেছে যে, নিজের ঘরেই আমাদিগকে সে প্রতিহিংসার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। খৃষ্টানী চিন্তা চেতনার রক্ষক এখন আর ক্রুসেড যোদ্ধারা নয়; মুসলমানদের ঘরে জন্মগ্রহণকারী উচ্ছিষ্টভোগী বরকন্দাজেরাই সে অপকর্মটা বেশ দক্ষতার সাথে করছে। প্রখ্যাত উর্দূ কবি আকবর এলাহাবাদীর ভাষায়ঃ
"ইস ঘর কো আগ লাগী হ্যায়
ঘর কি চেরাগ ছে"
অর্থাৎ অন্ধকার দূর করার উদ্দেশ্যে প্রজ্বলিত বাতির আগুনেই এখন আমাদের বাস্তুভিটা জ্বলছে!
জীবনের খেলাঘরে
পৃষ্ঠাঃ ১৪০
-মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ.
প্রকাশনায়ঃ মদীনা পাবলিকেশন্স
প্রথম প্রকাশঃ সেপ্টেম্বর ২০০১ ঈসায়ী
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
০৬/০৪/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
"আলেম মুক্তিযোদ্ধার খোঁজে" বইটি সম্পর্কে কিছু কথা কিছু ব্যথা-
বহু আলেমেদ্বীন 1971 সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এ বিষয়ে ধারণা পেতে জনাব শাকের হোসাইন শিবলী সাহেবের লেখা "আলেম মুক্তিযোদ্ধার খোঁজে" 912 পৃষ্ঠার বইটি পড়া যেতে পারে।
জনাব শাকের হোসাইন সাহেবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং সঙ্গে সঙ্গে একটি কষ্টের কথা না বলে পারছি না। সেটা হচ্ছে তিনি এই বইয়ের বহু জায়গায় (পৃষ্ঠা নং ৫১, ৫৩, ৫৭, ১৫১, ১৪৯ ১৫৮ ৩০৩ ২৯৯ ২৯১ ২৬৭ ১৬৩ ৪৮৫ ৩৯৬ ইত্যাদি)
মানুষের ছবি ছেপে দিয়েছেন। এমনকি এই বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় ভিতরের মলাটে নিজের ছবিও ছেপে দিয়েছেন।
প্রাণীর ছবি কাগজে ছেপে দেওয়া সুস্পষ্টভাবে মারাত্মক রকমের গুনাহ। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর ( রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন: "যারা ফটো বানায়, কিয়ামতের দিন তাদের শাস্তি দেয়া হবে এবং তাদের উদ্দেশ্যে বলা হবে, যা তোমরা বানিয়েছ তাতে জীবন দাও।" [বুখারি ও মুসলিম শরীফ]
হযরত আবুহুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: "ফেরেস্তা ওই ঘরে প্রবেশ করে না, যাতে প্রানীর ফটো রয়েছে।" [মুসলিম শরিফ]
হযরত হুজাইফা (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফটো নির্মাতাদের ওপর লানত বর্ষণ করেছেন।" [বুখারি শরীফ]
এই বইয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি। এই বইয়ের যে সকল কপি এখনো অবিক্রিত রয়ে গেছে, সেগুলোর ছবি মিটিয়ে তারপর মেহেরবানী করে বিক্রি করবেন। আর পরবর্তী সংস্করণে এই ছবিগুলি মিটিয়ে তারপর কিতাবটা ছাপবেন বলে আমরা আশা রাখি।
আর যারা এ বইটি কিনবেন অথবা কিনেছেন তারা পড়ার পূর্বে মেহেরবানী করে এই ছবিগুলি কলমের কালি দিয়ে মুছে তারপর পড়া চাই। স্মরণ রাখা চাই, সর্বাবস্থায় নিজেকে গুনাহ থেকে বাঁচাতে হবে।
1.1.2021
ছবি বিষয়ক আরেকটি পোষ্ট ♥♥♥
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=108416707699353&id=108175671056790
রবিউল আকরাম
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/IrLs1ayfDmZJmfgePB10JC
*আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹
আলোকিত জীবন পোষ্ট নং ২৩১
খুছুছি মজলিসের অত্যন্ত মূল্যবান ইসলাহী নসীহত
-আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা:
বিষয়ঃ
০১. নফসের ফাঁদে যে পড়েছে তার সর্বনাশ হয়ে গেছে
