uz
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Kanalga Telegram’da o‘tish

Ko'proq ko'rsatish
Mamlakat belgilanmaganToif belgilanmagan
1 099
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
+227 kunlar
+2630 kunlar
Postlar arxiv
জীবনে সবাই শেখে। কেউ কেউ শেখার জন্য বেছে নেয় খুব কষ্টের পথ। আপনি যে জিনিস হয়ত মধ্য বয়সে শিখছেন, তা হয়ত অনেকে কৈশোরে শিখে ফেলেছে। কেউ হয়ত স্কুল জীবনে যা শেখার কথা, আজো তা শেখেনি। এগুলো চিন্তা করে অবাক হবেন, তাতে লাভ নেই। আসল বিষয় হলো, আপনি কখন শিখবেন। যখনই হোক, জীবনে যখন "ঠেকে শিখবেন" তখনই আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ হতে হয়। প্রকৃতপক্ষে, যতই শিখবেন, শেখার সময়টা অবশ্যই কষ্টের, কিন্তু না শেখা জীবন হতাশা আর গ্লানির। যারা কখনই শেখে না, বুঝেও বুঝে না, দেখেও অনুভব করে না--তারা আজীবন বুকের জ্বালায় দগ্ধ হয়ে মরে। কষ্টের উৎস খুঁজে না পাওয়ার যে জ্বালা, সেটা তারা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করে। কেউ ক্লাসরুমে আনন্দ করে শেখে, কেউ শেখে শুভাকাংখীর উপদেশ থেকে। আবার নির্মম শিক্ষা হলো খুব বড় ক্ষতি থেকে শেখা। তবুও, শেখা শেখাই। একটা কথা বহুল প্রচলিত, "শিখেছি কোথায়? ঠেকেছি যেথায়"। তাই শেখায় কোন লজ্জা নেই, বয়স নেই। ঐ যে বলে না? 'better late than never'-- দেরিতে হলেও শিখুন। শেখাই জীবন। শিখলেই জীবন বদলায়। কিন্তু শেখার পথটা খুব কষ্টের। খুব। যে কোন চিন্তা, অভিজ্ঞতা আমাদের যা শেখায়, তা একটা দুর্গম পথ। কিন্তু, শেখা ছাড়া জীবন হয় না। 'পড়ো, তোমার প্রভুর নামে, যিনি তোমায় সৃষ্টি করেছেন,' -- শেখার এক পরম আদেশ, হালাল-হারাম, অমুক-তমুক, ইত্যাদি চিন্তা করার আগেই শিখতে দৌড়াতে হবে। যারা সাধারণ বাক্যই উপলব্ধি করতে পারে না, চোখের সামনে, নিজের জীবনে শত-সহস্র ঘটনা থেকেও শিখতে পারে না। ধর্মের কথা, হালাল-হারাম আর পাপ-পুণ্যের গল্প বলে সে তো কেবল অন্যের ক্ষতিই করবে। আল্লাহ তো দিন-রাত্রির পরিবর্তনে, আকাশ আর দুনিয়ার সৃষ্টির মাঝে তাকিয়ে থেকে চিন্তাশীলদের শেখার আমন্ত্রণ দিয়েছেন। কয়টা হৃদয় সত্যিকারের শিখতে পারি? এই আকাশ আর পৃথিবী, রাত আর দিনে কী কী শিখেছি তা পয়েন্ট করে লিখে নিজেরাই লজ্জায় পড়ে যাবো না? শিখতে হবে। একদম শিশুদের মতন শেখা। শেখাতেই রয়েছে মুক্তির শুরু। শেখার মাঝেই রয়েছে কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার চাবি। সবাই আটকে পড়ে আছি কারাগারে-- অজ্ঞতা, অন্ধত্ব, অহং, হিংসার কারাগার। আলো দাও খোদা। 'নূরুন আলা নূর' কবে একটানা হতেই থাকবে আমাদের হৃদয়ে? ©

photo content

photo content

রবি বিন খুসাইমের এক মেয়ে একবার তাকে বলল, বাবা, কী হলো, আমি সকল মানুষকে ঘুমাতে দেখি, আর তুমি ঘুমাও না? উত্তরে রাবি ইবনে খাইসাম রহ. বললেন, তোমার বাবা অপ্রয়োজনীয় ঘুমে সময় কাটানোতে আজাবের ভয় পায়। [হৃদয়ের দিনলিপি : ১৪২]