০২. বিবির তিক্ত কথা সহ্য করার ফযিলত
স্থানঃ মাদরাসা ইদারাতুল মা'আরিফ, মুক্তাগাছা, মোমেনশাহী
তারিখঃ ৩০ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি ১৭/১২/২০ ঈসায়ী বৃহস্পতিবার
বিঃ দ্রঃ যাদের বিবি তিক্ত কথা বলে তাদের জন্য এই বয়ানটি কার্যকরী ঔষধের মতো কাজ করবে ইনশাআল্লাহ।
http://t.me/khanqaSN
হযরত মাওলানা মুফতী মাসউদুর রহমান কাসেমী সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর মালফূযাত
মানুষ অভাবী থাকে তার মনের বাসনা পূরণ করতে গিয়ে, মানুষ যদি তার মৌলিক প্রয়োজন পূরণ করে তার কোন অভাব নাই।
পাকিস্তানের বিখ্যাত শায়েখ জুলফিকার আহমেদ নকশাবন্দী দামাত বারকাতুহুম এর এক শিক্ষণীয় ঘটনা।
@MuftiMasudKasemi
হযরতওয়ালা মুফতি মনসুরুল হক দামাত বারকাতুহুম বলেন, মানুষের হায়াত নির্দিষ্ট তবে যে ব্যক্তি,
১. নেক পথে চলে
২. হালাল খানা খায়
৩. ইনসাফের সাথে চলে
আল্লাহ তাআলা তাকে দিয়ে অনেক কাজ করায় নেয় যা করতে কয়েকটা মানুষের দরকার। আর যারা গুনাহের পথে চলে আল্লাহর নাফরমানীর পথে চলে তাদের হায়াতের বরকত আল্লাহ উঠিয়ে নেয়। সে ৭০ বছর হায়াত পেলেও আমলনামা খালি! তার সময় কখন কিভাবে নষ্ট হয়ে গেছে সে নিজেই জানে না।গুনাহ এমন জিনিস যা হায়াতের বরকতকে নষ্ট করে দেয়। আর নেক আমাল হায়াতের বরকতকে বাড়িয়ে দেয়।
খুছুছি মজলিসের আজিমুশ্মান ইলহামী ইসলাহী নসীহত
-আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা:
বিষয়ঃ
০১. আল্লাহ্ তা'আলার রহমতকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে নিজের অক্ষমতার সর্বোচ্চ প্রকাশ ঘটানো (সর্বোচ্চ আবদিয়াত প্রকাশ করা)
০২. হক কথা না বললে মানুষ নিরাপদ থাকে না, বরং আসল অনিরাপত্তা শুরু হয়। সর্বাবস্থায় হক কথা বলা, কাউকে ভয় না করা। হক না বলা মানে শয়তানের সাথে আপোস করা। বাতিলের সাথে আপোস করে আর কতোদিন চলবো...
০৩. হক বলতে গিয়ে আমাদের আকাবিরদের অবর্ণনীয় কষ্ট স্বীকার করতে হয়েছে।
স্থানঃ মাদরাসা বাইতুল হাবীব, লাহেড়ীপাড়া, ফুলবাড়িয়া, মোমেনশাহী
সময়ঃ ২৯ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি ১৬/১২/২০ ঈসায়ী বুধবার বাদ ফজর
http://t.me/khanqaSN
ছবি তোলা, ভিডিও করা গুনাহ। এটা কোন সুন্নত না, কোন ইবাদত না, কোন নেক আমল না। একটা অন্যায় কাজকে, গুনাহের কাজকে লোকেরা এখন উল্লাস এবং ফুর্তির কাজ বানায়ে নিয়েছে।
ছবি তোলে
দলে দলে
মাহফিলে মাহফিলে
কী তরিকা এটা?
ভাই!
দ্বীন শেখাও,
ঈমান শেখাও,
ইসলাম শেখাও,
নামায শেখাও,
রোযা শেখাও,
আল্লাহর মহব্বত-মারেফত এবং ভয় শেখাও,
এগুলো আখেরাতের সম্পদ।
ছবি নিয়ে মাতামাতি!
এটা কোন্ ইসলাম?
এটা নিয়ে লোকেরা এত বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েছে যে, যেখানে যাও সেখানেই ছবি!
কী এটা ?
হাজার বছর পর্যন্ত কি ইসলাম ল্যাংড়া ছিল যে, এটাকে এখন জোড়াতালি দিয়ে সোজা করতে হবে, পুরা করতে হবে? বড় ভুল করছি আমরা! এরকম না করা চাই।
ছবি যদি এত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হতো যে, হুজুরের ছবি, পীর সাহেবের ছবি, গাউসে আযম এর ছবি হেফাজত করলে এগুলি বরকত তো সবচেয়ে বেশি বরকতওয়ালা তো রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লামের ছবি হতো। সে ছবি তো আল্লাহপাক হেফাজত করেননি। এখন আমাদের ছবিতে বরকতই বরকত!
এগুলো আবেগ এবং জযবার জিনিস না। ইবাদত-বন্দেগির তরিকা আল্লাহর রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম শিক্ষা দিয়েছেন। ওহী এবং দ্বীন ও শরীয়ত আসমান থেকে এসেছে। বস্ সাদামাটা ইসলামের উপর চলি, আগে জান্নাতে চলি।
ভুলকে ভুল মনে করাও একটা গুণ, এটাও একটা নেক আমল এবং অপরাধকে অপরাধ মনে করাও একটা নেক আমল।
মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর জীবন গড়ার এক আযীমুশশান বয়ান।
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/DtaWMZGNhlQGpu4OYZhuyr
*আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹
নিজের ভুলের ব্যাখ্যা দেওয়া ঘৃণাযোগ্য বিষয়
হযরত থানভী রহ. বলেন, নিজের ভুলের ব্যাখ্যা দিয়ে তা ঠিক প্রমাণ করার প্রতি আমার খুব ঘৃণা হয়। ভুল স্বীকার করে ৫০ বার অপরাধ করলেও অতো খারাপ লাগে না, যতো খারাপ লাগে একবার ব্যাখ্যা দিয়ে ভুলকে সঠিক প্রমাণ করার চেষ্টা করলে।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৮১৯
পৃষ্ঠা ৩৭৮
http://t.me/pathofisla
ইসলামী এডমিনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি : পর্ব ১৩
প্রাণীর ডিজিটাল ছবি এবং ভিডিওকে জায়েয মনে করার কুফল এবং সাম্প্রতিক সময়ের তিনটি ঘটনা।
ফেসবুকে বহু মানুষ দীনের লেবাস পরিধান করে মানুষের ঈমান আমলের ডাকাতি করছে।
গোটা ইন্টারনেট ই ভয়ংকর জায়গা। এর মধ্যে ফেসবুক এবং ইউটিউব আরো বেশি ভয়ংকর। এখানে অনেক মানুষ আছে যারা ইসলামের লেবাস পরিধান করে ইসলাম নিয়ে লেখালেখি করে। কিন্তু তারা নিজেরাও নিজেদের ঈমান আমল ক্ষতিগ্রস্ত করতে থাকে এবং অপর মুসলমানদের ঈমান আমলেরও ক্ষতি করতে থাকে। এক জামানা ছিল যখন মুসলমানরা প্রাণীর ছবিকে হারাম মনে করত।
এই জায়েজ মনে করতে করতে গত কিছুদিনের মধ্যে যে সকল ঘটনা সামনে আসলো, তার মধ্যে সর্বশেষ যেটা আজকে এক ব্যক্তি আমার ইনবক্সে একটা মেসেজ পাঠিয়েছে...
এক সময় তারা শুধুমাত্র পুরুষদের ভিডিও শেয়ার করত। কিন্তু দিন দিন তাদের নফসে আম্মারার চাহিদা বাড়িতেছিল, প্রবল হইতেছিল। বাড়তে বাড়তে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সেই চাহিদা মেটাতে তাকে এখন মহিলার ভিডিও পোস্ট করতে হচ্ছে। শয়তান এখন---
বিস্তারিত পড়ুন ♥♥♥
t.me/islamijibon/952
এডমিন বিষয়ক পর্ব নং ১২
t.me/alokitojibon/1823
রবিউল আকরাম
পোষ্ট নং ১৪৭০ তাবলীগ
🎤 তাযকিয়া-১
❒ সময়ঃ ০৩:০৯
দিলের দশটা রোগ দূর করে দশটা ভালো গুন অর্জন করাই তাযকিয়া। এই তাযকিয়ার একমাত্র ব্যবস্থা হল আল্লাহওয়ালাদের সুহবত।
সুহবত থেকে সাহাবী। এছাড়া সাহাবায়ে কেরামের হাজারো গুন ছিল কিন্তু সেগুলো দিয়ে তাদের নাম রাখা হয়নি। কেন?
এটা বুঝানোর জন্য যে কিয়ামত পর্যন্ত দ্বীন আসার একটাই রাস্তা হল সুহবত।
বহু ছেলে মাদ্রাসায় পড়ে ধ্বংস হবে আবার বহু ছেলে স্কুলে পড়ে কামিয়াব হবে। কেন? পার্থক্য হল সুহবত কে উঠাইছে।
❒ মালফূজাত নং - ৮৫
মুফতী মনসূরুল হক দা. বা.
━━━━━━━ • ✿ • ━━━━━━━
পোস্টটা প্রিয়জনের কাছে শেয়ার করি। ইনশাআল্লাহ বহুত ফায়দা হবে।
পোষ্ট নং ১৪৬৫ b সোহবত