বিয়ে করার দ্বারা শুধু যৌনতাড়নাই নয়, বরং অন্যান্য বড় বড় গুনাহ থেকে বাঁচাও সহজ হয়ে যায়। উপকরণ হিসেবে গুনাহ থেকে পূর্ণরূপে বেঁচে থাকার জন্য বিয়ে করা অত্যাবশ্যকীয়। অবিবাহিত ব্যক্তি মেহনত-মুজাহাদার দ্বারা নিজেকে গুনাহমুক্ত রাখতে সক্ষম হলেও তার মন-মস্তিষ্ককে জৈবিক কল্পনা-জল্পনা থেকে মুক্ত রাখতে পারে না। এ কারণে যেকোনো সময় তার গুনাহে জড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিবাহের পর গুনাহে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে চলে না গেলেও অবশ্যই তা অনেকটাই হ্রাস পায়। মোটকথা, বিবাহের দ্বারা স্বীয় যৌনতাড়নাকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। অর্থাৎ বৈধ পন্থায় প্রয়োজন পূরণের মাধ্যমে হারাম থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়। -শায়খ জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী [বই : এখন যৌবন যার]

photo content

photo content

photo content

নিজেকে বাদশাহ বাদশাহ মনে হচ্ছে 😷
নিজেকে বাদশাহ বাদশাহ মনে হচ্ছে 😷

যেমন : ছোটবেলায় খেলনাপাতি, কৈশোরে সাইকেল, যুবক বয়সে বিয়ে...
যেমন : ছোটবেলায় খেলনাপাতি, কৈশোরে সাইকেল, যুবক বয়সে বিয়ে...

হোসাইন ভাইয়ের লেখা দারুণ। বাচ্চাদের জন্য কাজগুলো আরও দারুণ হবে বলে আশাবাদী।
হোসাইন ভাইয়ের লেখা দারুণ। বাচ্চাদের জন্য কাজগুলো আরও দারুণ হবে বলে আশাবাদী।

ইমাম হাতিম আল-আসাম (রহ.) ছিলেন তাবিয়ি যুগের একজন বিখ্যাত ইসলামি ব্যক্তিত্ব। তিনি তাঁর যুহদ বা দুনিয়াবিমুখতার জন্য অধিক পরিচিত ছিলেন। একবার তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, আপনি কীভাবে তাওয়াক্কুল অর্জন করেছেন? তিনি জবাবে বলেন, চারটি বিষয়ের মাধ্যমে। প্রথমত, আমি জেনেছি আমার জন্য বরাদ্দকৃত রিজিক অন্য কেউ খেতে পারবে না। এতে আমার অন্তর প্রশান্ত হয়ে গেছে। দ্বিতীয়ত, আমি জেনেছি আমার জন্য নির্ধারিত কাজ অন্য কেউ করবে না। ফলে আমি কাজে ব্যস্ত হয়ে গেছি। তৃতীয়ত, আমি জেনেছি মৃত্যু যেকোনো সময় এসে পড়বে। ফলে আমি তার ব্যাপারে প্রস্তুতি নিয়েছি। চতুর্থত, আমি জেনেছি, আমি আল্লাহর দৃষ্টির বাইরে নই। ফলে আমি (কৃতকর্মের ব্যাপারে) লজ্জিত থেকেছি। (ইমরান রাইহান ভাইয়ের 'খিলাফাহ' বই থেকে)